You are currently viewing এসএসসি ২০২২ শারীরিক শিক্ষা ১১তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান

এসএসসি ২০২২ শারীরিক শিক্ষা ১১তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমাদের জন্য আমাদের আজকের আয়োজন এসএসসি ২০২২ শারীরিক শিক্ষা ১১তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান। এখানে তোমরা ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য 11 সপ্তাহের শারীরিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট এর উত্তর পেয়ে যাবে।

এসএসসি ২০২২ শারীরিক শিক্ষা ১১তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট

২০২২ সালে করোনাকালীন সময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর তোমাদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে। ২০২১ সালে তোমাদের একটি গ্রিড দেয়া হয়েছিল সেই গ্রিডে একুশটি এসাইনমেন্ট এর কথা বলা আছে যার ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালের নবম, দশম এবং একাদশতম অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়েছে।

আজকে আমরা তোমাদের এসএসসি ২০২২ শিক্ষাবর্ষের অর্থাৎ দশম শ্রেণীর শারীরিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট ১১ সপ্তাহ ২০২২ এর উত্তর প্রকাশ করব।

দশম শ্রেণির একাদশ সপ্তাহের শারীরিক শিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ২০২২

এসএসসি ২০২২ শারীরিক শিক্ষা ১১তম অ্যাসাইনমেন্ট নম্বর ১
সপ্তম অধ্যায়: বয়:সন্ধি কাল ও প্রজনন স্বাস্থ্য

এসএসসি ২০২২ শারীরিক শিক্ষা একাদশ সপ্তাহ আ্যাসাইনমেন্টঃ
বয়ঃসন্ধিকালীন মানসিক ও শারীরিক পরিবর্তনগুলি শনাক্তকরণ এবং মানসিক চাপ মোকাবেলার কৌশল নিরুপণকরণ।

২০২২ এসএসসি অ্যাসাইনমেন্ট ১১ সপ্তাহ শিখনফল/বিষয়বস্তুঃ
অধ্যায় ৭ম:

  • বয়ঃসন্ধিকাল ও বয়ঃসন্ধিকালের পারব।
  • বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের সময় কী করণীয় তা নির্ধারণ করতে পারব।
  • বয়ঃসন্ধিকালে বিভিন্ন প্রকার মানসিক চাপ মোকাবিলার কৌশলগুলো ব্যাখ্যা করতে পারব।

SSC 2022 ASSIGNMENT 11TH WEEK নির্দেশনা (সংকেত/খাপ/ _ পরিধি)ঃ

  • মানসিক পরিবর্তনের ধারণা
  • মানসিক পরিবর্তন শনাক্তকরণ
  • শারীরিক পরিবর্তন শনাক্তকরণ
  • মানসিক চাপ মোকাবিলার উপায়

দশম শ্রেণির একাদশ সপ্তাহের শারীরিক শিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ২০২২

অ্যাসাইনমেন্ট শুরু

’ক’ প্রশ্নের উত্তর

মানসিক পরিবর্তনের ধারণাঃ
একজন মানুষের শরীরের বৃদ্ধি নির্ভর করে তার শরীরের গঠন আর পুষ্টির উপর । দশ বছর বয়স থেকে বড় হওয়া শুরু হলেও সবার বেড়ে ওঠা একই রকম নয়। কেউ তাড়াতাড়ি বড় হয়ে ওঠে, কেউবা কিছুটা দেরিতে । এতে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। কারণ, একেক জন মানুষের শরীরের গঠন একেক রকম।

এ সময় ছেলে-মেয়েদের শরীকিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানসিক পরিবর্তন হয়। সবার ক্ষেত্রে পরিবর্তনগুলো একই সময়ে নাও হতে পারে, তবে পরিবর্তনগুলো খুব স্বাভাবিক।

বয়ঃসন্ধিকালে মানসিক পরিবর্তনগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
১। বয়ঃসন্ধিকালীন সময়ে ছেলেমেয়েদের নিজেদের শরীর সম্পর্কে কৌতুহল হয়, শরীরের পরিবর্তন বিষয়ে জানতে চায়।

২। নারা-পুরুষের সম্পর্ক বষস জানতে চায়
৩। নিজেদের বড় ভাবতে শুরু করে।

৪। ছেলেমেয়ের পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ করে।

৫। অজানা জিনিস জানার বিষয়ে কৌতুহলী হয়।

৬। চেহারা, সৌন্দর্য ও পোশাক সম্পর্কে সচেতন হয় এবং অন্যের মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করে।

৭। কেউ আবার একা থাকতে পছন্দ করে, কারো সামনে যেতে চায় না। একটা সঙ্কোচ কাজ করে তাদের মধ্যে

৮। এ বয়সে মন চঞ্চল হয়ে ওঠে। দ্বিধা-দ্বন্দ, আবেগ আর অস্থিরতা কাজ করে । কখনো মন বিষন্ন হয়ে ওঠে, আবার কখনো মন খুশিতে ভরে যায়। কেউ হয়ে ওঠে অভিমানী কেউবা কৌতহলী ।

৯। তবে এই পরিবর্তনগুলো সাময়িক। বড় হওয়ার সাথে সাথে সব স্বাভাবিক হয়ে যায়।

১০। কৈশোর বা বয়ঃসন্ধিকাল কৌতুহলের বয়স। নিজের শরীর সম্পর্কে জানতে চাওয়া ভালো এবং এতে লজ্জা পাবার কিছু নেই । কিছু জানতে ইচ্ছা করলে বা কিশোর-কিশোরীরা, কোনো সমস্যায় পড়লে বাবা-মা বা বড়দের সাথে এ ব্যাপারগুলো আলাপ করতে অস্বস্তি বোধ করে এবং সমবয়সি বা বন্ধুদের সাথে আলোচনা করে । স্বাভাবক হয়ে যায়।

১০। কৈশোর বা বয়ঃসন্ধিকাল কৌতুহলের বয়স। নিজের শরীর সম্পর্কে জানতে চাওয়া ভালো এবং এতে লজ্জা পাবার কিছু নেই। কিছু জানতে ইচ্ছা করলে বা কিশোর-কিশোরীরা কোনো সমস্যায় পড়লে বাবা-মা বা বড়দের সাথে এ ব্যাপারগুলো আলাপ করতে অস্বস্তি বোধ করে এবং সমবয়সি বা বন্ধুদের সাথে আলোচনা করে।

১১। এ বয়সে ছেলেমেয়েরা বন্ধুদের প্রতি বেশি নির্ভরশীল হয়, বন্ধুদেরকে বেশি গুরুত্ব দেয়, বন্ধুদের দ্বারা বেশি প্রভাবিত হয়। বন্ধু তাদের জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। তাই ভাল বন্ধু নিবচিন করা খুব দরকার ।

’খ’ প্রশ্নের উত্তর

বয়ঃসন্ধিকালে মানসিক পরিবর্তনগুলি শনাক্তকরণ নিমে উল্লেখ করা হলোঃ
১। স্বাধীনচেতা মনোভাব পোষন করে এবং সব বিষয়ে স্বাধীনতা চায়।
২। বাবা মা বা পরিবারের সান্নিধ্যে চেয়ে বন্ধু-বান্ধবের সহচর্য বেশী পছন্দ করে।

৩। এ সময় কিশোর-কিশোরীরা আত্মনির্ভর হতে চেষ্টা করে।

৪। অনেক নতুন বন্ধু-বান্ধব এর সাথে মেলামেশা করে।

৫। নতুন কিছুর দিকে আগ্রহ থাকে।

৬। আত্ম সচেতন হবার কারণে নতুন নতুন পোষাক এবং ফ্যাশন সচেতন পোষাক এর দিকে বেশী মনোযাগী হয়।

৭। খাবার-দাবার এর প্রতি অনীহা দেখায় এবং কিশোরীরা কম খেয়ে ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখতে চায়।

৮। গোপনীয়তা বজায় রাখতে চায়, তার নিজস্ব একটা জগত তৈরী করে নেয়।

৯। শ্নেহ ভালবাসার জন্য সবস্ব ত্যাগ করতে প্রস্তুত থাকে।

১০। পারিপার্থিক পরিবেশের সাথে সহজে খাপ খাওয়াতে পারে না।

১১। বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক পরিবর্তনের কারণে নিজেকে নিয়ে বিব্রত থাকে।

’গ’ প্রশ্নের উত্তর
বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক পরিবর্তনগুলি শনাক্তকরণ নিম্নে উল্লেখ করা হলোঃ

১। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ১০ বছর এবং ১৯ বছর বয়সের মাঝামাঝি সময়টাকে কৈশোর বলে। এর যে কোন সময়ে বয়ঃসন্ধিকাল আসতে পারে। এটা মূলত কৈশোর ও যৌবনের মধ্যবর্তী পর্যায়

২। অনেক সময় ১৯ বছরের পরও বয়ঃসন্ধির ব্যাপ্তি থাকতে পারে যা বিভিন্ন দেশ, সংস্কৃতি, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপনের ওপর নিরভর করে।

৩। চিকিৎসকদের মতে, মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকাল, ছেলেদের চাইতে কিছুটা আগে শুরু হয়। মূলত ১০ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে যেকোনো সময় তা হতে পারে।

৪। অন্যদিকে ছেলেদের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকাল আসে ১১ থেকে ১৫ বছর বয়সের মধ্যে ।

৫। এ বয়সে মেয়েদের উচ্চতা বাড়ে। শরীরের বিভিন্ন অংশ স্ফীত হয়। বাহুমূল ও যৌনাঙ্গে লোম গজায় । মাসিক শুরু হয়। বাহুমূল ও যৌনাঙ্গে লোম গজায় । মাসিক শুরু হয়।

৬। তেমনি ছেলেদের ক্ষেত্রে, এসময় তাদের দেহের উচ্চতা দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে, গলার স্বর ভারি হয়ে আসে, কাঁধ চওড়া হয়, পেশী সুগঠিত হয়। মুখে দাড়ি-গোঁফ ওঠে সেইসঙ্গে শরীরের নানা জায়গায় বিশেষ করে, বুকে, বাহুমূলে ও যৌনাঙ্গে লোম গজায় । এই সময়ে ছেলেরা একটু বেশি ঘামে।

৭। বয়ঃসন্ধির এই সময়টা ছেলে মেয়ে উভয়ের প্রজনন ক্ষমতা বিকাশ হতে থাকে বলে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ণ বোধ হয়।

৮। অনেক সময়ে ঘুমের মধ্যে ছেলেদের বীযশ্বলন হয়ে থাকে । যা অস্বাভাবিক কিছু রয় । এটি বয়ঃসন্ধির একটি লক্ষণ ।

’ঘ’ প্রশ্নের উত্তর
বয়ঃসন্ধিকালে মানসিক চাপ মোকাবিলার উপায়গুলি নিম্নে উল্লেখ করা হলোঃ

এই সমস্যাগ্তলির জন্য একমাত্র ও সবেত্তিম সমাধান বাবা-মায়ের নিঃশর্ত ভালোবাসা এবং যত্র। তাদের সেরা বন্ধু হতে হবে। তাদের আবেগের বিষয়গুলি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলে মানসিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। বয়ঃসন্ধিকাল এমন এক সময়, যখন বাবা-মা তাদের বাচ্চাদের জীবনের দৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করতে চায়। অবশ্যই এটি ধৈর্য এবং দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

পিতা-মাতাকে তাদের সন্তানের সাথে বয়ঃসন্ধিকাল সম্পর্কে মুক্ত মনে কথা বলতে হবে । তাদের সাথে ভাল এবং খারাপ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করতে হবে । তারা যে ভুল পথে অগ্রসর হতে পারে এটা তাদের বোঝাতে হবে। ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় সতর্ক এবং সন্তান স্মার্ট ডিভাইসগুলির সাথে কীভাবে কাজ করছে তা নিরীক্ষণ করতে হবে এবং সর্বপরি সন্তানের সাথে বেশি সময় ব্যয় করতে পারেন যাতে ভালোবাসা এবং বিশ্বাসের বন্ধনটি গড়ে ওঠে । তারা আপনার সাথে তাদের চিন্তাভাবনা, অনুভূতি এবং সমস্যার কথা বলতে পারে।

অ্যাসাইনমেন্ট শেষ

আরো পড়ুনঃ

আমাদের ইউটিউব লিংক
https://www.youtube.com/channel/UCea_DqYt9NegZgE5A-mdIag
ফেজবুক পেজ (সমস্যা ও সমাধান)
https://web.facebook.com/shomadhan.net
assignment all class (6-9)📝📝
https://web.facebook.com/groups/287269229272391

প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply