সপ্তম শ্রেণির বাংলা পাখি

পাখি
লীলা মজুমদার
লেখক ও রচনা সম্পর্কিত তথ্য

 লেখক পরিচিতি 
নাম লীলা মজুমদার।
জন্ম পরিচয় জন্ম : ১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দ। জন্মস্থান : কলকাতার বিখ্যাত রায় পরিবারে, গড়পার রোডের বাড়িতে।
পিতৃ ও মাতৃ পরিচয় পিতা : প্রমদারঞ্জন রায়। মাতা : সুরমা দেবী।
শিক্ষাজীবন লারটো কনভেন্ট থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাস এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে সর্বোচ্চ নম্বর নিয়ে পাস করেন।
সাহিত্য সাধনা তার প্রথম গল্প ল²ীছাড়া ১৯১২ সালে ‘সন্দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এছাড়া তার অনন্য সাহিত্যকর্মগুলো হচ্ছে- হলদে পাখির পালক, দিন দুপুরে, বদ্যিনাথের বড়ি, গুপির গুপ্তখাতা, টং লিং, পদিপিসীর বমি বাক্স, সব ভুতুড়ে, পাকদÐী (আত্মজীবনী)।
পুরস্কার ও সম্মাননা আনন্দ পুরস্কার ও শিশু সাহিত্য পুরস্কার।
জীবনাবসান ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন- ১ ল্ফল্ফ
সহপাঠীদের সাথে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে একটি বিড়াল ছানার করুণ ডাক শুনে থমকে দাঁড়ায় শ্রেয়সী। হঠাৎ দেখে রাস্তার পাশের একটি গর্তে একটি বিড়াল ছানা আটকে আছে। বন্ধুদের সাহায্য নিয়ে শ্রেয়সী সেটিকে পরিষ্কার করে কোলে তুলে নেয়। বাড়িতে ফেরার পর শ্রেয়সীর সেবা-যতেœ বিড়াল ছানাটি যেন প্রাণ ফিরে পেল। খুব অল্প সময়ে সে তাদের পরিবারেরই একজন হয়ে উঠল। কিন্তু ওর ভাই সুজা তাকে সহ্য করতে পারত না; প্রায়ই মারধর করতো। একদিন শ্রেয়সী স্কুল থেকে ফিরে বিড়াল ছানাটিকে আর খুঁজে পেল না।
ক. হাঁসরা গিয়ে কোথায় নামল? ১
খ. কুমু-লাটুর মনে কোনো সন্দেহ রইল না কেন? ২
গ. শ্রেয়সীর মাধ্যমে ‘পাখি’ গল্পের কোন বিশেষ দিকটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.‘সুজার মানসিকতা কুমু বা লাটুর মতো হলে বিড়াল ছানাটিকে হারাতে হতো না শ্রেয়সীর’ -বিশ্লেষণ কর। ৪

ক হাঁসরা ঝুপঝাপ করে বিলের জলে নামল।
খ আহত পাখিটার উড়তে পারার ব্যাপারে কুমু লাটুর মনে কোনো সন্দেহ রইল না।
সারারাত বুনোহাঁসরা বিশ্রাম করে পরদিন সকালে দল বেঁধে আকাশে উড়ল। কুমুদের পরিচর্যা করা আহত পাখিটিও তাদের সঙ্গ নিল। দল থেকে একটু পিছিয়ে থাকলেও এটি ক্রমাগত উড়তে থাকল। তাই উড়তে পারায় ব্যাপারে কুমু-লাটুর মনে আর কোনো সন্দেহ রইল না।
গ শ্রেয়সীর মাধ্যমে ‘পাখি’ গল্পের প্রাণীর প্রতি মমত্ববোধের দিকটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
‘পাখি’ গল্পে শিকারির গুলিতে আহত একটি বুনোহাঁসের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় দুটি কিশোর-কিশোরী। পাখিটিকে সুস্থ করে তোলার জন্য তারা ব্যাকুল হয়ে ওঠে। তারা পাখিটিকে রক্ষা করার চেষ্টা না করলে হয়তো এটি কোনো মানুষের আহার হতো অথবা অন্য প্রাণী খেয়ে ফেলত। কিন্তু একটি আহত পাখিকে দেখে তাদের মাঝে গভীর মমত্ববোধ জেগে উঠেছে। দিদিমাসহ সকলের চোখ এড়িয়ে তারা বুনো হাঁসটিকে শুশ্রƒষা করে সারিয়ে তুলেছে। কুমু জানালা দিয়ে সার্বক্ষণিক নজর রেখেছে পাখিটির দিকে। একসময় পাখিটা সুস্থ হয়ে উড়ে চলে গেল।
উদ্দীপকে শ্রেয়সী একটি বিড়াল ছানার করুণ ডাক শুনে থমকে দাঁড়ায়। গর্তে আটকে পড়া বিড়াল ছানাটিকে দেখে তার মায়া হয়। সে বিড়াল ছানাটিকে উদ্ধার করে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে এটিকে কোলে তুলে নেয়। শ্রেয়সীর সেবা যতেœ বিড়াল ছানাটি প্রাণ ফিরে পায়। ‘পাখি’ গল্পেও আমরা দেখি একটি আহত পাখিকে বাঁচাবার প্রাণপণ চেষ্টা করে কমু-লাটু। পাখিটিকে বাঁচিয়ে তুলে তারা পরম আত্মতৃপ্তি লাভ করেছে। প্রাণীর প্রতি এমন মমত্ববোধ নজিরবিহীন।মূলত উদ্দীপকের শ্রেয়সীর মাধ্যমে ‘পাখি’ গল্পের সেই বিশেষ মমত্ববোধের দিকটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
ঘ উদ্দীপকের সুজার মানসিকতা ‘পাখি’ গল্পের কুমু বা লাটুর মতো হলে বিড়ালটিকে হারাতে হতো না শ্রেয়সীর।
‘পাখি’ গল্পে কুমু ও লাটু মানবিকবোধে বিশ্বাসী দুই কিশোর-কিশোরী। ছোট বয়সেই তাদের মধ্যে প্রাণীদের প্রতি সংবেদনশীলতার মানসিকতা তৈরি হয়েছে। একটি পাখির ব্যথায় তারা ব্যথিত হয়েছে। পাখি শিকার করাকে তারা সমর্থন করে না। হাতের কাছে একটি আহত পাখিকে পড়ে থাকতে দেখে তারা সেটিকে সারিয়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করেছে। অবশেষে পাখিটি সুস্থ হয়ে বুনো হাঁসদের ঝাঁকের সাথে উড়ে চলে গেছে।
উদ্দীপকে একটি বিপদগ্রস্ত বিড়াল ছানাকে শ্রেয়সী উদ্ধার করে বাঁচিয়ে তুলেছিল। সেবাযতেœ বিড়ালটি পরিবারের অংশ হয়ে উঠেছিল। কিন্তু শ্রেয়সীর ভাই সুজা বিড়ালটিকে একদমই সহ্য করতে পারেনি। প্রায়ই সে এটিকে মারধর করত। একদিন দেখা গেল বিড়ালটি আর নেই। অর্থাৎ সে চলে গেছে।
‘পাখি’ গল্পে আমরা দেখি কুমু ও লাটুর একটি আহত পাখির প্রতি গভীর মমত্ববোধ। পাখিটির সেরে উঠার জন্য তারা সম্ভাব্য সবকিছুই তারা করেছে। কিন্তু সুজা তার বিপরীত আচরণ করেছে। অকারণে বিড়ালটিকে মারধর করেছে। মানুষ ছাড়া অন্য প্রাণীর প্রতিও মানবিক আচরণ করতে হয় সেই বোধ তার মধ্যে জাগ্রত হয়নি। তাই বলা যায়, সুজার মানসিকতা কুমু বা লাটুর মতো হলে শ্রেয়সীকে বিড়াল ছানাটিকে হারাতে হতো না।

প্রশ্ন- ২ল্ফল্ফ

ক. বুনো পাখিটার জন্য কোথায় বাসা বাঁধা হয়েছিল? ১
খ. কুমু ভালো করে হাঁটতে পারে না কেন? ২
গ. উদ্দীপকের সাথে ‘পাখি’ গল্পের কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে বর্ণনা কর। ৩
ঘ.উদ্দীপকে পাখি শিকারের প্রতি ‘পাখি’ গল্পের দিদিমার ঘৃণাই প্রকাশিত হয়েছে- বিশ্লেষণ কর। ৪

ক বুনো পাখিটার জন্য লেবু গাছের ডালে বাসা বাঁধা হয়েছিল।
খ কুমু তার অসুস্থতার জন্য ভালো করে হাঁটতে পারে না।
ডান পাটা মাটি থেকে এক বিঘতের বেশি উপরে উঠে না কুমু। লোহার ফ্রেমে পা বেঁধে তাই একটু একটু করে হাঁটতে শিখছে। সোনাঝুরিতে দিদিমার বাড়িতে হাওয়া-বদলের সুবাদে কুমু দ্রæত সুস্থ হয়ে ওঠে। সে একটু একটু করে হাঁটতে সক্ষম হয়।
গ উদ্দীপকের নির্বিচার পাখি শিকারের সাথে ‘পাখি’ গল্পের পাখি শিকারের সাদৃশ্য রয়েছে।
‘পাখি’ গল্পে উল্লেখ করা হয়েছে, সাদা জলের চকচকে বিলে ছাই রঙের বুনোহাঁস ঝুপঝাপ নামছে। শীতের সময় ঠান্ডা দেশ থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ওরা উড়ে আসে। এ সময় কিছু অসৎ মানুষ প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ধনকারী ও ভারসাম্য রক্ষাকারী এসব পাখিদের নিধন করতে তৎপর হয়ে ওঠে। তারা নির্বিচারে বন্দুকের গুলিতে এসব পাখিদের হত্যা করে।
উদ্দীপকে একজন পাখি শিকারি বন্দুক ও শিকার করা পাখি হাতে দাঁড়িয়ে আছে। এসব শিকারিরা বন্দুক নিয়ে পাখি অনুসন্ধানে ঘুরে বেড়ায়। হাতের নাগালে পাখি পেলেই তারা অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে পাখিদের নিধন করে। পাখিদের এভাবে নিধন করা বা শিকার করা আইনত দÐনীয় হলেও, তারা আইনের তোয়াক্কা করে না। ‘পাখি’ গল্পেও এভাবেই শিকারিরা পাখির ঝাঁকে দুম দুম করে গুলি করে দেয়। এত সুন্দর সুন্দর পাখিদের ওরা গুলি করে নিধন করতে পিছপা হয় না। তাই উদ্দীপকের নির্বিচার পাখি শিকারের সাথে পাখি গল্পের ‘পাখি’ শিকারের সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ ‘পাখি’ গল্পে দিদিমার যে মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে তাতে উদ্দীপকের পাখি শিকারকে তিনি নিশ্চিতভাবেই ঘৃণা করেন।
‘পাখি’ গল্পটি লেখক লীলা মজুমদার লিখেছেন মূলত প্রাণীর প্রতি মমত্ববোধ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে। কুমু ও লাটুর মধ্যে সে মমত্ববোধ সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত। কিন্তু পাখিদের প্রতি দিদিমার ভালোবাসার প্রকাশও আমরা লক্ষ করি। শিকারিদের পাখি শিকারের বিষয়ে যখন কথা হচ্ছিল তখন দিদিমা বলেছিলেন, হ্যাঁ ওদের ওই একই চিন্তা। “দিদিমার চক্ষু এড়িয়ে অথবা দিদিমা রাগ করবেন মনে করে তারা লুকিয়ে আহত পাখির পরিচর্যা করছিল। কিন্তু পরে ঘটনা শুনে দিদিমা বলেছিলেন, ওমা, বলিসনি কেন, আমিও যে পাখি ভালোবাসি।”
উদ্দীপকে চিত্রটিতে নির্বিচার পাখি শিকারের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষাকারী এসব পাখিদের নিধন করা অন্যায় ও গর্হিত কাজ। অত্যন্ত অমানবিকভাবে সুন্দর সুন্দর পাখিদের গুলি করে কিংবা ফাঁদ পেতে তা আহারের সামগ্রী বানানো হয়। এটি এক ধরনের নিষ্ঠুরতা।
‘পাখি’ গল্পের দিদিমা একজন মানবিকবোধসম্পন্ন মানুষ। পাখি শিকারকে তিনি কখনই সমর্থন করেননি। কুমু আর লাটু যদি আহত পাখির কথা গোপন না করতো তবে দিদিমা নিশ্চয়ই তাদের সহযোগিতা করতেন। তাই গল্পে উদ্দীপকের পাখি শিকারের প্রতি প্রকৃতপক্ষে তার ঘৃণাই প্রকাশিত হয়েছে।

প্রশ্ন- ৩ ল্ফল্ফ
খাওয়ার উপযুক্ত হয়নি বলে হরিণ ছানাটি রক্ষা পায়। তারা তাকে লালন-পালন করতে থাকে নিজেদের বাড়িতে বড় করার জন্য। হরিণছানার খেলার সাথি হয় বাড়ির বোবা-কালা শিশুটি। হরিণ ছানাটির সাথে বড় হয় শিশুটিও। একসময় বাড়ির লোকেরা ঠিক করে হরিণটিকে জবাই করে তার মাংস বাজারে বিক্রি করবে। কিন্তু তাদের ইচ্ছেয় বাধ সাধে বোবা-কালা ছেলেটি। সে হরিণটিকে বাড়ির সকলের চোখ এড়িয়ে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে। তাকে প্রাণে বাঁচায়। তার বুদ্ধিতে বনের হরিণ বনে ফিরে যায়।
ক. ‘পাখি’ গল্পটির লেখক কে? ১
খ. কুমুর চোখ ঝাপসা হয়ে আসে কেন? ২
গ. উদ্দীপকের হরিণ ছানাটির সাথে ‘পাখি’ গল্পের বুনোহাঁসটির সাদৃশ্য তুলে ধর। ৩
ঘ.‘হরিণ ছানাটির সাথে বড় হয় শিশুটি’, উদ্দীপকের এ উক্তিটি ‘পাখি’ গল্পের কোন বিশেষ দিকটিকে ইঙ্গিত করে বিশ্লেষণ কর। ৪

ক ‘পাখি’ গল্পটির লেখক লীলা মজুমদার।
খ পায়ের অসুস্থতায় কিশোরী কুমুর একই শ্রেণিতে থেকে যাবার চিন্তায় তার চোখ ঝাপসা হয়ে আসে।
কুমুর সহপাঠী হাসি, রতœা সবাই ওপরের ক্লাসে উঠে যাবে, কুমু পড়ে থাকবে নিচের ক্লাসে। এসব নিয়ে ভাবলে কুমুর কান্না পায়। তখন কুমুর চোখ ঝাপসা হয়ে আসে।
গ উদ্দীপকের হরিণ ছানাটির সাথে ‘পাখি’ গল্পের বুনোহাঁসটির সাদৃশ্য বিদ্যমান।
‘পাখি’ গল্পটিতে একটি আহত বুনোহাঁসের একটু একটু করে সেরে উঠার ঘটনা আবর্তিত হয়েছে। কুমুদের বাড়ির পাশের ঝিলে ঝাঁকে ঝাঁকে বুনোহাঁস জলে নামে। মাঝে মাঝে শিকারির বন্দুকের গুলিতে তারা বেঘোরে প্রাণ হারায়। গুলিতে আহত এমনি একটি বুনোহাঁসকে কুমু পড়ে থাকতে দেখে লেবুগাছের পাতার আড়ালে। লাটুর সাহায্যে কুমু পাখিটির যতœ নেয়। লাটু পাখিটির জন্য বাসা তৈরি করে দেয়। ভাইবোনের শুশ্রƒষায় আহত বুনোহাঁসটি সেরে উঠে।
উদ্দীপকের হরিণ ছানাকে লালন-পালন করে বড় করার পর সেটিকে জবাই করে মাংস বাজারে নিয়ে বেচার উদ্যোগ নেয়া হয়। হরিণ ছানাটির সাথে বাড়ির এক শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশুর ইতোমধ্যেই সখ্যতা গড়ে উঠে। সে কিছুতেই হরিণ ছানাটিকে জবাই করতে দিবে না। সে হরিণ ছানাটিকে ঝুঁকি নিয়ে মুক্ত করে দেয়। ‘পাখি’ গল্পে আমরা দেখি বুনোহাঁসটিকে কুমু ও লাটু সযতেœ পরিচর্যা করেছে সুস্থ করার জন্য। সুস্থ হবার পর পাখিটি নির্বিঘেœ চলে গেছে মুক্ত আকাশে। অপরদিকে হরিণটিও চলে গেছে বনে। উভয়েই মুক্ত হয়েছে নিজের ভুবনে। তাই হরিণ ছানাটির সাথে গল্পের হাঁসটির সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ ‘হরিণ ছানাটির সাথে বড় হয় শিশুটি’- উক্তিটি ‘পাখি’ গল্পের আহত পাখির সাথে কুমুর সুস্থ হওয়ার দিকটি ইঙ্গিতপূর্ণ।
‘পাখি’ গল্পে কিশোরী কুমু শারীরিকভাবে অসুস্থ। মাটি থেকে এক বিঘতের বেশি সে তার ডান পা তুলতে পারে না। লোহার ফ্রেমে পা বেঁধে সে হাটতে শিখছে। দ্রæত সুস্থতার জন্য সে চলে আসে দিদিমার কাছে। সেখানে সে আর লাটু একটি আহত বুনোহাঁসকে সুস্থ করে তোলে। বুনোহাঁসের সুস্থ হওয়ার সাথে সাথে সে নিজেও সুস্থ হতে থাকে। সে বাড়িতে মাকে চিঠি লিখে জানায় তার সুস্থ হবার কথা। সে পরীক্ষায় অংশ নিবে বলেও জানিয়ে দেয়।
উদ্দীপকে হরিণ ছানাকে লালন করা হয় বড়-সড় করে তোলার জন্য যাতে তারা এটিকে জবাই করে গোশত বাজারে বিক্রি করতে পারে। ছানাটি বড় হবার পাশাপাশি ঐ বাড়ির শিশুটিও বড় হয়। শিশু ও ছানাটির মধ্যে একটা নিবিড় সম্পর্কও গড়ে ওঠে।
‘পাখি’ গল্পে আহত পাখির সাথে কুমুর সুস্থ হওয়ার বিষয়টি গভীর ব্যাঞ্জনায় প্রকাশিত হয়েছে। দুটি সংবেদনশীল বিষয় লেখক স্বীয় মুনশিয়ানাায় তুলে ধরেছেন। যা আমাদের হৃদয়কে নাড়া দেয়। অন্যদিকে উদ্দীপকের হরিণ ছানাটির সাথে শিশুটির বড় হয়ে ওঠার বিষয়টিও তাৎপর্যপূর্ণ।

প্রশ্ন- ৪ ল্ফল্ফ
“পাখিটার বুকে যেন তীর মেরো না
ওকে গাইতে দাও
ওর কণ্ঠ থেকে গান কেরো না।”
[মোহাম্মদ রফি]
ক. ‘পাখি’ গল্পে কাকে মজার ছেলে বলা হয়েছে? ১
খ. লেখিকা লীলা মজুমদার ‘পাখি’ গল্পটি কেন লিখেছেন? ২
গ. উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে ‘পাখি’ গল্পের মূলভাবের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.উদ্দীপকের চেতনা ‘পাখি’ গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ কর। ৪

ক ‘পাখি’ গল্পে লাটুকে মজার ছেলে বলা হয়েছে।
খ প্রাণীদের প্রতি মমত্ববোধ জাগিয়ে তোলার উদ্দেশ্যেই লেখিকা লীলা মজুমদার পাখি গল্পটি লিখেছেন।
মানুষ ছাড়াও বিভিন্ন প্রাণীদের প্রতি দয়াদ্র আচরণ করা জরুরি। অহেতুক তাদের হত্যা করা মনুষ্যত্বের পরিচায়ক নয়। তাই লীলা মজুমদার ‘পাখি’ গল্পটির মধ্যে দিয়ে সকল প্রাণীদের প্রতি মমত্ববোধ সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন।
গ পাখির প্রতি গভীর মমতাবোধের দিক দিয়ে ‘পাখি’ গল্পের মূলভাবটি উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
‘পাখি’ গল্পে বিলের এক ঝাঁক বুনোহাঁসকে লক্ষ করে গুলি ছোড়ে শিকারি। পরদিন সকালে কুমু জানালা দিয়ে দেখতে পায় ছাই রঙের একটা বুনোহাঁস আহত হয়ে পড়ে আছে লেবু গাছের আড়ালে। সমস্ত শরীরটা তার থর থর করে কাঁপছে। লাটু ও কুমু দুজন মিলে ডানায় গুলি লাগা পাখিটিকে সুস্থ করে তোলে। দিদিমা বকতে পারেন মনে করে অতিগোপনে তারা পাখিটির জন্য বাসা তৈরি করে ও মলম লাগিয়ে দেয়। আহত পাখিটির করুণ চাহনি কুমুর হৃদয়কে বিগলিত করেছিল। তাই সে এটিকে সুস্থ করে তোলার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে।
উদ্দীপকে পঙ্ক্তিতে পাখির প্রতি গভীর মমত্ববোধ প্রকাশিত হয়েছে। এটি একটি জনপ্রিয় গানের অংশ। পাখি শিকারিদের উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে পাখির বুকে যেন তীর মারা না হয়। ওকে ওর মতো করে গাইতে দেওয়া হোক। ওর কণ্ঠ থেকে যেন গান কেড়ে না নেওয়া হয়। উদ্দীপকে পঙ্ক্তিতে গভীর ভাব ব্যক্ত করা হয়েছে। যে পাখি সুমিষ্ট স্বরে গান গেয়ে সকলকে মোহিত করে তাকে তীরের আঘাতে মেরে ফেলা শুধু নির্মম হৃদয়ের মানুষের পক্ষেই সম্ভব। ‘পাখি’ গল্পে সুন্দর হাঁসগুলোকে গুলি করে মেরে ফেলা তেমনি মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক ঘটনা। এটি কারো কাম্য হতে পারে না। তাই ‘পাখি’ গল্পের মূলভাবটি উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ উদ্দীপকে পাখির প্রতি গভীর মমত্ববোধ প্রকাশিত হয়েছে।
‘পাখি’ গল্পে একটি আহত পাখির প্রতি দুটো কিশোর কিশোরীর গভীর মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে। কুমু ছোট্ট কিশোরী হলেও আহত পাখিটিকে দেখে সে বিচলিত হয়ে পড়েছে। সে পাখিটিকে বাঁচিয়ে তোলার জন্য সম্ভাব্য সবকিছু করেছে। পাশাপাশি দৃষ্টিনন্দন বুনোহাঁসগুলোর ওপর শিকারিদের বন্দুক নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া, গুলি করে পাখি নিধন করার কথা বলা হয়েছে। অসহায় প্রাণীদের এভাবে হত্যা করা যে অমানবিক ও নিষ্ঠুরতা তা কেবল হৃদয়বান মাত্র বুঝতে পারে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে ‘পাখি’ একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। প্রতিদিন পাখিদের কলকাকলিতে মুখরিত হয় প্রকৃতি। সেই পাখিকে তীর মেরে নিধন করা হৃদয়হীনতার পরিচায়ক। পাখিকে তাই স্বাধীনভাবে গান গাইতে দিতে হবে। তাকে মেরে ফেলে তার কণ্ঠ থেকে গান কেড়ে নেওয়া যাবে না। উদ্দীপকের এই মানবিক আবেদন নিষ্ঠুর হৃদয়ের শিকারিদের মনে প্রভাব সৃষ্টি না করলেও সবার মনে তা করুণ আবেদন সৃষ্টি করে।
উদ্দীপক ও ‘পাখি’ গল্পটি বিশ্লেষণ করলে একই চেতনার প্রতিধ্বনি আমরা লক্ষ করি। এসব অসহায় প্রাণী নিজেদের রক্ষা করতে পারে না। তারা কারো ক্ষতি করে না। বরং পাখিদের সুমিষ্ট গান দিয়ে পরিবেশকে মুখরিত করে। তবু তাদের হত্যা করা হয়। উদ্দীপক ও ‘পাখি’ গল্প উভয় স্থানেই মানুষের মাঝে প্রাণীর প্রতি মমত্ববোধ ও মানবিকতা জাগ্রত করার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে।

 অনুশীলনের জন্য সৃজনশীল প্রশ্নব্যাংক (উত্তরসংকেতসহ)
প্রশ্ন- ৪ ল্ফল্ফ
রাতুল ফুটবল খেলতে গিয়ে পায়ে ব্যাথা পেয়েছে। তাই সারাদিন ঘরে বসে থাকে। তার পায়ে প্লাস্টার। সে মনে মনে ভাবে মজাই হয়েছে। এখন আর স্কুলে যেতে হয় না। মা পড়ার জন্য বকাঝকা করে না। একদিন তার ঘরে একটা বিড়াল এলো, দেখতে খুব সুন্দর। বিড়ালটা বিছানায় উঠে তার পাশে বসল। অমনি রাতুলের মাথায় দুষ্টুমি বুদ্ধি এলো। সে বিছানায় থাকা লাঠি দিয়ে বিড়ালটাকে জোড়ে আঘাত করল। চিৎকার করে দৌড় দিল বিড়ালটা। কয়েকদিন পার হলো। আর শুয়ে বসে থাকতে ভালো লাগে না রাতুলের। স্কুলে যেতে ইচ্ছা করে।এরকম সময় রাতুল বিছানায় শুয়ে বাইরে দেখল, বিড়ালটা খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাঁটছে। অমনি তার মনে হলো, কাজটা ঠিক করেনি সে।
ক. লীলা মজুমদারের জীবনাবসান হয় কত খ্রিষ্টাব্দে? ১
খ. অথিথি পাখিটি দেখতে কেমন ছিল? ২
গ. উদ্দীপকের সাথে ‘পাখি’ গল্পের বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. ‘সময় ও বাস্তব ঘটনা মানুষের উপলব্ধির পরিবর্তন ঘটায়।’- কথাটি উদ্দীপক ও ‘পাখি’ গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ কর। ৪

ক লীলা মজুমদারের জীবনাবসান হয় ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দে।
খ অতিথি পাখিটি দেখতে খুবই সুন্দর ছিল।
আহত হওয়া অতিথি পাখিটি ছিল ছাই রঙের একটি বুনোহাঁস। সরু লম্বা কালো ঠোঁট যা সব সময়ই একটু হাঁ করে থাকে, মখমলের মতো কালো মায়াবী দুটো চোখ। যা সব সময় কুমুর দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে। বুকের রঙটা হালকা সাদা রঙের।
ঢপষঁংরাব লিংক : প্রয়োগ (গ) ও উচ্চতর দক্ষতার (ঘ) প্রশ্নের উত্তরের জন্য অনুরূপ যে প্রশ্নের উত্তর জানা থাকতে হবে-
গ কুমু ও লাটু আঘাতপ্রাপ্ত পাখির প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেছে আর উদ্দীপকের রাতুল একটি সুস্থ বিড়ালকে আঘাত করে জখম করেছে। এ বিষয়টি বৈসাদৃশ্য হিসেবে তুলে ধরতে হবে।
ঘ সময় ও জীবন বাস্তবতা অনেক ক্ষেত্রে চিন্তা-ভাবনা ও উপলদ্ধির পরিবর্তনে ভ‚মিকা পালন করে এ বিষয়টি উদ্দীপক ও ‘পাখি’ গল্পের আলোকে তুলনামূলক আলোচনা কর।
প্রশ্ন- ৫ ল্ফল্ফ
রাত গভীর হলে রাতচোরা পাখি, খাবারের খোঁজে বের হয়। তখন শিকারিরা ফাঁদ পেতে বসে থাকে। জীবন্ত পাখি ধরে শিকারিরা বাজারে বিক্রি করে দেয়। এমনি এক শিকারির কাছে একটা পাখি কিনে আনল মিতালির বাবা। পাখিটা দেখে অবাক হলো মিতালি। বলল কী সুন্দর পাখি! বাবা সেটাকে কেটে রান্না করতে বললেন। কিন্তু মিতালি তা করতে দিল না। সে বলল, পাখিটাকে সে পুষবে। বাবাও রাজি হলেন। একটা খাঁচায় পাখিটাকে রাখা হলো।
ক. ‘হলদে পাখির পালক’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে? ১
খ. পাখিটি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিল কীভাবে? ২
গ. উদ্দীপকের সাথে ‘পাখি’ গল্পের কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা কর। ৩
ঘ. উদ্দীপকের মিতালি আর ‘পাখি’ গল্পের কুমু ও লাটু মানবিকতাবোধের দিক থেকে একই ধরনের- কথাটির সত্যতা বিচার কর। ৪

ক ‘হলদে পাখির পালক’ গ্রন্থটির রচয়িতা লীলা মজুমদার।
খ কুমুদের বাড়ির পাশেই কোনো শিকারির এয়ার গানের গুলিতে পাখিটি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।
শীতকালে ঝাঁকে ঝাঁকে উত্তরের ঠান্ডা দেশ থেকে অতিথি পাখিরা উড়ে আসে ভাটির দেশে একটু উষ্ণতার আশায়। কিন্তু কিছু অসাধু পাখি ব্যবসায়ী ও লোভী শিকারিদের লোভের শিকার হয় অতিথি পাখিরা। ঠিক তেমনি এক শিকারির গুলি পাখায় লেগে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে একটি পাখি কুমুদের বাড়ির পাশে লেবু গাছের নিচে পড়ে।
ঢপষঁংরাব লিংক : প্রয়োগ (গ) ও উচ্চতর দক্ষতার (ঘ) প্রশ্নের উত্তরের জন্য অনুরূপ যে প্রশ্নের উত্তর জানা থাকতে হবে-
গ পাখির প্রতি ভালোবাসা লাটু ও উদ্দীপকের মিতালির একই- এ বিষয়টির উপর প্রাসঙ্গিক আলোচনা করতে হবে।
ঘ মানবিকতায় এবং পাখির প্রতি ভালোবাসার দিক থেকে উদ্দীপকের মিতালি ও ‘পাখি’ গল্পের কুমু ও লাটু একই কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়ে-এ বিষয়ে আলোচনা করতে হবে।

জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
 জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন \ ১ \ কুমুর ডান পাটা মাটি থেকে কত বিঘত উপরে ওঠে?
উত্তর : কুমুর ডান পাটি থেকে এক বিঘত উপরে ওঠে।
প্রশ্ন \ ২ \ কুমুর মামা বাড়ি কোথায়?
উত্তর : কুমুর মামা বাড়ি সোনাঝুরি।
প্রশ্ন \ ৩ \ কুমুকে সোনাঝুরিতে কয় মাস রাখার কথা মাসিরা বলেছিল?
উত্তর : কুমুকে সোনাঝুরিতে টানা তিন মাস রাখার কথা মাসিরা বলেছিল।
প্রশ্ন \ ৪ \ কুমুর সহপাঠীদের নাম কী?
উত্তর : কুমুর সহপাঠীদের নাম হাসি ও রতœা।
প্রশ্ন \ ৫ \ লাটু কুমুর জন্য কী ফুল নিয়ে আসে?
উত্তর : লাটু কুমুর জন্য সাদা ফুল নিয়ে আসে।
প্রশ্ন \ ৬ \ কে এয়ারগান না থাকায় মনোঃকষ্ট প্রকাশ করে?
উত্তর : লাটু এয়ারগান না থাকায় মনোঃকষ্ট প্রকাশ করে।
প্রশ্ন \ ৭ \ শীতকালে অতিথি পাখিরা কোথা থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসে?
উত্তর : শীতকালে অতিথি পাখিরা উত্তরের ঠান্ডা দেশ থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসে।
প্রশ্ন \ ৮ \ আহত পাখিটি কোন গাছের উপরে এসে পড়েছিল?
উত্তর : আহত পাখিটি লেবু গাছের উপরে এসে পড়েছিল।
প্রশ্ন \ ৯ \ লাটু পাখিটার ডানায় কী লাগিয়ে দিল?
উত্তর : লাটু পাখিটার ডানায় হলদে মলম লাগিয়ে দিল।
প্রশ্ন \ ১০ \ কে ঠুকুরে ঠুকুরে লাটুর হাত থেকে রক্ত বের করে দিল?
উত্তর : আহত পাখিটি ঠুকুরে ঠুকুরে লাটুর হাত থেকে রক্ত বের করে দিল।
প্রশ্ন \ ১১ \ শীতকালে অতিথি পাখিগুলো কোন দিক দিয়ে উড়ে যায়?
উত্তর : শীতকালে অতিথি পাখিগুলো দক্ষিণ দিক দিয়ে উড়ে যায়।
প্রশ্ন \ ১২ \ আন্দামান দীপ কোথায় অবস্থিত?
উত্তর : আন্দামান দীপ ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
প্রশ্ন \ ১৩ \ ‘বিঘত’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : ‘বিঘত’ শব্দের অর্থ আধা হাত পরিমাণ।
প্রশ্ন \ ১৪ \ লেবু গাছে পাখিটিকে কে আক্রমণ করে?
উত্তর : লেবু গাছে পাখিটিকে একটি হলদে বিড়াল আক্রমণ করে।
প্রশ্ন \ ১৫ \ আহত পাখিটিকে লেবু গাছে বাসা তৈরি করে দিয়েছিল কে?
উত্তর : আহত পাখিটিকে লেবু গাছে বাসা তৈরি করে দিয়েছিল কিশোর লাটু।
প্রশ্ন \ ১৬ \ ‘পাখি’ গল্পটিকে কোথা থেকে চরণ করা হয়েছে?
উত্তর : ‘পাখি’ গল্পটিকে ‘চিরকালের সেরা’ গল্প সংকলন থেকে চয়ন করা হয়েছে।
প্রশ্ন \ ১৭ \ লীলা মজুমদার কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর : লীলা মজুমদার ১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
 অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর 
প্রশ্ন \ ১ \ কুমু নিজেকে পাখির সাথে কল্পনা করে কেন?
উত্তর : কিশোরী কুমু রোগগ্রস্ত পা নিয়ে হাঁটতে পারে না আর আহত পাখিটি আঘাতপ্রাপ্ত ডানা নিয়ে উড়তে পারে না। সেজন্য কুমু নিজেকে পাখির সাথে কল্পনা করে।
রোগের কারণে ডান পাটি কুমু মাটি থেকে এক বিঘতের বেশি উঠাতে পারে না। সেজন্য কুমুর মনে অনেক কষ্ট। অন্যদিকে শিকারির গুলিতে ডানায় আঘাত পেয়ে যখন আহত একটি পাখি ক্রমাগত ওড়ার চেষ্টায় রত, কিশোরী কুমু তখন নিজেকে সেই আহত পাখির সাথে কল্পনা করে। কারণ উভয়ের কষ্ট একই কেন্দ্রবিন্দুতে এসে মিশেছে।
প্রশ্ন \ ২ \ কুমু ভয়ে কাঠ হয়ে গেল কেন?
উত্তর : লেবু গাছটিতে একটি হলদে বিড়াল বুনো হাঁসটিকে আক্রমণ করায় কুমু ভয়ে কাঠ হয়ে গেল।
আহত পাখিটিকে লাটু ঝুড়ি দিয়ে লেবু গাছেল ডালে বাসা তৈরি করে দিয়েছিল। কিশোরী কুমু প্রত্যহ পাখিটির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করত। কারণ কুমু পায়ে জোর পেত না হাঁটার জন্য। তাই কাছে গিয়ে দেখতে পারত না। আহত পাখিটির শুশ্রƒষা চলাকালীন সময়ে একটি হলদে বিড়াল লেবু গাছে উঠে পাখিটিকে আক্রমণ করে। আহত পাখিটির কী হবে এই ভেবে কুমু ভয়ে কাঠ হয়ে যায়। যদিও হলদে বিড়াল পাখিটির কোনো ক্ষতিই কিছুই করতে পারেনি।
প্রশ্ন \ ৩ \ কিশোর লাটু পাখিটির পরিচর্যা গোপনে করল কেন?
উত্তর : ঠাকুমার বকুনির ভয়ে কিশোর লাটু গোপনে পাখিটির পরিচর্যা করল।
কিশোর লাটু বেশ ভালো করেই জানে বিভিন্ন বিষয়ে ঠাকুমার অনেক ছুৎমার্গ আছে। যদি আহত পাখির বিষয়ে ঠাকুমা জানতে পারে তাহলে নিশ্চয় বলবেন লেবু গাছ থেকে ঝুড়ি খুলে এনে বাইরে ওটাকে ফেলে দে। যাতে এ ধরনের ঘটনার অবতারণা না হয় সে জন্য কিশোর লাটু গোপনে ঠাকুমার চোখ এড়িয়ে আহত পাখিটিকে ঘা সারানোর জন্য হলদে মলম লাগিয়ে দেয় এবং লেবু গাছের ডালে বাসা তৈরি করে দেয়।
প্রশ্ন \ ৪ \ ‘তোমার কোনো ভয় নেই, কোনো ভয় নেই’- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : আহত পাখিটি যখন ভয়ে জবুথবু হয়ে ডালে বসেছিল তখন কুমু পাখিটিকে দেখে মনে মনে আলোচ্য উক্তিটি করে।
আহত একটি পাখি উড়তে না পারায় যন্ত্রণায় স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। কুমুও পা থাকা সত্তে¡ও হঁ^াটতে হাঁটতে না পারার কষ্টে প্রতিক্ষণে অনুভব করে। তাই লাটু যখন পাখির জন্য বাসা তৈরি করে দেয় তখন কুমু সে স্থানে পাখিটিকে দেখে অনেক দরদ অনুভব করে আর মনে বলে- ‘তোমার কোনো ভয় নেই; কোনো ভয় নেই’।
প্রশ্ন \ ৫ \ “ওমা, বলিসনি কেন, আমিও যে পাখি ভালোবাসি।”- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : আহত পাখিটি সুস্থ হয়ে আকাশে উড়ে যাওয়ার পর ঠাকুমা পাখিটি সম্পর্কে জানতে পেরে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করে।
ঠাকুমার চোখ রাঙানির ভয়ে লাটু সম্পূর্ণ গোপনে আহত পাখিটির পরিচর্যা করে। কুমুও ঠাকুমা রাগ করবে এই ভেবে পাখির কথাটি সম্পূর্ণ চেপে যায়। কারণ উভয়ের ধারণা ঠাকুমা পাখির বিষয়ে শুনলে রাগ করবেন। কিন্তু পাখিটি যখন সুস্থ হয়ে আকাশে উড়ে এবং এ খবর কুমু ও লাটু ঠাকুমাকে জানালে তখন ঠাকুমা উল্লিখিত মন্তব্যটি করে।

বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর

 বিষয়ক্রম অনুযায়ী বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
 লেখক পরিচিতি
সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১. লীলা মজুমদার কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন? (জ্ঞান)
ক ১৯০৬ খ ১৯০৭  ১৯০৮ ঘ ১৯০৯
২. লীলা মজুমদারের জন্মস্থান কোথায়? (জ্ঞান)
ক যশোর খ ঢাকা  কলকাতা ঘ রাজবাড়ী
৩. লীলা মজুমদারের পৈতৃক নিবাস কোথায়? (জ্ঞান)
ক কুমিল্লা খ বরিশাল গ রাজমাহী  ময়মনসিংহ
৪. লীলা মজুমদার শিশু সাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরীর কী হন? (জ্ঞান)
 ভাইঝি খ ভাগ্নি গ নাতনি ঘ ভগ্নী
৫. ‘গুপির গুপ্ত খাতা’ এ রচনার লেখক কে? (জ্ঞান)
ক রণেশ দাশ গুপ্ত  লীলা মজুমদার
গ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঘ নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
৬. ‘দিন দুপুরে’ রচনার লেখক কে? (জ্ঞান)
ক আবুবকর সিদ্দিক খ সেলিনা হোসেন
 লীলা মজুমদার ঘ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৭. লীলা মজুমদার কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন? (জ্ঞান)
ক ২০০৫ খ ২০০৬  ২০০৭ ঘ ২০০৮
বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৮. লীলা মজুমদার শিশু-কিশোরদের জন্য লিখেছেন (অনুধাবন)
র. গল্প রর. প্রবন্ধ
ররর. উপন্যাস
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৯. লীলা মজুমদারের লেখা বই (অনুধাবন)
র. হলদে পাখির পলক রর. টেনিদা ও সিন্ধুঘোটক
ররর. বদ্যিনাথের বড়ি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
 মূলপাঠ
সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১০. কুমু ডান পাটা মাটি থেকে কতটুকু উঁচু করতে পারে?
 এক বিঘত খ দুই বিঘত
গ এক হাত ঘ দেড় হাত
১১. সোনাঝুড়িতে দিম্মার বাড়ির দোতালার জানালা দিয়ে দূর থেকে কী দেখা যায়? (জ্ঞান)
ক খাল খ নদী গ বন  বিল
১২. কুমু ঝাঁকে ঝাঁকে কী দেখতে পেল? (জ্ঞান)
 বুনোহাঁস খ বক গ পানকৌরি ঘ শালিক
১৩. যেই শীত আসে তখন কোন দিক থেকে ঠান্ডা বাতাস আসে? (জ্ঞান)
ক দক্ষিণ  উত্তর গ পশ্চিম ঘ পূর্ব
১৪. বাঁধের কাছে পাখিরা কত দিন বিশ্রাম নেয়? (জ্ঞান)
 দু-তিন খ তিন-চার
গ আট-দশ ঘ পনেরো-বিশ
১৫. লাটুর কথা বলার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে দূরে কীসের শব্দ শুনতে পেল? (অনুধাবন)
ক গাড়ির খ বিদ্যুৎ চমকানোর
 বন্দুকের ঘ গ্রেনেডের
১৬. শীতের শেষে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখিরা ফিরে আসে কেন? (অনুধাবন)
 শীত কম হওয়ায় খ পর্যাপ্ত খাবার পাওয়ায়
গ বৃষ্টির আগমনে ঘ শীত বেশি হওয়ায়
১৭. কোন গাছের পাতার আড়ালে বুনোহাঁসটি আঁকড়ে-পাকড়ে বসে ছিল? (জ্ঞান)
ক ঝাউ গাছ  লেবু গাছ
গ ফুল গাছ ঘ তুলসী গাছ
১৮. মিলন ঝড়ের দিনে আমবাগানে আম কুড়াতে যায়। সেখানে হঠাৎ করে একটি টিয়া পাখির বাচ্চা গাছ থেকে নিচে পড়লে সে বাচ্চাটিকে বাড়ি এনে পরিচর্যা করে। মিলনের পাখি পরিচর্যা করার বিষয়টি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন রচনার সাথে মিল রয়েছে? (প্রয়োগ)
ক সেই ছেলেটি  পাখি
গ ছবির রং ঘ লখার একুশে
১৯. লাটু কুমুর কাঁধের ওপর উঁকি মেরে কী দেখতে পায়?
 পাখি খ হাতি গ ঘোড়া ঘ গাড়ি
২০. ‘লেবু গাছের ডালে ওর জন্য একটি বাসা বেঁধে দিই’, এ উক্তিটি কার? (অনুধাবন)
ক কুমুর  লাটুর গ দিম্মার ঘ মাসির
২১. ‘দেখিস, কেউ যেন টের না পায়।’ এ উক্তিটি দ্বারা কোন ভাব প্রকাশ পায়? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক ভয়  সতর্কতা গ সংশয় ঘ আতঙ্কতা
২২. “কোত্থেকে এসেছে ওরা” এ উক্তিটিতে ‘ওরা’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে? (প্রয়োগ)
 পাখিদের খ গরুদের গ মহিষদের ঘ ছাগলদের
২৩. লাটু শক্ত করে কী বেঁধেছিল? (জ্ঞান)
ক গাছটা  ঝুড়িটা গ পাখিটা ঘ গরুটা
২৪. লাটু পাখিটির ক্ষত স্থানে কোন রঙের মলম লাগিয়ে ছিল? (জ্ঞান)
 হলুদ খ লাল গ সাদা ঘ কালো
২৫. কুমু কত মিনিট বাদে একবার জানালা দিয়ে উঁকি মারল? (জ্ঞান)
ক পাঁচ খ দশ  পনেরো ঘ বিশ
২৬. ‘পাখি’ গল্পে লেবু গাছের ডালে আহত হাঁসটিকে আক্রমণ করার জন্য কী উঠেছিল? (জ্ঞান)
 বেড়াল খ কুকুর গ শিয়াল ঘ বনবেড়াল
২৭. ‘পাখি’ গল্পে কে দূরে বসে মজা নিচ্ছিল? (জ্ঞান)
ক শিয়াল খ কুকুর  কাক ঘ চিল
২৮. কতদিন পরে পাখির ঝাঁক বিল থেকে দক্ষিণ দিকে উড়ে গেল? (জ্ঞান)
 দুই খ তিন গ চার ঘ পাঁচ
২৯. কুমুর পায়ের শক্তি ফিরে পাওয়ার কারণ কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
 পাখির থেকে পাওয়া অনুপ্রেরণা
খ দিম্মার থেকে পাওয়া অনুপ্রেরণা
গ লাটুর থেকে পাওয়া অনুপ্রেরণা
ঘ মায়ের থেকে পাওয়া অনুপ্রেরণা
৩০. ‘একবার না পারিলে দেখ শত বার’ এ চরণটির সাথে সাদৃশ্য রয়েছে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন রচনা? (প্রয়োগ)
ক সেই ছেলে খ শব্দ থেকে কবিতা
 পাখি ঘ কাবুলিওয়ালা
৩১. পাখি সুস্থ হতে কত মাস লাগে? (জ্ঞান)
 এক মাস খ দেড় মাস
গ দুই মাস ঘ তিন মাস
বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৩২. ‘পাখি’ গল্পে কুমুর মাসিরা তার মাকে বলেছিলেন (অনুধাবন)
র. কিচ্ছু ভাবিসনে, রোগতো সেরেই গেছে
রর. সোনাঝুরিতে তিন মাস রেখে দে
ররর. দেখিস কেমন চাঙ্গা হয়ে উঠবে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৩৩. কুমুর সহপাঠীরা হলো (অনুধাবন)
র. শিমু রর. হাসি
ররর. রতœা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৩৪. ‘পাখি’ গল্পের আঘাতপ্রাপ্ত বুনো হাঁসটির (অনুধাবন)
র. খানিকটা রক্ত জমা রর. শরীরটা থর থর করে কাঁপছে
ররর. মুখ দিয়ে লালা ঝড়ছে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৩৫. আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে যা দিয়ে বেঁধে দেওয়া যেতে পারে (অনুধাবন)
র. চুন রর. হলুদ
ররর. লবঙ্গ
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৩৬. কুমু জোর গলায় বলল (অনুধাবন)
র. নিশ্চয় বাঁচে রর. চুন হলুদ দিয়ে ডানা বেঁধে
ররর. গরম জায়গায় রাখলে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৩৭. কুমুর পা ভালো হলে কুমু (অনুধাবন)
র. মার কাছে থাকত রর. রোজ স্কুলে যেত
ররর. কানামাছি খেলত
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৩৮. গাছের ডালে পাখিটা- (অনুধাবন)
র. একটু নড়ছে রর. একটু শব্দ করছে
ররর. তা দিচ্ছে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৩৯. দিম্মা পাখিটিকে দেখতে পেলে মঙ্গলকে বলবেন (অনুধাবন)
র. ঝুড়ি খুলে আন রর. ফেলে দে ওটাকে
ররর. মেরে ফেল ওটাকে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৪০. রোজ পাখিটা একটু করে সেরে ওঠে ঝুড়ি থেকে ডালে নামে। আর আনন্দের চোটে কুমুও (অনুধাবন)
র. নিজের বিছানা নিজে পাতে রর. নিজে স্নান করে
ররর. নিজে রান্না করে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৪১. নিজে হেঁটে নিচে নেমে কুমু বলল (অনুধাবন)
র. দিম্মা, পাটা একটু ছোট হলেও কিছু হবে না
রর. আমি বেশ ভালো চলতে পারি
ররর. বুনো হাঁসটারও পাটা ছোট হয়ে গেছে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৪২ ও ৪৩ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
“হঠাৎ আমি চমকে উঠি
হলদে পাখির ডাকে
ইচ্ছে করে ছুটে বেড়াই
মেঘনা নদীর বাঁকে।’
৪২. অনুচ্ছেদে ‘আমি’ ‘পাখি’ গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষণীয়? (প্রয়োগ)
 কুমু খ মা গ লাটু ঘ দিদিমা
৪৩. অনুচ্ছেদে উক্ত চরিত্রটির যে দিক প্রতিফলিত হয়েছে (উচ্চতর দক্ষতা)
র. মমত্ববোধের রর. সমবেদনার
ররর. সহযোগিতার
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৪৪ ও ৪৫ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
জাকিয়া বেশ কিছুদিন টাইফয়েড জ্বরে ভুগছে। তার বাবা তাকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যায়। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে একটি আঘাতপ্রাপ্ত বিড়ালকে দেখে সে তুলে নিয়ে আসে। বিড়ালটিকে বাড়িতে আনার পর জাকিয়া ও তার বোন সেবাশ শুশ্রƒষা করে সুস্থ করে তোলে।
৪৪. অনুচ্ছেদের ‘জাকিয়া’ চরিত্রের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের ‘পাখি’ রচনার কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? (প্রয়োগ)
ক লাটু  কুমু গ মাসি ঘ দিদিমা
৪৫. অনুচ্ছেদের জাকিয়া চরিত্রের মধ্যে উক্ত চরিত্রের যে দিক ফুটে উঠেছে তা হলো (উচ্চতর দক্ষতা)
র. প্রাণীদের প্রতি মমত্ববোধ রর. প্রাণীদের প্রতি গভীর ভালোবাসা
ররর. প্রাণীদের প্রতি সমাবেদনা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
 শব্দার্থ ও টিকা
সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৪৬. ‘পাখি’ গল্পে ‘দিম্মা’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
ক দিদি খ দাদু  দিদিমা ঘ মাসিমা
৪৭. ‘একছড়া’ শব্দটির অর্থ কী? (জ্ঞান)
ক এক হালি খ এক ডজন
 এক গুচ্ছ ঘ এক পেনে
৪৮. ‘মগডাল’ শব্দটির অর্থ কী (জ্ঞান)
 উপরের ডাল খ চিকন ডাল
গ কঁচি ডাল ঘ মজবুত ডাল
বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৪৯. আন্দামান হলো (অনুধাবন)
র. সমুদ্রবেষ্টিত অঞ্চল
রর. প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত স্থান
ররর. দীপাঞ্চল
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৫০. ‘শোরগোল’ শব্দটির অর্থ (অনুধাবন)
র. চিৎকার রর. চেঁচামেচি
ররর. গÐগোল
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
 পাঠ পরিচিতি
সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৫১. ‘পাখি’ গল্পটির লেখকের নাম কী? (জ্ঞান)
 লীলা মজুমদার খ মামুনুর রশীদ
গ হবীবুল্লাহ্ বাহার ঘ হাশেম খান
৫২. দ্রæত সুস্থতার জন্য কুমু কোথায় গিয়েছিল? (জ্ঞান)
ক বাংলতে খ ফুলবাড়িতে
 সোনাঝুড়িতে ঘ বগুড়াতে
৫৩. কুমু সোনাঝুরিতে কার বাড়িতে গিয়েছিল? (জ্ঞান)
ক পিসিমার  দিদিমার গ দিদির ঘ মাসিমার
৫৪. কুমু সোনাঝুরিতে দিদিমার বাড়ি গিয়েছিল কেন? (অনুধাবন)
 দ্রæত সুস্থতার জন্য
খ পূজার ছুটিতে আনন্দ করার জন্য
গ মামাতো বোনের বিয়ের জন্য
ঘ পরীক্ষা শেষে আনন্দ করার জন্য
৫৫. কুমু নিচের ক্লাসে পড়ে থাকবে কেন? (অনুধাবন)
 অসুস্থ থাকার কারণে পড়তে পারছে না বলে
খ পড়া লেখায় অমনোযোগী বলে
গ পরীক্ষার ফেল করেছে বলে
ঘ পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল বলে
৫৬. শিকারির বন্দুকের গুলির আঘাতে একটি বুনোহাঁস আহত হলে কুমু কী করেছিল? (জ্ঞান)
 সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়
খ নদীতে ভাসিয়ে দেয়
গ জঙ্গলে রেখে আসে
ঘ দিদিমা পাখিটিকে এনে দেয়
৫৭. পাখিটিকে সুস্থ করার জন্য কুমু কার সহযোগিতা নেয়? (জ্ঞান)
ক মায়ের খ দিদিমার  লাটুর ঘ দাদুর
৫৮. দ্রæত সুস্থতার জন্য কুমু সোনাঝুরিতে আসার প্রধান কারণ কী?
(উচ্চতর দক্ষতা)
ক নিজস্ব চিকিৎসক থাকায়
খ দিদিমার সেবাযতেœর জন্য
 উন্মুক্ত পরিবেশ থাকায়
ঘ প্রতিক‚ল পরিবেশ থাকায়
বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৫৯. ‘পাখি’ গল্পের পাখিটির প্রতি কিশোর-কিশোরীর যে দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে (উচ্চতর দক্ষতা)
র. মমত্ববোধের রর. সমবেদনার
ররর. সহানুভ‚তির
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৬০. ‘পাখি’ গল্পটির অসাধারণ দিক হচ্ছে (অনুধাবন)
র. পাখিটির সেরে ওঠার প্রতিটি ধাপ
রর. কুমুর সুস্থ হবার প্রেরণা
ররর. মমত্ববোধের পরিচয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর

Share to help others:

Leave a Reply