Author name: Masud Rana

লঘু এসিড ও মৃদু এসিডের মধ্যে পার্থক্য কী?

লঘু এসিড ও মৃদু এসিডের মধ্যে পার্থক্য কী? আমরা অনেকেই লঘু এসিড ও মৃদু এসিড একই মনে করে থাকি। কিন্তু লঘু এসিড ও মৃদু এসিড এক কথা নয়। তাই এর পার্থক্য জানতে হবে। নিচে লঘু এসিড ও মৃদু এসিডের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করা হলো। প্রশ্নঃ লঘু এসিড ও মৃদু এসিডের মধ্যে পার্থক্য কী? সমাধানঃ  লঘু এসিড হল এমন এসিড যার জলীয় দ্রবণে এসিডের পরিমাণ কম। অন্যদিকে মুদু  এসিডে বা দুর্বল এসিড হল এমন  এসিড যেটি পানিতে কম পরিমাণ H⁺ আয়ন সরবরাহ করে। আরো পড়ুনঃ এসিড চেনার সহজ উপায়। দুর্বল এসিড ও শক্তিশালী এসিড চেনার সহজ উপায়।

লঘু এসিড ও মৃদু এসিডের মধ্যে পার্থক্য কী? Read More »

অষ্টম(৮ম) শ্রেণি [জেএসসি] গণিত ২য় অধ্যায় (মুনাফা) রচনামূলক সৃজনশীন প্রশ্ন সাজেশন।

অষ্টম(৮ম) শ্রেণি [জেএসসি] গণিত ২য় অধ্যায় (মুনাফা) রচনামূলক সৃজনশীন প্রশ্ন সাজেশন। ৮ম শ্র্রেণি শিক্ষার্থীদের জেএসসি (JSC) পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য গণিতের দ্বিতীয় অধ্যায়টি (মুনাফা) খুব ভালো আয়ত্ব করা প্রয়োজন। জেএসসি পরীক্ষার্থীদের গণিত ২য় অধ্যায় মুনাফার পূর্ণ প্রস্তুতির জন্য আজকের পোস্টে সম্ভাব্য সকল রচনামূলক সৃজনশীল প্রশ্ন দেওয়া হলো। এই সৃজনশীল প্রশ্ন সাজেশনটি আয়ত্ব করলে যথেষ্ট হয়ে যাবে ইন শাহ আল্লাহ। ৮ম শ্রেণি গণিতের ২য় অধ্যায়ে ২টি অনুশীলনী আছে অনুশীলনী ২.১ অনুশীলনী ২.২ দুটি অনুশীলনীর রচনামূলক সৃজনশীল প্রশ্ন সাজেশন নিচে দেওয়া হলো। দ্বিতীয় অধ্যায়: মুনাফা অনুশীলনী-২.১ রচনামূলক সৃজনশীল ১। একজন চাল ব্যবসায়ী কিছু চাল ৯৫০০ টাকায় বিক্রয় করায় তার ৫% ক্ষতি হলো। বিক্রয় মূল্যের সমপরিমাণ টাকা x বছরের জন্য ১০% সরল মুনাফায় ব্যাংকে রাখায় মুনাফা আসলের ৩/৫ অংশ হয়।                                                                             চ.বো-১৭ ক. মুনাফার হার কাকে বলে? খ. চাল বিক্রেতা ঐ চাল কত টাকায় বিক্রয় করলে ৭% লাভ হতো? গ. x এর মান নির্ণয় কর। ২। কোন আসল ৮ বছরে মুনাফা-আসলে ২১৬০০ টাকা এবং মুনাফা, আসলের ২/৭ অংশ। ক. ৮.৫% মুনাফায় কত টাকার ২ বছর ৬ মাসের মুনাফা ২৫৫০ টাকা? খ. আসল ও মুনাফার হার নির্ণয় কর। গ. উক্ত হার মুনাফায় ১৫০০০ টাকা ব্যাংকে জমা রাখলে ৬ বছর পর মুনাফা-আসলে কত টাকা হবে তা নির্ণয় কর। ৩। হামিম ডজন ১৫ টাকা দরে কতকগুলো কলা ক্রয় করল এবং ডজন ১০ টাকা দরে সমান সংখ্যাক কলা ক্রয় করে সবগুলো কলা ডজন ১৪ টাকা দরে বিক্রয় করল। ক. গড়ে প্রতি ডজন কলার ক্রয়মূল্য কত? খ. এতে শতকরা কত লাভ হবে? গ. ২০% লাভের জন্য প্রতিটি কলার বিক্রয়মূল্য কত? ৪। কোন আসল ৬ বছরে মুনাফা-আসলে দ্বিগুণ হয়। ক. মুনাফার হার নির্ণয় কর। খ. একই হার মুনাফায় কত বছরে ঐ আসল, মুনাফা-আসলে তিনগুণ হবে? গ. উক্ত হার মুনাফায কত টাকা ৪ বছরে মুনাফা-আসলে ২০৫০ টাকা হবে? ৫। কোনো আসল ৩ বছরে মুনাফা-আসলে ২৮,০০০ টাকা এবং ৫ বছরে মুনাফা-আসলে ৩০,০০০ টাকা হয়। ক) সরল মুনাফার ক্ষেত্রে প্রতীকের পরিচয়সহ আসল এবং মুনাফা-আসলের সূত্র লিখ। খ) মুনাফার হার নির্ণয় কর। গ) একই হার মুনাফায় কত টাকা ৫ বছরে মুনাফা-আসলে ৪৮,০০০ টাকা হবে? ৬। একই হার মুনাফায় ৫ বছরে কোন আসল মুনাফা-আসরের দ্বিগুণ হলো। ক) আসল ’ক’ টাকা হলে ৫ বছরে মুনাফা কত? খ) কত বছরে উক্ত আসল  মুনাফা আসলে ছয়গুণ হবে? গ) আসল ১০,০০০ টাকা হলে ১৫ বছরে মুনাফা-আসল কত হবে তা নির্ণয় কর। ৭। এক ব্যক্তি একটি ব্যাংক থেকে (i)  ৫ বছরের জন্য ২০,০০০ টাকা (ii) ৪ বছরের জন্য ২৫,০০০ টাকা ঋণ নিয়েছিল এবং লাভ হিসেবে সর্বমোট ৯৮০০ টাকা পরিশোধ করেছিল। ক) ১০% হার মুনাফায় ২৫০০ টাকার ৫ বছরের লাভ কত? খ) যদি মুনাফার হার ১০% হয় তাহলে প্রথম ক্ষেত্রে সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক কত? গ) যদি উপরোক্ত উভয়ক্ষেত্রে মুনাফার হার একই হয় তবে মুনাফার হার বের কর।   দ্বিতীয় অধ্যায়: মুনাফা অনুশীলনী-২.২ রচনামূলক সৃজনশীল ১। এক ব্যক্তি ১০% মুনাফায় ২০০০০ টাকা নিদিষ্ট সময়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখলেন। ঢা.বো -১৮,১৭ সি.বো-১৭ ক. প্রথম বছরান্তে মুনাফা-আসল কত হবে তা র্নিণয় কর। খ. ১২% সরল মুনাফায় উক্ত টাকা কত বছরে মুনাফা-আসলে দ্বিগুণ হবে তা নির্ণয় কর। গ. ৩ বছরান্তে সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত হবে নির্ণয় কর। অতিরিক্ত:ক. উদাহরণসহ বিনিয়োগের সংজ্ঞা দাও।                             কু.বো-১৭ খ. চক্রবৃদ্ধি মুনাফা সরল মুনাফার শতকরা কত ভাগ তা নির্ণয় কর।         কু.বো-১৭ ক. ১২% কে সাধারণ ভগ্নাংশ ও দশমিক ভগ্নাংশে প্রকাশ কর।                 ব.বো-১৭ গ. একই হার মুনাফায় x টাকার ২ বছরের মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য ১ টাকা হলে x এর মান কত? গ. একই মুনাফার হারে কত টাকা জমা রাখলে ২ বছর পর চক্রবৃদ্ধি ও সরল মুনাফার পার্থক্য ১২০ টাকা হবে? ২। একই হার চক্রবৃদ্ধি মুনাফায় P টাকা এক বছরান্তে চক্রবৃদ্ধিমূল ৯৭৫০ টাকা এবং দুই বছরান্তে চক্রবৃদ্ধিমূল ১০,১৪০ টাকা হয়।                                                 রা.বো-১৮,১৭ ক. শতকরা বার্ষিক কত টাকা মুনাফায় ২০০০ টাকার ৫ বছরের মুনাফা ১০০০ টাকা হবে? খ. P এর মান নির্ণয় কর। গ. ৪% লাভে একটি ঘড়ির বিক্রয়মূল্য উদ্দীপকের এক বছরান্তের চক্রবৃদ্ধিমূলের সমান হলে ঘড়িটির ক্রয়মূল্য নির্ণয় কর। অতিরিক্ত:একই হারে উক্ত মূলধনের জন্য ৩ বছর পর সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য নির্ণয় কর।                                                          রা.বো-,১৭ গ. ১ম ও ২য় বছরান্তের চক্রবৃদ্ধি মূলধন যথাক্রমে একটি খাসির ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্য হলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?   ৩। কোন আসল ৬ বছরে মুনাফা-আসলে ১০০০০ টাকা হয়। মুনাফা আসলের ২/৩ অংশ। দি.বো-১৮ ক. একটি দ্রব্য ৪৭৫ টাকায় বিক্রয় করায় ৫% ক্ষতি হয়। ঐ দ্রব্যের ক্রয়মূল্য কত? খ. আসল ও মুনাফার হার নির্ণয় কর। গ. উক্ত মুনাফা-আসলকে মূলধন ধরে ১০% হারে ৩ বছরের চক্রবৃদ্ধি মুনাফা নির্ণয় কর। অতিরিক্ত:উক্ত আসল ও মুনাফা-আমল যথাক্রমে কোনো ছাগলের ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্য হলে শতকরা লাভের পরিমান নির্ণয় কর।                                         ব.বো-১৮   ৪। একটি দ্রব্য ১৯০০ টাকায় বিক্রয় করায় ৫% ক্ষতি হলো। বিক্রয়মূল্যের সমপরিমাণ টাকা ৩ বছরের জন্য ৯% হার মুনাফায় ব্যাংকে জমা রাখা হলো।  ক. একটি দ্রব্য ৫০ টাকায় কিনে ৫৬ টাকায় বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে তা নির্ণয় কর। খ. দ্রব্যটি কত টাকায় বিক্রয় করলে ১১% লাভ হবে তা নির্ণয় কর। গ. ব্যাংকে জমাকৃত টাকর ৩ বছরের সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য ‍নির্ণয় কর। ৫। জলিল সাহেব ১০% সরল মুনাফায় P টাকার ঋণ নিলেন।                                  চ.বো-১৮ ক. একটি পেন্সিল ২০ টাকায় ক্রয় করে ১৫% লাভে বিক্রয় করা হলে পেন্সিলটির বিক্রয়মূল্য কত হবে? খ. P এর মান নির্ণয় কর। গ. উক্ত হারে ৯০০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মুনাফা ও সরল মুনাফার পার্থক্য কত?   ৬। (১) কোনো আসল ৫ বছরে মুনাফা-আসলে ১৬৮০০ টাকা এবং ৩ বছরে মুনাফা-আসলে ১৫২০০ টাকা হয়। (২) ১২.৫% হার মুনাফায় ৬০০০ টাকা ৩ বছরের জন্য বিনিযোগ করা হলো। ক. ১০% হার মুনাফায় ৪০০০ টাকার ৩ বছরের সরল মুনাফা কত? খ. (১) নং এর আলোকে আসল ও মুনাফার হার নির্ণয় কর। গ. (২) নং এর আলোকে চক্রবৃদ্ধি মুনাফা নির্ণয় কর। অতিরিক্ত: (১)নং এর আলোকে একই হার মুনাফায় কত টাকা ৫ বছরে মুনাফা-আসলে ৪২০০০ টাকা হবে? ৭। কোনো আসল সরল মুনাফায় ২ বছরে মুনাফা-আসলে ৪৫০০ টাকা হয়। ক. নিচের খালি ঘরে প্রয়োজনীয় তথ্য ‍দিয়ে পূরণ কর।   ক্রয়মূল্য (টাকা) বিক্রয়মূল্য (টাকা) শতকরা লাভ/ক্ষতি ৩৫০ ৩৫৭ খ. মুনাফ-আসলের ১/২ অংশ হলে , উদ্দীপক অনুযায়ী আসল ও মুনাফার হার নির্ণয় কর। গ. ৯% চক্রবৃদ্ধি মুনাফায় উদ্দীপকে উল্লেখিত সময়ে চক্রবৃদ্ধি মূলধন ৪৫০০ টাকা হলে আসল কত?   ৮। এক ব্যবসায়ী বার্ষিক ১১% মুনাফায় ৩০০০ টাকা এবং ৯% মুনাফায় ৪০০০ টাকা দুইটি ব্যাংক থেকে ২ বছরের জন্য ঋণ গ্রহণ করলেন।                                                                         য.বো-১৭ ক. প্রথম

অষ্টম(৮ম) শ্রেণি [জেএসসি] গণিত ২য় অধ্যায় (মুনাফা) রচনামূলক সৃজনশীন প্রশ্ন সাজেশন। Read More »

অন্বয় কাকে বলে? অন্বয় নির্ণয়

অন্বয় কাকে বলে? অন্বয় নির্ণয় অন্বয়ঃ যদি A ও B দুইটি সেট হয় তবে সেটদ্বয়ের কার্তেসীয় গুণজ A×B সেটের অন্তর্গত ক্রমজোড়গুলোর অশূন্য উপসেট R কে A সেট হতে B সেটের একটি অন্বয় বা সম্পর্ক বলা হয়।এখানে R  সেট  A×B সেটের একটি উপসেট অর্থাৎ R⊆ A×B উদাহরণঃ মনে করি A = {3.5} এবং B = {2,4} ∴ A×B = {3.5}×{2,4}         = {(3.2), (3,4), (5,2), (5,4)} ∴  অন্বয় R ⊆ {(3.2), (3,4), (5,2), (5,4)} অনেক ক্ষেত্রে শর্ত দেওয়া থাকে। শর্ত দেওয়া থাকলে অন্বয় নির্ণয় কেমন হবে তা নিচে একটি উদহরণ থেকে দেখা যাক। উদাহরণঃ যদি A = {1,2,3), B = {0,2,4} এবং A ও B এর উপাদানগুলোর মধ্যে x = y-1 সম্পর্কে বিবেচনায় থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট অন্বয় বর্ণনা কর। সমাধান: দেওয়া আছে, A = {1,2,3), B = {0,2,4} প্রশ্নানুসারে অন্বয় R = {(x,y) : x∈A, y∈B এবং x = y-1} এখানে,  A×B = {(1,0), (1,2), (1,4), (2,0), (2,2), (2,4), (3,0), (3,2), (3,4)} ∴  অন্বয় R = {(1,2), (3,4)} জামরা জানি, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লী এবং থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক। এখানে দেশের সাথে রাজধানীর একটি অন্বয় বা সম্পর্ক আছে। এ সম্পর্ক হচ্ছে দেশ-রাজধানী অনয়। উত্তু সক্পর্ককে সেট আকারে নিন্নরূপে দেখালো যায়: অর্থাৎ দেশ-রাজধানীর অন্বয় – ((বোংলাদেশ, ঢাকা), (ভারত, নতুন দিল্লী ), থাইল্যান্ড, ব্যাংকক)) পোস্টটি যে বিষয়েঃঅন্বয় meaning অন্বয় নামের অর্থ অন্বয় অর্থ কি অন্বয় কাকে বলে বাংলা অন্বয় ও ফাংশন কাকে বলে অন্বয় ও ফাংশন কি অন্বয় in english অন্বয়ের সঙ্গে অর্থ

অন্বয় কাকে বলে? অন্বয় নির্ণয় Read More »

এসিড কাকে বলে? এসিড চেনার সহজ উপায় কী? এসিড কোনগুলো?

এসিড কাকে বলে? এসিড চেনার সহজ উপায় কী? এসিড কোনগুলো? আমাদের সামনে অনেকগুলো যৌগের সংকেত লিখে দিলে তার মেধ্যে থেকে যদি এসিডগুলোকে বেছে নিতে বলা হয় তবে অনেকেই দ্বিধা দ্বন্দে পড়ে যায়। তাই সংকেত দেখে এডিস চিনতে পারা খুবই জরুরি। এখানে এসিড কাকে বলে, এসিড চেনার সহজ উপায় বা কোনগুলো এসিড তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। এসিড চেনার উপায়ঃ i) এসিড যৌগের প্রথমে অবশ্যই H পরমাণু থাকবে অর্থাৎ এসিডে প্রতিস্থাপনীয় H  থাকবে। যেমনঃ         HCl        H₂SO₄         ↑            ↑         H━━⤴ ii) এসিড জলীয় দ্রবণে অবশ্যই প্রোটন (H⁺) উৎপন্ন করে বা দান করে। যেমনঃ HCl(aq) → H⁺ + Cl⁻ iii) এসিড নীল লিটমাসকে লাল করে। iv) এসিডের pᵸ এর মান 7  এর কম হবে।  v) এটি টক স্বাদ যুক্ত। vi)  এসিড, ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। যেমনঃ HCl +NaOH → NaCl + H₂O উপরের আলোচনা থেকে খুব সহজেই “এসিড কাকে বলে?” এর উত্তরটি দেওয়া যায়। প্রশ্নঃ এসিড কাকে বলে? উত্তরঃ যে সকল পদার্থ জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন (H⁺) দান করে তাদের কে এসিড বলে।  আরো দেখুনঃ এসিডের  একটি বিশাল তালিকা দুর্বল এসিড ও শক্তিশালী এসিড চেনার সহজ উপায়। tag এসিড কাকে বলে? অ্যাসিড কাকে বলে? এসিড চেনার সহজ উপায় কী? এসিড কোনগুলো? এসিড কী অম্ল কাকে বলে?

এসিড কাকে বলে? এসিড চেনার সহজ উপায় কী? এসিড কোনগুলো? Read More »

তীব্র ক্ষারক এবং দুর্বল ক্ষারক চেনার উপায়।

  তীব্র ক্ষারক এবং দুর্বল ক্ষারক চেনার উপায়। ক্ষারক রসায়ন বিজ্ঞানের মূল বিষয়গুলোর একটি। তাই তীব্র ক্ষারক ও দুর্বল ক্ষারক চেনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই দুই ধরনের ক্ষারক দুই ধরনের বিক্রিয়া দেয়। তিনটা নিয়ম বা বিষয়ের মাধ্যমে আমার খুব সহজে তীব্র ও দুর্বল ক্ষারক চিনবো। যথা:-         আকার অনুয়ায়ী         বিয়োজন অনুযায়ী         বিয়োজন ধ্রুবকের (kь) অনুযায়ী তীব্র ক্ষারক এবং দুর্বল ক্ষারক চেনার উপাগুলো: i) ধাতুর আকার যত বড় হবে উক্ত ধাতু দ্বারা গঠিত ক্ষারক তত তীব্র হবে। যেমনঃ KOH ও CsOH এর মধ্যে CsOH তীব্র ক্ষারক । কারণ K ধাতুর চেয়ে  Cs (সিজিয়াম) ধাতুর আকার বড়।         এখানে K এর পারমাণবিক সংখ্যা = 19         এবং Cs এর পারমাণবিক সংখ্যা = 55 নিচের ক্ষারকগুলোর তীব্রতা লক্ষ্য করি:- LiOH দুর্বল ক্ষারক NaOH  শক্তিশালী ক্ষারক KOH  তীব্র শক্তিশালী ক্ষারক CsOH  সবচেয়ে তীব্র শক্তিশালী ক্ষারক মনে রাখিঃ যে ধাতুর ইলেকট্রন বিন্যাসে কক্ষপথের সংখ্যা যত বেশি হবে সে ধাতুর আকার তত বড়ে হবে। যেমনঃ     Li(3) → 1s², 2s¹ (কক্ষপথ ২টি)         Na(11) → 1s², 2s², 2p⁶, 3s¹ (কক্ষপথ ৩টি) সুতরাং Li অপেক্ষা Na এর আকার বড় হবে। ii) তীব্র ক্ষারক পানিতে বা জলীয় দ্রবনে সম্পূর্ণরুপে বিয়োজত  হয়ে OH⁻ আয়ন উৎপন্ন করে। অপরপক্ষে দুর্বল ক্ষারক জলীয় দ্রবণে আংশিক বিয়োজিত হয়ে OH⁻ আয়ন উৎপন্ন করে। যেমনঃ NaOH একটি তীব্র ক্ষারক         NaOH (জলীয়) → Na⁺ + OH⁻ (100% বিয়োজিত হয়েছে) অপরপক্ষে LiOH  একটি দুর্বল ক্ষারক         LiOH (জলীয়) → Li⁺ + OH⁻ (আংশিক বিয়োজিত হয়েছে) iii) যে ক্ষারকের বিয়োজন ধ্রুবকের (kь) মান যত বেশি হবে সে ক্ষারক তত বেশি তীব্র হবে। এবং (kь) এর মান যত কত হবে সে ক্ষারক তত দুর্বল হবে। আরো পড়ুন ঃ ক্ষারক চেনার সহজ উপায় দুর্বল এসিড ও শক্তিশালী এসিড চেনার সহজ উপায়।  tag: তীব্র ক্ষারক এবং দুর্বল ক্ষারক চেনার উপায়। অম্ল ও ক্ষার কাকে বলে, তীব্র ক্ষারের নাম, এসিড ও ক্ষার চেনার উপায়, এসিড ও ক্ষারের বৈশিষ্ট্য, ক্ষারের উদাহরণ, ক্ষারের স্বাদ কেমন।

তীব্র ক্ষারক এবং দুর্বল ক্ষারক চেনার উপায়। Read More »

অষ্টম (৮ম) শ্রেণি বাংলা ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও সমাধান

অষ্টম (৮ম) শ্রেণি বাংলা ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও সমাধান শিরোনামঃ এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। আরো পড়ুনঃ  ২য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১  সকল শ্রেণি সকল বিষয় আরো পড়ুনঃ ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট ২য় সপ্তাহ ২০২১ উত্তর। (৮ম) অষ্টম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট ১ম সপ্তাহ ২০২১ প্রশ্ন ও সমাধান ১ম সপ্তাহের সকল গ্রিড ও এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও সমাধান ২০২১ (৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি) ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা ১ম সপ্তাহ ২০২১ (প্রশ্ন ও সমাধান) (সপ্তম) ৭ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ১ম সপ্তাহ ২০২১ class 7 bangla assingment (৬ষ্ঠ) ষষ্ঠ শ্রেণির ইসলাম অ্যাসাইনমেন্ট ১ম সপ্তাহ ২০২১ প্রশ্ন ও সমাধান অষ্টম শ্রেণির ইসলাম এসাইনমেন্ট ১ম সপ্তাহ ২০২১ সমাধান ৭ম শ্রেণির ইসলাম  এসাইনমেন্ট উত্তর ১ম সপ্তাহ ২০২১ ৮ম শ্রেণি বাংলা ৬ষ্ঠ সপ্তাহের প্রশ্ন দেখুন।   বাড়ির কাজ : (নমুনা প্রশ্ন) প্রশ্ন: ০১ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যে সব যুক্তি তুলে ধরেছেন সেগুলো সাজিয়ে লিখ। অ্যাসাইনমেন্ট শুরু উপস্থাপনা:স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময় বাংলাদেশের মানুষও তাদের কল্যানের জন্য ব্যয় করেছেন।বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে সংঘবদ্ধ করতে তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম ।প্রত্যেক বাংলাদেশীর জান্য জাতির পিতা জীবন সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করা অপরিহার্য। ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু তাঁর শ্রেষ্ঠ ভাষণ দিয়েছিলেন নানা রকম পরিস্থিতি মোকাবেলা করে তিনি তো থামেননি ১০ লক্ষাধিক লোকের সামনে পাকিস্তানি দস্যুদের কামান-বন্দুক মেশিনগানের হুমকির মুখে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দিন ঘোষণা করেন এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। যেসব যুক্তি তুলে ধরেছেন: সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যেসব যুক্তি তুলে ধরেছেন তার মধ্যে অন্যতম হলো: সামগ্রিক পরিস্থিতির পর্যালোচনা, নিজ ভুমিকা ও অবস্থান ব্যাখ্যা,  পশ্চিম পাকিস্তানি রাজনীতির ভূমিকার উপর আলোকপাত, সামরিক আইন প্রত্যাহারের আহ্বান, অত্যাচার ও সামরিক বাহিনীর হুমকি; দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পূর্ব-পাকিস্তানের হরতাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা এবং নিগ্রহ আক্রমণ প্রতিরোধের আহ্বান, মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু ৪ দফা দাবি তুলে ধরেন। যথা:- ১. প্রথমে মার্শাল ল উইথড্র করতে হবে। ২. সমস্ত সামরিক বাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফেরত যেতে হবে। ৩. যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করতে হবে।আর ৪. জনগণের প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। ভূমিকা ও নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা: স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক আন্দোলনে তরুণ সমাজকে এঁক্যবদ্ধ করতে ১৯৪৮ সালে ৪ঠা জানুয়ারি শেখ মুজিব গঠন করলেন ছাত্রলীগ নামের এক অপরাজেয় ছাত্র সংগঠন। ১৯৪৯ সালের ২৩ শে জুন আওয়ামীলীগ কারাগারে বন্দি২৯ বছরের শেখ মুজিবকে সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব দেয়া হয়। এরপর যত সময় গিয়েছে শেখ মুজিব হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগের প্রাণ। প্রাণপুরুষ ১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের শিল্প বাণিজ্য দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাঙালি জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে ১৯৫৭ সালে মন্ত্রির দায়ীত্ব ছেড়ে দেন শেখ মুজিব। সামরিক আইন প্রত্যাহারের আহবান: পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেন। এর প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মার্চ অসহযোগ আন্দলোনের ডাক দেন। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণে জনগণকে মুক্তি ও স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান। নির্বাচন বন্ধের হুমকি : বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ এক ধরনের অন্যায়.আবিচারের বিরুদ্ধে বর্জ্র কণ্ঠে ঘোষণাপত্র। এই অন্যায় অবিচার বন্ধ করার জন্য যা কেবল একাত্তরেই নয় বর্তমান সময় ও আমাদের অনুপ্রাণিত উজ্জীবিত করেছেন আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথ করে দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নির্বাচনী ভাষণ। বঙ্গবন্ধুর আগমন আমাদের এদেশে এমন এক সময় হয়েছিল যখন আসলেই আমাদের একজন নেতার প্রয়োজন ছিলো। তার ঐ জ্বালাময়ি ভাষণটা ছিলো আমাদের মুক্তির পথের দিশারী। উপসংহারঃ আমৃত্যু বাঙালি তথা বাংলাদেশের ভবিষৎ এর কথা চিন্তা করে যাওয়া মুজিবুর রহমানের বাংলাদেশ তার শাসনকালে আদৌ সোনার বাংলা হয়ে উঠতে পেরেছিল কিনা তা বিচার্য নয়। বিচার্য এই যে সারা জীবন তিনি রাজনৈতিকভাবে যা কাজ করেছেন তা তার দেশ তথা দেশবাসীর সামগ্রিক উন্নয়নের উদ্দেশ্যেই। শাসনকালে গৃহীত নানা নীতির জন্য বিভিন্ন মহলে বঙ্গবন্ধু সমালোচিত হলেও আমাদের মনে রাখা দরকার সেই নীতিগুলি গৃহীত হয়েছিল বৃহত্তর জাতীয় সার্থেই। আরো দেখুন: সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় উত্তর ২য় সপ্তাহ ২০২১ ৮ম শ্রেণি গণিত ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ৮ম শ্রেণি কৃষি ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ৮ম শ্রেণি গার্হস্থ্য ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান সকল অ্যাসাইনমেন্টের জন্য নিচের ফেজবুক পেজটিতে লাইক দিয়ে রাখুন। অষ্টম (৮ম) শ্রেণি বাংলা ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও সমাধান class 8 bangla 6th week assignment 2

অষ্টম (৮ম) শ্রেণি বাংলা ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও সমাধান Read More »

টেকনিক্যাল নবম শ্রেণি রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট ২ technical class 9 chemistry assignment 2

টেকনিক্যাল নবম শ্রেণি রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট ২ technical class 9 chemistry assignment শিরোনামঃ ২নং রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট আরো পড়ুনঃ ৩য় সপ্তাহের (৯ম) নবম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১।  নবম শ্রেণির জীববিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২য় সপ্তাহ ২০২১ নবম (৯ম) শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা ১ম সপ্তাহ ২০২১ প্রশ্ন ও সমাধান নবম  শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট  ১ম সপ্তাহ ২০২১ প্রশ্ন ও সমাধান ৬ষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ইংরেজি উওর ২য় সপ্তাহ ২০২১ ৯ম শ্রেণির ফিন্যন্স ও ব্যাংকিং অ্যাসাইনমেন্ট ২য় সপ্তাহ ২০২১ টেকনিকাল নবম শ্রেণি রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নগুলো দেখুন রসায়ন শিক্ষক তোমাকে 200ml আয়তনিক ফ্লাক্সে 0.5M সোডিয়াম কার্বনেট দ্রবণ তৈরি করতে বললেন। এ তথ্যের আলোকে নিম্নের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। ১) মোল কাকে বলে? ২) দ্রবণটি তৈরি করতে কী কী যন্ত্রপাতির প্রয়োজন। ৩) প্রদত্ত যৌগটির শতকরা সংযুক্তি নির্ণয় কর। ৪) দ্রবণটি তুমি কিভাবে তৈরী করবে তার ধারাবাহিক পদ্ধতি বর্ণনা কর। অ্যাসাইনমেন্ট শুরু ১নং প্রশ্নের উত্তর মোলঃ রাসায়নিক পদার্থের (পরমাণুর ক্ষেত্রে) পারমাণবিক ভর অথবা (অণুর ক্ষেত্রে) আণবিক ভরকে গ্রাম এককে প্রকাশ করলে যে পরিমাণ পাওয়া যায় তাকে এঁ পদার্থের এক মোল বলা হয়। ২নং প্রশ্নের উত্তর দ্রবণটি তৈরি করতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিঃ ২০০মিলিলিটার আয়তনিক ফ্লাক্স, ফানেল, ওজন, বোতল, রাসায়নিক নিক্তি, ওয়াশ বোতল। ৩নং প্রশ্নের উত্তর প্রদত্ত যৌগটি হলো সোডিয়াম কার্বনেট Na₂(CO₃) নিচে সোডিয়াম কার্বনেটের শতকরা সংযুক্তি বের করে দেখানো হলো। সোডিয়াম কার্বনেট Na₂(CO₃) এর আনবিক ভর = 23×2+12×1+16×3         = 46+12+48         = 106 Na এর শতকরা সংযুক্তি = (23×2×100) ÷ 106         = 43.39% C এর শতকরা সংযুক্তি = (12×1×100) ÷ 106         = 11.32% O এর শতকরা সংযুক্তি = (16×3×100) ÷ 106         = 45.28% ৪ নং প্রশ্নের উত্তর 200 মিলি আয়তনিক ফ্লাক্সে 0.5 মোলার সোডিয়াম কার্বনেট দ্রবণ প্রস্তুতি। মূলনীতি: সোডিয়াম কার্বনেট Na₂(CO₃) একটি প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ। কারণ সোডিয়াম কার্বনেটকে বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়, শুষ্ক অবস্থায় পাওয়া যায়, রাসায়নিক নিস্তিতে সরাসরি ওজন করা যায়, সোডিয়াম কার্বনেট দ্রবণের ঘনমাত্রা তৈরি করে থাকলে ঐ ঘনমাত্রা দীর্ঘদিন কোনো পরিবর্তন হয় না। একটি 200 মিলি আয়তনিক ফ্লাক্সে 0.5 মোলার সোডিয়াম কার্বনেট দ্রবণ তৈরি করার জন্য নিচের হিসাৰ প্রয়োজন। এখানে, V = 200 মিলি , S= 0.5 মোলার, M=  23×2+12×1+16×3 =106 W =? আমরা  জানি, W = SVM/1000             = (0.5×200×106)/1000      ∴W = 10.6 গ্রাম একটি আয়তনিক ফ্লাক্সে  10.6 গ্রাম সোডিয়াম কার্বনেট মেপে নিয়ে তার মধ্যে পানি যোগ করে দ্রবণের আয়তন 200  মিলিলিটার করলে 0.5 মোলার সোডিয়াম কার্বনেট ভ্রবণ প্রস্তুত হয়ে হাবে। কিন্তু এই নির্দিষ্ট্য ঘনমাত্রার (মোলারিটির) দ্রবণ তৈরি করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। কারণ সঠিকভাবে 10.6 গ্রাম সোডিয়াম কার্বনেট মেপে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন। অতএব, 0.5  মোলার ঘনমাত্রার কাছাকাছি কোনো ঘনমাত্রার দ্রবণ তৈরি করা হয়। দ্রবণটি তৈরি করতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিঃ  ২০০মিলিলিটার আয়তনিক ফ্লাক্স, ফানেল, ওজন, বোতল, রাসায়নিক নিক্তি, ওয়াশ বোতল। কার্যপদ্ধতিঃ  ১) একটি পরিষ্কার ২০০ মিলি আয়তনিক ফ্লাক্সের মুখে একটি পরিষ্কার ফানেল রাখা হলো। ২) রাসায়নিক নিক্তির সাহায্যে ১টি শুষ্ক ওজন বোতলের ওজন নেওয়া হলো। ৩) এবার ওজন বোতলে সোডিয়াম কার্বনেট এমনভাবে দেওয়া হলো যেন সোডিয়াম কার্বনেটসহ ওজন বোতলের ওজন 10.6 গ্রাম বেশি হয়। ৪)  ওজন বোতলের সোডিয়াম কার্বনেট ফানেলের মধ্য দিয়ে আয়তনিক  ফ্লাক্সে ঢালা হলো । ৫) ওয়াশ বোতল থেকে পাতিত পানি ফানেলের মাধ্যমে আয়তনিক  ফ্লাক্সে আস্তে আন্তে যোগ করা হলো। অর্ধেক পানি ঢালার পর আয়তনিক ফ্লাক্ষের মুখের ছিপি আটকিন়ে আয়তনিক  ফ্লাক্স ঝাঁকিয়ে সোডিয়াম কার্বনেটকে সম্পূর্ণভাবে ভ্রবীভূত করা হলো। এরপর আরো পানি যোগ করে আয়তনিক ফ্লাস্কের 200. দাগ পর্যন্ত পানি দ্বারা পূর্ণ করা হলো। সতর্কতাঃ ১)  শুক্ষ ও বিশুদ্ধ সোডিয়াম কার্বনেট নেওয়া । ২) শুষ্ক ওজন বোতল নেওয়া । ৩) বিশুদ্ধ পানি অর্থাৎ পাতিত পানি আয়তনিক ফ্লাস্কে যোগ করা। যে কোনো অ্যাসাইনমেন্টের জন্য নিচে কমেন্ট করুন।

টেকনিক্যাল নবম শ্রেণি রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট ২ technical class 9 chemistry assignment 2 Read More »

Scroll to Top