You are currently viewing দশম শ্রেণির ৪র্থ সপ্তাহের পদার্থবিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

দশম শ্রেণির ৪র্থ সপ্তাহের পদার্থবিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

আজকে তোমাদের জন্য নিয়ে হাজির হলাম দশম শ্রেণির ৪র্থ সপ্তাহের পদার্থবিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২। তোমরা যারা দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাদের জন্য আমাদের আজকের এই আয়োজন। এখানে তোমরা চতুর্থ সপ্তাহের দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ এর নমুনা উত্তর পেয়ে যাবে।

দশম শ্রেণির ৪র্থ সপ্তাহের পদার্থবিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট

প্রিয় দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা ইতিমধ্যে জেনে গেছ অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ চতুর্থ সপ্তাহে তোমাদের দুটি অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে হবে। একটি হচ্ছে সাধারণ গণিত যা তোমাদের সকল বিভাগের শিক্ষার্থীদের লিখতে হবে। কিন্তু অন্য একটি বিষয় যা তোমাদের বিভাগ অনুযায়ী আলাদা আলাদা।

দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য চতুর্থ সপ্তাহে পদার্থবিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে হবে। আজকের পদার্থবিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট তোমাদের জন্য খুবই সহজ এবং ইন্টারেস্টিং হতে চলেছে।

চতুর্থ সপ্তাহের পদার্থবিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন পিডিএফ আমরা গত একটি পোস্টে প্রকাশ করেছিলাম। তোমরা যদি সেই পোষ্টটি না দেখে থাকো তাহলে নিশ্চয়ই তোমরা পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন টি পড়োনি। তবে আমরা তোমাদের এখানে পদার্থ বিজ্ঞান চতুর্থ সপ্তাহের প্রশ্ন ছবি আকারে নিচে দিয়ে দিব যেখান থেকে তোমরা প্রশ্নটিই পড়ে নিতে পারবে। তাহলে চলো দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমরা চতুর্থ সপ্তাহের পদার্থবিজ্ঞান ২০২২ প্রশ্ন দেখে নেই।

দশম শ্রেণির ৪র্থ সপ্তাহের পদার্থবিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ প্রশ্ন

দশম শ্রেণির ৪র্থ সপ্তাহের পদার্থবিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ প্রশ্ন

উপরের প্রশ্নটিই পড়ে তোমরা নিশ্চয়ই ভাবছো অ্যাসাইনমেন্ট কিভাবে লিখবে। তোমাদের চিন্তার কোন কারণ নেই আমরা তোমাদের একটি নমুনা উত্তর প্রদান করব যা দেখে তোমরা নিমিষেই আজকের পদার্থ বিজ্ঞান চতুর্থ সপ্তাহের উত্তর লিখতে পারবে। তাহলে আর দেরি কেন চলো আমরা উত্তরটি দেখে নিই।

দশম শ্রেণির ৪র্থ সপ্তাহের পদার্থবিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ সমাধান

অ্যাসাইনমেন্ট শিরোনামঃ ভর ও শক্তির সম্পর্ক

অ্যাসাইনমেন্ট শুরু

ধাপঃ ১

ভর ও শক্তির মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক নিম্নে উপস্থাপন করা হলোঃ
নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় সাধারণত পদার্থ তথা ভর শক্তিতে রূপান্তর হয়। অবশ্য নিউক্রিয় বিক্রিয়া মোট ভরের কেবল একটি ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ শক্তিতে রূপান্তর হয়। পদার্থ শক্তিতে রূপান্তর হলে যদি E পরিমাণ শক্তি পাওয়া যায়,
তাহলে E=mc2

এখানে, m হচ্ছে শক্তিতে রূপান্তর ভর

এবং c হচ্ছে আলোর বেগ এবং c= 3×108 ms-1

পরীক্ষা করে দেখা গেলো একটি ফিশন বিক্রিয়ায় অর্থাৎ একটি নিম্ন শক্তির নিউট্রন যদি একটি ইউরেনিয়াম নিউক্রিয়াসকে (235U) আঘাত করে তাহলে প্রায়

200 MeV=200×106 eV

= 200×106×1.6×1019 J

= 3.2×10-11 J

শক্তি নির্গত হয়। যেহেতু ফিশন বিক্রিয়া একটি শৃঙ্খল বিক্রিয়অ, মুহুর্তের মধ্যে কোটি কোটি বিক্রিয়া সংঘটিত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়।

ধাপঃ ২

নিউক্লিয়ার শক্তি যেভাবে বিদ্যুৎ শক্তিতে রুপান্তর হয় তা আমার মতো করে বিক্রিয়া ও চিত্রের সাহায্যে উপস্থাপন করা হলোঃ

ইউরেনিয়াম 235 এখানে 92টি প্রোটন এবং 143টি নিউন্রন রয়েছে। প্রকৃতিতে এর পরিমাণ খুব কম, মাত্র 0.7%, এর অর্ধায় 703,800,000 (704 মিলিয়ন প্রায়) বছর। এই ইউরেনিয়াম 235 নিউক্লিয়াস খুব সহজেই আরেকটা নিউট্রনকে গ্রহণ করতে পারে তখন ইউরেনিয়াম 235 পুরোপুরি অস্থিতিশীল হয়ে যায়, এটা তখন Kr92 এবং Ba141 এই
দুটো ছোট নিউক্লিয়াসে ভাগ হয়ে যায়। তার সাথে সাথে আরো তিনটা নিউট্রন বের হয়ে আসে । যা নিম্নের সমীকরণে দেখানো হয়েছে।

n01+U92235Kr3692+Ba56141+3n01

সমীকরণের বাম পাশের মৌলের ভর বের করে এবং সেটাকে ডান পাশের মৌলের ভরের সাথে তুলনা করলে দেখা যাবে ডান পাশে ভর কম, যেটুকু ভর কম সেটুকু আসলে E=mc2 এর শক্তি হিসেবে বের হয়ে এসেছে।

নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া

এই বিক্রিয়ায় যে তিনটি নিউট্রন বের হয়ে এসেছে, তারা আসলে প্রচণ্ড গতিতে বের হয়ে আসে, তাই খুব সহজে অন্য ইউরেনিয়াম (235U) সেগুলো ধরে রাখতে পারে না। কোনোভাবে যদি এগুলোর গতিশক্তি কমানো যায় তাহলে সেগুলো অন্য ইউরেনিয়াম (235U) নিউক্রিয়াসে আটকা পড়ে সেটাকেও ভেঙে দিয়ে আরো কিছু শক্তি এবং আরো তিনটি নতুন নিউট্রন বের করবে । নিউ্রনগুলোর গতি কমে আসার পর সেগুলো আবার অন্য নিউক্রিয়াসকে ভেঙে দেয় এবং এভাবে চলতেই থাকে । এই প্রক্রিযাকে বলে চেইন রি-আাকশন।

BWR
ছবিটা টেকটিউন সাইট থেকে নেওয়া

 

এই পদ্ধতিতে প্রচণ্ড তাপশক্তি বের হয়ে আসে, সেই তাপশক্তি ব্যবহার করে পানিকে বাম্পীভূত করে সেই বাষ্প দিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে জেনারেটর থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করা হয়। এরকম একটা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে খুব সহজেই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।

ধাপঃ ৩

নিউক্লিয়ার শক্তির পরিবেশগত প্রভাব নিম্নে উল্লেখ করা হলোঃ
অনিয়ন্ত্রিত নিউক্লিয়ার শক্তি পরিবেশের উপর মারাত্মক বিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে। একটি পারমাণবিক শক্তির চুল্লি স্থাপনের পূর্বে সে অঞ্চলের পরিবেশ, ভু-কম্পন প্রবনতা, হাইড্রোলজি, আবহাওয়াবিদ্যা, জনসংখ্যা এবং শিল্প-পরিবহন ও সামরিক স্থাপনা সমূহ নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে হয়। এছাড়া অগ্নিকান্ড, বিস্ফোরণ, বিকিরণ, ও দুঘটনার কারণে মহাবিপযয় ঘটতে পারে। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের রক্ষণাবেক্ষণে আন্তর্জাতিক মানের নিউক্লিয়ার বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন । পারমাণবিক বিদ্যুৎ চুল্লির দুর্ঘটনার ফলে ক্যান্সার জনিত রোগের সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করে ।

যেসব স্থানে এ ধরনের দুঘটনা ঘটে সেসব স্থানে জন্ম নেয়া সকল শিশুই হয়। পারমাণবিক চুল্লিতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার পর সৃষ্টি হয় তেজক্তিয় বর্জ্য যা জীবজগত ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক বিপদজনক । এসব বর্জ্য কমপক্ষে ১০,০০০ বছর বিশেষভাবে সংরক্ষণ করতে হয় যেন তেজক্ক্রিয়তা ছড়াতে না পারে। যতই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হউক না কেন তারপরও প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও কারিগরি ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কমবেশি থেকে যায়।

অ্যাসাইনমেন্ট শেষ

উপরের অ্যাসাইনমেন্টটির পিডিএফ ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

https://sub2unlock.me/zbVqU

আরো পড়ুনঃ 

 

প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply