ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা মুজিব

মুজিব
রোকনুজ্জামান খান
জন্ম : ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দ

মৃত্যু : ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দ শিক্ষার্থীরা যা জানবে-
 মুক্তিযুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর অবদান
 বাংলার সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি
 জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের গভীর দেশপ্রেমবোধ
 শেখ মুজিবের অবদান ও দেশের মানুষের হৃদয়ে তার অবস্থান
 কবি পরিচিতি
নাম রোকনুজ্জামান খান। ‘দাদা ভাই’ নামে তিনি সমধিক পরিচিত।
জন্ম পরিচয় জন্ম : ১৯২৫ সালে; জন্মস্থান : ফরিদপুর জেলার পাংশা উপজেলা।
পেশা/কর্মজীবন সাংবাদিকতা দিয়েই কর্মজীবনের শুরু। দৈনিক ইত্তেহাদ, শিশু সওগাত, দৈনিক মিল্লাত, সাপ্তাহিক পূর্বদেশ, পাকিস্তান ফিচার সিন্ডিকেট ইত্যাদি পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন।
১৯৫৫ সালে ‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এর মফস্বল সম্পাদক ও শিশু বিভাগ ‘কচিকাঁচার আসর’-এর সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন। পরে তিনি এই পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক এবং ফিচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৪ থেকে ১৯৭১-এর ফেব্র“য়ারি পর্যন্ত ‘মাসিক কচিকাঁচা’ নামে একটি উন্নতমানের শিশু পত্রিকা সম্পাদনা করেন। ১৯৫৬ সালের ৫ই অক্টোবর রোকনুজ্জামান খান ইত্তেফাকের শিশু বিভাগ কচিকাঁচার আসরের সদস্যদের নিয়ে ঐতিহ্যবাহী জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন ‘কচিকাঁচার মেলা’ গঠন করেন।
সাহিত্য সাধনা ছড়া : হাট্টিমা টিম, খোকন খোকন ডাক পাড়ি; অনুবাদ : আজব হলেও গুজব নয়।
সম্পাদনা : আমার প্রথম লেখা, ঝিকিমিকি, বার্ষিক কচি ও কাঁচা, ছোটদের আবৃত্তি প্রভৃতি।
পুরস্কার ও সম্মাননা ১৯৬৮ সালে শিশু-সাহিত্যে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’ এবং ১৯৯৪ সালে ‘বাংলাদেশ শিশু একাডেমি’ পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৮ সালে তিনি রাষ্ট্রীয় একুশে পদক প্রাপ্ত হন। একই বছর রোটারি ইন্টারন্যাশনাল এবং রোটারি ফাউন্ডেশন ট্রাস্টি তাঁকে ‘পল হ্যারিস ফেলো’ সম্মানে ভ‚ষিত করে। একই সালে ফরিদপুর জসীমউদ্দীন ফাউন্ডেশন তাঁকে সাহিত্যে ‘জসীমউদ্দীন স্বর্ণপদক’-এ ভ‚ষিত করে। তাকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০০০’ (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়।
জীবনাবসান ১৯৯৯ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

 বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর 
১. স্বাধীন বাংলা চিরকাল কাকে ডাকবে?
ক মুক্তিযোদ্ধাকে  শেখ মুজিবকে
গ ভাষা শহিদদের ঘ ভাষা-সৈনিকদের
২. ‘সবুজ শ্যামল বনভূমি মাঠ নদীতীর বালুচর’-এর দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?
 বাংলার প্রকৃতি খ নদীর পাড় ও মাঠ
গ বাংলাদেশের বনভ‚মি ঘ বাংলার উর্বর মাঠ
উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
যতকাল রবে পদ্মা-যমুনা-গৌরী-মেঘনা বহমান
ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।
৩. ‘মুজিব’ কবিতার কোন চরণে উদ্দীপকের প্রথম চরণটি ফুটে উঠেছে?
ক সবখানে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঘর
 আমরা বাঙালি যতদিন বেঁচে রইব এ বাংলায়
গ সবুজ শ্যামল বনভ‚মি মাঠ নদীতীর বালুচর
ঘ সোনার দেশের মাঠে মাঠে ফলে সোনাধান রাশিরাশি
৪. উদ্দীপকটির দ্বিতীয় চরণ প্রতিনিধিত্ব করছে ‘মুজিব’ কবিতারÑ
র. অবদানের রর. অমরত্বের ররর. শ্রেষ্ঠত্বের
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র,রর ও ররর
 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর 
প্রশ্ন- ১ ল্ফল্ফ ঐক্য সৃষ্টি

মধুমতি একটি অবহেলিত গ্রাম। জনসংখ্যা কম নয় তবুও শিক্ষার হার কম হওয়ায় এগুতে পারছে না গ্রামটি। রশিদ সাহেব গ্রামের অধিকার-বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য গ্রামবাসীদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হলেন। গ্রামটিকে একটি আদর্শ গ্রামে পরিণত করলেন। রশিদ সাহেব আজ নেই তবুও মধুমতি গ্রামের প্রতিটি ঘর তাঁকে তাঁর কীর্তির জন্য শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে।
ক. কার মধুর হাসিতে বাঙালির ঘর ভরে ওঠে? ১
খ. ‘মুজিব আয় ঘরে ফিরে আয়।’Ñ এই বাক্যের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর। ২
গ. বর্ণিত ঘটনার সাথে ‘মুজিব’ কবিতার ভাবগত দিক তুলে ধর। ৩
ঘ. ‘মধুমতি গ্রামটি যেন ‘মুজিব’ কবিতার স্বাধীন বাংলা’Ñ কথাটির সার্থকতা প্রমাণ কর। ৪

ক শিশুর মধুর হাসিতে বাঙালির ঘর ভরে ওঠে।
খ মুজিব বাংলার প্রিয় মানুষ বলে তাঁকে বার বার ফিরে পাওয়ার আকুলতা ব্যক্ত হয়েছে আলোচ্য অংশে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা। তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন এদেশবাসীর অধিকার রক্ষার জন্য। তাঁর নেতৃত্বেই বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাকিস্তানি শোষণ থেকে দেশকে

স্বাধীন করেছিল। এদেশের মানুষকে স্বাধীনভাবে বাঁচার এবং সুখী ও সমৃদ্ধ জীবনের স্বপ্ন তিনিই দেখিয়েছিলেন। তাই তো বাঙালি কখনো তাকে ভুলতে পারে না। প্রতি মুহূর্তে তাঁর উপস্থিতি অনুভব করে এবং তাঁকে ফিরে পাওয়ার জন্য সবসময় ব্যাকুলতা প্রকাশ করে।
গ উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে ‘মুজিব’ কবিতার ভাবগত সাদৃশ্য রয়েছে।
‘মুজিব’ কবিতায় আমরা প্রকাশিত হতে দেখি, পাকিস্তানি স্বৈরাচারী শাসন-শোষণ, অত্যাচার, হত্যা ও রক্তপাতের বিরুদ্ধে একজন স্বাধীনতাকামীর স্বপ্ন। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই কিন্তু বাংলাদেশের সব জায়গায় প্রতি মুহ‚র্তে তিনি উপস্থিত থাকেন। তাঁকে সবাই শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করে।
উদ্দীপকে আমরা দেখি, মধুমতি একটি অবহেলিত গ্রাম। সে গ্রামের অধিকারবঞ্চিত মানুষদের নিয়ে তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ হলেন রশিদ সাহেব। তাঁর নেতৃত্বে গ্রামটি একটি আদর্শ গ্রামে পরিণত হলো। রশিদ সাহেব আজ নেই তবুও মধুমতি গ্রামের প্রতিটি ঘর তাঁকে তাঁর কীর্তির জন্য শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে। এভাবে দেখা যায় ‘মুজিব’ কবিতা ও উদ্দীপকের মধ্যে ভাবগত একটি যোগসূত্র স্থাপিত হয়। এখানেই উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে ‘মুজিব’ কবিতার সাদৃশ্য।
ঘ “মধুমতি গ্রামটি যেন ‘মুজিব’ কবিতার স্বাধীন বাংলা” কথাটি যথার্থ।
‘মুজিব’ কবিতায় দেখি পাকিস্তানি স্বৈরাচারের শোষণ, অত্যাচারের হাত থেকে দেশকে স্বাধীন করার জন্য বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের আহŸানে দীর্ঘ ৯ মাসের এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নামে। তাঁর নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়। তিনি হন স্বাধীন দেশের স্থপতি। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক।
উদ্দীপকেও দেখা যায়, মধুমতি গ্রামটি অবহেলিত। ওই গ্রামের মানুষ অধিকার বঞ্চিত। তাই অধিকার বঞ্চিত মানুষদের নিয়ে রশিদ সাহেব অধিকার আদায়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ হন। তিনি মধুমতি গ্রামটিকে একটি আদর্শ গ্রামে পরিণত করেন।
‘মুজিব’ কবিতায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশে পরিণত হওয়ার মতোই মধুমতি গ্রামটি আদর্শ গ্রামে পরিণত হয়। অর্থাৎ ‘মুজিব’ কবিতা ও মধুমতি গ্রাম একে অন্যের প্রতিরূপ।

 বিষয়ক্রম অনুযায়ী বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
ন্ধ কবি পরিচিতি º বোর্ড বই, পৃষ্ঠা ৭৬
সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১. ‘মুজিব’ কবিতার কবির নাম কী? (জ্ঞান)
ক কাজী নজরুল ইসলাম খ আল মাহমুদ
 রোকনুজ্জামান খান ঘ বেগম রোকেয়া
২. রোকনুজ্জামান খান কত সালে জন্মগ্রহণ করেন? (জ্ঞান)
ক ১৯২০  ১৯২৫ গ ১৯৩০ ঘ ১৯৩৫
৩. রোকনুজ্জামান খান কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন? (জ্ঞান)
ক বর্ধমান খ ময়মনসিংহ গ মাদারিপুর  ফরিদপুর
৪. রোকনুজ্জামান খান পরিচিত ছিলেন কী নামে? (জ্ঞান)
ক চাচা সাহেব  দাদা ভাই গ নানা ভাই ঘ মামা সাহেব
৫. রোকনুজ্জামান খান কত সালে ‘দৈনিক ইত্তেফাক’ পত্রিকায় কচিকাঁচার আসরের সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন? (জ্ঞান)
ক ১৯৩৮ খ ১৯৩৯ গ ১৯৪১  ১৯৫৫
৬. রোকনুজ্জামান খান কত সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পান? (জ্ঞান)
 ১৯৬৮ খ ১৯৯৪ গ ১৯৯৮ ঘ ১৯৯৯
৭. রোকনুজ্জামান খান কোন পত্রিকার মফস্বল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন? [জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ]
ক প্রথম আলো খ জনকণ্ঠ গ নয়া দিগন্ত  ইত্তেফাক
৮. রোকনুজ্জামান খান কত সালে ‘একুশে পদক’ প্রাপ্ত হন?
[ডনোভান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়]
ক ১৯৯১ খ ১৯৯৭  ১৯৯৮ ঘ ২০০০
৯. শিশু সংগঠক হিসেবে রোকনুজ্জামান খানকে মরণোত্তর কোন পুরস্কার প্রদান করা হয়? [এস ও এস হারম্যান মেইনার কলেজ, ঢাকা]
 স্বাধীনতা পুরস্কার খ বাংলা একাডেমি পুরস্কার
গ একুশে পদক ঘ শিশু-কিশোর পদক
বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১০. রোকনুজ্জামান খান সাংবাদিকতা করেন (অনুধাবন)
র. দৈনিক মিল্লাত পত্রিকায় রর. সাপ্তাহিক পূর্বদেশ পত্রিকায়
ররর. পাকিস্তান ফিচার সিন্ডিকেট পত্রিকায়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
১১. রোকনুজ্জামানের প্রাপ্ত পুরস্কার (অনুধাবন)
র. বাংলা একাডেমি পুরস্কার রর. আদমজি পুরস্কার
ররর. বাংলাদেশ শিশু একাডেমি পুরস্কার
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১২. রোকনুজ্জামানকে ‘পল হ্যারিস’ ফেলো সম্মানে ভ‚ষিত করে (অনুধাবন)
র. রোটারি ইন্টারন্যাশনাল রর. রোটারি ফাউন্ডেশন ররর. বাংলা একাডেমি
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
ন্ধ মূলপাঠ º বোর্ড বই, পৃষ্ঠা ৭৫
সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১৩. ফসলের হাসি দেখে কার হাসির কথা মনে হয়? (জ্ঞান)
ক শেখ হাসিনার  শেখ মুজিবের গ শেখ রাসেলের ঘ শেখ কামালের
১৪. কার মধুর হাসিতে বাঙালির ঘর ভরে ওঠে? (জ্ঞান)
 শিশুর খ তরুণের গ যুবকের ঘ বৃদ্ধার
১৫. সোনার দেশের মাঠে মাঠে রাশি রাশি কী ফলে? (জ্ঞান)
ক যব খ ভুট্টা  সোনাধান ঘ ছোলা
১৬. শিশুর মধুর হাসিতে যখন বাঙালির ঘর ভরে তখন কার হাসিমুখ মনে হয়? (জ্ঞান)
ক প্রকৃতির  মুজিবের গ কবির ঘ বীর সন্তানদের
১৭. ‘মুজিব’ কবিতায় কবি চিরশিশু বলে অভিহিত করেছেন কাকে? (জ্ঞান)
ক প্রকৃতিকে খ ফসলের মাঠকে
গ বীরসন্তানদের  মুজিবকে
১৮. স্বাধীন বাংলা মুজিবকে কোথায় ফিরে আসার জন্য ডাকবে? (জ্ঞান)
ক বাংলাদেশে খ বাংলার প্রকৃতিতে গ বাঙালির প্রাণে  ঘরে
১৯. বাংলাদেশের স্বাধীনতার পেছনে কার অবদান সবচেয়ে বেশি ছিল? (জ্ঞান)
ক সৈয়দ নজরুল ইসলামের  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
গ তাজউদ্দিন আহমেদের ঘ হামিদুর রহমানের
২০. বাঙালি চিরদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে পাওয়ার জন্য আকুল থাকবে কেন? (অনুধাবন)
 তিনি দেশের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছিলেন বলে
খ তিনি ক্ষমতাবান ছিলেন বলে
গ তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বলে
ঘ তিনি অনেক ধন-সম্পদের মালিক ছিলেন বলে
২১. ‘সবুজ শ্যামল মাঠ নদী তীর বালুচর।’চরণটি দ্বারা লেখক কী বুঝিয়েছেন? (অনুধাবন)
ক নদীর ঘাটি খ বালির চর গ সবুজ দেশ  সমগ্র বাংলাদেশ
২২. ‘মনে হয় যেন শিশু হয়ে হাসে চিরশিশু মুজিবর।’ এই চরণটিতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন? (অনুধাবন)
ক শেখ মুজিবের হাসি  শিশুর হাসিতে শেখ মুজিবের উপস্থিতি
গ বাঙালির উপস্থিতি ঘ শিশুর হাসি
২৩. স্বাধীন বাংলার মানুষ সবসময় মুজিবকে ফিরে পাওয়ার জন্য আকুলতা প্রকাশ করে কেন? (অনুধাবন)
ক তিনি ছিলেন পরোপকারী  তিনি ছিলেন স্বাধীন বাংলার রূপকার
গ তিনি ছিলেন পাকিস্তানের দোসর ঘ তিনি ছিলেন অনেক সম্পদের মালিক
২৪. আশরাফ দেশের জন্য সংগ্রাম করে চির অমর হয়ে আছেন। এখানে উলি­খিত ‘আশরাফ’ চরিত্রের সঙ্গে ‘মুজিব’ কবিতার কার সাদৃশ্য রয়েছে? (প্রয়োগ)
ক কবির খ বাঙালির গ শিশুর  শেখ মুজিবের
২৫. কী দিয়ে বাঙালির ঘর ভরে ওঠে? (অনুধাবন)
ক বৃদ্ধের কান্নায় খ যুবকের আনন্দে
 শিশুর মধুর হাসিতে ঘ নারীর প্রতিবাদে
২৬. জাফরের নেতৃত্বে মধুপুরবাসী অত্যাচারের প্রতিবাদ করেন। এখানে জাফর চরিত্রের সঙ্গে ‘মুজিব’ কবিতার মিল রয়েছে কোন চরিত্রের? (প্রয়োগ)
ক কবির খ বাঙালিদের
 শেখ মুজিবুর রহমানের ঘ শিশুর
২৭. ‘সোনাধান রাশি রাশি’ উক্তিটি কীসের প্রতীকরূপে ব্যবহৃত হয়েছে? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক সোনার মতো ধানের খ অর্থসম্পদের
গ ফসলের আধিক্যের  নিজস্ব সম্পদে বাঙালির সমৃদ্ধির
২৮. ‘চিরশিশু মুজিবর’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক বঙ্গবন্ধু চিরকাল শিশুর মতো থাকবেন
খ বঙ্গবন্ধু শিশুদের অত্যন্ত স্নেহ করতেন
গ বঙ্গবন্ধুর মনটি শিশুর মতো
 সরল ও আবেগপ্রবণ বঙ্গবন্ধু
২৯. ‘ফসলের হাসি দেখে মনে হয় শেখ মুজিবের হাসি।’ এই চরণটিতে নিচের কোনটি ফুটে উঠেছে? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খ শেখ মুজিবের নেতৃত্ব
 শেখ মুজিবের উপস্থিতি ঘ বাংলাদেশের যুদ্ধ
বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৩০. ‘মুজিব’ কবিতায় মুজিবকে তুলে ধরা হয়েছে (অনুধাবন)
র. পৃথিবীর সকল স্থানে রর. জীবনের সকল স্তরে ররর. জ্ঞানের সকল স্তরে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৩১. বঙ্গবন্ধুর ঘর আছে (অনুধাবন)
র. সবুজ শ্যামল বনভ‚মিতে রর. বালুচরে ররর. মাঠে নদীতীরে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৩২. ‘মুজিব’ কবিতাটি পাঠ করে শিক্ষার্থীরা ধারণা পাবে
[রাজবাড়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়]
র. তার গভীর দেশপ্রেমের রর. তার দেশের প্রতি অবদানের
ররর. তার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৩৩. সারা বাংলায় শেখ মুজিবের ঘর (অনুধাবন)
র. তাঁর নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে বলে রর. বাঙালিরা মুজিবকে ভালোবাসে বলে
ররর. শিশুর মতো হাসেন বলে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৩৪ ও ৩৫নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
মহাত্মা গান্ধী ভারতের জাতির পিতা, ভারতের স্বাধীনতার জন্য তিনি আমরণ নিজেকে সংগ্রামে যুক্ত রেখেছেন। স্বাধীন ভারতের জনগণ চিরকাল তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
৩৪. মহাত্মা গান্ধী ‘মুজিব’ কবিতার কার প্রতিনিধিত্ব করছে? (প্রয়োগ)
ক বাংলার মানুষ খ বাংলার শিশু গ কবি  মুজিবুর রহমান
৩৫. উক্ত প্রতিনিধিত্বের কারণ (উচ্চতর দক্ষতা)
র. উভয়েই জাতির পিতা রর. উভয়েই দেশপ্রেমিক ররর. উভয়েই দেশের শাসক
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৩৬ ও ৩৭নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
তুমি আছ সাহসে, প্রেমে, বিস্ময়ে, জয়ে তুমি আছ অন্তরে হে বন্ধু শেখ মুজিবুর।
৩৬. অনুচ্ছেদে ‘মুজিব’ কবিতার কোন বিষয়টি লক্ষ করা যায়? (প্রয়োগ)
 সব জায়গায় বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতি খ বঙ্গবন্ধুর কর্মকাণ্ড
গ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব গুণাবলি ঘ বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম
৩৭. উক্ত বিষয়ের যথার্থ কারণ (্উচ্চতর দক্ষতা)
র. মুজিবের প্রতি বাঙালির অবহেলা রর. মুজিবের দেশপ্রেম
ররর. মুজিবের প্রতি বাঙালির ভালোবাসা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৩৮ ও ৩৯নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
পরিবারের সকলের কাক্সিক্ষত শিশুটি যখন ভ‚মিষ্ঠ হলো তখন কারো আনন্দের সীমা রইল না। সবার কোলে কোলে শিশুটি ঝলমল করে। সবাই শিশুটিকে চিরদিন আগলে রাখতে চায়। [ইউনাইটেড ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারীপুর]
৩৮. অনুচ্ছেদটি কোন কবিতার ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে? (প্রয়োগ)
ক সুখ খ সভা  মুজিব ঘ জš§ভ‚মি
৩৯. অনুচ্ছেদে কবিতার যে ভাবটি প্রকাশ পায় (উচ্চতর দক্ষতা)
র. কাক্সিক্ষত শিশুর আগমন রর. সর্বত্র আনন্দের ছাপ
ররর. সবার মাঝে সৌন্দর্যের অবস্থান
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৪০. মুজিব ও শিশুটির কাছে সবার প্রত্যাশা কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
 সবার ডাকে সাড়া দেওয়া খ নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া
গ চিরদিন সুন্দর থাকা ঘ একাকী অবস্থান করা
ন্ধ শব্দার্থ ও টীকা º বোর্ড বই, পৃষ্ঠা ৭৬
সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৪১. ‘বনভ‚মি’ শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
ক সমতল এলাকা খ উঁচুনিচু এলাকা গ দুর্গম এলাকা  অরণ্য এলাকা
৪২. ‘বালুচর’ বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)
ক নদীতে জেগে ওঠা যে চর  বালুর পলি পড়ে উৎপন্ন যে চর
গ মাটির আস্তরণ পড়ে উৎপন্ন যে চর ঘ মাটির বস্তা ফেলে উৎপন্ন যে চর
বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৪৩. ‘চিরকাল’ বলতে বোঝায় (অনুধাবন)
র. চিরকাল যে শিশুর মতো সহজ রর. চিরকাল যে শিশুর মতো অকৃত্রিম
ররর. চিরকাল যে শিশুর মমতাময়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
ন্ধ পাঠ পরিচিতি º বোর্ড বই, পৃষ্ঠা ৭৬
সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৪৪. বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন দিবস কোনটি?
[এ.ভি.জে. এম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়]
ক ১৯৭১ সালের ১০ই জানুয়ারি  ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি
গ ১৯৭২ সালের ২১শে ফেব্র“য়ারি ঘ ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট
৪৫. বাঙালিদের স্বাধীনতার ডাক দেন কে? (জ্ঞান)
ক হামিদুর রহমান  শেখ মুজিবুর রহমান
গ তাজউদ্দিন আহমেদ ঘ সৈয়দ নজরুল ইসলাম
৪৬. বাংলাদেশ কত সালে স্বাধীন হয়? (জ্ঞান)
 ১৯৭১ খ ১৯৫২ গ ১৯৭৫ ঘ ১৯৮১
৪৭. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে কত সালে হত্যা করা হয়? (জ্ঞান)
ক ১৯৭১ খ ১৯৭২ গ ১৯৭৩  ১৯৭৫
৪৮. স্বাধীন বাংলার স্থপতি কে? (জ্ঞান)
ক এ. কে. ফজলুল হক খ মওলানা ভাসানী
 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘ মতিউর রহমান
৪৯. শেখ মুজিবুর রহমান কাদের খুব বেশি ভালোবাসতেন? (জ্ঞান)
ক পাকিস্তানিদের  বাঙালিদের গ শ্রমিকদের ঘ কৃষকদের
৫০. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কারা সপরিবারে হত্যা করে? (জ্ঞান)
ক পাকিস্তানিরা খ রাজাকাররা
 সেনাবাহিনীর কতিপয় বিপথগামী সদস্য ঘ বিক্ষুব্ধ জনতা
৫১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের চরিত্রের মধ্যে কোনটি ছিল? (অনুধাবন)
ক হিংসা খ ক্ষমতার লোভ
 গভীর দেশপ্রেমবোধ ঘ গভীর ষড়যন্ত্র
৫২. শেখ মুজিবুর রহমান কোন ধরনের ব্যক্তিত্ব ছিলেন? (অনুধাবন)
ক বাঙালি জাতির ধ্বংসকারী  বাংলাদেশের জাতির জনক
গ বাঙালি জাতির শত্র“ ঘ বাঙালি জাতির অভিশাপ
৫৩. বঙ্গবন্ধু দেশের জন্য সংগ্রাম করেছেন কেন? (অনুধাবন)
ক দেশকে ঘৃণা করতেন বলে  দেশকে ভালোবাসতেন বলে
গ দেশের নাগরিক ছিলেন বলে ঘ কারাগারে ছিলেন বলে
৫৪. বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা বলা হয় কেন? (অনুধাবন)
 তার নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে বলে
খ তিনি নেতা বলে
গ তিনি ধনী বলে
ঘ তিনি শহিদ হয়েছেন বলে
৫৫. বাঙালিরা শেখ মুজিবের নেতৃত্বে সংগ্রাম করেছিলেন (অনুধাবন)
 দেশ স্বাধীন করতে খ দেশের গৌরব বৃদ্ধি করতে
গ ভাষাকে সমৃদ্ধ করতে ঘ অর্থ উপার্জন করতে
বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৫৬. ‘মুজিব’ কবিতায় ফুটে উঠেছে Ñ (উচ্চতর দক্ষতা)
র. শেখ মুজিবের কৃতিত্ব
রর. শেখ মুজিবের প্রতি বাঙালির ভালোবাসা
ররর. ভাষা আন্দোলন
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৫৭. ‘মুজিব’ বাঙালির মনে জাগিয়েছিলেনÑ (উচ্চতর দক্ষতা)
র. স্বাধীনতার স্বপ্ন রর. মুক্তি সংগ্রামের প্রেরণা
ররর. স্বৈরাচারীদের ভয় করার প্রেরণা
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৫৮. বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতি (অনুধাবন)
র. শিশুর অমলিন হাসিতে রর. সকল গ্রন্থের পাতায়
ররর. বাংলার প্রকৃতিতে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৫৯. মুজিব আমাদের- (অনুধাবন)
র. স্বাধীন দেশের স্থপতি রর. জাতির জনক ররর. বিদ্রোহী
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর

 মাস্টার ট্রেইনার প্রণীত সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন- ১ ল্ফল্ফ প্রতিবাদী আফতাব

আফতাব রূপপুর গ্রামে বাস করে। রূপপুরের পার্শ্ববর্তী গ্রামে বাস করে কুচক্রী রফিক। রফিকের অত্যাচারে রূপপুরবাসী অতিষ্ঠ। ছোটবেলা থেকেই আফতাব ছিল সৎ ও নির্ভীক। কুচক্রী রফিকের অত্যাচার থেকে গ্রামবাসীকে মুক্ত করতে আফতাব রফিকের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে। রফিক ষড়যন্ত্র করে আফতাবকে জেলে আটকে রাখে। জেলে থেকেও আফতাব রূপপুরবাসীকে নেতৃত্ব দেয় অত্যাচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য। তারই নেতৃত্বে আজ রূপপুরবাসী স্বাধীন গ্রামের নাগরিক, অত্যাচারীর হাত থেকে মুক্ত।
ক. জাতির পিতা কে? ১
খ. ‘সবখানে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঘর’ এ বাক্য দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন? ২
গ. উদ্দীপকের আফতাব চরিত্রের সঙ্গে ‘মুজিব’ কবিতার কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা কর। ৩
ঘ. ‘সঠিক নেতৃত্ব অত্যাচারের অবসান করে মুক্তির পথের সন্ধান দেয়’ মন্তব্যটি উদ্দীপক ও মুজিব কবিতা অবলম্বনে বিশ্লেষণ কর। ৪

ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
খ ‘সবখানে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঘর’-কবি এই বাক্য দ্বারা যা বোঝাতে চেয়েছেন তা হলো সারাদেশে তাঁর সর্বময় পরিচিতি ও আবশ্যকতা।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং অস্তিত্ব বঙ্গবন্ধুর নামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাঁর প্রচেষ্টায়ই আজ বাংলাদেশ স্বাধীন। বাংলার মানুষ তাঁর নাম স্মরণ করে সবসময়। কারণ বঙ্গবন্ধুর আহŸানেই বাঙালিরা যুদ্ধ করে পাকিস্তানি শোষকদের অত্যাচার থেকে দেশের মাটিকে মুক্ত করেছেন। তাই তো দেশের সব জায়গায় তাঁর অবস্থান। নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা বাড়ি তাঁর নয়। সমগ্র বাংলাই তাঁর ঘরবাড়ি। কবি রোকনুজ্জামান খান ‘মুজিব’ কবিতায় সবখানে বঙ্গবন্ধুর ঘর বলতে একথাই বোঝাতে চেয়েছেন।
গ উদ্দীপকের আফতাব চরিত্রের সঙ্গে ‘মুজিব’ কবিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য শেখ মুজিবুর রহমান বীর সৈনিকের মতো নেতৃত্ব দেন। যার জন্য জেল, জুলুম, অত্যাচার ফাঁসির দণ্ডাদেশ সহ্য করতে হয় তাঁকে। তিনিই বাঙালিদের মনে স্বাধীনতার স্বপ্নের বীজ বুনেছিলেন। এজন্য তিনি জেলে থেকেও স্বৈরাচারী পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন। আর তার নেতৃত্বেই দেশ স্বাধীন হয়।
উদ্দীপকেও আমরা দেখি, রূপপুর গ্রামে বাস করেন আফতাব। পার্শ্ববর্তী গ্রামে বাস করে কুচক্রী রফিক। রফিকের অত্যাচারে রূপপুরবাসী অতিষ্ঠ। আফতাব ছোটবেলা থেকেই সৎ ও নির্ভীক। চক্রান্তকারী রফিক তাকে জেলে পুরে রাখে। জেলে থেকেও আফতার রূপপুরবাসীকে নেতৃত্ব দেয় অত্যাচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য। রফিকের নেতৃত্বের কারণেই রূপপুরবাসীরা স্বাধীন গ্রামের নাগরিক, অত্যাচারীর হাত থেকে মুক্ত।
উদ্দীপকের আফতাব চরিত্রের সঙ্গে ‘মুজিব’ কবিতার শেখ মুজিবুর রহমান চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ ‘সঠিক নেতৃত্ব অত্যাচারের অবসান করে মুক্তির পথের সন্ধান দেয়’ উদ্দীপক ও ‘মুজিব’ কবিতায় এ মন্তব্যের যথার্থ প্রমাণ মেলে।
‘মুজিব’ কবিতায় আমরা দেখি পাকিস্তানি শাসকদের অবহেলা, অত্যাচার ও বৈষম্যের ফলে বাংলার জনগণের জীবনে নেমে আসে চরম দুর্ভোগ। দুর্ভোগ থেকে এ সময় বাঙালিদের রক্ষার জন্য এগিয়ে আসেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার নেতৃত্ব বাঙালিদের বীরের মতো দাঁড়ানোর সাহস জুগিয়েছিল। তিনি এদেশবাসীকে শিক্ষা দেন কীভাবে নিজেদের ন্যায্য পাওনা আদায় করে নিতে হয়।
উদ্দীপকে আমরা দেখি আফতাব রূপপুর গ্রামের অধিবাসী, পার্শ্ববর্তী গ্রামে বাস করে কুচক্রী রফিক। রফিকের অত্যাচারে রূপপুর বাসী অতিষ্ঠ। নির্ভীক আফতাব কুচক্রী রফিকের হাত থেকে গ্রামবাসীদের মুক্ত করতে রফিকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। রফিক ষড়যন্ত্র করে আফতাবকে জেলে আটকে রাখে। জেলে বন্দি থেকেও আফতাব রূপপুরবাসীদের নেতৃত্ব দেয় অত্যাচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে। উদ্দীপকের আফতাবের সঠিক নেতৃত্বে রূপপুরবাসী অত্যাচারের হাত থেকে মুক্তি পায়। ঠিক যেমন করে শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন।
শেখ মুজিবের সঠিক নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। তাই প্রশ্নোক্ত উক্তির সাথে সুর মিলিয়ে বলা যায়, সঠিক নেতৃত্বই পারে অত্যাচারের অবসান ঘটিয়ে মুক্তির পথের সন্ধান দিতে।
প্রশ্ন- ২ ল্ফল্ফ চিরভাস্বর মুজিব

বাংলার আকাশে আর্তের চিৎকার আর জালিমের অট্টহাসি। বাতাস ভারী হয়ে আছে রক্তের গন্ধে। মানুষের শিরায় শিরায় বিদ্রোহের আগুন। অন্যায়ের প্রতিবাদে ফেটে পড়তে উন্মুখ। এমন সময় ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে ঘোষণা এলো প্রিয় নেতা ভাষণ দেবেন। তরঙ্গের দুর্বার গতির মতো মানুষের স্রোত হাজির হলো রেসকোর্স ময়দানে। মঞ্চ কাঁপিয়ে প্রিয় নেতা শেখ মুজিব ঘোষণা করলেন ‘এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ সে আওয়াজ মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী হলো। দেশ স্বাধীন হলো। মুজিব হারিয়ে গেলেন। কিন্তু বাংলার মানুষের হৃদয়ে মুজিব চিরভাস্বর হয়ে রইলেন।
ক. যতদিন বাঙালি থাকবে ততদিন তারা কাকে কাছে পাওয়ার জন্য আকুল থাকবে? ১
খ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক বলা হয় কেন? ২
গ. “সবখানে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঘর” পঙ্ক্তিটির সঙ্গে উদ্দীপকের সাদৃশ্য নির্ণয় কর। ৩
ঘ. “প্রমাণ কর যে, উদ্দীপকটি ‘মুজিব’ কবিতার সমগ্র ভাবের ধারক।” ৪

ক যতদিন বাঙালি থাকবে ততদিন তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কাছে পাওয়ার জন্য আকুল থাকবে।
খ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে যুদ্ধ করে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জন করেছে বলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক বলা হয়।
পাকিস্তানি স্বৈরাচারী শাসকের শাসন-শোষণ, অত্যাচার-অনাচার হত্যা ও রক্তপাতের বিরুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালিদের মনে জেগে ওঠে স্বাধীনতার স্বপ্ন। বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য শেখ মুজিবুর রহমান জেল, জুলুম, অত্যাচার, ফাঁসির দণ্ডাদেশ নিয়েও বীর সৈনিকের মতো নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বেই এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। তাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক বলা হয়।
গ ‘মুজিব’ কবিতায় ‘সবখানে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঘর’ পঙ্ক্তিটি দ্বারা বাংলার সর্বত্র শেখ মুজিবের গ্রহণযোগ্যতা নির্দেশ করা হয়েছে। পঙ্ক্তিটির সঙ্গে উদ্দীপকের সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কর্তৃক প্রদত্ত ভাষণের কথা বলা হয়েছে। সে সময়ে বাংলার বুকে মজলুমের হাহাকার আর পাকিস্তানি শাসকের অট্টহাসি শোনা যেত। নিপীড়িত মানুষ স্বাধীনতার জন্য মরিয়া হয়ে উঠল। এমন সময় প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন। সে ঘোষণায় মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ল। এক সময় যুদ্ধ শেষ হলো। তারপর হারিয়ে গেলেন মুজিব। কিন্তু বাংলার মানুষের হৃদয়ে মুজিব চিরকালের জন্য স্থান করে নিলেন। ‘মুজিব’ কবিতায় বাংলার সবখানে মুজিবের ঘর থাকার কথা উল্লেখের মাধ্যমে মুজিবের গ্রহণযোগ্যতাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাংলার আকাশ, বাতাস, শ্যামল মাঠ, নদীতীর, বালুচর সবকিছুই স্বাধীন হলো। ফলে প্রকৃতির এসব উপাদানও মুজিবের প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ করল, মুজিবকে আন্তরিক স্বাগত জানাল। বাংলার অস্তিত্বের সাথে মিশে গেল শেখ মুজিবের নাম। তিনি হলেন বাঙালি জাতির পিতা। তাই দেখা যায়, “সবখানে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঘর” পঙ্ক্তিটির সঙ্গে উদ্দীপকের সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ ‘মুজিব’ কবিতায় মূলত বাংলার সর্বত্র মুজিবের জনপ্রিয়তাকে বোঝানো হয়েছে। উদ্দীপকেও মুজিবের বাণী চিরভাস্বর হওয়ার কথা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায় স্বাধীনতার সময় শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ভাষণের কথা আলোচিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে বাংলার মানুষের জন্য বহু প্রতীক্ষিত স্বাধীনতার ঘোষণা আসে। পাকিস্তানিদের বর্বরোচিত আক্রমণে বাংলার মানুষ মুষড়ে পড়েছিল। প্রকৃতি নিরানন্দ হয়ে গিয়েছিল। এ সময় মহান নেতা গর্জে উঠলেন। বাংলার মানুষের জন্য রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন। শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ। মানুষ স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিল। শত্রæুর পতন ঘটানোর মাধ্যমে বাংলার বুকে স্বাধীনতা আনলেন শেখ মুজিব। কালের নিয়মে একদিন মুজিবকে বাংলার মানুষ হারাল। কিন্তু মানুষের হৃদয়ে তার জন্য চির সম্মানের আসন রচিত হলো। চিরদিন তিনি মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন।
‘মুজিব’ কবিতায়ও মুজিবের জনপ্রিয়তার কথা ফুটে উঠেছে। বাংলার সর্বত্রই মুজিবের ঘর রয়েছে। বাংলার প্রকৃতির পরতে পরতে মুজিবের জন্য আকাক্সক্ষা আছে। ফসলের মাঠে সোনালি ধানের হাসিতে মুজিবের প্রতিকৃতি দেখা যায়। মায়ের কোলের শিশুর হাসিতেও মুজিবের ছায়া ভেসে ওঠে। এভাবে দেখা যায়, উদ্দীপক ও ‘মুজিব’ কবিতায় একটি সমন্বিত ভাবের প্রকাশ ঘটেছে।
সুতরাং বলা যায়, আলোচ্য উদ্দীপক ‘মুজিব’ কবিতার সমগ্র ভাবের ধারক।
প্রশ্ন- ৩ ল্ফল্ফ দেশপ্রেমের চেতনা

বাংলাদেশের ইতিহাসে, মানচিত্রে
দেওয়ালে, পোস্টারে, হৃদয়ে-হৃদয়ে
লেখা আছে, লেখা থাকবে চিরদিন
একটি নামÑ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
ক. মাঠ নদীতীর বালুচরে কার ঘর আছে? ১
খ. বঙ্গবন্ধু এদেশের জন্য সংগ্রাম করেছেন কেন? ২
গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘মুজিব’ কবিতার সাদৃশ্য বর্ণনা কর। ৩
ঘ. ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর নাম চিরদিন লেখা থাকবে’ ‘মুজিব’ কবিতা ও উদ্দীপকের আলোকে কথাটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর। ৪

ক মাঠ নদীতীর বালুচরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের ঘর আছে।
খ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ ও এদেশের মানুষকে ভালোবাসতেন বলে স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছেন।
আমাদের দেশ দীর্ঘদিন পাকিস্তানিদের নির্মম শাসন-শোষণে জর্জরিত ছিল। এদেশের মানুষ ছিল অধিকারবঞ্চিত। এসব বিষয় বঙ্গবন্ধুর হৃদয়কে আন্দোলিত করেছিল। তাই পাকিস্তানিদের হাত থেকে সোনার বাংলাকে রক্ষা করার জন্য বঙ্গবন্ধু সংগ্রাম করেন।
গ উদ্দীপকের সঙ্গে ‘মুজিব’ কবিতার সাদৃশ্য আছে। কারণ, কবিতায় ও উদ্দীপকে শেখ মুজিবের অমরত্বের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
উদ্দীপকে আমরা দেখি, শেখ মুজিবুর রহমানের নাম চিরদিন লেখা থাকবে বাঙালির হৃদয়ে। কারণ তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। তাঁর নেতৃত্বে সংগ্রাম করে বাঙালিরা এদেশ স্বাধীন করেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে মানচিত্রে তাঁর নাম লেখা আছেÑ থাকবে। দেয়ালে, পোস্টারে মানুষের হৃদয়ে হৃদয়ে তাঁর নাম লেখা আছেÑ থাকবে চিরদিন। ‘মুজিব’ কবিতায়ও সেই মহান নেতার কথা বলা হয়েছে। মুক্তির প্রেরণায় তিনি সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন, তাদের অধিকার আদায়ের জন্য।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর এ অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বাঙালি কখনো তাকে ভুলতে পারবে না। একই কথা ‘মুজিব’ কবিতা ও উদ্দীপকের মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। এখানেই উদ্দীপক ও মুজিব কবিতার সাদৃশ্য।
ঘ উদ্দীপক ও মুজিব কবিতায় বঙ্গবন্ধুর চিরদিন বাঙালির হৃদয়ে স্থান করে নেওয়ার বিষয়টি আমি সমর্থন করি।
‘মুজিব’ কবিতায় দেখি শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিদের অধিকার আদায়ের জন্য জীবনের অধিকাংশ সময় ব্যয় করেছেন। এ দেশবাসী তারই অনুপ্রেরণায় দলমত নির্বিশেষে একত্রিত হয়, শোষণের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে বাংলার বীর সৈনিকরা জীবন বাজি রেখে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে বহু রক্তের বিনিময়ে ছিনিয়ে আনে স্বাধীনতার লাল সূর্য।
উদ্দীপকে দেখি, বাংলাদেশের ইতিহাসে, মানচিত্রে, দেয়ালে, পোস্টারে, মানুষের হৃদয়ে হৃদয়ে একটি নাম লেখা আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কারণ তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। বাংলাদেশের মানচিত্রের পেছনে রয়েছে তাঁর প্রেরণা। তাই ইতিহাসে মানচিত্রসহ মানুষের হৃদয়ে হৃদয়ে তাঁর নাম লেখা আছে, থাকবে।
আজ বঙ্গবন্ধু নেই; কিন্তু তাঁর প্রেরণা এবং স্বাধীন বাংলা আছে আমাদের চিরদিনের সম্পদ হিসেবে। তাই তাঁকে চিরদিন বাঙালির হৃদয়ে স্থান দেয়ার বিষয়টি আমি স্মরণ করি।
 অনুশীলনের জন্য সৃজনশীল প্রশ্নব্যাংক (উত্তরসংকেতসহ)
প্রশ্ন- ৪ ল্ফল্ফ প্রকৃতির সর্বত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ। এদেশের প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানে মিশে আছে বঙ্গবন্ধুর নাম। দেশকে ভালোবেসে জীবন উৎসর্গ করেছেন তিনি। বাংলার মানুষ, প্রকৃতি আকাশ-বাতাস সব জায়গাতেই তিনি বিরাজমান। যতদিন বাঙালি থাকবে তত দিন তাঁরা ব্যাকুলভাবে ফিরে চাইবে শেখ মুজিবরকে।
ক. কত সালে মুক্তিযুদ্ধ হয়? ১
খ. স্বাধীন বাংলা মুজিবকে ডাকবে কেন? ২
গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘মুজিব’ কবিতার সাদৃশ্য নির্ণয় কর। ৩
ঘ. ‘প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানে মিশে আছে বঙ্গবন্ধু’‘মুজিব’ কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর। ৪

ক ১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধ শুরু হয়।
খ মুজিবকে ছাড়া এদেশের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। তাই স্বাধীন বাংলা মুজিবকে ডাকবে।
মুজিব জাতির পিতা। মুজিবের জন্যই স্বাধীন বাংলার জন্ম হয়েছে বলেই এদেশের মানুষ মুজিবের নিকট চির কৃতজ্ঞ। তাই স্বাধীন বাংলা মুজিবকে ডাকবে।
ঢপষঁংরাব লিংক : প্রয়োগ (গ) ও উচ্চতর দক্ষতার (ঘ) প্রশ্নের উত্তরের জন্য অনুরূপ যে প্রশ্নের উত্তর জানা থাকতে হবে-
গ ‘মুজিব’ কবিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অমরত্বের দিক বর্ণনা কর।
ঘ ‘মুজিব’ কবিতার মূল বক্তব্য বিশ্লেষণ কর।
প্রশ্ন- ৫ ল্ফল্ফ মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান

১. আমরা বাঙালি যতদিন বেঁচে রইব এ বাংলায়
স্বাধীন বাংলা ডাকবে। মুজিব আয় ঘরে ফিরে আয়।
২. যতকাল রবে পদ্মা-যমুনা-গৌরী-মেঘনা বহমান।
ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।
ক. রোকনুজ্জামান খান কী নামে পরিচিত? ১
খ. বঙ্গবন্ধুকে কবি ‘চিরশিশু’ বলেছেন কেন? ২
গ. উদ্দীপকের দুটি স্তবকের সাদৃশ্য কোথায়? নিরূপণ কর। ৩
ঘ. ‘উদ্দীপকের দুটি স্তবকের বিষয়বস্তু অভিন্ন’ বিশ্লেষণ কর। ৪

ক রোকনুজ্জামান খান দাদা ভাই নামে পরিচিত।
খ শিশুর মধুর হাসি যেমন পবিত্র, তেমনি মুজিব সবার কাছে শিশুর মতো পবিত্র-নিষ্পাপ। তাই মুজিবকে ‘চিরশিশু’ বলা হয়েছে।
বাঙালির ঘরে ঘরে যখন শিশু হাসে, তখন মনে হয় যেন শিশু মুজিব তাদের সাথে হাসেন। তাই মুজিবকে ‘চিরশিশু বলা হয়েছে।
ঢপষঁংরাব লিংক : প্রয়োগ (গ) ও উচ্চতর দক্ষতার (ঘ) প্রশ্নের উত্তরের জন্য অনুরূপ যে প্রশ্নের উত্তর জানা থাকতে হবে-
গ ‘মুজিব’ কবিতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি হৃদয়ে স্থান পাওয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা কর।
ঘ ‘মুজিব’ কবিতার মূলভাব বিশ্লেষণ কর।

 জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর 
প্রশ্ন \ ১ \ রোকনুজ্জামান খান কবে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর : রোকনুজ্জামান খান ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রশ্ন \ ২ \ বাংলাদেশকে কবি কীসের দেশ বলেছেন?
উত্তর : বাংলাদেশকে কবি সোনার দেশ বলেছেন।
প্রশ্ন \ ৩ \ ফসলের হাসি দেখতে কার হাসির মতো?
উত্তর : ফসলের হাসি দেখতে শেখ মুজিবের হাসির মতো।
প্রশ্ন \ ৪ \ শিশুর হাসি কেমন?
উত্তর : শিশুর হাসি মধুর।
প্রশ্ন \ ৫ \ শিশুর হাসি দেখে কী মনে হয়?
উত্তর : শিশুর হাসি দেখে শিশু মুজিবের হাসি মনে হয়।
প্রশ্ন \ ৬ \ স্বাধীন বাংলা মুজিবকে কোথায় ফিরে আসার জন্য ডাকবে?
উত্তর : স্বাধীন বাংলা মুজিবকে ঘরে ফিরে আসার জন্য ডাকবে।
প্রশ্ন \ ৭ \ কবি ফসলের হাসির সঙ্গে কার হাসির তুলনা করেছেন?
উত্তর : কবি ফসলের হাসির সঙ্গে মুজিবের হাসির তুলনা করেছেন।
প্রশ্ন \ ৮ \ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত তারিখে নিহত হন?
উত্তর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট নিহত হন।
প্রশ্ন \ ৯ \ বাংলাদেশের সব জায়গায় আছে কার ঘর?
উত্তর : বাংলাদেশের সব জায়গায় আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘর।
প্রশ্ন \ ১০ \ বাঙালি আজীবন কাকে ডাকবে?
উত্তর : বাঙালি আজীবন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ডাকবে।
প্রশ্ন \ ১১ \ কে বাংলাদেশের জাতির পিতা?
উত্তর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির পিতা।
প্রশ্ন \ ১২ \ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের আহŸান করেছিলেন কে?
উত্তর : বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের আহŸান করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
প্রশ্ন \ ১৩ \ ‘মুজিব’ কবিতার লেখকের নাম কী?
উত্তর : ‘মুজিব’ কবিতার লেখকের নাম রোকনুজ্জামান খান।
প্রশ্ন \ ১৪ \ স্বাধীন বাংলা কাকে ডাকবে?
উত্তর : স্বাধীন বাংলা শেখ মুজিবকে ডাকবে।
প্রশ্ন \ ১৫ \ ‘কচিকাঁচার মেলা’ গঠন করেন কে?
উত্তর : ‘কচিকাঁচার মেলা’ গঠন করেন রোকনুজ্জামান খান।
প্রশ্ন \ ১৬ \ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি কে?
উত্তর : স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
প্রশ্ন \ ১৭ \ বাঙালি কার কাছ থেকে স্বাধীনতার প্রেরণা লাভ করে?
উত্তর : বাঙালি শেখ মুজিবের কাছ থেকে স্বাধীনতার প্রেরণা লাভ করে।
 অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর 
প্রশ্ন \ ১ \ ‘সোনার দেশে মাঠে মাঠে ফলে সোনাধান রাশি রাশি।’ পঙ্ক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
উত্তর : ‘সোনার দেশে মাঠে মাঠে ফলে সোনাধান রাশি রাশি।’ পঙ্ক্তিটি দ্বারা বাংলার ফসলি মাঠের সৌন্দর্য বোঝানো হয়েছে।
বাংলার বুকে আছে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। সেসব মাঠে কৃষক বুকের দরদ দিয়ে ফলায় সোনাধান। শেষ বিকেলের সোনালি আলোয় সেসব ধান দেখলে মনে হয় ধান সোনালি হাসি হাসছে। আলোচ্য পঙ্ক্তিটি দ্বারা এটাই বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন \ ২ \ ফসলের মাঠের হাসি দেখে মুজিবের হাসি মনে হওয়ার কারণ দর্শাও।
উত্তর : ফসলের মাঠের হাসি দেখে মুজিবের হাসি মনে হওয়ার কারণ হলো মুজিব স্বাধীনতা এনেছে বলেই বাংলার ফসলি মাঠে হাসির জোয়ার জেগেছে।
বাংলার কৃষক আজ স্বাচ্ছন্দ্যে ফসল ফলাতে পারার অন্যতম কারণ হলো বাংলার স্বাধীনতা। স্বাধীনতা না পেলে বাঙালি নির্বিঘেœ ফসল ফলাতে পারত না। এ কারণেই ফসলের মাঠে কবি যে ফসলি হাসি দেখেছেন, সে হাসি কবির কাছে মুজিবের হাসি মনে হয়েছে।
প্রশ্ন \ ৩ \ “শিশু হয়ে হাসে চিরশিশু মুজিবর।” এ পঙ্ক্তিটিতে ‘চিরশিশু মুজিবর’ কথাটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : “শিশু হয়ে হাসে চিরশিশু মুজিবর।”এ পঙ্ক্তিটিতে ‘চিরশিশু মুজিবর’ দ্বারা মুজিবের সরলতা ও সর্বজনিনতাকে বোঝানো হয়েছে।
বাংলার স্বাধীনতা অর্জনের মহানায়ক শেখ মুজিব ছিলেন নিষ্কলুষ চরিত্রের অধিকারী। তাঁর চরিত্রে কোনো কালিমা ছিল না। তিনি ছিলেন শিশুর মতোই নিষ্পাপ। তিনি সবার কাছে সমানভাবে গ্রহণযোগ্য ছিলেন। তিনিই জাতির জনক। এ কারণেই বাংলার শিশুদের পবিত্র হাসির সঙ্গে তুলনা করে কবি মুজিবকে ‘চিরশিশু মুজিবর’ বলেছেন।
প্রশ্ন \ ৪ \ ‘আমরা বাঙালি যত দিন বেঁচে রইব এ বাংলায়’ পঙ্ক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
উত্তর : ‘আমরা বাঙালি যত দিন বেঁচে রইব এ বাংলায়’ পঙ্ক্তিটি দ্বারা কবি আমাদের জাতিসত্তার পরিচয়কে ফুটিয়ে তুলেছেন।
আমাদের বড় পরিচয় হলো আমরা বাঙালি, এ পরিচয় আমাদের একদিনের অর্জন নয়, হাজার বছরের সাধনার ফসল। বাঙালি হাজার বছর ধরে এই ভ‚মিতে আছে। পরাধীনতার শৃঙ্খল ছিঁড়ে স্বাধীন হয়েছে। বাঙালি অনন্তকাল স্বাধীন থাকবে। কবি উল্লিখিত পঙ্ক্তিটি দ্বারা বাংলার বুকে বাঙালির স্থায়িত্বকেই বুঝিয়েছেন।
প্রশ্ন \ ৫ \ স্বাধীন বাংলা মুজিবকে ঘরে ফিরে আসার জন্য ডাকবে কেন?
উত্তর : মুজিব বাংলার জন্য নিবেদিতপ্রাণ। তিনি অসীম সাহসে বাংলার বুকে এনে দিয়েছেন স্বাধীনতা। এজন্যই স্বাধীন বাংলা মুজিবকে ঘরে ফিরে আসার জন্য ডাকবে।
শেখ মুজিব বাংলার সূর্য সন্তান। বাংলার বুকে প্রাণ ফেরাতে আর স্বাধীনতা আনতে শত্রæুর সঙ্গে তিনি জীবনপণ যুদ্ধ করেছেন এবং বাংলাকে দিয়েছেন স্বাধীনতার স্বাদ, আজ মুজিব আমাদের মাঝে নেই। বার বার যেন মুজিবের মতো সন্তান বাংলার মাটিতে জন্ম নেয়। এ জন্যই স্বাধীন বাংলা মুজিবকে ঘরে ফিরে আসার জন্য ডাকে।
প্রশ্ন \ ৬ \ বাঙালিরা বঙ্গবন্ধুকে আজীবন মনে রাখবে কেন?
উত্তর : বাঙালিরা বঙ্গবন্ধুকে আজীবন মনে রাখবে তাঁর কৃতিত্বের জন্য।
পাকিস্তানিরা নানা দিক থেকে আমাদের ওপর অত্যাচার করত। হানাদার বাহিনীর শোষণ থেকে মুক্তিলাভের জন্য বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধে নামে। তাঁর নেতৃত্বে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন হয়। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। তাই বঙ্গবন্ধুকে বাঙালিরা আজীবন মনে রাখবে।
প্রশ্ন \ ৭ \ কবি বাংলার প্রকৃতিতে বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতি কল্পনা করেছেন কেন?
উত্তর : বঙ্গবন্ধুর ত্যাগের কারণে কবি বাংলার প্রকৃতি সর্বত্র বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতি কল্পনা করেছেন।
দেশ স্বাধীন করার জন্য বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালিরা স্বাধীনতার যুদ্ধে নামে। বঙ্গবন্ধু জেল, জুলুম, ফাঁসির দণ্ডাদেশ কাঁধে নিয়ে কারাগারে বসে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। দেশ স্বাধীন হয়। কিন্তু একদল নরপিশাচের হাতে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে শহিদ হন। বাংলাদেশের জন্য তিনি সবকিছু ত্যাগ করেছেন। এজন্যই কবি বাংলার প্রকৃতিতে তাঁর উপস্থিতি কল্পনা করেন। শেষ পর্যন্ত এই বাংলার বুকেই তিনি চির শায়িত। স্বাধীন বাংলার অস্তিত্বই তার সৃষ্টি।

 

Share to help others:

Leave a Reply