অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ঔপনিবেশিক যুগের প্রত্ন পরিচয় 

চতুর্থ অধ্যায়
ঔপনিবেশিক যুগের প্রত্ন পরিচয় 

বিষয়-সংক্ষেপ

প্রতœসম্পদের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট কালের মানুষের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থা, জীবনযাত্রা, বিশ্বাস, সংস্কার, রুচি বা দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।
ঔপনিবেশিক যুগের ঢাকার স্থাপত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু মসজিদ, মন্দির ও গির্জা। এছাড়াও ঢাকার পুরনো স্থাপত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে বাহাদুর শাহ পার্ক, রূপলাল হাউস, রোজ গার্ডেন, কার্জন হল, পুরনো হাইকোর্ট ভবন।
ব্রিটিশ আমলে মসলিন শাড়ির উৎপাদন ও ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সোনারগাঁওয়ে গড়ে ওঠে পানামনগর। এ নগরে এখনও ৫২টি ইমারত টিকে আছে। ঔপনিবেশিক আমলে জমিদারদের তৈরি কিছু অনুপম সুন্দর স্থাপত্য নিদর্শন রয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো : ময়মনসিংহের শশীলজ, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার বালিয়াটি জমিদার বাড়ি, রংপুরের তাজহাট জমিদার বাড়ি, নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদারের প্রাসাদ ইত্যাদি।
বাংলাদেশের পুরাকীর্তিগুলো থেকে পাওয়া অনেক প্রতœনিদর্শন জাদুঘরে ও সংগ্রহশালায় সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা হয়। ঢাকায় রয়েছে আমাদের জাতীয় জাদুঘর। আমাদের দেশে বড় কয়েকটি সংগ্রহশালা হলো ঢাকার আহসান মঞ্জিল, রংপুরের তাজহাট সংগ্রহশালা, কুষ্টিয়ার কুঠিবাড়ি ইত্যাদি। জাদুঘর ও সংগ্রহশালা থেকে একটি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সাধারণ ধারণা পাওয়া যায়।
পাঠ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি

প্রতœসম্পদ : ‘প্রতœ’ শব্দের অর্থ হলো পুরনো বা প্রাচীন। ‘সম্পদ’ হলো ধন, ঐশ্বর্য ইত্যাদি। সুতরাং প্রতœসম্পদ বলতে পুরনো স্থাপত্য ও শিল্পকর্ম, মূর্তি বা ভাস্কর্য, অলঙ্কার, প্রাচীন আমলের মুদ্রা, পুরনো মূল্যবান আসবাবপত্র ইত্যাদি বোঝায়।
ঔপনিবেশিক ঢাকার প্রতœনিদর্শন : ঔপনিবেশিক যুগের ঢাকার উল্লেখযোগ্য স্থাপত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে লালবাগ মসজিদ, সূত্রাপুরের সিতারা বেগম মসজিদ, হোসেনি দালান, ঢাকেশ্বরী মন্দির, রমনা কালিমন্দির, আর্মেনিয়ান চার্চ, বাহাদুর শাহ পার্ক নওয়াবদের তৈরি প্রাসাদ, আহসান মঞ্জিল, বৃপলাল হাউস ইত্যাদি।
আন্টাঘর ময়দান : আন্টাঘর ময়দানের নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ১৮৫৭ সালের প্রথম ভারতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস। ১৮৫৭ সালে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর এদেশীয় সৈন্যরা ইংরেজদের বিদ্রোহ করে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু করেন। ইংরেজরা একে বলে সিপাহী বিদ্রোহ। যুদ্ধে ভারতীয় সৈন্যরা জিততে পারেন নি। বিদ্রোহী সৈন্যদের যারা ঢাকায় ইংরেজদের হাতে বন্দী হন র্তাঁদের ইংরেজরা এ আন্টাঘর ময়দানে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে ফাঁসি দেয়। এজন্যই আন্টাঘর ময়দান ইতিহাসে এত গুরুত্বপূর্ণ।
ঢাকার বাইরের স্থাপত্য নিদর্শন : ঔপনিবেশিক যুগের ঢাকার বাইরের উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য কর্মের মধ্যে রয়েছে সোনারগাঁওয়ের পানাম নগরের সরদারবাড়ি, আনন্দমোহান পোদ্দারের বাড়ি, ময়মনসিংহের শশীলজ, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় বালিয়াটির জমিদার বাড়ি, রংপুরের তাজহাট জমিদার বাড়ি, নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদারের প্রাসাদ ইত্যাদি।
জাতীয় জাদুঘর : বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরটি ঢাকায় অবস্থিত। জাতীয় জাদুঘরের গ্যালারিতে ঔপনিবেশিক যুগের বাংলার জমিদার, ঢাকার নবাব ও ইংরেজ শাসনসংশ্লিষ্ট বেশকিছু প্রতœ নিদর্শন প্রদর্শিত আছে। এখনও বহু জমিদারের ব্যবহার্য দ্রব্যাদি সংরক্ষিত আছে।
লোকশিল্প জাদুঘর : সরদারবাড়িতে স্থাপিত হয়েছে বর্তমান বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর। ১৯০১ সালে এ বাড়িটি নির্মাণ করা হয়। দুটি বড় প্রাসাদকে ঘিরে এ বাড়িটি তৈরি করা হয়েছে। একটি করিডোর বা লম্বা বারান্দা দিয়ে প্রাসাদ দুটি একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। দোতলা এ বাড়িতে রয়েছে ৭০টি কক্ষ। রঙিন মোজাইকের নানা কারুকাজে শোভিত হয়েছে সরদার বাড়ি।
উত্তরা গণভবন : নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদারের প্রাসাদ বর্তমানে উত্তরা গণভবন নামে পরিচিত। দেশের মূল্যবান স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন এ জমিদার বাড়িটি। এতে সংরক্ষণ করা হয়েছে জমিদারের ব্যবহার্য জামাকাপড়, তৈজসপত্র, মৃৎপাত্র, অলঙ্কার প্রভৃতি নানা মূল্যবান দ্রব্যদি। এজন্য উত্তরা গণভবন বর্তমানে আমাদের দেশে একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক জাদুঘর হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে।
বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১. বাংলাদেশে ঔপনিবেশিক যুগ ছিল কোনটি?
ক ১৭৫৭ – ১৮৫৭  ১৭৫৭ – ১৯৪৭ গ ১৭৮১ – ১৮৫৭ ঘ ১৮৫৭ – ১৯৫৭
২. সোনারগাঁও-এর পানাম নগরটি ছিল-
র. সুলতানি আমলে বাংলার কেন্দ্রস্থল
রর. ইউরোপীয় স্থাপত্য রীতিতে তৈরি ইমারতের সারিবদ্ধ রূপ
ররর. চওড়াপথের ধারে নিরাপত্তার জন্য রক্ষিত পরিখাসমৃদ্ধ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র খ রর  র ও রর ঘ র ও ররর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৩ ও ৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও :
বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হলে শিক্ষক আজাদ সাহেব শিক্ষার্থীদের নিয়ে শাহবাগে একটি ভবন পরিদর্শনে যান। ভবনটিতে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীরা বইয়ে পড়া প্রাচীন নিদর্শনগুলো বাস্তবে দেখে খুবই অভিভ‚ত হয়।
৩. আজাদ সাহেব শিক্ষার্থীদের কোন ভবন পরিদর্শনে নিয়ে যান?
ক বাংলা একাডেমি খ শিল্পকলা একাডেমি
গ জাতীয় গ্রন্থাগার  জাতীয় জাদুঘর
৪. আজাদ সাহেব শিক্ষার্থীদেরকে এ ধরনের ভবন পরিদর্শনে নেয়ার কারণ হলো-
র. জমিদারদের নিত্যব্যবহার্য দ্রব্যাদি প্রদর্শন
রর. ইতিহাসের চরিত্রগুলোর সাথে পরিচিত করানো
ররর. বিভিন্ন আমলের ঐতিহ্যকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র খ র ও ররর
গ রর ও ররর  র, রর ও ররর

৫. পানামনগরের চারপাশ দিয়ে পরিখা খনন করা হয়েছিল কেন?
ক যুদ্ধের জন্য খ পানির জন্য
 নিরাপত্তার জন্য ঘ সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য
৬. আহসানমঞ্জিল নির্মিত হয় কোন নদীর তীরে?
ক শীতলক্ষ্যা খ পদ্মা গ মেঘনা  বুড়িগঙ্গা
৭. সিফাত প্রতœসম্পদ সংরক্ষিত আছে এমন একটি স্থানে গিয়ে হরিণের মাথা দেখে বেশ অবাক হয়। তার দেখা স্থানটি হলোÑ
 ময়মনসিংহ জাদুঘর খ জাতীয় জাদুঘর
গ রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি ঘ রংপুরের তাজহাট প্রাসাদ
৮. জাতীয় মন্দির কোনটি?
ক কালি মন্দির  ঢাকেশ্বরী মন্দির
গ নিশ্চিতপুর মন্দির ঘ রামকৃষ্ণ মন্দির
৯. ‘প্রতœ’ শব্দের অর্থ কী?
ক নতুন খ আধুনিক  পুরনো ঘ উন্নত
১০. সরদার বাড়িতে কতটি কক্ষ আছে?
ক ৬০  ৭০ গ ৮০ ঘ ৯০
১১. ঢাকার পুরনো গির্জা কোনটি?
 আর্মেনিয়ান চার্চ খ সেপ্ট টমাস এ্যাংলিকান চার্চ
গ যোসেফ চার্চ ঘ হলিক্রস চার্চ
১২. কোন নগরের অধিবাসীরা ইমারতের চারপাশে পরিখা খনন করেছিল?
ক কাঞ্চন নগর খ রূপনগর
গ জাহাঙ্গীরনগর  পানামনগর
১৩. রীমা একটি সংগ্রহশালায় যায়, সেখানে সে সংস্কৃত ও আরবি ভাষায় লেখা পাণ্ডুলিপি দেখতে পায়। রীমার দেখা সংগ্রহশালাটি কোথায় অবস্থিত?
 রংপুরে খ দিনাজপুরে
গ শিলাইদহে ঘ ময়মনসিংহ
১৪. দিঘাপতিয়ার জমিদার প্রাসাদ কোথায় অবস্থিত?
ক রাজশাহী  নাটোর গ ময়মনসিংহ ঘ ঢাকা
১৫. ভারতের সর্বশেষ মোঘল সম্রাট কে ছিলেন?
ক আওরঙ্গজেব খ ঈশা খাঁ
গ মীর কাশিম  বাহাদুর শাহ জাফর
১৬. স্থানীয় জমিদার ও ব্যবসায়ীরা সম্মিলিতভাবে তৈরি করেছিলেনÑ
 পানামনগর খ জাহাঙ্গীরাবাদ গ ঢাকা ঘ পুণ্ড্রনগর
১৭. “আর্মেনিয়ান চার্চ” প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
 ১৭৮১ খ ১৭৯৩ গ ১৮৫৬ ঘ ১৯৬৯
১৮. পানামনগরের কোন বাড়িতে লোকশিল্প জাদুঘর স্থাপিত হয়েছে?
ক আনন্দমোহন পোদ্দারের বাড়ি খ মুক্তাগাছার জমিদার বাড়ি
 বড় সরদার বাড়ি ঘ হাসিময় সেনের বাড়ি
১৯. ‘ভিক্টোরিয়া’ পার্কের অপর নাম কী?
 আন্টাঘর ময়দান খ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
গ রমনা পার্ক ঘ পল্টন ময়দান
২০. ঔপনিবেশিক যুগে ঢাকার স্থাপত্য কর্ম কোনটি?
ক ঢাকেশ্বরী মন্দির  চিনি টিকরি মসজিদ
গ শশী লজ ঘ পানাম নগর
২১. সিপাহী বিদ্রোহ কত সালে হয়েছিল?
ক ১৭৫৭ খ ১৭৮১  ১৮৫৭ ঘ ১৯৫৭
২২. সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিল কোনটি?
ক ইসলামাবাদ খ জাহাঙ্গীরনগর  সোনারগাঁও ঘ ঢাকা
২৩. পানাম নগরে কয়টি ইমারত টিকে আছে?
ক ২১ খ ৩১ গ ৪০  ৫২
২৪. তাজহাট জমিদার প্রাসাদ কোন জেলায় অবস্থিত?
 রংপুর খ কুমিল্লা গ নাটোর ঘ বগুড়া
২৫. কোনটিকে উত্তরা গণভবন বলে?
ক পানামনগর খ মুক্তাগাছার জমিদার
গ ময়মনসিংহের শশীলজ  নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদার প্রাসাদ
২৬. প্রতœ সম্পদ বলতে বোঝায়Ñ
র. পুরানো অট্টালিকা ও শিল্পকর্ম রর. ভাস্কর্য ও গহনা
ররর. আধুনিক মূল্যবান আসবাবপত্র
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
২৭. মুক্তাগাছার জমিদারদের প্রতœ সম্পদগুলো হলোÑ
র. নানা ধরনের অলঙ্কার, পাথরের ফুলদানি, বাঘ ও হরিণের মাথা
রর. ঢাল-তলোয়ার, পালঙ্ক, হাতির দাঁতের নানা কারুকাজ
ররর. কম্পাস, ঘড়ি, হরিণের মাথা ও ইটালির মূর্তি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ২৮ ও ২৯ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
আমেরিকা প্রবাসী নাটোরের শরীফ সাহেব সপরিবারে ঢাকায় এসেছেন। তিনি তাঁর সন্তানদের বললেন, ‘চল আমি তোমাদের আজ এমন স্থানে নিয়ে যাব যেখানে আমাদের এলাকার জমিদারদের ব্যবহার করা পোশাক, ঢাল-তলোয়ার ও সিংহাসন রয়েছে’।
২৮. শরীফ সাহেব সন্তানদের নিয়ে কোথায় যেতে চান?
ক আহসান মঞ্জিল  জাতীয় জাদুঘর
গ ময়মনসিংহ জাদুঘর ঘ উত্তরা গণববন
২৯. উক্ত স্থানে ভ্রমণের মাধ্যমে তাঁর সন্তানেরাÑ
র. দেশের পুরনো ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করবে
রর. জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ সম্পর্কে জানতে পারবে
ররর. বিভিন্ন অঞ্চলের অভিজাত শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রার সাথে পরিচিত হবে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর
গ রর ও ররর  র, রর ও ররর

পাঠ-১ : ঢাকা শহরের প্রতœনিদর্শন
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৩০. ১৮৫৭ সালে ইংরেজদের হাতে বন্দি বিদ্রোহীদের ফাঁসি দেয়া হয় কোথায়? (অনুধাবন)
 আন্টাঘর ময়দানে খ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে
গ দিল্লির কারাগারে ঘ ব্রিটিশ আদালতে
৩১. ভ‚মিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কোন স্থাপত্যশিল্পটি ইংরেজ আমলে নতুন করে নির্মিত হয়? (জ্ঞান)
ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় খ হলিক্রস চার্চ
গ জাতীয় জাদুঘর  হোসেনি দালান
৩২. সূত্রাপুরের সিতারা বেগম মসজিদ কোন শতকে তৈরি হয়? (জ্ঞান)
ক সপ্তম খ চতুর্দশ গ অষ্টাদশ  উনিশ
৩৩. আর্মেনিয়ান চার্চ নির্মিত হয় কত সালে? (জ্ঞান)
ক ১৭২০ খ ১৭২৮ গ ১৭৩২  ১৭৮১
৩৪. সবচেয়ে পুরনো চার্চের নাম কী? (জ্ঞান)
ক টমাস চার্চ খ হলিক্রস চার্চ গ মেটাল চার্চ  আর্মেনিয়ান চার্চ
৩৫. কার নামানুসারে ভিক্টোরিয়া পার্কের নামকরণ করা হয়? (জ্ঞান)
ক ফ্রান্সের রাণী খ প্রতিভা পাতিল
 ব্রিটেনের রাণী ঘ এ্যাঞ্জেলা মার্কেল
৩৬. ভিক্টোরিয়া পার্কের নামকরণের পূর্বে এ জায়গার নাম কী ছিল? (জ্ঞান)
 আন্টাঘর ময়দান খ পানাম নগর
গ বাহাদুর শাহ পার্ক ঘ রেসকোর্স ময়দান
৩৭. কোন নদীর তীরে প্রাচীন স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন আহসান মঞ্জিল অবস্থিত? (জ্ঞান)
ক পদ্মা খ মেঘনা  বুড়িগঙ্গা ঘ যমুনা
৩৮. কোন শাসনামলে কার্জন হল নির্মিত হয়? (জ্ঞান)
 ইংরেজ খ মোগল গ পাল ঘ সুলতানি
৩৯. আহসান মঞ্জিল কোথায় অবস্থিত? (জ্ঞান)
ক নাটোরে খ দিনাজপুরে গ নওগাঁয়  ঢাকায়
৪০. ঢাকেশ্বরী মন্দির কোথায় অবস্থিত? (জ্ঞান)
ক সাভার  ঢাকায় গ টাঙ্গাইল ঘ ময়মনসিংহ
৪১. বাহাদুর শাহ পার্ক কে তৈরি করেন? (জ্ঞান)
ক নওয়াব আবদুল লতিফ খ নবাব সলিমুল­াহ
গ মওলানা ভাসানী  নওয়াব আবদুল গণি
৪২. আন্টাঘর ময়দানে স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয় কেন? (অনুধাবন)
ক নীল বিদ্রোহের নীল চাষিদের স্মৃতিতে
 জীবনদানকারী সৈনিকদের স্মৃতিতে
গ প্রতœতাত্তি¡ক নিদর্শন রক্ষার্থে
ঘ ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের স্মৃতিতে
৪৩. বাহাদুর শাহ পার্কের নামকরণ করা হয় কার নামানুসারে? (জ্ঞান)
 সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের খ সম্রাট আকবরের
গ সম্রাট হুসনে মোবারকের ঘ সম্রাট জাহাঙ্গীরের
৪৪. গির্জার অপর নাম কী? (অনুধাবন)
 চার্চ খ প্যাগোডা গ টম্ব ঘ মন্দির
৪৫. রনি অতীত মানুষের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য জানতে চায়। অতীত সংস্কৃতি জানতে তার করণীয় কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক মসজিদ পরিদর্শন খ মাদরাসা পরিদর্শন
 প্রতœতত্ত¡ পরিদর্শন ঘ মন্দির পরিদর্শন
৪৬. ফরিদের ভাই মোগল যুগের স্থাপত্য দেখতে চায়। সে ভাইকে কোথায় নিয়ে যাবে? (প্রয়োগ)
ক নবাব কাটরায় খ ছোট সোনা মসজিদে
 ল²ীবাজার মসজিদে ঘ লালবাগের কুঠিতে
৪৭. শরীফ সাহেব নিয়মিত বেচারাম দেউড়ি মসজিদে নামাজ পড়েন। এ মসজিদের বিশেষত্ব কী? (প্রয়োগ)
ক জাতীয় মসজিদ খ সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ
গ মুসল্লিতে ভরপুর  প্রতœতাত্তি¡ক নিদর্শন
৪৮. প্রতœতত্ত¡ নিদর্শনের মাধ্যমে কোনটি জানা যায়? (জ্ঞান)
 সেকালের মানুষের সামাজিক অবস্থা খ বর্তমান মানুষের সাংস্কৃতিক অবস্থা
গ ভবিষ্যৎ মানুষের জীবনযাত্রা ঘ সামাজিক অনাচারের প্রতিচ্ছবি
৪৯. আন্টাঘর ময়দান সম্পর্কে কোন তথ্যটি সঠিক? (উচ্চতর দক্ষতা)
 সেখানে ইংরেজদের হাতে বন্দি বিদ্রোহীদের ফাঁসি দেয়া হয়
খ সেখানে একটি ঘূর্ণিস্তম্ভ তৈরি করা হয়
গ সেখানে বর্তমানে আহসান মঞ্জিল নির্মিত হয়েছে
ঘ সেখানে প্রতœতত্ত¡ নিদর্শন রয়েছে
৫০. বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির কোনটি? [ক্যান্টমেন্ট বোর্ড আন্তঃবিদ্যালয়]
ক রামচন্দ্র মন্দির খ জগন্নাথ মন্দির
 ঢাকেশ্বরী মন্দির ঘ কালী মন্দির
৫১. ভিক্টোরিয়া পার্কটির নামকরণ করেন কে? [ইনজিনিয়ারিং ইউনিভারসিটি স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা]
ক নওয়াব আব্দুল লতিফ খ নওয়াব হাদি
 নওয়াব আব্দুল গণি ঘ শাহ জাফর
৫২. ঢাকায় হলিক্রস চার্চ নির্মিত হয় কোন শতকে?
[জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড হাই স্কুল, সিলেট]
ক সতেরো খ আঠারো  উনিশ ঘ বিংশ
৫৩. ঢাকা ঔপনিবেশিক যুগের মসজিদগুলোর নির্মাণে মোঘল স্থাপত্যরীতির সাথে কোনটি যুক্ত হয়েছিল? (জ্ঞান)
ক পৌরাণিক খ পারসিক গ প্রাচ্যের  ইউরোপীয়
৫৪. ঔপনিবেশিক যুগের আগে তৈরি কোন স্থাপনাটি ঔপনিবেশিক আমলে নতুন করে নির্মিত হয়েছিল? (জ্ঞান)
ক ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দির  রমনার কালী মন্দির
গ আহসান মঞ্জিল ঘ কার্জন হল
৫৫. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে স্থাপিত পার্কটির নাম কী? (জ্ঞান)
ক রমনা পার্ক খ চন্দ্রিমা পার্ক গ ইকো পার্ক  বাহাদুর শাহ পার্ক
৫৬. কোনটির সাথে জড়িয়ে আছে ১৮৫৭ সালের প্রথম ভারতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস? (অনুধাবন)
 আন্টাঘর ময়দান খ রেসকোর্স ময়দান
গ পলাশীর ময়দান ঘ ঈদগাহ ময়দান
৫৭. কোন স্থাপত্যকর্মটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের অংশ?
[সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, খুলনা]
ক রূপলাল হাউস খ আহসান মঞ্জিল
 কার্জন হল ঘ পুরনো হাইকোর্ট ভবন
৫৮. পুরনো ঢাকার রূপলাল হাউস কার তৈরি? (জ্ঞান)
ক নবাব ও জমিদারদের  জমিদার ও বণিকদের
গ ভারতীয় ও ইংরেজদের ঘ জমিদার ও সাধারণ মানুষের
৫৯. আহসান মঞ্জিল কাদের তৈরি প্রাসাদ? (জ্ঞান)
 ঢাকার নওয়াবদের খ ঢাকার জমিদারদের
গ ঢাকার নায়েবদের ঘ ঢাকার বণিকদের
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৬০. ঔপনিবেশিক যুগের ঢাকায় স্থাপত্য কর্মের মধ্যে রয়েছেÑ (অনুধাবন)
র. মসজিদ রর. গির্জা
ররর. মন্দির
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৬১. ১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সাথে জড়িতÑ (উচ্চতর দক্ষতা)
র. আন্টাঘর ময়দান রর. বাহাদুর শাহ পার্ক
ররর. ভিক্টোরিয়া পার্ক
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৬২. উনিশ শতকে তৈরি ঢাকার উল্লেখযোগ্য মসজিদ হলোÑ (অনুধাবন)
র. লালবাগ মসজিদ রর. কায়েতটুলি মসজিদ
ররর. কলুটোলা জামে মসজিদ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৬৩. উনিশ শতকে ঢাকা নির্মিত হয়Ñ (অনুধাবন)
র. সেন্ট টমাস এ্যালিকান চার্চ রর. হলিক্রস চার্চ
ররর. আর্মেনিয়ান চার্চ
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৬৪. ঢাকার জমিদার ও বণিকরা যে প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন তা হলোÑ (অনুধাবন)
র. অপেরা হাউস রর. রোজ গার্ডেন
ররর. রূপলাল হাউস
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৬৫. ঔপনিবেশিক যুগের আগে নির্মিত স্থাপত্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেÑ (অনুধাবন)
র. ঢাকেশ্বরী মন্দির রর. আর্মেনিয়ান চার্চ
ররর. রমনা কালীমন্দির
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৬৬. ইংরেজ আমলে নতুন করে নির্মিত হয় শিয়াদের Ñ (অনুধাবন)
র. আর্মেনিয়ান চার্চ রর. ইমাম বাড়া
ররর. হোসেনি দালান
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
 অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৬৭ ও ৬৮নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
আশরাফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসে বিকেলে বিজ্ঞান অনুষদের একটি অংশ দেখতে যায়। এটি ইংরেজ আমলে নির্মিত। সে এর নির্মাণকলা ও কারুকাজ দেখে অভিভ‚ত হয়।
৬৭. আশরাফের দেখতে যাওয়া স্থাপনাটির নাম কী? (প্রয়োগ)
ক রূপলাল হাউস খ রোজ গার্ডেন
গ আন্টাঘর ময়দান  কার্জন হল
৬৮. উক্ত স্থাপনাটিÑ (উচ্চতর দক্ষতা)
র. বাংলাদেশের প্রতœসম্পদ
রর. এক সময় জমিদার বাড়ি ছিল
ররর. তৎকালীন ঢাকার সবচেয়ে সুন্দর অফিস বাড়ি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
পাঠ-২ : ঢাকার বাইরের স্থাপত্য নিদর্শন
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৬৯. উনিশ শতকে ধনী ব্যবসায়ীগণ বসবাসের জন্য কোন এলাকাটি বেছে নেন? (জ্ঞান)
 পানাম খ রূপনগর গ মির্জাপুর ঘ সখিপুর
৭০. কোন শাসনামলে পানাম সড়কের দুইপাশে সারিবদ্ধভাবে অনেকগুলো ইমারত নির্মাণ করা হয়? (জ্ঞান)
 সুলতানি আমলে খ পাল আমলে গ সেন আমলে ঘ মোগল
৭১. বড় সরদার বাড়িতে কী স্থাপিত হয়েছে? (জ্ঞান)
ক জাতীয় জাদুঘর  লোকশিল্প জাদুঘর
গ বরেন্দ্র জাদুঘর ঘ সামাজিক জাদুঘর
৭২. কত সালে সরদার বাড়ি নির্মিত হয়? (জ্ঞান)
 ১৯০১ খ ১৯০৩ গ১৯২৭ ঘ ১৯৪৭
৭৩. সরদার বাড়িতে কয়টি কক্ষ রয়েছে? (জ্ঞান)
ক ৬০  ৭০ গ ৮০ ঘ ৯০
৭৪. উত্তরা গণভবনটি কোথায় অবস্থিত? (জ্ঞান)
ক খুলনা খ বগুড়া  নাটোর ঘ কুমিল­া
৭৫. পানাম এলাকার অধিবাসীরা ইমারতগুলোর চারপাশে পরিখা খনন করে কেন? (অনুধাবন)
ক অন্যদের সাথে যোগাযোগ বন্ধের জন্য
খ দ্রব্য আমদানি না করার জন্য
গ এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য
 এলাকার নিরাপত্তার জন্য
৭৬. উত্তরা গণভবনটি বর্তমানে সংরক্ষণ করা হয়েছে কেন? (অনুধাবন)
ক মন্ত্রিদের বসবাসের জন্য  স্থাপত্যকীর্তির নিদর্শন হিসেবে
গ জাদুঘরের পরিণত করার জন্য ঘ জনসাধারণের প্রদর্শনীর জন্য
৭৭. মুক্তাগাছার জমিদাররা কোন অঞ্চলের? [ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড আন্তঃবিদ্যালয়]
ক ঢাকা খ কুমিল্লা  ময়মনসিংহ ঘ চট্টগ্রাম
৭৮. মোগল যুগেও কিসের জন্য সোনারগাঁওয়ের খ্যাতি ছিল?
[বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ, খুলনা]
ক প্রতœ নিদর্শনের জন্যে  মসলিন শাড়ির জন্য
গ অভিজাত এলাকা হিসেবে ঘ শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য
৭৯. ‘শশীলজ’ কোথায় অবস্থিত? [সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, খুলনা]
ক মানিকগঞ্জে খ নাটোরে  ময়মনসিংহে ঘ রংপুরে
৮০. আদনান সাহেব একজন ধনী ব্যবসায়ী। তার বাড়ি ঢাকার গুলশানে। তিনি যদি সুলতানি আমলের ব্যবসায়ী হতেন তাহলে তার বাড়িটি কোথায় থাকত? (প্রয়োগ)
ক ধানমন্ডিতে  পানাম নগরে গ লালবাগে ঘ পুরানো ঢাকায়
৮১. পানাম নগরের অট্টালিকাগুলো কোনটি দ্বারা সাজানো হয়েছিল? (জ্ঞান)
ক মার্বেল পাথর খ শ্বেত পাথর  রঙিন মোজাইক ঘ টেরাকোটা
৮২. পানাম নগরটি কোথায় অবস্থিত? (অনুধাবন)
ক মানিকগঞ্জে খ ময়মনসিংহে  সোনারগাঁয়ে ঘ রংপুরে
৮৩. পানাম নগরের পথের উত্তর পাশে কতটি ইমারত রয়েছে? (জ্ঞান)
ক ৩১ খ ৩৩  ৩৭ ঘ ৩৬
৮৪. পানাম নগরের সরদার বাড়িটিতে কয়টি প্রাসাদ? (জ্ঞান)
 ২ খ ৩ গ ৪ ঘ ৫
৮৫. মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় কোন জমিদার বাড়ি অবস্থিত? (জ্ঞান)
ক আহসান মঞ্জিল  বালিয়াটির জমিদার বাড়ি
গ শশীলজ ঘ রোজ গার্ডেন
৮৬. পানাম নগরের পথের দক্ষিণ পাশে কয়টি ইমারত রয়েছে? (জ্ঞান)
ক ১১  ২১ গ ৩১ ঘ ৪১
৮৭. রাবেয়া স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষার পর তার বাবার সাথে ময়মনসিংহের শশীলজ দেখতে যায়। এটি কারা নির্মাণ করেন? (প্রয়োগ)
ক ঢাকার নবাবরা খ নবাবদের রাজকর্মচারীরা
গ ময়মনসিংহের নবাবরা  মুক্তাগাছার জমিদাররা
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৮৮. পানাম এলাকাটি সম্পর্কে সঠিক তথ্য হলো- (অনুধাবন)
র. বসবাসের জন্য অনুপযোগী এলাকা
রর. সুসজ্জিত ইমারত নির্মাণ
ররর. খাল খননের মাধ্যমে নিরাপত্তা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৮৯. বর্তমানে দেশের মুল্যবান স্থাপত্যকীর্তির নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছেÑ (অনুধাবন)
র. তাজহাট প্রাসাদ
রর. শশীলজ প্রাসাদ
ররর. দিয়াপতিয়ার জমিদারের প্রাসাদ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৯০. পানাম নগরের আশপাশে নির্মিত কয়েকটি ইমারত হলোÑ (অনুধাবন)
র. সরদার বাড়ি রর. আনন্দমোহন পোদ্দারের বাড়ি
ররর. হাসিময় সেনের বাড়ি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
 অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৯১ ও ৯২নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
উনিশ শতকে ধনী ব্যবসায়ীদের অনেকে বসবাসের জন্য সোনারগাঁওয়ের একটি এলাকা বেছে নেন। তারা সে এলাকার মূল সড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধ অনেকগুলো ইমারত নির্মাণ করেন এবং ইমারতের চারপাশে পরিখা খনন করেন।
৯১. অনুচ্ছেদে কোন এলাকার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? (প্রয়োগ)
 পানাম খ কাঁচপুর গ শফিপুর ঘ নবাবগঞ্জ
৯২. উক্ত এলাকাটি বিখ্যাত ছিল- (উচ্চতর দক্ষতা)
র. মসলিন শাড়ি উৎপাদনের জন্য রর. ধনী ব্যবসায়ীদের বসবাসের জন্য
ররর. রঙিন মোজাইকে সাজানো অট্টালিকার জন্য
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
পাঠ-৩ : জাদুঘরে সংরক্ষিত প্রতœসম্পদ
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৯৩. বলধার জমিদারের কী নাম ছিল? (জ্ঞান)
ক অতুল নারায়ণ চৌধুরী খ রাজেন্দ্র রায় চৌধুরী
গ দারকানাথ চৌধুরী  নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী
৯৪. দিঘাপতিয়ার জমিদাররা কোন এলাকার জমিদার ছিলেন? (জ্ঞান)
ক রাজশাহী  নাটোরের গ কুমিল্লার ঘ দিনাজপুরের
৯৫. তাজহাট জায়গাটি কোন জেলায় অবস্থিত? (জ্ঞান)
 রংপুর খ চট্টগ্রাম গ নাটোর ঘ বগুড়া
৯৬. বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘর কোথায় অবস্থিত? (জ্ঞান)
 ঢাকায় খ বগুড়ায় গ কুমিল­ায় ঘ রাজশাহীতে
৯৭. কত সালে ময়মনসিংহ শহরে জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়? (জ্ঞান)
ক ১৯২০ খ ১৯৮৪  ১৯৬৯ ঘ ২০০১
৯৮. জাদুঘরে কোন শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রার পরিচয় পাওয়া যায়? (জ্ঞান)
ক প্রান্তিক খ মধ্যবিত্ত  অভিজাত ঘ নিম্নবিত্ত
৯৯. তাজহাট জমিদার বাড়িতে স্থান পেয়েছে কী ধরনের সামগ্রী? (জ্ঞান)
ক বিষ্ণুমূর্তি  সংস্কৃত ভাষায় লেখা পাণ্ডুলিপি
গ হরিণের মাথা ঘ আলোকচিত্র
১০০. ময়মনসিংহ জাদুঘর বাংলাদেশ সরকারের কোন বিভাগ পরিচালনা করে? (অনুধাবন)
ক প্রশাসন বিভাগ  প্রতœতত্ত¡ বিভাগ
গ নৃবিজ্ঞান বিভাগ ঘ আইন বিভাগ
১০১. প্রতœনিদর্শন জাদুঘরে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা হয় কেন? (জ্ঞান)
ক দেখা ও বিক্রয় করার জন্য  ইতিহাস ও ঐতিহ্য জানার জন্য
গ পুরাতন নিদর্শন হিসেবে ঘ সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য
১০২. জাদুঘরের সাথে কোন দিক থেকে প্রতœনিদর্শনের সম্পর্ক রয়েছে? (প্রয়োগ)
 জাদুঘর প্রতœনিদর্শনের প্রদর্শন স্থান খ জাদুঘর প্রতœনিদর্শনের উৎপত্তিস্থল
গ জাদুঘর একটি প্রতœনিদর্শন ঘ জাদুঘর প্রতœনিদর্শনের বিক্রয় কেন্দ্র
১০৩. জাতীয় কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক জাদুঘরের বাইরেও কিছু সংগ্রহশালা আছে। এগুলোর অবস্থান কোথায়? (প্রয়োগ)
ক ঐতিহাসিক স্থানগুলোতে  জমিদারদের পুরনো প্রাসাদে
গ ঐতিহাসিক মন্দিরগুলোতে ঘ দর্শনীয় স্থানগুলোতে
১০৪. রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি কোথায় অবস্থিত? [ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড আন্তঃবিদ্যালয়]
 কুষ্টিয়ায় খ ঝিনাইদহে গ পাবনায় ঘ নাটোরে
১০৫. কোনো দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে কীভাবে ধারণা লাভ করা যায়? (অনুধাবন)
 প্রতœসম্পদ দেখার মাধ্যমে খ সংবিধান জানার মাধ্যমে
গ ভৌগোলিক অবস্থান দেখে ঘ দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণ করে
১০৬. শিলাইদহ জায়গাটি কোন জেলায় অবস্থিত? (জ্ঞান)
ক ঢাকায় খ চট্টগ্রামে  কুষ্টিয়ায় ঘ পাবনায়
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১০৭. প্রতœনিদর্শন প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়েছে (অনুধাবন)
র. সরকারি বাসভবন রর. সংগ্রহশালা
ররর. জাদুঘর
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১০৮. জাদুঘরের বৈশিষ্ট্য হলো (অনুধাবন)
র. ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা দেয়া
রর. পুরোনো ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা দেয়া
ররর. প্রতœসম্পদকে ধারণ করে রাখা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১০৯. আহসান মঞ্জিলের সংগ্রহশালায় রয়েছেÑ (অনুধাবন)
র. ঢাকার নবাবদের পোশাক ও খাট পালঙ্ক
রর. অলংকার ও আলোকচিত্র
ররর. মুক্তিযুদ্ধের তথ্য ও বিভিন্ন তৈজসপত্র
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১১০. তাজহাট সংগ্রহশালায় রয়েছেÑ (অনুধাবন)
র. পোড়ামাটির কাজ
রর. সংস্কৃতি ও আরবি ভাষায় লেখা পাণ্ডুলিপি
ররর. ইটালিতে তৈরি মূর্তি
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১১১. জাদুঘর ও কবিগুরুর কুঠিবাড়িতে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা আছেÑ (অনুধাবন)
র. রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি জড়ানো নানা দ্রব্যসামগ্রী
রর. জমিদারদের ব্যবহার করা নানা দ্রব্য
ররর. মূল্যবান আলোকচিত্র
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১১২. বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত হয়েছেÑ (অনুধাবন)
র. ইংরেজ শাসনকালের প্রতœসম্পদ
রর. বাংলার নবাবদের শাসনকালের প্রতœসম্পদ
ররর. বাংলার জমিদারদের শাসনকালের প্রতœসম্পদ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
১১৩. জাদুঘরে সংরক্ষণের জন্য বলধার জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ রাজ চৌধুরীর সংগ্রহ থেকে আনা হয়Ñ (অনুধাবন)
র. ঢাল-তলোয়ার রর. সিংহাসন
ররর. হাতির দাঁতের নানা কারুকাজ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর

১১৪. ঢাকা ও ঢাকার বাইরে এদেশের ইংরেজ আমলে তৈরি হয়েছিল (অনুধাবন)
র. সুদৃশ্য অট্টালিকা রর. অন্যান্য প্রতœ নিদর্শন
ররর. জাতীয় সংসদ
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১১৫. প্রতœসম্পদের মাধ্যমে সেকালের মানুষের সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়Ñ (অনুধাবন)
র. সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থার রর. জীবনযাত্রার
ররর. বিশ্বাস-সংস্কারের
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
১১৬. ঢাকা ও সোনারগাঁও বিখ্যাত ছিল (অনুধাবন)
র. মসলিন শাড়ির উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে
রর. স্থাপত্যকর্ম হিসেবে
ররর. শিল্প কারখানার স্থান হিসেবে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন -১  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
অর্ণব ও অর্পা ঈদের ছুটিতে টাঙ্গাইলের ধনবাড়িতে বেড়াতে গেল। সেখানে গিয়ে তারা টাঙ্গাইলের বিখ্যাত স্থানগুলো ভ্রমণের বায়না ধরল। মামা তাদের প্রথমেই নিয়ে গেলেন প্রাচীন মুসলিম জমিদার বাড়ি দেখাতে। জমিদার বাড়ির স্থাপত্য ও নকশা দেখে তারা মুগ্ধ হয়ে গেল। এরপর তারা দেখল টাঙ্গাইলের শাড়ি বুনন শিল্প। মামা জানালেন এ শাড়ির কারণে টাঙ্গাইল আজ বিখ্যাত।
ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি কোথায় অবস্থিত?
খ. প্রতœতত্ত¡ বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকের শহরটির মতো এক সময় সোনারগাঁও বিখ্যাত থাকার কারণটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ.অর্ণব ও অর্পার দেখা জমিদার বাড়িটি মোগল স্থাপত্যরীতিতে তৈরি বিশ্লেষণ কর।
 ১নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ী কুষ্টিয়ার শিলাইদহে অবস্থিত।
খ. প্রতœতত্ত¡ হলো প্রাচীন যুগের নিদর্শন। প্রতœ শব্দের অর্থ হলো পুরনো বা প্রাচীন। প্রতœতত্ত¡ বলতে পুরনো স্থাপত্য ও শিল্পকর্ম, মূর্তি বা ভাস্কর্য, অলংকার, প্রাচীন আমলের মুদ্রা, পুরনো মূল্যবান আসবাবপত্র ইত্যাদিকে বোঝায়।
গ. উদ্দীপকের শহর টাঙ্গাইলের মতো সোনারগাঁও এক সময় ছিল বিখ্যাত।
সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিল সোনারগাঁও। মসলিন শাড়ির উৎপাদন ও ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে এর খ্যাতি ছিল অপরিসীম। এছাড়াও স্থাপত্য নির্মাণেও বিখ্যাত ছিল সোনারগাঁও। উনিশ শতকের ধনী ব্যবসায়ীদের অনেকেই বসবাসের জন্য সোনারগাঁওয়ের পানাম এলাকাটি বেছে নেন। সৌন্দর্যের দিক থেকে সোনারগাঁওয়ের সরদার বাড়ি ছিল বিশেষভাবে উলে­খযোগ্য। বর্তমানে সেখানে লোকশিল্প জাদুঘর স্থাপিত হয়েছে। রঙিন মোজাইকের নানা কারুকাজে শোভিত হয়েছে এ সরদার বাড়ি।
উদ্দীপকে টাঙ্গাইলের ধানবাড়িতে অবস্থিত প্রাচীন মুসলিম জমিদার বাড়ির কথা বলা হয়েছে। জমিদার বাড়ির স্থাপত্য ও নকশা খুবই মনোমুগ্ধকর। এছাড়াও টাঙ্গাইলের শাড়ি বুনন শিল্পের জন্য টাঙ্গাইল শহর আজ বিখ্যাত। সুতরাং আলোচনা থেকে স্পষ্ট, নয়নাভিরাম ও প্রাণজুড়ানো স্থাপত্য ও মসলিন শাড়ি বুনন শিল্পের জন্য উদ্দীপকের শহরটির মতো এক সময় সোনারগাঁও ছিল বিখ্যাত।
ঘ. অর্ণব ও অর্পার দেখা জমিদার বাড়িটি মোগল স্থাপত্যরীতিতে তৈরি।
প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে মোগল আমলে বাংলায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক স্থাপনার সৃষ্টি হয়। মোগল আমলের স্থাপত্য নিদর্শনের বৈশিষ্ট্যই হলো চমৎকার নির্মাণশৈলী ও কারুকাজ। তেমনি ঢাকার মসজিদগুলো মোগল স্থাপত্যরীতিতে তৈরি। সোনারগাঁওয়ের পানাম নগরের অট্টালিকাগুলো এবং সরদারবাড়ি শোভিত হয়েছিল রঙিন মোজাইকে। এই রঙিন মোজাইক মোগল স্থাপত্যরীতিরই একটি বৈশিষ্ট্য। নির্মাণকলা ও চমৎকার কারুকাজ সংবলিত এরকম আরও স্থাপত্যকর্মের নিদর্শন রয়েছে বাংলায়। এসব নিদর্শন আজও যেকোনো মানুষকে মুগ্ধ করে। উদ্দীপকে অর্ণব ও অর্পা প্রাচীন জমিদার বাড়িটি দেখতে পায়। মোগল আমলে তৈরি অন্যান্য স্থাপত্যকর্মের মতো জমিদার বাড়িটির নকশা খুবই মনোমুগ্ধকর। বস্তুত মোগল আমলে নির্মিত স্থাপত্যগুলোর যে গঠন কৌশল ও সৌন্দর্য বিদ্যমান ছিল তারই প্রভাব উক্ত জমিদার বাড়িটিতে দেখা যায়। তাই বলা যায়, অর্ণব ও অর্পার দেখা জমিদার বাড়িটি মোগল স্থাপত্যরীতিতে তৈরি।

প্রশ্ন -২ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
গ্রীষ্মের ছুটিতে মিশকাত তার বাবার সাথে সুলতানি আমলে প্রতিষ্ঠিত বাংলার রাজধানীতে বেড়াতে যায়। ঐ এলাকা ও তার আশেপাশের ইমারতগুলো দেখতে তাদের দু’দিন লেগেছিল। সব ইমারত দেখার পর ছেলের এক প্রশ্নের জবাবে বাবা বললেন, “এ ইমারতগুলো তৈরি করেছিলেন স্থানীয় জমিদার ও ব্যবসায়ীরা।” তিনি আরও বললেন, “এ সকল স্থাপত্য নিদর্শন সংরক্ষণ করতে না পারলে আমাদের অতীত ঐতিহ্যের একটি অংশ চিরদিনের জন্য হারিয়ে যাবে।”
ক. বাহাদুর শাহ পার্ক কে তৈরি করেন? ১
খ. প্রতœসম্পদ বলতে কী বোঝায়? ২
গ. মিশকাতের দেখা এলাকাটির স্থাপত্যরীতি ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.উদ্দীপকে বর্ণিত মিশকাতের বাবার শেষোক্ত বাক্যটির সাথে তুমি কি একমত? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। ৪
 ২নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. বাহাদুর শাহ পার্ক নওয়াব আবদুল গণি তৈরি করেন।
খ. প্রতœসম্পদ বলতে সাধারণত পুরনো স্থাপত্য ও শিল্পকর্ম, মূর্তি বা ভাস্কর্য, অলংকার, প্রাচীন আমলের মুদ্রা, পুরনো মূল্যবান আসবাবপত্র ইত্যাদিকে বোঝায়। যার মাধ্যমে প্রাচীন মানুষের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, জীবনযাত্রা, বিশ্বাস, সংস্কার, রুচি বা দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায়।
গ. মিশকাতের দেখা এলাকাটি হলো পানামনগর যা ইউরোপীয় এবং মোঘল স্থাপত্যরীতির মিশেলে তৈরি।
উদ্দীপকে গ্রীষ্মের ছুটিতে মিশকাত তার বাবার সাথে সুলতানি আমলে প্রতিষ্ঠিত বাংলার রাজধানী সোনারগাঁও বেড়াতে যায়। সে ঐ এলাকা ও তার আশপাশের ইমারতগুলো দেখে। অর্থাৎ মিশকাতের দেখা এলাকাটি পানামনগর নির্দেশ করে। ঊনিশ শতকে ধনী ব্যবসায়ীদের অনেকে বসবাসের জন্য এ এলাকাটি বেছে নেন। স্বাভাবিকভাবেই ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এই ভবনগুলোতে ইউরোপীয় স্থাপত্য রীতি অনুসরণ করা হয়। তবে এদের নির্মাণকলায় মোঘল স্থাপত্যেরও প্রভাব আছে। যার প্রমাণ অট্টালিকাগুলো সাজানো হয়েছিল রঙিন মোজাইকে।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত মিশকাতের বাবার শেষোক্ত বাক্যটি হলো “এ সকল স্থাপত্য নিদর্শন সংরক্ষণ করতে না পারলে আমাদের অতীত ঐতিহ্যের একটি অংশ চিরদিনের জন্য হারিয়ে যাবে।” মিশকাতের বাবার উক্তিটির সাথে আমি একমত।
আমাদের দেশে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বিভিন্ন প্রতœনিদর্শন রয়েছে। এ সকল প্রতœনিদর্শন বিভিন্ন যুগের মানুষের তৈরি। এছাড়া তাদের ব্যবহৃত বিভিন্ন দ্রব্যাদিও পাওয়া যায় এসব প্রতœনিদর্শনে। বাংলাদেশে জাতীয় জাদুঘরে বাংলার নবাব, জমিদার ও ইংরেজ শাসনামলের বেশ কিছু প্রতœসম্পদ রয়েছে। এছাড়া আঞ্চলিক জাদুঘর ও সংগ্রহশালায়ও রয়েছে জমিদারদের ব্যবহৃত নানা ধরনের পোশাক, ঢাল-তলোয়ার, সিংহাসনসহ নানা দ্রব্যাদি। এছাড়া কুষ্টিয়ার শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়িতে স্থান পেয়েছে রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিজড়ানো নানা জিনিস এবং আলোকচিত্র। কিন্তু আমরা যদি এসব প্রতœ সম্পদ রক্ষা করতে না পারি তাহলে আমরা আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারব না। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মরাও আমাদের ঐতিহ্য ও ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে না। কালের বিবর্তনে ইতিহাস ও ঐতিহ্যগুলো হারিয়ে যাবে। তাই আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য যাতে হারিয়ে না যায় সেজন্য আমাদের প্রতœ সম্পদগুলো রক্ষা করতে হবে।
প্রশ্ন -৩ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
শিক্ষাসফরে ‘ক’ স্কুলের শিক্ষার্থীরা সোনারগাঁও এ যায়। সেখানে তারা অনেক স্থাপত্য নিদর্শন দেখতে পায়। এগুলোর জীর্ণ দশা দেখে তারা অনুভব করে ইতিহাস ঐতিহ্য রক্ষার স্থাপত্য নিদর্শনগুলোর সংস্কার প্রয়োজন।
ক. রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি কোথায় অবস্থিত? ১
খ. প্রতœসম্পদ বলতে কী বোঝায়? ২
গ. ‘ক’ স্কুলের শিক্ষার্থীদের ভ্রমণকৃত এলাকার স্থাপত্যরীতি ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.“উক্ত স্থাপত্য নিদর্শনগুলো সংরক্ষণ ও সংস্কার করা উচিত।”- বিশ্লেষণ কর। ৪
 ৩নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি কুষ্টিয়ার শিলাইদহে অবস্থিত।
খ. ‘প্রতœ’ শব্দের অর্থ হলো পুরনো বা প্রাচীন। প্রতœসম্পদ বলতে পুরনো স্থাপত্য ও শিল্পকর্ম, মূর্তি বা ভাস্কর্য, অলঙ্কার, প্রাচীন আমলের মুদ্রা, পুরনো মূল্যবান আসবাবপত্র ইত্যাদিকে বোঝায়। এসব নিদর্শনের মধ্যদিয়ে সেকালের মানুষের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থা, জীবনযাত্রা, বিশ্বাস-সংস্কার, রুচি বা দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।
গ. ‘ক’ স্কুলের শিক্ষার্থীদের ভ্রমণকৃত এলাকা তথা সোনারগাঁও এর স্থাপত্যরীতি মূলত ইউরোপীয় ও মোঘল স্থাপত্যরীতির সংমিশ্রণ।
ঊনিশ শতকে ধনী ব্যবসায়ীদের অনেকে বসবাসের জন্য সোনারগাঁওয়ের পানাম এলাকাটি বেছে নেন। এরা পানামের মূল সড়কের দুইপাশে সারিবদ্ধভাবে অনেকগুলো ইমারত নির্মাণ করেন। পানামনগরে এখনও এ রকম ৫২টি ইমারত টিকে আছে। চওড়া পথের দুই পাশে ইমারতগুলো সুন্দুরভাবে সাজানো। পথের উত্তর পাশে ৩১টি এবং দক্ষিণে রয়েছে ২১টি ইমারত।
ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এই ভবনগুলোতে ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতি অনুসরণ করা হয়। তবে এদের নির্মাণকলায় মোঘল স্থাপত্যেরও প্রভাব আছে। অট্টালিকাগুলো সাজানো হয়েছিল রঙিন মোজাইকে। পানামের আশেপাশে আরও কয়েকটি চমৎকার ইমারত এখনও টিকে আছে। উদ্দীপকে ‘ক’ শিল্পে এর মধ্যে তিনটির উল্লেখ রয়েছে।
ঘ. উক্ত স্থাপত্য তথা সোনারগাঁওয়ের স্থাপত্য নিদর্শনগুলো সংরক্ষণ ও সংস্কার করা উচিত।
জাদুঘর ও সংগ্রহশালায় রাখা বিভিন্ন প্রতœনিদর্শন দেখে আমরা অতীতের অভিজাত শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারি। অতীতে আমাদের সমাজব্যবস্থা কেমন ছিল সে সম্পর্কে ধারণা পেয়ে থাকি। কিন্তু আমরা যদি এসব প্রতœ সম্পদ রক্ষা করতে না পারি তাহলে আমরা আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারব না। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মরাও আমাদের ঐতিহ্য ও ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে না। কালের বিবর্তনে আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যগুলো হারিয়ে যাবে। তাই আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য যাতে হারিয়ে না যায় সেজন্য আমাদের প্রতœ সম্পদগুলো রক্ষা করতে হবে।
উদ্দীপকের সোনারগাঁওয়ের স্থাপত্য নিদর্শনও এ প্রেক্ষাপটে সংরক্ষণ ও সংস্কার করা উচিত।
প্রশ্ন -৪ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
গ্রীষ্মের ছুটিতে মামার সাথে অহনা ঢাকার বাইরের বিভিন্ন স্থাপত্য নিদর্শন দেখতে গিয়েছিল। ঈদের ছুটিতে গিয়েছিল ঢাকার শাহবাগে একটি জাদুঘরে। অহনার মামা বললেন, ‘এসব প্রতœসম্পদ রক্ষা করতে না পারলে আমরা আমাদের অতীত ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলব’।
ক. ‘প্রতœ’ অর্থ কী? ১
খ. উত্তরা গণভবন বলতে কী বোঝ? ২
গ. ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় অহনার দেখা জাদুঘরটির ভ‚মিকা উল্লেখ কর। ৩
ঘ.অহনার মামার উক্তিটির সাথে তুমি কি একমত? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর। ৪
ল্ফল্প ৪নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. ‘প্রতœ’ অর্থ পুরনো বা প্রাচীন।
খ. বাংলাদেশ সরকারের উত্তরাঞ্চলীয় সচিবালয় বাসভবনের নাম উত্তরা গণভবন। এটি নাটোর জেলায় অবস্থিত। নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদারের প্রাসাদ ছিল এটি। প্রাসাদ হিসেবে চমৎকার স্থাপত্যকর্মের জন্য এটি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। রাজা দয়ারাম রায় ১৭৪৩ সালে এটি নির্মাণ করেন।
গ. অহনার দেখা জাদুঘরটি হলো শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘর। ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় অহনার দেখা জাদুঘরটির ভ‚মিকা অপরিসীম।
বাংলাদেশের পুরাকীর্তিগুলো থেকে পাওয়া অনেক প্রতœনিদর্শন জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা হয়। জাদুঘরের গ্যালারিতে সংরক্ষিত রয়েছে বাংলার নবাব, জমিদার ও ইংরেজ শাসনকালের বেশ কিছু প্রতœসম্পদ। এছাড়াও এখানে রাখা হয়েছে নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদারদের ব্যবহার করা দ্রব্য, পোশাক, ঢাল-তলোয়ার ও সিংহাসন এবং ঢাকার নওয়াবদের ব্যবহার করা কারুকার্যখচিত পোশাক ও জিনিসপত্র। এ সমস্ত নিদর্শন থেকে সেকালের মানুষের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থা, জীবনযাত্রা, বিশ্বাস সংস্কার, রুচি বা দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। তাই বলা যায়, ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় অহনার দেখা জাদুঘরটির ভ‚মিকা রয়েছে।
ঘ. অহনার মামার উক্তিটি হলো ‘এ সব প্রতœসম্পদ রক্ষা করতে না পারলে আমরা আমাদের অতীত ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলব।’ উক্তিটির সাথে আমি একমত।
প্রতœসম্পদ বলতে পুরনো স্থাপত্য ও শিল্পকর্ম মূর্তি বা ভাস্কর্য, অলঙ্কার, প্রাচীন আমলের মুদ্রা, পুরনো মূল্যবান আসবাবপত্র ইত্যাদিকে বোঝায়। এসব নিদর্শনের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট কালের মানুষের সামাজিক জীবন, সাংস্কৃতিক অবস্থা, জীবনযাত্রা, বিশ্বাস-সংস্কার, রুচি বা দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি সম্পর্কে বর্তমান সময়ের মানুষরা জ্ঞান লাভ করতে পারে। প্রতœসম্পদ যে কোনো দেশের জাতীয় সম্পদের মধ্যে পড়ে। এসব প্রতœসম্পদ রক্ষা করতে না পারলে আমরা আমাদের অতীত ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারব না। যেমন : জাতীয় জাদুঘরে স্থান পেয়েছে নবাব, জমিদার ও ইংরেজ শাসনকালের বেশ কিছু প্রতœসম্পদ। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দিনাজপুরের মহারাজা, বলধার জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী, নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদার ও ঢাকার নওয়াবদের ব্যবহার করা বিভিন্ন জিনিসপত্র। ঢাকার আহসান মঞ্জিল, রংপুরের তাজহাট জমিদারের প্রাসাদ, কুষ্টিয়ার শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি তেমনি উল্লেখযোগ্য সংগ্রহশালা। এ সমস্ত জাদুঘর ও সংগ্রহশালায় রাখা বিভিন্ন প্রতœনিদর্শন দেখে সে যুগের অভিজাত শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।

প্রশ্ন -৫ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ফরিদ তার বাবার সাথে জাতীয় জাদুঘরে বেড়াতে গেল। সেখানে গিয়ে তারা ঢাকার নবাব, জমিদার, ইংরেজ শাসনের সময়কার বহু জিনিসসহ আরও অনেক কিছু দেখতে পেল। ফরিদ তার বাবাকে জিজ্ঞেস করল, জাতীয় জাদুঘরের মাধ্যমে কি বাংলার ইতিহাস সম্পূর্ণ জানা যায়? ফরিদের বাবা বললেন, ‘শুধু জাতীয় জাদুঘর নয়, আঞ্চলিক জাদুঘর ও সংগ্রহশালা দর্শনের মাধ্যমে আমরা প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা পেয়ে থাকি।’
ক. কত সালে ময়মনসিংহ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়? ১
খ. জাদুঘর ও সংগ্রহশালার গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর। ২
গ. ফরিদ জাতীয় জাদুঘরে যেসব জিনিস দেখতে পেল, তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বর্ণনা কর। ৩
ঘ.ফরিদের বাবার বক্তব্যটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর। ৪
ল্ফল্প ৫নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. ১৯৬৯ সালে ময়মনসিংহ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
খ. জাদুঘর বা সংগ্রহশালা একটি জাতির ঐতিহ্য ও প্রাচীন তথ্যাবলি সম্পর্কে ধারণা দিয়ে থাকে। এসব জাদুঘর ও সংগ্রহশালায় রাখা নবাব ও জমিদারদের বিভিন্ন প্রতœনিদর্শন দেখে সে যুগের অভিজাত শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা কেমন ছিল, সে সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। প্রতœক্ষেত্র ও জাদুঘরের প্রতœনিদর্শন দেখার পর বাংলাদেশের ঔপনিবেশিক যুগের ঐতিহ্য সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা তৈরি হবে। তাই জাদুঘর ও সংগ্রহশালার গুরুত্ব অপরিসীম।
গ. জাদুঘর একটি জাতির অতীত ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে। ফরিদ জাতীয় জাদুঘরে যেসব জিনিস দেখতে পেল, তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বর্ণনা করা হলো :
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের গ্যালারিতে ঔপনিবেশিক যুগের বাংলার জমিদার, ঢাকার নবাব এবং ইংরেজ শাসন সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু প্রতœনিদর্শন প্রদর্শিত আছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে দিনাজপুরের মহারাজার ব্যবহার্য দ্রব্যসামগ্রী, হাতির দাঁতের কারুকার্য করা শিল্পদ্রব্য, বলধার জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরীর সংগ্রহ থেকে আনা পোশাক, হাতির দাঁতের কারুপণ্য, ঢাল- তলোয়ার, নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদারদের বিভিন্ন ব্যবহার্য দ্রব্য, পোশাক, সিংহাসন, ব্যবহার্য জিনিসপত্র ইত্যাদি।
ঘ. ‘শুধু জাতীয় জাদুঘর নয়, আঞ্চলিক জাদুঘর ও সংগ্রহশালা দর্শনের মাধ্যমে আমরা প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা পেয়ে থাকি।’ ফরিদের বাবার বক্তব্যটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করা হলো:
শুধু জাতীয় জাদুঘর নয়, আঞ্চলিক জাদুঘর ও সংগ্রহশালায় অতীত যুগের প্রতœনিদর্শন বিশেষভাবে সংগ্রহ ও প্রদর্শন করা হয়। বিশেষ করে জমিদারদের প্রাসাদেই অধিকাংশ সংগ্রহশালা রয়েছে। এসব সংগ্রহশালায় সংশ্লিষ্ট জমিদারদের ব্যবহার্য দ্রব্যসামগ্রী ও তাদের তৈরি এবং সংগ্রহ করা নানা নিদর্শন প্রদর্শন করা হয়ে থাকে। যেমন : ঢাকার আহসান মঞ্জিলে রয়েছে একটি সংগ্রহশালা। এখানে ঢাকার নবাবদের পোশাক, খাট, পালঙ্ক, চেয়ার, সোফা, অলংকার, মূল্যবান আলোকচিত্র ইত্যাদি স্থান পেয়েছে। ময়মনসিংহ শহরে ১৯৬৯ সালে ময়মনসিংহ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের জমিদারবাড়িগুলো থেকে পাওয়া প্রতœনিদর্শনই বেশি স্থান পেয়েছে এ জাদুঘরে। সুতরাং প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য জানতে শুধু জাতীয় জাদুঘর নয় অন্যান্য আঞ্চলিক সংগ্রশালাও গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রেক্ষাপটের ফরিদের বাবার বক্তব্য তাৎপর্যবহ।
প্রশ্ন -৬ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ঝর্ণা তার ছোট চাচার সাথে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রাসাদ দেখতে যায়। বর্তমানে এটি একটি সংগ্রহশালা। তারপরে তারা জাতীয় জাদুঘর ঘুরে দেখেছে। ফলে তার সামনে উন্মোচিত হলো কয়েক শত বছরের ইতিহাস। চাচা তাকে বললেন, তুমি যে নিদর্শনগুলো দেখেছ তা ইতিহাসের অন্যতম উপাদান। ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় এ রকম আরও অনেক নিদর্শন রয়েছে।
ক. সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিল কোনটি? ১
খ. ময়মনসিংহ জাদুঘর সম্পর্কে লিখ। ২
গ. উদ্দীপকে ঝর্ণার দেখা কোন প্রাচীন স্থাপত্যকীর্তির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.উদ্দীপকে উল্লিখিত নিদর্শন ছাড়াও ঝর্ণার ছোট চাচা ঢাকা শহরের আর কোন নিদর্শনের কথা বলেছেন তা আলোচনা কর। ৪
ল্ফল্প ৬নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. সুলতানি আমলে বাংলা রাজধানী ছিল সোনারগাঁও।
খ. ময়মনসিংহ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালে। বাংলাদেশ সরকারের প্রতœতত্ত¡ বিভাগ এটি পরিচালনা করে। বৃহত্তর ময়মনসিংহের জমিদারদের প্রতœসম্পদ এই জাদুঘরে বেশি। যেমন : পাথরের ফুলদানি, কম্পাস, ঘড়ি, অলঙ্কার, মৃৎপাত্র, কাপড়বোনার যন্ত্র, লোহার সিন্দুক, সরস্বতী ও বিষ্ণুমূর্তি, বাঘ, ড্রাগন, বন্য ষাঁড় ও হরিণের মাথা, ইটালিতে তৈরি মূর্তি এ জাদুঘরে স্থান পেয়েছে।
গ. উদ্দীপকে ঝর্ণার দেখা প্রাচীন স্থাপত্যকীর্তির নিদর্শন আহসান মঞ্জিলের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। আহসান মঞ্জিল হলো ঢাকার নওয়াবদের তৈরি প্রাসাদ। এটি ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মিত প্রাচীন স্থাপত্যকীর্তির একটি বিখ্যাত নিদর্শন। ১৮৭২ সালে নবাব আব্দুল গণি এ প্রাসাদটি নির্মাণ করেন। আহসান মঞ্জিলের সংগ্রহশালায় ঢাকার নওয়াবদের পোশাক, খাট-পালঙ্ক, চেয়ার, সোফা, অলঙ্কার ও আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে।
উদ্দীপকে ঝর্ণা ছোট চাচার সাথে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে একটি প্রাসাদ দেখতে যায়। বর্তমানে এটি একটি সংগ্রহশালা। তাই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে ঝর্ণার দেখা প্রাচীন, স্থাপত্যকীর্তির বিখ্যাত নিদর্শন আহসান মঞ্জিলের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত নিদর্শন তথা আহসান মঞ্জিল ছাড়াও ঝর্ণার ছোট চাচা ঢাকা শহরের অন্যান্য স্থাপত্য নিদর্শনের কথা বলেছেন।
ঔপনিবেশিক যুগের ঢাকার স্থাপত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির ও গির্জা। ঢাকার মসজিদগুলো মোগল স্থাপত্যরীতিতে তৈরি। উনিশ শতকে তৈরি ঢাকার উল্লেখযোগ্য মসজিদের মধ্যে লালবাগ মসজিদ, ল²ীবাজার মসজিদ, সূত্রাপুরের কলুটোলা জামে মসজিদ, বেচারাম দেউড়ি মসজিদ, কায়েতটুলি মসজিদ এবং সূত্রাপুরের সিতারা বেগম মসজিদ। এগুলোর নির্মাণকলা ও কারুকাজ চমৎকার। মন্দিরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঢাকেশ্বরী মন্দির ও রমনা কালী মন্দির। গির্জার মধ্যে সবচেয়ে পুরনো হলো আর্মেনিয়ান চার্চ। এছাড়াও আছে এ্যাংলিকান চার্চ ও হলিক্রস চার্চ। ঢাকার পুরনো নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত বাহাদুর শাহ পার্ক। এছাড়াও পুরনো ঢাকার রূপলাল হাউস এবং রোজ গার্ডেন চমৎকার স্থাপত্যকর্ম। তৎকালীন সবচেয়ে সুন্দর অফিস বাড়ি কার্জন হল ও পুরনো হাইকোর্ট ভবনটিও ঢাকা শহরের প্রাচীন নিদর্শন।
প্রশ্ন -৭ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
সখিনা তার মামার সাথে ঢাকার বাইরে বহু পুরনো জরাজীর্ণ একটি আবাসিক এলাকায় যায়। মামা বললেন, উনিশ শতকে ধনী ব্যবসায়ীদের অনেকেই এখানে বসবাস করতেন। ফেরার পথে বাহাদুর শাহ পার্কটিকে দেখিয়ে বললেন, “জানিসতো, এই স্থানটির সাথে জড়িয়ে আছে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস।”
ক. রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি জড়ানো নানা জিনিস কোথায় স্থান পেয়েছে? ১
খ. প্রতœসম্পদ বলতে কী বোঝায়? ২
গ. সখিনার দেখা ঢাকার বাইরের স্থাপত্য নিদর্শনটির বর্ণনা দাও। ৩
ঘ.উদ্দীপকে উল্লিখিত পার্কটি সম্পর্কে মামার শেষের বক্তব্যটির মূল্যায়ন কর। ৪
ল্ফল্প ৭নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি জড়ানো নানা জিনিস কুষ্টিয়ার শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়িতে স্থান পেয়েছে।
খ. প্রতœসম্পদ বলতে পুরনো স্থাপত্য ও শিল্পকর্ম, মূর্তি বা ভাস্কর্য, অলঙ্কার, প্রাচীন আমলের মুদ্রা, পুরনো মূল্যবান আসবাবপত্র ইত্যাদিকে বোঝায়। এসব নিদর্শনের মধ্য দিয়ে সেকালের মানুষের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থা, জীবনযাত্রা, বিশ্বাস সংস্কার, রুচি বা দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।
গ. সখিনার দেখা ঢাকার বাইরের স্থাপত্য নিদর্শনটি হলো সোনারগাঁওয়ের পানাম নগর। মসলিন শাড়ির উৎপাদন ও ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে সোনারগাঁওয়ের খ্যাতি ছিল। উনিশ শতকে ধনী ব্যবসায়ীদের অনেকে বসবাসের জন্য সোনারগাঁওয়ের পানাম এলাকাটি বেছে নেন। উদ্দীপকে এ তথ্যের উল্লেখ রয়েছে। পানাম নগরের অধিবাসীরা চওড়া পথের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে অনেকগুলো ইমারত নির্মাণ করেন। পানামনগরে পথের উত্তর পাশে ৩১টি ও দক্ষিণপাশে ২১টি ইমারতসহ মোট ৫২টি ইমারত এখনও টিকে আছে। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এই ভবনগুলোতে ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতি অনুসরণ করা হলেও এদের নির্মাণকলায় মোগল স্থাপত্যের ও প্রভাব আছে। অট্টালিকাগুলো সাজানো হয়েছিল রঙিন মোজাইকে। এলাকার নিরাপত্তার জন্য পানামের অধিবাসীরা ইমারতগুলোর চারপাশ ঘিরে পরিখা বা খাল খনন করেছিল।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বাহাদুর শাহ পার্কটি সম্পর্কে মামার শেষের বক্তব্যটি হলো “এই স্থানটির সাথে জড়িয়ে আছে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস।” বক্তব্যটি সঠিক।
ভারতবর্ষের শেষ মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের নামে পার্কটির নাম হয় বাহাদুর শাহ পার্ক। উনিশ শতকের মাঝামাঝি ঢাকার নওয়াব আবদুল গণি এ পার্ক তৈরি করে ব্রিটেনের রানি ভিক্টোরিয়ার নামে এর নাম দেন ভিক্টোরিয়া পার্ক। তার আগে এ জায়গাটির নাম ছিল আন্টাঘর ময়দান। ১৮৫৭ সালের প্রথম ভারতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর এ দেশীয় সৈন্যরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু করেন। ইংরেজরা একে বলে সিপাহি বিদ্রোহ। যুদ্ধে ভারতীয় সৈন্যরা জিততে পারেন নি। বিদ্রোহী সৈন্যদের যারা ঢাকায় ইংরেজদের হাতে বন্দি হন তাদের ইংরেজরা এই আন্টাঘর ময়দানে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে ফাঁসি দেয়। এই ঘটনার ঠিক একশো বছর পর ১৯৫৭ সালে স্বাধীনতার জন্য জীবনদানকারী সৈনিকদের স্মৃতিতে এখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত পার্কটি সম্পর্কে মামার বক্তব্যটি সঠিক।
প্রশ্ন -৮ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
রিমি তার দাদুর সাথে একটি জাদুঘরে বেড়াতে গিয়েছিল। জাদুঘরটি একসময় সরদারবাড়ি বা বড় সরদার বাড়ি নামে পরিচিত ছিল। রিমি জাদুঘর এবং তার আশেপাশের বাড়িঘর দেখে অভিভ‚ত হলো। রিমির দাদু বললেন, এলাকাটি ঘিরে একসময় সমৃদ্ধশালী নগর গড়ে উঠেছিল।
ক. ময়মনসিংহ শহরে জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কত সালে? ১
খ. বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় জমিদারদের তৈরি স্থাপত্য নিদর্শন সম্পর্কে লিখ। ২
গ. উদ্দীপকে রিমি তার দাদুর সাথে কোন জাদুঘরে গিয়েছিল? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. “উক্ত নগরটির গঠনশৈলী সকলকে আকৃষ্ট করে।” বক্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর। ৪
ল্ফল্প ৮নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. ময়মনসিংহ শহরে জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬৯ সালে।
খ. ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় জমিদারদের তৈরি স্থাপত্য নিদর্শন ও অনুপম সুন্দর প্রাসাদ রয়েছে। ময়মনসিংহের শশীলজ যার মধ্যে একটি। মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় বালিয়াটির জমিদার বাড়ি, রংপুরের তাজহাট জমিদার বাড়িও বেশ বিখ্যাত। নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদারের প্রাসাদ ও চমৎকার স্থাপত্যকর্মের নিদর্শন।
গ. উদ্দীপকে রিমি তার দাদুর সাথে লোকশিল্প জাদুঘরে গিয়েছিল। এটি ঢাকার অদূরে সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত। সুলতানি আমলে এখানে স্থানীয় জমিদার ও ব্যবসায়ীরা চমৎকার কিছু ইমরাত নির্মাণ করেন।
সোনারগাঁয়ের সরদারবাড়ি বা বড় সরদারবাড়িতে বর্তমানে স্থাপিত হয়েছে লোকশিল্প জাদুঘর। এ বাড়ির নির্মাণকাল ১৯০১ সাল। এটি তৈরি হয়েছে দুটি বড় প্রাসাদকে নিয়ে। একটি করিডোর বা লম্বা বারান্দা দিয়ে প্রাসাদ দুটি একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। দোতলা এ বাড়িতে রয়েছে ৭০টি কক্ষ। রঙিন মোজাইকের নানা কারুকাজ দ্বারা শোভিত হয়েছে এ সরদারবাড়ি। উদ্দীপকে রিমি তার দাদুর সাথে যে জাদুঘরে বেড়াতে গিয়েছিল সেটি এক সময় সরদারবাড়ি বা বড় সরদারবাড়ি নামে পরিচিত ছিল। যেহেতু বর্তমান লোকশিল্প জাদুঘর এর পূর্বনাম সরদারবাড়ি বা বড় সরদার বাড়ি তাই বলা যায়, রিমি তার দাদুর সাথে লোকশিল্প জাদুঘরে গিয়েছিল।
ঘ. ‘উক্ত নগরটির গঠনশৈলী সকলকে আকৃষ্ট করে’। মন্তব্যটি যথার্থ। সুলতানি আমলে শাড়ির উৎপাদন ও ব্যবসাকেন্দ্র হিসেবে সোনারগাঁওয়ের খ্যাতি ছিল। তখন ধনী ব্যবসায়ীদের অনেকে বসবাসের জন্য সোনারগাঁওয়ের পানাম এলাকাটি বেছে নেন। এরা পানামের মূল সড়কের দুপাশে সারিবদ্ধভাবে অনেকগুলো ইমরাত নির্মাণ করেন। পানামনগরে এখনও এ রকম ৫২টি ইমরাত টিকে আছে। চওড়া পথের দু’পাশে ইমারতগুলো সুন্দরভাবে সাজানো। পথের উত্তর পাশে ৩১টি এবং দক্ষিণপাশে রয়েছে ২১টি ইমারত। এর মধ্যে কয়েকটি বর্তমানে ধসে গেছে। এলাকার নিরাপত্তার জন্য পানামের অধিবাসীরা ইমারতগুলোর চারপাশ ঘিরে পরিখা বা খাল খনন করেছিল। অট্টালিকাগুলো সাজানো হয়েছিল রঙিন মোজাইকে। নগরটির স্থাপত্য নিদর্শনের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছিল সব জায়গায়। এখনও ইতিহাসের পাতায় পানামনগর বিশেষ স্থান দখল করে আছে। সুতরাং বলা যায়, পানামনগরের গঠনশৈলী সকলকে আকৃষ্ট করে।

সৃজনশীল প্রশ্নব্যাংক

প্রশ্ন-৯ ল্ফ পরেশ তার বাবার সাথে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বেড়াতে গিয়েছিল। মন্দিরটি তার কাছে অনেক পুরনো বলে মনে হওয়ায় বাবার কাছে এ সম্পর্কে জানতে চাইল। বাবা বললেন, মন্দিরগুলো ঔপনিবেশিক যুগের পূর্বেই তৈরি হয়েছিল। ঔপনিবেশিক যুগে এর কোনো কোনোটি সংস্কার করা হয়েছিল। বাবা বললেন, ঔপনিবেশিক যুগে ঢাকায় বেশ কিছু মসজিদ নির্মিত হয়।
ক. ঢাকা শহরের সবচেয়ে পুরনো চার্চের নাম কী? ১
খ. ঔপনিবেশিক যুগে সংস্কারকৃত মন্দিরগুলোর নাম লেখ। ২
গ. পরেশের বাবার উল্লিখিত ধর্মীয় ইমারত নির্মাণে কোন ধরনের রীতি অনুসরণ করা হয়েছিল? ৩
ঘ. ‘উদ্দীপকে উল্লিখিত ইমারতগুলোর মধ্যে মসজিদই ছিল ঔপনিবেশিক যুগের প্রধান ইমারত’- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ কর। ৪
প্রশ্ন-১০ ল্ফ এক বিকেলে আনোয়ার সাহেব সংবাদপত্র পড়ার সময় স্থাপত্য নিদর্শন শীর্ষক দুটি প্রতিবেদনের ওপর নজর গেল। ‘ক’ নামক প্রতিবেদন পড়ে তিনি জানতে পারলেন যে, স্থাপত্য নিদর্শনটি সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিল। তখন মসলিন শাড়ির উৎপাদন ও ব্যবসাকেন্দ্র হিসেবে খ্যাতি ছিল এ স্থানের। এখনও ৫২টি ইমারত টিকে আছে। অপরদিকে ‘খ’ প্রতিবেদন পড়ে জানতে পারলেন যে এটি নাটোরে অবস্থিত এবং উত্তরা গণভবন নামে পরিচিত।
ক. কত সালে ময়মনসিংহ শহরে জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়? ১
খ. প্রতœসম্পদ বলতে কী বোঝায়? ২
গ. উদ্দীপকে ‘ক’ প্রতিবেদনের স্থাপত্য নিদর্শনগুলো তোমার প্রাঠ্যপুস্তকের কোন স্থানের স্থাপত্য নিদর্শনকে প্রতিনিধিত্ব করে? তার বর্ণনা দাও। ৩
ঘ. উদ্দীপকে ‘ক’ ও ‘খ’ প্রতিবেদনের মধ্যে কি কোন সাদৃশ্য বিরাজমান? তোমার উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দেখাও। ৪

প্রশ্ন -১১ ল্ফ সোনারগাঁও এর ঐতিহাসিক স্থানসমূহে বেড়াতে গিয়ে অনর্ববের সিন্ধু সভ্যতার কথা মনে পড়েছিল। তার ময়মনসিংহের জাদুঘরের সংগ্রহ দেখে মনে হয়েছিল ঢাকার আহসান মঞ্জিলের সংগ্রহশালার মতোই। এসবই ইতিহাসের অংশ।
ক. ল²ীবাজারের কোন মসজিদটি স্থাপত্য শিল্পের চমৎকার নিদর্শন? ১
খ. প্রতœতত্ত¡ বলতে কী বোঝায়? ২
গ. সোনারগাঁও এর কোন ঐতিহাসিক স্থাপনা অর্নবের অতীত ইতিহাস মনে করিয়ে দিয়েছিল? সেটি ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. জাদুঘর ও সংগ্রহশালার প্রতœতাত্তি¡ক নিদর্শনসমূহ অতীতের জীবনযাত্রা সম্পর্কে জানাতে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখছে- বিশ্লেষণ কর। ৪

প্রশ্ন -১২ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
শিল্পের নাম উৎপাদন
ক কায়েতটুলি মসজিদ, লালবাগ মসজিদ, ল²ীবাজার মসজিদ।
খ বাউল, ভাটিয়ালি, পালাগান, মুর্শিদি।
[৩য় ও ৪র্থ অধ্যায়] [চ. বো. ’১৫]
ক. সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী কোথায় ছিল? ১
খ. ‘প্রতœতত্ত¡’ বলতে কী বোঝায়? ২
গ. ছকে ‘ক’ শিল্পের উপাদানগুলোর নির্মাণ বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. বাঙালির সংস্কৃতি বিকাশে ছকের ‘খ’ শিল্পকর্মের ভ‚মিকা ব্যাখ্যা কর। ৪
 ১২নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিল সোনার গাঁও।
খ. ‘প্রতœ’ শব্দের অর্থ হলো পুরনো বা প্রাচীন। প্রতœসম্পদ বলতে পুরনো স্থাপত্য ও শিল্পকর্ম মূর্তি বা ভাস্কর্য, অলঙ্কার, প্রাচীন আমলের মুদ্রা, পুরনো মূল্যবান আসবাবপত্র ইত্যাদিকে বোঝায়। এসব নিদর্শনের মধ্যদিয়ে সেকালের মানুষের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থা, জীবনযাত্রা, বিশ্বাস-সংস্কার, রুটিন বা দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। এ ধারণাকেই প্রতœতত্ত¡ বলা হয়।
গ. ছকে ‘ক’ শিল্পের উপাদান তথা কায়েতটুলি মসজিদ, লালবাগ মসজিদ, লক্ষীবাজার মসজিদ ঔপনিবেশিক যুগের প্রতœতাত্তি¡ক স্থাপত্যকর্ম বা শিল্প। এ শিল্পের উপাদানগুলোর নির্মাণ মোঘল স্থাপত্যরীতির নির্মাণ কলাকে ধারণ করে। সাথে কিছু ইউরোপীয় রীতিও যুক্ত হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রায় দুশ বছরের ইংরেজ শাসনামলই (১৭৫৭-১৯৪৭) ঔপনিবেশিক যুগ হিসেবে চিহ্নিত। এ শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশে বেশকিছু সদৃশ্য অট্টালিকা ও অন্যান্য প্রতœ নিদর্শন তৈরি হয়েছিল। ঔপনিবেশিক যুগের ঢাকার স্থাপত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু মসজিদ, মন্দির ও গির্জা। উনিশ শতকে তৈরি ঢাকার মসজিদগুলো হলো লালবাগ মসজিদ, লক্ষীবাজার মসজিদ সূত্রাপুরের কলুটোলা জামে মসজিদ, বেচারাম দেউড়ি মসজিদ কায়েতটুলি মসজিদ এবং সূত্রাপুরের সিতারা বেগম মসজিদ। উদ্দীপকে ‘ক’ শিল্পে এর মধ্যে তিনটির উল্লেখ রয়েছে। এ মসজিদগুলো মোঘল স্থাপত্যরীতিতে তৈরি। তবে এর সঙ্গে কিছুটা ইউরোপীয় রীতিও যোগ হয়েছে। মসজিদগুলোর নির্মাণকলা ও নানা কারুকাজ চমৎকার।
ঘ. বাঙালির সংস্কৃতি বিকাশে ছকের ‘খ’ তথা বাউল, ভাটিয়ালি, পালাগান, মুর্শিদি ইত্যাদি শিল্পকর্মের অর্থাৎ সংগীত শিল্পের ভ‚মিকা অপরিসীম।
বাংলা চিরকালই সংগীতের দেশ। এখানকার মাঠে-প্রান্তরে কৃষক হালচাষ করতে করতে যেমন গান বেঁধেছে তেমনি নদী ও খালে নৌকা বাইতে বাইতে মাঝিও গলা ছেড়ে গান গেয়েছে। আবার সাধারণ মানুষ তার মতো করে গানের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক সাধনা করেছে। আমরা সাহিত্য-শিল্পের আলোচনায় আমাদের দুই আদি সংগীত চর্যাপদ ও বৈষ্ণব পদাবলীর কথা আগেই জেনেছি। কীর্তনগান প্রধানত হিন্দু সমাজে হতো, এখনও হয়। তবে বাউল ও ভাটিয়ালি গান গ্রামের হিন্দু মুসলমান সকলেই গেয়ে থাকে। মুর্শিদি, পালাগান, বারমাস্যা, ভাওয়াইয়া, গম্ভীরা ইত্যাদি বহু ধরনের আঞ্চলিক লোকগান ছড়িয়ে আছে সারা বাংলা জুড়ে।
শহরাঞ্চলে একসময় পাঁচালি, খেউড়, খেমটা প্রভৃতি গানের আসর বসত। তবে উত্তর ভারতের সংস্পর্শে এসে হিন্দুস্থানি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের সাথে বাঙালি সঙ্গীত সাধকদের পরিচয় ঘটে। তার প্রভাবে এখানে নাগরিক সংগীতের বিকাশ ঘটে। নিধুবাবু, কালী মির্জা প্রমুখ হয়ে রবীন্দ্রনাথের হাতে বাংলার নাগরিক গান উৎকর্ষের শীর্ষে পৌঁছায়। তারই গান আজ আমাদের জাতীয় সংগীত- ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। এ গানের সুর তিনি নিয়েছেন বাউল গানের সুর থেকে। রবীন্দ্রনাথের পথ ধরে পরে আরও অনেকেই বাংলার নাগরিক গানকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাদের মধ্যে কাজী নজরুল ইসলাম আপন স্বাতন্ত্র্যে ও বৈচিত্র্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন। অতুলপ্রসাদ সেন, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, রজনীকান্ত সেন আধুনিক বাংলা গানের সমৃদ্ধিতে এদের অবদানও কম নয়।
উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি সঙ্গীতশিল্প আমাদের সংস্কৃতিকে উর্বর ও সমৃদ্ধ করেছে।
প্রশ্ন -১৩ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ইরানি ময়মনসিংহ মহিলা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে বিএড করছে। এ কলেজটির ইতিহাস অনেক পুরনো। এটি জমিদার শশীকান্ত আচার্য চৌধুরী নির্মাণ করেন। এটি প্রাসাদ স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন। একদিন ইরানিদের কলেজ থেকে শিক্ষাসফরের আয়োজন করা হয় । ইরানিও সবার সাথে ঢাকার আহসান মঞ্জিল ও জাতীয় জাদুঘর ঘুরে দেখেছে। এর ফলে তার সামনে কয়েকশ বছরের ইতিহাস উন্মোচিত হয়েছে। তার শিক্ষক তাকে বললেন, তুমি যে নিদর্শনগুলো দেখলে তা ইতিহাসের অন্যতম উপাদান। [৩য় ও ৪র্থ অধ্যায়]
ক. সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী কোথায় ছিল? ১
খ. ঢাকার বাইরে কীভাবে স্থাপত্য গড়ে ওঠে? ২
গ. ইরানি কলেজটি প্রাচীন কোন দিকের প্রতিনিধিত্ব করছে দেখাও। ৩
ঘ.“ইরানি শিক্ষকের বলা নিদর্শনগুলো ছাড়া আরও নিদর্শন এখানে বিদ্যমান” বিশ্লেষণ কর। ৪
ল্ফল্প ১৩নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিল সোনারগাঁও।
খ. ঔপনিবেশিক যুগে ইংরেজ শাসকদের তত্ত¡াবধানে তৈরি ইমারতের বেশির ভাগ ঢাকা শহরে নির্মিত হয়েছিল। তবে ঢাকার বাইরেও বিভিন্ন স্থাপত্য গড়ে ওঠে।
ঔপনিবেশিক যুগে ঢাকার বাইরে দেশের নানা অঞ্চলে অনেক জমিদারের জমিদারি ছিল। এসব জমিদার নিজেদের জন্য প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন। এছাড়া তারা নির্মাণ করেছিলেন মন্দির। এভাবেই ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থাপত্য গড়ে ওঠে।
গ. ইরানি ময়মনংিহ মহিলা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে বিএড করছে। এ কলেজটির ইতিহাস অনেক পুরনো। ইরানির কলেজটি প্রাচীন যুগের জমিদারদের স্থাপত্যশৈলীর প্রতিনিধিত্ব করছে।
ঔপনিবেশিক যুগে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জমিদারের তৈরি সুরম্য প্রাসাদ পরিলক্ষিত হয়। স্থানীয় জমিদারদের তৈরি বেশ কয়েকটি প্রাসাদ এখনো সুরক্ষিত আছে। যেমন : মুক্তাগাছার জমিদার শশীকান্ত আচার্য চৌধুরী ১৯০৫ থেকে ১৯১১ সালের মধ্যে ময়মনসিংহে একটি অনুপম সুন্দর প্রাসাদ নির্মাণ করেন, যা শশীলজ নামে পরিচিত। ইরানি যে কলেজটিতে অধ্যয়ন করছে, তা পূর্বে শশীলজ নামে পরিচিত ছিল বর্তমানে এ প্রাসাদটি মহিলা টিচার্স ট্রেনিং একাডেমি নামে পরিচিত। ইরানির কলেজটি প্রাচীন জমিদারদের রুচির ও শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
ঘ. ইরানি শিক্ষকের বলা নিদর্শনগুলো ছাড়া আরও নিদর্শন এখানে বিদ্যমান” অর্থাৎ মধ্যযুগের ঢাকার স্থাপত্যিক নিদর্শন হলো বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দির। ঢাকার মসজিদগুলো মুঘল স্থাপত্যরীতিতে তৈরি। উনিশ শতকে তৈরি ঢাকার উল্লেখযোগ্য মসজিদের মধ্যে লালবাগ মসজিদ, ল²ীবাজার মন্দির, বেচারাম দেউড়ি মসজিদ, কায়েতটুলি মসজিদ এবং সূত্রাপুরের সিতারা বেগম মসজিদ। ল²ীবাজারের চিনি টিকরি মসজিদ স্থাপত্যশিল্পের চমৎকার নিদর্শন। রমনার কালী মন্দির ও ঢাকেশ্বরী মন্দিরও চমৎকার স্থাপত্য নিদর্শন।
এছাড়া ঢাকার পুরোনো নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত বাহাদুর শাহ পার্ক। উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকার নওয়াব আব্দুল গণি এ পার্ক তৈরি করে ব্রিটেনের রানি ভিক্টোরিয়ার নামে এর নাম দেন ভিক্টোরিয়া পার্ক।

অনুশীলনের জন্য দক্ষতাস্তরের প্রশ্ন ও উত্তর

 জ্ঞানমূলক //
প্রশ্ন \ ১ \ আর্মেনিয়ান চার্চ কত সালে তৈরি হয়?
উত্তর : আর্মেনিয়ান চার্চ ১৭৮১ সালে নির্মিত হয়।
প্রশ্ন \ ২ \ বাহাদুর শাহ পার্ক কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: সদরঘাট এলাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে বাহুদুর শাহ পার্ক অবস্থিত।
প্রশ্ন \ ৩ \ কে আহসান মঞ্জিল প্রাসাদ নির্মাণ করেন?
উত্তর: নওয়াব আবদুল গনি আহসান মঞ্জিল প্রাসাদ নির্মাণ করেন।
প্রশ্ন \ ৪ \ কত সালে সিপাহি বিদ্রোহ সংঘটিত হয়?
উত্তর : ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
প্রশ্ন \ ৫ \ বিখ্যাত নিদর্শন আহসান মঞ্জিল কোথায় অবস্থিত।
উত্তর : ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে আহসান মঞ্জিল অবস্থিত।
প্রশ্ন \ ৬ \ বাহাদুর শাহ পার্কটি নির্মাণের সময় কী নাম ছিল?
উত্তর : বাহাদুর শাহ পার্কটি নির্মাণের সময় এর নাম ছিল ভিক্টোরিয়া পার্ক।
প্রশ্ন \ ৭ \ শিয়াদের কোন স্থাপনা ভ‚মিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
উত্তর : শিয়াদের ইমামবাড়া ভ‚মিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
প্রশ্ন \ ৮ \ কখন হলিক্রস চার্চ নির্মিত হয়?
উত্তর : উনিশ শতকে হলিক্রস চার্চ নির্মিত হয়।
প্রশ্ন \ ৯ \ সোনারগাঁওয়ে উৎপাদিত শাড়ির নাম কী ছিল?
উত্তর : সোনারগাঁওয়ে উৎপাদিত শাড়ির নাম ছিল মসলিন।
প্রশ্ন \ ১০ \ উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত?
উত্তর : নাটোরের দিঘাপতিয়ায় উত্তরা গণভবন অবস্থিত।
প্রশ্ন \ ১১ \ উত্তরা গণভবন নামে পরিচিত প্রাচীন কোন জমিদার বাড়িটি?
উত্তর : দিঘাপতিয়ার জমিদার বাড়িটি বর্তমানে উত্তরা গণভবন নামে পরিচিত।
প্রশ্ন \ ১২ \ পানামনগরে এখনও কতটি ইমারত টিকে আছে?
উত্তর : পানাম নগরে এখনও ৫২টি ইমারত টিকে আছে।
প্রশ্ন \ ১৩ \ সরদার বাড়ি নির্মিত হয় কত সালে?
উত্তর : সরদারবাড়ি নির্মিত হয় ১৯০১ সালে।
প্রশ্ন \ ১৪ \ পানামনগরের ইমারতগুলো কী দিয়ে সাজানো?
উত্তর : পানামনগরের ইমারতগুলো রঙিন মোজাইক দিয়ে সাজানো ।
প্রশ্ন \ ১৫ \ পানামনগরে বিশেষভাবে লক্ষ করা যায় কোন বিষয়টি?
উত্তর : পানামনগরে বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায় সুষ্ঠু নগর পরিকল্পনা।
প্রশ্ন \ ১৬ \ কুষ্টিয়ার শিলাইদহে কার কুঠিবাড়ি?
উত্তর : কুষ্টিয়ার শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি।
প্রশ্ন \ ১৭ \ জাতীয় জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
উত্তর : জাতীয় জাদুঘর শাহবাগে অবস্থিত।
প্রশ্ন \ ১৮ \ কত সালে ময়মনসিংহ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
উত্তর : ১৯৬৯ সালে ময়মনসিংহ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
প্রশ্ন \ ১৯ \ বলধার জমিদার কে ছিলেন?
উত্তর : নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী বলধার জমিদার ছিলেন।
 অনুধাবনমূলক //
প্রশ্ন \ ১ \ ঔপনিবেশিক যুগে নির্মিত ঢাকার মসজিদ সমূহ কোন স্থাপত্য রীতিতে তৈরি সম্পর্কে লেখ।
উত্তর : ঔপনিবেশিক শাসনামলে ঢাকার স্থাপত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে বেশকিছু মসজিদ। ঢাকার মসজিদগুলো মোঘল স্থাপত্য রীতিতে তৈরি। তবে এর সঙ্গে কিছুটা ইউরোপীয় রীতিও যোগ হয়েছে। উনিশ শতকে তৈরি ঢাকার উলে­খযোগ্য মসজিদের মধ্যে রয়েছে লালবাগ মসজিদ, ল²ীবাজার মসজিদ, সূত্রাপুরের কলুটোলা জামে মসজিদ, বেচারাম দেউড়ি মসজিদ, কায়েতটুলি মসজিদ এবং সূত্রাপুরের সিতারা বেগম মসজিদ। এগুলোর নির্মাণকলা ও নানা কারুকাজ চমৎকার। ল²ীবাজারের চিনি টিকরি মসজিদ ও স্থাপত্যশিল্পের চমৎকার নির্দশন।
প্রশ্ন \ ২ \ কার্জন হল নির্মিত হয় কেন?
উত্তর : ঢাকা পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশের রাজধানী হওয়ার পর সরকারি কাজকর্মের জন্য অফিস বানাতে হয়। এ সূত্রে কয়েকটি ইমারতও নির্মিত হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর অফিস বাড়ি কার্জন হল। যা এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের অংশ। ইংরেজ ভাইসরয় লর্ড কার্জনের নামে নামকরণ করা হয়েছিল এ ইমারতটির। ১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দে কার্জন হল নির্মিত হয়েছিল।
প্রশ্ন \ ৩ \ সিপাহি বিদ্রোহের প্রেক্ষাপট আলোচনা কর।
উত্তর : প্রায় দীর্ঘ দুশ’ বছর ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে ভারতীয় সৈন্যরা বিদ্রোহ ঘোষণা করে। ১৮৫৭ সালে সংঘটিত এ যুদ্ধে ভারতীয় সৈন্যরা ইংরেজদের কাছে পরাজিত হয় এবং ইংরেজরা আন্টাঘর ময়দানে তাদের ফাঁসি দেয়।
প্রশ্ন \ ৪ \ ঢাকার আহসান মঞ্জিলের সংগ্রহশালার উপাদানগুলো লিখ।
উত্তর : ঢাকার আহসান মঞ্জিলে ঢাকার নওয়াবদের পোশাক, খাট-পালঙ্ক, চেয়ার, সোফা সেট, অলংকার ও আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে। এখানে বাংলার নওয়াবদের নিত্যব্যবহার্য প্রায় সবকিছু রক্ষিত রয়েছে।

 

প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply