অষ্টম শ্রেণির বাংলা মানুষ সুখী

মানুষ সুখী
নাম মমতাজ উদ্দীন আহমদ।
জন্ম পরিচয় জন্ম সাল : ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দ; জন্মস্থান : পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলা।
পিতৃ-পরিচয় পিতার নাম : কলিমউদ্দীন আহমদ।
শিক্ষাজীবন মাধ্যমিক : ভোলাহাট রামেশ্বরী ইনস্টিটিউশন (১৯৫১); উচ্চ মাধ্যমিক : রাজশাহী কলেজ (১৯৫৪); উচ্চতর শিক্ষা : বিএ, অনার্স (১৯৫৭); স্নাতকোত্তর, বাংলা (১৯৫৮); ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
কর্মজীবন/পেশা অধ্যাপক : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে সরকারি কলেজে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেন।
খÐকালীন অধ্যাপক : নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সাহিত্য সাধনা নাটক : নাট্যত্রয়ী, হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপার, স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা, প্রেম বিবাহ সুটকেস, ক্ষত-বিক্ষত, বকুলপুরের স্বাধীনতা, রাক্ষুসী, দুই বোন, পুত্র আমার পুত্র, রাজা অনুস্বারের পালা, সাতঘাটের কানাকড়ি, আমাদের শহর, হাস্যলাস্য ভাষ্য প্রভৃতি। চিত্রনাট্য : লাল সবুজের পালা, জোহরা, বিরাজ বৌ, বিপরীত স্রোত, খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন প্রভৃতি। প্রবন্ধ-গবেষণা : ‘বাংলাদেশের নাটকের ইতিবৃত্ত, নাট্য বিষয়ে বিবিধ প্রবন্ধ, আমার ভেতরের আমি, অমৃত সাহিত্য, জগতের যত মহাকাব্য, হৃদয় ছুঁয়ে আছে, বাংলাদেশের থিয়েটারের ইতিবৃত্ত।’ উপন্যাস : সজল তোমার ঠিকানা, এক যে জোজো এক যে মধুমতী। গল্প : ভালোবাসিলেই। সম্পাদনা : কপালকুÐলা, লালসালু ও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, আলাওলের পদ্মাবতী কাব্যের গদ্যরূপ, নীলদর্পণ, মধুসূদনের প্রহসন, সিরাজউদ্দৌলা, শাহনামা কাব্যের গদ্যরূপ প্রভৃতি। সরস রচনা : সাহসী অথচ সাহায্য, নেকাবী এবং অন্যগণ, জন্তুর ভেতর মানুষ।
পুরস্কার ও সম্মাননা বাংলা একাডেমি পুরস্কার, শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, মাহবুবউল্লা জেবুন্নেসা ট্রাস্ট স্বর্ণপদক, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, সিকোয়েন্স অভিনয় ও নাট্যরচনা পুরস্কার, বঙ্গবন্ধু সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক প্রভৃতি।

১. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার দৃশ্যসংখ্যা কত?
ক এক  দুই গ তিন ঘ চার
২. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোট চরিত্র সংখ্যা কত?
 পাঁচ খ ছয়
গ সাত ঘ আট
৩. ‘মনের মধ্যে অশান্তি থাকলে ওষুধে কাজ হয় না’Ñ এ কথার অর্থ কী?
 মনের পবিত্রতা সুস্থতার পূর্বশর্ত
খ প্রকৃত সুখ মোহমুক্তির মধ্যে
গ নির্লোভ হলে সুস্থ থাকা যায়
ঘ কৃপণতাই ধনীদের মূল অসুখ
৪. ‘সম্পদই অশান্তির মূল কারণ’এ উক্তির ভাবগত সংগতি আছে কোনটির সঙ্গে?
ক অপচয় কর না, অভাবে পড় না
খ লাভের ধন পিঁপড়ায় খায়
 লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু
ঘ অতি লোভে তাঁতি নষ্ট
নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
একজন লোকের অনন্ত ক্ষুধা। সে যা পায় তাই খায়। রেশনের চাল, গম, রিলিফের লোটাবাটি কম্বল। খায় রেলগাড়ি পর্যন্ত। বদহজম না হয়ে যায় কোথায়? ভারমুক্ত হবার জন্য ছটফট করছে। কিন্তু হাজার মানুষের দীর্ঘশ্বাসের বদ প্রভাব যে তার ওপর। পেট কাটা ছাড়া উপায় নেই। আঁতকে ওঠে লোকটি।
৫. লোকটিকে কার সঙ্গে তুলনা করা যায়?
ক রহমানের  মোড়লের গ হাসুর ঘ কবিরাজের
৬. তুলনাটা এ কারণে যে তারা উভয়ইÑ
র. পরধন অপহরণকারী রর. নৈতিক আদর্শ বিবর্জিত
ররর. নির্দয় ও মানবপ্রেম শূন্য
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র খ র ও রর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর

৭. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় লেখকের বক্তব্যÑ
র. সম্পদই অশান্তির কারণ রর. সুখ একটা আপেক্ষিক ব্যাপার
ররর. ধনসম্পদই সকল সুখের উৎস নয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ˜ র, রর ও ররর
৮. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার চরিত্র কয়টি?
ক ৩ খ ৪ ˜ ৫ ঘ ৬
৯. “লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু”Ñসংলাপটি কার?
˜ কবিরাজ খ হাসু গ রহমত ঘ মোড়ল
১০. প্রকৃত সুখী মানুষ কে?
ক যে বনে বাস করে খ যার জামা নেই
গ যার চোখে ঘুম নেই ˜ সর্বদা তুষ্ট হৃদয় যার
১১. ‘দিন আনি দিন খাই, কারো দুয়ারে না যাই।’Ñচরণের বক্তব্য ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার কোন চরিত্রে মেলে?
ক রহমত খ মোড়ল গ হাসু ˜ লোক
১২. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মোট কয়টি দৃশ্য রয়েছে?
˜ ২ খ ৩ গ ৪ ঘ ৫
১৩. অন্যের মনে দুঃখ দিলে কোনোদিন সুখ পাবে নাÑ উক্তিটি কার?
ক কবিরাজ ˜ হাসু গ রহমত ঘ সুখী মানুষটির
১৪. মোড়ল বারবার যা বলে চিৎকার করছিলÑ
র. আর সহ্য করতে পারছি না রর. জ্বলে গেল
ররর. হাড় ভেঙে গেল
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র খ রর ও ররর গ র ও ররর ˜ র, রর ও ররর
১৫. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার কনিষ্ঠ চরিত্র কোনটি?
˜ রহমত খ লোক গ হাসু ঘ কবিরাজ
১৬. সুখী মানুষটির চোরের ভয় নেই। কারণÑ
ক সে সাহসী, তাই খ চোর তাকে ভয় পায়
˜ সে সম্পদহীন ঘ সেই বনে চোর নেই
১৭. বনের লোকটি কেন নিজেকে ‘সুখী’ মনে করেন?
 কোনো সম্পদ না থাকায়
খ কোনো ঝামেলা না থাকায়
গ তার ফতুয়া না থাকায়
ঘ অল্পতেই সন্তুষ্ট হতে পারায়
১৮. কয়টি গ্রাম খুঁজেও একটি সুখী মানুষ পাওয়া গেল না?
ক দুইটি খ তিনটি  পাঁচটি ঘ ছয়টি
১৯. পৌরমেয়র জসিমের বয়স মাত্র ৩০ বছর। এ বয়সেই সে এলাকার মানুষের মন জয় করে নিয়েছে শুধু ভালো কাজের মাধ্যমে। উদ্দীপকের জসিমের সাথে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়লের বয়সের পার্থক্য কত?
 ২০ বছর খ ৩০ বছর
গ ৩৫ বছর ঘ ৪০ বছর
২০. প্রকৃত সুখী মানুষ কে?
ক যে বনে বাস করে খ যার জামা নেই
গ যার চোরের ভয় নেই  সর্বদা তুষ্ট হৃদয় যার
২১. সুখ আসলে কী?
 আপেক্ষিক খ সাপেক্ষ
গ নিরপেক্ষ ঘ অজির্
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২২ ও ২৩ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
সকলের তরে সকলে আমরা
প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।
২২. উদ্দীপকের মনোভাবের বিপরীত দিকটি প্রাধান্য পেয়েছে তোমার পাঠ্য কোন রচনায়?
 সুখী মানুষ খ নারী
গ প্রার্থী ঘ পড়ে পাওয়া
২৩. উক্ত বৈপরীত্যের মূলে রয়েছে?
 সম্পদের লিপ্সা খ অধিকার বঞ্চনা
গ নিষ্ঠুর অমানবিকতা ঘ শ্রেণিবৈষম্য
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৪ ও ২৫ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
এক ধনী ব্যাংক কর্মকর্তার প্রতিবেশী ছিল এক হতদরিদ্র মুচি। সে সারাদিন কাজ করত আর গান গাইত। একদিন ধনী প্রতিবেশী তার কাছে টাকার থলি দিয়ে প্রয়োজনে খরচ করতে বলেন। কিন্তু কয়েকদিন পর লোকটি টাকার থলে ফেরত দিয়ে বলল এই টাকাই আমার সুখ কেড়ে নিয়েছে।
২৪. উদ্দীপকের মুচি ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার কোন চরিত্রের প্রতিনিধি?
ক রহমত  লোক গ হাসু ঘ কবিরাজ
২৫. এরূপ প্রতিনিধিত্বের কারণ, উভয়ই
র. অল্পে তুষ্ট রর. নির্লোভ ররর. শান্তিপ্রিয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র খ রর গ ররর  র, রর ও ররর
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৬ ও ২৭ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
আসরাফ সাহেব কঠিন রোগে আক্রান্ত। এক সময় সে ছিল অত্যাচারী ও নিষ্ঠুর। জোর করে গরিবদের ঘরবাড়ি, জমিজমা আত্মসাৎ করত। এভাবে সে বিপুল সম্পদের মালিক বনে। কিন্তু তার মনে কোনো সুখ নেই।
২৬. উদ্দীপকটি কোন রচনাকে নির্দেশ করে?
 সুখী মানুষ খ দুই বিঘা জমি
গ নদীর স্বপ্ন ঘ অতিথির স্মৃতি
২৭. মোড়লের মতো উদ্দীপকের আসরাফ সাহেব যে প্রকৃতির মানুষ
র. অত্যাচারী রর. দয়ালু
ররর. নিষ্ঠুর
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র খ রর গ ররর  র ও ররর

সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
 লেখক-পরিচিতি
২৮. মমতাজ উদ্দীন আহমদ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন? (জ্ঞান)
ক ১৯২১ খ ১৯২৭  ১৯৩৫ ঘ ১৯৪০
২৯. মমতাজ উদ্দীন আহমদ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন? (জ্ঞান)
ক আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় খ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
৩০. মমতাজ উদ্দীন আহমদ কত সালে সরকারি কলেজের অধ্যাপনা থেকে অবসর গ্রহণ করেন? (জ্ঞান)
ক ১৯৯০  ১৯৯২ গ ১৯৯৪ ঘ ১৯৯৭
৩১. ‘বাংলাদেশের থিয়েটারের ইতিবৃত্ত’ এ গবেষণামূলক প্রবন্ধটির লেখক কে? (জ্ঞান)
ক কাজী নজরুল ইসলাম খ হুমায়ুন আজাদ
 মমতাজ উদ্দীন আহমদ ঘ ড. এনামুল হক
৩২. মমতাজ উদ্দীন আহমদ কী ছিলেন? (জ্ঞান)
ক সরকার  নাট্যকার গ প্রাবন্ধিক ঘ কবি
৩৩. ‘বাংলাদেশের নাটকের ইতিবৃত্ত’ কার লেখা? (জ্ঞান)
ক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় খ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ কাজী নজরুল ইসলাম  মমতাজ উদ্দীন আহমদ
৩৪. মমতাজ উদ্দীন আহমদের সাহিত্যকর্ম ‘স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা’ কোন ধরনের রচনা? (জ্ঞান)
 নাটক খ প্রবন্ধ গ উপন্যাস ঘ ছোটগল্প
৩৫. ‘হাস্য লাস্য ভাষ্য’নাটকটির রচয়িতা কে? (জ্ঞান)
ক আল মাহমুদ খ গোলাম মোস্তফা
 মমতাজ উদ্দীন আহমদ ঘ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
৩৬. মমতাজ উদ্দীন কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? (জ্ঞান)
ক ঢাকা  মালদহ গ বরিশাল ঘ কুচবিহার
 মূলপাঠ
৩৭. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মোড়লের বয়স কত?
ক ৪৫ বছর খ ৪০ বছর  ৫০ বছর ঘ ৬০ বছর
৩৮. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় হাসুর বয়স কত ছিল?
ক ৩৫ বছর  ৪৫ বছর গ ৫০ বছর ঘ ৫৫ বছর
৩৯. ‘নাড়ি’ পরীক্ষা দ্বারা নাট্যকার কী বোঝাতে চেয়েছেন?
ক নাড়ি বিশ্লেষণ করা
 কবজির নাড়ির অবস্থা দেখে রোগ নির্ণয়
গ শাস্ত্র ঘাটা
ঘ পেট কেটে চিকিৎসা করা
৪০. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার সবচেয়ে বয়স্ক চরিত্র কোনটি?
ক মোড়ল  কবিরাজ গ হাসু ঘ রহমত
৪১. এই নিষ্ঠুর মোড়লকে যদি বাঁচাতে চাও, তাহলে একটি কঠিন কর্ম করতে হবে এই কঠিন কর্মটি কী? [পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজ, বগুড়া]
ক বিশ্রাম করানো খ হাসপাতালে নেওয়া
গ ভাত না খাওয়ানো  সুখী মানুষের জামা সংগ্রহ
৪২. কে মোড়লের মুখে শরবত ঢেলে দিচ্ছে?
ক হাসু  রহমত গ লোকটি ঘ কবিরাজ
৪৩. নীতিহীন পথে সম্পদ অর্জনের পথ বর্জন করা উচিত কেন?
 অশান্তির মূল কারণ বলে
খ মানুষ নৈতিকতাপ্রবণ জীব বলে
গ সৎ পরিশ্রমে ধনী হওয়া অসম্ভব বলে
ঘ লোভেই বিত্তবানদের মূল অসুখ বলে
৪৪. অধিকাংশ মানুষেরই সুখ হয় না কেন?
ক অর্থ নেই বলে খ দুঃখ অসীম বলে
 চাওয়া বেশি বলে ঘ চাওয়া সীমিত বলে
৪৫. বাঘের চোখ আনতে হবে? উক্তিটির বক্তা কে?
ক রহমত আলী  হাসু মিয়া
গ কবিরাজ ঘ মোড়ল
৪৬. মোড়লের একটি ভালো গুণ দেখা যায়। সেটি কী?
ক মানবতাবোধ খ পরোপকার
 অনুতাপ ঘ ধার্মিকতা
৪৭. ‘সম্পদই অশান্তির মূল কারণ’এ উক্তিটির ভাবগত সংগতি আছে কোনটির সঙ্গে?
ক অপচয় করো না, অভাবে পড়
 লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু
গ অতি লোভে তাঁতি নষ্ট
ঘ লাভের ধন পিঁপড়ায় খায়
৪৮. ‘হাসু : পাওয়া যাবে না। সুখী মানুষ পাওয়া যাবে না।’ ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় হাসুর এ মন্তব্যের কারণ কী?
ক কোনো মানুষই সুখী নয় খ সম্পদ মানুষকে সুখ দেয় না
গ সুখ একটা আপেক্ষিক ব্যাপার
 মানুষের চাওয়া-পাওয়ার শেষ নেই
৪৯. ‘ও কবিরাজ নাড়ি কী বলছে?” উক্তিটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
ক হাস্যরস খ অবিশ্বাস  উৎকণ্ঠা ঘ ক্রন্দন
৫০. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় বর্ণিত অসুখ কার? (জ্ঞান)
 মোড়লের খ কবিরাজের গ হাসুর ঘ রহমতের
৫১. মোড়লের নাড়ি পরীক্ষা করছে কে? (জ্ঞান)
 কবিরাজ খ হাসু গ রহমত ঘ লেখক
৫২. ‘মোড়লের নিস্তার নাই’ এ উক্তিটি কার? (জ্ঞান)
ক রহমত খ কবিরাজ  হাসু ঘ লোকটি
৫৩. হাসু যে গ্রামে বাস করে তার নাম কী? (জ্ঞান)
ক কল্যাণপুর খ হাসিমপুর
গ হোসেনপুর  সুবর্ণপুর
৫৪. সুবর্ণপুরের মানুষকে বড় জ্বালিয়েছে কে? (জ্ঞান)
ক কবিরাজ  মোড়ল গ হাসু ঘ রহমত
৫৫. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় কোন পাহাড়ের নাম উল্লেখযোগ্য হয়েছে? (জ্ঞান)
 হিমালয় খ সীতাকুÐ গ আল্পস ঘ লালমাই
৫৬. মানুষের কান্না দেখলে হাসে কে? (জ্ঞান)
ক কবিরাজ খ হাসু গ রহমত  মোড়ল
৫৭. সুখী মানুষটির কী ছিল না? (জ্ঞান)
ক জুতা  জামা গ বাড়ি ঘ খাবার
৫৮. ‘মানুষ এবং প্রাণী অমর নয়’Ñ কার উক্তি? (জ্ঞান)
 কবিরাজের খ হাসু
গ রহমতের ঘ লোকের
৫৯. কবিরাজ মোড়লকে কী বলে সম্বোধন করেছিল? (জ্ঞান)
ক ভীতু  নিষ্ঠুর গ ফালতু ঘ বদমেজাজী
৬০. কবিরাজ হাসুকে কী সংগ্রহ করতে বলেছে? (জ্ঞান)
 ফতুয়া খ শার্ট গ প্যান্ট ঘ লুঙ্গি
৬১. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় এক ঘুমেই রাত কাবার করে কে? (জ্ঞান)
 সুখী মানুষ খ হাসু গ রহমত ঘ কবিরাজ
৬২. দ্বিতীয়বার রহমত লোককে কত টাকা দিতে চাইল? (জ্ঞান)
ক একশ খ দুইশ গ তিনশ  পাঁচশ
৬৩. মোড়ল সুখী মানুষের জামা এনে দিলে কত টাকা বখশিশ দিতে চাইল? (জ্ঞান)
ক শত টাকা  হাজার টাকা
গ লাখ টাকা ঘ কোটি টাকা
৬৪. ঘরের ভিতর কথা শুনে ভ‚ত ভেবে কে পালিয়ে যেতে চাইল? (জ্ঞান)
ক হাসু  রহমত গ লোকটি ঘ মোড়ল
৬৫. সুখী মানুষটি সারাদিন বনে কী করে? (জ্ঞান)
ক গাছের পাতা সংগ্রহ করে খ ফল খোঁজে
গ মধু সংগ্রহ করে  কাঠ কাটে
৬৬. রহমত সুখী মানুষকে গায়ের জামা দেবার জন্য প্রথমে কত টাকা দিতে চাইল? (জ্ঞান)
 একশ টাকা খ তিনশ টাকা
গ পাঁচশ টাকা ঘ ছয়শ টাকা
৬৭. মোড়ল বিছানায় শুয়ে ছটফট করছিল কেন? (অনুধাবন)
ক বাড়িতে ডাকাত পড়ার কারণে
 অসুস্থতার কারণে
গ দুঃস্বপ্ন দেখার কারণে
ঘ পায়ে ব্যথা পাওয়ার কারণে
৬৮. সুখ কোথায় পাব?Ñ এটি কার উক্তি? (জ্ঞান)
ক রহমতের খ হাসুর
 মোড়লের ঘ কবিরাজের
৬৯. সুখী লোকটির কিছু চুরির ভয় নেই কেন? (অনুধাবন)
ক সম্পদ লুকিয়ে রেখেছিল বলে
 তার কিছু ছিল না বলে
গ সেখানে কোনো চোর ছিল না বলে
ঘ বাক্সে সম্পদ তালাবদ্ধ ছিল বলে
৭০. কবিরাজ সবাইকে কোলাহল করতে নিষেধ করল কেন? (অনুধাবন)
ক মোড়লকে ওষুধ খাওয়াচ্ছে বলে
 মোড়লের নাড়ি পরীক্ষা করছে বলে
গ মোড়লকে শরবত খাওয়াচ্ছে বলে
ঘ মোড়লকে দোয়া পড়ে ফুঁ দিবে বলে
৭১. কবিরাজ সুখী মানুষের জামা পাওয়াকে খুব কঠিন কাজ বলল কেন? (অনুধাবন)
ক কবিরাজের এলাকায় ‘সুখী মানুষ’ নেই বলে
খ পৃথিবীতে কোনো সুখী মানুষের জামা নেই বলে
 পৃথিবীতে প্রকৃত সুখী মানুষের সংখ্যা খুব কম বলে
ঘ পৃথিবীতে প্রকৃত সুখী মানুষ নেই বলে
৭২. নিজেকে মস্ত বড় বাদশা মনে করে কে? (অনুধাবন)
ক মোড়ল খ রহমত গ হাসু  সুখী লোকটি
৭৩. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় বর্ণিত সুখী মানুষের অশান্তি নেই কেন? (অনুধাবন)
ক অনেক টাকাপয়সা ছিল বলে খ অনেক জামাকাপড় ছিল বলে
 কোনো সম্পদ ছিল না বলে ঘ পরিবারে স্ত্রী-পুত্র ছিল বলে
৭৪. হাসুর মতে, মোড়ল মারা যাবে কেন? (অনুধাবন)
ক বাঘের চোখ না পাওয়ার জন্য
 সুখী মানুষের জামা না পাওয়ায়
গ মোড়লের জ্ঞান ফিরে না আসায়
ঘ কবিরাজ রাগ করে চলে যাওয়ায়
৭৫. আহসান চৌধুরী অত্যন্ত দুশ্চরিত্রের লোক, সে মানুষের টাকাপয়সা, ধনদৌলত মিথ্যা কথা বলে ও অত্যাচার করে নিয়ে যায়। আহসান চৌধুরীর সঙ্গে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার কার চরিত্র সাদৃশ্যপূর্ণ? (প্রয়োগ)
ক হাসুর  মোড়লের গ লোকটির ঘ রহমতের
৭৬. রহমত মোড়লকে সুস্থ করে তোলার জন্য হিমালয় পাহাড় তুলে আনার কথা বলল। তার এ কথার মাধ্যমে মোড়লের প্রতি তার কী প্রকাশ পেয়েছে? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক কৃতজ্ঞতা  দরদ গ নিষ্ঠুরতা ঘ বিশ্বস্ততা
৭৭. “ঐ মোড়ল জোর করে আমার মুরগি জবাই করে খেয়েছে, আমি আজ মুরগির দাম নিয়ে ছাড়ব।” হাসুর এ বক্তব্যের বহিঃপ্রকাশে মোড়লের প্রতি তার কী প্রকাশ পেয়েছে? (উচ্চতর দক্ষতা)
 ক্ষোভ ও ঘৃণা খ নিষ্ঠুরতা ও ঘৃণা
গ দায়িত্বহীনতা ও ক্ষোভ ঘ আক্রোশ ও দায়িত্বহীনতা
৭৮. রতন ছোট একটি কুঁড়েঘরে বাস করে। সে দিন আনে দিন খায়। তার কারও কোনো জিনিসের ওপর লোভ নেই এবং তার কোনো কিছু হারানোর ভয় নেই। রতনের সঙ্গে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার কার চরিত্র সাদৃশ্যপূর্ণ? (প্রয়োগ)
ক কবিরাজের খ হাসুর
গ রহমতের  লোকটির
৭৯. ফুল মিয়ার একটি ছাগলের বাচ্চা ছিল। কিন্তু শত্রæতা করে কাদের আলী সেটি জবাই করে খেয়ে ফেলে। ফুল মিয়ার সঙ্গে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? (প্রয়োগ)
ক রহমতের  মোড়লের
গ হাসুর ঘ কবিরাজের
৮০. ‘ঐ কবিরাজ যতই নাড়ি দেখুক, তোমার মোড়লের নিস্তার নাই’Ñ হাসুর এ উক্তিটির মধ্যে কী প্রকাশ পাচ্ছে? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক পরশ্রীকাতরতা খ চোগলখোরিতা
গ সন্তোষ  অসন্তোষ
 শব্দার্থ ও টীকা
৮১. ‘নাড়ি পরীক্ষা’ বলতে কী বোঝ? (জ্ঞান)
 কবজির নাড়ির অবস্থা দেখে রোগ নির্ণয়
খ পেটের নাড়ির অবস্থা দেখে রোগ নির্ণয়
গ কবজির ফোলা দেখে রোগ নির্ণয়কে বিলাসী জীবনযাপন করলে
ঘ নাড়ি ফোলা দেখে রোগ নির্ণয় করা
৮২. ‘মূর্খ’ শব্দটির অর্থ কী? (অনুধাবন)
 নির্বোধ খ প্রধান গ সূর্য ঘ মুখোমুখি
৮৩. ‘তাজ্জব’ শব্দটি কী অর্থে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় ব্যবহৃত হয়েছে? (অনুধাবন)
ক সজাগ খ মুগ্ধ  অদ্ভুত ঘ বিস্মিত
৮৪. ‘জোরাজুরি’ শব্দটি দ্বারা কী বোঝায়? (অনুধাবন)
ক দোড়াদৌড়ি খ ঘোরাঘুরি
 জবরদস্তি ঘ মারামারি
৮৫. ‘শ্রবণ’ শব্দটি কী অর্থ নির্দেশ করে? (জ্ঞান)
 শোনা খ বল
া গ দেখা ঘ করা
 পাঠ-পরিচিতি
৮৬. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকাটির রচয়িতা কে? (জ্ঞান)
ক বিপাশা হায়াত খ ইমদাদুল হক মিলন
 মমতাজ উদ্দীন আহমদ ঘ হুমায়ূন আহমদ
৮৭. ‘সুখী মানুষ’ মমতাজ উদ্দীন আহমদের কী জাতীয় রচনা? (জ্ঞান)
ক ছোট গল্প খ প্রবন্ধ  নাটক ঘ উপন্যাস
৮৮. জীবনে কীভাবে শান্তি আসতে পারে? (অনুধাবন)
 সৎ পথের উপার্জনে জীবিকা নির্বাহ করলে
খ উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করলে
গ বিলাসী জীবনযাপন করলে
ঘ প্রাসাদোপম বাড়িতে বসবাস করলে
৮৯. শান্তিতে ঘুমানোর ব্যাপারে কার কোনো দুশ্চিন্তা ছিল না? (জ্ঞান)
ক মোড়লের খ কবিরাজের  লোকটির ঘ রহমতের
৯০. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় কোন বিষয়টিকে লেখক তুলে ধরতে চেয়েছেন? (উচ্চতর দক্ষতা)
 সৎ পথে সম্পদ উপার্জন খ মানুষকে প্রতারিত করার ফল
গ মনের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক ঘ কবিরাজের কীর্তি
৯১. মানুষ অসুখী হয় কেন? (অনুধাবন)
ক পিতামাতার মৃত্যু হলে খ লেখাপড়া না করলে
গ অন্যের সঙ্গে মারামারি করলে  অন্যের মনে দুঃখ দিলে
৯২. সৎ পথে পরিশ্রমের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করলে জীবনে কী লাভ করা যায়? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক ধনসম্পদ  শান্তি গ কষ্ট ঘ বৈরাগ্য
বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
 লেখক-পরিচিতি
৯৩. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় নাট্যকার তাদের ঘৃণা করেছেন, যারাÑ
র. অনৈতিক পথে ধনী হয়
রর. অপরের গরু মুরগি ধরে নিয়ে যায়
ররর. মনের সুখে খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়ে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৯৪. ‘সুখী মানুষ’ একটি নাটিকা। কারণ
র. এতে দৃশ্য আছে রর. এতে সংলাপ আছে
ররর. এতে পরিবেশের বর্ণনা আছে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৯৫. ফতুয়া ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় যার প্রতীকÑ
র. ওষুধ
রর. গরিব মানুষ
ররর. দুর্লভ প্রতিষেধক
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৯৬. মমতাজ উদ্দীন আহমদ যে বিবেচনায় বাংলাদেশে খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত (অনুধাবন)
র. ঔপন্যাসিক রর. নাট্যকার
ররর. নাট্যাভিনেতা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৯৭. মমতাজ উদ্দীন আহমদ রচিত নাটক (অনুধাবন)
র. স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা রর. বহিপীর
ররর. রাজা অনুস্বারের পালা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৯৮. সাহিত্যে অবদানের জন্য মমতাজ উদ্দীন আহমদ যে পুরস্কার পান (অনুধাবন)
র. শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার রর. বাংলা একাডেমি পুরস্কার
ররর. একুশে পদক
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
 মূলপাঠ
৯৯. সুবর্ণপুর গ্রামের মোড়ল মানুষের গরু কেড়ে নেয়, ধান লুট করে এবং মানুষের কান্না দেখলে হাসে। তার আচরণে বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে (উচ্চতর দক্ষতা)
র. অত্যাচারের রর. নিষ্ঠুরতার
ররর. পরনিন্দার
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১০০. হাসু মোড়লকে কঠিন লোক বলল। কারণ (অনুধাবন)
র. মানুষের কান্না দেখলে মোড়ল হাসে
রর. সুবর্ণপুরের মানুষকে খুব জ্বালিয়েছে
ররর. মানুষের গরু, ধান ইত্যাদি লুট করে ধনী হয়েছে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
১০১. মোড়ল হাসুকে সব দিয়ে দিতে চাইল কারণÑ (অনুধাবন)
র. একটু শান্তি পাওয়ার জন্য রর. বেশি অর্থ পাওয়ার জন্য
ররর. অসুস্থতা থেকে সুস্থ হওয়ার জন্য
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১০২. মোড়ল অশান্তিতে ভুগছে, কারণ (অনুধাবন)
র. মানুষকে মিথ্যা বলার জন্য
রর. মানুষের ওপর জবরদস্তি করার জন্য
ররর. লোভ ও মানুষের ওপর অত্যাচার করার জন্য
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
১০৩. লোকটি নিজেকে সুখী মানুষ বলল, কারণ (অনুধাবন)
র. লোকটির কোনো কিছু হারানোর চিন্তা নেই
রর. লোকটির কোনো সম্পদ নেই বলে
ররর. লোকটির মনে কোনো দুঃখ নেই বলে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১০৪. মানুষের কান্না দেখলে মোড়ল হাসে, কারণÑ (উচ্চতর দক্ষতা)
র. মোড়ল মানুষকে কাঁদিয়ে আনন্দ পায়
রর. কান্না সব দুঃখ মোচন করে
ররর. জনগণের দুঃখানুভ‚তিতে মোড়লের মন গলে না
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১০৫. কবিরাজ সুখী মানুষের ফতুয়া সংগ্রহ করতে বললেন যে জন্যÑ (অনুধাবন)
র. মোড়লের অসুখ ভালো করার জন্য
রর. মোড়লকে শিক্ষা দিতে
ররর. মোড়লের সম্পদ বাড়াতে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১০৬. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মোড়লের চরিত্রের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছেÑ
(উচ্চতর দক্ষতা)
র. পাপী
রর. অত্যাচারী
ররর. সুখী
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১০৭. তোমার পাঠ্য ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় হাসুর মোড়লের মৃত্যু কামনার কারণÑ (অনুধাবন)
র. মোড়লের মিথ্যাচার
রর. মোড়ল হাসুর মুরগি জবাই করে খাওয়া
ররর. মোড়লের হাতে হাসুর মার খাওয়া
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১০৮. মোড়ল যে কারণে হাজার টাকা পুরস্কার দেয়ার অঙ্গীকার করেÑ (অনুধাবন)
র. রোগ ভালো হওয়ার জন্য
রর. মনে শান্তি পাওয়ার জন্য
ররর. সুখী মানুষকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১০৯. পাঁচ গ্রামে একজনও সুখী মানুষ না পেয়ে রহমত ও হাসু বুঝতে পারল (অনুধাবন)
র. সুখ বড় কঠিন
রর. দুনিয়ায় সবাই সুখের সন্ধান করছে
ররর. তারা নিজেরাও অসুখী
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
 শব্দার্থ ও টীকা
১১০. ‘ব্যামো’ বলতে বোঝায়Ñ (অনুধাবন)
র. অসুখ
রর. ব্যায়াম
ররর. ব্যারাম
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১১১. প্রাণখোলা বলতে বোঝায় (অনুধাবন)
র. বিস্ময়কর রর. অকৃত্রিম
ররর. উদার
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
 পাঠ-পরিচিতি
১১২. মানুষের মনের অশান্তি দূর ও সুখী হওয়ার জন্য করণীয়Ñ (অনুধাবন)
র. অন্যকে দুঃখ না দেয়া
রর. নিজের জিনিস নিয়ে তুষ্ট থাকা
ররর. সৎভাবে জীবনযাপন করা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
১১৩. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার বিষয়বস্তু হলো (উচ্চতর দক্ষতা)
র. সৎ পথে জীবিকা নির্বাহ করা
রর. মানুষকে ভালোবেসে সুখ পাওয়া যায় না
ররর. অন্যায়ভাবে অর্থ উপার্জন না করা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ১১৪ ও ১১৫ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
প্রিয় নবি (স) বলেছেন,তোমরা লোভ-লালসা থেকে বেঁচে থাক। কেননা এই জিনিসই তোমাদের পূর্ববর্তীদের ধ্বংস করেছে এবং পরস্পরকে রক্তপাত ঘটানোর ব্যাপারে উসকিয়ে দিয়েছে। আর এই লোভ-লালসার কারণেই তারা হারামকে হালাল সাব্যস্ত করেছে (সহিহ মুসলিম)।
১১৪. হাদিসটির শিক্ষা নিচের কোন রচনায় প্রতিফলিত হয়েছে? (প্রয়োগ)
 সুখী মানুষ খ আমাদের লোকশিল্প
গ মংডুর পথে ঘ অতিথির স্মৃতি
১১৫. হাদিসটির শিক্ষা উক্ত রচনায় কোন বাক্যের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক মানুষ এবং প্রাণী অমর নয়  লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু
গ আমি সুখের রাজা ঘ পেটুক বলছে, আরও খাবার দাও
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ১১৬ ও ১১৭ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
আকবর মুন্সী গ্রামের লোকজনদের ঠকিয়ে তাদের জিনিসপত্র কেড়ে নিয়ে ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে। তার বহু সম্পদ ও বহু জমি আছে। কিন্তু তবুও আকবর মুন্সী দুঃখী মানুষ।
১১৬. আকবর মুন্সীর সঙ্গে ‘সুখী মানুষ’ নাটকের কোন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ? (প্রয়োগ)
ক হাসু  মোড়ল গ রহমত ঘ লোকটি
১১৭. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার আলোকে আকবর মুন্সীর দুঃখী হওয়ার কারণÑ
(উচ্চতর দক্ষতা)
র. মানুষকে ঠকিয়ে সম্পদ গড়া
রর. মানুষের ওপর অত্যাচার করা
ররর. অর্থ ছিনতাই হওয়া
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১১৮ ও ১১৯ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
সুখ একটি সুন্দর স্পর্শকাতর ও শুদ্ধতম নিবিড় অনুভ‚তির নাম। আজগর আলী বিত্তবান লোক। তবে তার বিত্তের উৎস প্রশ্নবিদ্ধ। তার আশপাশে অনেক অভাবগ্রস্ত লোক আছে। তাই সম্পদ চুরি যাবে ভেবে আজগর আলীর মনে শান্তি নেই। কিন্তু অভাবগ্রস্তরা সুখী। অন্যের সম্পদের প্রতি তাদের লোভ নেই।
১১৮. উদ্দীপকের আজগর আলী চরিত্রটি ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে? (প্রয়োগ)
ক রহমতের খ কবিরাজের  মোড়লের ঘ হাসুর
১১৯. উদ্দীপক এবং ‘সুখী মানুষ’ নাটিকা অবলম্বনে সুখের প্রকৃতস্বরূপ হলোÑ
(উচ্চতর দক্ষতা)
র. একেকজনের কাছে সুখের সংজ্ঞা একেক রকম
রর. সুখ একান্তই ব্যক্তিমনের নিবিড়তম অনুভ‚তি
ররর. অর্থবিত্তই ব্যক্তিকে সুখী করে তোলে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর

প্রশ্ন -১  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
জোবেদ আলী ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্য। এই নিয়ে টানা পঞ্চমবারের মত তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হলেন। হবেনই-বা নয় কেন? এলাকার মানুষের অসুখ-বিসুখ হলে সুস্থ না হওয়া অবধি তিনি তার শয্যা ছাড়েন না। সমস্যায় পড়লে সমাধান নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তার মুখে অন্ন রোচে না। সেই তার অসুখ হলে গাঁয়ের লোক ভেঙে পড়ল। চোখের পানিতে বুক ভাসিয়ে প্রার্থনা করল- আল্লাহ, তুমি আমাদের জোবেদ ভাইকে সুস্থ করে দাও।
ক. আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে যারা চিকিৎসা করে তাদের কী বলে?
খ. হাসু মোড়লের মৃত্যু কামনা করে কেন?
গ. জোবেদ আলীর সঙ্গে ‘সুখী মানুষে’র যে মিল আছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ.‘মোড়ল যদি জোবেদ আলীর মতো হতেন তাহলে তার চিকিৎসার জন্য সুখী মানুষের জামা তালাশ করতে হতো না’।Ñ বিশ্লেষণ কর।
 ১নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে যারা চিকিৎসা করে তাদের বলা হয় কবিরাজ।
খ. মোড়ল অত্যাচারী ও পাপী বলে হাসু মোড়লের মৃত্যুকামনা করে।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মোড়ল একজন খারাপ লোক। কারো গরু কেড়ে নিয়ে, কারো ধান লুট করে মোড়ল আজ ধনী। মানুষের দুঃখকষ্ট দেখে মোড়ল হেসেছে। সে অত্যাচারী, পাপী। গ্রামের সব মানুষকে মোড়ল খুব জ্বালাতন করেছে। হাসুর মুরগি জবাই করে খেয়েছে মোড়ল। এসব অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে হাসু মোড়লের মৃত্যু কামনা করেছে।
গ. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার সুখী মানুষের সাথে উদ্দীপকের জোবেদ আলীর মানসিক প্রশান্তির মিল লক্ষণীয়।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকাটির সুখী মানুষ চরিত্রটি দীনহীন অবস্থার মধ্যেও সুখী। সে সারাদিন বনে কাঠ কাটে। সেই কাঠ বিক্রির টাকা দিয়ে খাবার কিনে খায়। তার ঘরে কোনো সম্পদ নেই, ফলে চোরের কোনো ভয় নেই। রাতে মনের সুখে ঘুমায়। তাই সে মহাসুখী, সুখের রাজা। অনুরূপভাবে উদ্দীপকের জোবেদ আলীর মধ্যেও লোভ-লালসা না থাকায় গ্রামের মানুষ তাকে পরপর পাঁচবার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত করে। মানবসেবা করাই ছিল জোবেদ আলীর মূল লক্ষ্য।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকার সুখী মানুষ চরিত্রটি নিজের শ্রমে উপার্জিত অর্থে সুখে দিনাতিপাত করে। তেমনই উদ্দীপকের ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জোবেদ আলী জনগণের ভালোবাসায় ধন্য। জোবেদ আলী অন্যায়, অনৈতিকতা থেকে বহুদূরে অবস্থান করেছেন সবসময়। সুখী মানুষের জীবন চলে কায়িক পরিশ্রমে, সৎ পথে। নির্লোভ ও সৎ জীবনাচরণে চরিত্র দুটি এক বিন্দুতে মিলে যায়।
ঘ. “মোড়ল যদি জোবেদ আলীর মতো হতেন তাহলে তার চিকিৎসার জন্য সুখী মানুষের জামা তালাশ করতে হতো না।”Ñ এ উক্তিটি যথার্থ।
জোবেদ আলী ও মোড়ল দুজনেই গ্রামের কর্তাব্যক্তি হলেও জোবেদ আলী মানুষের কল্যাণ করে সবার ভালোবাসায় সিক্ত। সবার প্রার্থনা ও কল্যাণ কামনা তার সুস্থ-সুন্দর-সুখী জীবনের পথের প্রধান পথ্য। আর মোড়ল সকল প্রকার খারাপ কাজ করে গ্রামের মানুষের বিরাগের পাত্র। তাই মোড়ল অসুখী।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়ল চরিত্রটি সকল প্রকার অসৎ গুণের অধিকারী। গ্রামের সব মানুষকে সে জ্বালিয়েছে। কারো গরু, কারো ধান লুট করে মোড়ল আজ ধনী। মানুষের কষ্ট দেখলে সে হাসে, মোড়লের অন্যায়-অত্যাচারের কারণে সবাই তার প্রতি বিরক্ত। তার ফুফাতো ভাই হাসুর মুরগি খেয়েছে মোড়ল, সেও তার মৃত্যু কামনা করে। আর মোড়ল আজ অর্থবিত্তের অধিকারী হলেও বড়ই অসুখী। পক্ষান্তরে উদ্দীপকের জোবেদ আলী ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্য। জনগণের সেবার মাধ্যমে তিনি বারবার নির্বাচিত হন। দুঃখ-শোকে তিনি সর্বদা জনগণের পাশে থাকেন। তাই তার অসুখ হলে সবাই ভেঙে পড়ে। তার জন্য প্রাণভরে দোয়া করে। মানুষকে সেবা করে এবং মানুষের দোয়া ও ভালোবাসায় তিনি সুখী।
সুতরাং, উল্লিখিত আলোচনার মাধ্যমে বলা যায়, ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়লের লোভ-লালসা ত্যাগ করে জোবেদ আলীর মতো জীবনযাপন করলে তার চিকিৎসার জন্য সুখী মানুষের জামা তালাশ করতে হতো না।

প্রশ্ন -২  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
সেলিম সাহেব নানা উপায়ে, নানা পন্থায় সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। নদীর পাড় ভেঙে পড়ার মতো ইদানীং বিভিন্ন অজুহাতে সে পাহাড়ের বিরাট বিরাট অংশ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। রাতে দুশ্চিন্তায় ঘুম হয় না। তার মনে হচ্ছে যাকে তিনি এক সময় সুখের উৎস ভেবেছিলেন সেই হয়ে উঠেছে এখন অসুখের মূল কারণ। ভাঙন যেভাবে লেগেছে তাতে বোঝা যাচ্ছে পাপের ধন প্রায়শ্চিত্তেই যাবে।
ক. নাট্যকার মমতাজ উদ্দীন আহমদের পেশাগত পরিচয় কী?
খ. হাসু মোড়লের ফুফাতো ভাই হওয়া সত্তে¡ও তার অকল্যাণ কামনা করে কেন?
গ. মোড়ল চরিত্রের সঙ্গে সেলিম সাহেবের চরিত্রের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ. ‘মোড়ল আর সেলিম সাহেবের অসুখের মূল কারণ অভিন্ন সূত্রে গাঁথা’।Ñ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
 ২নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. নাট্যকার মমতাজ উদ্দীন আহমদ পেশাগত দিক দিয়ে ছিলেন সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক।
খ. মোড়লের অন্যায় কাজকর্ম সমর্থন করতে পারে না বলেই হাসু মোড়লের ফুফাতো ভাই হওয়া সত্তে¡ও তার অকল্যাণ কামনা করে। ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মোড়ল খুবই অত্যাচারী মানুষ। এর গরু, ওর ধান লুট করে মোড়ল আজ ধনী। অন্যের দুঃখে সে খুশি হয়। গ্রামের মানুষকে সে প্রচুর জ্বালিয়েছে। নিজের ফুফাতো ভাই হওয়া সত্তে¡ও মোড়ল হাসুর মুরগি খেয়ে ফেলেছে। তার এরূপ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের জন্য ফুফাতো ভাই হওয়া সত্তে¡ও হাসু মোড়লের অমঙ্গল কামনা করেছে।
গ. কর্মকাÐ ও পরিণতি বিচারে মোড়ল চরিত্রের সঙ্গে সেলিম সাহেবের চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
মমতাজ উদদ্ীন আহমদ রচিত ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়ল খুবই অত্যাচারী মানুষ। কারো গরু কারো বা ধান লুট করে সে আজ ধনী। মোড়ল তার ফুফাতো ভাই হাসুর মুরগি ধরে খেয়েছে। অন্যের দুঃখ দেখে হেসেছে। অন্যায়ভাবে সৃষ্টি করা সম্পদই তার অসুখের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। যে অসুখ তার হয়েছে তার চিকিৎসা কবিরাজের ওষুধে সম্ভব নয়।
উদ্দীপকের সেলিম সাহেবও নানা পন্থায় সম্পদ তৈরি করেছেন। অবৈধ পন্থায় অর্জিত এ সম্পদ বিভিন্নভাবে ইদানীং হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। আর সম্পদের দুশ্চিন্তায় তার ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে না। এই বিপুল সম্পদই তার অসুখের মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোড়ল ও সেলিম সাহেব উভয় চরিত্রটি একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। অন্যায়ভাবে সুখের আশায় যে সম্পদ তারা গড়েছেন, সেই সম্পদই আজ তাদের অসুখের মূল কারণ হয়ে উঠেছে আর এদিক থেকে চরিত্র দুটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. “মোড়ল আর সেলিম সাহেবের অসুখের মূল কারণ অভিন্ন সূত্রে গাথা।”Ñ উক্তিটি যথার্থ।
উদ্দীপকের চরিত্র সেলিম সাহেব সম্পদ হারানোর চিন্তায় রাতে ঘুমাতে পারেন না। অন্যদিকে মোড়ল প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক হওয়া সত্তে¡ও তাঁর জীবনে শান্তি নেই। উভয় চরিত্রই অবৈধ সম্পদের মালিক হয়ে জীবন থেকে সুখ হারিয়ে ফেলেছেন।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়ল খুবই অত্যাচারী মানুষ। মানুষের গরু, খেতের ধান লুট করে সে আজ ধনী। অন্যের দুঃখ দেখলে মোড়ল খুশি হয়। গ্রামের মানুষকে সে অনেক জ্বালিয়েছে। হাসুর মুরগি ধরে খেয়েছে। কিন্তু অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন ও মানুষকে কষ্ট দেয়াই তার অসুখের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। তার অর্থবিত্ত থাকা সত্তে¡ও সে সুখী হতে পারছে না। তেমনি উদ্দীপকের সেলিম সাহেবও নানা উপায়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। কিন্তু বিভিন্ন কারণে তার সেই সম্পদ আজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। সম্পদের দুশ্চিন্তায় তিনি রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না। অর্থবিত্ত মানুষকে সুখী করতে পারে না। আর অন্যায়ভাবে অর্জিত সম্পদ কখনই মানুষকে সুখের পথের সন্ধান দিতে পারে না। আবার অর্থকষ্টে থেকেও মানুষ সুখী হতে পারে।
অতএব, অবৈধভাবে সম্পদ উপার্জন করে মোড়ল আর সেলিম সাহেব অসুখী, তাদের অসুখের মূল কারণ অভিন্ন সূত্রে গাঁথা।

প্রশ্ন -৩ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
জাবেদ সাহেব সৎ, কর্তব্যপরায়ণ ও পরোপকারী সরকারি কর্মকর্তা। তিনি বিত্তবান নন তবে তাঁর জীবনে সুখ ও স্বস্তির অভাব নেই। তারই বন্ধু সাদমান সাহেব সেই অর্থে সুখী নন। তিনি বিত্তবান কিন্তু তার বিত্তের উৎস পুরোপুরি বৈধ নয়। সম্পদ রক্ষা ও অধিক সম্পদ লাভের আশায় তিনি সর্বদা ব্যস্ত। মানুষের হৃদয়ের নিবিড়তম অনুভ‚তির নাম সুখ। সাদমান সাহেবের জীবনে তা অধরাই রয়ে গেল।
ক. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার দৃশ্য কয়টি? ১
খ. মোড়লের প্রতি হাসুর সমবেদনা নেই কেন? ২
গ. উদ্দীপকের জাবেদ সাহেব এবং ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়ল কোন দিক থেকে ভিন্ন? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.‘সাদমান সাহেব কি ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়ল চরিত্রের প্রতিনিধি? উক্তিটির যথার্থতা বিচার কর। ৪
 ৩নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার দৃশ্য দুটি।
খ. মোড়ল একজন অত্যাচারী, পাপী এবং নিষ্ঠুর প্রকৃতির মানুষ। মোড়লের প্রতি তাই হাসুর সমবেদনা নেই।
মোড়ল তার নিজ অঞ্চলের মানুষদের জীবিকা নির্বাহের অবলম্বনÑ গরু, খেতের ধান প্রভৃতি লুট করে ধনী হয়েছে। অন্যের কষ্টে সে আনন্দ অনুভব করে। এমনকি সে তার আত্মীয়দের ওপরও অত্যাচার করেছে। হাসুর মুরগি জবাই করে খেয়েছে। তাই মোড়লের প্রতি হাসুর সমবেদনা নেই।
গ. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মোড়ল অঢেল সম্পদ ও ক্ষমতার মালিক হলেও সৎ, কর্তব্যপরায়ণতা ও পরোপকারীর দিক দিয়ে উদ্দীপকের জাবেদ সাহেবের থেকে ভিন্ন।
অর্থসম্পদ আর ক্ষমতার মধ্যে কোনো সুখ নেই। সুখ মানুষের হৃদয়ের একান্ত অনুভ‚তি। অন্যকে অত্যাচার নির্যাতন আর শোষণ করে বিপুল বিত্তবৈভব আর ক্ষমতার মালিক হলেও সুখের নিবিড় অনুভ‚তিকে স্পর্শ করা যায় না। মোড়ল গ্রামের মানুষের ওপর অত্যাচার নির্যাতন করে সম্পদ ও ক্ষমতার মালিক হয়েছে। কিন্তু মোড়ল আজ অসুস্থ। শত চেষ্টা করেও তাকে সুস্থ করা সম্ভব হচ্ছে না। তার অবৈধ অর্থ-ক্ষমতা আজ তাকে সুস্থ করে সুখের সন্ধান দিতে অপারগ। অন্যদিকে জাবেদ সাহেব সৎ কর্তব্যপরায়ণতার মধ্য দিয়ে সুখের সন্ধান পেয়েছেন।
উদ্দীপকের জাবেদ সাহেব ব্যক্তিজীবনে সৎ, কর্তব্যপরায়ণ ও পরোপকারী। সম্পদের প্রতি তার কোনো মোহ নেই। সরকারি কর্মকর্তা হয়েও তিনি দুর্নীতিপরায়ণ নন। গল্পে উল্লিখিত মোড়লের মতো জাবেদ সাহেব অন্যায়, অত্যাচার, দুর্নীতি করে অর্থবিত্ত ও ক্ষমতার মালিক হননি। তিনি মানবতার কল্যাণের মধ্যে সুখের অমৃত স্বাদ আস্বাদন করেছেন। এরূপ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে উদ্দীপকের জাভেদ সাহেব এবং ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়ল ভিন্ন।
ঘ. সাদমান সাহেব ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়ল চরিত্রের প্রতিনিধিÑ উক্তিটি যথার্থ।
মমতাজ উদ্দীন আহমদের ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়ল অত্যন্ত স্বার্থপর ও নিষ্ঠুর প্রকৃতির লোক। তিনি সুবর্ণপুরের মানুষকে শান্তিতে বসবাস করতে দেননি। কারো গরু কেড়ে নিয়ে, কারো ধান লুট করে মোড়ল অঢেল সম্পদের মালিকও হয়েছিলেন। গ্রামের সাধারণ মানুষের কল্যাণ চিন্তা তার মাথায় নেই বরং দেশের ক্ষতি করে হলেও নিজের সম্পদ বৃদ্ধি করাই তার একমাত্র লক্ষ্য। এমনকি এই লোভী, পাপী, অত্যাচারী মানুষটি আপন ফুফাতো ভাই হাসুর মুরগিটা পর্যন্ত জবাই করে খেয়েছে।
উদ্দীপকের সাদমান সাহেব দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল ধনসম্পদের মালিক হয়েছেন। সম্পদ রক্ষা ও অধিক সম্পদ লাভের আশায় তিনি সর্বদা ব্যস্ত থাকেন। সম্পদের পাহাড় গড়তে গিয়ে সাদমান সাহেব অন্যের ক্ষতি করতেও প্রস্তুত। নিজের সুখ-সমৃদ্ধির জন্য অর্থ-সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলাই তার কাজ।
উল্লিখিত আলোচনা শেষে বলা যায়, সাদমান সাহেব ও মোড়ল যেকোনো মূল্যে নিজেদের আখের গোছানো ছাড়া আর কিছুই করতে পারেন না। তাই বলা যায়, সাদমান সাহেব ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়ল চরিত্রের প্রতিনিধি।
প্রশ্ন -৪  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
করিম সাহেব শেয়ারবাজারে সামান্য অর্থ বিনিয়োগ করে অধিক লাভবান হন। পরে লাভের আশায় তিনি সম্পূর্ণ মূলধন বিনিয়োগ করে আর্থিক সচ্ছলতা আশা করেন। কিন্তু হঠাৎ শেয়ারবাজারে ধস নামলে লাভ তো দূরে থাক মূলধনও হারালেন। এখন করিম সাহেব অশান্তিতে ভুগছেন।
ক. মোড়লের বিশ্বাসী চাকরের নাম কী? ১
খ. সুখকে কঠিন জিনিস বলা হয়েছে কেন? বুঝিয়ে লেখ। ২
গ. উদ্দীপকের করিম সাহেব ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় কার প্রতিবিম্ব? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. ‘বেশি লাভের দিকে দৃষ্টি না দিলে করিম সাহেবকে অশান্তিতে ভুগতে হতো না’ মন্তব্যটি ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার আলোকে বিশ্লেষণ কর। ৪
 ৪নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. মোড়লের বিশ্বাসী চাকরের নাম রহমত।
খ. মানুষের অন্তহীন চাহিদার কারণে কোনো মানুষই সম্পূর্ণ তৃপ্ত হতে পারে না বলে সুখকে বড় কঠিন জিনিস বলা হয়েছে।
সুখ হলো আপেক্ষিক ব্যাপার। তাই অনৈতিক পথে অঢেল সম্পদের মালিক হলেও প্রকৃত সুখের নাগাল পাওয়া যায় না। কেননা যারা নৈতিক আদর্শ বর্জন করে অন্যায় ও অবৈধভাবে অর্থ সম্পদ অর্জন করে তারা জীবনে সুখ পায় না। তাছাড়া প্রত্যেক মানুষেরই কিছু না কিছু অতৃপ্তি থাকে। মানুষের মাঝে পরিতৃপ্তি বোধ না থাকায় মানুষ সুখী হতে পারে না। এ কারণেই সুখকে বড় কঠিন জিনিস বলা হয়েছে।
গ. উদ্দীপকের করিম সাহেব ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মোড়লের প্রতিবিম্ব।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মোড়ল একজন স্বার্থপর মানুষ। নিজের সম্পত্তি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সে মানুষের ক্ষতি করতেও দ্বিধা করে না। গ্রামের মানুষকে নানাভাবে নির্যাতন করে জোর করে তাদের ধন-সম্পদ নিজের করে নিয়েছে। কিন্তু তার অর্জিত অবৈধ ধনসম্পদ তাকে সুখ দিতে পারেনি। সে মানসিক অশান্তিতে ভোগে, রাতে ঘুমাতে পারে না। কবিরাজও তার এ মনের অশান্তি দূর করতে পারেননি।
উদ্দীপকেও দেখা যায়, করিম সাহেব শেয়ারবাজারে সামান্য অর্থ বিনিয়োগ করে অধিক লাভবান হন। কিন্তু অধিক লোভে তিনি সম্পূর্ণ মূলধন বিনিয়োগ করে মূলধন হারান। লোভ-লালসা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়, ক্ষতি করে। লোভী মানুষ অঢেল সম্পত্তির মালিক হলেও জীবনে সুখী হতে পারেন না। যা আমরা দেখতে পাই মোড়ল ও উদ্দীপকের করিম সাহেবের মধ্যে। লোভের কারণেই তারা স্ব স্ব কর্মের দ্বারা মনের অশান্তিতে ভুগছেন। নাটিকার মোড়ল ও উদ্দীপকের করিম সাহেবের অশান্তির মূল কারণ লোভ।
ঘ. ‘বেশি লাভের দিকে দৃষ্টি না দিলে করিম সাহেবকেও অশান্তিতে ভুগতে হতো না।’Ñ এ মন্তব্যটি যথার্থ।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মোড়ল অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ার জন্য অন্যায়ভাবে অর্থ উপার্জন করে কঠিন অসুখে ভুগছে আর উদ্দীপকের করিম সাহেবও নিজের মূলধন দিয়ে অল্প সময়ে বেশি ধনসম্পদের মালিক হতে গিয়ে সব হারিয়ে অশান্তিতে ভুগছেন। অর্থাৎ তাদের দুজনেরই অশান্তির মূলে রয়েছে অধিক লোভ।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মোড়ল একজন অসুখী মানুষ। সে অসৎভাবে মানুষকে ঠকিয়ে অনেক সম্পদের মালিক হয়েছে। তার বিশ্বাস মানুষকে ঠকিয়ে সম্পদ অর্জন করতে পারলে সুখী হওয়া যায়। কিন্তু লোভ মানুষকে দেয় অশান্তি ও যন্ত্রণা। তাই কঠিন অসুখে ভুগছে মোড়ল। তাকে সেই সম্পদ শান্তি দিতে পারেনি। উদ্দীপকের করিম সাহেবও শেয়ারবাজারে সামান্য অর্থ বিনিয়োগ করে অধিক লাভবান হন। কিন্তু অধিক লোভের কারণে সম্পূর্ণ অর্থ বিনিয়োগ করে মূলধন হারান। তিনি যদি লোভ না করতেন তাহলে হয়তো তাকে মূলধন হারাতে হতো না। লোভের কারণেই তিনি আজ সর্বস্বান্ত হয়েছেন।
উল্লিখিত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, বেশি লোভ না করলে সব হারিয়ে করিম সাহেবকে অশান্তিতে ভুগতে হতো না। লোভ মানুষকে শান্তি দেয় না, দেয় অশান্তি যা নাটিকার মোড়ল ও উদ্দীপকের করিম সাহেবের চরিত্রের মধ্যদিয়ে প্রকাশিত হয়েছে।

প্রশ্ন -৫  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
কদমতলীর চেয়ারম্যান সাহেব খুবই অসুস্থ। এক চাকর নসু মিয়া আর চেয়ারম্যান সাহেবের চাচাতো ভাই কদম আলী তার দেখাশোনা করছে। ডাক্তার খুবই চেষ্টা করছেন কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। এক ওষুধ বদলে আর এক ওষুধ দেয়া হচ্ছে কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। এক রাতে কদম আলী স্বপ্নে দেখল, একজন কেউ জমি হারিয়ে কাঁদছে আর বলছে, ‘তোমাদের চেয়ারম্যান সাহেবের অসুখ কোনোদিন ভালো হবে না। ও আমার সব কেড়ে নিয়েছে। খোদার বিচার সূ²।’ এরপর কদম আলীর ঘুম ভেঙে গেল।
ক. হাসুদের গ্রামের নাম কী? ১
খ. “মনের মধ্যে অশান্তি থাকলে ওষুধে কাজ হয় না।” ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত চেয়ারম্যান সাহেবের চরিত্রের সঙ্গে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়লের চরিত্রের সাদৃশ্য দেখাও। ৩
ঘ. উদ্দীপকের আলোকে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর। ৪
 ৫নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. হাসুদের গ্রামের নাম সুবর্ণপুর।
খ. “মনের মধ্যে অশান্তি থাকলে ওষুধে কাজ হয় নাÑ এ উক্তিটি যথার্থ।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় অসুস্থ মোড়ল বিছানায় শুয়ে ছটফট করছে। কিন্তু কিছুতেই তার রোগ ভালো হচ্ছে না। অসুখের দেখাশোনা করছে মোড়লের আত্মীয় হাসু এবং চাকর রহমত আলী। হাসু মনে করে মোড়ল যেহেতু খুব অত্যাচারী মানুষ তাই তার রোগ কিছুতেই ভালো হবে না। হাসুর সরাসরি উক্তি, ‘মোড়ল যে অত্যাচারী, পাপী। মনের মধ্যে অশান্তি থাকলে ওষুধে কাজ হয় না। দেখে নিও মোড়ল মরবে।’
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত চেয়ারম্যান সাহেবের চরিত্রের সঙ্গে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়লের চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
মোড়ল খুবই লোভী, স্বার্থপর, লুটেরা একজন মানুষ। অন্যকে ফাঁকি দিয়ে সে সম্পদের পাহাড় গড়েছে। কিন্তু তার মনে কোনো শান্তি নেই। তার শরীরে হাড় মড়মড়ি রোগ বাসা বেঁধেছে। কিন্তু অনেক অর্থসম্পদ ব্যয় করেও তার রোগ ভালো হচ্ছে না। কারণ তার মনের সব সুখ বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
উদ্দীপকের চেয়ারম্যান সাহেব চরিত্রটি মূল গল্পের মোড়লের প্রতিনিধি। কারণ এই চেয়ারম্যান সাহেবও অন্যদের সম্পদ কেড়ে নিয়ে মানুষকে নিঃস্ব করে দিয়েছেন। আবার এই চেয়ারম্যান সাহেবও ভীষণ অসুস্থ। কিন্তু কোনো চিকিৎসায় কাজ হচ্ছে না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের চেয়ারম্যান এবং নাটিকায় মোড়লের চরিত্র একে অপরের পরিপূরক।
ঘ. নাট্যকার ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় সমাজের শোষণ ও তার পরিণতির সুন্দর যে চিত্র তুলে ধরেছেন তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়ল শোষকশ্রেণির প্রতিনিধি। সে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করেছে। কর্মফল অবশ্যই ভোগ করতে হয়। তাই সে ফলস্বরূপ এমন এক রোগে আক্রান্ত হয়েছে যা থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব নয়।
উদ্দীপকের চেয়ারম্যানও একই দলভুক্ত। অন্যকে ঠকিয়ে, জমি কেড়ে নিয়ে ধনী হয়েছেন। কিন্তু তিনি বুঝতে পারেননি যে, অর্থসম্পদ দিয়ে জীবনে জন্য সুখ পাওয়া যায় না।’ ‘খোদার বিচার সূ²’ এই কথা তাদের জীবনের করুণ পরিণতিই নির্দেশ করেছে। কারণ নিজের অন্যায়ের শাস্তি তারা সূ²াতিসূ²ভাবে ভোগ করছে।
সার্বিক আলোচনা থেকে বলা যায়, মনের অশান্তি থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় অন্যায় মানসিকতা পরিবর্তনের মাধ্যমে একজন সুখী মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা।

প্রশ্ন -৬  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
মিরাজের বাবার খুব অসুখ। মিরাজদের পাশের গ্রামে এক বিচক্ষণ কবিরাজ থাকেন। কবিরাজের কাছে গিয়ে সে তার বাবার কথা বলে কেঁদে ফেলল। বলল, ‘কবিরাজ মশায় আপনি আমার বাবাকে বাঁচান।’ কবিরাজ এ কথা শুনে উত্তর দিল, ‘কেউ কাউকে বাঁচাতে পারে না।’ কারণ বিচক্ষণ কবিরাজ জানতেন, মানুষের পক্ষে রোগ সারানো সম্ভব, কিন্তু মানুষের জীবনকে চিরদিন স্থায়ী করা সম্ভব নয়।
ক. মমতাজ উদ্দীন আহমদ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? ১
খ. ‘মানুষ এবং প্রাণী অমর নয়।’Ñ এ কথাটির গভীরতা নির্দেশ কর। ২
গ. উদ্দীপকের কবিরাজ চরিত্রের সঙ্গে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার কবিরাজের সাদৃশ্য দেখাও। ৩
ঘ. উদ্দীপকটি ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার সমগ্র ভাব ধারণ করে কি? মতের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর। ৪
 ৬নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. মমতাজ উদ্দীন আহমদ পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
খ. ‘মানুষ এবং প্রাণী অমর নয়।’Ñ এ কথাটি যথার্থ তাৎপর্য রয়েছে।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়লের বিশ্বস্ত চাকর রহমত তার মনিবের মৃত্যু নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়লে কবিরাজ তাকে ধমক দেন। কারণ কবিরাজ জানেন প্রত্যেক মানুষকেই একদিন মৃত্যুবরণ করতে হবে। এটি নিয়তির লিখন। আর মূর্খ মানুষরাই মৃত্যুর কথা ভুলে যায়। এখানে জীবন সম্পর্কে এক বিশেষ বোধ কাজ করেছে জ্ঞানী কবিরাজের মাঝে। তিনি চিকিৎসা করতে গিয়ে সার্বক্ষণিক প্রত্যক্ষ করেছেন পৃথিবীতে কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়।
গ. অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের দিক দিয়ে উদ্দীপকের কবিরাজ ও ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার কবিরাজ চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকার কবিরাজ একজন গভীর জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ। তিনি তার সমগ্র জীবনের অভিজ্ঞতা দ্বারা বুঝেছেন পৃথিবী নশ্বর। তাই মোড়লের আত্মীয়স্বজন যখন মোড়লকে নিয়ে তোলপাড় শুরু করেছে তখন কবিরাজ মাথা ঠাÐা রেখে এ পাপী মোড়লকে কীভাবে বাঁচানো যায়, তার উপায় খুঁজে বের করেছেন।
উদ্দীপকের কবিরাজও ইচ্ছা করলেই মিরাজকে মিথ্যা আশ্বাস দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। তিনি মিরাজের বাবা সম্পর্কে সত্য কথাই বলেছেন। মিথ্যা কোনো বাণী এ কবিরাজ শুনিয়ে নিজেকে অন্যের চোখে বড় করে তুলতে চাননি। আলোচ্য নাটিকার কবিরাজ ও উদ্দীপকের কবিরাজের চিন্তাচেতনা একই সূত্রে গ্রথিত।
ঘ. উদ্দীপকটি ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার সমগ্র ভাব ধারণ করে না।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মানুষকে ঠকিয়ে মানুষের মনে কষ্ট দিয়ে ধনী হওয়া এক মোড়লের জীবনের পরিণতি দেখানো হয়েছে। অসৎ পন্থায় অর্জিত অর্থসম্পদের মাধ্যমে জীবনযাপন করলে কেউ জীবনে সুখী হতে পারে না। নিজ পরিশ্রমে সৎ পথে উপার্জিত অর্থসম্পদ দিয়ে জীবনযাপন করলে মানসিকভাবে শান্তি লাভ করা সম্ভব। আর লোভ করলে পাপের ফল অবশ্যম্ভাবী। অসৎ পন্থায় অর্জিত অর্থসম্পদ ভোগকারী মৃত্যুপথযাত্রী অসুস্থ মোড়লের সুস্থতার জন্য কবিরাজকে ডাকা হলে কবিরাজ তার পরামর্শের মধ্য দিয়ে কিছু দার্শনিক সত্য উপস্থাপন করেছেন তার মধ্যে একটি হলো মানুষ এবং প্রাণী অমর নয়। এ সত্যটিই প্রকৃতপক্ষে উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।
উদ্দীপকে মিরাজ তার বাবার অসুস্থতার জন্য কবিরাজের কাছে গিয়ে প্রাণভিক্ষা চায়। কিন্তু বিচক্ষণ কবিরাজ জানেন জীবনকে চিরদিন স্থায়ী করা সম্ভব নয়। মানুষের পক্ষে শুধু রোগ সারানো সম্ভব। এ সত্যটি ছাড়াও আলোচ্য গল্পের বিষয়বস্তু আরও স¤প্রসারিত। অসৎ পন্থায় অর্জিত সম্পদ মোড়লের অসুখের মূল কারণ। গল্পে আলোচিত এসব প্রসঙ্গ উদ্দীপকে অনুপস্থিত।
উপরিউক্ত আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, উদ্দীপকটি ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার সমগ্র ভাব ধারণ করে না।

প্রশ্ন -৭  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
গ্রামের পাশে ছোট্ট একটা কুটির। সেই কুটিরে বাস করে এক গরিব জেলে। নদী থেকে মাছ ধরে আর সেই মাছ বিক্রির টাকা দিয়ে প্রতিদিনের খাবার প্রতিদিন কিনে নিয়ে আসে। যেদিন মাছ পায় না সেদিন পানি খেয়েই দিন কাটিয়ে দেয়। এ নিয়ে তার দুঃখ তো নেই-ই বরং সে সুখী। কারণ অর্থই অর্থের মূল। জেলে নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে সুখী মানুষ মনে করে।
ক. লোকটা কার মতো হাসছিল? ১
খ. ‘লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু’ এ কথাটি কেন বলা হয়েছে? ২
গ. উদ্দীপকের জেলে চরিত্রের সঙ্গে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার কোন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ-ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. ‘অর্থই অনর্থের মূল’ ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার আলোকে উদ্দীপকের এ মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর। ৪
 ৭নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. লোকটা পাগলের মতো হাসছিল।
খ. ‘লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু’Ñ এ কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে লোভের পরিণাম ভয়াবহ।
লোভ মানুষকে অন্যায় কাজে চালিত করে। আর অন্যায় থেকে আসে পাপ, যা পাপীকে মরণের দিকে ঠেলে দেয়। মানুষ যখন লোভের পথে পা বাড়ায়, তখন তার হিতাহিত জ্ঞান লোপ পায়। সীমাহীন লোভই মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। যা নাটকের মোড়লের চরিত্রেও দেখা যায়।
গ. উদ্দীপকের জেলে চরিত্রের সঙ্গে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার কাঠুরিয়া চরিত্র নিজেকে সুখী ভাবার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়লের জন্য সুখী মানুষের জামা খুঁজতে গিয়ে একজন সুখী মানুষ খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। সে কাঠ কেটে জীবিকা নির্বাহ করে। কাঠ বিক্রি করে সে যে টাকা পায় তাই দিয়ে জীবনযাপন করে। বাড়তি চাহিদা নেই। সে মনে করে, “দুনিয়াতে আমার মতো সুখী কে? আমি সুখের রাজা। আমি মস্ত বড় বাদশা।” কিন্তু তার গায়ের একটা জামা পর্যন্ত নেই।
আলোচ্য উদ্দীপকে জেলে চরিত্রটি কাঠুরিয়ার অনুরূপ। তারও কোনো গচ্ছিত সম্পদ নেই। মাছ ধরে সেই মাছ বাজারে বিক্রি করে সে তার খাবারের ব্যবস্থা করে। সেও ভাবে পৃথিবীতে সে-ই সবচেয়ে সুখী মানুষ। কারণ তার কিছু হারানোর ভয় নেই। অর্থাৎ জেলে ও কাঠুরিয়া চরিত্র দুটি একে অপরের পরিপূরক।
ঘ. ‘অর্থই অনর্থের মূল’ মন্তব্যটি যথার্থ।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় অন্যায় ও অনৈতিকভাবে মানুষের ধন-সম্পদ আত্মসাৎ করে ধনী হয়েছে মোড়ল। কারো গরু, কারো ধান লুট করে, মানুষকে ঠকিয়ে মানুষের মনে কষ্ট দিয়ে মোড়ল টাকার পাহাড় গড়েছে। কিন্তু তার এ উপার্জিত অর্থসম্পদ তাকে সুখী করতে পারেনি। তিনি শান্তিতে ঘুমাতে পারেন না। অসুস্থ হয়ে সুখের সন্ধান করে চলেছেন। কিন্তু কোনোভাবেই পরিত্রাণ পাননি।
অন্যদিকে উদ্দীপকের গরিব জেলে নদী থেকে মাছ ধরে আর সেই মাছ বিক্রির টাকা দিয়ে প্রতিদিনের খাবার প্রতিদিন কিনে খান। এতে তার কোনো দুঃখ নেই। কারণ তার কোনো সম্পদ নেই আর সম্পদ হারানো বা বাড়ানোর চিন্তায় অন্যের ও নিজের অশান্তিও নেই। কিন্তু জেলের যদি মোড়লের মতো সম্পদের লিপ্সা থাকত তাহলে সেও অন্যায় ও অত্যাচারে লিপ্ত হয়ে অন্যের কষ্টের কারণ হতো এবং নিজেও অসুখী হতো।
তাই আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, ‘অর্থই অনর্থের মূল।
প্রশ্ন -৮  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
এলাকার চেয়ারম্যানের চাচাতো ভাই যদু আর মামাতো ভাই মধু। দুজনই তাদের ভাইকে বেশ ভালোবাসে। যদু মনে করে চেয়ারম্যানের চরিত্রে কোনো দোষ নেই। কিন্তু মধু জানে চেয়ারম্যান আসলে একজন লোভী মানুষ। সে জনগণের টাকা আত্মসাৎ করে। যদু একদিন মধুকে বলল, ভাইয়ের মতো লোকই হয় না। উত্তরে মধু হেসে দিল, ঠিকই বলেছ, ভাই যার শত্রæ তার আর শত্রæর প্রয়োজন নেই।
ক. মোড়ল জোর করে হাসুর কী জবাই করেছিল? ১
খ. “ঐ কবিরাজ যতই নাড়ি দেখুক, তোমার মোড়লের নিস্তার নেই।” ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকের মধু চরিত্রের সঙ্গে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার হাসুর চরিত্রের মিল দেখাও। ৩
ঘ. উদ্দীপকের চেয়ারম্যানকে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়লের প্রতিনিধি বলা যায় কী? মতের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর। ৪
 ৮নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. মোড়ল জোর করে হাসুর মুরগি জবাই করেছিল।
খ. “ঐ কবিরাজ যতই নাড়ি দেখুক, তোমার মোড়লের নিস্তার নেই।”- উক্তিটি যথার্থ।
কারণ মোড়লের ফুফাতো ভাই হাসু জানে তার ভাই কেমন মানুষ। কত মানুষের ওপর সে অত্যাচার করেছে, কত মানুষকে দুঃখ দিয়েছে। মোড়লের চাকর রহমত তার মনিবের জন্য দুঃখ করলে হাসু বলে মোড়ল আর ভালো হবে না। শুধু নিজের সুখের কথা চিন্তা করলে সুখী হওয়া যায় না। মোড়ল সম্পর্কে বলেছে, “এর গরু কেড়ে, তার ধান লুট করে তোমার মোড়ল আজ ধনী। মানুষের কান্না দেখলে হাসে।” এমন মানুষের রোগ ভালো হওয়া কঠিন।
গ. উদ্দীপকের মধু চরিত্রের সঙ্গে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার হাসুর চরিত্রের মিল লক্ষণীয়।
নাটিকায় হাসু মোড়লকে আত্মীয় হিসেবে ভালোবাসে। কিন্তু সে ভালোবাসা অন্ধ ভালোবাসা নয়। মোড়লের চরিত্রের যে দোষ রয়েছে, সেগুলোকে সে দেখিয়ে দিতে ছাড়ে না। নাটিকাটিতে তারই সহায়তায় পাঠক জানতে পারে মোড়লের কুকর্মের কথা।
আলোচ্য উদ্দীপকের চেয়ারম্যানের মামাতো ভাই মধু। চেয়ারম্যান একজন লোভী মানুষ, সে জনগণের টাকা আত্মসাৎকারী। তবে সবাই তাকে তোষামোদ করে চলে। মধু তাদের দলের নয়। সেও হাসুর মতো সত্য কথা বলতে পিছপা হয় না। ভালোবাসলেও সে চেয়ারম্যানের চরিত্রের দোষগুলো দেখিয়ে দেয় আয়নার মতো। তাই বলা যায়, হাসু এবং মধু পরস্পরের প্রতিনিধিস্বরূপ।
ঘ. উদ্দীপকের চেয়ারম্যানকে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়লের প্রতিনিধি বলা যায়।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়ল একজন হৃদয়হীন মানুষ, যার আপন-পর বলতে কিছু নেই। সে গ্রামের লোককে যেমন অত্যাচার করেছে তেমনি নিজের আত্মীয় হাসুর মুরগিও জোর করে জবাই করে খেয়েছে। কারো গরু চুরি করে কারো ধান লুট করে সে আজ ধনী। মানুষের দুঃখ দেখলে সে হাসে। অসুস্থ হয়ে বুঝতে পেরেছে তার এসব কাজ পাপ।
উদ্দীপকের চেয়ারম্যানও একজন লোভী মানুষ। সে সরকারি অর্থ জনগণকে না দিয়ে নিজের পেট ভরায়। জনগণকে ফাঁকি দিয়ে নিজের ধন-সম্পত্তি বাড়াতে চেয়েছে। কোনো মানুষের প্রতি তার কোনো সত্যিকারের ভালোবাসা নেই। নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য সে যে কারো ক্ষতি করতে পারে।
উল্লিখিত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকের চেয়ারম্যান নাটিকার মোড়লের প্রতিনিধিত্ব করেছে।

প্রশ্ন -৯  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
পৃথিবীতে অধিকাংশ মানুষ ক্ষুধাতৃষ্ণা মেটাতেই বেশি মনোযোগী। তারা সারাক্ষণ অর্থচিন্তায় ব্যস্ত থাকে। অর্থচিন্তার যাতাকলে সবাই বন্দি। ধনী-দরিদ্র সবার অন্তরে একই ধ্বনি উচ্চারিত হচ্ছেÑ চাই, চাই, আরো চাই। অন্নচিন্তা বা অর্থচিন্তা থেকে মানুষ মুক্তি না পেলে অর্থসাধনাই জীবনসাধনা নয়, একথা মানুষকে বোঝাতে না পারলে শিক্ষা মানবজীবনে সোনা ফলাতে পারে না। অর্থচিন্তায় ব্যস্ত মানুষ প্রকৃত মনুষ্যত্ব অর্জনে অক্ষম।
ক. বিছানায় শুয়ে কে ছটফট করছে? ১
খ. সুখী মানুষের প্রাণখোলা হাসির কারণ ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকের মূলভাবের সাথে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মূলবক্তব্যের সাদৃশ্য বর্ণনা কর। ৩
ঘ.‘মোড়ল স্বার্থচিন্তায় ব্যস্ত একজন মনুষ্যত্বহীন মানুষের প্রতিচ্ছবি’Ñ উক্তিটি উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর। ৪
 ৯নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. বিছানায় শুয়ে মোড়ল ছটফট করছে।
খ. সুখী মানুষের প্রাণখোলা হাসির কারণ হলো, হাসু তাকে চোরের উপদ্রবের কথা জিজ্ঞাসা করেছে।
সুখী মানুষের ঘরে কিছুই নেই। তাই চোরের উপদ্রবের কথায় তার বিষম হাসি পেয়েছে। সারাদিন বনে কাঠ কেটে দিনান্তে তা হাটে বিক্রি করে। প্রাপ্ত টাকা দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনে তা রান্না করে খায়। তাই হাসুর মুখে চোরের উপদ্রবের কথা শুনে সুখী মানুষ প্রাণখোলা হাসি হেসেছে।
গ. উদ্দীপকের মূলভাবের সাথে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মূলবক্তব্যের মধ্যে সুস্পষ্ট সাদৃশ্য বিদ্যমান।
এ জগতে মানুষ সর্বদা অর্থ বা অন্নচিন্তায় মত্ত থাকে। ধনী-দরিদ্র সবার মনে ‘চাই, ‘চাই, আরো চাই’ ভাবটি বিরাজ করে। অর্থ, অন্ন বা স্বার্থচিন্তায় মগ্ন মানুষ প্রকৃত মনুষ্যত্ব অর্জন করতে পারে না। উদ্দীপকে এ বক্তব্যই তুলে ধরা হয়েছে যা ‘সুখী মানুষ’ নাটিকারও মূল শিক্ষা।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় বলা হয়েছেÑ ‘এ দুনিয়াতে ধনী বলছে আরো ধন দাও, ভিখারি বলছে আরো ভিক্ষা দাও, পেটুক বলছে আরো খাবার দাও। শুধু দাও আর দাও।’ উদ্দীপকটির মূলভাব এবং ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মূলবক্তব্যের মধ্যে সুগভীর সাদৃশ্য বিদ্যমান।
ঘ. ‘মোড়ল স্বার্থচিন্তায় ব্যস্ত একজন মনুষ্যহীন মানুষের প্রতিচ্ছবি’Ñ উক্তিটি উদ্দীপকের আলোকে তাৎপর্যপূর্ণ।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়ল চরিত্রটি স্বার্থপর। কারো গরু কেড়ে, কারো ধান লুট করে মোড়ল ধনী হয়েছে। মানুষকে ঠকিয়ে নিজের সম্পদ বাড়িয়েছে বলে মোড়ল মনুষ্যত্বহীন মানুষের প্রতিরূপ। তার এ আচরণই উদ্দীপকে চিত্রিত হয়েছে, একথা বলা যায়।
আলোচ্য নাটিকার মোড়লের মতোই প্রদত্ত উদ্দীপকটিতে পৃথিবীতে স্বার্থপর কিছু লোকের মনুষ্যত্বহীনতার কথা প্রকাশ পেয়েছে। ক্ষুধা-তৃষ্ণা মেটানোর অজুহাতে অধিকাংশ মানুষ অর্থচিন্তায় মগ্ন থাকে। অর্থচিন্তার নিগড়ে বন্দি হয়ে এসব আত্মকেন্দ্রিক মানুষ সর্বদা ব্যতিব্যস্ত থাকে। তাই এরূপ মানুষ মনুষ্যত্বহীনতার প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকাটিতে মোড়লের স্বার্থচিন্তা মনুষ্যত্বহীনতার প্রতীক। তেমনি বিশ্বের অধিকাংশ মানুষও মনুষ্যত্বকে জলাঞ্জলি দিয়ে অনৈতিক পথে সম্পদ অর্জন করেÑ এ বক্তব্য উদ্দীপকে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রশ্ন-১০  হামিদ আলী সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করে নদীতে মাছ ধরে। মাছ বিক্রির পয়সা দিয়ে কোনো রকমে তার সংসার চলে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত তার কোনো সম্পদ নেই। তাই কিছু চুরি হওয়ারও ভয় নেই তার। স্ত্রী ও সন্তানদেরকে নিয়ে হামিদ আলী সুখেই আছে। অপরদিকে আমিন সাহেব শিল্পপতি। কিন্তু তার অভাবের কোনো শেষ নেই। স্ত্রী ও সন্তানদের চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে আজ তিনি হিমশিম খাচ্ছেন। তাই শিল্পপতি হওয়া সত্তে¡ও আমিন সাহেব অসুখী। বস্তুত ধনসম্পদ সুখ লাভের অন্তরায়।
ক. ‘স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা’ নাটকটির রচয়িতা কে? ১
খ. রহমত হিমালয় পাহাড় তুলে আনার কথা বলেছিল কেন? ২
গ. উদ্দীপকে সুখী ও অসুখী মানুষের মধ্যে যে পার্থক্য দেখানো হয়েছে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকা অবলম্বনে ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার ভাবার্থ অনুসারে উদ্দীপকের হামিদ আলী ও আমিন সাহেবের মধ্যে কার জীবনকে তুমি সমর্থন কর? মতের পক্ষে যুক্তি দাও। ৪
প্রশ্ন-১১  রফিক সাহেবের দুটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি আছে। এ ফ্যাক্টরিতে শত শত লোক কাজ করে। কিন্তু রফিক সাহেব ন্যায্য মজুরি না দিয়ে তাদেরকে ঠকায়। নামমাত্র মজুরি দিয়ে অবশিষ্ট টাকা নিজে ভোগ করে রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে উঠেছেন। কিন্তু একদিন তার শরীরে বøাড ক্যান্সার ধরা পড়ে এবং বহু টাকা খরচ করেও তার সেই রোগ সারাতে পারেনি।
ক. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার চরিত্র সংখ্যা কত? ১
খ. মোড়লের খুব কষ্ট হচ্ছে কেন? ২
গ. উদ্দীপকের রফিক সাহেবের সঙ্গে ‘সুখী মানুষ’ রচনায় কার সাদৃশ্য আছে? নির্ণয় কর। ৩
ঘ. “উদ্দীপকটির মধ্যে ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মূল শিক্ষা নিহিত” মন্তব্যটি যাচাই কর। ৪

  জ্ঞানমূলক  
প্রশ্ন \ ১ \ মোড়লের বিশ্বাসী চাকর কে?
উত্তর : মোড়লের বিশ্বাসী চাকর রহমত।
প্রশ্ন \ ২ \ ‘মানুষ এবং প্রাণী অমর নয়।’Ñএটা কার উক্তি?
উত্তর : ‘মানুষ এবং প্রাণী অমর নয়।’Ñএটা কবিরাজের উক্তি।
প্রশ্ন \ ৩ \ মোড়ল কার মুরগি জবাই করে খেয়েছে?
উত্তর : মোড়ল হাসুর মুরগি জবাই করে খেয়েছে।
প্রশ্ন \ ৪ \ মোড়ল কাকে শান্তি এনে দিতে বলল?
উত্তর : মোড়ল হাসুকে শান্তি এনে দিতে বলল।
প্রশ্ন \ ৫ \ কবিরাজ কেন জামা সংগ্রহ করতে বললেন?
উত্তর : মোড়লের অসুখ সারানোর জন্য কবিরাজ জামা সংগ্রহ করতে বললেন।
প্রশ্ন \ ৬ \ মোড়লের কী রোগ হয়েছে?
উত্তর : মোড়লের হাড় মড়মড় রোগ হয়েছে।
প্রশ্ন \ ৭ \ সুখী মানুষের জামা এনে দিলে মোড়ল কত টাকা বখশিশ দেবে?
উত্তর : সুখী মানুষের জামা এনে দিলে মোড়ল হাজার টাকা বখশিশ দেবে।
প্রশ্ন \ ৮ \ কত গ্রামে একজনও সুখী মানুষ পাওয়া গেল না?
উত্তর : পাঁচ গ্রামে একজনও সুখী মানুষ পাওয়া গেল না।
প্রশ্ন \ ৯ \ দুনিয়াতে ধনীরা কী চায়?
উত্তর : দুনিয়াতে ধনীরা আরো ধন চায়।
প্রশ্ন \ ১০ \ সুখী মানুষটি সারাদিন কী কাজ করে?
উত্তর : সুখী মানুষটি সারাদিন বনে বনে কাঠ কাটে।
প্রশ্ন \ ১১ \ সুখী মানুষটি খেয়ে দেয়ে কী করে?
উত্তর : সুখী মানুষটি খেয়ে দেয়ে গান গাইতে গাইতে শুয়ে পড়ে।
প্রশ্ন \ ১২ \ ‘সুখী মানুষ’ কী ধরনের রচনা?
উত্তর : ‘সুখী মানুষ’ একটি নাটিকা।
প্রশ্ন \ ১৩ \ ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মোড়ল চরিত্রটির বয়স কত?
উত্তর : ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মোড়ল চরিত্রটির বয়স ৫০ বছর।
প্রশ্ন \ ১৪ \ ‘কবিরাজ’ বলতে কী বোঝানো হয়?
উত্তর : আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে যিনি চিকিৎসা করেন তাকে কবিরাজ বলা হয়।
প্রশ্ন \ ১৫ \ ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার চরিত্র সংখ্যা কত?
উত্তর : ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার চরিত্র সংখ্যা পাঁচ।
প্রশ্ন \ ১৬ \ কবিরাজ কত সময়ের মধ্যে সুখী মানুষের জামা আনতে বলেছিল?
উত্তর : কবিরাজ রাত্রির মধ্যে সুখী মানুষের জামা আনতে বলেছিল।
প্রশ্ন \ ১৭ \ কবিরাজ মোড়লের মুখে কী ঢেলে দিতে বলেছিল?
উত্তর : কবিরাজ মোড়লের মুখে শবরত ঢেলে দিতে বলেছিল।
প্রশ্ন \ ১৮ \ মোড়ল সম্পর্কের দিক থেকে হাসুর কী হয়?
উত্তর : মোড়ল সম্পর্কের দিক থেকে হাসুর মামাতো ভাই হয়।
প্রশ্ন \ ১৯ \ মমতাজ উদ্দীন আহমদ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর : মমতাজ উদ্দীন আহমদ ১৯৩৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রশ্ন \ ২০ \ ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় কয়টি দৃশ্য?
উত্তর : ‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় ২টি দৃশ্য।
  অনুধাবনমূলক  
প্রশ্ন \ ১ \ মোড়ল বিছানায় শুয়ে ছটফট করছিল কেন?
উত্তর : অসুখের যন্ত্রণায় মোড়ল বিছানায় শুয়ে ছটফট করছিল।
‘সুখী মানুষ’ নাটিকায় মোড়ল শোষকশ্রেণির প্রতিনিধি। সে গরিব ও অসহায় মানুষের সম্পদ শোষণ করেছে। মানুষকে ঠকিয়ে, মানুষের মনে কষ্ট দিয়ে মোড়ল আজ এমন এক কঠিন রোগে আক্রান্ত যা থেকে মুক্তি লাভ অসম্ভব। তাই মোড়ল বিছানায় শুয়ে ছটফট করছে।
প্রশ্ন \ ২ \ অমন ভয় দেখাবেন না রহমতের একথা বলার কারণ কী?
উত্তর : প্রশ্নোক্ত উক্তিটি রহমত হাসুকে করেছিল মোড়লের রোগ নিরাময় সম্পর্কে।
পাপের ফলস্বরূপ মোড়ল কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় শুয়ে ছটফট করছে। কবিরাজ মোড়লের নাড়ি পরীক্ষা করছে। মোড়লের বিশ্বস্ত চাকর রহমত এবং আত্মীয় হাসু মোড়লের অসুখ সম্পর্কে কথা বলছে। এমন সময় হাসু রহমতকে বলে, ভালো করে শোনো, ঐ কবিরাজ যতই নাড়ি দেখুক, তোমার মোড়লের নিস্তার নেই। তাই রহমত হাসুকে বলে, অমন ভয় দেখাবেন না।
প্রশ্ন \ ৩ \ কাঠুরিয়া লোকটি নিজেকে সুখী মনে করে কেন?
উত্তর : কাঠুরিয়া লোকটির অধিক লোভও নেই। আবার অধিক চাহিদাও নেই। তাই কাঠুরিয়া লোকটি নিজেকে সুখী মনে করেন।
কাঠুরিয়া লোকটির চাওয়া এবং পাওয়া সবকিছুই তার সাধ্যের মধ্যে। কাঠুরিয়া লোকটির কোনো দুঃখ নেই। সে সারাদিন বনে কাঠ কেটে যা উপার্জন করে তা দিয়ে চাল, ডাল কিনে খায় এবং রাতে ঘুমিয়ে পড়ে। তার কোনো চিন্তা নেই, চাহিদা নেই, কিছু হারানোর ভয় নেই, চুরি হওয়ারও ভয় নেই। তাই সে নিজেকে সুখী মনে করে।
প্রশ্ন \ ৪ \ “তোমার মোড়লের নিস্তার নাই।”Ñ হাসুর এ কথা বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : ‘মোড়লের কৃতকর্ম ভালো না হওয়ায় হাসু আলোচ্য কথাটি বলেছে।
মোড়ল হলো একজন অসৎ চরিত্রের লোক। সে সুবর্ণপুরের মোড়ল। ক্ষমতার অপব্যবহার করে সে অন্যের জমি কেড়ে নিয়েছে, অন্যের কষ্টে ফলানো ধান লুট করেছে। মানুষের সম্পদ কেড়ে নিয়ে নিজের সম্পদের বহর বৃদ্ধি করেছে। তাই মোড়লের প্রতি সুবর্ণপুরের মানুষের মনে জমা হয়েছে অসীম ঘৃণা। এসব কারণেই হাসু আলোচ্য কথাটি বলেছে।
প্রশ্ন \ ৫ \ ‘দুনিয়াতে আমার মতো সুখী কে? আমি সুখের রাজা।’Ñ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : ‘দুনিয়াতে আমার মতো সুখী কে? আমি সুখের রাজা।’Ñ এটা সুখী মানুষের কথা।
মানুষের মনে যখন চাহিদার সৃষ্টি হয় তখন চাহিদা পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এক ধরনের অস্বস্তি কাজ করে। আবার যখন কারও হাতে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সম্পদ জমা হয় তখন সেসব সম্পদ রক্ষার একটা তাগিদ কাজ করে। কিন্তু যার কোনো চাহিদা নেই, তার সম্পদ আগলে রাখার তাড়াও নেই। তার মনে সুখ বিরাজ করে। এ কারণেই সুখী মানুষ আলোচ্য কথাটি বলেছে।
প্রশ্ন \ ৬ \ রহমত কেন হাউমাউ করে কাঁদার কথা বলল?
উত্তর : অসুস্থ মোড়লের চাকর রহমত তার মনিব সম্পর্কে হাসুর সমবেদনাহীন কথা শুনে হাউমাউ কারে কাঁদার কথা বলে।
মোড়লের অসুখ নিয়ে কথা বলার সময় তার আত্মীয় হাসু তার বিশ্বাসী চাকর রহমতকে মোড়লের বর্তমান অবস্থা এবং অসুখ থেকে মোড়লের নিস্তার নেই বলে জানায়। হাসুর এ ধরনের কঠোর মন্তব্যে রহমত উক্ত কথাগুলো বলে।
প্রশ্ন \ ৭ \ মোড়ল সুবর্ণপুরের মানুষদের ওপর কী রকম অত্যাচার করেছে?
উত্তর : মোড়ল সুবর্ণপুরের মানুষদের ঠকিয়ে, জোর করে তাদের জীবিকার মূলধন কেড়ে নিয়ে তাদের ওপর অত্যাচার করেছে।
মোড়ল একজন অত্যাচারী, কঠোর মানুষ। সে গ্রামের মানুষের গরু কেড়ে নিয়েছে। কারো ধান লুট করেছে। কারো বা মুরগি জবাই করে খেয়েছে। এসব মানুষদের সর্বস্বান্ত করে সে ধনী হয়েছে আবার তাদের দুঃখ দেখে হেসেছে। এভাবেই সে সবার ওপর অত্যাচার করেছে।
প্রশ্ন \ ৮ \ রহমত এবং হাসুও নিজেদের অসুখী মনে করে কেন?
উত্তর : রহমত এবং হাসুও নিজেদের অসুখী মনে করে, কারণ তাদেরও মনের মধ্যে চাহিদা আছে।
সুখী মানুষের সন্ধানে গিয়ে হাসু এবং রহমত যখন সুখী মানুষ খুঁজে পায় না, তখন তারা সুখের কারণ সন্ধান করে। সবারই কোনো না কোনো চাওয়া থাকে, যার কারণে সে সুখী হতে পারে না। হাসু এবং রহমতেরও চাওয়া মোড়লের জন্য জামা বখশিশ। তাই তারা নিজেদের অসুখী মনে করে।
প্রশ্ন \ ৯ \ মোড়লের সমস্যার সমাধান হলো না কেন?
উত্তর : সুখী মানুষের জামা খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে মোড়লের সমস্যার সমাধান হয়নি।
অত্যাচারী নিষ্ঠুর মোড়লের রোগ সারাবার একমাত্র উপায় ছিল একজন সুখী মানুষের জামা তাকে পরানো। কিন্তু অনেক খোঁজাখুঁজির পর সে সুখী মানুষ পাওয়া গেল কিন্তু তার কিছুই ছিল না। এমনকি গায়ের জামাও না। আর তাই মোড়লের সমস্যার সমাধান হলো না।

 

প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply