অষ্টম শ্রেণির ইসলাম আকাইদ

প্রথম অধ্যায়
আকাইদ

বিষয়-সংক্ষেপ

ইসলাম ধর্মের অনুসারী হওয়ার জন্য সর্বপ্রথম মৌলিক কতিপয় বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হয়। যেমন : আল্লাহ তায়ালা, নবি-রাসুল, ফেরেশতা, আখিরাত, আসিমানি কিতাব, তাকদির, পুনরুত্থান ইত্যাদির ওপর বিশ্বাস স্থাপন করা। ইসলামের এরূপ মৌলিক বিষয়গুলোর ওপর বিশ্বাসকে আকাইদ বলা হয়। আকাইদ শব্দটি বহুবচন। একবচনে ‘আকিদা’ যার অর্থ বিশ্বাস। আকাইদের বিষয়গুলোর প্রতি বিশ্বাস করা জরুরি। এর কোনো একটিকে অবিশ্বাস করলে কেউ মুসলিম হতে পারে না। এজন্য আকাইদ হলো ইসলামের প্রধান ভিত্তি। তাছাড়া আকাইদের বিষয়গুলো পবিত্র কুরআন ও হাদীস দ্বারা স্বীকৃত।
পাঠ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি

ইমান : ইমান শব্দের অর্থ বিশ্বাস। ইসলামের মূল বিষয়গুলোর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করাকেই ইমান বলা হয়। প্রকৃত অর্থে আল্লাহ তায়ালা, নবি-রাসুল, ফেরেশতা, আখিরাত, তাকদির ইত্যাদি বিষয় মনে-প্রাণে বিশ্বাস করা ও মেনে নেয়াই হলো ইমান।
ইমানের বিষয় : ইমান বা বিশ্বাসের মৌলিক বিষয় মোট সাতটি। মুমিন হওয়ার জন্য এ সাতটি বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। ইমানের বিষয়গুলো হলো- আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস, ফেরেশতাগণের প্রতি বিশ্বাস, আসমানি কিতাবের প্রতি বিশ্বাস, নবি-রাসুলগণের প্রতি বিশ্বাস, আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস, তাকদিরের প্রতি বিশ্বাস ও মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের প্রতি বিশ্বাস।
নিফাক : নিফাক শব্দের অর্থ ভণ্ডামি, কপটতা, প্রতারণা, দ্বিমুখী নীতি ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায় মুখে ইমানের স্বীকার ও অন্তরে অবিশ্বাস করাকে নিফাক বলা হয়।
মুনাফিকদের চরিত্র : মিথ্যা ও প্রতারণা করাই মুনাফিকদের চরিত্র। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায়, অন্তরে কুফর ও অবাধ্যতা গোপন করে মুখে ইসলামের কথা স্বীকার করার নাম হলো নিফাক। যে এরূপ কাজ করে তাকে বলা হয় মুনাফিক। মুনাফিকদের চরিত্র দেখলে এর সত্যতা পাওয়া যায়।
নিফাক পরিহার : নিফাক পরিহার করার তিনটি উপায় রয়েছে। উপায়গুলো হলো- (১) কথা বলার সময় সত্য কথা বলবে, মিথ্যা কথা বলবে না। (২) কাউকে কথা দিলে তা রক্ষা করবে। (৩) আমানত রক্ষা করবে।
আসমাউল হুসনা : আসমাউল হুসনা শব্দের অর্থ সুন্দর নামসমূহ। ইসলামি পরিভাষায় আল্লাহ তায়ালার সুন্দর সুন্দর গুণবাচক নামসমূহকে একত্রে আসমাউল হুসনা বলা হয়। আল কুরআনে আল্লাহ তায়ালার এরূপ বহু গুণবাচক নাম উল্লেখ করা হয়েছে। হাদিস শরিফেও আল্লাহ তায়ালার ৯৯টি গুণবাচক নামের কথা বলা হয়েছে।
রিসালাত : আকাইদের বিষয়সমূহের মধ্যে রিসালাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রিসালাত অর্থ সংবাদ বহন, খবর বা চিঠি পৌঁছানো। ইসলামি পরিভাষায় আল্লাহ তায়ালার বাণী, আদেশ-নিষেধ মানুষের নিকট পৌঁছানোকে রিসালাত বলে।
খতমে নবুয়ত : খতম শব্দের অর্থ শেষ, সমাপ্ত। আর নবুয়ত অর্থ পয়গম্বারি, নবিগণের দায়িত্ব ইত্যাদি। সুতরাং খতমে নবুয়ত অর্থ নবিগণের দায়িত্বের পরিসমাপ্তি বা নবুয়তের সমাপ্তি। মানবজাতির হিদায়াতের জন্য আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে বহু নবি-রাসুল প্রেরণ করেন। নবুয়ত তথা নবি-রাসুল আগমনের ক্রমধারার পরিসমাপ্তিকেই খতমে নবুয়ত বলা হয়।
আখিরাত : আখিরাত হলো মৃত্যুর পরবর্তী জীবন। বাংলা ভাষায় একে পরকাল বলা হয়। ইসলামি পরিভাষায় মৃত্যুর সাথে সাথে মানুষের যে নতুন জীবন শুরু হয় তা-ই পরকাল বা আখিরাত। এ জীবনের শুরু আছে কিন্তু শেষ নাই।
শাফাআত : শাফাআত শব্দের অর্থ সুপারিশ করা, অনুরোধ করা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায় কল্যাণ ও ক্ষমার জন্য আল্লাহ তায়ালার নিকট নবি-রাসুলগণের সুপারিশ করাকে শাফাআত বলে।
জান্নাত : জান্নাত শব্দের অর্থ বাগান, উদ্যান, আবৃত স্থান। ফারসি ভাষায় একে বলা হয় বেহেশত। বাংলায় একে বলা হয় স্বর্গ। ইসলামি পরিভাষায়, আখিরাতে ইমানদার ও নেককার বান্দাদের জন্য যে চিরশান্তির আবাসস্থল তৈরি করে রাখা হয়েছে তাকে জান্নাত বলা হয়।
জাহান্নাম : জাহান্নাম হলো আগুনের গর্ত, শাস্তির স্থান। একে দোযখ বা নরকও বলা হয়। ইসলামি পরিভাষায় আখিরাতে কাফির, মুশরিক, মুনাফিক ও পাপীদের শাস্তির জন্য যে স্থান নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে তাকে জাহান্নাম বলা হয়।
ইমান ও নৈতিকতা : ইমান হলো বিশ্বাস। ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোতে বিশ্বাস স্থাপন করাকে ইমান বলা হয়। যে ব্যক্তি ইমান আনে তাকে বলা হয় মুমিন। আর নৈতিকতা হলো নীতিসম্বন্ধীয়, নীতিমূলক কাজে-কর্মে, কথাবার্তায় নীতি ও আদর্শের অনুসরণ করা।

বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর

১. ইমানের মৌলিক বিষয় কয়টি?
ঘ তিনটি খ পাঁচটি  সাতটি ঘ আটটি
২. নিফাকের ফলে সমাজে সৃষ্টি হয় Ñ
র. অশান্তি রর. ঝগড়া বিবাদ ররর. মতৈক্য
কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং ৩ ও ৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও :
সাকিব ও সানিদ একই অফিসে চাকরি করে। সাকিব যথাসময়ে অফিসে আসে এবং অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে। সানিদ সুযোগ পেলেই বিভিন্ন অজুহাতে নির্দিষ্ট সময়ের পর অফিসে আসে এবং কাজেকর্মে ফাঁকি দেয়।
৩. সাকিবের একনিষ্ঠতার পেছনে কোন বিশ্বাসটি কাজ করছে?
ক তাকদির  আখিরাত
গ হাশর ঘ মিযান
৪. সানিদের কার্যক্রমের ফলে সে পাবে Ñ
র. শাস্তি
রর. তিরস্কার
ররর. নিন্দা
কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর

৫. ‘আকিদা’ শব্দের অর্থ কী?
 বিশ্বাস খ কপটতা গ অবিশ্বাস ঘ বিশ্বাসমালা
৬. বেহেশত কোন ভাষার শব্দ?
ক বাংলা খ আরবি গ ফরাসি  ফারসি
৭. বড় আসমানি কিতাব কয়খানা?
ক ২  ৪ গ ১০০ ঘ ১০৪
৮. কর্মফল ভোগের স্থান হচ্ছেÑ
 ইহকাল খ আখিরাত
গ যৌবনকাল ঘ বৃদ্ধকাল
৯. প্রত্যেক জাতির মধ্যে রাসুল প্রেরণের উদ্দেশ্য হচ্ছে-
র. আল্লাহর ইবাদত করা রর. আল্লাহর বিধিবিধান প্রচার করা
ররর. তাগুতকে বর্জন করা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র খ রর ও ররর গ র ও ররর  র, রর ও ররর
১০. সানিদের কার্যক্রমের ফলে সে পাবে Ñ
র. পাপী মুসলমানগণ রর. অবিশ্বাসীগণ ররর. জান্নাতিগণ
কোনটি সঠিক?
 র খ র ও রর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১১ ও ১২ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
মিজান তার পিতার নিকট থেকে বই কেনার জন্য টাকা নেয়। কিন্তু সে বই না কিনে বন্ধুদের নিয়ে টাকাগুলো খরচ করে ফেলে। তাকে জিজ্ঞেস করলে সে মিথ্যা কথা বলে।
১১. মিজানের আচরণ কিসের শামিল?
ক কুফরের  নিফাকের গ শিরকের ঘ যুলুমের
১২. মিজান এ অভ্যাস ত্যাগ না করলে সেÑ
ক কাফির হবে খ নাস্তিক হবে  মুনাফিক হবে ঘ মুশরিক হবে
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১৩ ও ১৪ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
বেলায়েত সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি খতমে নবুয়ত ও আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস রাখেন।
১৩. খতমে নবুয়তে বিশ্বাস করা তার জন্যÑ
ক সামাজিক দায়িত্ব খ পারিবারিক কর্তব্য
 বাধ্যতামূলক ঘ ঐচ্ছিক
১৪. আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাসের ফলে বেঁচে থাকা যায়Ñ
ক প্রতারণা থেকে  অনৈতিক কাজ থেকে গ মিথ্যা থেকে ঘ ঘৃণা থেকে

পাঠ-১ : ইমান
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১৫. আকাইদ শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
ক আনুগত্য খ সত্যবাদিতা  বিশ্বাসমালা ঘ স্বীকার করা
১৬. আল্লাহর বড় নিয়ামত কোনটি? [খুলনা জিলা স্কুল]
ক ঘর বাড়ি খ গাছপালা গ ইসলাম  ইমান
১৭. ‘আর সম্মান তো কেবল আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং মুমিনদের জন্যই।’ উহা সূরা মুনাফিকুন এর কততম আয়াত?
[জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড হাইস্কুল, সিলেট]
 ৮ খ ৯ গ ১০ ঘ ১১
১৮. ইমানের মধ্যে কয়টি দিক রয়েছে? (জ্ঞান)
 ৩ খ ২ গ ৪ ঘ ৫
১৯. যারা ইমান আনে তাদের কী বলা হয়? (জ্ঞান)
ক মুসলিম  মুমিন গ মুহসীন ঘ মুকীম
২০. সার্বভৌমত্বের অধিকারী ইবাদতের যোগ্য কে? (জ্ঞান)
ক মানুষ খ জিন গ ফেরেশতা  আল্লাহ তায়ালা
২১. ইমানের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান বিষয় কী? (জ্ঞান)
 আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস খ রিসালাত গ আখিরাত ঘ তাকদির
২২. যাদের ওপর কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে তাঁদেরকে কী বলা হয়? (জ্ঞান)
ক নবি  রাসুল গ ফেরেশতা ঘ ওলি
২৩. মৃত্যুর পরের জীবনকে কী বলা হয়? (জ্ঞান)
ক কিয়ামত খ হাশর গ দুনিয়া  আখিরাত
২৪. তাকদির শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
ক সত্য খ বিশ্বাস  ভাগ্য ঘ পরকাল
২৫. ইসলামের মূল বিষয়গুলো বিশ্বাস করাকে কী বলে? (জ্ঞান)
ক ইমান খ ইসলাম  আকাইদ ঘ মুমিন
২৬. ইসলাম অর্থ কী? (জ্ঞান)
ক স্বীকার  আনুগত্য গ বিশ্বাসমালা ঘ ইবাদত
২৭. লিঙ্গ বিভাজন নেই কাদের? (অনুধাবন)
ক মানুষের  ফেরেশতাদের গ জিনদের ঘ পশুপাখির
২৮. মানুষ পৃথিবীতে আল্লাহর কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
 প্রতিনিধি খ দূত গ নবি ঘ সৈন্য
২৯. নবি-রাসুল প্রেরণের উদ্দেশ্য কী? (অনুধাবন)
 মানবজাতির হিদায়াত খ মানুষের সেবা
গ যুদ্ধ-বিগ্রহের অবসান ঘ ইসলাম প্রচার
৩০. প্রথম নবি কে? (অনুধাবন)
 হযরত আদম (আ) খ হযরত নূহ (আ)
গ হযরত ইয়াকুব (আ) ঘ হযরত লুত (আ)
৩১. যারা আখিরাতে বিশ্বাস করেনি, সব নবির যুগেই তারা গণ্য হয়েছে কী হিসেবে? (অনুধাবন)
 কাফির খ মুনাফিক গ জালিম ঘ মুশরিক
৩২. ইমান কাকে বলে? (অনুধাবন)
ক আল্লাহ, রাসুল ও আখিরাতের বিশ্বাসের সমন্বয়
 মুখে স্বীকার, অন্তরে বিশ্বাস ও আমলের সমন্বয়
গ তাওহিদ, রিসালাত ও আখিরাতের সমন্বয়
ঘ বাস্তব জীবনে তাওহিদে বিশ্বাসের সমন্বয়
৩৩. সিফাত নবি (স.) কে শেষ নবি হিসেবে মানে না। হাসানের ঐ বিশ্বাস কীরূপ? (প্রয়োগ)
ক শিরকি খ যুক্তিযুক্ত গ সঠিক  কুফরি
৩৪. আমাদের আখিরাতে কাটাতে হবে অফুরন্ত সময়। সেখানে সফলকাম হওয়ার জন্য আমাদের কী করা উচিত? (প্রয়োগ)
ক সৎভাবে জীবনযাপন করা
খ নিয়মিত নামায আদায় করা
গ সুদ, ঘুষ না খাওয়া
 পরিপূর্ণভাবে ইসলামের মধ্যে নিজেকে অন্তর্ভুক্ত করা
৩৫. মুরাদ ইসলামের বিধিবিধান বর্জন করে ছন্দহীন জীবনযাপন করে। এজন্য তাকে কীসের জবাবদিহি করতে হবে? (প্রয়োগ)
 দুনিয়ার ভালো-মন্দ কাজের খ শুধু মন্দ কাজের
গ শুধু পাপ কাজের ঘ শুধু ভালো কাজের
৩৬. আখি সৎ কাজ করে। এর প্রতিদান হিসেবে আখিরাতে সে কী পাবে? (প্রয়োগ)
 জান্নাত খ আমলনামা
গ ফলমূল ঘ পুলসিরাত
৩৭. একজন ইমানদার কীভাবে অনুধাবন করবে যে, পরকালীন জীবন বাস্তবসম্মত? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক দুনিয়ার জবাবদিহিতা দেখে  হাদিস ও কুরআনের ওপর বিশ্বাস দ্বারা
গ প্রাণিকুলের অবস্থা দেখে ঘ সঠিক বিচার দেখে
৩৮. মানুষের ভাগ্যলিপি পূর্বেই নির্ধারিত, তা বিশ্বাস করা জরুরি। এ ব্যাপারে আমাদের করণীয় কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
 রহমতের আশায় কাজ করব খ জাহান্নামের ভয়ে কাজ করব
গ জান্নাতের আশায় কাজ করব ঘ সাওয়ারের আশায় কাজ করব
৩৯. ইমান ছাড়া আমল অর্থহীন। তাই আমলের পূর্বে ইমান আনতে হবে। এতে অন্তরে কী পয়দা হয়? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা
খ আল্লাহর প্রতি মমতা
গ আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের অনুরাগ
 আল্লাহর প্রতি অনুরাগ এবং সন্তুষ্টি লাভের কামনা
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৪০. কিয়ামত দিবসে মানুষের পক্ষে ও বিপক্ষে সাক্ষ্য দিবেÑ (অনুধাবন)
র. নবি ও রাসুল রর. ফেরেশতা ররর. অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৪১. ওহি বহনকারী ফেরেশতার নামÑ (অনুধাবন)
র. ফেরেশতাদের মধ্যে প্রধান রর. আযরাইল (আ)
ররর. জিবরাইল (আ)
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
 অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৪২ ও ৪৩ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
নজরুল সাহেব একজন সৎ পুলিশ অফিসার। কর্মক্ষেত্রে তিনি তার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন। কোনো প্রকাশ ঘুষ, সুদ ও অন্যায় অপরাধের সাথে জড়িত নন।
৪২. উদ্দীপকে নজরুলকে এরূপ সৎ হওয়ার পেছনে কোন বিশ্বাসটি কাজ করেছে? (প্রয়োগ)
 আখিরাতে বিশ্বাস খ দুনিয়ার প্রতি বিশ্বাস
গ কবরের প্রতি বিশ্বাস ঘ সম্পদের প্রতি অনীহা
৪৩. নজরুলের এরূপ বিশ্বাসের ফলে সে আখিরাতে লাভ করবে  (উচ্চতর দক্ষতা)
র. আল্লাহর অনুগ্রহ রর. ফেরেশতাদের সন্তুষ্টি
ররর. জান্নাত
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
পাঠ-২ : নিফাক
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৪৪. কাফিরদের চিরস্থায়ী ঠিকানা কোথায়? (জ্ঞান)
 জাহান্নাম খ জান্নাত গ ইল্লিয়্যিন ঘ সিজ্জিন
৪৫. নিশ্চয়ই মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের সর্ব নিম্ন স্তরেÑ এটি কোন সূরার আয়াত? [মোহাম্মদপুর স্কুল এন্ড কলেজ]
ক আল-মুনাফিকুন  আন নিসা গ আল-বাকারা ঘ আর রহমান
৪৬. নিফাক শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
ক ক্ষমা  কপটতা গ মমতা ঘ সত্যবাদিতা
৪৭. মুনাফিকের চিহ্ন কয়টি? (জ্ঞান)
 তিন খ পাঁচ গ সাত ঘ নয়
৪৮. মুনাফিকদের বর্ণনায় কুরআনের কোন সূরাটি নাজিল হয়েছে? (জ্ঞান)
ক সূরা মুজ্জাম্মিল খ সূরা মুতাফফিফীন  সূরা মুনাফিকুন ঘ সূরা মাউন
৪৯. মুনাফিকরা মুসলমানের ক্ষতি করে কীভাবে? (অনুধাবন)
 বিশ্বাসঘাতকতা করে খ যুদ্ধ করে
গ কাফিরদের সঙ্গে নিয়ে ঘ সার্বিক প্রচারণা করে
৫০. মুনাফিকদের মর্যাদা নেই কেন? (অনুধাবন)
ক অংশীবাদের কারণে  দ্বিমুখী নীতির কারণে
গ নাস্তিকতার কারণে ঘ অন্তর খারাপের কারণে
৫১. মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের নিম্নস্তরে কেন? (অনুধাবন)
ক অর্থের অভাবে খ জুলুমের কারণে  মুনাফিকির কারণে ঘ জাহান্নামের কারণে
৫২. মুনাফিকরা কাদের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর? (উচ্চতর দক্ষতা)
 কাফিরদের খ ফাসিকদের গ মিথ্যাবাদীদের ঘ গীবতকারীদের
৫৩. তমা তার বান্ধবীকে কথা দিল সে আজ তাকে নিয়ে চিড়িয়াখানায় যাবে; কিন্তু কোনো কারণ না থাকাসত্তে¡ও সে গেল না। এটি ইসলামের দৃষ্টিতে কীসের আলামত? (প্রয়োগ)
ক কুফরির  নিফাকের গ ফিসকের ঘ শিরকের
৫৪. নাসির প্রায়ই মিথ্যা কথা বলে। তার কাছে কোনো জিনিস রাখলে ফেরত দিতে চায় না। নাসিরের আচরণে কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? (প্রয়োগ)
 মুনাফিকি খ ফাসেকি গ কুফরি ঘ শিরকি
৫৫. “নিশ্চয়ই মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে”Ñ অনূদিত আয়াতটিতে কী ফুটে উঠেছে? (উচ্চতর দক্ষতা)
 শাস্তি খ তাওবা গ শান্তি ঘ ভয়
৫৬. “আর আল্লাহ সাক্ষ্য দেন যে, মুনাফিকরা নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী” আয়াতটিতে মুনাফিকদের কী ফুটে উঠেছে? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক নিদর্শন  চরিত্র গ আকৃতি ঘ বর্ণনা
৫৭. মুনাফিকরা সবসময় মুসলমানদের ক্ষতি করার চিন্তায় থাকত। তারা কাদের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর? (উচ্চতর দক্ষতা)
 কাফিরদের খ মিথ্যাবাদীদের
গ গীবতকারীদের ঘ ফাসিকদের
৫৮. মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে কেন? (অনুধাবন)
 মুনাফিক কাফির অপেক্ষা মারাত্মক বলে
খ মুনাফিক মিথ্যাবাদী বলে
গ মুনাফিক ওয়াদা ভঙ্গকারী বলে
ঘ মুনাফিক খিয়ানতকারী বলে
৫৯. মুনাফিকরা কাফির কেন? (অনুধাবন)
ক কাফিরদের সহযোগিতা করে বলে
খ কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব করে বলে
 অন্তরে অবিশ্বাস ও অবাধ্যতা লুকিয়ে রাখে বলে
ঘ তাদের অন্তর খারাপ বলে
৬০. আল্লাহ তায়ালা কাদেরকে মিথ্যাবাদী বলেছেন? (জ্ঞান)
ক কাফির খ মুশরিক  মুনাফিক ঘ ফাসিক
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৬১. মুনাফিকের স্বভাব হলোÑ (অনুধাবন)
র. মিথ্যা বলা রর. ওয়াদা ভঙ্গ করা
ররর. আমানতের খিয়ানত করা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৬২. নাসির মিথ্যাবাদী। কবির নাসিরকে সংশোধন করতে পারেÑ (প্রয়োগ)
র. নাসিরের সঙ্গ ত্যাগ করে রর. নিফাকের কুফল বুঝিয়ে
ররর. মুনাফিকের শাস্তির ভয় দেখিয়ে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৬৩. মুনাফিকরাÑ (অনুধাবন)
র. মিথ্যাবাদী রর. আমানত খিয়ানতকারী
ররর. মানুষ হত্যাকারী
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
 অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৬৪ ও ৬৫ প্র্রশ্নের উত্তর দাও :
অষ্টম শ্রেণির ছাত্র রাসেল প্রায়ই মিথ্যা বলে। কোনো জিনিস তার কাছে রাখলে ফেরত দিতে চায় না।
৬৪. রাসেলের স্বভাবে যে দিকটি ফুটে উঠেছে (প্রয়োগ)
 নিফাক খ ফাসেক গ শিরক ঘ জুলুম
৬৫. রাসেলের কর্মকাণ্ডের পরিণতিÑ (অনুধাবন)
র. জান্নাত রর. জাহান্নাম
ররর. আল্লাহর ক্রোধ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৬৬ ও ৬৭ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তুষার খালিদের কাছে একটি কলম ও ব্যাগ আমানত হিসাবে রাখে। তুষার কলম ও ব্যাগ ফেরত চাইলে খালিদ অস্বীকার করে।
৬৬. খালিদের কাজের দ্বারা কী প্রকাশ পেয়েছে? (প্রয়োগ)
 মুনাফিকী খ কুফরি গ অস্বীকার ঘ জুলুম
৬৭. উক্ত কাজের ফলে খালিদ- (উচ্চতর দক্ষতা)
র. সাওয়াব পাবে
রর. জাহান্নামের সর্ব নি¤œ স্তরে থাকবে
ররর. আল­াহর অসন্তুষ্টি লাভ করবে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
পাঠ-৩ : আসমাউল হুসনা
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৬৮. ‘আসমাউল হুসনা’ শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
ক প্রিয়তম নামসমূহ  সুন্দরতম নামসমূহ
গ নিকটতম নাম সমূহ ঘ শ্রেষ্ঠতম নাম সমূহ
৬৯. আল্লাহর পরিচয় প্রকাশ করে  [খুলনা জিলা স্কুল]
ক আল্লাহর শক্তি  আসমাউল হুসনা
গ আল্লাহর সৃষ্টি ঘ আল্লাহ শব্দটি
৭০. ‘মুহাইমিনুন’ শব্দের অর্থ কী? [যশোর জিলা স্কুল; পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ, রংপুর]
ক অতিশয় দয়াবান  রক্ষণাবেক্ষণকারী
গ অমুখাপেক্ষী ঘ হিসাব গ্রহণকারী
৭১. তাহিরা নিজের গুনাহ ক্ষমা পাওয়ার জন্য আল্লাহকে কোন নামে ডাকবে? [বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়]
 গাফফারুন খ হাসিবুন গ সামাদুন ঘ খালিকুন
৭২. হুসনা শব্দের অর্থ কী? [মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল এন্ড কলেজ]
ক প্রিয়তম  সুন্দরতম গ শ্রেষ্ঠতম ঘ নিকৃষ্টতম
৭৩. গাফফারুন শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
ক অত্যন্ত ধৈর্যশীল খ অতি দয়ালু
 অতি ক্ষমাশীল ঘ অতি মমতাময়
৭৪. সামাদুন শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
ক সহনশীল  অমুখাপেক্ষী গ ক্ষমাশীল ঘ পরনির্ভরশীল
৭৫. সিফাত শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
 গুণবাচক খ সুন্দরতম গ গুণ ঘ সুন্দর সুন্দর নাম
৭৬. আল্লাহর গুণবাচক নামের সংখ্যা কত? (জ্ঞান)
ক ১০০  ৯৯ গ ১০৪ ঘ ৯৫
৭৭. সকল গুণের আধার কে? (জ্ঞান)
ক মহানবি (স)  আল্লাহ তায়ালা গ মানুষ ঘ ফেরেশতাগণ
৭৮. মানব জীবনের জন্য আদর্শ কী? (অনুধাবন)
ক কালিমা তায়্যিবা খ কালিমা শাহাদাত
 আসমাউল হুসনা ঘ ইমান মুজমাল
৭৯. চরিত্র সুন্দর হয় কী করলে? (অনুধাবন)
ক আল্লাহকে স্মরণ করলে খ গরিবদের সাহায্য করলে
গ হক আদায় করলে  নিজেকে আল্লাহর গুণে গুণান্বিত করলে
৮০. ‘আল্লাহু গাফুরুন’ নামের দ্বারা আমরা কী শিখতে পারি? (প্রয়োগ)
ক আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা খ রাসুলের প্রতি শ্রদ্ধাভক্তি
 মানুষকে ক্ষমা করা ঘ মানুষের প্রতি নমনীয় হওয়া
৮১. আল্লাহর সামাদ গুণটি আমাদের একটি কাজ না করতে প্রভাবিত করে। সেটি কী? (প্রয়োগ)
ক অন্যকে রক্ষা করতে খ সত্য রক্ষা করতে
 পরনির্ভরশীল না হতে ঘ মিথ্যা না বলতে
৮২. মহানবি (স) কিয়ামত দিবসে কিছু লোকের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন। কারণ কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
 সহজ হিসাব-নিকাশের জন্য খ পাপ মোচনের জন্য
গ কঠিন হিসাব-নিকাশের জন্য ঘ পাপীদের হিসাবের জন্য
৮৩. আল্লাহর রং কী? (জ্ঞান)
 আল্লাহর দীন খ আল্লাহর ক্ষমতা
গ আল্লাহর বিচার ঘ আল্লাহর নিয়ামত
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৮৪. নিজেকে আল্লাহর গুণে গুণান্বিত করতে পারলেÑ (প্রয়োগ)
র. চরিত্র সুন্দর হয় রর. আদর্শ মানুষ হওয়া যায়
ররর. আল্লাহর গজব নাজিল হয়
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৮৫. আল্লাহর সুন্দর নামসমূহের মধ্যে অন্যতম নাম রাউফুন। কারণÑ
(উচ্চতর দক্ষতা)
র. আল্লাহ মহাজ্ঞানী রর. আল্লাহ অতি দয়ালু
ররর. আল্লাহর দয়ামায়ার শেষ নেই
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর, ররর ঘ র ও ররর
৮৬. আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হওয়া (অনুধাবন)
র. ফরজ রর. ওয়াজিব ররর. অবশ্য কর্তব্য
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
 অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৮৭ ও ৮৮ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
মামুন তার বন্ধু রানার সাথে খারাপ আচরণ করে। পরে মামুন তার ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হয়ে রানার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। রানা তাকে ক্ষমা করে দেয়।
৮৭. রানার ক্ষমা করা কোন ধরনের গুণ? (প্রয়োগ)
 মহত্তে¡র লক্ষণ খ ভালোবাসার নিদর্শন
গ সামাজিক বিধান ঘ রাষ্ট্রীয় বিধান
৮৮. রানার আচরণ আল্লাহর যে গুণটি প্রকাশ পেয়েছে- (উচ্চতর দক্ষতা)
র. ধৈর্যশীলতার রর. ক্ষমার ররর. স্নেহশীলতার
নিচের কোনটি সঠিক?
 রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
পাঠ-৪ : রিসালাত
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৮৯. রাসুল শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
 সংবাদবাহক খ সমাপ্ত গ মনোনীত ঘ বাহন
৯০. যাদের নিকট আসমানি কিতাব অবতীর্ণ হয়নি তাঁরা কী? (জ্ঞান)
ক রাসুল খ ওলি  নবি ঘ নবি ও রাসুল
৯১. সমগ্র জাহানের নবি কে? (জ্ঞান)
ক হযরত আদম (আ) খ হযরত ঈসা (আ)
 হযরত মুহাম্মদ (স) ঘ হযরত হুদ (আ)
৯২. যিনি আল্লাহ তায়ালার ওহি বহন করেন তাকে কী বলে? (জ্ঞান)
 রাসুল খ রিসালাত গ রক্ষক ঘ জিন
৯৩. সব নবিই রাসুল নন, কিন্তু সব রাসুলই নবি। এ পার্থক্য নিরূপণ করা হয় কীসের ভিত্তিতে? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক জ্ঞান খ তাকওয়া  কিতাব ঘ হিকমত
৯৪. নবি-রাসুল পৃথিবীতে আসার কারণ কী? (জ্ঞান)
ক শাফাআত করা  হিদায়াত করা
গ রিসালাত প্রচার ঘ কারামত প্রকাশ করা
৯৫. নবিগণ কী প্রচার করতেন? (জ্ঞান)
ক মূর্তিপূজা করতেন
খ মানুষকে রাজনীতি শিখাতেন
 পূর্ববর্তী রাসুলের শরিয়ত প্রচার করতেন
ঘ জান্নাতের লোভ দেখাতেন
৯৬. আল্লাহ সকল নবি-রাসুলকে কী থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন? (জ্ঞান)
ক দাওয়াত খ তাবলিগ গ ঘুম  শিরক
৯৭. পবিত্র কুরআনে কতজন নবি-রাসুলের নাম উল্লেখ আছে? (জ্ঞান)
ক ২০ খ ২২  ২৫ ঘ ২৬
৯৮. কেন পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়? (প্রয়োগ)
ক প্রাকৃতিক কারণে  পাপাচারের কারণে
গ ভ‚মিকম্পের কারণে ঘ সুনামির কারণে
৯৯. ইসা (আ:) -এর নিকট কিতাব নাজিল হয়েছে। এক্ষেত্রে তাঁকে কী বলা যায়? (প্রয়োগ)
ক নবি খ প্রদর্শক  রাসুল ঘ শিক্ষক
১০০. নবি ও রাসুলগণের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কলুষমুক্ত। তাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক সত্যবাদী খ ন্যায়পরায়ণতা
গ উন্নত চরিত্রের অধিকারী  প্রতারণা
১০১. মহানবি (স) কে রিসালাত দিয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। তাঁর রিসালাতের ব্যাপ্তি কতটুকু? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক মদিনা পর্যন্ত খ সমগ্র আরব
 সমগ্র পৃথিবী ঘ মক্কা পর্যন্ত
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১০২. রাসুল প্রেরণের প্রয়োজন হতোÑ (অনুধাবন)
র. মানুষের পাপাচারের কারণে
রর. মানুষকে তাওহীদের পথে ডাকতে
ররর. আল্লাহকে ভুলে যাওয়ার কারণে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও রর
১০৩. নবি-রাসুলগণ মানুষেরÑ (অনুধাবন)
র. বন্ধু রর. শিক্ষক ররর. পথ প্রদর্শক
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
পাঠ-৫ : খতমে নবুয়ত
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১০৪. খতমে নবুয়ত অর্থ কী? (জ্ঞান)
ক নবুয়তের মর্যাদা খ নবুয়তের ক্রমধারা
গ নবুয়তের প্রারম্ভ  নবুয়তের পরিসমাপ্তি
১০৫. এক নবির পর অপর নবি আগমনের কারণ কয়টি? (জ্ঞান)
[পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ, রংপুর]
 তিন খ পাঁচ গ সাত ঘ চার
১০৬. কার পর পৃথিবীতে আর কোনো নবি আসবেন না? (জ্ঞান)
ক হযরত ঈসা (আ)  হযরত মুহাম্মদ (স)
গ হযরত সালিহ (আ) ঘ হযরত আদম (আ)
১০৭. খতম শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
 শেষ খ পরিসমাপ্তি গ বিজয় ঘ অসমাপ্ত
১০৮. খাতামুন নাবিয়্যিন কে? (জ্ঞান)
ক হযরত আদম (আ) খ হযরত ইবরাহিম (আ)
গ হযরত ঈসা (আ)  হযরত মুহাম্মদ (স)
১০৯. কার শিক্ষা ও হিদায়াত আজও বিদ্যমান? (জ্ঞান)
ক হযরত আদম (আ)-এর খ হযরত মুসা (আ)-এর
গ হযরত ইবরাহিম (আ)-এর  হযরত মুহাম্মদ (স)-এর
১১০. কার মাধ্যমে ইসলামের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা দেয়া হয়েছে? (অনুধাবন)
ক হযরত আদম (আ)-এর খ হযরত মুসা (আ)-এর
গ হযরত ঈসা (আ)-এর  হযরত মুহাম্মদ (স)-এর
১১১. কাদিয়ানী সম্প্রদায় গোলাম আহমদকে নবি বলে স্বীকার করে। তাদের এ বিশ্বাস কীসের পরপন্থী? (প্রয়োগ)
ক শাফাআতের  খতমে নবুয়তের
গ খেলাফতে ঘ রিসালাতের
১১২. পুরো দালানে একটি ইট লাগানো বাকি ছিল। ইট লাগাতেই সে দালান পরিপূর্ণ হয়ে গেল। নবুয়তও তেমনি একট দালানের সদৃশ্য। সেই দালানের সর্বশেষ ইট কে? (প্রয়োগ)
ক হযরত আদম (আ) খ হযরত ইয়াকুব (আ)
 হযরত মুহাম্মদ (স) ঘ হযরত ইউসুফ (আ)
১১৩. খতমে নবুয়তের প্রতি বিশ্বাস করা ইমানের অঙ্গ। এতে অবিশ্বাসী কীসের শামিল? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক মুনাফিক  কাফির গ মুশরিক ঘ ফাসিক
১১৪. “রিসালাত ও নবুয়তের ধারা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আমার পর আর কোনো নবি ও রাসুল আসবেন না।”Ñ এ বাণীটি কার? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক আল্লাহ তায়ালার  রাসুলুল্লাহ (স)-এর
গ জাবির ইবন হাইয়্যান-এর ঘ ইমাম গাযালি-এর
১১৫. “আমি তো আপনাকে সমগ্র মানবজাতির প্রতি সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি।”Ñ এ উক্তিটি কে করেছেন? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক হযরত মুহাম্মদ (স) খ ইমাম গাযালি
গ হযরত মুসা (আ)  আল্লাহ তায়ালা
১১৬. “মুহাম্মদ তোমাদের কোনো পুরুষের পিতা নন, বরং তিনি আল্লাহর রাসুল এবং সর্বশেষ নবি।”Ñ এটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
 খতমে নবুয়ত খ রিসালাত গ শাফাআত ঘ আখিরাত
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১১৭. খতমে নবুয়ত বলতে বোঝায়- (অনুধাবন)
র. নবিগণের দায়িত্বের পরিসমাপ্তি রর. আল্লাহর বাণী পৌঁছানো
ররর.নবুয়তের সমাপ্তি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১১৮. খতমে নবুয়ত সম্পর্কে আমাদের কর্তব্য হলোÑ (উচ্চতর দক্ষতা)
র. খতমে নবুয়ত বিশ্বাস করা
রর. মহানবি (স.) এর শিক্ষা মেনে নেয়া
ররর. মহানবি (স.) এর আদর্শ অনুসরণ করা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
 অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১১৯ ও ১২০ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
নাফিজ বলল, আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, ‘বরং তিনি আল্লাহর রাসুল ও সর্বশেষ নবি।’ ‘তাঁর পরে কোনো নবি আসবে না।’
১১৯. অনুচ্ছেদে তিনি বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে? (প্রয়োগ)
 হযরত মুহাম্মদ (স) কে খ হযরত আদম (আ) কে
গ হযরত নুহ (আ) কে ঘ হযরত ঈসা (আ) কে
১২০. তিনিই (স) সর্বশেষ নবি। কারণÑ (উচ্চতর দক্ষতা)
র. তাঁর শিক্ষা বিলীন হয়নি রর. তাঁর শিক্ষা সম্পূর্ণ
ররর. তাঁর শিক্ষা সকল জাতির জন্য
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১২১ ও ১২২ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
ভণ্ডপীরের মুরিদ রফিক মিয়া ধারণা করেন, শেষ জামানায় নবির আবির্ভাব ঘটবে। বিষয়টি রমযান আলী জানতে পেরে তাকে জিজ্ঞাসা করলে রফিক মিয়া বলল, আমার পীর সাহেব এটা বলেছেন।
১২১. আকাইদের দৃষ্টিকোণ থেকে রফিক মিয়ার বিশ্বাসটি কিরূপ? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক সঠিক  ভ্রান্ত গ পছন্দনীয় ঘ যৌক্তিক
১২২. রমযান আলী রফিক মিয়ার ধারণাটি সংশোধন করতে পারেÑ (অনুধাবন)
র. খতমে নবুয়তের ধারণা ব্যাখ্যা করে
রর. কুরআন-হাদিসের প্রমাণ দিয়ে
ররর. হযরত মুহাম্মদ (স)-ই সর্বশেষ নবি এ কথা মেনে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
পাঠ-৬ : আখিরাত
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১২৩. ‘আখিরাত’ শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
ক ইহকাল  পরকাল গ কিয়ামত ঘ শেষ
১২৪. দুটি বস্তুর মধ্যবর্তী পর্যায়কে কী বলে? [পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ, রংপুর]
ক পর্দা খ দেয়াল গ ব্যারিকেড  বারযাখ
১২৫. পুণ্যবানদের পুরস্কার স্বরূপ পরকালে কী দেয়া হবে? (জ্ঞান)
ক জাহান্নাম  জান্নাত গ সুস্বাদু খাবার ঘ প্রতিদান
১২৬. আখিরাতের পর্যায় কয়টি? (জ্ঞান)
 ২ খ ৩ গ ৪ ঘ ৫
১২৭. বারযাখ শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
ক কিয়ামত  দুই বস্তুর মধ্যবর্তী পর্যায়
গ পরজগৎ ঘ জাহান্নাম
১২৮. কিয়ামত শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
 দণ্ডায়মান হওয়া খ সুপারিশ করা
গ সমাপ্তি ঘোষণা করা ঘ হিসাব-নিকাশ করা
১২৯. আখিরাতের প্রাথমিক পর্যায় কোনটি? (জ্ঞান)
ক কিয়ামত খ মৃত্যু গ পুনরুত্থান  বারযাখ
১৩০. কিয়ামত বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)
 মহাবিশ্বের প্রলয়ের দিন খ হাশরের ময়দানে বিচারালয়
গ মানুষের পুনরুত্থান ও পুনর্জন্ম ঘ পরকালের হিসাব-নিকাশ
১৩১. তোমার কোনো বন্ধুকে একটি অপকর্ম করতে দেখলে। এ ক্ষেত্রে তোমার করণীয় কী? (প্রয়োগ)
ক তার বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করা
খ তার অপকর্মের প্রতিরোধ করা
 তার চারিত্রিক সংশোধনে ভ‚মিকা রাখা
ঘ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া
১৩২. ইসলামি পরিভাষায় কবর থেকে মানুষ উঠে সেদিন আল্লাহর সামনে দণ্ডায়মান হবে, একে কী বলা হয়? (প্রয়োগ)
ক বারযাখ  কিয়ামত গ কবর ঘ হাশর
১৩৩. “আর তাদের সামনে রয়েছে বারযাখ যা পুনরুত্থান পর্যন্ত বিদ্যমান থাকবে।” অনূদিত আয়াতটিতে কোনটির প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক হিসাব খ মিজান গ পুলছিরাত  কবর
১৩৪. এক ব্যক্তি যাকাত দেয় কিন্তু আখিরাতে বিশ্বাস করেন না। এর ফলে তিনি কী হয়ে গেছেন? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক ফাসিক  কাফির গ মুনাফিক ঘ মুশরিক
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১৩৫. আখিরাতে উপকারে আসবে নাÑ (অনুধাবন)
র. দৈহিক বল রর. জনবল
ররর. অর্থবল
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
১৩৬. আখিরাতের বিশ্বাসÑ (অনুধাবন)
র. মানুষকে সৎ কর্মশীল করে
রর. মুসলমানদের ওপর ফরজ
ররর. মানুষকে পূত-পবিত্র করে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
 অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১৩৭ ও ১৩৮ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
চাকরিজীবী মাহমুদ সাহেব ঘুষ গ্রহণ করেন। বিষয়টি তার বন্ধু মুখলিছ জানতে পেরে মাহমুদ সাহেবকে বলল, তুমি যে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন করছ এর জন্য আখিরাতে শাস্তি ভোগ করতে হবে।
১৩৭. উদ্দীপকে মাহমুদেচ্ছকোনটির প্রতি বিশ্বাসের অভাব রয়েছে? (প্রয়োগ)
 আখিরাত খ হিসাব-নিকাশ গ কিয়ামত ঘ বারযাখ
১৩৮. মাহমুদ সাহেবের পরকালীন পরিণতি- (উচ্চতর দক্ষতা)
র. জান্নাত রর. জাহান্নাম ররর. আল­াহর ক্রোধ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর

পাঠ-৭ : শাফাআত
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১৩৯. শাফাআত কত প্রকার? (জ্ঞান)
ক ১  ২ গ ৩ ঘ ৪
১৪০. কয় বিষয়ে শাফাআতে সুগরা করা হবে? (জ্ঞান)
ক এক খ দুই  তিন ঘ চার
১৪১. মহানবি (স) শাফাআত করবেন কাদের জন্য? (জ্ঞান)
ক সকল মানুষের  তাঁর উম্মতদের
গ পুণ্যবানদের ঘ পাপীদের
১৪২. শরিয়তের পরিভাষায় পাপী ব্যক্তিদের পাপ মার্জনা করে দেয়া এবং পুণ্যবানদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেয়ার জন্য আল্লাহর নিকট সুপারিশ করাকে কী বলে? (অনুধাবন)
ক আখিরাত খ নবুয়ত গ বারযাখ  শাফাআত
১৪৩. আখিরাতে বিভিন্ন সময় শাফাআত করবেন কারা? (অনুধাবন)
ক হযরত মুহাম্মদ (স) ও সাহাবা (রা) খ শহিদ ও সাধারণ মানুষ
গ আলিম ও ক্বারী  মহানবি (স), শহিদ ও আলিম
১৪৪. মহানবি (স)-এর সুপারিশক্রমে আল্লাহ তায়ালা হিসাব গ্রহণ শুরু করবেন। এটাকে কী বলে? (প্রয়োগ)
 শাফাআতে কুবরা খ শাফাআত
গ শাফাআতে সুগরা ঘ পাপ মার্জনার শাফাআত
১৪৫. মুহাম্মদ (স) বেহেশতবাসীদের জন্য শাফাআত করবেন কেন? (অনুধাবন)
ক সগীরা গুনাহ মাফ করে দেয়ার জন্য
খ স্বাভাবিক সৌজন্যতা রক্ষার খাতিরে
 মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য
ঘ আল্লাহর গজব থেকে বাঁচানোর জন্য
১৪৬. কার শাফাআত ছাড়া আমাদের জান্নাত লাভ সম্ভব নয়? (অনুধাবন)
ক হযরত আদম (আ)-এর খ হযরত মুসা (আ)-এর
গ হযরত ঈসা (আ)-এর  হযরত মুহাম্মদ (স)-এর
১৪৭. প্রত্যেকের জন্য জান্নাত ও জাহান্নাম নির্ধারণ করবেন কিসের মাধ্যমে? (প্রয়োগ)
ক শিক্ষা অনুযায়ী খ যোগ্যতা অনুযায়ী
গ ক্ষমতা অনুযায়ী  আমল অনুযায়ী
১৪৮. মহানবি (স)-এর শাফাআত পাওয়ার জন্য আমাদের কী করা উচিত? (প্রয়োগ)
 রাসুলের (স) আদর্শ অনুযায়ী চলা খ পিতামাতার অবাধ্য হওয়া
গ সালাত পরিত্যাগ করা ঘ জ্ঞানার্জন করা
১৪৯. “আমাকে শাফাআত করার অধিকার দেওয়া হয়েছে।” অনূদিত হাদিসটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়টি কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক কাফিরদের অভিভাবক খ মুসলিমদের প্রতি দয়ালু
 গুনাহগারদের কাণ্ডারি ঘ মুমিনের প্রতি উদাসীন
১৫০. হাশরে কিছু মুমিনের জন্যও মহানবি (স)-এর শাফাআতের প্রয়োজন হবে। এর কারণ কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
 তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি খ তাঁদের সুখ স্থায়ী হওয়া
গ তাঁদের দীর্ঘায়ু লাভ ঘ তাঁদের মন যা চায় তা দেয়া
১৫১. “পৃথিবীতে যত পাথর ও ইট আছে, আমি তার চেয়েও বেশি লোকের জন্য কিয়ামতের দিন শাফাআত করব।”Ñ এর মর্মার্থ কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক হযরত নূহ (আ)-এর  হযরত মুহাম্মদ (স)-এর অধিকার
গ হযরত মুসা (আ)-এর দক্ষতা ঘ হযরত আদম (আ)-এর ক্ষমতা
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১৫২. শাফাআতের ফলেÑ (উচ্চতর দক্ষতা)
র. আল্লাহ হিসাব শুরু করবেন রর. পাপীরা ক্ষমা পাবেন
ররর. বেহেশতবাসীগণের মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
 অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১৫৩ ও ১৫৪ প্রশ্নের উত্তর দাও :
কিয়ামতের দিন সকল মানুষকে একটি বিশাল ময়দানে উপস্থিত করা হবে। সেদিন সূর্য খুব নিকটবর্তী হবে। মানুষ দিশেহারা হয়ে একজন রাসুলের নিকট এসে সুপারিশ করতে বলবে।
১৫৩. অনুচ্ছেদে কোন রাসুলের সুপারিশের কথা বলা হয়েছে? (প্রয়োগ)
ক হযরত ইবরাহিম (আ)  মহানবি (স)
গ হযরত মারিয়াম (আ) ঘ হযরত মুসা (আ)
১৫৪. উক্ত রাসুলের সুপারিশের ফলে মানুষ লাভ করবে- (উচ্চতর দক্ষতা)
র. আরাফ রর. জাহান্নাম
ররর. জান্নাত
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র খ রর  ররর ঘ র, রর ও ররর
১৫৫. কিয়ামতের দিন শাফাআত করতে পারবে- [যশোর জিলা স্কুল]
র. মুহাম্মদ (স) রর. নেককার বান্দা
ররর. অন্যান্য নবি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর

পাঠ-৮ : জান্নাত
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১৫৬. জান্নাতকে ফারসি ভাষায় কী বলা হয়? (জ্ঞান)
ক স্বর্গ  বেহেশত গ বাগান ঘ মাঠ
১৫৭. সর্বশ্রেষ্ঠ জান্নাত কোনটি? [ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, রংপুর]
ক দারুল কারার খ জান্নাতু আদন গ দারুল মাকাম  জান্নাতুল ফিরদাউস
১৫৮. শরিয়তের পরিভাষায় ইহকালীন জীবন শেষে ইমানদার বান্দাদের জন্য আখিরাতে চিরকালীন সুখশান্তির একটি আবাসস্থল প্রস্তুত রাখা হয়েছে তাকে বলে কী? (প্রয়োগ)
ক জাহান্নাম  জান্নাত গ আখিরাত ঘ রাজমহল
১৫৯. জান্নাতের সংখ্যা কয়টি? (জ্ঞান)
ক ৬টি খ ৭টি  ৮টি ঘ ৯টি
১৬০. জান্নাতে কী নেই? (জ্ঞান)
 রোগ-শোক খ খাদ্য গ শান্তি ঘ নিরাপত্তা
১৬১. জান্নাতে কী থাকবে? (জ্ঞান)
ক অশান্তি  দুধের নহর গ সাপ ঘ বিচ্ছু
১৬২. কোনো মানুষকে জান্নাত লাভ করতে হলে করণীয় কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
 আল্লাহ ও রাসুলের পূর্ণ আনুগত্য খ নেক আমল
গ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় ঘ হজ ও যাকাত আদায়
১৬৩. জান্নাত লাভ করবে কারা? (জ্ঞান)
ক ধনী ব্যক্তিরা খ ক্ষমতাসীনরা  পুণ্যবান ব্যক্তিরা ঘ সকল মানুষ
১৬৪. মানুষের সুখের জন্য আল্লাহ ৮টি জান্নাত তৈরি করেছেন। এর প্রকৃত কারণ কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
ক ক্ষমতা দেখানোর জন্য খ কাফিরদের শাস্তির জন্য
গ অনর্থক  মুমিনদের পুরষ্কারের জন্য
১৬৫. “সালাত হলো জান্নাতের চাবি।” বাণীটি কার? (প্রয়োগ)
 মহানবি (স)-এর খ আবুবকর (রা)-এর
গ আল্লাহ তায়ালার ঘ মনীষীর
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১৬৬. জান্নাত শব্দের অর্থÑ (অনুধাবন)
র. উদ্যান রর. আবাসস্থল ররর. আবৃত স্থান
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র খ র ও রর  র ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১৬৭. জান্নাত লাভের জন্য- (প্রয়োগ)
র. ইমান আনতে হবে রর. নেক কাজ করতে হবে
ররর. সালাত আদায় করতে হবে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
 অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১৬৮ ও ১৬৯ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
জান্নাতে তোমাদের মন যা চাইবে, তাই তোমরা পাবে। আর তোমরা যা দাবি করবে, তাও তোমাদের দেয়া হবে।
১৬৮. অনুচ্ছেদ পাঠে জান্নাত সম্পর্কে কী ধারণা হয়? (প্রয়োগ)
 চিরশান্তির স্থান খ আলোহীন জায়গা
গ কষ্টদায়ক জীবন ঘ উজ্জ্বল স্বর্ণ
১৬৯. উক্ত স্থানে প্রবেশ করবেÑ (উচ্চতর দক্ষতা)
র. পুণ্যবান ব্যক্তিরা রর. অবাধ্য ব্যক্তিরা
ররর. খোদাভীরু ব্যক্তিরা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
পাঠ-৯ : জাহান্নাম
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১৭০. জাহান্নাম শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান)
ক শান্তির স্থান  শাস্তির স্থান গ গর্ত ঘ দূরবর্তী স্থান
১৭১. জাহান্নামের স্তর কয়টি? (জ্ঞান)
ক পাঁচ  সাত গ নয় ঘ এগারো
১৭২. জাহান্নামিদের বিস্বাদযুক্ত খাবার খেতে দেয়া হবে। এর মধ্যে অন্যতম কোনটি? (প্রয়োগ)
ক কাঁদি ভরা কদলিবৃক্ষ খ দুধ ও মধু
 কাঁটাযুক্ত যাক্কুম বৃক্ষ ঘ শরাব
১৭৩. চিরস্থায়ী জাহান্নামে কেমন লোক স্থান পাবে? (জ্ঞান)
ক পাপীরা খ ফাসিকরা গ মিথ্যাবাদীরা  কাফিররা
১৭৪. বড় কষ্টের স্থান কোনটি? (জ্ঞান)
ক দারুল খুলদ খ দারুল কারার গ জান্নাত  জাহান্নাম
১৭৫. উত্তপ্ত রক্ত ও পুঁজ কাদের পানীয় হবে? (জ্ঞান)
ক জান্নাতিদের খ বেহেশতিদের
 জাহান্নামিদের ঘ আরাফবাসীদের
১৭৬. জাহান্নাম কোনটি? (জ্ঞান)
ক দারুল কারার খ দারুস সালাম গ আরাফ  হাবিয়া
১৭৭. ইসলামি পরিভাষায় আখিরাতে কাফির, মুশরিক, মুনাফিক ও পাপীদের শাস্তির জন্য যে স্থান রাখা হয়েছে। তাকে কী বলে? (প্রয়োগ)
ক জান্নাত  জাহান্নাম গ দারুল মাকাম ঘ দারুস সালাম
১৭৮. জাহান্নামে অসংখ্য সাপ-বিচ্ছু থাকবে  (অনুধাবন)
ক দুধ ও মধু পান করার জন্য
 শাস্তির দেয়ার জন্য
গ অসংখ্য মানুষের মৃতদেহ ভক্ষণ করার জন্য
ঘ অসংখ্য জীবজন্তুর পচা মৃতদেহ ভক্ষণ করার জন্য
১৭৯. জাহান্নামের আগুনের দহন ক্ষমতা দুনিয়ার আগুনের চেয়ে কতগুণ বেশি? (অনুধাবন)
ক দশ খ বিশ গ সাতাশ  সত্তর
১৮০. জাহান্নামিরা পানি পানি বলে চিৎকার করতে থাকবে। তখন তাদের পান করার জন্য কী দেয়া হবে? (প্রয়োগ)
 উত্তপ্ত রক্ত ও পুঁজ খ খুব ঠাণ্ডা পানি
গ সরাব ঘ শরবত
১৮১. সুমন আলী জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেতে চায়। সে কীভাবে মুক্তি পেতে পারে? (প্রয়োগ)
ক মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে ক্ষমা প্রার্থনা করে
 আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশিত পথে জীবনযাপন করে।
গ পীর-মুর্শিদের সুপারিশে
ঘ নিয়মিত যাকাত দিয়ে
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১৮২. জাহান্নামিদের চামড়াÑ (অনুধাবন)
র. বিগলিত করা হবে রর. শক্ত করা হবে
ররর. পোড়ানো হবে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১৮৩. জাহান্নামের কঠিন শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরাÑ (প্রয়োগ)
র. সত্য কথা বলব
রর. পুণ্য কাজে মনোনিবেশ করব
ররর. পাপ থেকে বিরত থাকব
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
 অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১৮৪ ও ১৮৫ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
আশিক জাহান্নামে বিশ্বাস করে না। সে মনে করে মানুষ মরে গেলে তার কোনো অস্তিত্ব থাকে না।
১৮৪. আশিকের ধারণাটি কেমন? (প্রয়োগ)
 কুফরি খ শিরক গ জিহাদ ঘ নিফাক
১৮৫. আশিকের পরকালীন পরিণতিÑ (উচ্চতর দক্ষতা)
র. জাহান্নাম
রর. সাপ ও বিষধর বিচ্ছু দংশন করবে
ররর. মাংস ও মাথা পুড়ে যাবে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
পাঠ-১০ : ইমান ও নৈতিকতা
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১৮৬. কোনটি ব্যতীত ইসলাম কল্পনা করা যায় না? (জ্ঞান)
 ইমান খ ইজমা গ কিয়াস ঘ ইনসাফ
১৮৭. ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোতে বিশ্বাস স্থাপন করাকে কী বলা হয়? (প্রয়োগ)
ক আমল  ইমান গ ত্যাগ ঘ ইসলাম
১৮৮. কে সব বিষয়ে অদ্বিতীয় ও অতুলনীয়? (জ্ঞান)
ক প্রাণিকুল খ রাসুল  আল্লাহ তায়ালা ঘ ফেরেশতা
১৮৯. আল্লাহর প্রতি আন্তরিক বিশ্বাস করা ও তদানুযায়ী আমল করার নাম কী? (জ্ঞান)
ক ইসলাম  ইমান গ আমল ঘ আকিদা
১৯০. ইমান মানুষের অন্তরে কী সৃষ্টি করে? (প্রয়োগ)
ক আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা
খ আল্লাহর প্রতি স্নেহ-মমতা
গ আল্লাহর প্রতি আনুগত্য
 আল্লাহর প্রতি অনুরাগ এবং তাঁর সন্তুষ্টি লাভের কামনা
১৯১. রাসুল (স) আমাদেরকে নীতি ও নৈতিকতা শিক্ষা দিয়েছেন। তা কীভাবে? (উচ্চতর দক্ষতা)
 হাতে-কলমে খ ক্লাসে লেকচার দিয়ে
গ কনফারেন্স করে ঘ নছিহত করে
১৯২. নীতি-নৈতিকতার সুফল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। এর সামাজিক সুফল কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
 শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা খ আইনের সমতা
গ ন্যায়বিচার ঘ অপরাধ দমন
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১৯৩. মুমিন ব্যক্তির অন্তরে থাকেÑ (উচ্চতর দক্ষতা)
র. আল্লাহর প্রতি অনুরাগ রর. আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের বাসনা
ররর. মুমিন হওয়ার দাম্ভিকতা
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১৯৪. ইমান বলতে বোঝায়Ñ (অনুধাবন)
র. ইসলামের মূল বিষয়গুলো অন্তরে বিশ্বাস করা
রর. ইসলামের মূল বিষয়গুলোকে মুখে স্বীকার করা
ররর. ইসলামের মূল বিষয়গুলো অনুযায়ী আমল করা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
 অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১৯৫ ও ১৯৬ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
রফিক আল্লাহর প্রতি আন্তরিক বিশ্বাস স্থাপন করে তাঁর আনুগত্য ও আদেশ-নিষেধ মেনে চলে। অপরদিকে সাইফুল বলে তাকদিরের ভালো মন্দ যদি আল্লাহর পক্ষ থেকেই হয় তবে কাজ করার প্রয়োজন কী? আসলে তাকদির কিছুই নয়। বরং পরিশ্রম করলেই ভালো ফল পাওয়া যায়।
১৯৫. রফিককে কী বলা যায়? (প্রয়োগ)
ক মুসলিম খ মুত্তাকি
 মুমিন ঘ ধার্মিক
১৯৬. প্রকৃত মুমিন হতে হলে সাইফুলের উচিতÑ (উচ্চতর দক্ষতা)
র. ইসলামের মৌলিক বিষয়সমূহ আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করা
রর. শুধু তাকদিরের ভালোমন্দ আল্লাহর পক্ষ হতে হয় তা বিশ্বাস করা
ররর. শুধু আল্লাহকে বিশ্বস্রষ্টা ও নিয়ন্ত্রণকর্তা বলে বিশ্বাস করা
নিচের কোনটি সঠিক?
 র খ রর গ ররর ঘ র, রর ও ররর

১৯৭. বরকত বলে আল্লাহর গুণবাচক নামের কথা আমরা নবি-রাসুলের মাধ্যমে জেনেছি। এখানে ইঙ্গিত করা হয়েছে- (প্রয়োগ)
র. আসমাউল হুসনা রর. রিসালাত
ররর. আখিরাত
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১৯৮. কবরের আজাব, শাফাআত, জান্নাত ও জাহান্নাম সম্পর্কে রোমানের বিশ্বাস নেই। মূলত সে  (প্রয়োগ)
র. আখিরাতকে অস্বীকার করে রর. জান্নাতি হবে
ররর. জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১৯৯. মহানবি (স) কে শেষ নবি হিসেবে অস্বীকারকারীরা যুগে যুগে  (অনুধাবন)
র. খতমে নবুয়ত অস্বীকার করেছে
রর. ইমান হারিয়েছে
ররর. অনৈতিকতায় কলুষিত হয়েছে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ২০০ ও ২০১ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
উম্মে আয়মান আল্লাহতায়ালাকে একক সত্তা হিসেবে বিশ্বাস করে না। তার বান্ধবী কিছু অলঙ্কার তার নিকট আমানত রাখলে সে তা দিতে অস্বীকার করে। বিষয়টি উম্মে আয়মানের পিতা জানতে পেরে তাকে বললেন তোমাকে আল্লাহর রঙ্গে রঙ্গিন হতে হবে।
২০০. উম্মে আয়মানের কর্মকাণ্ডে কোনটি ফুটে উঠেছে? (প্রয়োগ)
 নিফাক খ ইমান গ রিসালাত ঘ নবুয়ত
২০১. উম্মে আয়মানকে আল্লাহর রঙে রঙ্গিন হলে  (উচ্চতর দক্ষতা)
র. ইমানের যাবতীয় বিষয় বিশ্বাস করতে হবে
রর. নিফাক পরিত্যাগ করতে হবে
ররর. আসমাউল হুসনা ধারণ করতে হবে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন -১ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
সুমাইয়া ও সামিয়া দুই বান্ধবী। নুহাশপল্লীতে বেড়াতে যাবে বলে দুজনেই দিন-তারিখ ঠিক করে। সুমাইয়া নির্দিষ্ট তারিখে প্রস্তুতি নিয়ে সামিয়ার অপেক্ষায় থাকে। কিন্তু সামিয়া তার বাবার কাছ থেকে টিফিন, কাগজ ও কলমের অজুহাত দিয়ে বেশ কিছু টাকা নিয়ে আদিবার সাথে মার্কেটে ঘুরতে চলে যায়। পরদিন সামিয়ার সাথে সুমাইয়ার দেখা হয়। সুমাইয়া বিষয়টি উত্থাপন করলে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং উভয়ই মনঃক্ষুণœ হয়।
ক. মুনাফিকের চিহ্ন কয়টি?
খ. তাকদিরে বিশ্বাস বলতে কী বোঝায়?
গ. সামিয়ার আচরণে কী প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ.সুমাইয়ার কার্যক্রমের ফলাফল পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
 ১নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি।
খ. তাকদির অর্থ ভাগ্য। এটি আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত হয়। ভালো-মন্দ যা কিছু তা সবই তাঁর হুকুমে হয়, এই বিশ্বাস করাই তাকদিরে বিশ্বাস।
গ. সামিয়ার আচরণে নিফাকি প্রকাশ পেয়েছে। নিফাক হলো নৈতিকতা ও মানবিকতার আদর্শের বিপরীত কাজ। যারা নিফাকি করে তাদেরকে মুনাফিক বলে। এ সম্বন্ধে রাসুলের হাদীস-
“মুনাফিকের নিদর্শন তিনটি। যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে এবং যখন তার নিকট কোনো কিছু গচ্ছিত রাখা হয়, তখন তার খিয়ানত করে” (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)।
উদ্দীপকের সামিয়া তার বান্ধবীর সাথে বেড়াতে যাওয়ার জন্য দিনক্ষণ ঠিক করে ওয়াদাবদ্ধ হয়। কিন্তু ঐদিন সে সুমাইয়ার সাথে বেড়াতে না গিয়ে আদিবার সাথে মার্কেটে যায়। তার এ ধরনের কাজে ওয়াদাভঙ্গ হয় এবং এতে নিফাকি প্রকাশ পায়।
ঘ. সুমাইয়ার কার্যক্রমের ফলাফল অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তার কার্যক্রমে মুমিনের বৈশিষ্ট্য ফুটে ওঠেছে। কেননা প্রতিশ্রæতি দিয়ে প্রতিশ্রæতি রক্ষা করা মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। উদ্দীপকে লক্ষ করলে দেখা যায় সুমাইয়ার সাথে সামিয়ার এই ওয়াদা হয় যে, তারা একটি নির্দিষ্ট সময়ে নুহাশপল্লীতে বেড়াতে যাবে। সুমাইয়া কথা অনুযায়ী সামিয়ার অপেক্ষায় তার ওয়াদা রক্ষা করেছে। এর ফলে সে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ লাভ করবে। সে তার সততা ও সত্যবাদিতার প্রতিদান স্বরূপ মানুষের শ্রদ্ধা, স্নেহ, ভালোবাসা লাভ করবে। সে উভয় জগতেই সাফল্য লাভ করবে। সে আল্লাহ ও রাসুলের প্রিয়পাত্র হিসেবে আখিরাতে চিরশান্তির স্থান জান্নাত লাভ করবে। সে চিরকালব্যাপী সেখানে বসবাস করবে এবং জান্নাতের অফুরন্ত নিয়ামত ভোগ করতে পারবে। এ ব্যাপারে আল্লাহ বলেনÑ

অর্থ : নিশ্চয়ই যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের আপ্যায়নের জন্য রয়েছে ফিরদাউস জান্নাত। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। [সূরা আল কাহাফ : ১০৭-১০৮]
প্রশ্ন -২ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
মনসুর সাহেব ও ইকবাল সাহেব একই অফিসে চাকরি করেন। ইকবাল সাহেব একজন ধর্মপরায়ণ ব্যক্তি। অফিসের সবার সাথেই তিনি ভদ্রভাবে কথা বলেন। একদিন মনসুর সাহেব তার অধীনস্থ কর্মচারী রাশেদকে এক গøাস পানি ও ফাইল আনতে বলেন। রাশেদ আসতে দেরি করায় মনসুর সাহেব তার সাথে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন। বিষয়টি অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানতে পেরে বলেন, ‘মুমিন ব্যক্তির আচরণ এরূপ হতে পারে না।’
ক. জান্নাতের স্তর কয়টি?
খ. জাহান্নামের শাস্তির ধরন কীরূপ? ব্যাখ্যা কর।
গ. মনসুর সাহেবের আচরণটি কীসের পরিপন্থী? ব্যাখ্যা কর।
ঘ.অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উক্তিটি কি যথার্থ? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
 ২নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. জান্নাতের স্তর আটটি।
খ. জাহান্নামের শাস্তির ধরন খুবই ভয়াবহ। সেখানে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। পাপিরা সেখানে আগুনে অবিরত দগ্ধ হতে থাকবে। তাদের খাবার হবে যাক্কুম নামক বড় বড় কাঁটাযুক্ত বৃক্ষ। তাদের পানীয় হবে দোযখিদের উত্তপ্ত রক্ত ও পুঁজ। সেখানে মানুষের কোনো মৃত্যু হবে না, বরং শাস্তি পেতে থাকবে এবং চিরকাল ধরে কষ্ট ভোগ করতে থাকবে।
গ. মনসুর সাহেবের আচরণটি মুমিনের চরিত্রের পরিপন্থী। সততা, ন্যায়পরায়ণতা, দয়া, ক্ষমা, পারস্পরিক সহযোগিতা, সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ব ইত্যাদি সৎগুণ ইমানদার ব্যক্তির চরিত্রে ফুটে ওঠে। অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন, মিথ্যাচার, প্রতারণা, অশ্লীলতা, বেহায়াপনা ইত্যাদি অনৈতিক ও অমানবিক কার্যাবলি থেকে মুমিন ব্যক্তি দূরে থাকেন। এগুলো মুমিনের আচরণের পরিপন্থী। উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, মনসুর সাহেব তার অধীনস্থ কর্মচারীর সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। কোনো মুমিন এ ধরনের আচরণ করতে পারে না। তাই আমরা বলতে পারি, মনসুর সাহেবের আচরণটি মুমিনের চরিত্রের সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
ঘ. অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উক্তি- মুমিন ব্যক্তির আচরণ এরূপ তথা অশ্লীল হতে পারে না। উক্তিটি যথার্থ।
মুমিনগণ সর্বদা মানুষের সাথে সদাচরণ করবে। অপরকে কষ্টদায়ক কোনো কথা বলবে না। তারা কাজেকর্মে কথাবার্তায় নীতি ও আদর্শের অনুসরণ করেন। কারণ মুমিন ব্যক্তি ঐক্য, সাম্য, উদারতা, মানবতাবোধ, ভ্রাতৃত্ব, ন্যায়নীতি ইত্যাদির অনুসারী। সততা, ন্যায়পরায়ণতা, দয়া, ক্ষমা ইত্যাদি মুমিনের চারিত্রিক ভ‚ষণ। মুমিনগণ এসবের যথাযথ চর্চা করেন। অথচ উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, মনসুর সাহেব তার অধীনস্থ কর্মচারী রাশেদের প্রতি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন। এটি ইমান ও নৈতিকতার সম্পূর্ণ বিপরীত।
এ প্রেক্ষিতে উক্ত অফিসের জনৈক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন ‘মুমিন ব্যক্তির আচরণ এরূপ হতে পারে না।’ সুতরাং বলা যায়, অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উক্তিটি যথার্থ।

প্রশ্ন -৩ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
রনি ও এনি দুজন সহপাঠী। একদিন ইসলামি বিষয় নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে রনি বলল, হযরত মুহাম্মদ (স) এর পর আর কোনো নবি বা রাসূল পৃথিবীতে আসবেন না। কিন্তু এনি বলল, আরও নবি বা রাসূল আসতে পারেন। একথা শুনে রনির বড় ভাই খায়ের সাহেব বললেন, মুহাম্মদ (স)-ই সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি ও রাসূল। তাঁর পরে আর কোনো নবি বা রাসূল এ পৃথিবীতে আসবেন না।
ক. ‘খততে নবুয়ত’ শব্দের অর্থ কী? ১
খ. ‘খতমে নবুয়তে’ বিশ্বাস করা জরুরি কেন? ২
গ. এনির এরূপ ধারণা কোন বিশ্বাসের পরিপন্থী? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.খায়ের সাহেবের বক্তব্যের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর। ৪
ল্ফল্প ৩নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. ‘খতমে নবুয়ত শব্দের অর্থ নবিগণের দায়িত্বের পরিসমাপ্তি বা নবুয়তের সমাপ্তি।
খ. খতমে নবুয়তের ওপর বিশ্বাস করা ফরজ। মহানবি (স) ছিলেন খাতামুন নাবিয়্যিন তথা সর্বশেষ নবি। তাঁর মাধ্যমে নবুয়তের ক্রমধারা পরিপূর্ণতা লাভ করেছে। এতে বিশ্বাস না করলে মানুষ ইমানদার হতে পারে না। এজন্যই খতমে নবুয়তে বিশ্বাস করতে হবে।
গ. উদ্দীপকে এনির ধারণা খতমে নবুয়তে বিশ্বাসের পরিপন্থী।
খতমে নবুয়ত হচ্ছে নবিগণের দায়িত্বের পরিসমাপ্তি বা নবুয়তের সমাপ্তি। মানবজাতির হিদায়াতের জন্য আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে বহু নবি-রাসুল প্রেরণ করেন। এ ক্রমধারা শুরু হয় হযরত আদম (আ) এর মাধ্যমে আর হযরত মুহাম্মদ (স) এর আগমনের মাধ্যমে শেষ হয়। নবুয়ত তথা নবি-রাসুলগণের আগমনের এ ক্রমধারটির সমাপ্তিকেই খতমে নবুয়ত বলা হয়ে থাকে।
উদ্দীপকের এনি এ বিষয়টির বিপরীতে উল্লেখ করেছে যে পৃথিবীতে আরও নবী বা রাসুল আসতে পারেন। কাজেই বলা যায় এনির এরূপ ধারণা খতমে নবুয়তে বিশ্বাসের পরিপন্থী।
ঘ. খায়ের সাহেবের বক্তব্যটি যথার্থ হয়েছে।
হযরত মুহাম্মদ (স)-এর মাধ্যমে নবুয়তের ক্রমধারা পরিপূর্ণতা লাভ করেছে। কুরআন ও হাদিসের বহু জায়গায় এর প্রমাণ রয়েছে। এ সম্পর্কে মহানবি (স) বলেছেন, “রিসালাত ও নবুয়তের ধারা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমার পর আর কোনো নবি ও রাসুল আসবেন না।”
মহানবি (স) এক হাদিসে বলেছেন যে, “আমিই সুসজ্জিত দালানের শেষ ইট।” যে ইটটি লাগাতেই সে দালান পরিপূর্ণ হয়ে গেল। তাছাড়া আল-কুরআনে বলা হয়েছে “বলুন, হে মানুষ! আমি তোমাদের সকলের জন্য আল্লাহর রাসুল।” (সুরা আরাফ, আয়াত: ১৫৮)। এতে প্রমাণিত হয় নবি কারিম (স) কোনো বিশেষ স্থান বা কালের জন্য আসেন নি। বরং তিনি সর্বকালের সকলের নবি। কিয়ামত পর্যন্ত তিনি সকল স্থানের নবি।
উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই যে এনির ধারণা খণ্ডন করে খায়ের সাহেব বললেন, মুহাম্মদ (স)-ই সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি ও রাসুল। তাঁর পরে আর কোনো নবি বা রাসুল এ পৃথিবীতে আসবেন না। সুতরাং খায়ের সাহেবের বক্তব্যটি যথার্থ।
প্রশ্ন -৪ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
অমি ও সামি দুই ভাই। তারা নিয়মিত সালাত আদায় করে। কিন্তু অমি প্রায়ই মিথা কথা বলে এবং প্রতিশ্রæতি ভঙ্গ করে। সামি তাকে বুঝাতে চেষ্টা করে যে, এটা মুনাফেকি আচরণ। যারা এরূপ করে আখিরাতে তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি। এ প্রসঙ্গে আল্লাহপাক বলেন, “নিশ্চয়ই মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে”।
ক. ‘নিফাক’ শব্দের অর্থ কী? ১
খ. ‘মুনাফিক’ বলতে কী বুঝ? লিখ। ২
গ. অমির আচরণে যা প্রতিফলিত হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তা ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.উদ্দীপকে বর্ণিত আল্লাহর বাণীর যথার্থতা বিশ্লেষণ কর। ৪
ল্ফল্প ৪নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. নিফাক শব্দের অর্থ ভণ্ডামি, কপটতা, দ্বিমুখী নীতি ইত্যাদি।
খ. মুনাফিক শব্দের অর্থ গোপনকারী, প্রতারণাকারী ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায় মুখে ইমানের স্বীকার ও অন্তরে অবিশ্বাস করাকে নিফাক বলা হয়। যে ব্যক্তি এরূপ করে তাকে বলা হয় মুনাফিক মুনাফিকরা সাধারণত সামাজিক ও পার্থিব লাভের জন্য এরূপ করে থাকে।
গ. উদ্দীপকের অমির আচরণে নিফাক প্রকাশ পেয়েছে।
মিথ্যা বলা, ওয়াদা ভঙ্গ করা এবং আমানতের খিয়ানত করা মুনাফিকের নিদর্শন। এসব যার মধ্যে পাওয়া যাবে তাকে মুনাফিক হিসেবে গণ্য করা যাবে। উদ্দীপকের অমির মধ্যেও এ ধরনের দোষ তথা মিথা বলা, প্রতিশ্রæতি ভঙ্গ করা প্রভৃতি প্রকাশ পেয়েছে।
তাই এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, অমির আচরণে নিফাকী প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ. “নিশ্চয় মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে”। উদ্দীপকে বর্ণিত আল্লাহর এই বাণীটি নিশ্চয়ই যথার্থ।
মুনাফিকরা ইসলামের চরম শত্রæ। এরা বাইরে মুসলমান বলে দাবি করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এরা কাফিরদের পক্ষে কাজ করে। এদের গোপন শত্রæতা মুসলমানদের বিপদে ফেলে। এসব সমূহ ক্ষতিকর কারণে উদ্দীপপের আয়াতে মুনাফিকদের শাস্তির কথা বলা হয়েছে। বস্তুত প্রকাশ্য শত্রæর তুলনায় গোপন শত্রæ বেশি ক্ষতিকর। কেননা প্রকাশ্য শত্রæর বিরুদ্ধে আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা অবলম্বন করা যায়। কিন্তু যে গোপন শত্রæতা করে তাকে চেনা যায় না। তার ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য কোনো সুযোগও পাওয়া যায় না। ফলে সে বন্ধু বেশে সহজেই বড় ক্ষতিসাধন করতে পারে। এসব কারণে দুনিয়াতে মুনাফিকরা ঘৃণিত ও নিন্দিত। আখিরাতেও তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের কাঠোর আযাব। আল্লাহ তায়ালা বলেনÑ

অর্থ : “নিশ্চয়ই মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের নর্বনিম্ন স্তরে।” (সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৪৫)
প্রশ্ন -৫ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
লিয়াকত ও জহুর দুই বন্ধু। লিয়াকত মুখে আল্লাহকে স্বীকার করে ও অন্তরে বিশ্বাস করে। কিন্তু আসলে এর কোনো প্রতিফলন নেই। সে বলে, অন্তর দিয়ে আল্লাহকে বিশ্বাস করলেই হলো। অপরদিকে, জহুর কমিউনিটি হাসপাতালের ওষুধপত্র সংরক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত। সে হাসপাতালের ওষুধ গোপনে সরিয়ে বাইরে বিক্রি করে দেয় এবং মানুষের সঙ্গে কথা দিয়ে কথা রক্ষা করে না।
ক. ‘মুহাইমিনুন শব্দের অর্থ কী? ১
খ. আকাইদ বলতে কী বোঝায়? ২
গ. জহুরের কর্মকাণ্ডে কী ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. লিয়াকত কী প্রকৃত ইমানদার? পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর। ৪
 ৫নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. মুহাইমিনুন শব্দের অর্থ নিরাপত্তাদানকারী, রক্ষণাবেক্ষণকারী, আশ্রয়দাতা।
খ. ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর ওপর বিশ্বাস করার নামই হলো আকাইদ। ইসলাম ধর্মের অনুসারী হওয়ার জন্য সর্বপ্রথম মৌলিক কতিপয় বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হয়। যেমন : আল্লাহ তায়ালা, নবি-রাসুল, ফেরেশতা, আখিরাত ইত্যাদির ওপর বিশ্বাস স্থাপন করা। এগুলোই আকাইদ।
গ. জহুরের কর্মকাণ্ডে নিফাকের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।
মুখে ইমানের স্বীকার ও অন্তরে অবিশ্বাস করাকে নিফাক বলে। যে ব্যক্তি এরূপ করে তাকে বলা হয় মুনাফিক। তারা যখন কথা বলে তখন মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে এবং কোনো জিনিস আমানত রাখলে তা খিয়ানত করে। জহুরের কর্মকাণ্ডেও তা প্রকাশ পেয়েছে। সে হাসপাতালের ওষুধ গোপনে সরিয়ে বাইরে বিক্রি করে দেয় যা তার নিকট আমানত ছিল; এছাড়া মানুষের সাথে কোনো কথা দিলেও তা রক্ষা করে না। তার এ লক্ষণগুলো মুনাফিকেরই নিদর্শন। তাই উপরোক্ত আলোচনার দ্বারা এটা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, জহুরের কর্মকাণ্ডে নিফাকের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।
ঘ. লিয়াকত প্রকৃত ইমানদার নয়।
ইসলামের যাবতীয় বিষয়ের প্রতি আন্তরিক বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকৃতি ও তদানুযায়ী আমল করার নাম হলো ইমান। কেউ যদি শুধু অন্তরে বিশ্বাস করে, কিন্তু মুখে স্বীকার না করে তবে সে প্রকৃতপক্ষে ইমানদার বা মুমিন হিসেবে গণ্য হয় না। আবার মুখে স্বীকার করে অন্তরে বিশ্বাস না করলেও কোনো ব্যক্তি ইমানদার হতে পারে না। বস্তুত আন্তরিক বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকতি ও তদনুযায়ী আমলের সমষ্টিই হলো প্রকৃত ইমান।
উদ্দীপকের লিয়াকতের মধ্যে ইমানের সেরকম কোনো লক্ষণ পাওয়া যায় না। লিয়াকত মুখে আল্লাহকে স্বীকার এবং অন্তরে বিশ্বাস করে কিন্তু তার মধ্যে আমলের কোনো প্রতিফলন নেই। তার উচিত ছিল মুখে ও অন্তরে আল্লাহকে স্বীকার করার পাশাপাশি আমলের মাধ্যমে তা কাজে পরিণত করা। যদি কথা ও কাজ এক রকম হতো তবে তাকে খাঁটি ও প্রকৃত ইমানদার বলা হতো। এখন যেহেতু কথা ও কাজে তার মিল নেই তাই তাকে প্রকৃত ইমানদার বলা যায় না।
প্রশ্ন -৬ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ফুয়াদ ও ফাহিম দুই ভাই। ফুয়াদের বিশ্বাস কিয়ামতের দিন মানুষেরা অস্থির হয়ে প্রধান প্রধান নবিগণের নিকট গিয়ে আল্লাহর কাছে সুপারিশ করার জন্য আবেদন করবে। নবিগণ অক্ষমতা প্রকাশ করলে মানুষের অনুরোধে মহানবি (স) আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবেন। পক্ষান্তরে তার ভাই ফাহিম দুনিয়াকেই সবকিছু মনে করে। ফলে সে যে কোনো উপায়ে দুনিয়ার স্বার্থ হাসিল করতে চায়। অন্যায়, অত্যাচার ও অনৈতিক কার্যকলাপ করতে দ্বিধাবোধ করে না।
ক. ‘জান্নাত’ শব্দের অর্থ কী? ১
খ. ‘সালাত হলো জান্নাতের চাবি।’Ñ বুঝিয়ে লেখ। ২
গ. ফুয়াদের উক্ত বিশ্বাসে কোন প্রকারের শাফাআত প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.‘ফাহিমের কর্মকাণ্ডে আখিরাতের প্রতি বিশ্বাসের অভাব রয়েছে।’Ñ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর। ৪
 ৬নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. জান্নাত শব্দের অর্থ বাগান, উদ্যান, আবৃত স্থান।
খ. সালাত আদায়কারী ব্যক্তি দুনিয়াতে যেমন মর্যাদা পায় তেমনি আখিরাতেও জান্নাত লাভ করবে। সালাত আল্লাহর সঙ্গে আধ্যাত্মিক সংযোগ স্থাপনকারী। সালাতের মাধ্যমেই বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে বেশি নৈকট্য লাভ করতে পারে। কারও হাতে কোনো ঘরের চাবি থাকলে যেমন অতি সহজেই ঘরে প্রবেশ করতে পারে তেমনি সালাত আদায়কারীও সহজে জান্নাতের প্রবেশ করবে বিধায় সালাতকে জান্নাতের চাবি বলা হয়েছে।
গ. উদ্দীপকে ফুয়াদের বিশ্বাসে শাফাআতে কুবরা প্রকাশ পেয়েছে।
কিয়ামতের দিন সকল মানুষকে এক বিশাল ময়দানে উপস্থিত করা হলে সূর্য খুব নিকটবর্তী হবে। মানুষ অসহনীয় দুঃখ-কষ্টে নিপতিত হবে। এ সময় সব মানুষ হযরত আদম (আ), হযরত নূহ (আ), হযরত ইবরাহিম (আ), হযরত মুসা (আ) ও হযরত ঈসা (আ)-এর নিকট উপস্থিতি হয়ে হিসাব-নিকাশ শুরু করার জন্য আল্লাহর নিকট শাফাআত করতে অনুরোধ করবেন। সবাই অপারগতা প্রকাশ করলে সব মানুষ মহানবি (স)-এর নিকট উপিস্থিত হবে। মহানবি (স) আল্লাহ তায়ালার নিকট সুপারিশ করবেন। অতঃপর আল্লাহ তায়ালা হিসাব নিকাশ শুরু করবেন। এ শাফায়াতকে বলা হয় শাফাআতে কুবরা। উদ্দীপকের ফুয়াদের বিশ্বাসেও একই কথা ফুটে উঠেছে। সুতরাং ফুয়াদের বিশ্বাসে শাফাআতে কুবরা প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ. ‘ফাহিমের কর্মকাণ্ডে আখিরাতে বিশ্বাসের অভাব রয়েছে’Ñ উদ্দীপকের মন্তব্যটি যথাযথ।
ফাহিম দুনিয়াকেই সবকিছু মনে করে। ফলে সে যে কোনো উপায়ে দুনিয়ার স্বার্থ হাসিল করতে চায়। অন্যায়, অত্যাচার ও অনৈতিক কার্যকলাপ করতে দ্বিধাবোধ করে না। ফাহিম যদি আখিরাতে বিশ্বাস করতো তাহলে কোন প্রকার অন্যায় কাজে লিপ্ত হতে পারতো না। কেননা আখিরাতের বিশ্বাস মানুষকে পাপ কাজ থেকে বিরত রাখে। কারণ আখিরাতে বিশ্বাসী ব্যক্তি জানে যে পরকালে তার সকল কর্মের জন্য আল্লাহর নিকট হিসাব দিতে হবে। তাই অন্যায় অত্যাচার, অনৈতিক কার্যকলাপ থেকে সে বিরত থাকে। আর যে ব্যক্তি আখিরাতে বিশ্বাস করে না সে দুনিয়াকেই সবকিছু মনে করে। ফলে যেকোনো উপায়ে দুনিয়ার স্বার্থ হাসিল করতে চায়। অন্যায়, অত্যাচার, অনৈতিক কার্যকলাপ সবকিছুই তার দ্বারা সংঘটিত হয়। যেকোনো পাপ করতে সে দ্বিধাবোধ করে না। যেমনটি উদ্দীপকের ফাহিমের মাঝেও দেখা যায়। সুতরাং, এটাই প্রমাণিত হয় যে, ফাহিমের কর্মকাণ্ডে আখিরাতে বিশ্বাসের অভাব রয়েছে।

প্রশ্ন -৭ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
শিক্ষক তাহমিনাকে ইমানের সাতটি বিষয়ের বিবরণ ও শুভ পরিণাম বাড়ি থেকে লিখে আনতে বলায় সে একটি নাতিদীর্ঘ তালিকা তৈরি করে শিক্ষককে দেখালে শিক্ষক বলেন তোমার তৈরিকৃত তালিকা খুব সুন্দর হয়েছে।
ক. আসমাউল হুসনা অর্থ কী? ১
খ. আকাইদ বলতে কী বুঝ? ২
গ. উদ্দীপকের তাহমিনার তৈরিকৃত তালিকাটি কী? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.তাহমিনার লিখিত বিষয়ের শুভ পরিণাম বিশ্লেষণ কর। ৪
ল্ফল্প ৭নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. আসমাউল হুসনা অর্থ সুন্দরনামসমূহ।
খ. আকাইদ অর্থ বিশ্বাসমালা। ইসলামের মূল বিষয়গুলোকে মনে-প্রাণে বিশ্বাস করাকে আকাইদ বলে। একজন মুমিনকে আল­াহ, রাসুল, কিতাব, মালাইকা, আখিরাত প্রভৃতি বিষয়ের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হয়। আকাইদ হলো ইসলামের মূলভিত্তি।
গ. উদ্দীপকের তাহমিনার তৈরিকৃত তালিকাটি হলো ইমানের সাতটি বিষয়ের তালিকা। নিচে তা উপস্থাপন করা হলো :
১. আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস।
২. ফেরেশতাগণের প্রতি বিশ্বাস।
৩. আসমানি কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস।
৪. নবি-রাসুলগণের প্রতি বিশ্বাস।
৫. আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস।
৬. তাকদিরের প্রতি বিশ্বাস।
৭. মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের প্রতি বিশ্বাস।
উদ্দীপকের তাহমিনাকে মুমিন হওয়ার জন্য এ সাতটি বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে।
ঘ. শিক্ষক প্রদত্ত বাড়ির কাজ হিসেবে তাহমিনা ইমান আনার শুভ পরিণাম লিখে আনে। বস্তুত ইমান মহান আল্লাহর বড় নেয়ামত। ইমান আনার ফলে মুমিন সকল অনৈতিক ও অশ্লীল কার্যাবলি থেকে বিরত থাকবে। ফলে মুমিন ব্যক্তি দুনিয়া শ্রদ্ধা, সম্মান, কল্যাণ ও সাফল্য লাভ করবে। সকলে তাদেরকে ভালোবাসবে, সম্মান করবে।
মুমিন ব্যক্তি দুনিয়াতে অসংখ্য কল্যাণ যেমন লাভ করবে পরকালেও তেমনি অফুরন্ত কল্যাণ লাভ করবে। এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন- ‘নিশ্চয়ই যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের আপ্যায়নের জন্য রয়েছে ফিরদাউস জান্নাত। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে।’ (সুরা আল-কাহাফ আয়াত ১০৭-১০৮) তাহমিনা ইমান আনার ফলে দুনিয়া ও আখিরাতে অসংখ্য কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তিলাভ করবে।
প্রশ্ন -৮ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
যুবাইর স্যার তার ছাত্রদের মুনাফিকদের নিদর্শনগুলো লিখতে বললে আমিন ছাড়া আর কেউ লিখতে পারল না। আমিন তিনটি নিদর্শন লিখল।
আমিনের লেখা দেখে শিক্ষক বললেন- তোমরা এসব থেকে বিরত থাকবে। মনে রাখবে নিফাকের কুফল ও পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
ক. গাফফার শব্দের অর্থ কী? ১
খ. খতমে নবুয়ত বলতে কী বোঝায়? ২
গ. আমিনের লেখা নিদর্শন তিনটি বর্ণনা কর। ৩
ঘ.আমিনের লেখা দেখে শিক্ষকের করা উক্তিটি বিশ্লেষণ কর। ৪
ল্ফল্প ৮নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. গাফফার শব্দের অর্থ অতি ক্ষমাশীল।
খ. খতমে নবুয়ত অর্থ নবুয়তের পরিসমাপ্তি। আল­াহ তায়ালা মানুষকে সঠিক পথের সন্ধান দেয়ার জন্য হযরত আদম (আ) থেকে নবি প্রেরণের ক্রমধারা জারি রাখেন। নবি প্রেরণের এ ক্রমধারার সমাপ্তিকেই ইসলামি পরিভাষায় খতমে নবুয়ত বলা হয়।
নবি করিম (স) বলেন, ‘‘আমি মুহাম্মদ। আমি আহমাদ। আমি বিলুপ্তকারী, আমার সাহায্যে কুফরকে বিলুপ্ত করা হবে। আমি সমবেতকারী, আমার পরে লোকদের হাশরের ময়দানে সমবেত করা হবে। আমি সবার শেষে আগমনকারী, আমার পরে আর কোনো নবি আসবেন না।’’
গ. উদ্দীপকে যুবাইর স্যারের কথা অনুযায়ী আমিন মুনাফিকদের নিদর্শন লিখল।
উদ্দীপকে দেখা যায়, যুবাইর স্যার ছাত্রদের মুনাফিকদের নিদর্শন লিখতে বললে একমাত্র আমিনই তা পেরেছিল। সুতরাং সে লিখল- যে কথায় কথায় মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে এবং আমানতের খিয়ানত করে সেই মুনাফিক। এ তিনটি নিদর্শন যার মাধ্যমে প্রকাশিত হবে তাকেই মুনাফিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হবে।
নিফাক হলো নৈতিকতা ও মানবিকতার আদর্শের বিপরীত কাজ। মুনাফিকদের চরিত্র দেখলে আমরা এ সত্য জানতে পারি। তারা সব ধরনের অন্যায় ও মন্দ কাজ করে থাকে। উত্তম আচরণ ও উত্তম চরিত্র তারা কখনোই অনুশীলন করে না। বরং মিথ্যা ও প্রতারণাই তাদের প্রধান কাজ।
ঘ. আমিনের লেখা মুনাফিকের নিদর্শন দেখে শিক্ষক বলেন ‘নিফাকের কুফল ও পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ’।
নিফাক মানুষের চরিত্র ধ্বংস করে ফেলে। নিফাকের ফলে মানুষ অন্যায় ও অশ্লীল কাজে অভ্যস্ত হয়ে যায়। ফলে মানুষের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিনষ্ট হয়। নিফাকের দ্বারা মানুষের মধ্যে অবিশ্বাস ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়। ফলে মানব সমাজে মারামারি, হানাহানি ও অশান্তির সৃষ্টি হয়।
মুনাফিকরা ইসলামের চরম শত্রæ। এরা বাইরে মুসলমান বলে দাবি করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এরা কাফিরদের পক্ষে কাজ করে। এদের গোপন শত্রæতা মুসলমানদের বিপদে ফেলে। এ শত্রæরা গুপ্তচর হিসেবে কাজ করে। ইসলাম ও মুসলমানদের গোপন কথা ও দুর্বলতা প্রকাশ করে দেয়। এরা মুসলমানদের মধ্যে মতানৈক্য ও মারামারি সৃষ্টির চেষ্টা করে। এসব কারণে দুনিয়াতে মুনাফিকরা ঘৃণিত ও নিন্দিত। আখিরাতেও তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের কঠোর আযাব।

প্রশ্ন -৯  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
আবদুর রহমান আখিরাতের ভয়ে নিয়মিত সালাত আদায় করে। ইমাম সাহেবের খুতবায় আখিরাতের বর্ণনা শুনে জাহান্নামের ভয়ে সে বিচলিত হয় এবং তার চোখে পানি আসে। সে গরিব। তার আয় রোজগারের কথা জিজ্ঞাসা করলে সে বলে, “আলহামদুলিল­াহ, আমি ভালো আছি। আল­াহ আমাকে যা দিয়েছেন আমি তাতে সন্তুষ্ট”। (পাঠ-১ ও ১০)
ক. ইমান শব্দের অর্থ কী? ১
খ. আখিরাতের প্রতি ইমান রাখতে হবে কেন? ২
গ. উদ্দীপকের আবদুর রহমানের কর্মকাণ্ডের দ্বারা কোনটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.উদ্দীপকের আবদুর রহমানের কর্মকাণ্ডের শুভ পরিণাম পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর। ৪
 ৯নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. ইমান শব্দের অর্থ বিশ্বাস।
খ. প্রকৃত মুমিন হওয়ার জন্য আখিরাতের প্রতি ইমান আনতে হবে কেননা, আখিরাতের প্রতি ইমান রাখা ফরজ। আখিরাতের প্রতি ইমান থাকলেই মানুষ জান্নাতের আশায় এবং জাহান্নামের ভয়ে ইসলামের বিধান মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ হয়।
গ. উদ্দীপকের আবদুর রহমানের কর্মকাণ্ডের দ্বারা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে।
মানুষ আল্লাহর অবারিত নিয়ামত ভোগ করে বেঁচে আছে। তাই সুখ-দুঃখে সমানভাবে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে বলতে হবে আলহামদুলিল্লাহ। অর্থাৎ সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
মানুষের উচিত অল্পে তুষ্ট; নির্লোভ ও অহিংস থাকা। সমাজের পরগাছা না হয়ে; ছায়াদার বটবৃক্ষ হওয়া সকলের উচিত।
উদ্দীপক পাঠেও আমরা দেখতে পাই যে, আবদুর রহমান আল্লাহর নেককার বান্দা। তিনি গরিব। তাই বলে তার কোনো দুঃখ নেই, ক্ষোভ নেই। তিনি আল্লাহর ওপর পুরোমাত্রায় সন্তুষ্ট। সুতরাং উদ্দীপকে এ বিষয়টি ফুটে উঠেছে যে, আল্লাহ পাকের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা মুমিনের বৈশিষ্ট্য।
ঘ. উদ্দীপকের আবদুর রহমানের কর্মকাণ্ডের শুভ পরিণাম অত্যন্ত সুখময় ও ফলপ্রসূ। কেননা, মুমিনরা আল্লাহ, ফেরেশতা আসমানি কিতাব নবি-রাসুল, আখিরাত, তাকদির এবং পুনরুত্থান প্রভৃতি বিষয়ের প্রতি পরিপূর্ণ বিশ্বাস রাখেন এ কারণে তাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামি জীবন বিধান পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকেও আমরা দেখি যে, আবদুর রহমান নিয়মিত সালাত আদায় করেন। আবদুর রহমান বেশি করে আল্লাহর দরবারে কাঁদেন। আর প্রকৃত মুমিন ব্যক্তির চোখতো জাহান্নামের ভয়ে অশ্রæসিক্তই হয়। তিনি গরিব। তাই বলে তার দুঃখ নেই; ক্ষোভ নেই। বাড়তি সম্পদের ঝামেলাও নেই। প্রকৃত মুমিন এমনই নির্লোভ হওয়া উচিত। তিনি আল্লাহর শোকরগুজার বান্দা। তার আয়-রোজগারের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আমি ভালো আছি।”
মুমিন ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রিয়পাত্র। আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের ভালোবাসেন। আখিরাতে তিনি মুমিনদের চিরশান্তি জান্নাত দান করবেন। তাছাড়া মুমিন ব্যক্তি দুনিয়াতে শ্রদ্ধা, সম্মান, কল্যাণ ও সাফল্য লাভ করেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের আবদুর রহমানের কর্মকাণ্ডের শুভ পরিণাম অত্যন্ত সুখময় ও ফলপ্রসূ।
প্রশ্ন -১০ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
জহির শফিকের কাছে কিছু টাকা আমানত রাখে। শুক্রবার সকালবেলা শফিকের টাকা নিয়ে স্থানীয় বাজারে আসার কথা। নির্ধারিত দিন জহির অনেকক্ষণ শফিকের অপেক্ষা করে। কিন্তু শফিক এল না। পরদিন দেখা হলে শফিক বলল, তার গায়ে জ্বর থাকায় টাকা ফেরত দিতে পারেনি। জহির খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, শফিকের জ্বর ছিল না, সে টাকা খরচ করে ফেলেছে। শফিককে ডেকে জহির বলল, তোমার এ কাজগুলো অত্যন্ত জঘন্য। আল­াহ এ ধরনের কাজের জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছেন। অতঃপর সে এ আয়াতটি শুনালো, “নিশ্চয়ই মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে।” (পাঠ-২)
ক. নিফাক শব্দের অর্থ কী? ১
খ. নিফাক পরিহারের তিনটি উপায় লেখ। ২
গ. উদ্দীপকে শফিকের কর্মকাণ্ডের কোনটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.শফিকের কর্মকাণ্ডের পরিণতি পাঠ্যপুস্তকের আলোকে আলোচনা কর। ৪
ল্ফল্প ১০নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. নিফাক শব্দের অর্থ কপটতা, প্রতারণা, ধোঁকাবাজি, ভণ্ডামি, দ্বিমুখীভাব পোষণ করা।
খ. মিথ্যা পরিহার করে সদা সত্য বলা, আমানত রক্ষা ও ওয়াদা পালন করাই নিফাক পরিহারের উপায়। অর্থাৎ কথা বলার সময় সত্য কথা বলবে, মিথ্যা কথা বলবে না। কাউকে কথা দিলে তা রক্ষা করবে। আমানত রক্ষা করবে। যেমন কারো কাছে কোনো জিনিস ও সম্পদ আমানত রাখলে তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করবে ফেরত দিবে। কারো সাথে কথা দিলে তা রক্ষা করবে। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট করবে না।
গ. উদ্দীপকে শফিকের কর্মকাণ্ডে মুনাফিকি প্রকাশ পেয়েছে।
ইসলামি পরিভাষায় মুখে ইমানের স্বীকার ও অন্তরে অবিশ্বাস করাকে নিফাক বলা হয়। আর যে ব্যক্তি এরূপ করে তাকে মুনাফিক বলা হয়। কথায় কথায় মিথ্যা বলা, ওয়াদা ভঙ্গ করা এবং আমানতের খিয়ানত করা মুনাফিকেরই কাজ।
উদ্দীপকের শফিকের কর্মকাণ্ডে আমরা দেখতে পাই যে, জহিরের আমানতের টাকা নিয়ে স্থানীয় বাজারে শফিকের আসার কথা ছিল; কিন্তু সে জ্বরের মিথ্যা বাহানা দিয়ে আসেনি। একে তো সে আমানতের খিয়ানত করেছে দ্বিতীয় সে মিথ্যা বলেছে। মূলত এগুলো মুনাফিকেরই আলামত। সুতরাং একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, উদ্দীপকের শফিকের কর্মকাণ্ডে মুনাফিকী প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ. শফিকের কর্মকাণ্ডের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। কেননা শফিকের কর্মকাণ্ড দ্বারা মুনাফিকি প্রকাশ পেয়েছে। আমানতের খিয়ানত করা, গালি দেওয়া এবং কথায় কথায় মিথ্যা বলা মুনাফিকেরই আলামত। এসব দোষ যার মধ্যে থাকবে সে মুনাফিকের অন্তর্ভুক্ত হবে। উদ্দীপকের শফিকও সেই মুনাফিকদেরই অন্তর্ভুক্ত। তার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
নিফাক জঘন্যতম অপরাধ। মুনাফিকের অন্তরে অবিশ্বাস ও অবাধ্যতা লুক্কায়িত থাকে। মুনাফিকরা গোপন ষড়যন্ত্র ও বিশ্বাসঘাতকতা করে মুসলমানদের ক্ষতি করে। মহানবি (স) কে ইসলামের প্রাথমিক যুগে মুনাফিকরা বারবার ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। এজন্য এদের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। দুনিয়াতে তারা লাঞ্ছিত ও অপমানিত হবে। পরকালেও এদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি। তাদের শাস্তি সম্পর্কে আল­াহ তায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয়ই মুনাফিকের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে। সুতরাং উল্লিখিত পর্যালোচনার দ্বারা এটাই প্রতীয়মান হয় যে, শফিকের কর্মকাণ্ডের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
প্রশ্ন -১১ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
জুম্মন মিয়া ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন। এলাকার অধিকাংশ মানুষ তাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করে। দায়িত্ব নেওয়ার পর এলাকার উন্নয়নের জন্য রাস্তাঘাট, বিদ্যালয়, মসজিদ, সরাইখানা প্রভৃতি নির্মাণ করেন। তাছাড়া যুবকদের বেকারত্ব দূরীকরনার্থে বিভিন্ন শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠা করে তার এলাকা আধুনিক হিসেবে গড়ে তোলেন। মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা বিধানার্থে গার্ডবাহিনী গঠন করেন। তিনি গরিব-দুঃখীদের প্রতি অত্যন্ত দয়াশীল। তারই প্রতিদ্বন্ধী শরাফত মিয়া তার প্রতি হিংসা করে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। বিষয়টি এলাকার লোক জানতে পেরে শরাফতকে আটক করে জুম্মন মিয়ার নিকট নিয়ে আসলে তিনি শরাফতকে ক্ষমা করে দেন। (পাঠ-৩)
ক. আসমাউল হুসনা অর্থ কী? ১
খ. আল্লাহ তায়ালাকে হিসাব গ্রহণকারী বলা হয়েছে কেন? ২
গ. উদ্দীপকে জুম্মন চেয়ারম্যানের কর্মকাণ্ডে কীসের প্রকাশ ঘটেছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.মানব চরিত্র গঠনে উক্ত বিষয়টির বিশ্লেষণ কর। ৪
ল্ফল্প ১১নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. আসমাউল হুসনা অর্থ সুন্দরতম নামসমূহ।
খ. আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন মানুষের সকল কৃতকর্মের হিসাব নেবেন বিধায় তাকে হিসাবগ্রহণকারী বলা হয়।
কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা সব মানুষের হাতে আমলনামা প্রদান করবেন। আমলানামায় প্রত্যেকের সব কাজের হিসাব লেখা থাকবে। ছোট-বড়, ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়, গোপনে প্রকাশ্যে কৃত সব ধরনের কাজেরই সেদিন হিসাব হবে। এজন্যই আল্লাহ তায়ালাকে হিসাব গ্রহণকারী বলা হয়।
গ. উদ্দীপকে জুম্মন চেয়ারম্যানের কর্মকাণ্ডে আসমাউল হুসনা তথা আল্লাহর গুণবাচক নামের প্রকাশ ঘটেছে।
আল্লাহ তায়ালার গুণবাচক নামসমূহকে একত্রে আসমাউল হুসনা বলা হয়। আল্লাহ তায়ালার গুণবাচক নামসমূহ উত্তম চরিত্রবান হতে অনুপ্রাণিত করে। আল্লাহ তায়ালার এসব গুণ অর্জনের জন্য মানুষ তার জীবনে চর্চা করলে সে সচ্চরিত্রবান হয়।
উদ্দীপকের জুম্মন চেয়ারম্যানও সে রকম উত্তম চরিত্রবান লোকদের একজন। তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এলাকার উন্নয়নকল্পে রাস্তাঘাট, বিদ্যালয়, মসজিদ, সরাইখানা, প্রভৃতি নির্মাণ করেন। এলাকার যুবকদের বেকারত্ব দূরীকরণার্থে বিভিন্ন শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন। মানুষের জানমালের নিরাপত্তাবিধানার্থে গার্ড বাহিনী গঠন করেন। তার প্রতিদ্ব›দ্বী তাকে হত্যার পরিকল্পনা করার কারণে তাকে হাতে পাওয়া সত্তে¡ও ক্ষমা করে দেন। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে জুম্মন চেয়ারম্যানের কর্মকাণ্ডে আসমাউল হুসনা তথা আল্লাহর গুণবাচক নামের প্রকাশ ঘটেছে।
ঘ. উদ্দীপকে জুম্মন চেয়ারম্যানের জীবনের মতো আসমাউল হুসনা তথা সুন্দরতম নামসমূহের প্রভাব মানবজীবনে চরিত্র গঠনে প্রভাব ফেলে। আল্লাহতায়ালার এসব গুণাবচক নামের দ্বারা ব্যক্তি চরিত্রবান হয়ে সমাজ, রাষ্ট্র ও পৃথিবীকে উন্নত করে তোলে। সমাজে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হয়। জুম্মন চেয়ারম্যান আসমাউল হুসনার এসব নামের গুণাবলির দ্বারা নিজেকে চরিত্রবান হিসেবে গড়ে তোলার কারণে মহা অপরাধীকে হাতের মুঠোয় পেয়েও ক্ষমা করে দেন। এলাকার উন্নয়নে কত কিছুই না তিনি করেছেন। এলাকার ধনী-গরিব, বৃদ্ধ-যুবক সবার প্রতি তিনি দয়াবান। এ যেন আসমাউল হুসনারই প্রতিফলন।
আল­াহর গুণবাচক নামসমূহ জেনে সেসব গুণাবলি আমাদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারলে আমরা তার মতো আদর্শ মানুষে পরিণত হতে পারব। আল­াহর গুণাবলি সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে আল­াহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলা সহজ হয়। আল­াহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং তার ক্রোধ থেকে বাঁচা যায়।
এভাবে আল­াহর গুণে নিজেকে গুণান্বিত করতে পারলে আমাদের চরিত্র সুন্দর হবে। আমরা ভালো মানুষে পরিণত হব, সমাজ সুন্দর হবে।
প্রশ্ন -১২ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
রাসেল এক ভণ্ডপীরের মুরিদ। একদিন সে রফিককে বলল, হযরত মুহাম্মদ (স)-ই শেষ নবি নন, পীর সাহেব বলেছেন, মহানবি (স)-এর পর শেষ জামানায় আবার নবি আসবেন। রফিক বলল, তুমি কী বলছ? হযরত মুহাম্মদ (স)-ই সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ নবি। তার পরে আর কোনো নবি আসবেন না। (পাঠ-৪ ও ৫)
ক. খতমে নবুয়ত অর্থ কী? ১
খ. হযরত মুহাম্মদ (স)-এর পর আর কোনো নবি আসার প্রয়োজন নেই কেন? ২
গ. উদ্দীপকের রাসেলের মধ্যে কোন বিশ্বাসের অভাব রয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.পাঠ্যপুস্তকের আলোকে রফিকের উক্ত বিশ্বাসের তাৎপর্য আলোচনা কর। ৪
ল্ফল্প ১২নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. খতমে নবুয়ত অর্থ নবুয়তের পরিসমাপ্তি।
খ. হযরত মুহাম্মদ (স)-এর শিক্ষা বিলীন হয়ে যায়নি। তাতে সংশোধন ও পরিবর্তনেরও সুযোগ নেই। উপরন্তু তিনি সারা বিশ্বের নবি হওয়ার কারণে আর কোনো নবি আসার প্রয়োজন নেই।
গ. উদ্দীপকের রাসেলের মধ্যে খতমে নবুয়তে বিশ্বাসের অভাব রয়েছে।
মানবজাতির হিদায়াতের জন্য আল্লাহর তায়ালা যুগে যুগে বহু নবি রাসুল প্রেরণ করেছেন। এ ক্রমধারা শুরু হয় হযরত আদম (আ)-এর মাধ্যমে, আর হযরত মুহাম্মদ (স)-এর আগমনের মাধ্যমে শেষ হয়। নবুয়তের এ ক্রমধারাটির সমাপ্তিকেই খতমে নবুয়ত বলা হয়।
উদ্দীপকের রাসেলের ভণ্ডপীর তাকে বলেছে শেষ জামানায় আবার নবি আসবে। সে তা বিশ্বাস করে। সুতরাং রাসেলের মধ্যে খতমে নবুয়তের অবিশ্বাস রয়েছে।
ঘ. রফিক খতমে নবুয়তে বিশ্বাসী। সে বিশ্বাস করে হযরত মুহাম্মদ (স)-ই সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ নবি।
খতমে নবুয়তের তাৎপর্য অপরিসীম। আমাদের প্রিয়নবি হযরত মুহাম্মদ (স) হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবি। তিনি খাতামুন নাবিয়্যিন। তাঁর পর আজ পর্যন্ত কোনো নবি আসেননি আর কিয়ামত পর্যন্ত আসবেনও না। তাঁর মাধ্যমে নবি-রাসুলের আগমনের ধারা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
উদ্দীপকের রফিকের মধ্যে এ বিশ্বাস পরিলক্ষিত হয়। ভণ্ড পীরের মুরিদ রাসেলকে তাই বলে আর কোনো নবি-রাসুল আসবেন না। কারণ হযরত মুহাম্মদ (স)-এর শিক্ষা ও হিদায়াত আজও জীবন্ত আছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে। তাঁর ওপর নাযিলকৃত কিতাব আল কুরআন ও শরিয়ত কিয়ামত পর্যন্ত অবিকৃত থাকবে।
হযরত মুহাম্মদ (স) সমগ্র জাতির জন্য প্রেরিত হন। তিনি সর্বশেষ নবি। তাঁর মাধ্যমে নবুয়তের ধারার সমাপ্তি ঘটেছে। খতমে নবুয়তে বিশ্বাস করা ইমানের একটি মূল বিষয়। আর এ প্রেক্ষিতে রফিকের বিশ্বাস অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
প্রশ্ন -১৩ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
বরইতলা গ্রামের অধিকাংশ লোক ইসলামের বিধি-বিধান না মেনে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল। কিন্তু বর্তমানে তাদের অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। কারণ তাদের মসজিদের বর্তমান ইমাম সাহেব তাদেরকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে, দুনিয়ায় শান্তি ও পরজীবনে মুক্তি পেতে ইমান ও সৎকাজের কোনো বিকল্প নেই। (পাঠ-৬)
ক. আখিরাতের প্রথম পর্যায় কোনটি? ১
খ. আখিরাতের জীবনকে কেন অনন্ত জীবন বলা হয়েছে? ২
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বরইতলাবাসীর ধর্মীয় ও নৈতিক পরিবর্তনে ইমানের কোন বিষয়টি ভ‚মিকা রেখেছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.উক্ত বিষয়টির যথার্থতা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর। ৪
ল্ফল্প ১৩নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. আখিরাতের প্রথম পর্যায় হলো বারযাখ।
খ. আখিরাতের জীবনের শুরু আছে কিন্তু শেষ নেই বলে আখিরাতের জীবনকে অনন্ত জীবন বলা হয়েছে। মৃত্যুর পর মানুষের আখিরাতের জীবন শুরু হয়। পৃথিবীর জীবনের মতো মৃত্যু বা অন্য কোনোভাবে কখনই এর সমাপ্তি ঘটবে না। এ কারণে আখিরাতের জীবনকে অনন্ত জীবন বলা হয়।
গ. উদ্দীপকের বরইতলাবাসীর ধর্মীয় ও নৈতিক পরিবর্তনে ইমানের যে বিষয়টি ভ‚মিকা রেখেছে তা হলো আখিরাতে বিশ্বাস। আমরা জানি, মৃত্যুর পর আখিরাতের জীবন শুরু হয়। পৃথিবীর জীবনে মানুষ যেসব কাজ করে সে আলোকে আখিরাতে সে অনন্ত সুখ বা অনন্ত দুঃখ লাভ করে। বরইতলাবাসী আখিরাতে বিশ্বাসের কারণে সঠিকভাবে ইমান আনে এবং সৎকাজ করার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করে। আখিরাতে বিশ্বাস তাদেরকে সকল অসামাজিক ও অনৈতিক কাজ থেকে দূরে রাখে। ফলে আখিরাতে যেমন তাদের মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয় তেমনি ইমান ও সৎ কাজের প্রভাবে তাদের দুনিয়ার জীবনেও শান্তি নেমে আসে। তাই বলা যায় যে, আখিরাতে বিশ্বাসের ফলেই বরইতলাবাসী এমন অবস্থায় উন্নীত হতে সক্ষম হয়।
ঘ. বরইতলা গ্রামের ইসলামবিরোধী ও অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত লোকদের অবস্থা বদলে দিয়েছেন তাদের ইমাম। তিনি গ্রামবাসীকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন, দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতে মুক্তি পেতে হলে ইমান ও সৎকর্মের বিকল্প নেই। দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্তি ও জান্নাত লাভ করতে হলে আখিরাতের বিশ্বাসের গুরুত্ব অপরিসীম।
আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে সৎকর্মশীল করে তোলে। আখিরাতে বিশ্বাসী ব্যক্তি কোনো খারাপ কাজ করতে পারে না। যে সমাজে আখিরাতের বিশ্বাসী ব্যক্তি রয়েছে সে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় থাকে। উদ্দীপকেও আমরা দেখি যে, ইমানের শক্তিতে বরইতলা গ্রামবাসীর পক্ষে অসৎ কাজ করা সম্ভব হয় না। যে জান্নাত-জাহান্নামে বিশ্বাস রাখে এমন লোক কোনোভাবেই মন্দ কাজ করতে পারেন না। ব্যক্তি যদি মন্দ কাজ না করে তাহলে তার দুনিয়ার জীবন শান্তিপূর্ণ না হওয়ার কোনো কারণ থাকে না। এভাবে ইমান ও সৎকাজের সুপ্রভাবে ব্যক্তির দুনিয়ার জীবনে যেমন শান্তি নেমে আসে, তেমনি তিনি আখিরাতেও ভয়ানক শাস্তি থেকে মুক্তি লাভ করেন।
তাই আখিরাতে বিশ্বাস অত্যন্ত গুরুত্ববহ।
প্রশ্ন -১৪ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
শিক্ষিকা রাবেয়া বানুর ক্লাসে এক ছাত্রী বেয়াদবি করলে তাকে শাস্তি দেয়ার মনস্থ করেন; কিন্তু অন্য ছাত্রীদের অনুরোধক্রমে তাকে ক্ষমা করা হয়। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে রাবেয়া বানু বলেন, ক্ষমা মহৎ গুণ। তা খাঁটি মুমিন হতে সাহায্য করে। (পাঠ-৭)
ক. জান্নাত শব্দের অর্থ কী? ১
খ. জাহান্নাম কাকে বলে? ২
গ. উদ্দীপকের রাবেয়া বানুর ক্লাসের ঘটনায় কোনটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.ইসলামের উক্ত বিষয়টির তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর। ৪
ল্ফল্প ১৪নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. জান্নাত শব্দের অর্থ বাগান, উদ্যান, আবৃত স্থান।
খ. ইসলামি পরিভাষায় আখিরাতে কাফির, মুশরিক, মুনাফিক ও পাপীদের শাস্তির জন্য যে স্থান নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে তাকে জাহান্নাম বলে। জাহান্নাম হলো শাস্তির স্থান। যেখানে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। পাপ অনুযায়ী জাহান্নামের শ্রেণি বিভাগ হবে।
একেক জাহান্নামে একেক ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। যার বর্ণনা পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন আয়াতে বর্ণিত হয়েছে।
গ. উদ্দীপকের রাবেয়া বানুর ক্লাসের ঘটনায় শাফাআতের বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
কিয়ামতের দিন সকল মানুষকে এক বিশাল ময়দানে সমবেত করা হবে। সেদিন পাপীদের ক্ষমা ও পুণ্যবানদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য শাফাআত করা হবে। যেমনটি আমরা উদ্দীপকের রাবেয়া বানুর ক্লাসে লক্ষ্য করি। এক ছাত্রী রাবেয়া বানুর সাথে বেয়াদবি করে। রাবেয়া বানু সেই ছাত্রীকে শাস্তি দিতে মনস্থ করেন। এতে ক্লাসের অন্য শিক্ষার্থীরা শাস্তি না দিতে সুপারিশ করে। শিক্ষার্থীদের সুপারিশে রাবেয়া বানু ঐ ছাত্রীকে ক্ষমা করে দেন। এতে শাফাআতের বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।
ঘ. উক্ত বিষয় তথা শাফাআতের তাৎপর্য ইসলামে অপরিসীম।
কল্যাণ ও ক্ষমার জন্য আল্লাহ তায়ালার নিকট নবি-রাসুলগণের সুপারিশ করাকে শাফাআত বলে। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা মানুষের সব কাজকর্মের হিসাব নেবেন। তারপর আমল অনুযায়ী প্রত্যেকের জন্য পুরস্কার অথবা শাস্তির ব্যবস্থা করবেন। এ সময় মানুষের মুক্তির জন্য মহানবি (স), সাহাবি, শহিদ ও পুণ্যবান লোকদের সুপারিশক্রমে জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করবেন।
পৃথিবীতে অপরাধীর শাস্তি মওকুফের জন্য যেমন উকিল, বিচারক নিয়োজিত থাকে তেমনিভাবে আখিরাতেও জাহান্নামের শাস্তি বা মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য রাহমাতুল্লিল আলামিন মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স) নিয়োজিত থাকবেন। হাশরের ময়দানে মানুষ অসহনীয় দুঃখ-কষ্টে নিপতিত হবে। এ সময় সকল নবি-রাসুল নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে সুপারিশ করতে অপারগতা প্রকাশ করলে সবাই মহানবি (স)-এর নিকট উপস্থিত হবে। মহানবি (স) প্রথমত তাঁর উম্মতের জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির শাফাআত করবেন। এতে জাহান্নামিরা মুক্তি পাবেন। যারা জান্নাতে যাবেন তাদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য মহানবি (স) পুনরায় শাফাআত করবেন। সেদিন মহানবি (স)-এর শাফাআত ছাড়া কেউ মুক্তি পাবেন না। অতএব মানুষের চিরকালীন মুক্তির জন্য শাফাআত ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে।
প্রশ্ন -১৫ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
শিক্ষক আবু ইউসুফ পরকালীন শাস্তির বিষয়ে ক্লাসে ছাত্রছাত্রীদের পড়াচ্ছিলেন। এতে ছাত্রছাত্রীরা ভীত হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থী শামিম জিজ্ঞেস করল, আমরা কীভাবে পরকালে শাস্তি থেকে পরিত্রাণ পাব? জবাবে শিক্ষক বললেন, আল­াহ ও তাঁর রাসুলের প্রদর্শিত পথে চললে শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। (পাঠ-৮ ও ৯)
ক. জাহান্নাম অর্থ কী? ১
খ. জাহান্নামে কারা প্রবেশ করবে? ২
গ. শিক্ষকের আলোচনায় ছাত্রছাত্রীদের ভীত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.পরকালীন শাস্তি থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে শিক্ষক আবু ইউসুফের পরামর্শ যথার্থ। মূল্যায়ন কর। ৪
ল্ফল্প ১৫নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. জাহান্নাম অর্থÑ আগুনের গর্ত, দোযখ, শাস্তির স্থান।
খ. কাফির, মুশরিক, মুনাফিক এবং অন্য পাপীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে। যারা আল­াহ ও তাঁর রাসুল (স)-এর পূর্ণ আনুগত্য করবে না, নেক আমল তথা সালাত, সাওম, যাকাত, হজ আদায় করবে না; আর যারা বিভিন্ন অন্যায়, অশ্লীল ও পাপাচারে লিপ্ত হবে এবং যারা অন্যের হক বিনষ্ট করবে, তারাও জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে।
গ. শিক্ষকের আলোচনায় ছাত্রছাত্রীদের ভীত হওয়ার মূল কারণ হলো জাহান্নামের ভয়।
জাহান্নাম খুবই ভয়ংকর স্থান। সেখানে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। সেখানে পাপীরা আগুনে দগ্ধ হবে। বড় বড় সাপ, বিচ্ছু, কীটপতঙ্গ মানুষকে দংশন করবে। এরূপ আযাবের কথা শুনলে অন্তরে ভয়ের সৃষ্টি হয়। যেমনটি আমরা উদ্দীপকের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে দেখতে পাই। শিক্ষক আবু ইউসুফ পরকালের আযাবের কথা ছাত্রছাত্রীদের শোনান। আল্লাহ তাঁর পাপী বান্দাদের জন্য শাস্তির কী কী ব্যবস্থা রেখেছেন তা বর্ণনা করেন। এতে ছাত্রছাত্রীরা জাহান্নামের ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে।
ঘ. ‘আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স)-এর প্রদর্শিত পথে চললে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে, শিক্ষকের এ পরামর্শ যথার্থ।
যারা আল­াহ ও তাঁর রাসুলের প্রদর্শিত পথে চলবে তারা জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। তাই সব অন্যায়-অশ্লীল কাজ ও পাপাচার থেকে বিরত থাকতে হবে। উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই যে, শিক্ষার্থী শামিমের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষক আবু ইউসুফ বললেন আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স)-এর প্রদর্শিত পথে চললেই এসব পরকালের জাহান্নামের আযাব থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
জীবনের সর্বক্ষেত্রে শরিয়তের হুকুম-আহকাম মেনে চলতে হবে। আল­াহ পাকের ভয় মনে রেখে সর্বপ্রকার কুকর্ম থেকে নিজের নফ্সকে বিরত রাখতে হবে। এসব কাজ যারা করবে তারাই জাহান্নামের শাস্তি থেকে পরিত্রাণ পাবে। সুতরাং জাহান্নামের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি হতে মুক্তি পেতে আমরা আল্লাহ ও রাসুলের প্রতি ইমান এনে যাবতীয় অশ্লীল ও অনৈতিক কাজ পরিহার করব এবং আল্লাহ ও রাসুলের (স) নির্দেশনা অনুযায়ী জীবনযাপন করব। আর এ প্রেক্ষাপটেই শিক্ষক আবু ইউসুফের পরামর্শটি যথার্থ।

সৃজনশীল প্রশ্নব্যাংক

প্রশ্ন-১৬ ল্ফ সুলতান একজন অলস ব্যক্তি। সে নিজে রোজগার করে না। বৃদ্ধ বাবার রোজগারে স্ত্রী-পুত্রের ভরণপোষণ করে। তার বন্ধু মাহমুদ তাকে বলল, তুমি আল্লাহর একটি নামের গুণে গুণান্বিত হয়ে নিজে সাবলম্বী হতে পার।
ক. সামাদুন অর্থ কী? ১
খ. ‘আল আসমাউল হুসনা’র তাৎপর্য কী? ২
গ. উদ্দীপকে মাহমুদ মহান আল্লাহর কোন গুণের প্রতি ইঙ্গিত করেছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. মানবজীবনে উক্ত গুণের গুরুত্ব আলোচনা কর। ৪
প্রশ্ন-১৭ ল্ফ আল্লাহ যুগে যুগে মানবজাতির হিদায়াতের জন্য নবি-রাসুলগণকে পাঠিয়েছেন। রিসালাতের ধারা শুরু হযরত আদম (আ) কে দিয়ে এবং শেষ হয়েছে মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স) কে দিয়ে। অর্থাৎ নবি-রাসুল প্রেরণের ক্রমধারার সমাপ্তি হয়েছে মহানবি (স)-এর মাধ্যমে। এর ওপর বিশ্বাসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
ক. খতমে নবুয়ত অর্থ কী? ১
খ. আল্লাহর নবি-রাসুল প্রেরণের উদ্দেশ্য লেখ। ২
গ. উদ্দীপকে কোন বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. ‘এর ওপর বিশ্বাসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে’-উদ্দীপকের এ বক্তব্যটি পর্যালোচনা কর। ৪
প্রশ্ন-১৮ ল্ফ আশার ধারণা যেহেতু কিয়ামত পর্যন্ত মানুষ আসতে থাকবে সেহেতু তাদের সৎপথ প্রদর্শনের জন্য কিয়ামত পর্যন্ত নবী-রাসুলও আসবেন। অপরদিকে রাইসা মনে করে, মানুষের উন্নতি তার কর্মের উপরই নির্ভর করে। এখানে অন্য কিছু চিন্তা করার সুযোগ নেই। আর এটি নির্ধারিতও নয়। যে যেমন কর্ম করবে সে তেমন ফল পাবে।
ক. আখিরাত শব্দের অর্থ কী? ১
খ. শাফায়াতে কুবরা বলতে কী বোঝায়? ২
গ. আশার মনোভাবটি ইসলামের কোন বিধানের পরিপন্থী? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. রাইসার ধারণাটি কী যথার্থ? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। ৪

প্রশ্ন-১৯ ল্ফ জাবের ও ফাহিম দুই ভাই। জাবের সরকারি কর্মচারী। সে যথাসময়ে কর্মস্থলে আসে, অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে। কাজে কখনো অবহেলা করে না। ফাহিম উচ্চ শিক্ষিত হওয়া সত্তে¡ও কোনো চাকরি কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্য করে না। সে তার ভাই জাবেরের সংসারেই থাকে এবং বড় ভাইয়ের উপার্জনের উপর নির্ভর করে।
ক. ইসলামের প্রধান ভিত্তি কী? ১
খ. আসমাউল হুসনা বলতে কী বোঝায়? ২
গ. উদ্দীপকের ফাহিম মহান আল্লাহর কোন গুণ অনুসরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. জাবেরের কর্মকাণ্ড ইমান ও নৈতিকতার আলোকে বিশ্লেষণ কর। ৪
অনুশীলনের জন্য দক্ষতাস্তরের প্রশ্ন ও উত্তর

 জ্ঞানমূলক //
প্রশ্ন \ ১ \ আকিদা অর্থ কী?
উত্তর : আকিদা অর্থ বিশ্বাস।
প্রশ্ন \ ২ \ ইসলামের প্রধান ভিত্তি কী?
উত্তর : ইসলামের প্রধান ভিত্তি হলো আকাইদ।
প্রশ্ন \ ৩ \ ইমান শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : ইমান শব্দের অর্থ বিশ্বাস।
প্রশ্ন \ ৪ \ ইমানের মৌলিক বিষয় কয়টি?
উত্তর : ইমানের মৌলিক বিষয় সাতটি।
প্রশ্ন \ ৫ \ প্রসিদ্ধ ফেরেশতা কতজন?
উত্তর : প্রসিদ্ধ ফেরেশতা ৪ জন।
প্রশ্ন \ ৬ \ প্রথম নবি কে?
উত্তর : প্রথম নবি হযরত আদম (আ)।
প্রশ্ন \ ৭ \ শেষ নবি কে?
উত্তর : শেষ নবি হযরত মুহাম্মদ (স)।
প্রশ্ন \ ৮ \ নিফাক শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : নিফাকি শব্দের অর্থ কপটতা বা প্রতারণা।
প্রশ্ন \ ৯ \ মুনাফিকের চিহ্ন কয়টি?
উত্তর : মুনাফিকের চিহ্ন ৩টি।
প্রশ্ন \ ১০ \ আসমাউল হুসনা শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : আসমাউল হুসনা শব্দের অর্থ : সুন্দর নামসমূহ।
প্রশ্ন \ ১১ \ আল্লাহ তায়ালার গুণবাচক নামসমূহকে একত্রে কী বলা হয়?
উত্তর : আসমাউল হুসনা।
প্রশ্ন \ ১২ \ সামাদুন শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : সামাদুন শব্দের অর্থ অমুখাপেক্ষী।
প্রশ্ন \ ১৩ \ রাউফুন শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : রাউফুন শব্দের অর্থ অত্যন্ত স্নেহশীল।
প্রশ্ন \ ১৪ \ হাসিবুন শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : হাসিবুন শব্দের অর্থ হিসাব গ্রহণকারী।
প্রশ্ন \ ১৫ \ মুহাইমিনুন শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : মুহাইমিনুন শব্দের অর্থ রক্ষণাবেক্ষণকারী।
প্রশ্ন \ ১৬ \ রাসুল শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : রাসুল শব্দের অর্থ সংবাদবাহক।
প্রশ্ন \ ১৭ \ আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে নবি-রাসুল পাঠিয়েছেন কেন?
উত্তর : আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে নবি-রাসুল পাঠিয়েছেন মানুষের হিদায়াতের জন্য।
প্রশ্ন \ ১৮ \ কুরআন মজিদে কতজন নবি-রাসুলের নামের উলে­খ পাওয়া যায়?
উত্তর : কুরআন মজিদে ২৫ জন নবি-রাসুলের নামের উল্লেখ পাওয়া যায়।
প্রশ্ন \ ১৯ \ কার মাধ্যমে নবুয়তের ধারা শেষ হয়?
উত্তর : রাসুল (স)-এর মাধ্যমে নবুয়তের ধারা শেষ হয়।
প্রশ্ন \ ২০ \ আখিরাতের প্রথম পর্যায় কী?
উত্তর : আখিরাতের প্রথম পর্যায় বারযাখ।
প্রশ্ন \ ২১ \ কিয়ামত শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : কিয়ামত শব্দের অর্থ দণ্ডায়মান হওয়া।
প্রশ্ন \ ২২ \ শাফাআত কয় প্রকার?
উত্তর : শাফাআত দুই প্রকার।
প্রশ্ন \ ২৩ \ জান্নাত অর্থ কী?
উত্তর : জান্নাত অর্থ উদ্যান, বাগান ইত্যাদি।
প্রশ্ন \ ২৪ \ বেহেশত কোন ভাষার শব্দ?
উত্তর : বেহেশত ফারসি ভাষার শব্দ।
প্রশ্ন \ ২৫ \ জান্নাত কেমন স্থান?
উত্তর : জান্নাত চিরশান্তির স্থান।
প্রশ্ন \ ২৬ \ জাহান্নাম অর্থ কী?
উত্তর : জাহান্নাম অর্থ আগুনের গর্ত, দোযখ, শাস্তির স্থান।
প্রশ্ন \ ২৭ \ জাহান্নাম কেমন স্থান?
উত্তর : জাহান্নাম খুবই ভয়ংকর স্থান।
 অনুধাবনমূলক //
প্রশ্ন \ ১ \ আকাইদ বলতে কী বোঝ?
উত্তর : আকাইদ অর্থ বিশ্বাসমালা। ইসলামের মূল বিষয়গুলোকে মনে-প্রাণে বিশ্বাস করাকে আকাইদ বলে। একজন মুমিনকে আল­াহ, রাসুল, কিতাব, মালাইকা, আখিরাত প্রভৃতি বিষয়ের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হয়। আকাইদ হলো ইসলামের মূলভিত্তি।
প্রশ্ন \ ২ \ আখিরাতের প্রতি ইমান আনা প্রয়োজন কেন?
উত্তর : আখিরাতের প্রতি ইমান আনা অপরিহার্য। কেননা ইমানের সাতটি প্রধান বিষয়ের মধ্যে আখিরাতে বিশ্বাস অন্যতম। আখিরাতের প্রতি ইমান থাকলেই মানুষ জান্নাতের আশায় এবং জাহান্নামের ভয়ে ইসলামের বিধান মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ হয়। অন্যদিকে যারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না তারা আল­াহর বিরোধিতা করে পশুর মতো বল্গাহীন জীবনযাপন করে। তারা সমাজকে কলুষিত করে। তাদের কারণে ভালো মানুষরাও কষ্ট পায়। উপরোলি­খিত আলোচনা থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, আখিরাতের প্রতি ইমান আনা প্রত্যেক মুমিনের ওপর অপরিহার্য।
প্রশ্ন \ ৩ \ ‘আল­াহু হাসিবুন’ নামের গুরুত্ব বুঝিয়ে লেখ।
উত্তর : হাসিবুন শব্দের অর্থ হিসাব গ্রহণকারী। আল­াহু হাসিবুন অর্থ আল­াহ হিসাব গ্রহণকারী। আল­াহ সূ² হিসাব গ্রহণকারী। তিনি কিয়ামত দিবসে বান্দাদের থেকে তাঁর দেয়া নিয়ামতসমূহের হিসাব নেবেন। তিনি পাপ-পুণ্যের হিসাব নেবেন। আল­াহ বলেন “নিশ্চয়ই আল­াহ সব বিষয়ে হিসাব গ্রহণকারী।”
প্রশ্ন \ ৪ \ আল­াহ আশ্রয়দাতা কীভাবে? বুঝিয়ে দাও।
উত্তর : মুহাইমিনুন শব্দের অর্থ রক্ষণাবেক্ষণকারী, আশ্রয়দাতা। আল­াহ আমাদের বিপদাপদ থেকে রক্ষা করেন। শত্র“র কবল থেকে রক্ষা করেন। হিংসুকের অনিষ্ট থেকে হিফাযত করেন। তাঁর রহমতের ছায়ায় আশ্রয় লাভ করতে পারলে বিপদমুক্ত হওয়া যায়। নিরাপদে থাকা যায়। কারণ তিনি সর্বশক্তিমান, প্রবল পরাক্রমশালী। তিনি যাকে আশ্রয় দেন, রক্ষা করেন, কেউ তাঁর ক্ষতি করতে পারে না। মহানবি (স) সৃষ্টির অনিষ্টতা, যাদুকরের যাদু, হিংসুকের হিংসা, শয়তানের কুমন্ত্রণা, দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা, অপারগতা থেকে আশ্রয় চাইতেন ও সাহাবায়ে কেরামকে এরূপ করতে উপদেশ দিতেন।

প্রশ্ন \ ৫ \ রিসালাতের মর্ম বুঝিয়ে দাও।
উত্তর : আল­াহর সব নবি-রাসুলই মানুষকে সরল সঠিক পথের দিকে আহŸান জানিয়েছেন। তাঁরা সবাই ন্যায়, ইনসাফ, সততা ইত্যাদি মানবিক সৎগুণাবলি অর্জন করার শিক্ষা দিয়েছেন। শিরক, কুফর, নিফাক থেকে দূরে থাকার এবং এক আল­াহর ইবাদত করার নির্দেশ দিয়েছেন। হযরত ছালিহ, হূদ এবং অন্য নবিগণ নিজ নিজ স¤প্রদায়ের প্রতি আল­াহর ইবাদতের আহŸান জানিয়ে বলেছেন “হে আমার স¤প্রদায়। তোমরা আল­াহর ইবাদত কর। তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোনো ইলাহ নেই।” নবিগণের এ শিক্ষার সমাপ্তি ঘটে আমাদের প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ (স) এর সময়ে।
প্রশ্ন \ ৬ \ আখিরাতে বিশ্বাসের গুরুত্ব কী?
উত্তর : আখিরাতের জীবন অনন্ত। সেখানে যেমন পুণ্যবানদের সুখ শান্তির শেষ নেই, তেমনি পাপীদেরও দুঃখের সীমা নেই। আখিরাতের ওপর বিশ্বাসস্থাপন করা ফরয। যারা আখিরাতে বিশ্বাস করেনি সব যুগেই তারা কাফির বলে গণ্য হয়েছে। আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে সৎকর্মশীল করে তোলে। কারণ সে বিশ্বাস করে দুনিয়ার কাজকর্মের জন্য তাকে আখিরাতে আল­াহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। ভালো কাজের জন্য তাকে পুরস্কৃত করা হবে আর মন্দ কাজের জন্য তাকে শাস্তি ভোগ করতে হবে।
প্রশ্ন \ ৭ \ শাফাআত বলতে কী বোঝ?
উত্তর : শাফাআত অর্থ সুপারিশ করা। শরিয়তের পরিভাষায়, পাপী ব্যক্তিদের পাপ মার্জনা করে দেয়া এবং পুণ্যবানদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেয়ার জন্য আল­াহ তায়ালার নিকট সুপারিশ করাকে শাফাআত বলে।
প্রশ্ন \ ৮ \ জান্নাতের পরিচয় দাও।
উত্তর : জান্নাত অর্থ বাগান, আবৃত স্থান, উদ্যান। শরিয়তের পরিভাষায় ইহকালীন জীবন শেষে ইমানদার বান্দাদের জন্য আখিরাতে চিরকালীন সুখ শান্তির যে আবাসস্থল প্রস্তুত রাখা হয়েছে তাকে জান্নাত বলে। জান্নাত পরম সুখশান্তির স্থান। সেখানে রোগ-শোক, জরা-মৃত্যু বা কোনো অশান্তি নেই। পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করা হয়েছে-“হে নবি আপনি সুসংবাদ দিন, যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে নিশ্চয়ই তাদের জন্য রয়েছে এমন জান্নাত যার তলদেশে ঝর্ণাসমূহ প্রবাহিত।’’
প্রশ্ন \ ৯ \ জাহান্নামের পরিচয় দাও।
উত্তর : জাহান্নাম হলো আগুনের গর্ত, শাস্তির স্থান। একে দোযখ বা নরকও বলা হয়। ইসলামি পরিভাষায় আখিরাতে কাফির, মুশরিক, মুনাফিক ও পাপীদের শাস্তির জন্য যে স্থান নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে তাকে জাহান্নাম বলা হয়। জাহান্নামের আগুন দুনিয়ার আগুন থেকে সত্তর গুণ বেশি উত্তপ্ত। সেখানে পাপীরা আগুনে দগ্ধ হবে।

 

প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply