সপ্তম শ্রেণির আনন্দ পাঠ আদুভাই

আদুভাই
আবুল মনসুর আহমদ

 গল্পটি পড়ে জানতে পারব
 আত্মসম্মানবোধে বলীয়ান হওয়ার প্রেরণা
 অধ্যবসায়ী হওয়ার গুরুত্ব
 লেখাপড়ার প্রতি মানুষের আগ্রহের স্বরূপ
 লেখক পরিচিতি
নাম আবুল মনসুর আহমদ।
জন্ম পরিচয় জন্ম তারিখ : ৩রা সেপ্টেম্বর ১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দ (১৯শে ভাদ্র ১৩০৫ বঙ্গাব্দ)।
জন্মস্থান : ধানীখোলা, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
পারিবারিক পরিচয় পিতার নাম : আব্দুর রহিম ফরাযী।
মাতার নাম : মীর জাহান খাতুন।
শিক্ষাজীবন মক্তব : বাগদাদি কায়দা, আম-সিপারা ও কোরআন শরিফ।
মাধ্যমিক : ম্যাট্রিক (১৯১৭), মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালয়।
উচ্চ মাধ্যমিক : আইএ (১৯১৯), জগন্নাথ কলেজ।
উচ্চতর শিক্ষা : বিএ (১৯২১), ঢাকা কলেজ; আইন (১৯২৯), রিপন ল কলেজ, কলকাতা।
কর্মজীবন/পেশা সাংবাদিক ও সাহিত্যিক।
সাহিত্য সাধনা গ্রন্থসমূহ : হুজুর কেবলা, নয়াপাড়া, আয়না, আসমানী পর্দা, ফুড কনফারেন্স, গালিভারের সফরনামা।
জীবনাবসান ১৮ই মার্চ, ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দ।

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর
১. শিক্ষকগণ তাকে আদুভাই বলে ডাকতেনÑ ঝ
ক. সম্মান করে খ. আদর করে
গ. বিদ্রæপ করে ঘ. মর্যাদা রক্ষা করে
২. ‘আজ হোক, কাল হোক, প্রমোশন আমাকে দিতেই হবে’Ñ আদুভাই-এর এ উক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে আদুভাই-এর
র. দম্ভভাব
রর. আত্মবিশ্বাস
ররর. দৃঢ়প্রত্যয়
নিচের কোনটি সঠিক? ঝ
ক. র খ. রর
গ. র ও ররর ঘ. রর ও ররর
নিচের অংশটুকু পড় এবং ৩-৫ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
আদুভাই একই শ্রেণিতে বছরের পর বছর পড়াশোনা করলেও কখনোই প্রমোশন পান না। কিন্তু অন্য গুণাবলির জন্য তিনি ছিলেন সবার প্রিয়ভাজন। তাঁর নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলাবোধের জন্য তিনি প্রতিবছর পুরস্কৃত হতেন।
৩. আদুভাই কোন শ্রেণির ছাত্র ছিলেন? ছ
ক. ৬ষ্ঠ খ. ৭ম
গ. ৮ম ঘ. ৯ম
৪. অন্য গুণাবলি বলতে এখানে বোঝানো হয়েছেÑ
র. শান্ত ও ভদ্র
রর. সত্যবাদী ও চরিত্রবান
ররর. হাস্যোজ্জ্বল ও পরোপকারী
নিচের কোনটি সঠিক? ছ
ক. র খ. র ও রর
গ. ররর ঘ. র, রর ও ররর
৫. ক্লাসে খারাপ ছাত্র হয়েও কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভবÑ চ
ক. নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলার মাধ্যমে
খ. খেলাধুলায় ভালো পারদর্শী হলে
গ. শান্ত-স্বভাবসুলভ আচরণের মাধ্যমে
ঘ. সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে পারদর্শী হলে
সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর
আদুভাই অপরাধীর ন্যায় উদ্বেগ-কম্পিত ও সংকোচ-জড়িত প্যাঁচ-মোচড় দিয়ে যা বললেন, তার মর্ম এই যে প্রমোশনের জন্য এত দিন তিনি কারও কাছে কিছু বলেননি, কারণ প্রমোশন জিনিসটাকে যথাসময়ের পূর্বে এগিয়ে আনাটা তিনি পছন্দ করেন না। কিন্তু একটা বিশেষ কারণে এবার তাকে প্রমোশন পেতেই হবে। সে নির্জনতায়ও তিনি আমার কানের কাছে মুখ এনে সেই কারণটি বললেন।
ক. এ বছর আদুভাই প্রমোশনের জন্য এত ব্যাকুল কেন?
খ. আদুভাই-এর অপরাধী, উদ্বেগ-কম্পিত ও সংকোচময় হওয়ার কারণ বর্ণনা কর।
গ. অতি নির্জনতায়ও কানে কানে কথা বলার প্রবণতা কখন লক্ষ করা যায়Ñ উদ্ধৃতাংশের আলোকে বর্ণনা কর।
ঘ. উদ্ধৃতাংশে আদুভাই-এর যে দৃষ্টিভঙ্গি লক্ষ করা যায় তার স্বরূপ বিশ্লেষণ কর।
১ এর ক নং প্র. উ.
এ বছর আদুভাইয়ের ছেলেও ক্লাস সেভেনে প্রমোশন পেয়েছে বলে আদুভাই প্রমোশনের জন্য এত ব্যাকুল।
১ এর খ নং প্র. উ.
প্রমোশনের অন্যায় অবদারের কথা বলতে গিয়ে আদুভাই অপরাধী, উদ্বেগ কম্পিত ও সংকোচময় হলেন।
 আদুভাই বছরের পর বছর ধরে ক্লাস সেভেনে পড়ে আছেন। প্রমোশন পাওয়া নিয়ে এতকাল তাঁর বিশেষ মাথাব্যথা ছিল না। কিন্তু নিজের ছেলে ক্লাস সেভেনে প্রমোশন পাওয়ায় তাঁর স্ত্রী তাঁকে ভর্ৎসনা করতে শুরু করেন। আদুভাই তাই প্রমোশন পাওয়ার জন্য অত্যন্ত আকুল হয়ে পড়েছেন। লেখকের কাছে তিনি তাঁর জন্য শিক্ষকের কাছে সুপারিশ করার অনুরোধ করেন। এ কারণেই তাঁর উদ্বিগ্নতা ও সংকোচের সীমা ছিল না।
১ এর গ নং প্র. উ.
অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে গিয়ে বা অন্যায় অনুরোধের কথা বলার সময় মানুষ উল্লিখিত আচরণটি করতে পারে।
 ‘আদুভাই’ গল্পের আদুভাইয়ের প্রমোশন না পাওয়া নিয়ে বিশেষ কোনো উদ্বেগ ছিল না। কিন্তু নিজের ছেলে যখন তাঁর শ্রেণিতে উঠে যায় তখন তাঁর স্ত্রী তাঁকে অনেক তিরস্কার করে। এ কারণে তিনি প্রমোশন পাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে পড়েন। গোপনে সে কথা তিনি লেখকের কাছে বলেন ও তাঁর সাহায্য কামনা করেন।
 অনেকে আদুভাইকে স্যারদের কাছে চেয়েচিন্তে বা অসদুপায় অবলম্বন করে প্রমোশন আদায়ের পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু আত্মসম্মানবোধের কারণে সে রাস্তায় যাননি আদুভাই। কিন্তু আপন ছেলেই যখন তাঁকে শ্রেণির দিক থেকে ছুঁয়ে ফেলে তখন স্ত্রীর গঞ্জনা সইতে না পেরে প্রমোশনের জন্য ছেলের বয়সী লেখকের কাছেও সাহায্যের আবেদন করেন। বিষয়টি তাঁর জন্য খুব লজ্জার। তাই তিনি নির্জনতার মাঝেও লেখকের কানে কানে কথাটি বলেন।
১ এর ঘ নং প্র. উ.
উদ্ধৃতাংশে যেকোনো মূল্যে প্রমোশন পাওয়ার জন্য আদুভাইয়ের আত্মসম্মানবোধ বিসর্জন দেওয়ার দিকটি লক্ষ করা যায়।
 আদুভাই ছিলেন অত্যন্ত আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি। প্রমোশন পাওয়ার জন্য অনেকে তাঁকে নানা অসদুপায় অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু আদুভাই তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি তেমন কিছু কখনোই করবেন না।
 উদ্ধৃতাংশে দেখা যাচ্ছে, আদুভাই প্রমোশন পেতে ব্যাকুল। স্ত্রীর তিরস্কারের জ্বালায় তিনি অতিষ্ঠ। তাই লেখকের কাছে তিনি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান তাঁর হয়ে শিক্ষকের কাছে সুপারিশ করতে।
 পরিস্থিতির কারণে অনেক সময় মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। উদ্ধৃতাংশের আলোকে বলা যায়, আদুভাইয়ের ক্ষেত্রেও তা সত্য। বহুদিন ধরে তিনি প্রমোশন না পেলেও কারও কাছে মাথা নত করেননি। কিন্তু পরিস্থিতির কারণে আজ বাধ্য হয়েছেন।
[বি: দ্র: প্রশ্নটি সৃজনশীল আঙ্গিকে না হওয়ায় সঠিক পদ্ধতিতে উত্তর দেওয়া গেল না। সঠিক পদ্ধতিটি সম্পর্কে জানার জন্য অধ্যায়ের অংশের প্রশ্নোত্তর দেখো।]
টুটুল পাঁচ বছর যাবৎ ১০ম শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছে। লেখাপড়ায় খারাপ হলেও খেলাধুলায় তার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। তার কারণেই তাদের স্কুল প্রতিবছর ফুটবলে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হয়। এ জন্য এ যাবৎ তার প্রমোশন পেতে তেমন কষ্ট পেতে হয়নি। কিন্তু ১০ম শ্রেণির নির্বাচনী পরীক্ষায় প্রধান শিক্ষক তাকে চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করতে নারাজ, বরং তাকে টিসি নিয়ে বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন।
ক. উদ্ধৃতাংশে বর্ণিত টুটুলের কী প্রতিভা লক্ষ করা যায়? ১
খ. উদ্ধৃতাংশে টুটুলকে চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করতে প্রধান শিক্ষক কেন রাজি ননÑ বর্ণনা করো। ২
গ. উদ্ধৃতাংশের টুটুলের সাথে তোমার পঠিত আদুভাই-এর কী সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য লক্ষণীয়Ñযুক্তিসহ উপস্থাপন করো। ৩
ঘ. টুটুলকে প্রধান শিক্ষক বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেওয়ার তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। ৪
২ নং প্র. উ.
ক. উদ্ধৃতাংশে বর্ণিত টুটুলের খেলাধুলায় প্রতিভা লক্ষ করা যায়।
খ. টুটুল পরীক্ষায় খারাপ করবেÑ এ আশঙ্কায় প্রধান শিক্ষক তাকে চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করতে রাজি নন।
 টুটুল ছাত্র হিসেবে ভালো নয়। পাঁচ বছর ধরে সে ১০ম শ্রেণিতেই পড়ে আছে। চূড়ান্ত পরীক্ষায় সুযোগ পেলেও তার ফলাফল ভালো না হওয়ার আশঙ্কাই বেশি। এ কারণেই প্রধান শিক্ষক তাকে চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করতে রাজি হন না।
গ. উদ্ধৃতাংশের টুটুলের সাথে আমার পঠিত ‘আদুভাই’ গল্পের আদুভাইয়ের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য উভয়ই বিদ্যমান।
 আদুভাই লেখাপড়ায় ভালো নয়। তাই সপ্তম শ্রেণিতে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছেন। তবে পড়াশোনার প্রতি তাঁর আগ্রহের শেষ নেই। প্রমোশন পাওয়া নিয়ে তাঁর বিশেষ কোনো ভাবনা ছিল না। কিন্তু ভিন্ন পরিস্থিতিতে তিনি প্রমোশনের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। এ অবস্থায় গল্পের লেখকের ও বেশ কয়েকজন শিক্ষকের সহায়তা পেলেও কারো কারো সহযোগিতা না পাওয়ায় তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণ হয় না। অবশ্য পরবর্তীতে দিনরাত পড়াশোনা করে তিনি অষ্টম শ্রেণিতে ঠিকই প্রমোশন পান।
 উদ্ধৃতাংশের টুটুল পড়াশোনায় বেশ পিছিয়ে। লেখাপড়ার চেয়ে খেলাধুলাতেই তার মনোযোগ বেশি। খেলাধুলার কারণেই বিশেষ বিবেচনায় তার প্রমোশন নিশ্চিত হয়েছে। কিন্তু দশম শ্রেণিতে এসে সে আটকে গেছে। তার এ দিকটি গল্পের আদুভাইয়ের ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে আদুভাই প্রাণান্ত চেষ্টার পর প্রমোশন পেতে সক্ষম হলেও টুটুলের ক্ষেত্রে তেমনটা দেখা যায় না।
ঘ. খেলাধুলায় পরিপূর্ণভাবে মনোনিবেশ করলেই টুটুল জীবনে সফল হতে পারবে এই বিবেচনা থেকেই প্রধান শিক্ষক তাকে বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন।
 পড়াশোনার প্রতি টুটুলের আগ্রহ নেই বললেই চলে। খেলাধুলায় তার বিশেষ দক্ষতা তাকে অন্য ক্লাসগুলোতে প্রমোশনের সুযোগ করে দিয়েছিল। কিন্তু দশম শ্রেণিতে এসে যে সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়। প্রধান শিক্ষক তাকে চূড়ান্ত পরীক্ষায় সুযোগ দিতে অস্বীকৃতি জানান।
 টুটুলের অসাধারণ ক্রীড়া প্রতিভায় সবাই মুগ্ধ। এ কারণেই তাকে সবসময় আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে দীর্ঘদিন। কিন্তু দশম শ্রেণিতে প্রধান শিক্ষক তেমনটা করতে নারাজ। তাঁর ধারণা, খেলাধুলার প্রতি বেশি মনোযোগ দেওয়া যায় এমন কোনো স্থানে গেলেই টুটুলের প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ হবে।
 ‘বিকেএসপি’ বলতে বোঝায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। খেলাধুলার পাশাপাশি এখানে পড়াশোনারও সুযোগ আছে। খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে যারা জীবন গড়তে চায় তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান। টুটুল যেহেতু খেলাধুলাতে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে তাই তার জন্য এ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই উপযুক্ত। প্রচলিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সে যেমন খেলাধুলায় উন্নতির সুযোগ পাবে না তেমনি লেখাপড়াতেও পিছিয়ে থাকবে। এ কারণেই প্রধান শিক্ষক তাকে এমন পরামর্শ দিলেন।
আমাদের গ্রামের একটি ছেলের সঙ্গে মাঝে মাঝেই স্কুলের পথে দেখা হইত। তাহার নাম মৃত্যুঞ্জয়। আমাদের চেয়ে সে বয়সে অনেক বড়। থার্ড ক্লাসে পড়িত। কবে সে যে প্রথম থার্ড ক্লাসে উঠিয়াছিল। এ খবর আমরা কেউই জানিতাম না। সম্ভবত তাহা প্রতœতাত্তি¡কদের গবেষণার বিষয়। যেদিন দেখা হইয়াছে, সেইদিনই দেখিয়াছি ছেড়া-খোড়া মলিন বইগুলো বগলে করিয়া পথের একধার দিয়া নীরবে চলিয়াছে। তাহাকে কখনো কারও সহিত যাচিয়া আরাপ করিতে দেখি নাই- বরঞ্চ উপযাচক হইয়া কথা কহিতাম আমরাই।
ক. আদুভাই ফারসিতে কত পেয়েছিল? ১
খ. আদুভাই প্রমোশনের জন্য এত ব্যাকুল হলেন কেন? ২
গ. উদ্দীপকের সাথে আদুভাইয়ের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো। ৩
ঘ. আদুভাই এবং মৃত্যুঞ্জয় উভয়েই মানুষ হিসেবে অনন্য-উদ্দীপক এবং ‘আদুভাই’ গল্প অবলম্বনে বিশ্লেষণ করো। ৪
৩ নং প্র. উ.
ক. আদুভাই ফারসিতে মোটে তিন নম্বর পেয়েছিল।
খ. স্ত্রীর ভূমিকার কারণে আদুভাই প্রমোশনের জন্য ব্যাকুল হলেন।
 আদুভাই দীর্ঘদিন থেকেই ক্লাস সেভেনে পড়তেন। তার সহপাঠীদের মধ্যে অনেকেই শিক্ষকতা শুরু করেছেন। এতে আদুভাইয়ের মনে কষ্ট নেই। কিন্তু বিপত্তি ঘটল সেবার, যেবার তাঁর ছেলেও ক্লাস সেভেনে প্রমোশন পেল। নিজের ছেলের প্রতি আদুভাইয়ের কোনো ঈর্ষা নেই। ছেলের সঙ্গে একই ক্লাসে পড়তে তাঁর আপত্তি ছিল না। কিন্তু তীব্র আপত্তি উত্থাপন করল আদুভাইয়ের স্ত্রী। এমতাবস্থায় আদুভাই মারাত্মক সংকটের মধ্যে পড়ে গেলেন।
গ. আদুভাই ও মৃত্যুঞ্জয়ের মধ্যে সাদৃশ্য সহজ-সরল জীবন যাপনে এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার দীর্ঘসূত্রিতায়।
 আদুভাই দীর্ঘ সময় প্রমোশন না পাওয়ার কারণে ক্লাস সেভেন থেকে এইটে উঠতে পারেন নি। কিন্তু এ নিয়ে তার কোনো মানসিক পীড়া ছিল না। বরং পড়াশোনার প্রতি সবসময় তিনি ছিলেন নিষ্ঠাবান। নিয়মিত ছাত্র হিসেবে আদুভাইয়ের যেমন সুনাম ছিল তেমন সুনাম ছিল সচ্চরিত্রবান হিসেবে। আদুভাইকে কেউ কখনো রাগ কিংবা অভদ্রতা করতে দেখেনি। এ কারণে আদুভাই স্কুল কর্তৃক পুরস্কৃত হয়েছেন।
 উদ্দীপকে মৃত্যুঞ্জয়ের যে পরিচয় পাওয়া যায় তাতে দেখা যায় যে, সেও সরল চরিত্রের অধিকারী। কারও সাথে কখনো দ্ব›দ্ব-বিবাদে জড়ায়নি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় মৃত্যুঞ্জয় অগ্রসর না হলেও বিদ্যালয় উপস্থিত হওয়ার ব্যাপারে সে ছিল যথেষ্ট আন্তরিক। আদু ভাইয়ের সাথে এসব ক্ষেত্রেই তার মিল।
ঘ. সততা ও সরলতার কারণে মৃত্যুঞ্জয় এবং আদুভাই মানুষ হিসেবে অনন্য বলে বিবেচিত।
 লেখাপড়ায় অনগ্রসর হওয়ার ফলে আদুভাই দীর্ঘদিন ক্লাস সেভেনেরই ছাত্র ছিলেন। কিন্তু প্রমোশনের জন্য আদুভাই কোনো অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করেন নি। বরং আদুভাইয়ের বক্তব্য হচ্ছে প্রমোশনের জন্য নয় বরং জ্ঞানলাভের জন্য লেখাপড়া। আদুভাই চরিত্রের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সহনশীলতা। তিনি কখনো রাগ কিংবা অভদ্রতা প্রদর্শন করে নি। ভালো ছাত্র না হলেও আদুভাই ছিলেন ভালো মানুষ।
 উদ্দীপকে পড়ালেখায় অনগ্রসর ছাত্র মৃত্যুঞ্জয়কে থার্ড ক্লাসের ছাত্র হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুঞ্জয়ের থার্ড ক্লাসে পড়ার ইতিহাসও দীর্ঘ সময়ের। মৃত্যুঞ্জয় যতটা দুর্বল মানের ছাত্র মানসিকতার দিক থেকে সে ততটাই উঁচু মানের। মৃত্যুঞ্জয়ের এই বৈশিষ্ট্যের সাথে আদুভাই চরিত্রের সাযুজ্য বিদ্যমান। কেননা আদুভাই এবং মৃত্যুঞ্জয় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় অনগ্রসর হলেও তারা মানুষের কোনো ক্ষতি করে নি। অন্যের সাথে দ্ব›দ্ব-বিবাদ তারা সযতেœ এড়িয়ে গেছে।
 সাধারণত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা মানুষকে শিক্ষিত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। আর শিক্ষিত মানুষ নিজেকে চরিত্রবান হিসেবে সমাজে প্রমাণ করতে হয়। আদুভাই ও মৃত্যুঞ্জয় উভয়েই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় পূর্ণাঙ্গ শিক্ষিত না হয়েও মানুষ হিসেবে তারা ছিল অসাধারণ। আদুভাই কখনো মিথ্যা বলেননি, প্রমোশনের জন্য কখনো কারও করুণাপ্রার্থী হননি। শিক্ষকদের নির্দেশ মেনে চলতেন। অন্যদিকে মৃত্যুঞ্জয়কেও কেউ মন্দ মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেনি। কারও সাথে ঝগড়া-বিবাদ দূরের কথা, যেচে কথা পর্যন্ত বলেননি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের মৃত্যুঞ্জয় এবং ‘আদুভাই’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র আদুভাই মানুষ হিসেবে ছিলেন অনন্য।
 পরীক্ষায় কমন উপযোগী জ্ঞানমূলক প্রশ্নের উত্তর
১. আদুভাই রোজ কত মাইল পথ হেঁটে স্কুলে যেতেন?
উত্তর : আদুভাই রোজ পাঁচ মাইল হেঁটে স্কুলে যেতেন।
২. আদুভাই কোন ক্লাসে পড়তেন?
উত্তর : আদুভাই ক্লাস সেভেনে পড়তেন।
৩. কে নিজেকে কবি ও বক্তা মনে করতেন?
উত্তর : আদুভাই নিজেকে কবি ও বক্তা মনে করতেন।
৪. স্কুলের মধ্যে সবার আগে কে পৌঁছাতেন?
উত্তর : আদুভাই সবার আগে স্কুলে পৌঁছাতেন।
৫. এ বছর আদুভাই প্রমোশনের জন্য এত ব্যাকুল কেন?
উত্তর : এ বছর আদুভাইয়ের ছেলে ক্লাস সেভেনে ওঠায় আদুভাই প্রমোশনের জন্য ব্যাকুল হলেন।
৬. আদুভাইয়ের মতে কাদের প্রাণের পরিসর অল্প?
উত্তর : আদুভাইয়ের মতে শিক্ষকদের প্রাণের পরিসর অল্প।
৭. আদুভাই কোন বেঞ্চিতে বসতেন?
উত্তর : আদুভাই সামনের বেঞ্চিতে বসতেন।
 পরীক্ষায় কমন উপযোগী অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তর
১. শিক্ষকরাও আদুভাইকে ‘আদুভাই’ বলে ডাকতেন কেন?
উত্তর : আদুভাইয়ের ক্লাসের শিক্ষকরাও একসময় তাঁর সহপাঠী ছিলেন বলে তাঁরা আদুভাইকে ‘আদুভাই’ বলে ডাকতেন।
দিনের পর দিন ক্লাস করেও প্রমোশন না পাওয়ায় আদুভাই ক্লাস সেভেনেই রয়ে গেছেন। এমনকি তাঁর শিক্ষকরা তাকে কোনোদিন ক্লাস সেভেন ব্যতীত অন্য কোনো ক্লাসে পড়তে দেখেননি। তার সাথে তাঁরাও ক্লাস সেভেনে একসময় পড়েছেন। এ কারণেই শিক্ষকরা তাঁকে ‘আদুভাই’ বলে ডাকতেন।
২. মৌলবী স্যার কেন জ্বলে ওঠেন?
উত্তর : আদুভাইয়ের প্রতি মৌলবী স্যার অসন্তুষ্ট ছিলেন বলেই তিনি জ্বলে উঠেছিলেন।
মৌলবী স্যার ফারসি বিষয়ে পড়াতেন। লেখক আদুভাইয়ের প্রমোশনের জন্য মৌলবী স্যারের কাছে অনুরোধ করেন। মৌলবী স্যার আদুভাইয়ের নাম শুনে জ্বলে ওঠেন, কেননা আদুভাই ফারসিতে প্রমোশনের জন্য পর্যাপ্ত নম্বর তো পাননিই, উল্টো ফারসি সম্পর্কে খাতায় আপত্তিকর মন্তব্য লিখেছিলেন।
 বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর
 সাধারণ
১. আবুল মনসুর আহমদ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন? জ
ক ১৮৯৬ খ ১৮৯৭
গ ১৮৯৮ ঘ ১৮৯৯
২. আবুল মনসুর আহমদ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন? ছ
ক জামালপুর খ ময়মনসিংহ
গ ঢাকা ঘ নারায়নগঞ্জ
৩. আবুল মনসুর আহমদের শিক্ষাজীবন শুরু হয় কোথায়? ছ
ক মাদ্রাসায় খ মক্তবে
গ স্কুল ঘ বিদেশে
৪. আবুল মনসুর আহমদ শৈশবে কী ধরনের শিক্ষা লাভ করেন? জ
ক আধুনিক শিক্ষা খ পাশ্চাত্য শিক্ষা
গ ধর্মীয় শিক্ষা ঘ ইংরেজি শিক্ষা
৫. আবুল মনসুর আহমদ কত সালে পাঠশালায় ভর্তি হন? জ
ক ১৯০১ খ ১৯০৩
গ ১৯০৬ ঘ ১৯০৭
৬. আবুল মনসুর আহমদ কত সালে দরিরামপুর মাইনর স্কুলে ভর্তি হন? চ
ক ১৯০৯ খ ১৯১০
গ ১৯১১ ঘ ১৯১২
৭. আবুল মনসুর আহমদের পেশা কী ছিল? চ
ক সাংবাদিকতা খ শিক্ষকতা
গ ডাক্তারি ঘ ওকালতি
৮. আবুল মনসুর আহমদ কত সালে মৃত্যুবরণ করেন? ছ
ক ১৯৭৮ খ ১৯৭৯
গ ১৯৮০ ঘ ১৯৮১
৯. নিচের কোনটি আবুল মনসুর আহমদের রচনা? চ
ক ফুড কনফারেন্স খ স্থাবর
গ জঙ্গম ঘ দ্বৈরথ
১০. আদুভাই দীর্ঘদিন কোন ক্লাসে পড়তেন? ছ
ক ক্লাস সিক্সে খ ক্লাস সেভেনে
গ ক্লাস এইটে ঘ ক্লাস নাইনে
১১. সব সাবজেক্টে পাকা হয়ে ওঠাই ভালো- কার উক্তি? ছ
ক শিক্ষকের খ আদুভাইয়ের
গ পরীক্ষকের ঘ লেখকের
১২. মানুষ হিসেবে আদুভাই কেমন ছিলেন? চ
ক আশাবাদী খ হতাশাবাদী
গ সন্দেহপ্রবণ ঘ সংকীর্ণ
১৩. আদুভাইয়ের মতে, স্কুলে পড়ার মূল উদ্দেশ্য কোনটি? জ
ক প্রমোশন লাভ খ চাকরি পাওয়া
গ জ্ঞান লাভ ঘ নিজের দাম বাড়ানো
১৪. আদুভাই কোন ব্যাপারে সবার চেয়ে এগিয়ে ছিলেন? জ
ক নম্বর প্রাপ্তির দিক দিয়ে
খ খাওয়া-দাওয়ার দিক থেকে
গ স্কুলে উপ¯িথত হওয়ার দিক থকে
ঘ খেলাধুলার দিক থেকে
১৫. স্কুলের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী সভায় আদুভাই বরাবর কয়টি পুরস্কার পেতেন? চ
ক দুইটি খ তিনটি
গ চারটি ঘ পাঁচটি
১৬. নিচের কোন কারণে আদুভাই সব সময় পুরস্কার পেতেন? চ
ক স্কুল কামাই না করার জন্য
খ কারও সাথে মারামারি না করার জন্য
গ ভালো পোশাক পরার জন্য
ঘ ক্লাসে প্রথম হওয়ার জন্য
১৭. আদুভাই চারিত্রিকভাবে কেমন ছিলেন? চ
ক সৎ খ অসৎ
গ ধূর্ত ঘ চতুর
১৮. কয় মাইল হেঁটে আদুভাই স্কুলে আসতেন? জ
ক তিন মাইল খ চার মাইল
গ পাঁচ মাইল ঘ ছয় মাইল
১৯. নিচের কোন গুণটি আদুভাইয়ের মধ্যে ছিল? ঝ
ক সাহসিকতা খ বুদ্ধিমত্তা
গ পরোপকারিতা ঘ সত্যবাদিতা
২০. লেখকের এবং আদুভাইয়ের মধ্যে কী সৃষ্টি হলো? জ
ক কলহ খ সন্দেহ
গ বন্ধন ঘ ঝগড়া
২১. আদুভাই নিজেকে কী মনে করতেন? চ
ক কবি ও বক্তা
খ ভালো ও মেধাবী ছাত্র
গ সৎ ও নিষ্ঠাবান ছাত্র
ঘ ভদ্র ও বিনয়ী
২২. আদুভাইয়ের কবিতা শুনে সবাই কী করত? জ
ক অবাক হতো খ বিস্মিত হতো
গ হাসতো ঘ প্রশংসা করত
২৩. আদুভাইয়ের ছেলে ক্লাস সেভেনে প্রমোশন পেলে আদুভাই কী করলেন? জ
ক প্রমোশনের আশা ছেড়ে দিলেন
খ পড়ালেখা ছেড়ে দিলেন
গ প্রমোশন পেতে উদগ্রীব হলেন
ঘ ভালো করে পড়ালেখা করলেন
২৪. আদুভাই কার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে প্রমোশনের জন্য উদ্যোগী হলেন? চ
ক স্ত্রীর খ ছেলের
গ লেখকের ঘ শিক্ষকের
২৫. ফারসির শিক্ষক লেখককে একশতে কত নম্বর দিয়েছিলেন? ঝ
ক নব্বই নম্বর খ পঁচানব্বই নম্বর
গ একশ নম্বর ঘ একশ পাঁচ নম্বর
২৬. আদুভাই ফারসি বিষয়ে কত নম্বর পেয়েছিল? চ
ক তিন নম্বর খ দশ নম্বর
গ সতেরো নম্বর ঘ একুশ নম্বর
২৭. আদুভাই ফারসি পরীক্ষার খাতায় কী লিখেছেন? জ
ক গল্প খ রচনা
গ থিসিস ঘ কবিতা
২৮. লেখকের অনুরোধে মৌলবী সাহেব আদুভাইকে কত নম্বর দিলেন? চ
ক ৩৩ খ ১৩
গ ৩৫ ঘ ৪০
২৯. অঙ্ক পরীক্ষায় আদুভাই কত নম্বর পেয়েছিলেন? ছ
ক পাঁচ খ শূন্য
গ দশ ঘ বারো
৩০. পৃথিবী যে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে- এ কথাকে আদুভাই কী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন? চ
ক গাঁজাখুরি গল্প খ সত্য কথা
গ নিজের আবিষ্কার ঘ পুরাতন কথা
৩১. ইতিহাস পরীক্ষায় আদুভাই কার ছবি আঁকার চেষ্টা করেছেন? ঝ
ক লর্ড বেন্টিংক খ রায় দুর্লভ
গ ঘসেটি বেগম ঘ লর্ড ক্লাইভ
৩২. প্রমোশন না পেয়ে আদুভাই স্কুল গেটের সামনে কী করলেন? জ
ক অনশন করলেন
খ শিক্ষকদের অপমান করলেন
গ বক্তৃতা করলেন
ঘ কান্নাকাটি করলেন
৩৩. আদুভাইয়ের বক্তৃতায় শিক্ষকদের কেমন মনোভাবের পরিচয় পাওয়া যায়? ছ
ক উদার খ অবিবেচক
গ সরল ঘ দায়িত্বশীল
৩৪. শিক্ষকদের প্রতি অনাস্থা থেকে আদুভাই কী করেছিলেন? ছ
ক ছেলের লেখাপড়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন
খ ছেলেকে অন্য স্কুলে ট্রান্সফার করেছিলেন
গ লেখাপড়া ছেড়ে দিয়েছিলেন
ঘ অন্য স্কুলে ট্রান্সফার হয়েছিলেন
৩৫. যখন আদুভাই ক্লাস এইটে প্রমোশন পেলেন, তখন লেখক- চ
ক বিএ পরীক্ষার্থী খ এমএ পরীক্ষার্থী
গ এলএলবি পরীক্ষার্থী ঘ বিএসসি পরীক্ষার্থী
৩৬. কার চিঠি পেয়ে লেখক আদুভাইয়ের সাথে দেখা করতে গেলেন? চ
ক আদুভাইয়ের ছেলের
খ আদুভাইয়ের স্ত্রীর
গ আদুভাইয়ের শিক্ষকের
ঘ আদুভাইয়ের প্রতিবেশীর
৩৭. কত বছর লেখক আদুভাইয়ের কোনো খবর নেননি? ছ
ক তিন বছর খ চার বছর
গ পাঁচ বছর ঘ ছয় বছর
৩৮. যারা আদুভাইয়ের জানাজা পড়লেন তাঁরা মূলত কী উদ্দেশ্যে এসেছিলেন? ছ
ক আদুভাইয়ের সাথে দেখা করতে
খ আদুভাইয়ের প্রমোশন উৎসব উদ্যাপনে
গ আদুভাইয়ের ছেলের প্রমোশন উৎসব উদ্যাপনে
ঘ আদুভাইয়ের মৃত্যুর খবরে
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক
৩৯. আদুভাই মানুষ হিসেবে ছিলেন
র. সৎ
রর. সত্যবাদী
ররর. নিয়মানুবর্তী
নিচের কোনটি সঠিক? ঝ
ক র ও রর খ র ও ররর
গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৪০. পরীক্ষায় বিভিন্ন বিষয়ে আদুভাই
র. নিজস্ব মত দিতেন
রর. অপ্রাসঙ্গিক কথা লিখতেন
ররর. কাক্সিক্ষত উত্তর দিতেন
নিচের কোনটি সঠিক? চ
ক র ও রর খ র ও ররর
গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৪১. ক্লাস এইটে ওঠার ব্যাপারে আদুভাইয়ের ছিল
র. দৃঢ় সংকল্প
রর. আত্মবিশ্বাস
ররর. অসৎ পরিকল্পনা
নিচের কোনটি সঠিক? চ
ক র ও রর খ র ও ররর
গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
ন্ধ অভিন্ন তথ্যভিত্তিক
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং ৪২ ও ৪৩ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
মি. সোলেমান সরকারি অফিসে চাকরি করেন। কাজকর্মে কৃতিত্বের পরিচয় দিলেও তাঁর পদোন্নতি হয়নি। তার কয়েকজন সহকর্মী বুদ্ধি দিলেন ঊর্ধ্বতন অফিসারের সাথে যোগাযোগ করে তদবির করতে। কিন্তু আত্মবিশ্বাসী সোলেমান বললেন, যোগ্যতা থাকলে চাকরির শেষ দিনে হলেও পদোন্নতি হবে।
৪২. মি. সোলেমানের সাথে আদুভাই চরিত্রের সাদৃশ্য হলো
র. মি. সোলেমান ছিলেন আত্মবিশ্বাসী
রর. মি. সোলেমান অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করেননি
ররর. মি. সোলেমানের ঘটনা প্রত্যাশা দিয়ে শেষ হয়েছে
নিচের কোনটি সঠিক? চ
ক র ও রর খ র ও ররর
গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৪৩. আদুভাইয়ের সাথে মি. সোলেমানের পার্থক্য
র. স্বপ্ন দেখায়
রর. পরিণতিতে
ররর. পেশায়
নিচের কোনটি সঠিক? জ
ক র ও রর খ র ও ররর
গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর

 

Share to help others:

Leave a Reply