Author name: Masud Rana

লবণ চেনার সহজ উপায় Easy way to recognize salt

লবণ চেনার সহজ উপায় রসায়ন অধ্যায়নের জন্য আমাদের বিভিন্ন ধরনের লবণ নিয়ে পড়ালেখা করা লাগে। এই লবণ গুলোকে চিনতে অনেকের সমস্যার সৃষ্টি হয়। আজ আমরা এই লবণ চিনবো সহজ উপায়ে। আশা করা যায় এই অনুচ্ছেদটি পড়ার পর আমাদের লবণ চিনতে আর সমস্যা হবেনা।  (H⁺) বাদে যে কোনো ধনাত্নক আয়ন বা মূলক + (OH⁻) বাদে যে কোনো ঋণাত্মক আয়ন বা মূলক = লবণ । যেমনঃ     Na⁺ + Cl⁻ = NaCl     Na⁺ + F⁻ = NaF     NH₄⁺ + Cl⁻ = NH₄Cl     K⁺ + NO₃⁻ = KNO₃    Na⁺ + CH₃COO⁻ = CH₃COONa আসুন দেখে নেওয়া যাক লবণ গঠনকারী কিছু ধনাত্বক আয়ন(ক্যাটায়ন) এবং ঋণাত্বক আয়ন (অ্যানায়ন) ক্যাটায়ন অ্যানায়ন  C₅H₅NH⁺  CO₃²⁻  Fe²⁺ /Fe³⁺  Cl⁻  Ca²⁺  NO₂⁻  NH₄⁺  NO₃⁻  Mg²⁺  F⁻  NR₄⁺  C≡H⁻  Na⁺  PO₄³⁻  K⁺  SO₄²⁻  Cr³⁺  (CH₂COO⁻)₂ লবণ চেনার সহজ উপায় Easy way to recognize salt খনিজ লবণের নাম অম্লীয় লবণ কাকে বলে। লবণ কাকে বলে।

লবণ চেনার সহজ উপায় Easy way to recognize salt Read More »

এসিড ও ক্ষারক চেনার সহজ উপায়

এসিড ও ক্ষারক চেনার সহজ উপায় শিক্ষার্থীদের এসিড ও ক্ষারক চিনতে খুবই সমস্যা দেখা দেয়। আজকের এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে দেখলে ইন শাহ আল্লাহ আর কোন সমস্যা থাকবেনা আশা করা যায়।  এসিড উদাহরণ ক্ষারক উদাহরণ অধাতু+ H/O/OH⁻ HBr, HCl, HF, CO₃, HClO, HBrO, HIO, ধাতু+ H/O/OH⁻ NaH, MgH₂, KH, CaH₂, Na₂O, MgO, K₂O, CaO, NaOH, Mg(OH)₂, KOH, Ca(OH)₂ ঋণাত্বক যৌগমূলক+ H⁺ HNO₃, HNO₂, H₃PO₄, H₂SO₄  ধণাত্বক যৌগমূলক+ OH⁻ NH₄OH, PH₄OH আরো দেখুনঃ লবণ চেনার সহজ উপায়

এসিড ও ক্ষারক চেনার সহজ উপায় Read More »

অ্যামোনিয়া তে অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড মুলক নাই তবুও অ্যামোনিয়া কে ক্ষারক বলা হয় কেন?

অ্যামোনিয়া তে অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড মুলক নাই তবুও অ্যামোনিয়া কে ক্ষারক বলা হয় কেন? যদিও NH₃ যৌগে O²⁻ বা OH⁻ নেই, তবুও ইহাকে ক্ষারক বলা হয়।  কারণ হলো:- i) NH₃ যৌগ পানিতে OH⁻ আয়ন তৈরি করে। যেমন: NH₃ + H₂O → NH₄OH         NH₄OH → NH₄⁺+ OH⁻ বি.দ্র: এখানে NH₃ ক্ষারক হলেও উৎপন্ন NH₄OH কিন্তু ক্ষার। ii) আমরা জানি, যে সব যৌগে মুক্ত জোড় ইলেকট্রন থাকে, সে সব যৌগ ক্ষারক হিসেবে আচরণ করে। সে মোতাবেক NH₃ একটি ক্ষারক পদার্থ কারণ NH₃ তে একটি মুক্ত জোড় ইলেকট্রন আছে। NH₃ এর গঠন নিম্নরুপ: iii) ব্রনস্টেট লাউরির মতে যে সব যৌগ প্রোটন (H⁺) গ্রহণ করতে পারে সে সব যৌগ ক্ষারক হিসেবে ক্রিয়া করে। যেমন:              NH₃ +H⁺ → NH₄⁺ অতএব উপরের আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম অ্যামোনিয়া (NH₃) তে অক্সাইড(O²⁻) বা হাইড্রোক্সাইড (OH⁻) মুলক নাই তবুও অ্যামোনিয়া কে ক্ষারক বলা হয় কেন। 

অ্যামোনিয়া তে অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড মুলক নাই তবুও অ্যামোনিয়া কে ক্ষারক বলা হয় কেন? Read More »

ধাতব লবণের সাথে লঘু ক্ষারের বিক্রিয়া

ধাতব লবণের সাথে লঘু ক্ষারের বিক্রিয়া আ্যালুমিনিয়াম নাইট্রেট [Al(NO₃)₃] , ফেরাস নাইট্রেট [Fe(NO₃)₂], ফেরিক নাইড্টেট [Fe(NO₃)₃], জিংক নাইট্রেট [Zn(NO₃)₂] ইত্যাদি ধাতব লবণের সাথে লঘু ক্ষার বিক্রিয়া করে সংশ্লিষ্ট ধাতব হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন করে। উল্লেখ্য, এখানে শুধু ধাতব নাইট্রেট লবণ ব্যবহার করা হয়েছে। ধাতব নাইট্রেট লবণ ব্যতীত ধাতব ক্লোরাইড, ধাতব সালফেট, ধাতব কার্বনেট ইত্যাদি লবণ ব্যবহার করলেও সংশ্লিষ্ট ধাতব হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন হবে। নিচে ধাতব নাইট্রেট লবণের সাথে লঘু ক্ষারের বিক্রিয়া দেখানো হলো। যেমন: [Al(NO₃)₃] এর সাথে লঘু NaOH এর বিক্রিয়া একটি টেস্টটিউবে Al(NO₃)₃ এর দ্রবণ নিয়ে এর মধ্যে কয়েক ফোঁটা লঘু NaOH দ্রবণ যোগ করলে আ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Al(OH)₃] এবং NaNO₃ উৎপন্ন হয়। Al(OH)₃ সাদা বর্ণের অধঃক্ষেপ হিসেবে টেস্টটিউবের নিচে জমা হয় এবং সোডিয়াম নাইট্রেট ‘NaNO₃ পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। এটি পানিতে কোনো বর্ণ প্রদান করে না। সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া: Al(NO₃)₃ + 3NaOH    →  Al(OH)₃ ↓ + 3NaNO₃ ফেরাস নাইট্রেট [Fe(NO₃)₂], এর সাথে লঘু NaOH এর বিক্রিয়া  একটি টেস্টটিউবে Fe(NO₃)₂ এর দ্রবণ নিয়ে এর মধ্যে কয়েক ফোঁটা লঘু NaOH দ্রবণ যোগ করলে ফেরাস হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)₂ এর সবুজ বর্ণের অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয় এবং NaNO₃ পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। সংশ্লিষ্ট বিকিয়া: Fe(NO₃)₂ + NaOH  → Fe(OH)₂ ↓ + 2NaNO₃ ফেরিক নাইভ্ট্রেট Fe(NO₃)₃ এর সাথে NaOH এর বিক্রিয়া  একটি টেস্টটিউবে Fe(NO₃)₃ এর দ্রবণ নিয়ে এর মধ্যে কয়েক ফোঁটা লঘু NaOH দ্রবণ যোগ করলে Fe(OH)₃ এর লালচে বাদামি বর্ণের অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয় এবং সোডিয়াম নাইট্রেট NaNO₃ পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া: Fe(NO₃)₃ + NaOH  →  Fe(OH)₃ ↓+ NaNO₃ Cu(NO₃)₂ এর সাথে লঘু NaOH এর বিকিয়া একটি টেস্টটিউবে Cu(NO₃)₂ এর দ্রবণ নিয়ে এর মধ্যে কয়েক ফোঁটা লঘু NaOH দ্রবণ যোগ করলে কপার হাইড্রোক্সাইড  Cu(OH)₂ এর হালকা নীল বর্ণের অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয় এবং সোডিয়াম নাইট্রেট NaNO₃ পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে । সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া: Cu(NO₃)₂ + NaOH → Cu(OH)₂ ↓+ 2NaNO₃ Zn(NO₃)₂ এর সাথে লঘু NaOH এর বিকিয়া একটি টেস্টটিউবে Zn(NO₃)₂ এর দ্রবণ নিয়ে এর মধ্যে কয়েক ফোঁটা লঘু NaOH ভ্রবণ যোগ করলে জিংক হাইড্রোক্সাইড Zn(OH)₂ এর সাদা বর্ণের অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয় এবং সোডিয়াম নাইন্টরেট NaNO₃ পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে । সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়া: Zn(OH)₂ + NaOH → Zn(OH)₂ ↓ + 2NaNO₃ উপরের বিক্রিয়াগুলোতে দেখা যায়, ধাতব নাইট্রেট যৌগের সাথে ক্ষার দ্রবণ বিক্রিয়া করলে ঐ ধাতুর হাইড্রোক্সাইডের অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয়। আ্যামোনিয়াম লবণের সাথে ক্ষারের বিক্রিয়া একটি পাত্রে আমোনিয়াম ক্লোরাইড (NH₄Cl) নিয়ে এর মধ্যে ক্ষার (NaOH যোগ করলে আ্যামোনিয়া গ্যাস (NH)₃, সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) লবণ এবং পানি (H₂O) উৎপন্ন হয়। NH₄Cl + NaOH  →  (NH)₃ + NaCl + H₂O আ্যামোনিয়াম লবণের সাথে ক্ষারের একটি বৈশিষ্ট্পূর্ণ বিক্রিয়া আছে। যেকোনো আ্যামোনিয়াম লবণের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে (NH)₃ গ্যাস উৎপন্ন করে। যেমন: NH₄Cl + KOH  →  (NH)₃ + KCl + H₂O 2NH₄Cl + Ca(OH)₂  →  2(NH)₃ + CaCl₂ + 2H₂O 2NH₄Cl + CaO  →  2(NH)₃ + CaCl₂ + H₂O ধাতব লবণের সাথে লঘু ক্ষারের বিক্রিয়া। ধাতব কার্বনেটের সাথে এসিডের বিক্রিয়া। এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়া। ক্ষারের ধর্ম

ধাতব লবণের সাথে লঘু ক্ষারের বিক্রিয়া Read More »

কোন ক্ষারকগুলো পানিতে দ্রবণীয় এবং কোনগুলে অদ্রবণীয়।

কোন ক্ষারকগুলো পানিতে দ্রবীভূত হবে এবং কোনগুলো পানিতে দ্রবীভূত হবেনা তা আমরা বুঝবো কিভাবে? এ সম্পর্কে ধারণা না থাকলে ক্ষারক ও ক্ষার সঠিকভাবে চেনা যাবেনা। তবে নিচের বিষয়গুলো আয়ত্বে রাখলে ক্ষারক ও ক্ষার সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া যাবে। তথ্যঃ  ১. সাধারণত পর্যায় সারণীর গ্রুপ-১ এর ক্ষার ধাতু সমূহের অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় হয়। ২. গ্রুপ-২ এর Ca, Sr, ও Ba এর অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবীভূত হয়। ৩. উভধর্মী অক্সাইডগুলো(O²⁻) সাধারণত পানিতে অদ্রবণীয় হয়। এক্ষেত্রে মনে রাখাতে হবে Cu, Zn, Pb, Al, Be এর অক্সাইড উভধর্মী অক্সাইড হয়। আরো মনে রাখতে হবে, দুর্বল তড়িৎ ধনাত্বক ধাতুর অক্সাইড গুলো উভধর্মী হয়।  উভধর্মী অক্সাইড গুলো হলো: Al₂O₃, ZnO, PbO, CuO এ অক্সাইড গুলো শুধু ক্ষারক হিসেবে ব্যবহার হয়। ৪. দুর্বল তড়িৎ ধনাত্বক ধাতুর হাইড্রোক্সাইড সমূহ পানিতে অদ্রবনীয়। যেমনঃ Al(OH)₃, Fe(OH)₃ প্রভৃতি যৌগ পানিতে অদ্রবণীয় তাই এর শুধু ক্ষারক হবে। মনে রাখা ভালোঃ  উভধর্মী অক্সাইডগুলো একই সঙ্গে দুর্বল এসিড ও দুর্বল ক্ষারক হিসেবে আচরণ করে,  এজন্য এদের উভধর্মী অক্সাইড বলা হয়। যে সব ধাতু তাদের বাইরের কক্ষপথের ২টি বা ৩টি ইলেকট্রন ত্যাগ করতে পারে সে সকল ধাতু  দুর্বল তড়িৎ ধনাত্বক ধাতু হিসেবে আচরণ করে। কারণ ২ বা ৩টি ইলেকট্রন ত্যাগ করতে একটি বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়। আরো পড়ুনঃ ক্ষারক ও ক্ষার চেনার সহজ উপায়

কোন ক্ষারকগুলো পানিতে দ্রবণীয় এবং কোনগুলে অদ্রবণীয়। Read More »

ক্ষারক ও ক্ষার চেনার সহজ উপায়

ক্ষারক ও ক্ষার চেনার সহজ উপায় অনেকের ক্ষার এবং ক্ষারক সম্মন্ধে সঠিক ধারণা নেই। ক্ষার এবং ক্ষারকের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? ক্ষার এবং ক্ষারকের গঠন দেখতে একই রকম হলেও তাদের মধ্যে কিন্তু বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। নিচের বিষয়গুলো বুঝতে পারলে এ সম্মন্ধে আর কোন সমস্যা থাকবেনা বলে আশা করা যায়। ক্ষারক চেনার উপায়ঃ i) ক্ষারক হলো ধাতব অক্ষাইড (O²⁻) বা হাইড্রোক্ষাইড (OH⁻)     অর্থাৎ ধাতু + অক্সাইড = ক্ষারক         Na+O²⁻ = Na₂O     ধাতু + হাইড্রোক্সাইড = ক্ষারক     K + OH⁻ = KOH ii) ক্ষারক পদার্থ এসিডকে প্রশমিত করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।     যেমনঃ KOH +HCl → KCl +H₂O                 ক্ষার     এসিড    লবণ    পানি iii) ক্ষারক পদার্থ পানিতে দ্রবীভূত হতেও পারে আবার দ্রবীভূত নাও হতে পারে। অর্থাৎ যে সব ধাতব অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তারা ক্ষারক এবং পানিতে অদ্রবণীয় তারাও ক্ষারক। অর্থাৎ ক্ষারক = পানিতে দ্রবনীয় অথবা অদ্রবনীয় অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড।     যেমনঃ NaOH , KOH প্রভৃতি যৌগ পানিতে দ্রবীভূত হয়। সুতরাং এরা ক্ষারক।      আবার (OH)₃ , CuO প্রভৃতি যৌগ পানিতে দ্রবনীয় হয়না তবুও এরা ক্ষারক। iv) ক্ষারকের pH এর মান 7 এর বেশী হবে। v) ক্ষারক পদার্থের শেষে O²⁻ (অক্সাইড) বা OH⁻ (হাইড্রোক্সাইড) মূলক অবশ্যই থাকবে। vi) ক্ষারকগুলো জলীয় দ্রবণে OH আয়ন উৎপন্ন করবে। vii) এটি লাল লিটমাসকে নীল করে। ক্ষারকের উদাহরণঃ  পানিতে দ্রবণীয় ক্ষারকসমূহঃ  NaOH, KOH, LiOH, Ca(OH)₂, Ba(OH)₂ পানিতে অদ্রবণীয় ক্ষারকসমূহঃ Al(OH)₃, CuO, FeO, Fe(OH)₂, NH₃ মনে রাখাঃ NH₄OH একটি ক্ষারক যদিও এটি ধাতব হাইড্রোক্সাইড নয়। এটি ব্যতিক্রম। ক্ষার চেনার সহজ উপায়ঃ i) ক্ষার হলো ধাতব অক্সাইড ধাতব অক্ষাইড (O²⁻) বা হাইড্রোক্ষাইড (OH⁻) বিশিষ্ট যৌগ।     যেমানঃ Ca(OH)₂, KOH, CaO, ii)  ক্ষার পদার্থ এসিডকে প্রশমিত করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। iii) ক্ষার অবশ্যই পানিতে দ্রবীভূত হবে। যদি পানিতে দ্রবীভূত না হয় তাহলে সেটি ক্ষার হবেনা।     ∴ ক্ষার= পানিতে দ্রবীভূত ধাতব অক্সাইড/হাইড্রোক্সাইড     NaOH পানিতে দ্রবীভূত হয়ে বলে  এটি ক্ষার বা ক্ষারক কিন্তু Al(OH)₃ পানিতে দ্রবীভূত হয় না তাই এটি শুধু ক্ষারক, ক্ষার নয়। iv) ক্ষারের pH এর মান 7 এর বেশী হবে। v) ক্ষার পদার্থের শেষে O²⁻ (অক্সাইড) বা OH⁻ (হাইড্রোক্সাইড) মূলক অবশ্যই থাকবে।     NaOH        CaO         ↓                ↓     OH⁻            O²⁻    যুক্ত আছে vii) ক্ষারগুলো জলীয় দ্রবণে OH আয়ন উৎপন্ন করবে। ক্ষারের উদাহরণঃ      NaOH, KOH, LiOH, Ca(OH)₂, Ba(OH)₂, Cs(OH)2, NH₄OH, ইত্যাদি  সকল ক্ষারই ক্ষারক কিন্তু সকল ক্ষারক ক্ষার নয়। মনে রাখুনঃ- ক্ষারক শব্দটির মধ্যে ক্ষার আছে কিন্তু ক্ষার শব্দটিকে ’ক’ নাই অর্থাৎ ক্ষারক নাই।     যেমনঃ NaOH = ক্ষার + ক্ষারক                 Al(OH)₃ = শুধু ক্ষারক                                   ক্ষারক                     ↙        ↘         পানিতে             পানিতে         অদ্রবণীয়            দ্রবণীয় (ক্ষার) লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন। আরো দেখুনঃ পানিতে দ্রবণীয়/অদ্রবণীয ধাতব অক্সাইড চেনার সহজ উপায়। ক্ষারক ও ক্ষার চেনার সহজ উপায়। ক্ষার ও ক্ষারকের উদাহরণ। ক্ষার ও ক্ষারকের বৈশিষ্ট্য। ক্ষার ও ক্ষারক মনে রাখার কৈশল। ক্ষার কাকে বলে। ক্ষারক কাকে বলে। ক্ষারক ক্ষার কী

ক্ষারক ও ক্ষার চেনার সহজ উপায় Read More »

নাইট্রিক এসিড (HNO₃) কে বাদামী বোতলে রাখা হয় কেন? why nitric acid kept in brown bottle?

 নাইট্রিক এসিড (HNO₃) কে বাদামী বোতলে রাখা হয় কেন? উত্তরঃ নাইট্রিক এসিড (HNO₃) যে কাচের বোতলে রাখা হয় সেই বোতলের বর্ণ বাদামি হয়। নাইট্রিক এসিড যে কাচের বোতলে রাখা হয় সেই কাচের বোতলের মধ্যে যদি আলো প্রবেশ করে তবে বোতলের মধ্যের নাইট্রিক এসিড (HNO₃) আলোর উপস্থিতিতে ভেঙে যায়। এবং নিন্মোক্ত বিক্রিয়া সংঘটিত হয়।     HNO₃ → NO₂ (বাদামী বর্ণ) + O₂ + H₂O  এভাবে নাইট্রিক এসিড (HNO₃) ভেঙ্গে গেলে নাইট্রিক এসিডের অনেক অপচয় হয়। নাইট্রিক এসিড (HNO₃) যাতে আলোর উপস্থিতিতে বোতলের মধ্যে ভেঙে না যায় সেজন্য নাইট্রিক এসিড (HNO₃) কে বাদামি বোতলের মধ্যে রাখা হয়। কারণ বাদামি বোতলের মধ্যে আলো প্রবেশ করতে পারে না। নাইট্রিক এসিড (HNO₃) কে বাদামী বোতলে রাখা হয় কেন? why nitric acid kept in brown bottle?

নাইট্রিক এসিড (HNO₃) কে বাদামী বোতলে রাখা হয় কেন? why nitric acid kept in brown bottle? Read More »

Scroll to Top