তৃতীয় শ্রেণি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় আমাদের পরিবেশ

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় আমাদের পরিবেশ

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় আমাদের পরিবেশ পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় আমাদের পরিবেশ >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই আমাদের চারপাশের সবকিছু মিলে তৈরি হয়েছে আমাদের পরিবেশ। পরিবেশের উপাদানগুলোর মধ্যে কিছু উপাদান প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি হয়েছে, আবার কিছু উপাদান মানুষ তৈরি করেছে। এভাবে ভিন্ন ভিন্ন উপাদান নিয়ে তৈরি হয়েছে আমাদের পরিবেশ। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। (১) আমাদের চারপাশের সবকিছু নিয়ে তৈরি হয়েছে আমাদের —। (২) পরিবেশকে — পরিবেশ এবং — পরিবেশে ভাগ করা যায়। (৩) গাছপালা, পাখি ও বায়ু — পরিবেশের উপাদান। (৪) মানুষের তৈরি উপাদান নিয়ে তৈরি হয় — পরিবেশ। উত্তর : (১) পরিবেশ, (২) প্রাকৃতিক, মানুষের তৈরি (৩) প্রাকৃতিক, (৪) মানুষের তৈরি। ২। সঠিক উত্তরটিতে (√) টিক চিহ্ন দাও। ১) কোনটি প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান? √ ক. গাছ খ. টেবিল গ. কলম ঘ. চেয়ার ২) কোনটি মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান? ক. পাখি খ. পাহাড় গ. মাছ √ ঘ. ঘরবাড়ি ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। (১) পরিবেশ কী ব্যাখ্যা কর। উত্তর : আমাদের চারপাশের সবকিছু মিলেই তৈরি হয়েছে পরিবেশ। শ্রেণিকক্ষের চেয়ার, টেবিল, বই, খাতা, শিক্ষক ও সহপাঠী এবং মাঠের গাছপালা, গরু-ছাগল, মাটি, পানি, বায়ু, সূর্যের আলো ইত্যাদি সবকিছু নিয়েই আমাদের পরিবেশ। পরিবেশের এই উপাদানগুলোর কতগুলো প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এবং কতগুলো মানুষের তৈরি। (২) প্রাকৃতিক পরিবেশের পাঁচটি উপাদানের নাম লেখ। উত্তর : প্রাকৃতিক পরিবেশের পাঁচটি উপাদান হলোÑ ১. গাছপালা, ২. বায়ু, ৩. পশুপাখি, ৪. মাটি, ৫. সূর্যের আলো। (৩) প্রাকৃতিক ও মানুষের তৈরি পরিবেশের মধ্যে তিনটি পার্থক্য লেখ। উত্তর : প্রাকৃতিক ও মানুষের তৈরি পরিবেশের মধ্যে তিনটি পার্থক্য হলো : প্রাকৃতিক পরিবেশ মানুষের তৈরি পরিবেশ ১) প্রকৃতিক উপায়ে তৈরি উপাদান নিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ গঠিত। যেমন গাছপালা, নদী-নালা, ইত্যাদি এ পরিবেশের উপাদান। ১) মানুষের তৈরি উপাদান নিয়ে মানুষের তৈরি পরিবেশ গঠিত। যেমন ঘরবাড়ি, টেবিল-চেয়ার, নৌকা ইত্যাদি এ পরিবেশের উপাদান। ২) এ পরিবেশের উপাদানগুলো আমাদের চারদিকে অর্থাৎ প্রকৃতির সর্বত্র রয়েছে। ২) এ পরিবেশের উপাদানগুলো কতগুলো নির্দিষ্ট স্থানে থাকে। ৩) এ পরিবেশ মানুষের তৈরি পরিবেশের উপর নির্ভরশীল নয়। ৩) এ পরিবেশ প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর নির্ভরশীল। ৪। বাক্সে লেখা উপাদানগুলোকে নিচের ছকে সাজাও। চেয়ার, নদী, বাড়ি, ডিম, মাটি, আসবাবপত্র, গাছ, নৌকা, পাহাড়, জামা, বিদ্যালয়, ফুল প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান উত্তর : প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান নদী, ডিম, মাটি, গাছ, পাহাড়, ফুল চেয়ার, বাড়ি, আসবাবপত্র, নৌকা, জামা, বিদ্যালয় ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞানর ১ম অধ্যায় অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ। ১) বন্ধুবান্ধব ও ঘরবাড়ি পরিবেশের উপাদান। ২) পরিবেশ দুই ধরনের। ৩) মাঠের পরিবেশের উপাদান বই, খাতা, শিক্ষক ও সহপাঠীরা। ৪) পরিবেশের উপাদানগুলো তিনভাগে বিভক্ত। ৫) মাটি ও পানি প্রাকৃতিক উপাদানের অন্তর্ভুক্ত। উত্তর : ১) স, ২) স, ৩) মি, ৪) মি, ৫) স। >> বাম পাশের অংশের সাথে ডান পাশের অংশের মিল কর। ক) চারপাশের সবকিছু মিলে মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান খ) সূর্যের আলো একটি উপাদান হলো পাহাড় পর্বত গ) সাঁকো প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান ঘ) প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবেশের একটি উপাদান ঙ) গাছপালা তৈরি হয়েছে আমাদের পরিবেশ চ) মানুষের তৈরি উপাদান নিয়ে গড়ে উঠেছে মানুষের তৈরি পরিবেশ উত্তর : ক) চারপাশের সবকিছু মিলে তৈরি হয়েছে আমাদের পরিবেশ। খ) সূর্যের আলো পরিবেশের একটি উপাদান। গ) সাঁকো মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান। ঘ) প্রাকৃতিক পরিবেশের একটি উপাদান হলো পাহাড়-পর্বত। ঙ) গাছপালা প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান। চ) মানুষের তৈরি উপাদান নিয়ে গড়ে উঠেছে মানুষের তৈরি পরিবেশ। >> শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) পরিবেশের উপাদানগুলোকে আমরা — ভাগে ভাগ করতে পারি। ২) আমাদের চারদিক — ঘিরে রেখেছে। ৩) পরিবেশকে — অনুসারে আমরা দুইভাগে ভাগ করতে পারি। ৪) আমরা যে পরিবেশে বাস করি তাতে — পরিবেশই রয়েছে। ৫) মাটি, পানি ও বায়ু — উপায়ে তৈরি হয়েছে। ৬) — বিভিন্ন উপাদান নিয়েই প্রাকৃতিক পরিবেশ। উত্তর : ১) দুই, ২) নানা রকম জিনিস, ৩) উপাদান, ৪) দুই ধরনের, ৫) প্রাকৃতিক, ৬) প্রকৃতির। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. পরিবেশ কত প্রকার ও কী কী? উত্তর : পরিবেশ দুই প্রকার। যথা : ক) প্রাকৃতিক পরিবেশ খ) মানুষের তৈরি পরিবেশ ২. আমাদের ঘরের বাইরের পরিবেশের তিনটি উপাদানের নাম লেখ। উত্তর : আমাদের ঘরের বাইরের পরিবেশের তিনটি উপাদান হলোÑ ক) নদীনালা খ) গাছপালা ও গ) মাটি ৩. পরিবেশের শ্রেণিবিন্যাস প্রবাহ চিত্রের মাধ্যমে দেখাও। উত্তর : পরিবেশের শ্রেণিবিন্যাস প্রবাহ চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলোÑ ৪. প্রাকৃতিক পরিবেশ বলতে কী বোঝায়? উত্তর : প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি উপাদান নিয়ে যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে তাকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে। যেমনÑ গাছপালা, পশুপাখি, মাটি, নদী, বায়ু, পানি ইত্যাদি উপাদান নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. পরিবেশের উপাদানগুলো কয়ভাগে বিভক্ত ও কী কী? উক্ত উপাদানগুলো কী কী ধরনের পরিবেশ সৃষ্টি করে? ব্যাখ্যা কর। উত্তর : পরিবেশের উপাদানগুলো দুই ভাগে বিভক্ত। যথা : ১. প্রাকৃতিক উপাদান। ২. মানুষের তৈরি উপাদান। ১. প্রাকৃতিক উপাদান যেমন- গাছপালা, সূর্যের আলো, মাটি, পানি, বায়ু ইত্যাদি প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি করে। ২. মানুষের তৈরি উপাদান যেমনÑ চেয়ার, টেবিল, ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, বাস ইত্যাদি মানুষের তৈরি পরিবেশ সৃষ্টি করে। ন্ধ যোগ্যতাভিত্তিক ২. তোমাদের ঘরের ভেতরে রয়েছে বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং বাইরে রয়েছে বিভিন্ন রকমের গাছপালা। এক্ষেত্রে পরিবেশ কী? ঘরের ভেতর ও বাহিরের জিনিসগুলো মধ্যে ভিন্নতা কেন? ঘরের বাইরের উপাদান থেকে তৈরিকৃত ঘরের ভেতরের পাঁচটি উপাদানের নাম লেখ। উত্তর : আমার চারপাশের অর্থাৎ ঘরের ভেতরের ও বাইরের সবকিছু নিয়ে তৈরি হয়েছে পরিবেশ। ঘরের ভেতরের ও বাইরের জিনিসগুলোর উৎপত্তি ভিন্নভাবে হওয়ায় এদের মধ্যে ভিন্নতা হয়। ঘরের ভেতরের বিভিন্ন আসবাবপত্র মানুষের তৈরি। পক্ষান্তরে ঘরের বাইরের গাছপালা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি। তাই ঘরের ভেতরের ও বাইরের জিনিসগুলোতে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। ঘরের বাইরের উপাদান গাছপালা থেকে ঘরের ভেতরের যে ৫টি জিনিস তৈরি করা যায় সেগুলো হলোÑ বুক সেলফ, খাট, দরজা, জানালা ও ড্রেসিং টেবিল। ৩. প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান কী? দালানকোঠা মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান কেন? প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান থেকে তোমার পাওয়া ৩টি উপকারিতা লেখ। উত্তর : যে পরিবেশে উপাদানগুলো প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে সেগুলোকে প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান বলে। যে পরিবেশে উপাদানগুলো মানুষের তৈরি সেগুলোকে মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান বলে। বালি, ইট, পাথর ব্যবহার করে মানুষ দালানকোঠা তৈরি করে। তাই দালানকোঠা মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান গাছপালা, নদীনালা, পশুপাখি ইত্যাদি থেকে পাওয়া তিনটি উপকারিতা হলোÑ ১) গাছপালা থেকে ফলমূল ও কাঠ পাই। ২) নদীনালা থেকে মাছ পাই। ৩) পশুপাখি থেকে গোশত ও ডিম পাই।

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় আমাদের পরিবেশ Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১২ বাংলাদেশের জনসংখ্যা

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১২ বাংলাদেশের জনসংখ্যা

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১২ বাংলাদেশের জনসংখ্যা পোস্টে এই অধ্যায়ের সকল পরিচ্ছেদের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর দেওয়া হলো। তৃতীয় শ্রেণির বা ও বি অধ্যায় ১২ বাংলাদেশের জনসংখ্যা >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশ পৃথিবীর নব্বইতম দেশ হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে অষ্টম। এদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০১৫ জন মানুষ বসবাস করে। অর্থাৎ আয়তনের তুলনায় এখানে জনসংখ্যা খুব বেশি। জনসংখ্যা বৃদ্ধি আমাদের দেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা। অধিক জনসংখ্যা পরিবার, যানবাহন, পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ৩য় শ্রেণির বা ও বি অধ্যায় ১২ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর অধ্যায় ১২ পরিচ্ছেদ ১ জনসংখ্যার আকার আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার যদি অর্ধেক নারী ও অর্ধেক পুরুষ হয় তবে বাংলাদেশে নারী ও পুরুষের সংখ্যা কত? শিক্ষকের সহায়তায় কাজটি কর। উত্তর : ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার (১৪,৯৭,৭২,৩৬৪) যদি অর্ধেক নারী ও অর্ধেক পুরুষ হয় তবে বাংলাদেশে নারী ও পুরুষের সংখ্যা- ৭,৪৮,৮৬,১৮২ জন করে। নিচের কথাগুলো বলতে কী বোঝায়? আদমশুমারি জনসংখ্যার ঘনত্ব নারী-পুরুষের অনুপাত উত্তর : আদমশুমারি বলতে লোক গণনা করা বোঝায়। জনসংখ্যার ঘনত্ব বলতে প্রতি বর্গকিলোমিটারে লোকসংখ্যাকে বোঝায়। নারী-পুরুষের অনুপাত বলতে নারী ও পুরুষের সংখ্যার তুলনা বোঝায়। অনেক ভিড়ে গাড়ি অথবা রিকশায় বসে থাকতে কেমন লাগে তা নিয়ে একটি বাক্য লেখ। উত্তর : অনেক ভিড়ে গাড়ি বা রিকশায় বসে থাকতে চরম অস্বস্তি ও বিরক্ত লাগে। > সঠিক উত্তরের পাশে টিকচি‎হ্ন (√) দাও। জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ পৃথিবীতে কততম? ক সপ্তম √ খ অষ্টম গ নবম ঘ দশম অধ্যায় ১২ পরিচ্ছেদ ২ জনসংখ্যা ও পরিবার নিচের বিষয়গুলোতে বড় পরিবার কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়? খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, স্বাস্থ্য, শিক্ষা। উত্তর : নিচের বিষয়গুলোতে বড় পরিবার যে ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে তা উল্লেখ করা হলো- > খাদ্য- পরিবারের সবাই পুষ্টিকর ও পরিমিত খাবার পায় না। > বস্ত্র- বড় পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় পোশাকের অভাব হয়। > বাসস্থান- বাড়িতে থাকার জন্য যথেষ্ট স্থান পাওয়া যায় না। ঘুমানোর বা বিশ্রামের জায়গার অভাব দেখা দেয়। > স্বাস্থ্য- অসুখে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা পাওয়া যায় না। > শিক্ষা- পরিবারের সদস্যরা যথেষ্ট পরিমাণে বই-খাতা পায় না, অর্থের অভাবে অনেক শিশু স্কুলে যেতে পারে না। বড় পরিবারের ভালো ও মন্দ দিকগুলো নিচে লেখ। বইয়ে যে মন্দ প্রভাবগুলো দেওয়া আছে সেগুলো উল্লেখ কর। ভালো দিক মন্দ দিক উত্তর : বড় পরিবারের ভালো ও মন্দ দিকগুলো নিচে লেখা হলো। বইয়ে যে মন্দ প্রভাবগুলো দেওয়া আছে সেগুলো উল্লেখ করা হলো- ভালো দিক মন্দ দিক সকলে মিলেমিশে বাস করে। সবাই পুষ্টিকর খাবার পায় না। একতা গড়ে ওঠে। বিশ্রামের বা থাকার জায়গার অভাব হয়। একসাথে কাজ সমাধান করা যায়। ময়লা-আবর্জনা বেশি হয়। বড় পরিবারের সমস্যাগুলো নিয়ে একটি পোস্টার তৈরি কর। উত্তর : শিক্ষকের সহায়তায় সহপাঠীদের নিয়ে নিজে চেষ্টা কর। > অল্প কথায় উত্তর দাও। পরিবারের লোকসংখ্যা বেশি হলে কোন কোন প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হয় না? উত্তর : পরিবারের লোকসংখ্যা বেশি হলে মানুষের মৌলিক প্রয়োজনগুলো মেটানো সম্ভব হয় না। যেমন- সবাই পুষ্টিকর খাবার পায় না। প্রয়োজনীয় পোশাকের অভাব হয়। বসবাসের জায়গার অভাব দেখা দেয়। অসুখ-বিসুখে সঠিক চিকিৎসা পায় না। সবাই মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ পায় না। অধ্যায় ১২ পরিচ্ছেদ ৩ যানবাহন ও পরিবেশের উপর অধিক জনসংখ্যার প্রভাব ১. বাসে অতিরিক্ত মানুষ উঠলে কী হয়? উত্তর : বাসে অতিরিক্ত মানুষ উঠলে দুর্ঘটনা ঘটে। ২. রাস্তায় বেশি যানবাহন থাকলে কী অসুবিধা হয়? উত্তর : রাস্তায় বেশি যানবাহন থাকলে যানজটে চলাচলের অসুবিধা হয়। নিচের বাক্যগুলো সম্পূর্ণ কর। অধিক জনসংখ্যার ফলে ময়লা আবর্জনা ……………..। অধিক জনসংখ্যার ফলে বাসস্থানের ………………….। উত্তর : অধিক জনসংখ্যার ফলে ময়লা আবর্জনা বেশি হয় । অধিক জনসংখ্যার ফলে বাসস্থানের সমস্যা হয় । তোমার এলাকার রাস্তায় ভিড় কেমন হয়? তোমাদের বিদ্যালয়ের বাইরে ৫ মিনিট দাঁড়াও। লক্ষ কর কতজন মানুষ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে? কতগুলো গাড়ি, বাস, সাইকেল ইত্যাদি যাচ্ছে? গণনা করে নিচের বার চার্টের মতো একটি চার্ট তৈরি কর। উত্তর : শিক্ষকের সহায়তায় নিজে চেষ্টা কর। >> অল্প কথায় উত্তর দাও। বেশি বেশি জনসংখ্যা হলে যানবাহনের ওপর কী প্রভাব পড়ে? উত্তর : বেশি বেশি জনসংখ্যা হলে যানবাহনের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। মানুষের যাতায়াত কঠিন হয়। অনেক ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা ঘটে। তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১২ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> বাম অংশের সাথে ডান অংশ মিলকরণ ক) আয়তনে বাংলাদেশ পৃথিবীর খ) পরিবার বড় হলে গ) জনসংখ্যা অধিক হলে ঘ) জনসংখ্যায় বাংলাদেশ বিশ্বে ঙ) বড় পরিবারের লোকজন অষ্টম। নব্বইতম। সঠিক চিকিৎসা পায় না। নানাবিধ সমস্যা হয়। যানবাহনে চাপ বৃদ্ধি পায়। আয় বৃদ্ধি পায়। উত্তর : ক) আয়তনে বাংলাদেশ পৃথিবীর নব্বইতম। খ) পরিবার বড় হলে নানাবিধ সমস্যা হয়। গ) জনসংখ্যা অধিক হলে যানবাহনে চাপ বৃদ্ধি পায়। ঘ) জনসংখ্যায় বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম। ঙ) বড় পরিবারের লোকজন সঠিক চিকিৎসা পায় না। >> শুদ্ধ/অশুদ্ধ নির্ণয় ক) ছোট পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৮ জন। খ) অধিক জনসংখ্যা পরিবারে উন্নতির কারণ। গ) জনসংখ্যা বেশি হলে যানবাহনে চাপ বাড়ে। ঘ) আমাদের দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটার ১০১৫ জন বাস করে। ঙ) পরিবার বড় হলে সবার পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়। উত্তর : ক) অশুদ্ধ খ) অশুদ্ধ গ) শুদ্ধ ঘ) শুদ্ধ ঙ) অশুদ্ধ। >> শূন্যস্থান পূরণ ক) জনসংখ্যা বেশি হলে রাস্তার পাশে বা খোলা জায়গায় — গড়ে ওঠে। খ) ছোট পরিবারে সবার — মেটানো সম্ভব। গ) জনসংখ্যা আমাদের দেশের একটি — সমস্যা। ঘ) আয়তনের দিক থেকে — পৃথিবীর নব্বইতম দেশ। ঙ) আমাদের দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে — জন মানুষ বাস করে। উত্তর : ক) বস্তি খ) প্রয়োজন গ) প্রধান ঘ) বাংলাদেশ ঙ) ১০১৫ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. বাংলাদেশকে অধিক জনসংখ্যার দেশ কেন বলা হয়? উত্তর : বাংলাদেশ আয়তনে ছোট একটি দেশ। এদেশের আয়তন মাত্র ১,৪৭,৫৭৯ বর্গকিলোমিটার। অথচ জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৯৭ লক্ষের অধিক। এখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০১৫ জন মানুষ বাস করে। এছাড়া প্রতিবছর দ্রæতগতিতে জনসংখ্যা বেড়েই চলেছে। আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যার পরিমাণ বেশি বলেই বাংলাদেশকে অধিক জনসংখ্যার দেশ বলা হয়। ২. বেশি জনসংখ্যা কেন আমাদের দেশের একটি প্রধান সমস্যা? উত্তর : বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। এদেশের মানুষ নানা সমস্যায় আক্রান্ত। অধিকাংশ সমস্যার সৃষ্টি হয় অধিক জনসংখ্যার কারণে। এজন্যই বেশি জনসংখ্যাকে আমাদের দেশের প্রধান সমস্যা বলা হয়। ৩. পরিবার বড় হলে শিশুদের কী কী সমস্যা হয়? উত্তর : পরিবার বড় হলে শিশুরা নানা সমস্যা ভোগ করে। তারা প্রয়োজন অনুযায়ী পুষ্টিকর খাবার পায় না। তাদের পড়ার খরচ চালাতে কষ্ট হয়। ফলে তারা বিদ্যালয়মুখী না হয়ে বিভিন্ন কাজে যোগদান করে। আবার অসুখ হলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবাও পায় না। ৪. পরিবার ছোট রাখার সুবিধা কী? উত্তর : পরিবার ছোট রাখলে সব সদস্যের চাহিদা সহজেই মেটানো যায়। শিশুরা ঠিকমতো বেড়ে ওঠার সুযোগ পায়। সবার খাবারের চাহিদা পূরণ করা যায়। সবাই

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১২ বাংলাদেশের জনসংখ্যা Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১১ আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতি

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১১ আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতি

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১১ আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতি পোস্টে এই অধ্যায়ের সকল পরিচ্ছেদের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর দেওয়া হলো। তৃতীয় শ্রেণির বা ও বি অধ্যায় ১১ আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতি >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই আমরা বাংলাদেশের অধিবাসী। আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতি অত্যন্ত গৌরবময়। আমাদের রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবস। ২১শে ফেব্রæয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহিদ দিবস, ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস। প্রতিবছর আমরা এই দিবসগুলো আমরা গুরুত্বের সাথে পালন করি। আমরা বিভিন্ন সামাজিক উৎসবও পালন করি। পহেলা বৈশাখ, নবান্ন, পৌষ মেলা বাঙালি সংস্কৃতির অংশ। এসব উৎসবে আমরা অনেক আনন্দ করি। ৩য় শ্রেণির বা ও বি অধ্যায় ১১ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর অধ্যায় ১১ পরিচ্ছেদ ১ শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ১. ২১শে ফেব্রæয়ারি কী দিবস? উত্তর : ২১শে ফেব্রæয়ারি আমাদের শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ২. এই দিবসটি কাদের স্মৃতিতে পালন করা হয়? উত্তর : এই দিবসটি ভাষা শহিদদের স্মৃতিতে পালন করা হয়। ৩. বাংলাভাষার জন্য কখন আন্দোলন হয়েছিল? উত্তর : বাংলাভাষার জন্য ১৯৫২ সালে আন্দোলন হয়েছিল। ৪. তোমরা কী কয়েকজন ভাষা শহিদের নাম বলতে পার? উত্তর : কয়েকজন ভাষা শহিদের নাম হলো- সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার ও শফিউরসহ আরও অনেকে। ৫. শহিদদের স্মরণে কোন স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে? উত্তর : শহিদদের স্মরণে ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। ২১শে ফেব্রæয়ারিতে আমরা একটি বিখ্যাত গান গাই। গানটি হলো, “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রæয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।” গানটি লিখেছেন আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী ও সুর করেছেন ৭১ এর শহিদ আলতাফ মাহমুদ। এই গানটি তোমরা খাতায় লেখ ও সবাই মিলে গাও। উত্তর : আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রæয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি ছেলেহারা শত মায়ের অশ্রæ গড়ায়ে ফেব্রæয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙানো ফেব্রæয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।। শিক্ষকের সহায়তায় সহপাঠীদের সাথে সবাই মিলে গাও। > আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য খুঁজে বের কর। > আমাদের দেশে বাংলা ছাড়া আরও অনেক ভাষা আছে। সেই ভাষাগুলো কী কী খুঁজে বের কর। উত্তর : > আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য উল্লেখ করা হলো-  ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রæয়ারি পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করেছিল।  ছাত্র-জনতা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে মিছিল করে। সবার মুখে ছিল ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’- এই ¯েøাগান।  কেন্দ্রীয় শহিদমিনার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশে অবস্থিত।  ২১শে ফেব্রæয়ারি ভোরবেলা খালি পায়ে হেঁটে শহিদমিনারে ফুল দিতে যাওয়াকে বলা হয় প্রভাতফেরি।  ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ইউনেসকোর সাধারণ পরিষদে ২১শে ফেব্রæয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। > আমাদের দেশে বাংলা ছাড়াও অনেক রকম ভাষা আছে। এদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলো তাদের নিজস্ব ভাষায় কথা বলে। এগুলোর মধ্যে- চাকমা, অবেং, মন-খেমে, মৈতৈ, বিষ্ণুপ্রিয়া, মান্দিখুসিক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। > অল্প কথায় উত্তর দাও। রাষ্ট্রভাষার দাবিতে বাঙালিরা কেন আন্দোলন করেছেন? উত্তর : পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী চেয়েছিল উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা করতে। কিন্তু পূর্ব বাংলার অধিকাংশ জনগোষ্ঠীর ভাষা ছিল বাংলা। এই বাঙালিরা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলন করেন। অধ্যায় ১১ পরিচ্ছেদ ২ স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবস ১. বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবস কোন কোন তারিখে পালন করা হয়? উত্তর : বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ ও বিজয় দিবস ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে পালন করা হয়। ২. শহিদ দিবস কখন পালন করা হয়? উত্তর : ২১শে ফেব্রæয়ারি শহিদ দিবস পালন করা হয়। ৩. ১৯৭১ সালে কারা পরাজিত হয়েছে? উত্তর : পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালে পরাজিত হয়েছে। ৪. জাতীয় স্মৃতিসৌধ কোথায়? উত্তর : ঢাকার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ অবস্থিত। ৫. মানুষ স্মৃতিসৌধে কী দিয়ে শ্রদ্ধা জানান? উত্তর : মানুষ স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। নিচের স্মরণীয় সৌধ দুটির নাম আমাদের কী কী মনে করিয়ে দেয়? শহীদমিনার জাতীয় স্মৃতিসৌধ উত্তর : নিচের স্মরণীয় সৌধ দুটির নাম আমাদের যে সব বিষয় মনে করিয়ে দেয় তা হলো- শহীদমিনার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ভাষা আন্দোলনের কথা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কথা ভাষা শহিদদের কথা শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের কথা মাতৃভাষা দিবসের কথা স্বাধীনতা দিবসের কথা প্রতিবছর তোমার বিদ্যালয় কীভাবে এই তিনটি দিবস পালন করতে পারে তার একটি পরিকল্পনা কর। উত্তর : প্রতিবছর আমাদের বিদ্যালয় যেভাবে এই তিনটি দিবস পালন করতে পারে তার একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন হলো- প্রতিবছর ২১শে ফেব্রæয়ারিতে খুব ভোরে আমরা খালি পায়ে ফুল হাতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের শহিদমিনারে যাব। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাব। ২৬শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। তাই প্রতিবছরই বিদ্যালয়ে স্বাধীনতার ওপর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরার মাধ্যমে এ দিবসটি পালন করতে পারি। এ দিনে আমরা সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত গেয়ে দেশের স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখার শপথ নিতে পারি। ১৬ই ডিসেম্বর আমাদের মহান বিজয় দিবস। এদিন আমাদের জন্য বিরাট অর্জনের প্রতীক। এই দিনে আমাদের পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ রং-বেরঙের কাগজ, ফেস্টুন ও বিজয়ের পোস্টারের মাধ্যমে সাজাতে পারি। এদিন স্কুলে বিজয় মেলার আয়োজন করতে পারি। > উপযুক্ত শব্দ দিয়ে শূন্যস্থান পূরণ কর। পাকিস্তান বাহিনী পরাজিত হয়ে আত্মসমর্পণ করে ১৯৭১ সালের ——। উত্তর : ১৬ই ডিসেম্বর। অধ্যায় ১১ পরিচ্ছেদ ৩ নববর্ষ ও অন্যান্য উৎসব তিনটি দলে ভাগ হয়ে যাও। প্রত্যেক দল এক এক করে বল সামাজিক এই উৎসবগুলো কীভাবে উদযাপন করা হয়। উত্তর : শিক্ষকের সাহায্য নিয়ে নিজেরা কর। তোমার নিজের এলাকায় উদযাপিত এই সামাজিক উৎসবগুলো সম্পর্কে লেখ। ………………………………………………………….. ………………………………………………………….. ………………………………………………………….. উত্তর : আমার নিজের এলাকায় উদযাপিত এই সামাজিক উৎসবগুলো সম্পর্কে নিচে লেখা হলো : বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রধান সামাজিক উৎসব। এদিন আমাদের গ্রামে বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। ব্যবসায়ীরা হালখাতার আয়োজন করেন। নবান্ন উৎসব গ্রামীণ বাংলার চিরায়ত একটি উৎসব। বাংলা অগ্রহায়ণ মাসে নতুন ধান ঘরে তোলার আনন্দে কৃষকরা নবান্ন উৎসবে মেতে ওঠেন। আমাদের গ্রামের কৃষক পরিবারগুলো নতুন ধানের চাল দিয়ে নানারকম খাবার তৈরি করে পাড়া-পড়শিদের মাঝে বিতরণ করে। পৌষমেলা গ্রামীণ মানুষের আনন্দঘন সামাজিক উৎসব। পৌষ মাসে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। গ্রামের ঘরে ঘরে বানানো হয় নানা রকম শীতের পিঠা। সেই সাথে আয়োজন করা হয় পৌষ মেলার। কীভাবে তোমার বিদ্যালয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা যায়? এ বিষয়ে একটি পরিকল্পনা তৈরি কর। উত্তর : আমাদের বিদ্যালয়ে যেভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা যায় সে বিষয়ে নিচে একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হলো- পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। এ দিনটি সবাই উদযাপন করে। এ উপলক্ষ্যে আমরা আমাদের বিদ্যালয়ে দেশীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গান-বাজনা ও বৈশাখী মেলার আয়োজন করতে পারি। বৈশাখের সকালে পান্তা-ইলিশের ব্যবস্থা করতে পারি। শিশুদের জন্য পুতুল নাচ, ঘুড়ি ওড়ানো, চরকি খেলা ইত্যাদি আয়োজন করা যেতে পারে। >> সঠিক উত্তরের পাশে টিকচি‎হ্ন (√) দাও। নবান্ন কিসের উৎসব? ক) স্বাধীনতার উৎসব খ) পৌষের উৎসব √ গ) ফসল কাটার উৎসব ঘ) নববর্ষের উৎসব তৃতীয়

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১১ আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতি Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১০ আমাদের জাতির পিতা

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১০ আমাদের জাতির পিতা

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১০ আমাদের জাতির পিতা পোস্টে এই অধ্যায়ের সকল পরিচ্ছেদের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর দেওয়া হলো। তৃতীয় শ্রেণির বা ও বি অধ্যায় ১০ আমাদের জাতির পিতা >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের জাতির পিতা। তিনি ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়াতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের নেতা। তাঁর নেতৃত্বেই আমাদের এই দেশ স্বাধীন হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট সপরিবারে নিহত হন এই মহান নেতা। আমরাও তাঁর মতো দেশকে ভালোবাসব, দেশের জন্য কাজ করব। ৩য় শ্রেণির বা ও বি অধ্যায় ১০ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর অধ্যায় ১০ পরিচ্ছেদ ১ বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ও সংগ্রামী জীবন ১. বঙ্গবন্ধু কবে জন্মগ্রহণ করেন? উত্তর : বঙ্গবন্ধু ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। ২. কত বছর বয়সে তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয়? উত্তর : সাত বছর বয়সে তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয়। ৩. তিনি কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন? উত্তর : তিনি গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন। ৪. বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি কোন বিষয়ে ভর্তি হয়েছিলেন? উত্তর : বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি আইন বিষয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। ৫. কত সালে ৬ দফা পেশ করা হয়? উত্তর : ১৯৬৬ সালে ৬ দফা পেশ করা হয়। সনের পাশে উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো লেখ। ১৯২০ ১৯২৭ ১৯২৯ ১৯৬৬ ১৯৭০ উত্তর : সনের পাশে উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো লেখা হলোÑ ১৯২০ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন। ১৯২৭ বঙ্গবন্ধু গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯২৯ বঙ্গবন্ধু গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৬৬ বঙ্গবন্ধু ছয় দফা পেশ করেন। ১৯৭০ সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। > বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাজীবন নিয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ কর। উত্তর : বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাজীবন নিয়ে আরও তথ্য নিচে উপস্থাপন করা হলোÑ > বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় ১৯২৭ সালে গিমাডাঙ্গা প্রাইমারি স্কুল থেকে। > ১৯২৯ সালে বঙ্গবন্ধু গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন। > মাধ্যীমক পরীক্ষায় উত্তীর্ণের পর বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয় থেকে বিএ ডিগ্রী লাভ করে। > ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে পড়ার সময় বঙ্গবন্ধু চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের পক্ষে দাবি ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কৃত হন। > সঠিক উত্তরের পাশে টিকচি‎হ্ন (√) দাও। বঙ্গবন্ধু কোথায় মাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করেন? √ ক) গোপালগঞ্জ মিশন হাই স্কুলে খ) কলকাতা মিশন হাই স্কুলে গ) ফরিদপুর মিশন হাই স্কুলে ঘ) ঢাকা মিশন হাই স্কুলে অধ্যায় ১০ পরিচ্ছেদ ২ বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ ১. বাংলাদেশ কখন স্বাধীনতা অর্জন করে? উত্তর : বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর স্বাধীনতা অর্জন করে। ২. মুক্তিযুদ্ধ কতমাস স্থায়ী হয়েছিল? উত্তর : মুক্তিযুদ্ধ দীর্ঘ ৯ মাস স্থায়ী হয়েছিল। ৩. মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধু কোথায় বন্দি ছিলেন? উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধু পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন। ৪. বঙ্গবন্ধু কোন তারিখে দেশে ফিরে আসেন? উত্তর : বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বাধীন দেশে ফিরে আসেন। ৫. ১৯৭৫ সালে কী হয়েছিল? উত্তর : ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু একদল ষড়যন্ত্রকারী ও দেশের শত্রæদের হাতে সপরিবারে শহিদ হন। ১৯৭১ সালের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো তারিখের পাশে লেখ। ৭ই মার্চ ২৫শে মার্চ ২৬শে মার্চ ১৬ই ডিসেম্বর উত্তর : ১৯৭১ সালের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো তারিখের পাশে লেখা হলোÑ ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জনসভায় বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দেন। ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর হামলা করে। ২৬শে মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে বিজয় লাভ করে। বঙ্গবন্ধুর ছবি সংগ্রহ করে একটি অ্যালবাম তৈরি কর। উত্তর : শ্রেণিশিক্ষকের সহায়তায় নিজে চেষ্টা কর। >> সঠিক উত্তরের পাশে টিকচি‎হ্ন (√) দাও। কখন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা হয়? ক) ৭ই মার্চ খ) ২৫শে মার্চ √ গ) ২৬শে মার্চ ঘ) ১৬ই ডিসেম্বর তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১০ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> বাম অংশের সাথে ডান অংশ মিলকরণ ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খ) বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গ) ১৯৭০Ñএর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ঘ) ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু ঙ) ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ আইন বিভাগে ভর্তি হন। বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা দেন। আমাদের জাতির পিতা। ছয় দফা পেশ করেন। ঢাকা ত্যাগ করেন। উত্তর : ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের জাতির পিতা। খ) বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন। গ) ১৯৭০Ñএর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। ঘ) ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা পেশ করেন। ঙ) ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। >> শুদ্ধ/অশুদ্ধ নির্ণয় ক) বঙ্গবন্ধু জন্মগ্রহণ করেন ১৯২৫ সালে। খ) বঙ্গবন্ধুর মায়ের নাম সায়েরা বানু। গ) বঙ্গবন্ধু কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। ঘ) জাতির পিতা শহিদ হন ১৫ আগস্ট ১৯৭৫। ঙ) বঙ্গবন্ধু ৬ দফা পেশ করেন ১৯৬৯ সালে। উত্তর : ক) ‘অশুদ্ধ’ খ) ‘শুদ্ধ’ গ) শুদ্ধ’ ঘ) শুদ্ধ’ ঙ) ‘অশুদ্ধ’। >> শূন্যস্থান পূরণ ক) বঙ্গবন্ধু — সালের ১৭ই মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। খ) বঙ্গবন্ধু কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে — পাস করেন। গ) বাঙালির অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে বঙ্গবন্ধুকে বহুবার — করতে হয়। ঘ) বঙ্গবন্ধুর আহŸানে জাতি — ঝাঁপিয়ে পড়ে। ঙ) আমরা সবাই বঙ্গবন্ধুর মতো দেশকে —। উত্তর : ক) ১৯২০ খ) বিএ গ) কারাবরণ ঘ) মুক্তিযুদ্ধে ঙ) ভালোবাসব। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. শেখ মুজিবুর রহমান কবে, কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন? উত্তর : শেখ মুজিবুর রহমান ১৭ই মার্চ ১৯২০ সালে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ২. শেখ মুজিবুর রহমান কোন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা লাভ করেন? উত্তর : শেখ মুজিবুর রহমানের শিক্ষাজীবন শুরু হয় ৭ বছর বয়েসে গিমাডাঙ্গা প্রাইমারি স্কুলে। দুই বছর পর তিনি গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন। মাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করেন গোপালগঞ্জ মিশন হাইস্কুল থেকে। এরপর তিনি কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে বিএ পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। ৩. বঙ্গবন্ধুকে কেন বহুবার কারাবরণ করতে হয়? উত্তর : বাঙালির বিভিন্ন অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে বঙ্গবন্ধুকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়। ৪. বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা কেন বলা হয়? উত্তর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন বাংলার মানুষের মুক্তির জন্য লড়াই করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। তাই তাঁকে বলা হয় আমাদের জাতির পিতা। ৫. মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান বর্ণনা কর। উত্তর : মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদানসমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো :  ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ঘোষণা করেন। এই ছয় দফাতেই বাঙালির স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।  ৭ মার্চ ১৯৭১ বঙ্গবন্ধু ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক জনসভায় স্বাধীনতার ডাক দেন।  ২৬ মার্চ ১৯৭১ বঙ্গবন্ধু প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।  বঙ্গবন্ধুর আহŸানে জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।  তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। ৬. বঙ্গবন্ধু কেন ছয় দফা দাবি পেশ করেন? উত্তর : বঙ্গবন্ধু পূর্ববাংলার জনগণের মুক্তির দাবি আদায়ে ছয় দফা দাবি পেশ করেন। ৭. বঙ্গবন্ধু কখন থেকে বাঙালির অধিকার আদায়ের আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন? উত্তর : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১০ আমাদের জাতির পিতা Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৯ আমাদের বাংলাদেশ

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৯ আমাদের বাংলাদেশ

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৯ আমাদের বাংলাদেশ পোস্টে এই অধ্যায়ের সকল পরিচ্ছেদের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর দেওয়া হলো। তৃতীয় শ্রেণির বা ও বি অধ্যায় ৯ আমাদের বাংলাদেশ >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভ‚মি। আমাদের এদেশ এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত। আমাদের দেশের আয়তন এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার পাঁচশত সত্তর (১,৪৭,৫৭০) বর্গ কিলোমিটার। এদেশের অধিকাংশ স্থান সমতল। পরিচালনার সুবিধার্থে আমাদের এই দেশকে সাতটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে। ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী ও প্রধান বিভাগীয় শহর। আমাদের দেশে রয়েছে অসংখ্য নদী। প্রধান নদীগুলো হলো- পদ্মা, যমুনা, ব্র‏হ্মপুত্র, মেঘনা ও কর্ণফুলী। বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্পদের মধ্যে কৃষিজ, বনজ, খনিজ ও পানি সম্পদ উল্লেখযোগ্য। ৩য় শ্রেণির বা ও বি অধ্যায় ৯ অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর অধ্যায় ৯ পরিচ্ছেদ ১ বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্র > তুমি কোন বিভাগে থাক? শিক্ষকের সহায়তায় সবাই মিলে মানচিত্রে তোমাদের বিভাগের অবস্থান খুঁজে বের কর এবং চি‎িহ্নত কর। উত্তর : আমি ঢাকা বিভাগে থাকি। শিক্ষকের সহায়তায় সবাই মিলে মানচিত্রে আমাদের বিভাগের অবস্থান খুঁজে বের করে চি‎িহ্নত করা হলো : > তোমার বিভাগের সীমানার সাথে আর কোন কোন বিভাগ আছে? উত্তর : আমার বিভাগের সীমানার সাথে আর যে যে বিভাগ আছে তা হলো- রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট। নিচের ছকে বাংলাদেশের আশেপাশের দেশের নাম ও সমুদ্রের নাম লেখ। দিক দেশ/সমুদ্র পূর্ব পশ্চিম উত্তর দক্ষিণ উত্তর : নিচের ছকে বাংলাদেশের আশেপাশের দেশের নাম ও সমুদ্রের নাম লেখা হলো- দিক দেশ/সমুদ্র পূর্ব ভারত ও মিয়ানমার পশ্চিম ভারত উত্তর ভারত দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর ছাপ দিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র আঁক- > একটি পাতলা কাগজ বাংলাদেশের মানচিত্রের উপর রাখ। চারপাশ আলপিন বা ক্লিপ দিয়ে আটকে দাও। > কাগজের নিচে মানচিত্রের রেখাগুলো লক্ষ কর। এবার পেনসিল দিয়ে মানচিত্রের চারদিকের রেখা আঁক। > আলপিন/ক্লিপ খুলে কাগজটি তুলে ফেল এবং মানচিত্রে বিভাগগুলোর নাম লেখ। উত্তর : শ্রেণিশিক্ষকের সহায়তায় নিজেরা চেষ্টা কর। অল্প কথায় উত্তর দাও। বাংলাদেশের বিভাগীয় শহরের সংখ্যা কয়টি ও কী কী? উত্তর : বাংলাদেশের বিভাগীয় শহরের সংখ্যা সাতটি। এগুলো হলো- ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল ও রংপুর। অধ্যায় ৯ পরিচ্ছেদ ২ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক মানচিত্র পৃষ্ঠা নম্বর ৫০ ও ৫২-এ বাংলাদেশের দুটি মানচিত্র আছে। মানচিত্র দুটি তুলনা কর এবং শ্রেণিতে আলোচনা কর : > পাশের মানচিত্রে কমলা রং দিয়ে পাহাড়ি অঞ্চল বোঝানো হয়েছে। কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি পাহাড় আছে? > মানচিত্রে হালকা সবুজ রং দিয়ে নিচু পাহাড়ি এলাকা বোঝানো হয়েছে। কোন বিভাগে নিচু পাহাড় বেশি? > মানচিত্রে গাঢ় সবুজ রং দিয়ে সমতল ভ‚মি বোঝানো হয়েছে। কোন বিভাগে কোনো পাহাড় বা নিচু পাহাড় নেই? উত্তর : পৃষ্ঠা নম্বর ৫০ ও ৫২-এ বাংলাদেশের দুটি মানচিত্র আছে। মানচিত্র দুটি তুলনা করা হলো এবং শ্রেণিতে আলোচনা করে উত্তরগুলো দেওয়া হলো : > চট্টগ্রাম বিভাগে সবচেয়ে বেশি পাহাড় আছে। > সিলেট বিভাগে নিচু পাহাড় বেশি। > বরিশাল ও খুলনা বিভাগে কোনো পাহাড় নেই। নিচের টেবিলে বাংলাদেশের নিচু পাহাড়ি এলাকাগুলো কোন কোন বিভাগে অবস্থিত লেখ। নিচু পাহাড়ি এলাকা বিভাগ বরেন্দ্রভ‚মি মধুপুর গড় লালমাই উত্তর : নিচের টেবিলে বাংলাদেশের নিচু পাহাড়ি এলাকাগুলো যে যে বিভাগে অবস্থিত তা লেখা হলো- নিচু পাহাড়ি এলাকা বিভাগ বরেন্দ্রভ‚মি রাজশাহী মধুপুর গড় ঢাকা লালমাই চট্টগ্রাম পাশের চিত্রটি দেখ। তোমরা কি রাস্তায় কখনো এ ধরনের যান দেখেছ? এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের সাহায্যে চলে। পাশের ছবিটি দেখে খাতায় আঁক ও নাম লেখ। উত্তর : পাশের চিত্রটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা। [শ্রেণিশিক্ষকের সহায়তায় তোমরা নিজে আঁকার চেষ্টা কর] > অল্প কথায় উত্তর দাও। আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ কোনটি? উত্তর : আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। অধ্যায় ৯ পরিচ্ছেদ ৩ বাংলাদেশের নদী ৫০ নম্বর পৃষ্ঠার মানচিত্রটি আবার দেখ এবং উত্তর দাও। ১. মানচিত্রে বিভাগীয় শহরগুলোতে বিভিন্ন রং দেওয়া আছে। এই শহরগুলোর নাম কী? ২. বাংলাদেশের কোন তিনটি বিভাগ সমুদ্র সীমানার পাশ দিয়ে আছে? ৩. কোন বিভাগের সমুদ্র উপক‚ল দীর্ঘতম? উত্তর : ৫০ নম্বর পৃষ্ঠার মানচিত্র দেখে প্রশ্নগুলোর উত্তর নিচে দেওয়া হলো- ১. মানচিত্রে বিভাগীয় শহরগুলোতে বিভিন্ন রং দেওয়া আছে। এই শহরগুলোর নাম হলো- রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম। ২. বাংলাদেশের যে তিনটি বিভাগ সমুদ্র সীমানার পাশ দিয়ে আছে তা হলো- খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম। ৩. চট্টগ্রাম বিভাগের সমুদ্র উপক‚ল দীর্ঘতম। অক্ষরের ক্রম অনুযায়ী প্রধান পাঁচটি নদীর নাম লেখ। উত্তর : অক্ষরের ক্রম অনুযায়ী প্রধান পাঁচটি নদীর নাম নিচে লেখা হলো- ১. কর্ণফুলী ২. পদ্মা ৩. ব্র‏হ্মপুত্র ৪. মেঘনা ৫. যমুনা। বাংলাদেশের পানি সম্পদের তিনটি ব্যবহার দেখিয়ে একটি পোস্টার তৈরি কর। ছবি এঁকে উদাহরণ দাও। উত্তর : বাংলাদেশের পানি সম্পদের তিনটি ব্যবহার নিচে একটি পোস্টারের মাধ্যমে দেখানো হলো- > সঠিক উত্তরের পাশে টিকচি‎হ্ন (√) দাও। নিচের কোনটি পানির উৎস নয়? ক) জলাভ‚মি খ) পুকুর √গ) জাল ঘ) নদী অধ্যায় ৯ পরিচ্ছেদ ৪ বাংলাদেশের কৃষি ও বন ১. ধান কেন সব জায়গায় জন্মে? উত্তর : বাংলাদেশের অধিকাংশ ভ‚মি সমতল ও উর্বর হওয়ার জন্য সব জায়গায় ধান জন্মে। ২. অর্থকরী ফসল বলতে কী বোঝায়? উত্তর : যেসব ফসল বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলা হয়। ৩. কয়েক ধরনের ডালের নাম বল। উত্তর : কয়েক ধরনের ডালের নাম হলো- মসুর, খেসারি ও মুগ। প্রথম সারিতে বনভ‚মিগুলোতে যে ধরনের গাছ পাওয়া যায় তার নাম ও দ্বিতীয় সারিতে যে ধরনের প্রাণী দেখা যায় তাদের নাম লেখ। কাজটি জোড়ায় কর। পাহাড়ি বনভ‚মি সুন্দরবন উদ্ভিদ প্রাণী উত্তর : প্রথম সারিতে বনভ‚মিগুলোতে যে ধরনের গাছ পাওয়া যায় তার নাম ও দ্বিতীয় সারিতে যে ধরনের প্রাণী দেখা যায় তাদের নাম লেখা হলো- পাহাড়ি বনভ‚মি সুন্দরবন উদ্ভিদ কলা, রাবার, বাঁশ, বেত ইত্যাদি। সুন্দরী, গেওয়া, গোলপাতা, গরান ইত্যাদি। প্রাণী হাতি, বানর, শুয়োর, সাপ ইত্যাদি। রয়েল বেঙ্গল টাইগার, কুমির, বানর, কাঁকড়া ইত্যাদি। গাছের তিনটি ব্যবহার লিখে একটি পোস্টার তৈরি কর। ছবিও আঁকতে পার। উত্তর : গাছের তিনটি ব্যবহার লিখে নিচে একটি পোস্টার তৈরি করা হলো- >> উপযুক্ত শব্দ দিয়ে শূন্যস্থান পূরণ কর। ১. পাট —- কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. মসলা —- কাজে ব্যবহৃত হয়। উত্তর : ১. দড়ি তৈরির ২. রান্না-বান্নার। তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৯ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> বাম অংশের সাথে ডান অংশ মিলকরণ ক) কয়লা, চুনাপাথর, চিনামাটি খ) বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে গ) বাংলাদেশের নদীগুলো ঘ) দেশের উত্তর-পূর্ব দিকে ঙ) পুরাতন শহর বাঁশ ও বেত জন্মে। বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। সিলেট বিভাগ রয়েছে। খনিজ সম্পদ। ঢাকা। চুনাপাথর। উত্তর : ক) কয়লা, চুনাপাথর, চিনামাটি খনিজ সম্পদ। খ) বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে বাঁশ ও বেত জন্মে। গ) বাংলাদেশের নদীগুলো বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। ঘ) দেশের উত্তর পূর্ব দিকে সিলেট বিভাগ রয়েছে। ঙ) পুরাতন শহর ঢাকা। >> শুদ্ধ/অশুদ্ধ নির্ণয় ক) বাংলাদেশের মাঝখানে রাজশাহী অবস্থিত। খ) রংপুর বাংলাদেশের

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৯ আমাদের বাংলাদেশ Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৮ মহাদেশ ও মহাসাগর

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৮ মহাদেশ ও মহাসাগর

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৮ মহাদেশ ও মহাসাগর পোস্টে এই অধ্যায়ের সকল পরিচ্ছেদের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর দেওয়া হলো। তৃতীয় শ্রেণির বা ও বি অধ্যায় ৮ মহাদেশ ও মহাসাগর >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই আমরা পৃথিবীতে বাস করি। পৃথিবী সৌরজগতের একটি গ্রহ। এ গ্রহের তিন ভাগে রয়েছে পানি, আর একভাগ স্থল। স্থলভাগকে সাতটি মহাদেশ এবং জলভাগকে পাঁচটি মহাসাগরে বিভক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণÑপূর্ব এশিয়ায়। ৩য় শ্রেণির বা ও বি অধ্যায় ৮ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর অধ্যায় ৮ পরিচ্ছেদ ১ মহাদেশ পৃথিবীর অন্য কোন কোন দেশ ও প্রাণী সম্পর্কে তুমি জান? শ্রেণিতে সবার সাথে আলোচনা কর। উত্তর : সহপাঠীদের সাথে আলোচনা করে নিজেরা কর। মহাদেশের নামগুলো অক্ষরের ক্রম অনুসারে সাজিয়ে লেখ। উত্তর : পৃথিবীর মহাদেশের নামগুলো অক্ষরের ক্রম-অনুসারে সাজিয়ে লেখা হলোÑ মহাদেশের নাম : ১. অস্ট্রেলিয়া ২. আফ্রিকা ৩. ইউরোপ ৪. উত্তর আমেরিকা ৫. এন্টার্কটিকা ৬. এশিয়া ৭. দক্ষিণ আমেরিকা কোন প্রাণী কোন মহাদেশে বাস করে? ছবি দেখে মহাদেশের সাথে মিলাও। উত্তর : কোন প্রাণী কোন মহাদেশে বাস করে তা ছবি দেখে মহাদেশের সাথে মেলানো হলোÑ ক্যাঙ্গারু পেঙ্গুইন পান্ডা জিরাফ অস্ট্রেলিয়া এন্টার্কটিকা এশিয়া আফ্রিকা > সঠিক উত্তরের পাশে টিকচি‎হ্ন (√) দাও। পৃথিবীর কত ভাগ পানি? ক) চার ভাগের এক ভাগ √ খ) চার ভাগের তিন ভাগ গ) পাঁচ ভাগের এক ভাগ ঘ) পাঁচ ভাগের এক ভাগ অধ্যায় ৮ পরিচ্ছেদ ১ মহাসাগর জোড়ায় উত্তরগুলো দাও। > এশিয়ার উত্তরে যে মহাসাগর। উত্তর : আর্কটিক মহাসাগর। > এশিয়ার দক্ষিণে যে মহাসাগর। উত্তর : ভারত মহাসাগর। > এশিয়ার পার্শ্ববর্তী মহাদেশ। উত্তর : ইউরোপ মহাদেশ। > বিশাল জলরাশিকে বলা হয়। উত্তর : মহাসাগর। > দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিমে যে মহাসাগর। উত্তর : প্রশান্ত মহাসাগর। নিচে দেওয়া তালিকা থেকে মহাদেশ ও মহাসাগরের নামের দুটি পৃথক তালিকা তৈরি কর। এন্টার্কটিকা প্রশান্ত অস্ট্রেলিয়া ভারত আটলান্টিক উত্তর : উপরের তালিকা থেকে মহাদেশ ও মহাসাগরের নামের দুটি পৃথক তালিকা তৈরি করা হলোÑ মহাদেশ মহাসাগর ১. এন্টার্কটিকা ২. অস্ট্রেলিয়া ১. প্রশান্ত ২. ভারত ৩. আটলান্টিক তোমরা কি শ্বেত ভালুকের নাম শুনেছ? শ্বেত ভালুক উত্তর মেরুর আর্কটিক মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাস করে। বরফের চাইয়ের উপর বসে থাকা একটি শ্বেত ভালুকের ছবি আঁক। উত্তর : নিচে শ্বেত ভালুকের ছবি এঁকে দেখানো হলো : >> বাম পাশের কথাগুলোর সাথে ডান পাশের কথাগুলোর মিল কর। ক. পৃথিবীর চার ভাগের এক ভাগ বিভিন্ন দেশে। খ. সবচেয়ে ছোট মহাদেশ স্থলভাগ। গ. মহাদেশের সংখ্যা মহাসাগর। ঘ. বিশাল জলরাশিকে বলা হয় সাত। ঙ. মহাদেশকে ভাগ করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। উত্তর : ক. পৃথিবীর চার ভাগের এক ভাগ স্থলভাগ। খ. সবচেয়ে ছোট মহাদেশ অস্ট্রেলিয়া। গ. মহাদেশের সংখ্যা সাত। ঘ. বিশাল জলরাশিকে বলা হয় মহাসাগর। ঙ. মহাদেশকে ভাগ করা হয়েছে বিভিন্ন দেশে। অধ্যায় ৮ পরিচ্ছেদ ১ বাংলাদেশ কোথায়? ১. বাংলাদেশ কোন মহাদেশে অবস্থিত? উত্তর : বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত। ২. ৪৬ নম্বর পৃষ্ঠার মানচিত্রটি লক্ষ কর ও বল, পৃথিবীর পশ্চিম দিকে কোন দুটি মহাদেশ অবস্থিত? উত্তর : পৃথিবীর পশ্চিম দিকে উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা এ দুটি মহাদেশ অবস্থিত। ৩. পৃথিবীর দক্ষিণে কোন দুটি মহাদেশ অবস্থিত? উত্তর : পৃথিবীর দক্ষিণে দক্ষিণ আমেরিকা ও এন্টার্কটিকা এ দুটি মহাদেশ অবস্থিত। ৪. পূর্বে কোন দুটি মহাদেশ অবস্থিত? উত্তর : পৃথিবীর পূর্বে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া এ দুটি মহাদেশ অবস্থিত। ৫. বাংলাদেশের দক্ষিণে কোন মহাসাগর অবস্থিত? উত্তর : বাংলাদেশের দক্ষিণে ভারত মহাসাগর অবস্থিত। মানচিত্রে মহাদেশ ও মহাসাগরের নাম লেখ। উত্তর : নিচে মানচিত্রে মহাদেশ ও মহাসাগরের নাম লিখে দেখানো হলোÑ পাঠে দেওয়া পরিমাপ অনুযায়ী আমাদের জাতীয় পতাকা আঁক। উত্তর : পাঠে দেওয়া পরিমাপ অনুযায়ী আমাদের জাতীয় পতাকা আঁকা হলোÑ >> অল্প কথায় উত্তর দাও। বাংলাদেশ কোন মহাদেশের কোনদিকে অবস্থিত? উত্তর : বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত। তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৮ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> বাম অংশের সাথে ডান অংশ মিলকরণ। ক. পৃথিবী সূর্যের একটা খ. পৃথিবীতে মোট পাঁচটি গ. পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাদেশ ঘ. পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট মহাসাগর আর্কটিক। গ্রহ। এশিয়া। আফ্রিকা। মহাসাগর আছে। উত্তর : ক. পৃথিবী সূর্যের একটা গ্রহ। খ. পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর আছে। গ. পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাদেশ এশিয়া। ঘ. পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট মহাসাগর আর্কটিক। >> শুদ্ধ/অশুদ্ধ নির্ণয় ক) আমরা পৃথিবী নামক গ্রহে বাস করি। খ) ইউরোপ পৃথিবীর বড় মহাদেশ। গ) বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত। ঘ) আমাদের জাতীয় পতাকা লাল হলুদ রঙের। ঙ) উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা আমাদের পশ্চিমে অবস্থিত। উত্তর : ক) শুদ্ধ খ) অশুদ্ধ গ) শুদ্ধ ঘ) অশুদ্ধ ঙ) শুদ্ধ। >> শূন্যস্থান পূরণ ক) পৃথিবীতে  মহাদেশ আছে। খ) এশিয়া পৃথিবীর  মহাদেশ। গ) পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাসাগর । ঘ) আমরা  বাস করি। ঙ) পৃথিবী সূর্যের একটি । উত্তর : ক) সাতটি খ) বৃহত্তম গ) প্রশান্ত মহাসাগর ঘ) পৃথিবীতে ঙ) গ্রহ। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. পৃথিবীতে কয়টি মহাদেশ আছে ও কী কী? উত্তর : পৃথিবীতে সাতটি মহাদেশ আছে। মহাদেশগুলো হলো : ১) এশিয়া; ২) ইউরোপ; ৩) আফ্রিকা; ৪) উত্তর আমেরিকা; ৫) দক্ষিণ আমেরিকা; ৬) অস্ট্রেলিয়া; ৭) এন্টার্কটিকা। ২. পৃথিবীর মহাসাগরগুলোর নাম কী? উত্তর : পৃথিবীতে পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে। মহাসাগরগুলোর নাম হলো : ১) প্রশান্ত মহাসাগর; ২) আটলান্টিক মহাসাগর; ৩) ভারত মহাসাগর; ৪) আর্কটিক মহাসাগর; ৫) দক্ষিণ মহাসাগর। ৩. বাংলাদেশ কোন মহাদেশের কোন দিকে অবস্থিত? উত্তর : বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণÑপূর্ব দিকে অবস্থিত। ৪. পৃথিবীতে আমেরিকা নামযুক্ত কয়টি মহাদেশ আছে ও কী কী? উত্তর : পৃথিবীতে আমেরিকা নামযুক্ত দুটি মহাদেশ আছে। একটি হলো উত্তর আমেরিকা এবং অন্যটি দক্ষিণ আমেরিকা। ৫. পৃথিবীর স্থলভাগ কী কী নিয়ে গঠিত? উত্তর : পৃথিবীর স্থলভাগ সমভ‚মি, পাহাড়, পর্বত, মরুভ‚মি ইত্যাদি নিয়ে গঠিত। ৬. পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাদেশ কোনটি? উত্তর : পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাদেশ এশিয়া। ৭. পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট মহাদেশ কোনটি? উত্তর : পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট মহাদেশ অস্ট্রেলিয়া। ৮. সবচেয়ে বড় মহাসাগর কোনটি? উত্তর : সবচেয়ে বড় মহাসাগর হলো প্রশান্ত মহাসাগর। ৯. এন্টার্কটিকা মহাদেশ পৃথিবীর কোন দিকে? উত্তর : এন্টার্কটিকা মহাদেশ পৃথিবীর দক্ষিণে। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর > সাধারণ ১. পৃথিবীর পাঁচটি বৈশিষ্ট্য লেখ। উত্তর : পৃথিবীর পাঁচটি বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো : ১) পৃথিবী সূর্যের একটি গ্রহ। ২) এটি দেখতে গোলাকার। ৩) পৃথিবীর উপরিভাগে আছে স্থলভাগ ও জলভাগ। ৪) পৃথিবীর স্থলভাগে আছে সমভ‚মি, পাহাড়, পর্বত, মরুভ‚মি ইত্যাদি। ৫) পৃথিবীর চার ভাগের তিন ভাগ হলো পানি আর এক ভাগ স্থল। ২. পৃথিবীর স্থলভাগকে কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে? ভাগগুলোর নাম লেখ। উত্তর : পৃথিবীর স্থলভাগকে ৭ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলোÑ ১) এশিয়া; ২) ইউরোপ; ৩) আফ্রিকা; ৪) উত্তর আমেরিকা; ৫) দক্ষিণ আমেরিকা; ৬) অষ্ট্রেলিয়া; ৭) এন্টার্কটিকা। ন্ধ যোগ্যতাভিত্তিক ৩. বাদল কাগজ দিয়ে বাংলাদেশের একটি পতাকা

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৮ মহাদেশ ও মহাসাগর Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৭ পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ ও সংরক্ষণ

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৭ পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ ও সংরক্ষণ

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৭ পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ ও সংরক্ষণ পোস্টে এই অধ্যায়ের সকল পরিচ্ছেদের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর দেওয়া হলো। ৩য় শ্রেণির বা ও বি অধ্যায় ৭ পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ ও সংরক্ষণ >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই নানাভাবে আমাদের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। যেখানে-সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলা, মলমূত্র ত্যাগ করা, শিল্প-কারখানার ময়লা নদীতে ফেলা, গাড়ির কালো ধোঁয়া, যানবাহন ও কল-কারখানার উচ্চ আওয়াজ প্রভৃতি পরিবেশ দূষণের উল্লেখযোগ্য কারণ। এ সমস্ত দূষণের কারণে মানুষ ও প্রাণীজগতে তৈরি হচ্ছে নানা ধরনের সমস্যা। পরিবেশ সংরক্ষণ ও এর দূষণ রোধে আমাদের সচেতন হতে হবে। পরিবেশ আমাদের, এটি সংরক্ষণের দায়িত্বও আমাদের। তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৭ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর অধ্যায় ৭ পরিচ্ছেদ ১ পরিবেশ দূষণের কারণ ১. পাশের কোন ছবিতে কী দূষণ হচ্ছে বল। উত্তর : পাশের ছবিগুলোতে যথাক্রমে বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ, পানিদূষণ, বর্জ্যদূষণ, মাটিদূষণ, মানুষসৃষ্ট দূষণ প্রভৃতি হচ্ছে। ২. বিভিন্ন ধরনের দূষণ নিয়ে দলে আলোচনা কর। উত্তর : সহপাঠীরা সবাই মিলে চেষ্টা কর। ছবিতে কোনটি কোন ধরনের দূষণ তা দেখ এবং নিচের বাক্যগুলো লিখে সম্পূর্ণ কর। উত্তর : ছবির দূষণ দেখে নিচের বাক্যগুলো পূরণ করা হলো : বায়ুতে যে দূষণ বায়ুদূষণ। পানিতে যে দূষণ পানিদূষণ। মাটিতে যে দূষণ মাটিদূষণ। রাস্তায় শব্দের ফলে যে দূষণ শব্দদূষণ। রাস্তায় আবর্জনার ফলে যে দূষণ বর্জ্যদূষণ। মানুষের দ্বারা সৃষ্ট যে দূষণ মানুষসৃষ্ট দূষণ। এখন সঠিক ঘরে ৬ ধরনের দূষণ সম্পর্কে লেখ ও উদাহরণ দাও। প্রাকৃতিক পরিবেশের দূষণ সামাজিক পরিবেশের দূষণ উত্তর : সঠিক ঘরে ৬ ধরনের দূষণ সম্পর্কে লেখা হলো ও উদাহরণ দেওয়া হলো- প্রাকৃতিক পরিবেশের দূষণ সামাজিক পরিবেশের দূষণ বায়ুদূষণ উদাহরণ : গাড়ির কালো ধোঁয়া বায়ুর দূষণ ঘটায়। শব্দদূষণ উদাহরণ : উচ্চ শব্দে মাইকিং করার ফলে শব্দদূষণ ঘটে। পানিদূষণ উদাহরণ : কল-কারখানার বিষাক্ত রাসায়নিক পানিতে মিশে পানিদূষণ ঘটায়। বর্জ্যদূষণ উদাহরণ : যেখানে সেখানে বর্জ্য ফেললে বর্জ্যদূষণ ঘটে। মাটিদূষণ উদাহরণ : জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে মাটিদূষণ হয়। মানুষসৃষ্ট দূষণ উদাহরণ : যেখানে সেখানে কফ, থুথু ফেলে মানুষ পরিবেশ দূষিত করে। > অল্প কথায় উত্তর দাও। রাস্তায় ময়লা আবর্জনা ফেলা থেকে কীভাবে আমরা সবাইকে বিরত রাখতে পারি? উত্তর : আমরা রাস্তায় ময়লা আবর্জনা ফেলব না। সব সময় নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলব। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন করে তুলব। রাস্তায় ময়লা-আবর্জনা ফেলা থেকে এভাবেই আমরা সবাইকে বিরত রাখতে পারি। অধ্যায় ৭ পরিচ্ছেদ ২ পরিবেশ দূষণের ফলাফল ১. পরিবেশ দূষণের ফলে পশু-পাখির কী ক্ষতি হয়? উত্তর : পরিবেশ দূষণের ফলে পশুপাখির নানা রকম ক্ষতি হয়। পানিদূষণের ফলে মাছ মারা যায়। গাছপালা ধ্বংসের ফলে অনেক পশুপাখি বাসস্থান ও খাদ্যের সংস্থান হারায়। ২. পরিবেশ দূষণের ফলে উদ্ভিদের কী ক্ষতি হয়? উত্তর : পরিবেশ দূষণের ফলে অনেক উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধির হার কমে যায়। অনেক গাছপালা ধ্বংস হয়ে যায়। ৩. পরিবেশ দূষণের ফলে কী ধরনের রোগ হতে পারে? উত্তর : পরিবেশ দূষণের ফলে জন্ডিস, ডায়রিয়া, ক্যান্সার, হৃদরোগসহ নানা ধরনের রোগ হতে পারে। ৪. মানুষের কোন কোন অভ্যাসের ফলে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে? উত্তর : যেখানে সেখানে কফ-থুথু ফেলা, ময়লা আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে না ফেলা, অকারণে হর্ন বাজানো মানুষের এ ধরনের অভ্যাসের কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। পরিবেশ দূষণের ফলাফল লেখ। পানি মাটি বায়ু শব্দ উত্তর : পরিবেশ দূষণের ফলাফল নিচে লেখা হলো- পানি মাটি বায়ু শব্দ মাছ মরে যায় মাটির উর্বরতা নষ্ট হয় বাতাস দূষিত হয় মাথাব্যাথা হয় রোগজীবাণু ছড়ায় ফসল কম হয় ফুসফুসের রোগ হয় শুনতে সমস্যা হয় দুটি মাকড়শার জাল আঁক। পরিবেশের ভালো ও ক্ষতিকর প্রভাবগুলো লেখ। উত্তর : দুটি মাকড়শার জাল এঁকে পরিবেশের ভালো ও ক্ষতিকর প্রভাবগুলো দেখানো হলো- পরিবেশের ভালো প্রভাব পরিবেশের ক্ষতিকর প্রভাব > অল্প কথায় উত্তর দাও। আমরা পরিবেশের নানান আবর্জনা কীভাবে পরিষ্কার করতে পারি? উত্তর : পরিবেশের নানান আবর্জনা দূর করার জন্য আমরা সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারি। সবাই সবার বাড়ি ও বিদ্যালয়ের আঙিনা ও সামনের রাস্তা পরিষ্কার করতে পারি। এভাবে সবাই নিজ নিজ এলাকার আবর্জনা পরিষ্কার করতে পারি। অধ্যায় ৭ পরিচ্ছেদ ৩ দূষণরোধ ও পরিবেশ সংরক্ষণ শিক্ষকের সাথে আলোচনা কর, নিচের পরিবেশগুলোর দূষণ রোধ করতে হলে আমরা কী কী করতে পারি : > বিদ্যালয়ে > নিজ এলাকায় > বাড়িতে উত্তর : নিচের পরিবেশগুলোর দূষণ রোধ করতে আমরা যা যা করতে পারি, তা হলো- > বিদ্যালয়ে- বিদ্যালয়ের মাঠ পরিষ্কার রাখব। যেখানে সেখানে থুথু, কফ ফেলা এবং মলমূত্র ত্যাগ করব না। > নিজ এলাকায়- সবাই মিলে নিজ এলাকার রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ও খেলার মাঠ পরিষ্কার রাখব। > বাড়িতে- বাড়িতে বা আঙিনায় যেখানে-সেখানে থুথু, কফ ফেলব না। ময়লা-আবর্জনা সব সময় নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলার চেষ্টা করব। ছোট দলে ভাগ হয়ে বিদ্যালয়কে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কিছু নিয়ম লেখ। তোমার লেখাটি নানান ছবি এঁকে সাজাও। উত্তর : বিদ্যালয়কে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কিছু নিয়ম লেখা হলো- ১. যেখানে-সেখানে থুথু, কফ ও মলমূত্র ত্যাগ করা যাবে না। ২. সবাইকে শ্রেণিকক্ষ পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ৩. বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও খেলার মাঠ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ৪. ডাস্টবিন বা নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা-আবর্জনা ফেলতে হবে। ৫. বিদ্যালয়ের দেয়ালে লেখা ও অহেতুক পোস্টার লাগাব না। তোমার বিদ্যালয় ও তার আশেপাশের পরিবেশকে পরিষ্কার করার জন্য একটি দিন বেছে নাও। কী কী করা দরকার তার একটি পরিকল্পনা কর। পরিষ্কার করার জন্য আলাদা পোশাক পরে নাও এবং একটি বোর্ডে লিখে দিতে পার যে শিক্ষার্থীরা কাজ করছে, এতে অন্যরা সচেতন হবে। ছবি তুলে রাখ যেন পরে তা রেকর্ড হিসেবে ব্যবহার করা যায়। উত্তর : শ্রেণিশিক্ষকের সহায়তায় সহপাঠীরা মিলে নিজে কর। >> বাম পাশের কথাগুলোর সাথে ডান পাশের কথাগুলোর মিল কর। সুস্থ পরিবেশ কৃষি জমির কীটনাশক বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে বাড়ি বা বিদ্যালয়ের আশেপাশে আবর্জনা বা অপরিষ্কার ডোবা থাকলে পুকুর, নদী, খাল বা অন্যান্য জায়গায় ময়লা নদী, পুকুর বা জলাশয়ে পড়ে। আবর্জনা ফেলব না। মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জীবন সুন্দর করে। মশা মাছি হয়। উত্তর : ১. সুস্থ পরিবেশ মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জীবন সুন্দর করে। ২. কৃষি জমির কীটনাশক বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে নদী, পুকুর বা জলাশয়ে পড়ে। ৩. বাড়ি বা বিদ্যালয়ের আশেপাশে আবর্জনা বা অপরিষ্কার ডোবা থাকলে মশা মাছি হয়। ৪. পুকুর, নদী, খাল বা অন্যান্য জায়গায় ময়লা আবর্জনা ফেলব না। তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৭  অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> বাম অংশের সাথে ডান অংশের মিলকরণ ক) মানুষ নানাভাবে খ) যানবাহন ও কল-কারখানা থেকে গ) মশা-মাছি নানা ঘ) মাটি দূষণের ফলে কালো ধোঁয়া বের হয়। জমিতে ফসল কম হয়। পরিবেশ দূষণ করে। রোগ জীবাণু ছড়ায়। মানুষ মারা যায়। উত্তর : ক) মানুষ নানাভাবে পরিবেশ দূষণ করে। খ) যানবাহন ও কল-কারখানা থেকে কালো ধোঁয়া বের হয়। গ) মশা-মাছি নানা রোগজীবাণু ছড়ায়। ঘ) মাটি দূষণের ফলে জমিতে ফসল কম হয়। >> শুদ্ধ/অশুদ্ধ নির্ণয় ক) মাটি,

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ৭ পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ ও সংরক্ষণ Read More »

Scroll to Top