Uncategorized

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা ২য় ভাব-সম্প্রসারণ

ভাব-সম্প্রসারণ কবি-সাহিত্যিকদের লেখায় কখনো কোনো একটি বাক্যে বা কবিতার এক বা একাধিক চরণে গভীর কোনো ভাব নিহিত থাকে। সেই ভাবকে বিস্তারিতভাবে লেখা, বিশ্লেষণ করাকে ভাবস¤প্রসারণ বলে। যে ভাবটি কবিতার চরণে বা বাক্যে প্রচ্ছন্নভাবে থাকে, তাকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করতে হয়। সাধারণত সমাজ বা মানবজীবনের মহৎ কোনো আদর্শ বা বৈশিষ্ট্য, নীতি-নৈতিকতা, প্রেরণামূলক কোনো বিষয় যে পাঠে বা বাক্যে বা চরণে থাকে, তার ভাবস¤প্রসারণ করা হয়। ভাবস¤প্রসারণের ক্ষেত্রে রূপকের আড়ালে বা প্রতীকের ভেতর দিয়ে যে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়, তাকে যুক্তি, উপমা, উদাহরণ ইত্যাদি সাহায্যে বিশ্লেষণ করতে হয়। ভাবস¤প্রসারণ করার ক্ষেত্রে যেসব দিক বিশেষভাবে খেয়াল রাখা প্রয়োজন : ১. উদ্ধৃত অংশটুকু মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। ২. অন্তর্নিহিত ভাবটি বোঝার চেষ্টা করতে হবে। ৩. অন্তর্নিহিত ভাবটি কোনো উপমা-রূপকের আড়ালে নিহিত আছে কি না, তা চিন্তা করতে হবে। ৪. সহজ-সরলভাবে মূল ভাবটিকে ফুটিয়ে তুলতে হবে। ৫. মূল বক্তব্যকে প্রকাশরূপ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনে যুক্তি উপস্থাপন করতে হবে। ৬. বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। [পাঠ্য বই থেকে] চরিত্র মানবজীবনের অমূল্য সম্পদ। ভাবস¤প্রসারণ : চরিত্র মানবজীবনের মুকুটস্বরূপ। চরিত্রবান ব্যক্তিকে সবাই শ্রদ্ধা করে; চিরত্রহীনকে সকলে ঘৃণা করে। চরিত্রহীন ব্যক্তির মানুষ হিসেবে কোনো মূল্য নেই। চারিত্রিক গুণাবলির মধ্য দিয়ে মানুষের জীবনের মহিমা প্রকাশ পায়। চরিত্রবান ব্যক্তি কতগুলো গুণের অধিকারী হন। সততা, বিনয়, উদারতা, নম্রতা, ভদ্রতা, রুচিশীলতা, ন্যায়পরায়ণতা, সত্যবাদীতা, লোভহীনতা, পরোপকারীতা ইত্যাদি গুণ চরিত্রবান ব্যক্তিকে মহত্ত¡ দান করে। এসব গুণ যদি মানুষের মধ্যে না থাকে, তাহলে সে পশুরও অধম বলে বিবেচিত হয়। চরিত্রহীন ব্যক্তির মানুষ হিসেবে কোনো মূল্য নেই। চরিত্রবান ব্যক্তি তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের গুণে সমাজে ও জীবনে শ্রদ্ধাভাজন ও সমাদৃত হন। অন্যদিকে চরিত্রহীন ব্যক্তিকে কেউ ভালোবাসার দৃষ্টিতে দেখে না, বরং ঘৃণা করে। চরিত্রবান ব্যক্তি জাগতিক মায়া-মোহ-লোভ-লালসার বন্ধনকে ছিন্ন করে লাভ করেন অপরিসীম শ্রদ্ধা ও অফুরন্ত সম্মান। অর্থ-বিত্ত-গাড়ি-বাড়ি প্রভৃতির চেয়ে চরিত্র অনেক বড় সম্পদ। আর এ মর্যাদা অর্থ-মূল্যে নয়, মানবিকতা ও নৈতিক পবিত্রতার মানদণ্ডে বিচার করতে হয়। সকলেরই উচিত চরিত্রবান হওয়ার সাধনা করা। পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি ভাবস¤প্রসারণ : সৌভাগ্য নিয়ে পৃথিবীতে কোনো মানুষের জন্ম হয় না। কর্মের মাধ্যমে মানুষ তার ভাগ্য গড়ে তোলে। পরিশ্রমই সৌভাগ্য বয়ে আনে। উদ্যম, চেষ্টা ও শ্রমের সমষ্টিই সৌভাগ্য। যিনি জন্ম দান করেন তিনি প্রসূতি। মা যেমন সন্তানের প্রসূতি, তেমনি পরিশ্রম হলো সৌভাগ্যের প্রসূতি বা উৎস। মানুষকে তার কর্মফল ভোগ করতে হয়। ভালো কাজের ফল ভালো, মন্দ কাজের ফল মন্দ। কোনো কাজই আবার সহজ নয়। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কঠিন কাজও সহজ হয়। জীবনে উন্নতি করতে হলে পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। পরিশ্রম ছাড়া কেউ কখনো তার ভাগ্যকে গড়ে তুলতে পারেনি। জীবনে অর্থ, বিদ্যা, যশ, প্রতিপত্তি লাভ করতে হলে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে। ছাত্রজীবনে কঠোর পরিশ্রম করে শিক্ষালাভ না করলে ভবিষ্যত জীবনে সাফল্য লাভ সম্ভব নয়। পরিশ্রম ছাড়া জাতীয় উন্নতিও লাভ করা যায় না। শ্রমই হলো উন্নতির চাবিকাঠি। যে জাতি পৃথিবীতে যত বেশি পরিশ্রমী, সে জাতি তত উন্নত। ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত পরিশ্রমের মধ্য দিয়েই জাতির সৌভাগ্য অর্জন করা যায়। শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড ভাবস¤প্রসারণ : শিক্ষাই আলো, নিক্ষরতা অন্ধকার। শিক্ষা মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটায়, মানুষের অন্তরের প্রতিভাকে জাগিয়ে তোলে। শিক্ষাহীন মানুষ আর অন্ধের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। যে জাতি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত সে জাতি পঙ্গুত্ব নিয়ে বেঁচে থাকে। জীবন ছাড়া শরীর মূল্যহীন, শিক্ষা ছাড়া জীবনের কোনো মূল্য নেই। নিরক্ষর জনগোষ্ঠী জাতির জন্য বোঝাস্বরূপ। মাঝিহীন নৌকা চলতে পারেনা, মেরুদণ্ডহীন মানুষ ও সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, তেমনি শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি সফল হয় না। যে দেশের লোক যত বেশি শিক্ষিত, সে দেশ তত বেশি উন্নত। জাতীয় জীবনে উন্নতি ও প্রতিষ্ঠা নির্ভর করে শিক্ষার ওপর। মানুষের পূর্ণ বিকাশের জন্যই শিক্ষা প্রয়োজন। শিক্ষা শুধু ব্যক্তিজীবনে উন্নতি বয়ে আনে না সমাজ জাতি ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সব রকম উন্নতিও সাধন করে। পৃথিবীর প্রতিটি দেশ আজ তাই নিরক্ষরতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। উন্নতির একমাত্র চাবিকাঠি শিক্ষা। শিক্ষা ব্যক্তিজীবন ও জাতির ভবিষ্যৎ কল্যাণ বয়ে আনে। জাতিকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা একান্ত জরুরি। ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় ভাবস¤প্রসারণ : জীবন কর্মময়। কর্মশক্তির মূলে রয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা আর প্রবল আগ্রহ। আগ্রহের সঙ্গে নিষ্ঠা যুক্ত থাকলে অসাধ্যকেও সাধ্য করা যায়। মানুষকে সব বাধা অতিক্রম করতে সাহায্য করে তার ইচ্ছাশক্তি। প্রতিদিনই আমাদের কোনো না কোনো কাজ করতে হয়। পৃথিবীতে কোনো কাজই বিনা বাধায় করা যায় না। সব কাজেই কিছু না কিছু সুবিধা-অসুবিধা ও বাধা-বিপত্তি থাকে। সেই অসুবিধা ও বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করতে পারলেই সাফল্য আসে। এজন্য প্রয়োজন প্রবল ইচ্ছা। ইচ্ছা থাকলে কোনো কাজ আটকে থাকে না। ইচ্ছাই সকল কর্মের প্রেরণা। ইচ্ছাই মানুষকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। দৃঢ় ইচ্ছার কাছে সকল বাধা হার মানে। প্রবল ইচ্ছা নিয়ে কোনো কাজ করলে অতি কঠিন কাজও শেষ করা যায়। পৃথিবীর মহান ব্যক্তিরা এভাবেই সব ধরনের বিপত্তি অতিক্রম করে লক্ষ্যে পৌঁছেছেন। সম্রাট নেপোলিয়ান তাঁর সেনাবাহিনীসহ আল্পস পর্বতের কাছে গিয়ে অসীম উৎসাহে বলে ওঠেন : ‘আমার বিজয় অভিযানের মুখে আল্পস পর্বত থাকবে না।’ আত্মশক্তি ও ইচ্ছাশক্তির বলে তিনি আল্পস পার হতে পেরেছিলেন। মানুষের সকল কাজের মূল হলো ইচ্ছাশক্তি। ইচ্ছাই মানুষকে সাফল্যের দ্বারে পৌঁছে দেয়। আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে, সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে। ভাবস¤প্রসারণ : মানুষ সামাজিক জীব। সমাজে পরস্পর সহযোগিতার মাধ্যমে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। সমাজবিচ্ছিন্ন মানুষের জীবন অর্থহীন। কারণ, সমাজে প্রতিটি মানুষ একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। যে ব্যক্তি কেবল নিজের কথা ভাবে, সমাজের কথা ভাবে না, সে স্বার্থপর ও আত্মকেন্দ্রিক। সমাজবিচ্ছিন্ন মানুষ কখনোই সুখী হয় না। যারা নিজের কথা না ভেবে সমাজের মঙ্গল ও কল্যাণের জন্য নিজেদের জীবন বিলিয়ে দেয় তারাই প্রকৃত মানুষ। অন্যের সুখের জন্য যারা ত্যাগ স্বীকার করে, তাদের মতো সুখী আর কেউ নেই। সমাজে এ রকম মানুষেরাই চিরস্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে আছেন। একে অন্যের সাহায্যে এগিয়ে আসাই প্রকৃত মানবধর্ম। আজকের এই সভ্যতা গড়ে ওঠার পেছনে কাজ করেছে মানুষের শুভবুদ্ধি ও অন্যের কল্যাণ করার ইচ্ছা। ত্যাগের মাঝেই জীবনের সার্থকতা নিহিত, ভোগের মাঝে নয়। নানান দেশের নানান ভাষা বিনা স্বদেশী ভাষা মিটে কি আশা? ভাবস¤প্রসারণ : মাতৃভাষার চেয়ে মধুর ভাষা পৃথিবীতে আর নেই। মায়ের ভাষায় যত সহজে ও সাবলীলভাবে মনের ভাব প্রকাশ করা যায়, অন্য ভাষায় তা সম্ভব নয়। প্রতিটি মানুষই মাতৃভাষায় কথা বলতে আনন্দবোধ করে। স্বদেশি ভাষা ছাড়া অন্য ভাষায় কথা বলে মনের পিপাসা ততটা মেটে না। জীবনের প্রয়োজনে মানুষকে বিদেশি ভাষা শিখতে হয়। কিন্তু বিদেশি ভাষায় মনের সকল ভাব প্রকাশ করা অসম্ভব। মনের তৃষ্ণা মেটানোর জন্য তাকে বারবার মাতৃভাষার কাছে ফিরে আসতে হয়। মানুষ তার মাতৃভাষায় চিন্তা করে, স্বপ্ন দেখে। অন্য ভাষা যতই মর্যাদাশীল হোক না কেন, মাতৃভাষার সঙ্গে তার কিছুতেই তুলনা চলে না। বাংলা ভাষার শক্তিমান কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম জীবনে ইংরেজি ভাষায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেছিলেন। কিন্তু

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা ২য় ভাব-সম্প্রসারণ Read More »

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা ২য় সারাংশ ও সারমর্ম

সারাংশ ও সারমর্ম কোনো পদ্য বা গদ্যের মূলভাব বা বক্তব্যকে সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করার নামই সারমর্ম বা সারাংশ। সাধারণত পদ্যের ভাব সংক্ষেপে প্রকাশকে সারমর্ম এবং গদ্যের বক্তব্য সংক্ষেপে প্রকাশ করাকে সারাংশ বলে। সারমর্ম বা সারাংশ লেখার সময় : ১. যে পাঠটুকুর সারমর্ম বা সারাংশ রচনা করতে হবে, সেটুকু মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। ২. বাড়তি বিষয় বর্জন করতে হবে। কখনো কোনো পাঠের মূল ভাব উপমা রূপকের আড়ালে থাকতে পারে, তা বুঝে মূল ভাব লিখতে হবে। ৩. সারাংশ বা সারমর্মে উপমা, রূপক-এসব বাদ দিয়ে লিখতে হবে। ৪. প্রত্যক্ষ উক্তি বর্জন করে পরোক্ষ উক্তিতে লিখতে হবে। ৫. মূল অংশে উদ্ধৃতি থাকলে প্রয়োজনে সেই উদ্ধৃতির ভাবটুকু উদ্ধৃতি ছাড়া লিখতে হবে।  সারাংশ [ পাঠ্য বই থেকে ] ১. ভাত বাঙালির বহুকালের প্রিয় খাদ্য। সরু সাদা চালের গরম ভাতের কদর সব চাইতে বেশি ছিল বলে মনে হয়। পুরোনো সাহিত্যে ভালো খাবারের নমুনা হিসেবে যে তালিকা দেওয়া হয়েছে, তা হলো কলার পাতায় গরম ভাত, গাওয়া ঘি, নালিতা শাক, মৌরলা মাছ আর খানিকটা দুধ। লাউ, বেগুন ইত্যাদি তরকারি প্রচুর খেত সেকালের বাঙালিরা, কিন্তু ডাল তখনো বোধহয় খেতে শুরু করেনি। মাছ তো প্রিয় বস্তুই ছিল। বিশেষ করে ইলিশ মাছ। শুঁটকির চল সেকালেও ছিল বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলে। ছাগলের মাংস সবাই খেত। হরিণের মাংস বিয়ে বাড়িতে বা এরকম উৎসবে দেখা যেত। পাখির মাংসও তাই। সমাজের কিছু লোক শামুক খেত। ক্ষির, দই, পায়েস, ছানা- এসব ছিল বাঙালির নিত্যপ্রিয়। আম-কাঁঠাল, তাল-নারকেল ছিল প্রিয় ফল। খুব চল ছিল নাড়–, পিঠেপুলি, বাতাসা, কদমা- এসবের। মসলা দেওয়া পান খেতে সকলে ভালোবাসত। সারাংশ : বাঙালি জাতির জীবনযাত্রার পরিচয়ের মধ্যে খাদ্যাভ্যাস অন্যতম। প্রাচীনকাল থেকে এ দেশের মানুষ বিচিত্র ধরনের সাধারণ খাবার খেত। উৎসব বা বিয়েতে হরিণের মাংস পরিবেশন করা হতো। সমাজের সকল স্তরের ও অঞ্চলের খাদ্যাভ্যাস প্রায় একই ধরনের ছিল। ২. মা-মরা মেয়ে মিনু। বাবা জন্মের আগেই মারা গেছে। সে মানুষ হচ্ছে এক দূরসম্পর্কের পিসিমার বাড়িতে। বয়স মাত্র দশ, কিন্তু এ বয়সেই সব রকম কাজ করতে পারে সে। লোকে অবশ্য বলে যোগেন বসাক মহৎ লোক বলেই অনাথা বোবা মেয়েটাকে আশ্রয় দিয়েছেন। মহৎ হয়ে সুবিধাই হয়েছে যোগেন বসাকের। পেটভাতায় এমন সর্বগুণান্বিতা চব্বিশ ঘণ্টার চাকরানি পাওয়া শক্ত হতো তাঁর পক্ষে। বোবা হওয়াতে আরও সুবিধা হয়েছে, নীরবে কাজ করে। মিনু শুধু বোবা নয়, কালাও। অনেক চেঁচিয়ে বললে, তবে শুনতে পায়। সব কথা শোনার দরকার হয় না তার। ঠোঁটনাড়া আর মুখের ভাব দেখে সব বুঝতে পারে। এছাড়া তার আর একটা ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় আছে যার সাহায্যে সে এমন সব জিনিস বুঝতে পারে, এমন সব জিনিস মনে মনে সৃষ্টি করে, সাধারণ বুদ্ধিতে যার মানে হয় না। মিনুর জগৎ চোখের জগৎ, দৃষ্টির ভেতর দিয়েই সৃষ্টিকে গ্রহণ করেছে সে। সারাংশ : আমাদের সমাজ বিচিত্র মানুষের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। কেউ সর্বাঙ্গ সুস্থ, কেউ- বা সম্পূর্ণভাবে সুস্থ নয়। বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী হয়ে ছোট্ট একটি মেয়ে জীবনকে তুচ্ছ মনে না করে কর্মের মধ্যে দিয়ে নিজের জগৎ সৃষ্টি করে নিয়েছে। ৩. আগেকার দিনে লোকে ভাবত, আকাশটা বুঝি পৃথিবীর ওপর একটা কিছু কঠিন ঢাকনা। কখনো তারা ভাবত, আকাশটা পরতে পরতে ভাগ করা। আজ আমরা জানি, আকাশের নীল চাঁদোয়াটা সত্যি সত্যি কঠিন কোনো জিনিসের তৈরি নয়। আসলে এ নিতান্তই গ্যাস-ভরতি আঁকা জায়গা। হরহামেশা আমরা যে আকাশ দেখি তা হলো আসলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ঢাকনা। সেই বায়ুমণ্ডলে রয়েছে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড এমনি গোটা কুড়ি বর্ণহীন গ্যাসের মিশেল। আর আছে পানির বাষ্প আর ধুলোর কণা। সারাংশ : আকাশকে একসময় মানুষের মাথার ওপর ঢাকনা মনে করা হতো। আসলে তা ঢাকনা নয়। তা হচ্ছে বায়ুর বিপুল স্তর। এখানে প্রায় বিশটি বর্ণহীন গ্যাস ও পানির বাষ্প আর ধুলোর কণা মিশে আছে। ৪. আগেকার দিনে আমাদের উপরকার আকাশ নিয়ে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেন শূন্যে বেলুন পাঠিয়ে বা যন্ত্রপাতিসুদ্ধ রকেট পাঠিয়ে। আজ মানুষ নিজেই মহাকাশযানে চেপে সফর করছে পৃথিবীর উপরে বহু দূর পর্যন্ত। পৃথিবী ছাড়িয়ে যেতে পেরেছে চাঁদে। পৃথিবীর উপর দেড়শ দু’শ মাইল বা তারো অনেক বেশি উপর দিয়ে ঘুরছে অসংখ্য মহাকাশযান। যেখান দিয়ে ঘুরছে সেখানে হাওয়া নেই বললেই চলে। মহাকাশযান থেকে দিনরাত তোলা হচ্ছে পৃথিবীর ছবি। জানা যাচ্ছে কোথায় কখন আবহাওয়া কেমন হবে, কোন দেশে কেমন ফসল হচ্ছে। মহাকাশযান থেকে ঠিকরে দেওয়া হচ্ছে টেলিফোন আর টেলিভিশনের সংকেত। দূরদেশের সঙ্গে যোগাযোগ আজ অনেক সহজ হয়ে উঠেছে। সারাংশ : বর্তমানে বেলুনের পরিবর্তে মহাকাশযান পাঠিয়ে আকাশে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আর তার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ব্যবস্থা বিস্তৃত হয়েছে। টেলিভিশন, ফোন, সেলফোন, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে সংকেত। [ অতিরিক্ত অংশ ] ৫. সাজসজ্জার দিকে বেশ ঝোঁক ছিল প্রাচীন বাঙালির। চুলের বাহার ছিল দেখবার মতো। না হয় মাথার উপরে চুড়ো করে বাঁধত চুল। এখন মেয়েরা যেমন ফিতে বাঁধে চুলে, তখন শৌখিন পুরুষেরা অনেকটা তেমনি করে কোঁকড়া চুল কপালের উপর বেঁধে রাখত। মেয়েরা নিচু করে ‘খোঁপা’ বাঁধতÑ নয়তো উঁচু করে বাঁধত ‘ঘোড়াচূড়’। কপালে টিপ দিত, পায়ে আলতা, চোখে কাজল আর খোঁপায় ফুল। নানারকম প্রসাধনীও ব্যবহার করত তারা। মেয়েরা তো বটেই, ছেলেরাও সে যুগে অলংকার ব্যবহার করত। সোনার অলংকার পরতে পেত শুধু বড়লোকেরা। তাদের বাড়ির ছেলেরা সুবর্নকুণ্ডল পরত, মেয়েরা কানে দিত সোনার ‘তারঙ্গ’। হাতে, বাহুতে, গলায়, মাথায় সর্বত্রই সোনামণিমুক্তো শোভা পেত তাদের মেয়েদের। সাধারণ পরিবারের মেয়েরা হাতে পরত শাঁখা, কানে কচি কলাপাতার মাকড়ি, গলায় ফুলের মালা। সারাংশ : প্রাচীন বাঙালির সাজসজ্জার প্রতি বেশ নজর ছিল। অলংকার ব্যবহারে ছেলেমেয়ে উভয়েরই প্রাধান্য ছিল। তবে এক্ষেত্রে বড়লোকের ছেলেমেয়েরা সোনার অলংকার পরত, কিন্তু সাধারণ পরিবারের মেয়েরা শাঁখা কলাপাতার মাকড়ি ও গলায় ফুলের মালা পরত। শৌখিন নারী-পুরুষদের মধ্যে কেশ-বিন্যাসেও নানা বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যেত। ৬. আকাশ যদি বর্ণহীন গ্যাসের মিশেল, তবে তা নীল দেখায় কেন? মাঝে মাঝে সাদা আর লাল রঙের খেলাই-বা দেখি কী করে? আসলে সাদা মেঘে রয়েছে জলীয়বাষ্প জমে তৈরি অতি ছোট ছোট অসংখ্য পানির কণা। কখনো মেঘে এসব কণার গায়ে বাষ্প জমার ফলে ভারি হয়ে বড় পানির কণা তৈরি হয়। তখন সূর্যের আলো তার ভেতর দিয়ে আসতে পারে না, আর তাই সে মেঘের রঙ হয় কালো। কিন্তু সারাটা আকাশ সচরাচর নীল রঙের হয় কী করে। আকাশ নীল দেখায় বায়ুমণ্ডলে নানা গ্যাসের অণু ছড়িয়ে আছে বলে। এইসব গ্যাসের কণা খুব ছোট মাপের আলোর ঢেউ সহজে ঠিকরে ছিটিয়ে দিতে পারে। এই ছোট মাপের আলোর ঢেউগুলোইই আমরা দেখি নীল রঙ হিসেবে। অর্থাৎ পৃথিবীর উপর হাওয়ার স্তর আছে বলেই পৃথিবীতে আকাশকে নীল দেখায়। সারাংশ : আকাশের সাদা মেঘে জলীয়বাষ্প জমে অসংখ্য পানির কণা তৈরি করে। মেঘে বাষ্প জমার ফলে ভারী হয়ে বড় পানির কণা তৈরি করে। তখন সূর্যের আলো তা ভেদ করে আসতে পারে না। মেঘের রঙ কালো দেখায়। বায়ুমণ্ডলে অসংখ্য গ্যাসের অণু থাকায় আকাশ নীল দেখায়। ৭. একজন মানুষ ভালো কি মন্দ আমরা তা বুঝতে পারি তার ব্যবহার

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা ২য় সারাংশ ও সারমর্ম Read More »

ষষ্ঠ শ্রেণির ইসলাম কুরআন ও হাদিস শিক্ষা

তৃতীয় অধ্যায় কুরআন ও হাদিস শিক্ষা ভ‚মিকা মানবজাতির হিদায়াতের জন্য আমাদের নবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর ওপর পবিত্র কুরআন নাযিল করা হয়। এটি মহান আল্লাহর বাণী। আজ পর্যন্ত অবিকৃত রয়েছে। কেউ এর একটি নুকতা, অক্ষর, শব্দ বা হরকতও পরিবর্তন করতে পারেনি। আর ভবিষ্যতেও পারবে না। কেননা, এর সংরক্ষক স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা। আর মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর বাণী, কর্ম ও সম্মতিকে বলা হয় হাদিস। হাদিস ইসলামি জীবনব্যবস্থার দ্বিতীয় উৎস। হাদিস হলো কুরআনের ব্যাখ্যাস্বরূপ। বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর  বিষয়ক্রম অনুযায়ী বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ন্ধ পাঠ-১ : আল কুরআনের পরিচয় সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১. কুরআন মজিদ কার বাণী? (জ্ঞান)  আল্লাহ তায়ালার খ মহানবি (স.)-এর গ আদম (আ.)-এর ঘ ইবরাহিম (আ.)-এর ২. ইসলামের প্রধান দুটি উৎস হলো- ক কুরআন, ইজমা খ হাদিস, কিয়াস  কুরআন, হাদিস ঘ কুরআন, কিয়াস ৩. সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব কোনটি? (জ্ঞান) ক তাওরাত খ যাবুর গ ইনজিল  কুরআন ৪. ছোট আসমানি কিতাব কতখানা?  ১০০ খ ১০১ গ ১০২ ঘ ১০৩ ৫. বড় আসমানি কিতাব কতখানা? (জ্ঞান) ক ৩  ৪ গ ৫ ঘ ৬ ৬. কুরআন মজিদের ভাষা কী? (জ্ঞান) ক ফার্সি  আরবি গ উর্দু ঘ ইংরেজি ৭. সর্বশেষ আসমানি কিতাব কোনটি? (জ্ঞান) ক তাওরাত  কুরআন গ ইনজিল ঘ যাবুর ৮. মহানবি (স.)-এর ওপর কত বছর ধরে কুরআন নাযিল হয়? (জ্ঞান) ক ২০  ২৩ গ ২৫ ঘ ৪০ ৯. মহানবি (স.) কত বছর বয়সে নবুয়তপ্রাপ্ত হন? (জ্ঞান) ক ২৩ খ ২৫  ৪০ ঘ ৬৩ ১০. কার মাধ্যমে কুরআন অবতীর্ণ হয়? [খুলনা জিলা স্কুল ক হযরত আজরাইল (আ.)  হযরত জিবরাইল (আ.) গ হযরত মিকাইল (আ.) ঘ হযরত ইসরাফিল (আ.) ১১. কুরআন নাযিল হয় কীভাবে? (অনুধাবন) ক কিতাব আকারে খ অর্ধেক করে  প্রয়োজন অনুসারে ঘ এক সাথে ১২. কুরআন মজিদ নাযিল হয় কেন? (অনুধাবন) ক মানুষের শিক্ষার জন্য খ হাফেজ হওয়ার জন্য গ ব্যবসা করার জন্য  মানব জাতির হিদায়াতের জন্য ১৩. মহানবি (স.) ধ্যানমগ্ন থাকতেন কেন? (অনুধাবন) ক ঘুম না হওয়ার জন্য খ মনের কষ্টে গ অত্যাচারিত হয়ে  মানুষের দুঃখ দূর করতে ১৪. আরবে কলহ-বিবাদ লেগে থাকত কেন?  অজ্ঞতার কারণে খ টাকা-পয়সার কারণে গ হিংসার কারণে ঘ অহংকারের কারণে ১৫. বাসির আল্লাহ তায়ালার পরিচয়, তাঁর গুণাবলি, ইমান ও ইসলামের সকল বিষয় সম্পর্কে জানতে আগ্রহী। এজন্য তার করণীয় কী? (উচ্চতর দক্ষতা) ক ফিক্হ শাস্ত্র অধ্যয়ন খ সাহিত্য অধ্যয়ন গ দর্শন শাস্ত্র অধ্যয়ন  আল-কুরআন অধ্যয়ন ১৬. কুরআন মজিদ লিপিবদ্ধ রয়েছে? (জ্ঞান)  লাওহে মাহফুজে খ ১ম আসমানে গ বাইতুল্লাহ শরিফে ঘ ৭ম আসমানে ১৭. সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী হিসেবে মহান আল্লাহ কোন গ্রন্থ নাযিল করেছেন? (অনুধাবন)  আল-কুরআন খ তাওরাত গ ইনজীল ঘ যাবুর ১৮. শিক্ষক বললেন, মানবজাতির হিদায়াতের জন্য আল্লাহ তা‘য়ালা শেষ নবি হযরত মুহাম্মদ (স.) এর ওপর একটি কিতাব নাযিল করেন। এখানে শিক্ষক কোন কিতাবের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন? (প্রয়োগ) ক তাওরাত খ যাবুর গ ইনজিল  কুরআন বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১৯. কুরআন মজিদের ভাব ও ভাষা- [যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ] র. অনন্য রর. অপূর্ব ররর. প্রাচীন নিচের কোনটি সঠিক?  র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর ২০. বড় কয়েকটি আসমানি গ্রন্থের নাম হলো (অনুধাবন) র. কুরআন রর. বুখারি ররর. ইনজিল নিচের কোনটি সঠিক? ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর ২১. হযরত মুহাম্মদ (স.) নবুয়ত লাভের আগে হেরা গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। তিনি বুঝতে পারলেন যে, আল্লাহর সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য (উচ্চতর দক্ষতা) র. আরও বেশি ধ্যানমগ্ন থাকতে হবে রর. বাহ্যিক কাজ কর্ম ত্যাগ করতে হবে ররর. এটাই অন্যতম মাধ্যম নিচের কোনটি সঠিক? ক র ও রর খ রর ও ররর  র ও ররর ঘ র, রর ও ররর ২২. মুজিযা অর্থ- [মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা] র. অলৌকিক বস্তু বা ঘটনা রর. নবি-রাসুলগণের দ্বারা প্রকাশিত ঘটনা ররর. সাহাবায়ে কেরামদের দ্বারা প্রকাশিত ঘটনা নিচের কোনটি সঠিক?  র ও রর খ রর ও ররর গ র ও ররর ঘ র, রর ও ররর অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ২৩ ও ২৪ নং প্রশ্নের উত্তর দাও : জাকারিয়া প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এমন একটি গ্রন্থ তিলাওয়াত করে যার ভাব, ভাষা ও গুণাবলি অতুলনীয়। ২৩. জাকারিয়া কোন গ্রন্থ তিলাওয়াত করে?  কুরআন খ হাদিস গ ইজমা ঘ কিয়াস ২৪. উক্ত গ্রন্থ তিলাওয়াতের ফলে জাকারিয়া- র. আল­াহর পরিচয় সম্পর্কে জানতে পারবে রর. সৃষ্টি জগৎ সম্পর্কে জানতে পারবে ররর. নিজের দেশ সম্পর্কে জানতে পারবে নিচের কোনটি সঠিক?  র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর ন্ধ পাঠ-২ : কুরআন তিলাওয়াত সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ২৫. পবিত্র কুরআন কোন ভাষায় নাযিল হয়েছে? (জ্ঞান) ক বাংলা খ হিন্দি  আরবি ঘ ইংরেজি ২৬. নফল ইবাদতের মধ্যে সর্বোত্তম ইবাদত কোনটি? (জ্ঞান) ক হাদিস তিলাওয়াত  কুরআন তিলাওয়াত গ আরবি তিলাওয়াত ঘ বাংলা তিলাওয়াত ২৭. তিলাওয়াত কী শব্দ? (জ্ঞান)  আরবি খ ফারসি গ উর্দু ঘ ইংরেজি ২৮. কুরআন তিলাওয়াত করা কোন ইবাদতের মধ্যে সর্বোত্তম? (জ্ঞান) ক ফরয খ ওয়াজিব গ সুন্নত  নফল ২৯. কুরআন শব্দটির মূল অর্থ কী? [যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ] ক আবৃত্তি করা  পঠিত গ পড়া ঘ পাঠ করা ৩০. কোন কিতাব আরবি ভাষায় নাযিল হয়েছে? (জ্ঞান)  কুরআন খ ইনজিল গ তাওরাত ঘ যাবুর ৩১. কোন কিতাব বিশ্বে বেশি পাঠ করা হয়? (জ্ঞান) ক ইনজিল খ বাইবেল  কুরআন ঘ যাবুর ৩২. কুরআন তিলাওয়াত করলে কে খুশি হন? (জ্ঞান) ক রাসুল খ নবি  আল­াহ ঘ ফেরেশতা ৩৩. যে ঘরে কুরআন পড়া হয় সে ঘরে কী নাযিল হয়? (জ্ঞান) ক গযব  রহমত গ শস্য ঘ খাদ্য ৩৪. নাযিরা তিলাওয়াত বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)  দেখে দেখে পড়া খ মুখস্থ পড় গ না বুঝে পড়া ঘ দ্রুত পড়া ৩৫. কুরআনের প্রতিটি হরফ পাঠ করলে কী পরিমাণ নেকি হয়? (জ্ঞান)  দশ খ বিশ গ ত্রিশ ঘ চলি­শ ৩৬. মুসলমানগণ দৈনিক কতবার সালাতে কুরআন তিলাওয়াত করে? (জ্ঞান) ক দুই খ তিন  পাঁচ ঘ চার ৩৭. কুরআনকে ‘কুরআন’ বলা হয় কেন? [মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা] ক আল্লাহ এরূপ নামকরণ করেছেন বলে খ মহানবি (স.) এরূপ নামকরণ করেছেন বলে  বিশ্বের সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থ বলে ঘ সালাতে কুরআন তিলাওয়াত করা হয় বলে ৩৮. আমরা সবাই বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করব কেন? (অনুধাবন) ক আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালনের জন্য খ মহানবি (স.)-এর নির্দেশ পালনের জন্য গ মাতা-পিতার মাগফিরাতের জন্য  কুরআন তিলাওয়াত অত্যন্ত ফযিলতপূর্ণ কাজ এজন্য

ষষ্ঠ শ্রেণির ইসলাম কুরআন ও হাদিস শিক্ষা Read More »

ষষ্ঠ শ্রেণির ইসলাম আকাইদ

প্রথম অধ্যায় আকাইদ ভ‚মিকা আল্লাহ তা‘য়ালা এক ও অদ্বিতীয়। তিনি ব্যতীত ইবাদতের যোগ্য কেউ নেই। আল্লাহ তা’য়ালার প্রতি এরূপ বিশ্বাসই হলো তাওহিদ। আর ইসলামের মৌলিক বিষয়সমূহের প্রতি বিশ্বাসই ‘আকাইদ’। যেমন : আল্লাহ, নবি-রাসুল, ফেরেশতা, আসমানি কিতাব, আখিরাত, তকদির ইত্যাদির প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা। আর নৈতিকতা হলো নীতির অনুশীলন। আকাইদ ও নৈতিকতার সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। আকাইদ বা ইসলামি বিশ্বাসসমূহ মানুষকে নৈতিকতার শিক্ষা দেয়।   বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর  বিষয়ক্রম অনুযায়ী বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ন্ধ পাঠ-১ : তাওহিদ সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১. আকাইদ শব্দের একবচন কী? (জ্ঞান)  আকিদাহ খ উকদ গ আশদুন ঘ আকদুন ২. তাওহিদ শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞান) ক ইহকাল খ বার্তা  একত্ববাদ ঘ বিশ্বাস ৩. আল­াহ ‘হও’ বলার সাথে সাথে কী হয়ে যায়? [খুলনা জিলা স্কুল]  সবকিছু সৃষ্টি হয় খ সবকিছু ধ্বংস হয় গ সবকিছু চুপ হয়ে যায় ঘ বিশ্বাস দ্বিধায় পড়ে ৪. তাওহিদ কোন ভাষার শব্দ? (জ্ঞান) ক বাংলা  আরবি গ ইংরেজি ঘ ফারসি ৫. কে মূর্তিপূজা করত? (জ্ঞান) ক ফিরআউন খ বাদশাহ গ শয়তান  নমরূদ ৬. হযরত ইবরাহিম (আ.) কে ছিলেন? [কুমিল্লা জিলা স্কুল]  নবি খ বিজ্ঞানী গ সংস্কারক ঘ সাহাবি ৭. আমরা অনুসরণ করব কার? (জ্ঞান) ক মূর্তির খ ফেরেশতার  নবির ঘ জিনের ৮. লা-শরিক অর্থ কী? (জ্ঞান)  তাঁর শরিক নেই খ তাঁর ইচ্ছা নেই গ তাঁর ভয় নেই ঘ তাঁর মৃত্যু নেই ৯. হযরত ইবরাহিম (আ.)-এর পিতা কী ছিলেন? (জ্ঞান) ক সাহাবি খ রাজা  মন্দিরের পুরোহিত ঘ নবি ১০. তাওহিদ বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন) ক নবি-রাসুলগণের প্রতি বিশ্বাস  আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস গ আখিরাতে প্রতি বিশ্বাস ঘ ইসলামের মৌলিক বিষয়ে বিশ্বাস ১১. বিশ্বজগতের সবকিছুই আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন কেন? (অনুধাবন) ক ইবাদত পাওয়ার জন্য খ মানুষের ব্যবহারের জন্য  মানুষের কল্যাণের জন্য ঘ মানুষের ভোগের জন্য ১২. আল্লাহ তা‘য়ালা তাঁর সত্তা ও গুণাবলিতে এক ও অদ্বিতীয়। এ কথা দ্বারা কোনটি বোঝায়? [নোয়াখালি জিলা স্কুল] ক আকাইদ  তাওহিদ গ আখিরাত ঘ ইমান ১৩. ইমান ও ইসলামের মূলভিত্তি কী? (জ্ঞান)  তাওহিদ খ রিসালাত গ আখিরাত ঘ সংক্ষিপ্ত বিশ্বাস ১৪. তাওহিদে বিশ্বাসের ফলাফল কী? (উচ্চতর দক্ষতা)  কল্যাণ খ দুঃখ গ বিলাসিতা ঘ বিশ্বাস বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১৫. আল­াহর পরিচয় হলোÑ (অনুধাবন) র. তিনি চিরস্থায়ী রর. তিনি চিরঞ্জীব ররর. তিনি ক্ষণস্থায়ী নিচের কোনটি সঠিক?  র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর ১৬. তাওহিদে বিশ্বাস করা প্রয়োজন [যশোর জিলা স্কুল] র. তাওহিদে বিশ্বাস না করলে মুমিন হওয়া যায় না রর. তাওহিদে অবিশ্বাস কুফর ররর. বিশ্বাস করা নিচের কোনটি সঠিক?  র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১৭ ও ১৮ নং প্রশ্নের উত্তর দাও : ফুয়াদ ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। সে আল­াহকে মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে। সে আরও বিশ্বাস করে, আল­াহ এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। তিনি চাঁদ, সূর্য, নক্ষত্র, ফুল, ফল, নদী, পৃথিবী সবকিছুই সৃষ্টি করেছেন। ১৭. ফুয়াদের এরূপ বিশ্বাসে কীসের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে? (প্রয়োগ) ক রিসালতের খ ইবাদতের  তাওহিদের ঘ সালাতের ১৮. এরূপ বিশ্বাস ও কর্মকাণ্ডের ফলে সেÑ (উচ্চতর দক্ষতা) র. দুনিয়াতে কল্যাণ লাভ করবে রর. দুনিয়াতে ধন-সম্পদ লাভ করবে ররর. আখিরাতে জান্নাত লাভ করবে নিচের কোনটি সঠিক? ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর ন্ধ পাঠ-২ : কালিমা তায়্যিবা সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১৯. মক্কা নগরীতে ইসলাম প্রচার করেন কে? (জ্ঞান) ক হযরত ইবরাহিম (আ.)  হযরত মুহাম্মদ (স.) গ হযরত আদম (আ.) ঘ হযরত ঈসা (আ.) ২০. কোনটি ইমানের মূলভিত্তি? (অনুধাবন)  কালিমা তায়্যিবা খ হাদিস গ সূরা ঘ বিশ্বাস ২১. কালিমা তায়্যিবার কয়টি অংশ? (জ্ঞান)  ২ খ ৩ গ ৪ ঘ ৫ ২২. ইসলাম প্রচারের পূর্বে আরবের লোকেরা কী করত? (জ্ঞান) ক আল­াহর উপাসনা  মূর্তিপূজা গ গাছের পূজা ঘ সূর্যের পূজা ২৩. আমরা কাদের কাছ থেকে আল­াহ সম্পর্কে জানতে পারি? (জ্ঞান)  নবি ও রাসুল খ নক্ষত্র গ ফেরেশতা ঘ জিন ২৪. ইসলামে প্রবেশ করতে হলে একজন মানুষকে সর্বপ্রথম স্বীকার করতে হবে ক নামায খ রোযা  কালিমা তায়্যিবা ঘ যাকাত ২৫. আমরা কার ইবাদত করব? (জ্ঞান)  আল­াহর খ নবির গ রাসæলের ঘ বান্দার ২৬. আমাদের মনে-প্রাণে কী বিশ্বাস করা উচিত? (উচ্চতর দক্ষতা) ক বই-পুস্তক খ দর্শন  কালিমা ঘ বিজ্ঞান ২৭. তাওহিদে বিশ্বাস প্রয়োজন কেন? (অনুধাবন)  মুমিন হওয়ার জন্য খ ফল লাভের জন্য গ গভীর জ্ঞানের জন্য ঘ সম্পদ লাভের জন্য ২৮. কালিমা তায়্যিবার প্রথম অংশ দ্বারা কোনটি প্রকাশ পায়? (উচ্চতর দক্ষতা) ক রিসালাত  তাওহিদ গ আখিরাত ঘ ইবাদত ২৯. কালিমা তায়্যিবার দ্বিতীয় অংশ দ্বারা কী প্রকাশ পায়? (উচ্চতর দক্ষতা) ক তাওহিদ খ আকাইদ  রিসালাত ঘ আখিরাত ৩০. ভালো-মন্দ ও সত্য-মিথ্যার শিক্ষা আমাদের কে দিয়েছেন? (উচ্চতর দক্ষতা) ক পীর  নবি ও রাসুল গ ফেরেশতা ঘ জিন বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ৩১. কালিমার মূল ভিত্তিগুলো হলো (অনুধাবন) র. বিশ্বাস রর. ইমান ররর. তাওহিদ নিচের কোনটি সঠিক? ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর ৩২. লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ দ্বারা বোঝায় (অনুধাবন) র. আল­াহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই রর. আল­াহ ছাড়া কোনো উপায় নেই ররর. আল­াহ রাসুলের বন্ধু নিচের কোনটি সঠিক?  র খ রর গ ররর ঘ র, রর ও ররর অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৩৩ ও ৩৪ নং প্রশ্নের উত্তর দাও : শফিক ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। সে হুজুরের নিকট থেকে একটি কালিমা শিখেছে। যার অর্থ, আল­াহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, মুহাম্মদ (স.) আল­াহর রাসুল। ৩৩. অনুচ্ছেদের কালিমা দ্বারা কোন কালিমাকে বোঝানো হয়েছে? (প্রয়োগ)  কালিমা তায়্যিবা খ কালিমা তামজিদ গ কালিমা শাহাদাত ঘ কালিমা তাওহিদ ৩৪. উক্ত কালিমা হলোÑ (অনুধাবন) র. ইমানের মূলভিত্তি রর. সাক্ষ্যদানের বাক্য ররর. পবিত্র বাক্য নিচের কোনটি সঠিক? ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর ন্ধ পাঠ-৩ : কালিমা শাহাদাত সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ৩৫. কালিমা শাহাদাত অর্থ কী? (জ্ঞান) ক একত্ববাদ খ পবিত্র বাক্য  সাক্ষ্য দানের বাক্য ঘ বার্তা ৩৬. আমাদের রিযিক দেন কে? (জ্ঞান)  আল­াহ খ নবি ও রাসুল গ বান্দা ঘ ফেরেশতা ৩৭. কে সত্তা ও গুণাবলিতে একক? (জ্ঞান)  আল­াহ খ নবি গ জিন ঘ বান্দা ৩৮. কে আল­াহর বাণী আমাদের নিকট পৌঁছান? (জ্ঞান) ক ফেরেশতা খ বান্দা গ জিন  হযরত মুহাম্মদ (স.) ৩৯. আল­াহর প্রতি আমাদের কী প্রকাশ করা উচিত? (উচ্চতর

ষষ্ঠ শ্রেণির ইসলাম আকাইদ Read More »

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা ফাগুন মাস

ফাগুন মাস হুমায়ুন আজাদ  কবি পরিচিতি নাম হুমায়ুন আজাদ। জন্ম পরিচয় জন্ম : ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ। জন্মস্থান : বিক্রমপুরের (বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলা) রাড়িখাল গ্রাম। শিক্ষাজীবন হুমায়ুন আজাদ রাড়িখাল স্যার জগদীশচন্দ্র বসু ইনস্টিটিউশন থেকে মাধ্যমিক, ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ অনার্স এবং এমএ (বাংলা) পাস করেন। পরে স্কটল্যান্ডের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি লাভ করেন। পেশা/কর্মজীবন হুমায়ুন আজাদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিশেষ পরিচয় ভাষাবিজ্ঞানী, অধ্যাপক, কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। সাহিত্য সাধনা কাব্যগ্রন্থ : অলৌকিক ইস্টিমার, জ্বলো চিতাবাঘ, সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে, যতোই গভীরে যাই মধু যতোই উপরে যাই নীল, আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময় উলে­খযোগ্য; উপন্যাস : ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল, সবকিছু ভেঙে পড়ে, জাদুকরের মৃত্যু, রাজনীতিবিদগণ, পাকসার জমিন সাদ বাদ ইত্যাদি। প্রবন্ধগ্রন্থ : রবীন্দ্র প্রবন্ধ : রাষ্ট্র ও সমাজ চিন্তা, শামসুর রাহমান : নিঃসঙ্গ শেরপা, লাল নীল দীপাবলি, কতো নদী সরোবর (কিশোরদের জন্য), বাংলা ভাষার শত্রæমিত্র ইত্যাদি। গবেষণাগ্রন্থ : বাক্যতত্ত¡, তুলনামূলক ও ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান। পুরস্কার ও সম্মাননা বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮৭)। জীবনাবসান ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দ।  বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর  বিষয়ক্রম অনুযায়ী বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ন্ধ কবি পরিচিতি º বোর্ড বই, পৃষ্ঠা ৮৯ সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১. হুমায়ুন আজাদের জন্ম কত খ্রিষ্টাব্দে? (জ্ঞান)  ১৯৪৭ খ ১৯৫০ গ ১৯৫৫ ঘ ১৯৬০ ২. হুমায়ুন আজাদ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন? (জ্ঞান) ক ঢাকা  মুন্সিগঞ্জ গ গাজীপুর ঘ নরসিংদী ৩. ‘ফাগুন মাস’ কবিতাটির রচয়িতা কে? (জ্ঞান) ক কামিনী রায় খ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত  হুমায়ন আজাদ ঘ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৪. হুমায়ুন আজাদ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন? (জ্ঞান)  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় গ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ঘ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ৫. হুমায়ুন আজাদ সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য কোন পুরস্কার লাভ করেন? (জ্ঞান) ক একুশে পদক  বাংলা একাডেমি পুরস্কার গ মুক্তিযুদ্ধ পুরস্কার ঘ স্বাধীনতা পদক ৬. কর্মজীবনের শুরুতে হুমায়ুন আজাদ কোন পেশায় নিযুক্ত ছিলেন? (জ্ঞান) ক সাংবাদিক  অধ্যাপনা গ রাজনীতি ঘ ওকালতি ৭. হুমায়ুন আজাদ কত সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান?  ১৯৮৭ খ ১৯৮৮ গ ১৯৮৯ ঘ ১৯৯০ ৮. হুমায়ুন আজাদ কোথায় মৃত্যুবরণ করেন? (জ্ঞান) ক জাপানে  জার্মানিতে গ অস্ট্রেলিয়ায় ঘ আমেরিকায় বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ৯. হুমায়ুন আজাদ খ্যাতি পেয়েছিলেনÑ (অনুধাবন) র. বাংলা ভাষার গবেষক হিসেবে রর. বাংলা সাহিত্যের গবেষক হিসেবে ররর. বাংলা নাটকের গবেষক হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?  র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর ১০. হুমায়ুন আজাদের উল্লেখযোগ্য কবিতাগ্রন্থের নাম- (অনুধাবন) র. অলৌকিক ইস্টিমার রর. জ্বলো চিতাবাঘ ররর. লাল নীল দীপাবলি নিচের কোনটি সঠিক?  র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর ১১. হুমায়ুন আজাদ ছিলেন একজনÑ (অনুধাবন) র. ভাষাবিজ্ঞানী রর. প্রাবন্ধিক ররর. ঔপন্যাসিক নিচের কোনটি সঠিক? ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর ১২. হুমায়ুন আজাদের কিশোর উপযোগী রচনা (অনুধাবন) র. বাক্যতত্ত¡ রর. কতো নদী সরোবর ররর. লাল নীল দীপাবলি নিচের কোনটি সঠিক? ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর ন্ধ মূলপাঠ º বোর্ড বই, পৃষ্ঠা ৮৭ সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১৩. কোন দেশের মাঠে ফাগুন মাসে সবুজ আগুন জ্বলে? (জ্ঞান) ক ভারতের খ পাকিস্তানের গ শ্রীলঙ্কার  বাংলাদেশের ১৪. কবির ভাষায় কোন মাস হাওয়ায় দীর্ঘশ্বাস ছড়ায়? (জ্ঞান) ক বৈশাখ  ফাগুন গ চৈত্র ঘ আষাঢ় ১৫. কবির মতে, ফাগুন তার বুকের কী ঢেলে আগুন জ্বেলে দেয়? (জ্ঞান) ক তাপ  ক্রোধ গ দাহ ঘ শক্তি ১৬. কে বুকের ক্রোধ ঢেলে আগুন জ্বেলে দেয়? (জ্ঞান)  ফাগুন খ ভাইয়েরা গ দস্যুরা ঘ বোনেরা ১৭. কোন মাসে দুঃখী গোলাপ ফোটে? (জ্ঞান) ক শ্রাবণ  ফাগুন গ ভাদ্র ঘ আশ্বিন ১৮. ফাগুন কাদের হারানোর ভয় বুকের ভেতর পোষে? (জ্ঞান) ক ভাইদের  খোকাদের গ বোনদের ঘ মায়েদের ১৯. ফাগুন মাসে কী ঠেলে মাথা উঁচোয় ঘাস? (জ্ঞান) ক পাহাড়  পাথর গ মাটি ঘ শিলা ২০. সব দিকের বন ঝিলিক দিয়ে প্রতিদিন কী রং হয়? (জ্ঞান)  লাল খ নীল গ সবুজ ঘ হলুদ ২১. হাড়ের মতো শক্ত ডাল ফেড়ে নবরূপে কী জেগে ওঠে? (জ্ঞান) ক মরা পাতা খ ঘাস গ ফুল  সবুজ পাতা ২২. ফাগুন মাসে কী রঙের ফুল প্রকৃতিকে নতুন করে সাজায়? (জ্ঞান) ক টিয়া  লাল গ সবুজ ঘ গোলাপি ২৩. ফাগুন মাসে প্রকৃতি হাওয়ায় হাওয়ায় কী ছড়ায়? (জ্ঞান) ক নিঃশ্বাস  দীর্ঘশ্বাস গ হতাশা ঘ বেদনা ২৪. ‘ফাগুন মাস’ কবিতায় বনে কারা কাঁদে? (জ্ঞান)  গোলাপ খ রজনীগন্ধা গ জবা ঘ বেলি ২৫. ফাগুন মাসে বনে বনে কীসের আগুন জ্বলে? (জ্ঞান) ক রক্তের খ গোলাপের  সবুজের ঘ ধূসরের ২৬. মায়ের চোখে কোন মাসে জল দেখা যায়? (জ্ঞান) ক বৈশাখ  ফাগুন গ জ্যৈষ্ঠ ঘ চৈত্র ২৭. ফাগুন মাসে কারা ভাই হারানোর শোকে কেঁদে ওঠে? (জ্ঞান)  বোনেরা খ ভাইয়েরা গ আত্মীয়রা ঘ প্রতিবেশীরা ২৮. ফাগুন মাসে যারা ভাষা আন্দোলনে মারা গিয়েছিল তাদেরকে কী বলা হয়? (জ্ঞান) ক গাজী খ প্রতিবাদী  ভাষা শহিদ ঘ যোদ্ধা ২৯. ফাগুন মাস হাওয়ায় হাওয়ায় দীর্ঘশ্বাস ছড়ায় কেন? (অনুধাবন) ক প্রিয়জন কাছে না থাকায় খ বনে বনে গোলাপের কান্নায় গ মার্চের স্মৃতি মনে পড়ায়  একুশের রক্তঝরা স্মৃতি মনে পড়ায় ৩০. ‘সবুজ আগুন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? (অনুধাবন)  তারুণ্যেভরা বিস্তৃত প্রকৃতি খ প্রকৃতির অপরূপ পরিবেশে আগুন লাগা গ সবুজ রঙের আগুন ঘ বনে আগুন লেগে যাওয়া ৩১. ফাগুন মাস ভীষণ দুঃখী কেন? (অনুধাবন) ক বস্ত্রহীন মানুষের প্রতি সহানুভ‚তির জন্য  ভাষা শহিদদের জীবন উৎসর্গের জন্য গ স্বাধীনতা অধিকারের জন্য ঘ ছয় দফা দাবি আমাদের জন্য ৩২. ফাগুন মাসে দু চোখ ছলোছলো হয় কেন? (অনুধাবন) ক শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি বেদনায় খ শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি বেদনায়  ভাষা শহিদদের স্মৃতি বেদনায় ঘ গণআন্দোলনকারীদের স্মৃতি বেদনায় ৩৩. ‘১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের নিরীহ জনগণের ওপর আক্রমণ করে’ ‘ফাগুন মাস’ কবিতায় কাদের সাথে আক্রমণকারীদের তুলনা করা হয়েছে? (প্রয়োগ) ক শয়তান  দস্যু গ ডাকাত ঘ হামলাকারী ৩৪. ‘মাতৃভাষা বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এদেশের ছাত্রজনতা তাদের বুকের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করে’ আলোচ্য বক্তব্যের প্রতিফলন ঘটেছে কোন চরণটিতে? (প্রয়োগ) ক বুকের ক্রোধ ঢেলে  ফাগুন মাসে রক্ত ঝরে পড়ে গ ঝিলিক দিয়ে প্রত্যহ হয় লাল ঘ বাংলাদেশের মাঠে বনের তলে ৩৫. ফাগুন মাসে বুকের ভেতর কী জেগে ওঠে? [  শহিদ মিনার খ সুবজ আগুন গ দুঃখ ঘ খোকা ৩৬. কে হারানো ভাইকে দুই বাহুতে বেঁধে কাঁদে? 

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা ফাগুন মাস Read More »

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা পাখির কাছে ফুলের কাছে

পাখির কাছে ফুলের কাছে আল মাহমুদ  কবি পরিচিতি নাম আল মাহমুদ। প্রকৃত নাম : মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। জন্ম পরিচয় জন্ম : ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে। জন্মস্থান : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রাম। পিতৃ ও মাতৃপরিচয় পিতার নাম : মীর আব্দুর রউফ। মাতার নাম : মীর রওশনারা বেগম। শিক্ষাজীবন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জর্জ সিক্সথ স্কুল থেকে তিনি প্রবেশিকা পাস করেন। পেশা/কর্মজীবন সাংবাদিকতা, পত্রিকার সম্পাদক (গণকণ্ঠ, কর্ণফুলী), শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহণ (১৯৯৫)। সাহিত্য সাধনা কাব্যগ্রন্থ : লোক-লোকান্তর, কালের কলস, সোনালী কাবিন, মায়াবী পর্দা দুলে উঠো, মিথ্যেবাদী রাখাল, একচক্ষু হরিণ, আরব্য রজনীর রাজহাঁস, পাখির কাছে ফুলের কাছে ইত্যাদি। গল্পগ্রন্থ : পানকৌড়ির রক্ত, সৌরভের কাছে পরাজিত, ময়ূরীর মুখ ইত্যাদি। উপন্যাস : ডাহুকী, আগুনের মেয়ে, উপমহাদেশ, আগন্তুক প্রভৃতি। পুরস্কার ও সম্মাননা বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদকসহ বহু পুরস্কারে ভ‚ষিত হন।   বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর  বিষয়ক্রম অনুযায়ী বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ন্ধ কবি পরিচিতি সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১. ‘পাখির কাছে ফুলের কাছে’ কবিতাটির রচয়িতা কে? (জ্ঞান) ক কাজী নজরুল ইসলাম  আল মাহমুদ গ জসীমউদ্দীন ঘ হুমায়ুন আজাদ ২. ‘পাখির কাছে ফুলের কাছে’ কবিতাটি কবি আল মাহমুদের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে? (জ্ঞান) ক কালের কলস খ সোনালী কাবিন গ মায়াবী পর্দা দুলে উঠো  পাখির কাছে ফুলের কাছে ৩. কবি আল মাহমুদ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন? [জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ] ক ১৯৩৩ খ ১৯৩৪ গ ১৯৩৫  ১৯৩৬ ৪. কবি আল মাহমুদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? (জ্ঞান)  মোড়াইল খ ফুলবাড়িয়া গ তাম্বুলখানা ঘ চুরুলিয়া ৫. কবি আল মাহমুদ কত সালে শিল্পকলা একাডেমি থেকে অবসর গ্রহণ করেন? (জ্ঞান) ক ১৯৯৪  ১৯৯৫ গ ১৯৯৬ ঘ ১৯৯৭ ৬. কবি আল মাহমুদ সাহিত্যে অবদানের জন্য নিচের কোন পুরস্কারে ভ‚ষিত হন? (জ্ঞান) ক স্বাধীনতা দিবস  একুশে পদক গ বিশ্বসাহিত্য ঘ মেরিল প্রথম আলো বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ৭. কবি আল মাহমুদের পেশা ছিল- (অনুধাবন) র. সাংবাদিকতা রর. চাকরি ররর. ব্যবসা নিচের কোনটি সঠিক?  র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর ৮. কবি আল মাহমুদ যে পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- (অনুধাবন) র. গণকণ্ঠ রর. কর্ণফুলী ররর. জনকণ্ঠ নিচের কোনটি সঠিক?  র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর ৯. কবি আল মাহমুদ রচিত উপন্যাস হলো (অনুধাবন) র. উপমহাদেশ রর. আকাশ নীলের হাতছানি ররর. আগুনের মেয়ে নিচের কোনটি সঠিক? ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর ন্ধ মূলপাঠ সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১০. পাখির কাছে, ফুলের কাছে কবি কী বলেন? [ যশোর জিলা স্কুল ] ক গান  মনের কথা গ ছড়া ঘ কবিতা ১১. পাহাড়টিতে হাত বুলিয়ে কবি কোথায় গেলেন?  লালদিঘির পাড়ে খ নারকেল তলায় গ পাথরঘাটায় ঘ দরগাতলায় ১২. ঝিমধরা মস্ত শহর কাঁপছিল কেমন করে? (জ্ঞান)  থরথর করে খ হুর হুর করে গ মরমর করে ঘ পড় পড় করে ১৩. ‘পাখির কাছে ফুলের কাছে’ কবিতায় কোন জায়গায় গির্জার উলে­খ আছে? (জ্ঞান) ক মাধবকুণ্ড খ পরীবাগ গ গলাচিপা  পাথরঘাটা ১৪. ‘পাখির কাছে ফুলের কাছে’ কবিতায় কোন স্থানের উলে­খ আছে? (জ্ঞান) ক কদমতলা খ কলাতলী  দরগাতলা ঘ আমতলী ১৫. ‘পাখির কাছে ফুলের কাছে’ কবিতায় কবিকে কে ডাক দিয়েছিল? [জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ] ক পাখি  উটকো পাহাড় গ পরী ঘ শিশু ১৬. কবিতায় কাদের দরবার বসেছে? (জ্ঞান)  জোনাকিদের খ বাচ্চাদের গ মৌমাছির ঘ ফুলেদের ১৭. লালদিঘির-জল কেমন? (জ্ঞান)  কালো খ সাদা গ সবুজ ঘ লাল ১৮. কাব্য রচনার কথা শুনে কারা কলরব শুরু করল? (জ্ঞান) ক ভিক্ষুকরা খ বাচ্চারা  ফুল পাখিরা সব ঘ কাকেরা ১৯. দিঘির জল কেমন শব্দে নেচে উঠল? (জ্ঞান)  কলকলিয়ে খ ছলছলিয়ে গ ঢলঢল করে ঘ দ্রুত গতিতে ২০. কার কথায় ফুল পাখিরা সব হেসে উঠল? (জ্ঞান) ক কবির কথায় খ পাখির কথায় গ গাছের কথায়  দিঘির কথায় ২১. কবি কীসের মাথায় হঠাৎ চাঁদ দেখলেন? (জ্ঞান) ক পাহাড়ের খ গির্জার  নারকেলের ঘ মিনারের ২২. কবির কাছে চাঁদটাকে কীসের মতো মনে হয়েছে? (জ্ঞান)  ডাবের মতো খ নারকেলের মতো গ ডিমের মতো ঘ থালার মতো ২৩. কবির দেখা চাঁদটা কেমন ছিল? (জ্ঞান) ক ঠান্ডা ও চ্যাপ্টা  ঠান্ডা ও গোলগাল গ ঠান্ডা ও বাঁকা ঘ ঠান্ডা ও গভীর ২৪. কবি চাঁদ দেখে কী খুলে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন? (জ্ঞান)  ছিটকিনি খ জানালা গ দরজা ঘ কড়িকাঠ ২৫. কবি কীসের গায়ে হাত বুলিয়ে দিলেন? (জ্ঞান) ক পাথরের খ লালদিঘির গ জোনাকিদের  পাহাড়ের ২৬. ‘দিঘির কালো জল’-কবিসহ সবাইকে কীসের দল বলে অভিহিত করল? (জ্ঞান) ক না কাঁদার খ না হাসার  না ঘুমানোর ঘ না খেলার ২৭. দিঘির কালো জল-কবিকে কী লেখার ভাঁজ খুলতে বলল? (জ্ঞান)  পদ্য খ প্রবন্ধ গ উপন্যাস ঘ গল্প ২৮. কীসের কাছে আজ কাব্য হবে বলল দিঘির জল? (জ্ঞান) ক লালদিঘির  রক্তজবার ঝোপের গ দিঘির কালো জলের ঘ উটকো পাহাড়ের ২৯. কবি পকেট থেকে কীসের বই বের করলেন? (জ্ঞান)  ছড়ার বই খ গানের বই গ গল্পের বই ঘ রান্নার বই ৩০. কবি কাদের কাছে তার মনের কথা বলতে চেয়েছেন? (জ্ঞান) ক মিনুর কাছে খ রাজুর কাছে গ কোকিলের কাছে  পাখির কাছে ফুলের কাছে ৩১. রাতের নিস্তব্ধ শহরকে কবি কোন বিষয়ের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ মনে করেছেন? (জ্ঞান) ক চঞ্চলা শহর  ঝিমধরা শহর গ ঠান্ডা শহর ঘ লাল শহর ৩২. কবি ছিটকিনি খুলে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন কেন? (অনুধাবন) ক রাতের আকাশ দেখতে খ চাঁদ দেখতে গ রাতের শহর দেখতে  প্রকৃতির ডাকে ৩৩. ‘ঝিমধরা এই মস্ত শহর কাঁপছিল থরথর’Ñ চরণটির দ্বারা কবির কোন অনুভ‚তি প্রকাশ পেয়েছে? (অনুধাবন)  আবেগ খ রাত সচেতনতা গ শহর সম্পর্কে ভাবনা ঘ প্রকৃতি ও পরিবেশ ভাবনা ৩৪. ‘জোনাকিদের দরবার’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? (অনুধাবন) ক জোনাকিদের শলাপরামর্শ খ জোনাকিদের বিচার কার্যক্রম গ জোনাকিদের রাজসভা  জোনাকিদের আনন্দ আসর ৩৫. ‘প্রকৃতি মানুষের পরম আত্মীয়’ তোমার পাঠ্য কোন কবিতা এ বক্তব্য সমর্থন করে? (প্রয়োগ) ক ঝিঙে ফুল খ মানুষ জাতি গ সভা  পাখির কাছে ফুলের কাছে ৩৬. ‘দিঘির কথায় উঠল হেসে ফুল পাখিরা সব’এর মধ্য দিয়ে কী ফুটে উঠেছে? (উচ্চতর দক্ষতা) ক জড় ও জীবপ্রকৃতির বৈষম্য  জড় ও জীবপ্রকৃতির সম্পর্ক গ জড় ও জীবের তিক্ত সম্পকর্ ঘ জড় ও জীবের ভালোবাসা ৩৭. উটকো পাহাড়ের কবিকে ডাক দেয়ার মাঝে কী ফুটে উঠেছে? (উচ্চতর দক্ষতা) ক মানুষের প্রতি প্রকৃতির মমতা খ মানুষের প্রতি প্রকৃতির দুর্বলতা  মানুষের প্রতি প্রকৃতির আহŸান ঘ মানুষকে ভয় দেখানো বহুপদী

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা পাখির কাছে ফুলের কাছে Read More »

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় দ্বাদশ অধ্যায় বাংলাদেশ ও আঞ্চলিক সহযোগিতা

দ্বাদশ অধ্যায় বাংলাদেশ ও আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়-সংক্ষেপ কোনো রাষ্ট্রই একাকি টিকে থাকতে পারে না। তাই রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনেই আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। আর এই ধারণা থেকেই গড়ে উঠেছে বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা। বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর  বিষয়ক্রম অনুযায়ী বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ন্ধ পাঠ-১ ও ২ : আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব ও এর ক্ষেত্র º সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১. আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সৃষ্টির কারণ কী? (জ্ঞান) ক উন্নয়ন বৃদ্ধি  প্রয়োজনীয়তা গ সুসম্পর্ক বজায় রাখা ঘ বিরোধ নিরসণ ২. বিশ্বশান্তি স্থাপনের জন্য গঠিত হয়েছে কোনটি? (জ্ঞান) ক সার্ক খ আসিয়ান  জাতিসংঘ ঘ ওআইসি ৩. বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে? (জ্ঞান) ক ১৯৭১ খ ১৯৭২  ১৯৭৪ ঘ ১৯৮৪ ৪. জয়দেবপুর গ্রামবাসীদের মাঝে যুদ্ধ বিগ্রহ প্রায় চলতে থাকে। গ্রামের কয়েকজন যুবক মিলে একটি সংঘ প্রতিষ্ঠা করে গ্রামের শান্তি ফিরিয়ে আনে। এটি কোন সংস্থার সাথে সম্পর্কিত? (উচ্চতর দক্ষতা)  জাতিসংঘ খ ওপেক গ জি-৮ ঘ কমনওয়েলথ ৫. আধুনিক রাষ্ট্রসমূহ একে অন্যের ওপর- (জ্ঞান) ক আস্থাহীন  নির্ভরশীল গ দ্ব›দ্বপূর্ণ ঘ বিদ্বেষমূলক ৬. একটি রাষ্ট্রের অপর অন্য রাষ্ট্রের সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয় কোনটি?(অনুধাবন)  কল্যাণ খ বন্ধুত্ব গ স্বাধীনতা ঘ সার্বভৌমত্ব ৭. আঞ্চলিক সংস্থার মাধ্যমে এক দেশ অন্য দেশের সংস্পর্শে আসার ফলশ্রæতিতে কী সৃষ্টি হয়? (উচ্চতর দক্ষতা)  পারস্পরিক সহযোগিতা খ পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ গ পারস্পরিক আস্থাহীনতা ঘ মূল্যবোধের অবক্ষয় বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ৮. আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা হলো (অনুধাবন) র. সার্ক রর. ইউনেস্কো ররর. আসিয়ান নিচের কোনটি সঠিক? ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর ৯. এক রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের জন্য- (উচ্চতর দক্ষতা) র. নির্ভরশীল রর. সমস্যা সমাধান স্বরূপ ররর. কল্যাণমূলক নিচের কোনটি সঠিক? ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর ১০. মনে কর, তুমি বাংলাদেশে বাস কর। আর বাংলাদেশ একটি আঞ্চলিক সহযোগী সংস্থার সদস্য। এক্ষেত্রে সংস্থাটি তোমার দেশের জন্য যে সব ক্ষেত্রে কাজ করবে (প্রয়োগ) র. অর্থনৈতিক রর. বাণিজ্যিক ররর. রাজনৈতিক নিচের কোনটি সঠিক? ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর ১১. আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্র হলো (অনুধাবন) র. তথ্যপ্রযুক্তি রর. ক্রীড়া ররর. সংস্কৃতি নিচের কোনটি সঠিক? ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর নিচের ছকটি লক্ষ কর এবং ১২ ও ১৩ নং প্রশ্নের উত্তর দাও : ১২. চিত্রে ‘?’ চি‎িহ্নত স্থানটি কীসের ইঙ্গিত বহন করে? (প্রয়োগ) ক জাতিসংঘ খ ওআইসি গ ওপেক  আঞ্চলিক সহযোগিতা ১৩. চিত্রের বিষয়টির লক্ষ্য কী? (উচ্চতর দক্ষতা)  পারস্পরিক সহাবস্থান খ বিচার-মিমাংসা গ পারস্পরিক আস্থাহীনতা ঘ পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ ন্ধ পাঠ-৩ ও ৪ : উল্লেখযোগ্য আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাসমূহ º সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১৪. ঝঅঅজঈ এর পূর্ণরূপ কী? (জ্ঞান) ক ঝড়ঁঃয অংরধহ অপপড়সড়ফধঃরড়হ ভড়ৎ জবমরড়হধষ ঈড়ড়ঢ়বৎধঃরড়হ খ ঝড়ঁঃয অংরধহ অপপড়সড়ফধঃরড়হ ভড়ৎ জবষরমরড়হ ঈড়ড়ঢ়বৎধঃরড়হ  ঝড়ঁঃয অংরধহ অংংড়পরধঃরড়হ ভড়ৎ জবমরড়হধষ ঈড়ড়ঢ়বৎধঃরড়হ ঘ ঝড়ঁঃয অংংড়পরধঃরড়হ অমৎরপঁষঃঁৎধষ ভড়ৎ জবমরড়হধষ ঈড়ড়ঢ়বৎধঃরড়হ ১৫. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো মিলে যে সংস্থা গঠন করেছে তার নাম কী? ক সার্ক  আসিয়ান গ ন্যাটো ঘ জাতিসংঘ ১৬. আসিয়ানের সদস্য দেশ কোনটি? (জ্ঞান) ক বাংলাদেশ খ নেপাল  ইন্দোনেশিয়া ঘ শ্রীলঙ্কা ১৭. আসিয়ান কোন অঞ্চলের দেশগুলো নিয়ে গঠিত হয়েছে? (জ্ঞান) ক দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ান দেশগুলো খ এশিয়ার সব দেশ  দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো ঘ এশিয়ার উন্নত দেশগুলো ১৮. দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার নাম কী? (জ্ঞান) ক আসিয়ান  সার্ক গ ইইউ ঘ ওআইসি ১৯. সার্কের মূল লক্ষ্য কী? [মাতৃপাঠ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম]  অর্থনীতি শিক্ষা সংস্কৃতি যোগাযোগ ২০. সার্কের সদস্যদেশ কোনটি? (জ্ঞান)  আফগানিস্তান খ ইন্দোনেশিয়া গ ব্র“নেই মালয়েশিয়া ২১. কোন সংস্থার সদস্য দেশগুলোর নাগরিক অবাধে একদেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াত, বসবাস, ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারে? (জ্ঞান)  ঊট খ ঘঅগ গ ঝঅঅজঈ ঘ অঝঊঅঘ ২২. সার্কের বর্তমান সদস্য কয়টি রাষ্ট্র? [মাগুরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়] ক ৪ খ ৫ গ ৭  ৮ ২৩. সার্কের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? ক কলম্বো খ নয়া দিলি­  কাঠমুণ্ডু ঘ মালে ২৪. ইউরো কোন সংগঠনের মুদ্রা? (জ্ঞান) ক সার্ক ই ইউ আসিয়ান কমন মার্কেট ২৫. পৃথিবীর প্রভাবশালী, শিল্পোন্নত ও ধনী দেশগুলো মিলে কোন সংস্থা গঠন করেছে? (জ্ঞান) ক আসিয়ান খ সার্ক  জি-সেভেন গ্র“প ঘ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ২৬. জি-সেভেনের সদস্য কোনটি? (জ্ঞান) ক ভারত ইন্দোনেশিয়া  জাপান মালয়েশিয়া ২৭. মুসলিম দেশগুলোর সংগঠনের নাম কী? ক সার্ক আরব লীগ  ওআইসি জাতিসংঘ ২৮. বর্তমানে সার্কের পর্যবেক্ষক হিসেবে কোন দেশটি নিযুক্ত হয়েছে? ক রাশিয়া চীন  মিয়ানমার বেলজিয়াম ২৯. জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম কী? (জ্ঞান)  সামরিক জোটের সদস্য নয় খ সামরিক বাহিনী গ সামরিক জোটের সদস্য ঘ গোয়েন্দা বাহিনী ৩০. ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা প্রাপ্ত দেশগুলোর সংগঠনের নাম কী? (জ্ঞান) ক আসিয়ান জি-এইট  কমনওয়েলথ ঘ ন্যাম ৩১. ঙঢ়বহ গধৎশবঃ ঊপড়হড়সু বলতে কী বোঝায়? [ ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চট্টগ্রাম] ক পুঁজিবাজার অর্থনীতি খ বিশ্ববাজার অর্থনীতি  মুক্তবাজার অর্থনীতি ঘ বৈশ্বিক গ্রাম অর্থনীতি ৩২. জি সেভেন গ্র“পের সদস্য সংখ্যা কত? [আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ মতিঝিল, ঢাকা] ক ৫ খ ৬  ৭ ঘ ৮ ৩৩. জি-সেভেন কেন কর্মকৌশল নির্ধারণ করে? ক নিজেদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে গ সামরিক প্রয়োজনে আঞ্চলিক রাজনৈতিক প্রয়োজনে ৩৪. জি-সেভেন গঠনের কারণ কী? (প্রয়োগ)  আন্তঃসহযোগিতা আন্তঃবিদ্বেষ দূর গ আন্তর্জার্তিক সহযোগিত ঘ অসম প্রতিযোগিতা ৩৫. ইইউ গঠনের কারণ কী? (অনুধাবন) ক দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর সহযোগিতা  ইউরোপীয় দেশগুলোর সহযোগিতা গ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সহযোগিতা ঘ আমেরিকার দেশগুলোর সহযোগিতা ৩৬. ব্র“নেই দেশটি কোন সংস্থার সদস্য? [ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম]  আসিয়ান খ সার্ক গ ওআইসি ঘ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ৩৭. দক্ষিণ এশিয়ায় সার্ক গঠনের কারণ কী? (অনুধাবন) ক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা খ সামরিক সহযোগিতা  আঞ্চলিক সহযোগিতা ঘ সাংস্কৃতিক সহযোগিতা ৩৮. পৃথিবীকে গ্লোবাল ভিলেজ বা বৈশ্বিক গ্রাম বলার কারণ কী? (অনুধাবন) ক শিল্পের উন্নতি খ অর্থনৈতিক উন্নতি  যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি ৩৯. কোন ক্ষেত্রে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশগুলোর মধ্যে একক মুদ্রা চালু হয়? (অনুধাবন) ক রাজনৈতিক খ অর্থনৈতিক  বাণিজ্যিক ঘ শান্তি-শৃঙ্খলা ৪০. ‘ইউরো’ কী? (জ্ঞান)  ইইউভুক্ত দেশের মুদ্রার নাম খ একটি বাণিজ্য সংস্থার নাম গ একটি সামরিক জোটের নাম ঘ একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তির নাম ৪১. অর্থনৈতিক সহযোগিতা ছাড়াও সার্ক আর কোন ক্ষেত্রে কাজ করে? (জ্ঞান)  যোগাযোগের উন্নয়ন খ নদীভাঙন রোধ গ গ্রাম প্রশাসনের উন্নয়ন ঘ ভূমির ব্যবস্থাপনা ৪২. ইউরোপের সবদেশের অভিন্ন মুদ্রার নাম কী? (জ্ঞান) ক ইউএস ডলার  ইউরো গ চীনা ইওয়ান ঘ আরবীয় মুদ্রা

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় দ্বাদশ অধ্যায় বাংলাদেশ ও আঞ্চলিক সহযোগিতা Read More »

Scroll to Top