অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বাংলাদেশের জনসংখ্যা ও উন্নয়ন

নবম অধ্যায়
বাংলাদেশের জনসংখ্যা ও উন্নয়ন

বিষয়-সংক্ষেপ

সাধারণভাবে দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকেই বলা হয় দেশটির জনসংখ্যানীতি। দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ নীতি প্রণয়ন করা হয়। এ নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো (ঘএঙ) বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করছে। মুক্তিযুদ্ধের পরে বাংলাদেশের মানুষকে পুনর্বাসনে সহায়তার মাধ্যমে তারা কাজ শুরু করে। বর্তমানে এ সংস্থাগুলোর কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হচ্ছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে তাদের কার্যক্রমের মধ্যে কমিউনিটিভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা প্রকল্প, দুই সন্তানের পরিকল্পিত পরিবার গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়ন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, সচেতনতা কার্যক্রম, ধর্মীয় নেতাদের উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি উল্লেখযোগ্য।
জমির পরিমাণ ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের জনসংখ্যা এমনিতেই খুব বেশি। আগের তুলনায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কিছুটা কমে এলেও চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির ফলে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমে আসায় দেশের জনসংখ্যা বাড়ছে। দেশের অশিক্ষিত কর্মহীন জনগোষ্ঠীর বিশেষ করে তরুণদের জন্য শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে জনসংখ্যাকে অনায়াসে জনসম্পদে পরিণত করা সম্ভব। এভাবে দেশ দ্রæত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। এ ব্যাপারে আমরা চীন, ভারত প্রভৃতি দেশের অনুকরণ করতে পারি। তাছাড়া জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করতে বাংলাদেশ সরকারও নানা উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। সরকারি এসব উদ্যোগের বাস্তবায়ন বর্তমানে একটি চলমান প্রক্রিয়া। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ এর সুফল পাবে বলে আশা করা যায়।
পাঠ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি

জনসংখ্যানীতি : সাধারণভাবে দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে যে পরিকল্পনা করা হয় তাকে জনসংখ্যানীতি বলে। দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ নীতি প্রণয়ন করা হয়। এ নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি উদ্যোগ : জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশে কর্মরত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর উদ্যোগ হলো কমিউনিটিভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা প্রকল্প, দুই সন্তানের পরিকল্পিত পরিবার গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়ন, বাল্যবিবাহ রোধে উদ্বুদ্ধকরণ, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, সচেতনতা কার্যক্রম ও ধর্মীয় নেতাদের উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি।
জনসম্পদ : জনসংখ্যা যদি দক্ষ এবং পেশাজীবী হয় তবে জনসম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। আবার সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা কম হলে সেই জনসংখ্যাকে জনসম্পদ বলা যায়। দেশের সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা অধিক হলে উক্ত জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করলে জনসম্পদ সৃষ্টি হবে। আর এজন্য প্রয়োজন জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করার কৌশলের প্রয়োগ।
জনসংখ্যাকে সম্পদে রূপান্তরের কৌশল : উপযুক্ত পরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে একটি দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করা যায়। জনসংখ্যাকে সম্পদে রূপান্তরের কতগুলো কৌশল রয়েছে। এগুলো হলো : কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার, নারীশিক্ষার প্রসার, কৃষির আধুনিকীকরণ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার প্রদান, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিস্তার এবং উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য বিশ্বের উন্নত ও প্রযুক্তি সমৃদ্ধ দেশে অধিক সংখ্যক মেধাবী শিক্ষার্থী প্রেরণ।
বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর

১. প্রতি বছর কোন তারিখ বাংলাদেশের জাতীয় জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়?
 ২রা ফেব্র“য়ারি
খ ২১শে ফেব্র“য়ারি
গ ৮ই মার্চ
ঘ ১লা মে
২. বাংলাদেশে জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করার উপায় হচ্ছেÑ
র. শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ
রর. কৃষি, শিল্প এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অগ্রাধিকার
ররর. দক্ষ জনশক্তিকে বিদেশে রপ্তানি করা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র  র ও রর গ রর ঘ রর ও ররর

৩. কোন ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য ২০১০ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘ পুরস্কার লাভ করে?
ক দুর্নীতি দূরীকরণ খ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা
গ মাতৃমৃত্যু হ্রাস  শিশুমৃত্যু হ্রাস
৪. কত তারিখে বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়?
ক ০১ জানুয়ারি খ ১০ জানুয়ারি  ০২ ফেব্রæয়ারি ঘ ১০ ফেব্রæয়ারি
৫. রুনা ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। সে ২০০ টাকা হারে উপবৃত্তি পায়। সে কোন শ্রেণি পর্যন্ত উপবৃত্তি পাবে?
ক সপ্তম খ অষ্টম গ দশম  দ্বাদশ
৬. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোগ নয় কোনটি?
ক কাজি অফিসে বিয়ে রেজিষ্ট্রেশনের ওপর জোর দেওয়া
 সবার অধিকার নিশ্চিত করা
গ হাঁস-মুরগির খামার প্রকল্প চালু করা
ঘ বিনামূল্যে বই সরবরাহ করা
৭. বাংলাদেশের জনসংখ্যা নীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কয়টি?
ক ৫  ৭ গ ৯ ঘ ১১
৮. তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কোন দেশ বেশ এগিয়ে আছে?
 ভারত খ নেপাল গ বাংলাদেশ ঘ মায়ানমার
৯. শিশুমৃত্যু হ্রাসের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাতিসংঘ পুরস্কার লাভ করে কত সালে?
ক ২০১৫ খ ২০১৪ গ ২০১২  ২০১০
১০. বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় কত?
ক ১১৬০ মার্কিন ডলার খ ১১৭০ মার্কিন ডলার
গ ১১৮০ মার্কিন ডলার  ১১৯০ মার্কিন ডলার
১১. প্রতি বছর বাংলাদেশে কোন তারিখে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়?
 ২রা ফেব্রæয়ারি খ ২১শে ফেব্রæয়ারি
গ ৮ই মার্চ ঘ ১লা মে
১২. বাংলাদেশের প্রতি বর্গ কিলোমিটারে কতজন লোক বাস করে?
ক ১০০৫ খ ১০১০  ১০১৫ ঘ ১০২০
১৩. পরিকল্পিত পরিবারের কতজন সন্তান থাকে?
ক ১  ২ গ ৩ ঘ ৪
১৪. কোনো দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ অবদান কোনটির?
 জনসম্পদ খ খনিজসম্পদ গ কৃষিজসম্পদ ঘ শিল্পসম্পদ
১৫. বাংলাদেশে বর্তমানে মাতাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার?
ক ১১৫০  ১১৯০ গ ১২৫০ ঘ ১২৯০
১৬. আমেরিকার প্রতি বর্গকিলোমিটারে কত জন লোক বাস করে?
 ৩২ খ ৩৪ গ ৪২ ঘ ৪৪
১৭. বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কোন তারিখে পালন করা হয়?
ক ৮ জানুয়ারি  ২ ফেব্রæয়ারি গ ১ জুন ঘ ৩ জুলাই
১৮. কমিউনিটিভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা প্রকল্পের আওতায় যে সেবা প্রদান করা হয়, তা হলোÑ
র. বিনামূল্যে জটিল রোগের চিকিৎসা প্রদান
রর. পরিবার ছোট রাখার জন্য পরামর্শ প্রদান
ররর. পুষ্টি শিক্ষা প্রদান
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১৯. সরকারের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপসমূহ হচ্ছে-
র. নিরক্ষরতা দূরীকরণ রর. শিক্ষার হার বাড়ানো
ররর. নারীশিক্ষার প্রসার
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
২০. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ও নারীশিক্ষা প্রসারে সরকারের গৃহীত কোন পদক্ষেপটি অধিক কার্যকর?
র. বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ রর. সমাপনী পরীক্ষা চালু
ররর. উপবৃত্তি প্রদান
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ২১ ও ২২নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
রহিমা একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কাজ করে। তার বড় বোন জামিলা শিক্ষকতা করেন। তার মা বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করেন।
২১. রহিমা ও জমিলার মতো নারীদের কাজটি কোন বিষয়টি নির্দেশ করে?
ক নারীদের সেবাগ্রহণ খ নারীর শিক্ষাগ্রহণ
 নারীর অংশগ্রহণ ঘ নারীর বৃত্তিগ্রহণ
২২. উক্ত বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করেÑ
র. নিরক্ষরতা দূরীকরণে রর. শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে
ররর. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র খ রর  ররর ঘ র, রর ও ররর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ২৩ ও ২৪নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
রাজ্জাক স্যার ছাত্রদের বলছিলেন হাজার হাজার মানুষ বাংলাদেশ গার্মেন্টস শিল্পে কাজ করছে। বিদেশেও মানুষ যাচ্ছে। মানুষ নানা ধরনের কাজ করছে।
২৩. উল্লিখিত বিষয়ে আরও সফলতা আসতে পারেÑ
র. কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে
রর. পরিবার পরিকল্পনার কর্মসূচির প্রসারে
ররর. প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম স¤প্রসারণে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
২৪. বাংলাদেশ সরকার কোন শক্তিকে সম্পদে রূপান্তরের জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে?
ক নারীশক্তিকে খ জনশক্তিকে
গ প্রাকৃতিক শক্তিকে  যুব শক্তিকে
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ২৫ ও ২৬নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা আদনান সাহেবের কাজ পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে পোস্টার, ক্যালেন্ডার চটি-সাময়িকী তৈরি করে সারাদেশে বিতরণের ব্যবস্থা করা।
২৫. আদনান সাহেবের কাজগুলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি পর্যায়ে কোন ধরনের উদ্যোগ?
ক কমিউনিটিভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা প্রকল্প
 সচেতনতা কার্যক্রম
গ বাল্যবিবাহ রোধ ও বিলম্বে বিয়ের জন্য উদ্বুদ্ধকরণ
ঘ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম
২৬. উক্ত কার্যক্রমের ফলে
র. বাল্যবিবাহ হ্রাস পাবে
রর. বিলম্বে বিবাহ হ্রাস পাবে
ররর. পরিবার ছোট রাখা যাবে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর

পাঠ-১ ও ২ : বাংলাদেশের জনসংখ্যানীতি
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
২৭. বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার? (জ্ঞান)
ক ১১৫০ খ ১১৭০  ১১৯০ ঘ ১২০০
২৮. সাধারণভাবে দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকে কী বলে? (জ্ঞান)
 জনসংখ্যা নীতি খ জনসংখ্যা স্থানান্তর
গ জনসংখ্যা পুনর্বাসন ঘ জনসংখ্যার সুষ্ঠু বণ্টন
২৯. আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার? (জ্ঞান)
 ৫১,১৬৩ খ ৫১,২৩২ গ ৫১,২৯০ ঘ ৫১,৩৪৪
৩০. নিচের কোন ধারণা দুটি একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত? (জ্ঞান)
 জনসংখ্যা ও উন্নয়ন খ বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ
গ রাষ্ট্র ও দারিদ্র্য ঘ পরিবার ও বেকারত্ব
৩১. সোহরাব সাহেব তার পরিবারকে ছোট রাখতে চান, সেজন্য তিনি কী করবেন? (প্রয়োগ)
ক যৌথ পরিবারে বাস করবেন ˜ পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন
গ সন্তান গ্রহণ থেকে বিরত থাকবেন ঘ বিবাহ করা থেকে বিরত থাকবেন
৩২. বাংলাদেশে জনসংখ্যা সমস্যা অত্যন্ত ভয়াবহ। এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ কোনটি? (উচ্চতর দক্ষতা)
 জনগণকে শিক্ষিত করা খ রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করা
গ আইনের শাসন কায়েম করা ঘ সমাজের কুসংস্কার দূর করা
৩৩. কিসের ওপর একটি দেশের উন্নয়ন অনেকখানি নির্ভর করে?
[গভ. ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা]
ক নারী শিক্ষার খ জনসংখ্যানীতির
 জনসংখ্যার ঘ প্রযুক্তির
৩৪. জনসংখ্যা নীতি বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)
 জনসংখ্যা উন্নয়নে গৃহীত পরিকল্পনা
খ পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ
গ পরিবার পরিকল্পনায় সরকারি পদক্ষেপ
ঘ পরিবার পরিকল্পনায় বেসরকারি উদ্যোগ
৩৫. বাংলাদেশের জনসংখ্যানীতির মূল লক্ষ্য অনুসারে দেশের কোন পর্যায় পর্যন্ত নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে? (জ্ঞান)
ক গ্রাম  ইউনিয়ন গ জেলা ঘ বিভাগ
৩৬. নাদিমের বয়স ৫০ বছর, কিন্তু সে নিরক্ষর। অক্ষর জ্ঞান লাভের জন্য সে কোন কার্যক্রমের সাহায্য নিতে পারে? (প্রয়োগ)
 গণশিক্ষা খ প্রাথমিক শিক্ষা
গ বহুমুখী শিক্ষা ঘ কারিগরি শিক্ষা
৩৭. জনসংখ্যা সম্পর্কে বাংলাদেশের ¯েøাগান কী? [ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম]
 ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট
খ ছেলে হোক মেয়ে হোক তিনটি সন্তানই যথেষ্ট
গ ছেলে হোক মেয়ে হোক চারটি সন্তানই যথেষ্ট
ঘ ছেলে হোক মেয়ে হোক একটি সন্তানই যথেষ্ট
৩৮. সরকার প্রাথমিক ও গণশিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে কেন? (অনুধাবন)
ক উচ্চ শিক্ষার হার বৃদ্ধি করার জন্য
খ মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য
 নিরক্ষরতা দূরীকরণের জন্য
ঘ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য
৩৯. কোন শ্রেণি থেকে কোন শ্রেণি পর্যন্ত সরকার মেয়েদের উপবৃত্তি প্রদান করছে? [জে ভি গভ. গার্লস হাইস্কুল, কিশোরগঞ্জ]
ক পঞ্চম থেকে ষষ্ঠ খ সপ্তম থেকে অষ্টম
গ নবম থেকে দশম  ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ
৪০. বিপাশা ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে, সে ২০০ টাকা হারে উপবৃত্তি পায়। সে কোন শ্রেণি পর্যন্ত এ উপবৃত্তি পাবে? [গভ. ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা]
ক ১০ম  দ্বাদশ গ ৮ম ঘ ৫ম
৪১. কত সালের মধ্যে সরকার সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ? [শিক্ষাবোর্ড মডেল স্কুল এন্ড কলেজ, যশোর; বরিশাল জিলা স্কুল]
ক ২০১১ খ ২০১২ গ ২০১৪  ২০১৫
৪২. সরকার কোন শিক্ষা প্রসারের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে?
[অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রা‏হ্মণবাড়িয়া]
ক শিশুশিক্ষা  নারীশিক্ষা গ বয়স্কশিক্ষা ঘ গণশিক্ষা
৪৩. সরকার পরিবার ছোট রাখার জন্য কোন কার্যক্রম চালু করেছে?
[ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়]
 স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কার্যক্রম খ সচেতনতা কার্যক্রম
গ পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম ঘ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম
৪৪. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগ হিসেবে বিয়ের ক্ষেত্রে কোনটির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে? (জ্ঞান)
ক বয়স খ যৌতুক
 রেজিস্ট্রেশন ঘ কাবিননামা
৪৫. তৌফিক সাহেব ও তার স্ত্রী দুটির বেশি সন্তান গ্রহণ করতে চায় না। তারা কোন কর্মসূচির সহায়তা নিতে পারে? (প্রয়োগ)
ক জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ  পরিবার পরিকল্পনা
গ জনসংখ্যানীতি ঘ প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা
৪৬. হাঁস মুরগির খামার ও মাছ চাষের মতো আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচিতে সরকার কাদের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে? (জ্ঞান)
 নারীদের খ পুরুষদের গ ছাত্রছাত্রীদের ঘ বৃদ্ধদের
৪৭. শিশু মৃত্যু হ্রাসের ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করায় বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘ পুরস্কার লাভ করেছে? (জ্ঞান)
ক ২০০৮  ২০১০ গ ২০১১ ঘ ২০১২
৪৮.

‘?’ চি‎িহ্ন‎ত স্থানে কোনটি বসবে? (প্রয়োগ)
ক শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য খ স্বাস্থ্যনীতির মূল লক্ষ্য
 জনসংখ্যানীতির মূল লক্ষ্য ঘ শিশুনীতির মূল লক্ষ্য
৪৯. জনসংখ্যা নীতিতে কতটি সুস্পষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হয়েছে? [ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ]
ক ৫  ৭ গ ৯ ঘ ৮
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৫০. জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন করা হয়  (জ্ঞান)
র. অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে সামঞ্জস্য রেখে
রর. সামাজিক অবস্থার সাথে সামঞ্জস্য রেখে
ররর. মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্য রেখে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৫১. বাংলাদেশের জনসংখ্যা নীতির মূল লক্ষ্য হলো
[জেভি গভ. গার্লস হাই স্কুল, কিশোরগঞ্জ]
র. শিশু ও নারীর অপুষ্টির হার কমিয়ে আনা
রর. পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি জোরদার করা
ররর. প্রবীণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৫২. জমিলা গ্রামের দরিদ্র পরিবারের বধূ। সে অন্তঃসত্ত¡া। চিকিৎসার জন্য সে যাবে  (প্রয়োগ)
র. রাজধানীভিত্তিক স^াস্থ্যসেবা কেন্দ্রে রর. থানা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে
ররর. ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৫৩. নারী শিক্ষার প্রসারে সরকারের কর্মসূচি হলো  (অনুধাবন)
র. ইউনিফর্ম প্রদান রর. উপবৃত্তি প্রদান
ররর. বিনামূল্যে পাঠ্যবই প্রদান
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
 অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৫৪ ও ৫৫নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
জনসংখ্যাবিষয়ক সেমিনারে বক্তারা বলেন, দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি নীতি প্রণয়ন করা হয়। এই নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
৫৪. সেমিনারে বক্তারা কোন নীতির কথা বলেন? (প্রয়োগ)
 জনসংখ্যানীতি খ পরিবার পরিকল্পনা নীতি
গ জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নীতি ঘ স্বাস্থ্যসেবামূলক নীতি
৫৫. উক্ত নীতি (উচ্চতর দক্ষতা)
র. জনগণের স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি করে
রর. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ভ‚মিকা রাখে
ররর. জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে ভ‚মিকা রাখে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
পাঠ-৩ : জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি উদ্যোগ
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৫৬. বাংলাদেশ সরকার কয়টি সন্তানের পরিবার গড়ার জাতীয় লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে? (জ্ঞান)
ক ১  ২ গ ৩ ঘ ৪
৫৭. বেসরকারি সংস্থাগুলো জনগণকে কোন পদ্ধতি গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করছে? (জ্ঞান)
ক জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ খ প্রবীণদের পুনর্বাসন
 পরিবার পরিকল্পনা ঘ টিকা দান
৫৮. জনসংখ্যা সমস্যা মোকাবিলায় জনগণের সচেতনতা সৃষ্টির জন্য বেসরকারি সংস্থা কোন উপকরণ তৈরি করে? (জ্ঞান)
 পোস্টার ও ডকুমেন্টারি ফিল্ম খ মাইকিং ও লিফলেট
গ পরিবার পরিকল্পনার ওষুধ ঘ বই ও পত্রিকা
৫৯. পরিকল্পিত পরিবারে কতজন সন্তান থাকে?
[মাতৃপাঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর]
ক ১  ২ গ ৩ ঘ ৪
৬০. টিকাদান কোন ধরনের কার্যক্রম? [উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল]
 প্রশিক্ষণ কার্যক্রম খ সচেতনতা কার্যক্রম
গ কমিউনিটি ভিত্তিক প্রকল্প ঘ ধর্মীয় নেতাদের উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি
৬১. কোনটি সচেতনতামূলক কার্যক্রম? [ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়]
 নিউজলেটার খ নাটক গ সিনেমা ঘ শর্ট ফিল্ম
৬২. মিথিলার কর্মরত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাটি বাল্যবিবাহ বন্ধ করার জন্য কাজ করছে। উক্ত সংস্থাটি কীভাবে বাল্যবিবাহ রোধ করতে পারে? (প্রয়োগ)
ক নারী উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করে
 জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে
গ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে
ঘ নারীদের মৌলিক চাহিদা পূরণের উদ্যোগ নিয়ে
৬৩. বেসরকারি সংস্থাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ কাজের ক্ষেত্র কোনটি? (জ্ঞান)
ক জনসংখ্যা কার্যক্রম
খ পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম
 জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম
ঘ শিশু উন্নয়ন কার্যক্রম
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৬৪. বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাসে জনগণকে সচেতন করার পদক্ষেপ হলো (উচ্চতর দক্ষতা)
র. পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সাময়িকী প্রকাশ
রর. পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে পোস্টার ও ক্যালেন্ডার প্রকাশ
ররর. পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে নিউজ লেটার প্রকাশ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র খ রর গ র ও রর  র, রর ও ররর
৬৫. বেসরকারি সংস্থাসমূহের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হচ্ছে 
[ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম]
র. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ রর. পরিবার পরিকল্পনা
ররর. শিশু মৃত্যু হ্রাস
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৬৬. কমিউনিটিভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা প্রকল্পের আওতায় মা ও শিশুর জন্য যেসব সেবা প্রদান করা হয় তা হলো  (অনুধাবন)
র. টিকা রর. ইনজেকশন
ররর. পুষ্টি শিক্ষা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
পাঠ- ৪ ও ৫ : জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করা
 সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৬৭. উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কেমন? (জ্ঞান)
 বেশি খ কম গ খুব কম ঘ সমান
৬৮. আমেরিকার তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কতভাগ ভারতীয় দক্ষ জনশক্তির ওপর নির্ভরশীল? (জ্ঞান)
 ২৩ খ ২৫ গ ২৬ ঘ ৩০
৬৯. বিশাল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের ক্ষেত্রে আমরা কোন দেশের উদাহরণ দিতে পারি? (জ্ঞান)
ক পাকিস্তান  চীন গ আফগানিস্তান ঘ শ্রীলংকা
৭০. উপযুক্ত পরিকল্পনা নিয়ে জনসংখ্যাকে কিসে পরিণত করা যায়? (জ্ঞান)
ক সচেতন মানুষে খ সুযোগ্য নাগরিকে
 জনসম্পদে ঘ আদর্শ মানুষে
৭১. রউফ স্যানিটারি কাজ শিখে বিদেশে চাকরি করতে যায়। সে কোন ধরনের শ্রমিক? (প্রয়োগ)
 দক্ষ খ আধাদক্ষ গ কিশোর ঘ অদক্ষ
৭২. কিসের উন্নতির ফলে এদেশে বিগত বছরগুলোর তুলনায় শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমে এসেছে? (জ্ঞান)
 চিকিৎসা ব্যবস্থার খ শিক্ষা ব্যবস্থার
গ যোগাযোগ ব্যবস্থার ঘ খাদ্য ব্যবস্থায়
৭৩. কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
[আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা]
 জনসম্পদ খ খনিজ সম্পদ গ কৃষিজ সম্পদ ঘ শিল্প সম্পদ
৭৪. বাংলাদেশ সরকার কোন শক্তিকে সম্পদে রূপান্তরের জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে? [বরিশাল জিলা স্কুল]
ক নারীশক্তিকে খ জনশক্তিকে গ প্রাকৃতিক শক্তিকে  যুবশক্তিকে
৭৫. তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে কোন দেশ বেশ এগিয়ে আছে?
[ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম]
 ভারত খ নেপাল গ ভুটান ঘ বাংলাদেশ
 বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৭৬. যে কারণে আগের তুলনায় বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কিছুটা কমে এসেছে (অনুধাবন)
র. বিদেশি সহায়তা
রর. পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম
ররর. মানুষের ক্রমবর্ধমান সচেতনতা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ রর ও ররর
৭৭. দেশ দ্রæত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে  (অনুধাবন)
র. উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলে
রর. কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করলে
ররর. অধিক সদস্যের পরিবার গঠনের মাধ্যমে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ রর ও ররর
৭৮. মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করে উন্নত দেশে পাঠানো যায় (অনুধাবন)
র. ব্যক্তিগত উদ্যোগে রর. বেসরকারি উদ্যোগে
ররর. সরকারি উদ্যোগে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
 অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৭৯ ও ৮০নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
আমাদের প্রতিবেশী দুটি দেশ জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার ক্ষেত্রে সাফল্য দেখিয়েছে। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে উক্ত দুটি দেশের মধ্যে একটি আজ অনেক এগিয়ে।
৭৯. অনুচ্ছেদে বর্ণিত দেশ দুটি হলো  (প্রয়োগ)
র. নেপাল রর. শ্রীলঙ্কা
ররর. ভারত
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর  রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৮০. উক্ত দেশ দুটির অনুচ্ছেদে বর্ণিত কার্যক্রম  (উচ্চতর দক্ষতা)
র. অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভ‚মিকা রাখবে
রর. কৃষিবিপ্লব ঘটাবে
ররর. জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি করবে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর

৮১. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগ হলো  (অনুধাবন)
র. নিরক্ষরতা দূরীকরণ
রর. শিক্ষার হার বাড়ানো
ররর. নারী শিক্ষার প্রসার
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৮২. নারীরা বর্তমানে বেশি সংখ্যায় অংশ নিচ্ছে (অনুধাবন)
র. পোশাক শিল্পে
রর. কুটির শিল্পে
ররর. কারু শিল্পে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৮৩. বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে যে পর্যায়ের এনজিও গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করছে (অনুধাবন)
র. স্থানীয় রর. আন্তর্জাতিক
ররর. জাতীয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৮৪. বেসরকারি সংস্থাগুলো জনগণকে সচেতন করার জন্য যেসব উপকরণ ব্যবহার করে তা হলো  (অনুধাবন)
র. নিউজলেটার রর. ডকুমেন্টারি ফিল্ম
ররর. ডায়েরি
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৮৫. জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার ক্ষেত্রে সাফল্য দেখিয়েছে আমাদের প্রতিবেশী দেশ (অনুধাবন)
র. ভারত রর. পাকিস্তান
ররর. শ্রীলঙ্কা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৮৬. জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করার কৌশল হলো (অনুধাবন)
[ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়]
র. জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা রর. স্বাস্থ্য ও পুষ্টি কার্যক্রমের প্রসার
ররর. কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও ররর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন -১  নিচের ছকটি দেখে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

ক্রমিক নং দেশ প্রতি বর্গ কি.মি. জনসংখ্যা মাথাপিছু আয় (মার্কিন ডলারে)
১ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ৩২ ৫১,১৬৩
২ ভারত ৩৮২ ১,৫১৬
৩ বাংলাদেশ ১০১৫ ১,১৯০
ক. ২০১০ সালে বাংলাদেশ কোন ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য জাতিসংঘ পুরস্কার লাভ করেছে?
খ. জনসংখ্যা নীতি বলতে কী বোঝায়?
গ. উপরের তালিকা অনুসারে বাংলাদেশের উন্নয়নের পথে বাধা কোনটি? বর্ণনা কর।
ঘ.ছকে বর্ণিত ২নং দেশের অভিজ্ঞতার আলোকে কীভাবে বাংলাদেশ জনসম্পদে সমৃদ্ধ হতে পারবে- আলোচনা কর।
 ১নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. ২০১০ সালে বাংলাদেশ শিশুমৃত্যু হ্রাসের ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য জাতিসংঘ পুরস্কার লাভ করেছে।
খ. সাধারণভাবে দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকেই দেশটির জনসংখ্যা নীতি বলা হয়। দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ নীতি প্রণয়ন করা হয়। এ নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
গ. উপরের তালিকা অনুসারে বাংলাদেশের উন্নয়নের পথে বাধা হলো অধিক জনসংখ্যা।
জনসংখ্যা ও উন্নয়ন এই বিষয় দুটি একে অপরের সাথে সম্পর্কিত। তালিকায় দেখা যায়, বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০১৫ জন লোক বাস করে। অন্যদিকে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতে প্রতি বর্গকিলোমিটারে লোক বাস করে যথাক্রমে ৩২ জন ও ৩৮২ জন। অর্থাৎ বাংলাদেশের ক্ষুদ্র আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা অনেক বেশি। জনসংখ্যার তুলনায় সম্পদের পরিমাণও কম। সুতরাং স্বল্প সম্পদের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ জনসংখ্যার চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়; ফলে দেশের উন্নয়ও সম্ভব নয়। বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় মাত্র ১,১৯০ মার্কিন ডলার যেখানে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৫১,১৬৩ এবং ১,৫১৬ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কম হওয়ার প্রধান কারণ অধিক জনসংখ্যা এবং এটিই বাংলাদেশের উন্নয়নের পথে প্রধান বাধা।
ঘ. ছকে বর্ণিত ২নং দেশ হচ্ছে ভারত। ভারতের অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশ যেভাবে জনসম্পদে সমৃদ্ধ হতে পারবে তা নিচে আলোচনা করা হলোÑ
ভারতে বিপুল পরিমাণ জনসংখ্যা বিদ্যমান। কিন্তু ভারত এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে পরিণত করার ক্ষেত্রে সাফল্য দেখিয়েছে। কারণ তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারত বেশ এগিয়ে। আমেরিকার মতো উন্নত দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ২৩ ভাগ ভারতীয় দক্ষ জনশক্তির ওপর নির্ভরশীল।
সুতরাং আমাদের দেশেও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করে জনসংখ্যাকে সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব। দেশের অশিক্ষিত ও কর্মহীন জনগোষ্ঠী বিশেষ করে তরুণদের জন্য শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে জনসংখ্যাকে অনায়াসে জনসম্পদে পরিণত করা সম্ভব। তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে উন্নয়নের পাশাপাশি আরও কিছু কৌশল গ্রহণ করে বিপুল পরিমাণ জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করা যেতে পারে।

প্রশ্ন -২ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
হাসনা ও আয়না দুই বান্ধবী। হাসনারা দুই ভাইবোন। তার বাবা স্বল্প বেতনে চাকরি করলেও পরিবারে অভাব অনটন নেই। কিন্তু আয়নারা ছয় ভাইবোন। তার বাবার আয় রোজগার বেশী হলেও পরিবারে নানা সমস্যা লেগেই আছে।
ক. সরকার কত সালের মধ্যে ‘সবার জন্য শিক্ষা’ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ? ১
খ. জনসংখ্যাকে কীভাবে জনসম্পদে রূপান্তরিত করা সম্ভব? ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত আয়নার পরিবার কী কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.“হাসনার পরিবার সুখী পরিবার” তোমার মতামতের সপক্ষে যুক্তি দাও। ৪
 ২নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. সরকার ২০১৫ সালের মধ্যে সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।
খ. উপযুক্ত পরিকল্পনা নিয়ে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা যায়। অর্থাৎ কোনো দেশের অশিক্ষিত ও কর্মহীন জনগোষ্ঠী বিশেষ করে তরুণদের জন্য শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে জনসংখ্যাকে অনায়াসে জনসম্পদে পরিণত করা সম্ভব।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত আয়নার পরিবার অধিক জনসংখ্যাজনিত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
অধিক জনসংখ্যা খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসস্থান সংকটের মতো নানাবিধ সমস্যার সৃষ্টি করে। আমরা উদ্দীপকে লক্ষ করি, আয়নারা ছয় ভাইবোন। তার বাবার আয় রোজগার বেশি হওয়া সত্তে¡ও তাদের পরিবারে নানা সমস্যা লেগেই আছে। এ ধরনের পরিবার সাধারণত পুষ্টিহীনতা, স্বাস্থ্যহীনতা প্রজনন সমস্যা, ছেলে মেয়েদের স্কুলের খরচ বহনে অক্ষমতা, পড়ালেখার সুযোগ না থাকা, আবাসনের সংকট ইত্যাদি সমস্যায় জর্জরিত থাকে। যার প্রতিবিম্ব আমরা আয়নার পরিবারে লক্ষ করি।
ঘ. হাসনার পরিবার তথা ছোট পরিবার সুখী পরিবারএকথার সাথে আমি একমত পোষণ করি।
বাংলাদেশ সরকার দুটি সন্তানের পরিবার গড়ার জাতীয় লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এটিকে ছোট পরিবারও বলা যায়। আমরা উদ্দীপকে লক্ষ করি, হাসনারা দুই ভাইবোন। তার বাবা স্বল্প বেতনে চাকুরি করলেও পরিবারের অভাব অনটন নেই। কারণ পরিবারের সদস্য কম হওয়ায় তাদের চাহিদাও কম। খাদ্য, শিক্ষা, বস্ত্র, চিকিৎসা ও বাসস্থান কোনো কিছুতেই ঝামেলা পোহাতে হয় না। পরিবারের সদস্য বেশি হলে অনেক সময় তাদের মৌলিক চাহিদাও পূরণ হয় না। যা উদ্দীপকের আয়নার পরিবারে পরিলক্ষিত হয়। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে হাসনার পরিবার সুখী পরিবার-কথাটি আমি যথার্থভাবেই সমর্থন করি।

 

 

 

প্রশ্ন -৩ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ
ক খ
নিরক্ষরতা দূরীকরণ মা ও শিশুর স্বাস্থ্য
নারী শিক্ষার প্রসার ও টিকা প্রদান
স্বাস্থ্য ও পরিবার বাল্যবিবাহ রোধ
কল্যাণমূলক কাজ প্রশিক্ষণ
রেজিস্ট্রেশন এবং কর্মসংস্থান ধর্মীয় নেতাদের উদ্বুদ্ধকরণ
ক. বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে কতজন লোক বাস করে? ১
খ. জনসংখ্যা নীতি বলতে কী বোঝায়? ২
গ. উপরে উল্লিখিত ‘ক’ ছকের কাজগুলো কার উদ্যোগে সম্পাদিত হয় ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.“ক” ও “খ” ছকের উদ্যোগগুলো কার্যকরের মাধ্যমে একটি রাষ্ট্রের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।”-উক্তিটি বিশ্লেষণ কর। ৪
 ৩নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০১৫ জন লোক বাস করে।
খ. কোনো দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে যে নীতি গ্রহণ করা হয় তাকেই বলা হয় দেশটির জনসংখ্যানীতি। দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতি প্রণয়ন করা হয়।
গ. উপরে উল্লিখিত ‘ক’ ছকের কাজগুলো সরকারের উদ্যোগে সম্পাদিত হয়।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকার কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যেমন-
র. নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও শিক্ষার হার বাড়ানোর জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
রর. সরকার নারীশিক্ষার প্রসারের প্রসারের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যেমন প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে পাঠ্যবই সরবরাহ এবং ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।
ররর. সরকার নাগরিকদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। একই সঙ্গে পরিবার ছোট রাখার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কার্যক্রম চালু রয়েছে।
রা. কাজী অফিসে বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আয়বৃদ্ধিমূলক কাজে নারীদের অংশগ্রহণের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে।
উপরিউল্লিখিত উদ্যোগগুলোর সাথে ‘ক’ ছকের কাজগুলোর মিল রয়েছে। তাই আমরা ‘ক’ ছকের কাজগুলোকে সরকারি উদ্যোগ বলতে পারি।
ঘ. ‘ক’ ও ‘খ’ তথা সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগগুলো কার্যকরের মাধ্যমে যেকোনো রাষ্ট্রের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
বাংলাদেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগগুলো হলো : নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও শিক্ষার হার বাড়ানো; নারী শিক্ষা প্রসারের কর্মসূচি; নাগরিকদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতকরণ; কাজী অফিসে বিয়ে রেজিস্ট্রেশন, নারীদের আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ। এছাড়াও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কিছু বেসরকারি উদ্যোগ রয়েছে। যেমন গ্রাম ও শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে পরিবার ছোট রাখার পরামর্শ ও শিক্ষা দেওয়া; পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণে তাদের উৎসাহ দেওয়া; মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, টিকা, ইনজেকশন ও পুষ্টি শিক্ষা বিষয়ে সেবা প্রদান; দুই সন্তানের পরিকল্পিত পরিবার গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়ন; বাল্যবিবাহ রোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি; ধর্মীয় নেতাদের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা ইত্যাদি।
উপরোক্ত সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগগুলো এতটাই ব্যাপক যে তা কার্যকর করলে একটি রাষ্ট্রের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
প্রশ্ন -৪ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ময়না বেগম একজন গৃহকর্ত্রী। বিদেশি একটি সংস্থায় কর্মরত শাহীনা বেগমের পরামর্শে দুই সন্তানের জননী। সে আর সন্তান নিতে চায় না। কারণ বেশি মানুষের কারণে সমাজে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়। অথচ এ জনসংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে সমস্যার সমাধান সম্ভব।
ক. আমাদের দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে কতজন লোক বসবাস করে? ১
খ. কুটির শিল্পের ধারণাটি ব্যাখ্যা কর। ২
গ. ময়নার দৃষ্টিভঙ্গি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কোন উদ্যোগ দ্বারা প্রভাবিত? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. শেষোক্ত উক্তিটিতে উল্লিখিত ব্যক্তিদের কীভাবে সম্পদে পরিণত করা যায়? বিশ্লেষণ কর। ৪
 ৪নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. আমাদের দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০১৫ জন লোক বসবাস করে।
খ. কুটির শিল্প বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যবিশিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়। সাধারণত স্বামী স্ত্রী, পুত্র-কন্যা, ভাইবোন ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সহায়তায় কুটির শিল্প পরিচালিত হয়। তারা পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন সময়ে উৎপাদন বা সেবা কাজে জড়িত থাকে। ছোট জায়গা, স্বল্প মূলধন ও কারিগরি জ্ঞান নিয়ে যে কেউ সহজে এ শিল্প গঠন করতে পারে।
গ. ময়নার দৃষ্টিভঙ্গি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বেসরকারি উদ্যোগ দ্বারা প্রভাবিত।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বেসরকারিভাবে কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো ‘দুই সন্তানের পরিকল্পিত পরিবার গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়ন।’ বাংলাদেশ সরকার দুটি সন্তানের পরিবার গড়ার জাতীয় লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বেসরকারি সংস্থাগুলো এই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে। পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্যও তারা কাজ করছে। আমরা উদ্দীপকের ময়না বেগমকে দেখি বিদেশি একটি সংস্থায় কর্মরত শাহীনা বেগমের পরামর্শে দুই সন্তান গ্রহণ করতে। সুতরাং আমরা বলতে পারি ময়নার দৃষ্টিভঙ্গি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বেসরকারি উদ্যোগ দ্বারা প্রভাবিত।
ঘ. শেষোক্ত উক্তিটিতে উল্লিখিত ব্যক্তিদের তথা জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করতে হলে নিম্নোক্ত কৌশলগুলো অবলম্বন করতে হবে।
ক্স কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা
ক্স দক্ষতাবৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম স¤প্রসারণ
ক্স প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার প্রসার
ক্স নারীশিক্ষার প্রসার
ক্স স্বাস্থ্য ও পুষ্টি কার্যক্রমের প্রসার
ক্স উৎপাদনমুখী খাতের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ
ক্স কৃষিভিত্তিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের স¤প্রসারণ
ক্স কর্মসংস্থানের জন্য কৃষির আধুনিকীকরণ
ক্স ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিস্তার
ক্স সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রচুর বৃত্তির ব্যবস্থা করে অধিক সংখ্যক মেধাবী শিক্ষার্থীকে শিক্ষা ও উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য বিশ্বের উন্নত ও প্রযুক্তি নির্ভর দেশগুলোতে প্রেরণ।
প্রশ্ন -৫ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
২০১১ সালের ৩১ অক্টোবর পৃথিবী তার ৭০০ কোটি জনসংখ্যাকে স্বাগত জানায়। পাশাপাশি জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা বলেন, ২০৫০ সালে এ পৃথিবীর জনসংখ্যা হবে ৭৩০ কোটি। চীনের সরকারের মতো যদি এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া যায় তবে জনসংখ্যা এত বেশি বাড়বে না। চীন দেশে প্রত্যেক পরিবারকে একটি সন্তান নেওয়ার ব্যাপারে কঠোরভাবে বলা হয়েছে। চীনের সরকার এই বিষয়টির উপর খুব কঠোরভাবে গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
ক. কোন দিনটিতে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়? ১
খ. সা¤প্রদায়িক ভিত্তিতে পরিবার পরিকল্পনা বলতে কী বোঝ? ২
গ. বাংলাদেশ সরকার কি চীনের মতো কোনো পরিকল্পনা নিতে পারে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া পদক্ষেপসমূহ বর্তমান প্রেক্ষাপট অনুযায়ী সঠিক- বিশ্লেষণ কর। ৪
 ৫নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. ২রা ফেব্রæয়ারি জাতীয় জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়।
খ. সা¤প্রদায়িক ভিত্তিতে পরিবার পরিকল্পনা হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের একটি বেসরকারি উদ্যোগ। এই প্রকল্পের আওতায় গ্রাম ও শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে পরিবার ছোট রাখার জন্য পরামর্শ ও শিক্ষা দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, টিকা, ইন জেকশন ও পুষ্টি শিক্ষা বিষয়েও সেবা প্রধান করা হয়।
গ. হ্যাঁ বাংলাদেশ সরকার চীনের মতো পরিকল্পনা নিতে পারে। সাধারণভাবে দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকে বলা হয় দেশটির জনসংখ্যা নীতি। দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ নীতি প্রণয়ন করা হয়। এ নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি করা এবং দেশের আর্থ- সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
উদ্দীপকে দেখি চীন একসন্তান নীতি গ্রহণ করেছে। যেহেতু বাংলাদেশ চীনের মতো জনবহুল দেশ এবং দেশটি জনসংখ্যার আধিক্য সমস্যায় ভুগছে, সেহেতু বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য এক সন্তাননীতি গ্রহণ করা যেতে পারে।
ঘ. জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ বর্তমান প্রেক্ষাপট অনুযায়ী সঠিক।
বর্তমানে সরকার নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও শিক্ষার হার বাড়ানোর জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সরকার নারীশিক্ষার প্রসারের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সরকার নাগরিকদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। একই সঙ্গে পরিবার ছোট রাখার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কার্যক্রম চালু রয়েছে। কাজি অফিসে বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচিতে নারীদের অংশগ্রহণের উপর সরকার গুরুত্ব আরোপ করেছে। তাছাড়া পোশাকশিল্প, কারুশিল্প ও অন্যান্য হস্ত ও কুটিরশিল্পেও নারীরা বর্তমানে বেশিসংখ্যায় অংশ নিচ্ছে। এগুলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখবে।
সরকারে নেওয়া এ পদক্ষেপসমূহ বর্তমান সময়োপযোগী। কেননা বাংলাদেশের বর্তমান আর্থসামাজিক অবস্থায় এ পদক্ষেপ সমূহের বিকল্প নেই। তাই বলা যায়, জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া পদক্ষেপসমূহ বর্তমান প্রেক্ষাপট অনুযায়ী সঠিক।
প্রশ্ন -৬ ল্ফ নিচের ছকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

ক. আমেরিকায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে কতজন লোক বাস করে? ১
খ. জনসংখ্যানীতি কী? ২
গ. উদ্দীপকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কোন উদ্যোগের প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.তুমি কি মনে কর উক্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করা সম্ভব? মতামত দাও। ৪
ল্ফল্প ৬নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. আমেরিকায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩২ জন লোক বাস করে।
খ. সাধারণভাবে দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকেই দেশটির জনসংখ্যা নীতি বলা হয়। দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ নীতি প্রণয়ন করা হয়। এ নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
গ. উদ্দীপকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগের প্রতিফলন ঘটেছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির বর্তমান হার নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে। যেমনÑ
১. নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও শিক্ষার হার বাড়ানোর জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।
২. সরকার নারীশিক্ষার প্রসারের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বিনামূল্যে বই ও উপবৃত্তির ব্যবস্থা করেছে।
৩. সরকার নাগরিকদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে।
৪. কাজি অফিসে বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের ওপর জোর দিয়েছে।
৫. হাঁস-মুরগির খামার ও মাছ চাষের মতো আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচিতে নারীদের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।
আলোচ্য উদ্দীপকের নারী কর্মসংস্থান, শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা ও বিবাহ রেজিস্ট্রেশনের বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগের প্রতিফলন ঘটেছে।
ঘ. উদ্দীপকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগের প্রতিফলন ঘটেছে। আমি মনে করি সরকারি উদ্যোগের এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করা সম্ভব।
সরকার ২০১৪ সালের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর ও ২০১৫ সালের মধ্যে সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। যার বাস্তবায়ন হলে জনগণের গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মক্ষম হবে। ফলে জনসংখ্যা বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিণত হবে।
সরকার নারী শিক্ষার প্রসারের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যেমন প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে পাঠ্যবই সরবরাহ এবং ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। যা নারীদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন পরিবেশ থেকে বের করে বাস্তবধর্মী ও কর্মক্ষম যোগ্য মানুষে পরিণত করবে। ফলে জনসংখ্যা বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিণত হবে।
হাঁস-মুরগির খামার ও মাছ চাষের মতো আয়মূলক কর্মসূচিতে নারীদের অংশগ্রহণের ওপর সরকার গুরুত্বারোপ করেছে। তাছাড়া পোশাক শিল্প ও অন্যান্য হস্ত ও কুটির শিল্পেও নারীরা বর্তমানে বেশি সংখ্যক অংশ নিচ্ছে। ফলে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে নারীরা জনসম্পদে পরিণত হবে।
এছাড়া বিবাহ রেজিস্ট্রেশন স্বাস্থ্যসেবা সরকারের এসব উদ্দেশ্যও জনসংখ্যাকে সীমিত করে সুযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে জনসম্পদে পরিণত করতে পারে।
জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার উল্লিখিত কার্যক্রমগুলোই উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রশ্ন -৭ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
পাতারচর গ্রামের শিক্ষিত তরুণ শাহেদ ঐ স্থানের যুবকদের নিয়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাসকল্পে সরকার প্রদত্ত বিভিন্ন পোস্টার সংগ্রহ করে এলাকায় বিলি করেন। অতিরিক্ত জনসংখ্যার খারাপ দিক তুলে ধরে পথ নাটক এবং শর্টফিল্ম তৈরি করে প্রদর্শন করেন। তার ছোট বোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া রাশেদা নারীদের বøক, বাটিক, সেলাই, দর্জি বিজ্ঞানের এবং স্বাস্থ্য ও পুষ্টির প্রশিক্ষণ দেন।
ক. জনসংখ্যা সম্পর্কিত বাংলাদেশের সেøাগান কী? ১
খ. জনসংখ্যা নীতি বলতে কি বোঝায়? ২
গ. উদ্দীপকের তরুণ শাহেদ তার এলাকায় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কোন ধরনের কাজ করছেন? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.তুমি কি মনে কর, রাশেদার কাজ জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করবে? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। ৪
ল্ফল্প ৭নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. জনসংখ্যা সম্পর্কিত বাংলাদেশের শ্লোগান হলোÑ ‘ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট’।
খ. সাধারণভাবে দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকেই দেশটির জনসংখ্যা নীতি বলা হয়। দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ নীতি প্রণয়ন করা হয়। এ নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
গ. উদ্দীপকের তরুণ শাহেদ তার এলাকায় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে যে ধরনের কাজ করছেন তাহলো সচেতনতা কার্যক্রম। জনসংখ্যা সমস্যা মোকাবিলায় বেসরকারি সংস্থাগুলো জনগণকে সচেতন করার জন্য নানা উপকরণ তৈরি ও ব্যবহার করে। যেমন : পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সাময়িকী, পোস্টার, ক্যালেন্ডার, চার্ট, নিউজলেটার, ডকুমেন্টারি ফিল্ম ইত্যাদি। অনুরূপভাবে উদ্দীপকেও দেখা যায়, পাতারচর গ্রামের শিক্ষিত তরুণ শাহেদ ঐ স্থানের যুবকদের নিয়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাসকল্পে সরকার প্রদত্ত বিভিন্ন পোস্টার সংগ্রহ করে এলাকায় বিলি করেন। অতিরিক্ত জনসংখ্যার খারাপ দিক তুলে ধরে পথ নাটক এবং শার্টফিল্ম তৈরি করে প্রদর্শন করেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের তরুণ শাহেদ তার এলাকায় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে যে ধরনের কাজ করছেন তাহলো সচেতনতা কার্যক্রম।
ঘ. হ্যাঁ, আমি মনে করি রাশেদার কাজ জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করবে। উদ্দীপকের বর্ণিত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া রাশেদা নারীদের বøক, বাটিক, সেলাই, দর্জি বিজ্ঞানের এবং স্বাস্থ্য ও পুষ্টির প্রশিক্ষণ দেন যা জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করার অন্যতম কৌশল, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিস্তার এবং স্বাস্থ্য ও পুষ্টি কার্যক্রমের প্রসারকে নির্দেশ করে।
সম্পদ যেখানে সীমিত সেখানে একটি দেশের বিশাল জনসংখ্যা তার জন্য বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তবে উপযুক্ত পরিকল্পনা নিয়ে জনসংখ্যাকে জনসম্পদেও পরিণত করা যায়। বিশ্বের অনেক দেশ ইতোমধ্যে তাদের বিশাল জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করেছে। এ ব্যাপারে আমরা চীনের উদাহরণ দিতে পারি। বাংলাদেশ সরকারও এদেশের যুবশক্তিকে সম্পদে রূপান্তরের জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আগামী দিনে যার সুফল পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়। আমাদের দেশে জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করার জন্য নেয়া বিভিন্ন কৌশলের মধ্যে দুটি কৌশল উদ্দীপকে বর্ণিত রাশেদা গ্রহণ করেছে। কাজেই বলা যায়, রাশেদার কাজ জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করবে।
প্রশ্ন -৮ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
দরিদ্র পরিবারের মেধাবী ছাত্রী জাকেরা প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশে যায়। প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরে সে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় জনসংখ্যাবিষয়ক প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ক. বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় কত? ১
খ. শিশু ও নারীর অপুষ্টির হার কমিয়ে আনা প্রয়োজন কেন? ২
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কীভাবে ভ‚মিকা রাখছেÑ ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা জাকেরাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করেছেÑ তুমি কি একমত? ৪
ল্ফল্প ৮নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় ১,১৯০ মার্কিন ডলার।
খ. স্বাস্থ্যবান জাতি গঠনের জন্য শিশু ও নারীর অপুষ্টির হার কমিয়ে আনা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যবান জাতি উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনসম্পদে পরিণত হয়। তারা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখে। ফলে দেশ উন্নতির পথে এগিয়ে যায়। তাই শিশু ও নারীর অপুষ্টির হার কমিয়ে আনা প্রয়োজন।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি হচ্ছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি উদ্যোগ। উদ্দীপকে বর্ণিত জাকেরা একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন যা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি উদ্যোগকে নির্দেশ করে।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশে কর্মরত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো বিভিন্ন ধরনের কাজ করে যাচ্ছে। যেমনÑ গ্রাম ও শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে পরিবার ছোট রাখার জন্য পরামর্শ ও শিক্ষা দেওয়া, তাদের পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণে উৎসাহ দেওয়া, দুটি সন্তানের পরিবার গড়ার জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে কাজ করা, বাল্যবিবাহ রোধ করার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা, পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি সম্পর্কে জনগণকে প্রশিক্ষিত করা, জনসংখ্যা সমস্যা সম্পর্কে সচেতন করা এবং জনসংখ্যা হ্রাসে ধর্মীয় নেতাদের উদ্বুদ্ধ করা ইত্যাদি।
ঘ. প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা জাকেরাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করেছে বলে আমি মনে করি।
কারণ জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করার অন্যতম কৌশল হচ্ছে প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার এবং সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রচুর বৃত্তির ব্যবস্থা করে অধিক সংখ্যক মেধাবী শিক্ষার্থীকে শিক্ষা ও উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য বিশ্বের উন্নত ও প্রযুক্তিনির্ভর দেশগুলোতে প্রেরণ। উদ্দীপকে বর্ণিত জাকেয়া ও একজিবিই করেছে। সম্পদ যেখানে সীমিত সেখানে একটি দেশের বিশাল জনসংখ্যা তার জন্য বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তবে উপযুক্ত পরিকল্পনা নিয়ে জনসংখ্যাকে জনসম্পদেও পরিণত করা যায়। বিশ্বের অনেক দেশ ইতোমধ্যে তাদের বিশাল জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করেছে। এ ব্যাপারে আমরা চীনের উদাহরণ দিতে পারি। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত ও শ্রীলঙ্কা জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার ক্ষেত্রে সাফল্য দেখিয়েছে।
আমাদের দেশও বিগত বছরগুলোতে তথ্যপ্রযুক্তিখাতে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে।
সরকারের এরূপ উদ্যোগের ফলেই উদ্দীপকে বর্ণিত দরিদ্র পরিবারের মেধাবী ছাত্রী জাকেরা প্রযুক্তি নির্ভর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন এবং বিদেশ থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়েছেন এবং জনসম্পদে পরিণত হয়েছেন।
প্রশ্ন -৯ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
সাফিন বিশ্বদ্যিালয়ের কম্পিউটার বিষয়ে পড়ালেখা করছে। তার বাবা একটি কাপড়ের দোকানে চাকরি করেন। মা একজন গৃহিণী। তার মা নিজ এলাকার একটি বেসরকারি সংস্থার নিকট থেকে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং পরিবার ছোট রাখার জন্য যথেষ্ট জ্ঞানলাভ করেছেন। সাফিনের একমাত্র বোনকেও তার মা-বাবা প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়ে লেখাপড়া করাতে চান।
ক. জনসংখ্যা সম্পর্কে বাংলাদেশের ¯েøাগান কী? ১
খ. বাংলাদেশের জনসংখ্যা নীতির একটি উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা কর। ২
গ. সাফিনদের পরিবারে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি সংস্থার কোন উদ্যোগটি বা কার্যক্রমটি বিশেষভাবে কার্যকর? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.সন্তানদের জন্য সাফিনের বাবা-মায়ের সচেতনতাই তাদেরকে জনসম্পদে পরিণত করবে”Ñ মতামত দাও। ৪
ল্ফল্প ৯নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. জনসংখ্যা সম্পর্কে বাংলাদেশের ¯েøাগান হলোÑ ‘ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট।’
খ. বাংলাদেশের জনসংখ্যা নীতির কতকগুলো উদ্দেশ্য রয়েছে। এগুলোর মধ্যে একটি উদ্দেশ্য হলো :
দেশের সব মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সেবা পৌঁছে দেওয়া। বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য পরিবার পরিকল্পনার সুযোগ ও অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
গ. সাফিনদের পরিবারে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি সংস্থার যে উদ্যোগটি বা কার্যক্রমটি বিশেষভাবে কার্যকর তাহলো কমিউনিটিভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা প্রকল্প।
এ প্রকল্পের আওতায় গ্রাম ও শহরে দরিদ্র পরিবারগুলোতে যাতে সন্তান সংখ্যা বেশি না হয় সেজন্য নানা পরামর্শ ও শিক্ষা দেয়া হয়। পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণে তাদের উৎসাহ দেওয়া হয়। প্রকল্পটির আওতায় মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, টিকা, ইনজেকশন ও পুষ্টি শিক্ষা বিষয়েও সেবা প্রদান করা হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত সাফিনের মা নিজ এলাকার একটি বেসরকারি সংস্থার নিকট থেকে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং পরিবার ছোট রাখার জন্য জ্ঞানলাভ করেছেন যা কমিউনিটিভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা প্রকল্পের কার্যক্রমের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. সন্তানদের জন্য সাফিনের বাবা-মায়ের সচেতনতাই তাদেরকে জনসম্পদে পরিণত করবে বলে আমি মনে করি। কারণ সন্তানকে জনসম্পদে পরিণত করার ক্ষেত্রে বাবা-মা গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে। উদ্দীপকে বর্ণিত সাফিন বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিষয়ে পড়ালেখা করছে। তার একমাত্র বোনকেও তার মা-বাবা প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়ে লেখাপড়া করাতে চান যা সাফিন ও তার বোনকে জনসম্পদে পরিণত করবে। কারণ জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার একটি কৌশল হচ্ছে প্রযুক্তি শিক্ষা।
বিশ্বের অনেক দেশ ইতোমধ্যে তাদের বিশাল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করেছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত ও শ্রীলঙ্কা জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার ক্ষেত্রে সাফল্য দেখিয়েছে। বিশেষ করে তথ্য-প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারত আজ বেশ এগিয়ে। এমন কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশেরও তথ্য-প্রযুক্তিখাতের ২৩ ভাগ ভারতীয় দক্ষ জনশক্তির ওপর নির্ভরশীল। কাজেই উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সন্তানদের জন্য সাফিনের বাবা-মায়ের সচেতনতাই তাদেরকে জনসম্পদে পরিণত করবে।

প্রশ্ন -১০ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
জনাব গিয়াস আজম তার এলাকার উন্নয়নের লক্ষ্যে আদমশুমারি করে দেখলেন এলাকার বিপুল সংখ্যক লোক অশিক্ষিত যা উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। পরিণতিতে জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রতিকার স্বরূপ তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার পাশাপাশি নারী শিক্ষার নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তিনি মনে করেন আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নে এ জনতাই কাজ করবে।
ক. বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে কতজন লোক বাস করে? ১
খ. জনসংখ্যাকে একটি দেশের জন্য কখনো বোঝা, আবার কখনো সম্পদ বলা হয় কেন? ২
গ. উদ্দীপকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কোন পদক্ষেপটির ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.আর্থসামাজিক উন্নয়নে জনসংখ্যানীতির ভ‚মিকা বিশ্লেষণ কর। ৪
ল্ফল্প ১০নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০১৫ জন লোক বাস করে।
খ. জনসংখ্যা ও জনসম্পদ পরস্পর সম্পর্কিত ধারণা। জনসংখ্যাকে একটি দেশের জন্য কখনো বোঝা, আবার কখনো সম্পদ বলা হয়। দেশের সম্পদের তুলনায় যদি জনসংখ্যা অধিক হয়, তখন জনসংখ্যা উক্ত দেশের জন্য বোঝা। তবে এ জনসংখ্যা যদি নির্ভরশীল ও অদক্ষ হয়, তাহলে অধিক বোঝা। আবার সম্পদের তুলনায় যদি জনসংখ্যা কম হয় এবং এ জনসংখ্যা যদি দক্ষ ও উৎপাদনশী হয়, তাহলে এ জনসংখ্যাকে বলা হয় সম্পদ।
গ. উদ্দীপকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে জন্য নারীশিক্ষার প্রসারের বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির বর্তমান হার কমিয়ে আনার জন্য সরকার যে পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করেছে, তার মধ্যে নিম্নলিখিত পদক্ষেপটি বেশি কার্যকর। সরকার নারী শিক্ষার প্রসারের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যেমনটি উদ্দীপকের জনাব গিয়াস আজমের কর্মকাণ্ডেও প্রকাশ পেয়েছে। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে পাঠ্যবই সরবরাহ এবং ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের বিনা বেতনে শিক্ষা এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ছাত্রীদের বৃদ্ধি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যারা অশিক্ষিত মহিলা, তারা অনেক সন্তান জন্ম দেয়। তাই নারীরা শিক্ষিত হলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
ঘ. জনসংখ্যানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় উত্তম স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমূলক সেবা পৌঁছে দেওয়া। জনগোষ্ঠীর নিকট প্রয়োজনীয় খাদ্য ও স্বাস্থ্য-শিক্ষা পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে শিশু ও নারীর অপুষ্টির হার কমিয়ে আনা। দেশের ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত নারী ও শিশুর স্বস্থ্যের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া, মায়েদের প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা। দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠী এবং মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা। উদ্দীপকের জনাব গিয়াস আজমও তার এলাকার উন্নয়নে জনসংখ্যার এ নীতি কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার প্রয়াস পান। বাংলাদেশের জনসংখ্যানীতির এসব গুরুত্বপূর্ণ ধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এসবই জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নের সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালনকারী।
সুতরাং একথা বলা যায় যে, জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে জনসংখ্যানীতির গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রয়েছে।
প্রশ্ন -১১  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
হাফিজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। একদিন আর. সি. মজুমদার মিলনায়তনে জনসংখ্যাবিষয়ক সেমিনার হয়। সেখানে হাফিজ উপস্থিত ছিল। সেমিনারে বিভিন্ন বক্তা জনসংখ্যার ভয়াবহ দিক সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ৈ পরিকল্পনা গ্রহণ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ক. বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে কতজন লোক বাস করে? ১
খ. জনসম্পদ বলতে কী বোঝায়? ২
গ. উদ্দীপকে কোন বিষয়ের প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.উক্ত বিষয়ের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যসমূহ আলোচনা কর। ৪
ল্ফল্প ১১নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০১৫ জন লোক বাস করে।
খ. জনসংখ্যা যদি দক্ষ এবং পেশাজীবী হয় তবে জনসম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। আবার সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা কম হলে সেই জনসংখ্যাকে জনসম্পদ বলা যায়। আবার দেশের সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা অধিক হলে সেই জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করলে জনসম্পদে পরিণত হয়।
গ. উদ্দীপকে জনসংখ্যা নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
সাধারণভাবে দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকেই বলা হয় দেশটির জনসংখ্যানীতি। দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতি প্রণয়ন করা হয়। এ নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
উদ্দীপকে বর্ণিত হাফিজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। একদিন আর. সি. মজুমদার মিলনায়তনে জনসংখ্যা বিষয়ক সেমিনারে সে উপস্থিত ছিল। উক্ত সেমিনারে বিভিন্ন বক্তা জনসংখ্যার ভয়াবহ দিক সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন যা জনসংখ্যানীতিকে নির্দেশ করে।
ঘ. উক্ত বিষয়টি হলো জনসংখ্যানীতি। জনসংখ্যানীতির মূল লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থসামজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। নিচে বাংলাদেশের জনসংখ্যানীতির লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যসমূহ আলোচনা করা হলো :
১. দেশের সব মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সেবা পৌঁছে দেয়া।
২. পরিবার, পরিকল্পনা কর্মসূচি ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা।
৩. শিশু ও নারীর অপুষ্টির হার কমিয়ে আনা।
৪. ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা এবং থানা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সার্বক্ষণিক ডাক্তার, নার্স ও প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা। প্রতিটি গ্রামে প্রসূতিদের নিরাপদ সন্তান জন্মদানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
৫. প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা স¤প্রসারণের মাধ্যমে সর্বত্র ও সকলের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়া।
৬. দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা।
৭. দেশের প্রবীণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
প্রশ্ন -১২ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
জরিনা ও সখিনা দুই বোন। অল্প শিক্ষিত জরিনার গ্রামে হাঁস-মুরগির খামার আছে। এই কাজে সে সারাদিন ব্যস্ত থাকে। আয় দিয়ে সংসারের খরচ চালিয়ে দুই সন্তানের লেখাপড়াও চলছে। অন্যদিকে ১৫ বছর বয়সে সখিনার বিয়ে হয়। পাঁচ সন্তান নিয়ে তার সংসার চালাতে বেশ কষ্ট হয়।
ক. বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত ডলার? ১
খ. নারী শিক্ষা প্রসারে সরকারের গৃহীত কর্মসূচিটি বর্ণনা কর। ২
গ. জরিনার হাঁস-মুরগির খামার প্রতিষ্ঠায় সরকারের যে কর্মসূচির প্রতিফলন ঘটেছে তার ব্যাখ্যা করো। ৩
ঘ.সখিনার পরিবারে জনসংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে কোন কারণটি দায়ী বরে তুমি মনে করÑ যুক্তিসহ বর্ণনা কর। ৪
ল্ফল্প ১২নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১,১৯০ ডলার।
খ. সরকার নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে পাঠ্যবই সরবরাহ করছে। এছাড়া ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি প্রদান করছে।
গ. জরিনার হাঁস-মুরগির খামার প্রতিষ্ঠায় সরকারের আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচির প্রতিফলন ঘটেছে। অল্প শিক্ষিত জরিনার গ্রামে হাঁস-মুরগির খামার আছে। এই কাজে সে সারাদিন ব্যস্ত থাকে। তার আয় দিয়ে সংসারের খরচ চালিয়ে দুই সন্তানের লেখাপড়াও চলছে যা সরকারের আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
হাঁস-মুরগির খামার ও মাছ চাষের মতো আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচিতে নারীদের অংশগ্রহণের ওপর সরকার গুরুত্ব আরোপ করেছে। তাছাড়া পোশাক শিল্প, কারুশিল্প ও অন্যান্য হস্ত ও কুটিরশিল্পেও নারীরা বর্তমানে বেশি সংখ্যায় অংশ নিচ্ছে।
ঘ. সখিনার পরিবারে জনসংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে যে কারণটি দায়ী বলে আমি মনে করি তাহলো দুই সন্তানের পরিকল্পিত পরিবার গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নের অভাব।
উদ্দীপকের সখিনার কোনো পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণ করে নি। ফলে সে পাঁচ সন্তানের জননী এবং পাঁচ সন্তান নিয়ে তার সংসার চালাতে বেশ কষ্ট হচ্ছে। সে যদি পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণ করত এবং দুটি সন্তানের পরিবার গড়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করত তাহলে তার সংসারে অভাব দেখা দিত না। সে সচ্ছলভাবে জীবনযাপন করতে পারত এবং সন্তানদের সঠিকভাবে লালনপালন করতে পারত।

সৃজনশীল প্রশ্নব্যাংক

প্রশ্ন-১৩  তিন মাস অতিবাহিত হলো; পলাশ ও সোহেলি খাতুন বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েছে। প্রতিদিন পলাশ কাজ করতে বের হয়। তাই আজও সকালে পলাশ কাজের উদ্দেশে ঘর থেকে বের হয়েছে। রাস্তায় এসে সে দেখতে পায় জনসংখ্যা নীতি সম্পর্কিত একটি পদযাত্রা পরিচালিত হচ্ছে। পদযাত্রার সবাই স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী। তাদের ¯েøাগানÑ ‘ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট।’ ফলে পলাশ জনসংখ্যা নীতির ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে ওঠে।
ক. জনসংখ্যা নীতি কী? ১
খ. জনসংখ্যা নীতির মুখ্য উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা কর। ২
গ. পলাশ কী পদক্ষেপ গ্রহণ করলে জনসংখ্যা নীতিতে ভ‚মিকা রাখতে পারবে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. পলাশ যে ¯েøাগানটি শুনতে পেয়েছিল তার যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ কর। ৪
প্রশ্ন-১৪  ২রা ফেব্রæয়ারি ২০১৪ ইং তারিখে যশোর জেলা পরিষদের আয়োজিত সেমিনারে সভাপতি মহোদয় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ মাতৃত্ব, পণপ্রথা ও বাল্যবিবাহ নিরুৎসাহিতকরণ প্রভৃতি বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন। সেমিনারে উপস্থিত ঘএঙ কর্মীদের ভ‚মিকা রাখার আহŸান জানান।
ক. কোন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের জন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘ পুরষ্কার লাভ করেছে? ১
খ. জনসংখ্যা নীতির ১টি উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত উদ্যোগ জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের যে উপায়কে নির্দেশ করে তা ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের গৃহীত উদ্যোগের স¤প্রসারণ দরকারÑ বিশ্লেষণ কর। ৪
প্রশ্ন-১৫  আসলাম সাহেব সিঙড়া গ্রামে একটি ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প নিয়ে পাঁচ বছর ধরে কাজ করছেন। এ পাঁচ বছরে তিনি একটা বিষয় উপলব্ধি করেছেন যে, গ্রামের শেফালি খাতুনের মতো অন্যান্য নারীরাও সময়মত ঋণ পরিশোধ করতে পারে না কারণ এসব পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি। তাই তিনি তার সংস্থায় কর্মরত

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে। কিন্তু এ কার্যক্রমের শুরুতেই তিনি গ্রামের স্থানীয় ধর্মীয় নেতাদের বাধার সম্মুখীন হন এবং বাধা কাটিয়ে উঠতে তার বেশ সময় লাগে।
ক. এনজিও’র পূর্ণরূপ কী? ১
খ. কমিউনিটিভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা ব্যাখ্যা কর। ২
গ. আসলাম সাহেবের সংস্থাটি সিঙড়া গ্রামের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কিরূপ ভ‚মিকা পালন করছেÑ ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. সিঙড়া গ্রামের মতো স্থানীয় পর্যায়ে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ধর্মীয় নেতাদের উদ্বুদ্ধকরণ বিশেষ প্রয়োজনÑ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর। ৪
প্রশ্ন-১৬  গত দু’বছর আগে রফিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাস করেছে। এখনও সে বেকার। চাকরির জন্য পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখে পদের তুলনায় প্রার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। এখন সে হতাশায় ভুগছে।
ক. আমাদের দেশের জনসংখ্যা সম্পর্কিত সেøাগানটি কী? ১
খ. বাংলাদেশের জনসংখ্যানীতির গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত রফিকের হতাশার কারণ কী? তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বর্ণনা কর। ৩
ঘ. রফিকের মত শিক্ষিত যুবকদের জনসম্পদে পরিণত করতে পারলে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবেÑ যুক্তিসহ মতামত দাও।৪

প্রশ্ন -১৭ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চল। এদেশে কখনো ঘূর্ণিঝড়, কখনো বন্যা আবার কখনো ভ‚মিকম্প সংঘঠিত হয়। কিছু দুর্যোগ প্রাকৃতিক আবার কিছু মানবসৃষ্ট। এসব দুর্যোগ মোকাবিলায় জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিণত করার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা অতি জরুরি।
ক. চঈও-এর পূর্ণরূপ কী? ১
খ. বিয়ে রেজিস্ট্রেশন বলতে কী বোঝায়? ২
গ. উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দুর্যোগগুলোর ধরন বর্ণনা কর। ৩
ঘ.দুর্যোগ মোকাবিলায় জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিণত করার কৌশল বিশ্লেষণ কর। ৪
ল্ফল্প ১৭নং প্রশ্নের উত্তর ল্ফল্প
ক. চঈও-এর পূর্ণরূপ হলো চবৎ ঈধঢ়রঃধ ওহপড়সব.
খ. রাষ্ট্রীয় নিয়ম অনুযায়ী বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হওয়ার নিয়মাবলি সংক্রান্ত আবেদন ফরম পূরণ এবং তা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদন হওয়াই হলো বিয়ে রেজিস্ট্রেশন। বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে বৈবাহিক সম্পর্ক আইনগত স্বীকৃতি পায়। ছেলে বা মেয়ের বিয়ের সময় কাজি অফিসে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়।
গ. উদ্দীপকের ইঙ্গিকৃত দুর্যোগগুলো বহুমাত্রিক।
একটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, জলবায়ুগত প্রভাব তথা সামগ্রিক প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে যে দুর্যোগ হয় তাকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে। যেমন : বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ¡াস, টর্নেডো ইত্যাদি। অন্যদিকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ হলো মানুষের অপকর্ম বা দূরদৃষ্টির অভাবে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় তাকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলে। যেমন : যুদ্ধবিগ্রহ, সা¤প্রদায়িক দাঙ্গা, মরুকরণ, অগ্নিকাণ্ড ইত্যাদি।
উদ্দীপকেও আমরা এসব দুর্যোগের বর্ণনা পাই যে, বাংলাদেেশ কখনো ঘূর্ণিঝড়, কখনো বন্যা আবার কখনো ভ‚মিকম্প সংঘটিত হয়।
ঘ. দুর্যোগ মোকাবিলায় জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিণত করার বিভিন্ন কৌশল উল্লেখ করা হলো :
কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা। দক্ষতাবৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম স¤প্রসারণ। প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার প্রসার। উৎপাদনমুখী খাতের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ। কৃষিভিত্তিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের স¤প্রসারণ। কর্মসংস্থানের জন্য কৃষির আধুনিকীকরণ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার প্রদান। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিস্তার। নারীশিক্ষা এবং স্বাস্থ্য ও পুষ্টি কার্যক্রমের প্রসার।
উলি­খিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করা সম্ভব।

অনুশীলনের জন্য দক্ষতাস্তরের প্রশ্ন ও উত্তর

 জ্ঞানমূলক //
প্রশ্ন \ ১ \ কোন শ্রেণি-স্তরের মেয়েদের উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে?
উত্তর : ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।
প্রশ্ন \ ২ \ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাকে সংক্ষেপে কী বলে?
উত্তর : বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাকে সংক্ষেপে এনজিও (ঘএঙ)।
প্রশ্ন \ ৩ \ বাংলাদেশ সরকার কোন ধরনের পরিবার গড়ার আদর্শ স্থাপনে জাতীয় লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে?
উত্তর : বাংলাদেশ সরকার দুটি সন্তানের পরিবার গড়ার আদর্শ স্থাপনে জাতীয় লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
প্রশ্ন \ ৪ \ জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করতে কোন দেশ সবচেয়ে বেশি সাফল্য অর্জন করেছে?
উত্তর : জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করতে সবচেয়ে বেশি সাফল্য অর্জন করেছে চীন।
 অনুধাবনমূলক //
প্রশ্ন \ ১ \ প্রাথমিক ও গণশিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে কেন?
উত্তর : নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও শিক্ষার হার বাড়ানোর জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। সরকার ২০১৪ সালের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর ও ২০১৫ সালের মধ্যে সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।
প্রশ্ন \ ২ \ জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার গুরুত্ব কী? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : সীমিত সম্পদের মাধ্যমে আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার কোনো বিকল্প নেই।
সম্পদ যেখানে সীমিত সেখানে একটি দেশের বিশাল জনসংখ্যা এর জন্য বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এই সীমিত সম্পদের সঙ্গে বিরাট জনসংখ্যা সমস্যার সমাধানপূর্বক আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

 

প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply