নবম-দশম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান ষষ্ঠ অধ্যায় পলিমার

এসএসসি সাধারণ বিজ্ঞান ষষ্ঠ অধ্যায় পলিমার

পাঠ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি

পলিমার : পলিমার (চড়ষুসবৎ) শব্দটি এসেছে দুটি গ্রিক শব্দ পলি (চড়ষু) ও মেরোস (গবৎড়ং) থেকে, যার অর্থ হলো অনেক (গধহু) ও অংশ (চধৎঃ)। অর্থাৎ অনেকগুলো একই রকম ছোট ছোট অংশ একের পর এক জোড়া লেগে যে একটি বড় জিনিস উৎপন্ন হয় তাকে পলিমার বলে।
 মনোমার : যে ছোট অণু থেকে পলিমার তৈরি হয়, তাদেরকে বলে মনোমার। যেমন : পলিথিন ব্যাগ ইথিলিন নামক ছোট ছোট মনোমার থেকে তৈরি হয় ।
 প্রাকৃতিক পলিমার : যে সকল পলিমার প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, তাদেরকে প্রাকৃতিক পলিমার বলে। যেমন : পাট, সিল্ক, রাবার ইত্যাদি।
 কৃত্রিম পলিমার : যে সকল পলিমার প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না, শিল্প কারখানায় কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়, তাদেরকে কৃত্রিম পলিমার বলে। যেমন : মেলামাইন, রেজিন, বাকেলাইট ইত্যাদি।
 পলিমারকরণ প্রক্রিয়া : যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অসংখ্য মনোমারকে সংযুক্ত করে পলিমার তৈরি করা হয়, তাকে বলে পলিমারকরণ প্রক্রিয়া। সাধারণত পলিমারকরণে উচ্চ চাপ ও তাপের প্রয়োজন হয়।
 পলিথিন প্রস্তুতি : ইথিলিন গ্যাসকে ১০০০-১২০০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ২০০ সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পলিথিন পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে পলিমারকরণ দ্রæত করার জন্য প্রভাবক হিসেবে অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
হ(ঈঐ২ = ঈঐ২)(ইথিলিন) (উচ্চ তাপ ও চাপ)ঙ২ প্রভাবক ( ঈঐ২  ঈঐ২ )হ(পলিথিন)
 তন্তু : বস্ত্র শিল্পে বুনন ও বয়নের কাজে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম আঁশ জাতীয় পদার্থকে তন্তু বলে।
 সুতা : সব বস্ত্র তৈরি হয় সুতা থেকে। প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম আঁশ জাতীয় পদার্থ অর্থাৎ তন্তু থেকে সুতা তৈরি করা হয়।
 তন্তুর প্রকারভেদ : উৎস অনুযায়ী তন্তু দুই রকমের। যথা : প্রাকৃতিক তন্তু ও কৃত্রিম তন্তু। প্রাকৃতিক তন্তুসমূহকে তাদের উৎপত্তি অনুযায়ী তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা : উদ্ভিজ তন্তু, প্রাণিজ তন্তু ও খনিজ তন্তু। আর কৃত্রিম তন্তুসমূহ আবার দুই রকমের। যথা : সেলুলোজিক ও নন-সেলুলোজিক তন্তু।
 প্রাকৃতিক তন্তু : যেসব তন্তু প্রকৃতি থেকে পাওয়া যায়, তাদের প্রাকৃতিক তন্তু বলে। যেমন : তুলা, পাট, রেশম, পশম, উল, সিল্ক, ধাতব তন্তু ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে তুলা, পাট ইত্যাদি উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায় বলে এগুলো উদ্ভিজ তন্তু। রেশম, পশম, উল ইত্যাদি প্রাণী থেকে পাওয়া বলে এগুলো প্রাণিজ তন্তু। আবার ধাতব তন্তু প্রাকৃতিক খনিতে পাওয়া যায় বলে এগুলো খনিজ তন্তু।
 কৃত্রিম তন্তু : রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় কৃত্রিম উপায়ে যেসব তন্তু প্রস্তুত হয় সেগুলোকে কৃত্রিম তন্তু বলে। যেমন : রেয়ন, পলিস্টার, ডেক্রন, নাইলন ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে রেয়ন (এসিটেট রেয়ন, ভিসকোস রেয়ন, কিউপ্রা অ্যামোনিয়াম রেয়ন) উদ্ভিজ্জ সেলুলোজ থেকে কৃত্রিম উপায়ে নানাভাবে প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি হয় বলে এগুলো সেলুলোজিক তন্তু। আর পলিস্টার, ডেক্রন, নাইলন ইত্যাদি সেলুলোজ থেকে তৈরি না করে অন্য পদার্থের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে তৈরি করা হয় বলে এগুলো নন-সেলুলোজিক তন্তু।
 জিনিং : বীজ থেকে তুলা আলাদা করার প্রক্রিয়াকে জিনিং বলে। জিনিং প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত তন্তুকে কটন লিন্ট বলে।
 স্পিনিং : স্পিনিং বলতে বুঝায় তন্তুসমূহের কয়েকটি সুতাকে একত্রিতভাবে আটকিয়ে যে পাক বা মোচড় দিতে হয়। পাক দেওয়ার জন্য তন্তুসমূহকে পাশাপাশি সমান্তরালভাবে স্থাপন করে এক মাথা স্থির রেখে অন্য মাথা মুড়িয়ে দিতে হয়।
 বেøন্ডিং এবং মিক্সিং : সুতা উৎপাদনে বেøন্ডিং-এর উদ্দেশ্য হলো আকাক্সিক্ষত ও উঁচু মানের শক্তিশালী সুতা তৈরি করা। মিক্সিং প্রক্রিয়ায় যেসব তন্তুর দৈর্ঘ্য, সূ²তা, পরিপক্বতা ইত্যাদি গুণগত দিক থেকে প্রায় একই রকম তাদের মিশ্রণকে বুঝায়।
 কার্ডিং এবং কম্বিং : কার্ডিং করে তন্তুসমূহের জালাকৃতির গঠন দূর করা হয়। কম্বিং প্রক্রিয়ায় আঁচড়িয়ে তন্তুসমূহের সম্পূর্ণ ময়লা দূর করা হয়।
 হেলকিং : লিনেন তন্তুর জন্য বিশেষ ধরনের কম্বিং করা হয়, যা হেলকিং নামে পরিচিত।
 ¯øাইভার : কার্ডিং এবং কম্বিং করার পর তন্তুসমূহ একটি পাতলা আস্তরের মতো হয় এবং এটিকে ¯øাইভার বলা হয়।
 রোডিং : ¯øাইভারকে টেনে সরু করার প্রক্রিয়াকে রোডিং বলা হয়।
 টুইস্টিং : ¯øাইভারকে মোচড় বা পাক দেওয়ার প্রক্রিয়াকে টুইস্টিং বলে।
 থার্মোপ্লাস্টিকস : যেসব প্লাস্টিকে যতবারই তাপ দেওয়া হলে নরম হয় এবং ঠাণ্ডা করলে শক্ত হয়, তাদের থার্মোপ্লাস্টিকস বলে। পলিথিন, পিভিসি পাইপ, পলিস্টার কাপড় এসব দ্রব্য থার্মোপ্লাস্টিকস ধরনের।
 থার্মোসেটিং প্লাস্টিকস : যেসব প্লাস্টিকসে তাপ দিলে নরম না হয়ে পুড়ে শক্ত হয়ে যায় তাদের থার্মোসেটিং প্লাস্টিকস বলে। মেলামাইন, বাকেলাইট ইত্যাদি দ্রব্য থার্মোসেটিং ধরনের প্লাস্টিকস।

অনুশীলনীর বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর

১. কোন ধরনের তন্তুর জন্য হেলকিং করা প্রয়োজন?
ক পাট খ পশম গ রেশম  লিনেন

২. ওপরের চিত্রে উৎপাদিত তন্তুটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটিÑ
র. বেশ মিহি
রর. খুব সস্তা
ররর. দ্রæত গরম হয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
নিচের রেখাচিত্রটি থেকে ৩ ও ৪নং প্রশ্নের উত্তর দাও :

৩. ই চিত্রে উৎপাদিত দ্রব্যটি কী?
ক রেজিন  পলিথিন
গ মেলামাইন ঘ অ্যাসবেস্টস
৪. ই চিত্রে উৎপাদিত দ্রব্যটির সাথে কোনটির সাদৃশ্য রয়েছে?
ক সিল্কের খ পশমের

গুরুত্বপূর্ণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর

৫. নিচের কোনটি প্রাকৃতিক পলিমার?
 সিল্ক খ মেলামাইন গ পিভিসি ঘ রেজিন
৬. আলপাকা কী?
ক রেয়ন খ নাইলন গ রেশম  পশম
৭. কোনটি প্রাকৃতিক পলিমার?
 রাবার খ রেজিন গ পলিথিন ঘ বাকেলাইট
৮. রেয়নের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
 উদ্ভিজ্জ সেলুলোজ থেকে তৈরি
খ নন-সেলুলোজ থেকে তৈরি
গ কোকুন থেকে তৈরি
ঘ ফাইবারগুলোর মধ্যে অসংখ্য ফাঁকা স্থান থাকে
৯. প্রাকৃতিক রাবার কোনটির সাথে বিক্রিয়া করে?
 ঙ৩ খ ঈঙ গ ঈঙ২ ঘ ঐ২ঙ
১০. কোন পদ্ধতিতে তুলা সংগ্রহ করা হয়?
ক স্পিনিং খ ব্যাচিং  জিনিং ঘ বেøন্ডিং
১১. পলু পোকার গুটি থেকে আহরিত হয়Ñ
 রেশম খ পশম গ নাইলন ঘ সুতি কাপড়
১২. সুতা অত্যন্ত ক্ষুদ্র ও মিহি করা হয় কোন পদ্ধতিতে?
ক কার্ডিং খ স্পিনিং গ টুইস্টিং  হেলকিং
১৩. কোনটি প্রাকৃতিক তন্তু?
ক রেয়ন খ পলিস্টার গ নাইলন  রেশম
১৪. সুতি বস্ত্রের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
 রং পাকা ও টেকসই হয়
খ খুব হালকা ও শক্ত হয়
গ ধাতব লবণে সহজে বিক্রিয়া করে
ঘ হালকা ও অধিকতর উষ্ণ
১৫. নিচের কোনটি কৃত্রিম তন্তু?
ক উল খ সিল্ক  রেয়ন ঘ অ্যাসবেস্টস
১৬. নিচের কোনটি পরিবেশ বান্ধব?
ক পলিথিন ব্যাগ  পাটের বস্তা
গ প্লাস্টিক পাইপ ঘ নাইলনের দড়ি
১৭. তন্তু থেকে সুতা কাটার দ্বিতীয় ধাপকে কী বলে?
 কার্ডিং খ বেøন্ডিং গ টুইস্টিং ঘ মিক্সিং
১৮. কোনটি প্রাকৃতিক পলিমার?
 পাট খ রেজিন গ পিভিসি ঘ পলিথিন
১৯. মৃত মেষ থেকে তৈরিকৃত পশমকে বলেÑ
ক ফ্লিস উল  পুল্ড উল গ কটন ঘ নাইলন
২০. নিচের কোনটি প্রথম উৎপাদিত কৃত্রিম তন্তু?
ক নাইলন  রেয়ন গ রেমেট ঘ লিনেন
২১. সুতা কাটার দ্বিতীয় ধাপ কোনটি?
 কার্ডিং ও কম্বিং খ বেøন্ডিং ও মিক্সিং
গ স্পিনিং ও হেলকিং ঘ বেøন্ডিং ও জিনিং
২২. বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড তৈরিতে কোন ধরনের মনোমার ব্যবহৃত হয়?
ক রেজিন খ ইথিলিন  ফেনল ঘ বাকেলাইট
২৩. থার্মোসেটিং প্লাস্টিক –
র. তাপ দিলে গলে যায়, ঠাণ্ডা করলে শক্ত হয়
রর. তাপ দিলে নরম হয় ঠাণ্ডা করলে শক্ত হয়
ররর. তাপ দিলে নরম হয় না বরং পুড়ে শক্ত হয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র খ রর  ররর ঘ র, রর ও ররর

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর 
প্রশ্ন \ ১ \ কেরাটিন কী?
উত্তর : মানুষের চুল ও নখে যে প্রোটিন থাকে তাকে কেরাটিন বলে।
প্রশ্ন \ ২ \ রেয়ন কী?
উত্তর : রেয়ন হলো পৃথিবীর প্রথম উৎপাদিত সেলুলোজিক কৃত্রিম তন্তু যা উদ্ভিজ্জ সেলুলোজকে বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাত করে প্রস্তুত করা হয়।
প্রশ্ন \ ৩ \ নাইলন ৬.৬ এর মনোমার কী?
উত্তর : নাইলন ৬.৬ এর মনোমার হলো এডিপিক এসিড ও হেক্সামিথিলিন ডাইঅ্যামিন।
প্রশ্ন \ ৪ \ ব্যাচিং কী?
উত্তর : পাট তন্তুর বেলায় বেল বা গাঁইট থেকে মিশ্রণ তৈরির প্রক্রিয়াকে ব্যাচিং বলে।
প্রশ্ন \ ৫ \ পিভিসি কী?
উত্তর : পিভিসি হলো পলি ভিনাইল ক্লোরাইড নামক মনোমার থেকে তৈরি পলিমার।
প্রশ্ন \ ৬ \ পলিমারকরণ প্রক্রিয়ার প্রধান শর্ত কী?
উত্তর : পলিমারকরণ প্রক্রিয়ার প্রধান শর্ত হলো এতে উচ্চ চাপ ও তাপের প্রয়োজন হয়।
প্রশ্ন \ ৭ \ পলিথিন তৈরিতে কী প্রভাবক ব্যবহৃত হচ্ছে?
উত্তর : পলিথিন তৈরিতে টাইটেনিয়াম ট্রাইক্লোরাইড (ঞরঈষ৩) প্রভাবক ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন \ ৮ \ সুতি বস্ত্রের প্রধান সীমাবদ্ধতা কী?
উত্তর : সুতি বস্ত্রের প্রধান সীমাবদ্ধতা হচ্ছে এর সংকোচনশীলতা।
প্রশ্ন \ ৯ \ তন্তুর রানি নামে পরিচিত কোনটি?
উত্তর : রেশম তন্তুর রানি নামে পরিচিত।
প্রশ্ন \ ১০ \ ফ্লিস উল কাকে বলা হয়?
উত্তর : জীবন্ত মেষ থেকে লোম সরিয়ে যে পশম তৈরি করা হয় তাকে ফ্লিস উল বলে।
প্রশ্ন \ ১১ \ প্রথম নন-সেলুলোজিক তন্তু কোনটি?
উত্তর : প্রথম নন-সেলুলোজিক তন্তু নাইলন।
প্রশ্ন \ ১২ \ আগুনে কোন তন্তু গলে গিয়ে বোরাক্স বিডের মতো স্বচ্ছ বিড গঠন করে?
উত্তর : আগুনে নাইলন গলে গিয়ে বোরাক্স বিডের মতো স্বচ্ছ বিড গঠন করে।
প্রশ্ন \ ১৩ \ সরাসরি গাছ থেকে তন্তু সংগৃহীত হয় এমন তন্তুর উদাহরণ দাও।
উত্তর : সরাসরি গাছ থেকে তন্তু সংগ্রহ করা হয় এমন তন্তুর উদাহরণ হলো পাট, শন, তিসি ইত্যাদি।
প্রশ্ন \ ১৪ \ পলিথিন ব্যাগ কোন মনোমার থেকে তৈরি হয়?
উত্তর : পলিথিন ব্যাগ ইথিলিন মনোমার থেকে তৈরি হয়।
প্রশ্ন \ ১৫ \ বৈদ্যুতিক সুইচ কী জাতীয় পলিমার?
উত্তর : বৈদ্যুতিক সুইচ হলো বাকেলাইট নামের একটি পলিমার।
প্রশ্ন \ ১৬ \ মেলামাইনের থালা-বাসন কী ধরনের পলিমার?
উত্তর : মেলামাইনের থালা-বাসন হলো মেলামাইন রেজিন নামের পলিমার।
প্রশ্ন \ ১৭ \ রেশম কী জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি?
উত্তর : রেশম মূলত ফাইব্রেয়ন নামক একপ্রকার প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি।
প্রশ্ন \ ১৮ \ সাধারণত কী প্রক্রিয়ায় নাইলন তৈরি হয়?
উত্তর : সাধারণত এডিপিক এসিড ও হেক্সামিথিলিন ডাইঅ্যামিন নামক রাসায়নিক পদার্থের পলিমারকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাইলন তৈরি হয়।
প্রশ্ন \ ১৯ \ কোথায় নাইলন ব্যবহৃত হয়?
উত্তর : কার্পেট, দড়ি, টায়ার, প্যারাসুটের কাপড় ইত্যাদি প্রস্তুতিতে নাইলন ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন \ ২০ \ চেল্লা বা পিল কী?
উত্তর : তন্তু সংগ্রহের লক্ষে কাটার পর পাট গাছকে ৫-৮ দিন মাঠেই একসাথে জড়ো করে রাখা হয় পাতা ঝরানোর জন্য। জড়ো করে রাখা এরূপ গাছকে চেল্লা বা পিল বলে।
প্রশ্ন \ ২১ \ জিনিং কী?
উত্তর : তুলার গাছ থেকে কার্পাস ফল সংগ্রহ করে বীজ থেকে তুলা আলাদা করে ফেলার প্রক্রিয়ার নাম জিনিং।
প্রশ্ন \ ২২ \ পেনসিলের লেখা মোছার ইরেজার কী ধরনের বস্তু?
উত্তর : পেনসিলের লেখা মোছার ইরেজার হলো রাবার।
প্রশ্ন \ ২৩ \ রাবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে কী ঘটে?
উত্তর : রাবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। এর কারণ রাবার বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে।
প্রশ্ন \ ২৪ \ তাপ দিলে প্লাস্টিকে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে?
উত্তর : তাপ দিলে প্লাস্টিক নরম হয় এবং গলিত প্লাস্টিক ঠাণ্ডা করলে আবার শক্ত হয়।
প্রশ্ন \ ২৫ \ প্লাস্টিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্ম লিখ।
উত্তর : প্লাস্টিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্ম হলো এরা বিদ্যুৎ ও তাপ অপরিবাহী।
প্রশ্ন \ ২৬ \ প্লাস্টিক পোড়ালে কী নির্গত হয়?
উত্তর : প্লাস্টিক পোড়ালে ক্ষতিকর গ্যাস নির্গত হয়।

 অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর 
প্রশ্ন \ ১ \ মেলামাইন, পাট, রেজিন, রাবার, বাকেলাইট এই পলিমারসমূহকে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম পলিমারে শ্রেণিকরণ কর।
উত্তর : উল্লিখিত পলিমারসমূহের মধ্যে পাট ও রাবার প্রাকৃতিক পলিমার। আর মেলামাইন, রেজিন ও বাকেলাইট কৃত্রিম পলিমার।
প্রশ্ন \ ২ \ কৃত্রিম তন্তু ও প্রাকৃতিক তন্তুর মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখ।
উত্তর : কৃত্রিম তন্তু ও প্রাকৃতিক তন্তুর মধ্যে দুটি পার্থক্য নিম্নরূপÑ
কৃত্রিম তন্তু প্রাকৃতিক তন্তু
১. যেসব তন্তু বিভিন্ন পদার্থের রাসায়নিক বিক্রিয়া দ্বারা কৃত্রিম উপায়ে তৈরি করা হয়, তারা হলো কৃত্রিম তন্তু। যেমন : পলিস্টার, রেয়ন, ডেক্রন, নাইলন ইত্যাদি।
২. কৃত্রিম তন্তুগুলোকে প্রধানত সেলুলোজিক তন্তু ও নন- সেলুলোজিক তন্তু এই দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। ১. যেসব তন্তু প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, তারা হলো প্রাকৃতিক তন্তু। যেমন : তুলা, পাট, লিনেন, রেশম ইত্যাদি।

২. প্রাকৃতিক তন্তুগুলোকে প্রধানত উদ্ভিজ্জ তন্তু, প্রাণিজ তন্তু ও খনিজ তন্তু এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
প্রশ্ন \ ৩ \ প্লাস্টিক ও রাবারের মধ্যে পার্থক্য লেখ।
উত্তর : প্লাস্টিক ও রাবারের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ :
প্লাস্টিক রাবার
১. তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী।
২. প্লাস্টিকের স্থিতিস্থাপক ধর্ম নেই। ১. তাপ ও বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
২. রাবারের স্থিতিস্থাপক ধর্ম আছে।
প্রশ্ন \ ৪ \ পলিমারকরণ প্রক্রিয়া বলতে কী বোঝ?
উত্তর : যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মনোমার সংযুক্ত করে পলিমার তৈরি হয়, তাকে বলে পলিমারকরণ প্রক্রিয়া। সাধারণত পলিমারকরণে উচ্চচাপ ও তাপের প্রয়োজন হয়।
প্রশ্ন \ ৫ \ তন্তু বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : তন্তু বলতে আঁশজাতীয় পদার্থকে বুঝায়। বস্ত্রশিল্পে তন্তু বলতে বুনন ও বয়নের কাজে ব্যবহৃত আঁশসমূহকেই বুঝায়। তন্তু দিয়ে সুতা ও কাপড় ছাড়াও কার্পেট, ফিল্টার, তড়িৎ নিরোধক ইত্যাদি বিভিন্ন রকম পদার্থ তৈরি করা হয়।
প্রশ্ন \ ৬ \ পশমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য কী কী?
উত্তর: নমনীয়তা, স্থিতিস্থাপকতা, কুঞ্চন প্রতিরোধের ক্ষমতা, রং ধারণক্ষমতা ইত্যাদি পশমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।
প্রশ্ন \ ৭ \ স্পিনারেট বলতে কী বোঝ?
উত্তর : যে যন্ত্রের মধ্য দিয়ে স্পিনিং দ্রবণ থেকে কৃত্রিম সুতার দীর্ঘ নাল বের হয়ে আসে তাকে স্পিনারেট বলে। এই দীর্ঘ নাল সরাসরি ব্যবহারযোগ্য। এই সুতা কাপড় তৈরি বা বয়নের কাজে ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্ন \ ৮ \ সুতি কাপড়কে প্রাকৃতিক পলিমার কেন বলা হয়?
উত্তর : প্রকৃতিতে প্রাপ্ত পলিমারসমূহকে বলা হয় প্রাকৃতিক পলিমার। সুতি কাপড় তৈরি হয় কার্পাস গাছের বীজ থেকে যা প্রাকৃতিক উৎস থেকে সংগৃহীত হয়। এজন্য সুতি কাপড়কে প্রাকৃতিক পলিমার বলা হয়।
প্রশ্ন \ ৯ \ বিভিন্ন রকম তুলার মিশ্রণ তৈরি করা হয় কেন?
উত্তর : গুণে ও মানে ঠিক একই রকম তুলা পাওয়া সব সময় সম্ভব হয় না। একেক সময় একেক রকম সুতা তৈরি হয়, কখনো ভালো, কখনো মন্দ অর্থাৎ সুতার মান এক হয় না। এছাড়া বিভিন্ন রকম তুলা মিশিয়ে সুতা তৈরি করলে উৎপাদন খরচও কম হয়। তুলা আমদানি করা হয় বিভিন্ন দেশ থেকে। একেক দেশের তুলার মানও একেক রকম হয়। একই রকম তুলার যোগান পাওয়া বাস্তবে অসম্ভব। এজন্য বিভিন্ন রকম তুলা সংগ্রহ করেই মিশ্রণ তৈরি করা হয়।
প্রশ্ন \ ১০ \ রাবারের দ্রবণীয়তা গুণ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : রাবার কিছু কিছু জৈব দ্রাবক যেমন- এসিটোন, মিথানল ইত্যাদিতে অদ্রবণীয় হলেও টারপেন্টাইন, পেট্রোল, ইথার, বেনজিন ইত্যাদিতে দ্রবণীয়।
প্রশ্ন \ ১১ \ প্লাস্টিক পোড়ালে কী কী ক্ষতিকর পদার্থ নির্গত হয়?
উত্তর: প্লাস্টিক পোড়ালে অনেক ক্ষতিকর পদার্থ তৈরি হয়। যেমন- পিভিসি পোড়ালে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (ঐঈষ) নিঃসৃত হয়। আবার পলিইউরেথেন প্লাস্টিক (যা আসবাবপত্র, যেমন- চেয়ার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়) পোড়ালে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস ও হাইড্রোজেন সায়ানাইড নির্গত হয়।
প্রশ্ন \ ১২ \ লুমেন বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে সুতি তন্তুকে অনেকটা নলের মতো দেখায়। এ নলের মধ্যকার পদার্থ প্রথম অবস্থায় যে পদার্থ দ্বারা পূর্ণ থাকে তাকে লুমেন বলে।

অনুশীলনীর সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন -১ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
আরজু জানুয়ারি মাসের এক সকালে স্কুলে যাচ্ছিল। শীত নিবারণের জন্য সে একটি সুতি শার্টের উপর আর একটি সুতি শার্ট পরল। সে লক্ষ করল তাতেও তার বেশ ঠাণ্ডা লাগছে। কিন্তু তার মনে হলো তিন মাস আগে সে যখন শুধুমাত্র একটি শার্ট পরেই স্কুলে যেত তখন এ ধরনের কোনো সমস্যা হতো না।
ক. নন-সেলুলোজিক তন্তু কাকে বলে?
খ. লিনেনকে কেন প্রাকৃতিক তন্তু বলা হয়?
গ. আরজুর কোন ধরনের কাপড় পরা দরকার ছিল? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. একই কাপড়ে দুই সময় দুই ধরনের অনুভ‚তি লাগার কারণ বিশ্লেষণ কর।
 ১নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. যেসব কৃত্রিম তন্তু সেলুলোজ থেকে তৈরি না করে অন্য পদার্থের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে তৈরি করা হয়, তাদের নন-সেলুলোজিক তন্তু বলে।
খ. প্রাকৃতিক উৎস থেকে লিনেন তন্তু উৎপাদিত হয় বলে লিনেনকে প্রাকৃতিক তন্তু বলা হয়।
যেসব তন্তু প্রকৃতিতে পাওয়া যায় যেমন : পাট, রেশম, পশম, উল, সিল্ক, অ্যাসবেস্টস ধাতব তন্তু তাদের প্রাকৃতিক পলিমার বলে। লিনেনকেও প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তাই একে প্রাকৃতিক পলিমার বলা হয়।
গ. শীত নিবারণের জন্য আরজুর পশমি কাপড় পরা দরকার ছিল।
তাপ কুপরিবাহী বলে পশমি কাপড় শীতবস্ত্র হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
এ কাপড়ের তন্তুর মাঝে ফাঁকা জায়গা থাকে, যেখানে বাতাস আটকে থাকে। পশম তাপ কুপরিবাহী বিধায় শীতের দিনে শরীর থেকে তাপ বেরিয়ে যেতে পারে না। তাই গায়ে দিলে গরম বোধ হয়। আরজু শীত নিবারণের জন্য একটি সুতি শার্টের ওপর আর একটি সুতি শার্ট পরে। সুতি শার্টের তাপ পরিবহন ও পরিচলন ক্ষমতা বেশি থাকায় শীতকালে দেহের তাপ অধিকহারে বেরিয়ে যায়। তাই আরজুর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঠাণ্ডা লাগছিল।
সুতরাং আরজুর সুতির শার্ট না পরে পশমি কাপড় পরা দরকার ছিল।
ঘ. তন্তুর গঠনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে আরজুর একই কাপড়ে দুই সময় দুই ধরনের অনুভ‚তি লাগে।
গরমের দিনে আমরা সুতির পোশাক পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। সুতির সুতার তাপ পরিবহন ও পরিচালন ক্ষমতা বেশি। ফলে এটি তাপ সুপরিবাহী। শরীর থেকে তাপ সহজেই বের হতে পারে বলে গরমের দিনে সুতির পোশাক পরিধানে আমরা আরাম বোধ করি।
আবার এই একই কাপড় শীতকালে পরিধানে আমাদের আরো বেশি শীত লাগবে। কারণ, এটি শরীর থেকে তাপ বের করে দিয়ে আমাদের আরও বেশি ঠাণ্ডার অনুভ‚তি জোগায়। শীতকালে পশমের মতো তাপ কুপরিবাহী কাপড়ের পোশাক পরিধানে আরাম বোধ হয়।
আরজু যখন তিন মাস আগে একটিমাত্র শার্ট পরে স্কুলে যেত তখন তার আরাম অনুভ‚ত হতো। এর কারণ গরমের দিনে শরীরের তাপ সুতি কাপড় দ্বারা পরিবাহিত হয়ে দেহের বাইরে বের হয়ে যেতো। ফলে সে আরাম বোধ করতো।
সুতরাং একই কাপড়ে দুই সময় দুই ধরনের অনুভ‚তি লাগার কারণ হলো সুতার বৈশিষ্ট্য।
প্রশ্ন -২ ল্ফ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
মিলন সাহেবের একটি পিভিসি পাইপ তৈরির কারখানা আছে। তিনি ইমন ও মামুনকে কাঁচামাল সরবরাহ করতে বললেন। ইমন যে কাঁচামাল সরবরাহ করল সেটি স্থিতিস্থাপক এবং অক্সিজেন ও জলীয়বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে। আবার মামুনের সরবরাহকৃত কাঁচামালের ভৌত গুণ হচ্ছে গলিত অবস্থায় এটিকে যেকোনো আকার দেওয়া যায়। রাসায়নিকভাবে এটি নিষ্ক্রিয়। তবে দুটি কাঁচামালই মাটিতে অপচনশীল।
ক. মনোমার কী?
খ. মেলামাইনকে কেন পলিমার বলা হয়?
গ. ইমন ও মামুনের সরবরাহকৃত কাঁচামালগুলো কীভাবে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. পিভিসি পাইপ তৈরিতে মিলন সাহেবের কোন কাঁচামালটি ব্যবহার করা উচিত বলে তুমি মনে কর?
 ২নং প্রশ্নের উত্তর 
ক. যে ছোট অণু থেকে পলিমার তৈরি হয়, তাদেরকে বলে মনোমার।
খ. অনেকগুলো একই রকম ছোট ছোট অংশ একের পর এক জোড়া লেগে যে বড় জিনিস তৈরি হয় তাকে বলা হয় পলিমার। মেলামাইন এভাবে গঠিত হয় বলে মেলামাইনকে পলিমার বলা হয়।
মেলামাইন হলো মেলামাইন রেজিন নামের পলিমার, যা তৈরি হয় মেলামাইন ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থেকে। এ দুই ধরনের মনোমার থেকে মেলামাইন গঠিত হয় বলে মেলামাইনকে পলিমার বলা হয়।
গ. ইমন ও মামুনের সরবরাহকৃত কাঁচামালগুলো ছিল কৃত্রিম রাবার ও প্লাস্টিক। এগুলো পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে।
বেশিরভাগ প্লাস্টিক এবং কৃত্রিম রাবার পচনশীল নয়। এগুলো পুনর্ব্যবহার না করে বর্জ্য হিসেবে ফেলে দিলে পরিবেশে জমা হতে থাকে এবং নানারকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ঢাকা বা অন্যান্য শহরের বেশিরভাগ নর্দমার নালায় প্রচুর প্লাস্টিক বা রাবার জাতীয় জিনিস পড়ে থাকতে দেখা যায়। এগুলো জমতে জমতে এক পর্যায়ে নালা বন্ধ হয়ে পানির প্রবাহপথ বন্ধ করে দেয়। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, যা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে। এগুলো একসময় জলাশয়ে গিয়ে পড়ে। এতে জলাশয়ের গভীরতা কমে যায় যা নাব্যতার জন্য মারাত্মক হুমকি। এগুলো মাটিতে থাকলে মাটিতে বসবাসকারী বিয়োজকরা এগুলো ভেদ করে মাটিতে পুষ্টি যোগাতে পারে না। এতে মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়। এগুলো অনেক সময় গবাদি পশু ও মাছের খাবারের সাথে মিশে, যা আমাদের দেহে প্রবেশ করতে পারে। এ থেকে ক্যান্সারের মতো রোগ সৃষ্টি হতে পারে।
সুতরাং প্লাস্টিক ও রাবার সামগ্রী সঠিক ব্যবস্থাপনা না করা গেলে তা মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় ঘটিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে।
ঘ. পিভিসি পাইপ তৈরিতে মিলন সাহেবের মামুনের সরবরাহকৃত কাঁচামাল ব্যবহার করা উচিত।
পিভিসি পাইপ হলো এক ধরনের প্লাস্টিক। ভিনাইল ক্লোরাইড নামক মনোমার থেকে তৈরি হয় এ প্লাস্টিক। ইমন যে কাঁচামাল সরবরাহ করে স্থিতিস্থাপক এবং অক্সিজেন ও জলীয়বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে। এটি হলো রাবার। পিভিসি পাইপ তৈরিতে এমন কাঁচামাল দরকার যেগুলো অক্সিজেন এবং জলীয়বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে না। মামুনের সরবরাহকৃত কাঁচামালের ভৌত গুণ হচ্ছে গলিত অবস্থায় এটিকে যেকোনো আকার দেওয়া যায়। প্লাস্টিকের সবচেয়ে বড় ভৌত ধর্ম হলো এটি। এই সুবিধার কারণেই এর দ্বারা পিভিসি পাইপ প্রস্তুত করা যায়। এতে তাপ দিলে নরম এবং ঠাণ্ডা করলে আবার শক্ত হয়ে যায়।
এজন্য পিভিসি পাইপ তৈরিতে মিলন সাহেবের মামুনের সরবরাহকৃত কাঁচামাল ব্যবহার করা উচিত।

 

Scroll to Top