সপ্তম শ্রেণির বাংলা আমার বাড়ি

আমার বাড়ি
জসীমউদ্দীন

 কবি পরিচিতি
নাম জসীমউদ্দীন।
জন্ম পরিচয় জন্ম : ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দের ১লা জানুয়ারি। জন্মস্থান : ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামের মাতুলালয়।
পিতৃভ‚মি : গোবিন্দপুর গ্রাম।
পিতৃ-মাতৃ পরিচয় পিতার নাম : আনসারউদ্দীন মোল্লা। মাতার নাম : আমেনা খাতুন।
শিক্ষাজীবন মাধ্যমিক : এসএসসি, ফরিদপুর জিলা স্কুল। উচ্চ মাধ্যমিক : ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ।
উচ্চতর শিক্ষা : বিএ (পাস), রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর। এমএ (বাংলা), ১৯৩১ সাল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
পেশা/কর্মজীবন ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। ১৯৩৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রাদেশিক সরকারের পাবলিসিটি বিভাগের অফিসার পদে নিযুক্ত হন। সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি আমৃত্যু সাহিত্য সাধনায় নিমগ্ন ছিলেন।
সাহিত্য সাধনা কাহিনি কাব্য : নক্সী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, সখিনা, মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি। খণ্ডকাব্য : রাখালী, বালুচর, ধানখেত, রূপবতী, মাটির কান্না ইত্যাদি। গদ্যগ্রন্থ : যাঁদের দেখেছি, জীবন কথা, ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়, বোবা কাহিনী ইত্যাদি। শিশুতোষ রচনা : হাসু, এক পয়সার বাঁশি, ডালিম কুমার, বাঙালির হাসির গল্প ইত্যাদি। নাটক : পদ্মাপাড়, বেদের মেয়ে, মধুমালা, বাঁশের বাঁশি, পল্লিবধূ ইত্যাদি। গানের বই : রঙ্গিলা নায়ের মাঝি, গাঙ্গের পাড় ইত্যাদি।
পুরস্কার ও সম্মাননা একুশে পদক (১৯৭৬), বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত সম্মানসূচক ডি. লিট ডিগ্রি লাভ করেন।
জীবনাবসান ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ই মার্চ।

 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন- ১ ল্ফল্ফ
তুমি যাবে ভাই – যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়,
গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়,
মায়া মমতায় জড়াজড়ি করি
মোর দেহখানি রহিয়াছে ভরি
মায়ের বুকেতে, বোনের আদরে, ভাইয়ের স্নেহের ছায়।
ক. ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কাজলা দিঘির কাজল জলে কী ভাসে?
খ. ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় বন্ধুকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কেন?
গ. উদ্দীপকের প্রথম চরণের সাথে ‘আমার বাড়ি’ কবিতার কোন অংশের মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ.উদ্দীপক ও আমার বাড়ি কবিতার ভাবার্থ কি এক? বিশ্লেষণ কর।

ক ‘আমার বাড়ি’ কবিতার কাজলা দিঘির কাজল জলে হাঁসগুলো ভাসে।
খ ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কবি তার বন্ধুকে আপ্যায়নের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
কবিতার কবি তার বন্ধুকে পরম মমতায় শালি ধানের চিঁড়া, বিন্নি ধানের খই, কবরী কলা এবং গামছা-বাঁধা দই দিয়ে আপ্যায়ন করতে চেয়েছেন।
গ উদ্দীপকের প্রথম চরণের সাথে ‘আমার বাড়ি’ কবিতার প্রথম চরণ ‘আমার বাড়ি যাইও ভোমর’ এই অংশের সাথে মিল রয়েছে।
‘আমার বাড়ি’ কবিতার প্রথম চরণ ‘আমার বাড়ি যাইও ভোমর এর মধ্যদিয়ে মূলত কবি তার প্রিয়জনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রিয়জন যদি তাঁর আমন্ত্রণে বাড়ি যায় তবে তিনি শালি ধানের চিঁড়া, বিন্নি ধানের খই, করবী কলা এবং ঘামছা বাঁধা দই
দিয়ে আপ্যায়ন করবেন। পাশাপাশি কবি তাঁর বাড়ির (গ্রামের) নয়নাভিরাম দৃশ্যের বর্ণনা দিয়েছেন। যা দেখে তাঁর ভোমর বা প্রিয়জন নিশ্চয়ই আনন্দিত হবে।
উদ্দীপকের প্রথম চরণ, তুমি যাবে ভাই-যাবে মোর সাথে আমাদের ছোট গাঁয়-এর মধ্য দিয়ে কবি তার বন্ধুকে নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন তাঁর ছোট গাঁয়ে যাওয়ার জন্য। গাছের ছায়ায় ঘেরা, উদাসী বনের সেই গ্রাম সেখানে সবাই মিলেমিশে মায়া-মমতায় জড়াজড়ি করে থাকে। মায়ের বুকে, বোনের আদরে, ভাইয়ের স্নেহের ছায় কবির সেখানে আনন্দঘন দিন কাটে। উদ্দীপকের প্রথম চরণের এই আহŸানের সাথে ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় প্রথম চরণের মিল রয়েছে। উভয় চরণের মধ্যদিয়ে কবি তাঁর বন্ধু বা প্রিয়জনকে আমন্ত্রণ জানিয়াছেন।
ঘ উদ্দীপক ও ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কবির বন্ধুকে আপ্যায়ন এবং মনোরঞ্জনের জন্য যে আহŸান জানিয়েছেন সেদিক দিয়ে উভয়ের ভাবার্থ একই।
‘আমি বাড়ি’ কবিতায় কবি তাঁর প্রিয়জনকে নিজের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কবি তাকে বিভিন্ন খাবার দিয়ে আপ্যায়িত করবেন। কবি তাকে নিয়ে সারাদিন খেলা করবেন। আম-কাঁঠালের বনের ধারে আঁচল পেতে শোয়াবেন, গাছের শাখা দুলিয়ে বাতাস করবেন এমনি চমকপ্রদ ভালোবসা ও সৌজন্যের প্রকাশ ঘটিয়েছেন।
উদ্দীপকে কবি তাঁর ছোট গাঁয়ে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়াছেন তাঁর বন্ধুকে। কবির গ্রামটি এক ভালোবাসার আশ্রয়। যেখানে সবাই মায়া-মমতায় জড়াজড়ি করে থাকে। মা-বোন- ভাইয়ের এমন আদর-স্নেহর জায়গা আর কোথাও নেই। এখানে এলে তাঁর বন্ধুর মন ভরে যাবে।
‘আমার বাড়ি’ কবিতা ও উদ্দীপক উভয় স্থানে আছে ভালোবাসার আমন্ত্রণ। বন্ধুকে ভালোবেসে কাছে টেনে অকৃত্রিম পরিবেশে হৃদয়ের গভীর আর্তিসহ আতিথেয়তার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কবি ভালোলাগা অনুভ‚তি বন্ধুর মাঝে সঞ্চারিত করতে চান। তাই তিনি বন্ধুকে নানাভাবে মনোরঞ্জনের চেষ্টা করেছেন। তাই ‘আমার বাড়ি’ ও উদ্দীপক একই ভাবার্থ বহন করে
প্রশ্ন- ১ ল্ফল্ফ
“ঘুম হতে আজ জেগেই দেখি শিশির-ঝরা ঘাসে,
সারা রাতের স্বপন আমার মিঠেল রোদে হাসে।
আমার সাথে করতো খেলা প্রভাত হাওয়া, ভাই,
সরষে ফুলের পাঁপড়ি নাড়ি ডাকছে মোরে তাই।
চলতে পথে মটরশুঁটি জড়িয়ে দুখান পা,
বলছে ডেকে, ‘গাঁয়ের রাখাল একটু খেলে যা!’
সারা মাঠের ডাক এসেছে, খেলতে হবে ভাই!
সাঁঝের বেলা কইব কথা এখন তবে যাই!”
ক. ‘আমার বাড়ি’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের? ১
খ. ‘গামছা বাঁধা দই’ বাক্যটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? ২
গ. উদ্দীপকের কবিতাংশের সাথে ‘আমার বাড়ি’ কবিতার কোন দিন দিয়েসাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. উদ্দীপকের কবিতাংশ আর আমার বাড়ি কবিতা গ্রামবাংলার চিরচেনা দৃশ্য ধারণ করেছে কথাটি বিশ্লেষণ কর। ৪

ক ‘আমার বাড়ি’ কবিতাটি ‘হাসু’ কাব্যগ্রন্থের।
খ গামছা বাঁধা দই বলতে ঘন দই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
কবি গামছা-বাঁধা দই দিয়ে প্রিয়জনকে আপ্যায়ন করতে চেয়েছেন। অধিক ঘনত্বের জন্য যে দই গামছায় রাখলেও রস গাড়িয়ে পড়ে না। এমন দইকে বোঝানো হয়েছে।
গ পল্লি প্রকৃতির রূপ-বৈচিত্র্যের দিক দিয়ে উদ্দীপকের কবিতাংশের সাথে ‘আমার বাড়ি’ কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কবি তাঁর বন্ধুকে গ্রামের বাড়িতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। যেখানে রয়েছে আম-কাঁঠালের বন, চাঁদ, তারার ফুল। গাই দোহনের শব্দ, ডামিল গাছ, কাজলা দিঘি, হাঁসের পাল, মৌরিফুল ইত্যাদি। প্রকৃতির এই উপাদানগুলোর মধ্যদিয়ে কবি এক সুন্দর গ্রামীণ চিত্র এঁকেছেন।
উদ্দীপকের কবি তাঁর কবিতাংশে গ্রামীণ সৌন্দর্যকেই তুলে ধরেছেন। তাঁর কবিতায় উপজীব্য হয়ে উঠেছে শিশির-ঝরা ঘাস, মিঠেল রোদ, প্রভাত হাওয়া, সরষে ফুলের পাপড়ি, মটরশুঁটি, গাঁয়ের রাখাল, সাঁঝের বেলা ইত্যাদি উপাদান। যা আমাদের সত্যিই কল্পনার সেই গ্রামে নিয়ে যায়। তাই দেখা যায় উদ্দীপক ও ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় একইরূপ প্রাকৃতিক উপাদান কবিতায় তুলে ধরা হয়েছে। এক্ষেত্রে উদ্দীপকের কবিতাংশের সাথে ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ আবহমান গ্রাম বাংলার সৌন্দর্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে উদ্দীপকের কবিতাংশ আর ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কবি গ্রামবাংলার চিরচেনা দৃশ্য ধারণ করেছে।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় পল্লিকবি জসীমউদ্দীন তার প্রিয়জন বা বন্ধুকে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার আহŸান জানিয়েছেন গ্রামের মায়াময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখা ও উপভোগ করার জন্য। তিনি গ্রমীণ খাবারে তাকে আপ্যায়ন করতে চেয়েছেন। আবার আম-কাঁঠালের বনের ধারে আঁচল পেতে শুতে দেবেন। গাছের শাখা দুলিয়ে বাতাস করবেন। এমন উপমা কোথাও পাওয়া যায় না। এছাড়া কবি কবিতায় চাঁদ, ফুল, গাই দোহনের শব্দ, ডালিমগাছ, কাজলা দিঘি, হাঁসের পাল, মৌরি ফুল ইত্যাদি গ্রামবাংলার উপকরণ ব্যবহার করেছেন।
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিশির ঝরা ঘাস, মিঠেল রোদ, প্রভাত হাওয়া, সরষে ফুলের পাঁপড়ি মটরশুঁটি, গায়ের রাখাল ইত্যাদি আবহমান গ্রামবাংলার প্রাকৃতিক উপাদান। যা কবিতাংশটি আমাদের চিত্তাকর্ষণ করে তুলেছে।
উদ্দীপকে ও ‘আমার বাড়ি’ কবিতা পড়লে’ আমরা সেখানে গ্রামবাংলার চিরচেনা দৃশ্য দেখে অভিভ‚ত হই। এই দৃশ্য কবিতাকে উপভোগ্য করে তুলেছে।
প্রশ্ন- ২ ল্ফল্ফ
রুনু গরমের ছুটিতে তার দাদার বাড়িতে বেড়াতে গেল। গ্রামের মানুষ তাকে খুব স্নেহ করল। যে বাড়িতেই সে বেড়াতে গিয়েছে; সেই বাড়িতেই তাকে আপ্যায়ন করেছে। গ্রামের ছেলেরা সারাদিন তার সাথে ঘুরে বেড়িয়েছে। গরম লাগলে দাদি তাকে হাত পাখার বাতাস দিয়েছে। গ্রামের ছেলেদের সাথে সে আম, জাম, লিচু গাছের ফল খেয়ে বেড়িয়েছে। কয়েকদিনেই গ্রামটা তার কাছে বড় আপন মনে হলো।
ক. কবি কী ফুলের মালা বন্ধুর বুকে জড়িয়ে দিতে চেয়েছেন? ১
খ. সারারাত গাছের শাখা দুলিয়ে বাতাস করা বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ২
গ. উদ্দীপকের রুনুর দাদা বাড়ির অভিজ্ঞতা ‘আমার বাড়ি’ কবিতার কোন অংশের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.‘গ্রামের মানুষ অতিথিপরায়ণ’ উদ্দীপক ও ‘আমার বাড়ি’ কবিতার আলোকে এর সত্যতা যাচাই কর। ৪

ক কবি তারা ফুলের মালা বন্ধুর বুকে জড়িয়ে দিয়ে চেয়েছেন।
খ সারারাত গাছের শাখা দুলিয়ে বাতাস করা বলতে বন্ধুর প্রতি কবির ভালোবাসার বিশেষ প্রকাশ ঘটেছে।
মাতৃভ‚মি-পল্লিজননীর রূপ-সৌন্দর্যে কবি মুগ্ধ। তিনি তার বন্ধুকে তা উপভোগ করার জন্য আহŸান জানিয়েছেন। বাঙালি সংস্কৃতি অনুযায়ী অতিথিকে পাখা দিয়ে বাতাস করা হয়ে থাকে। কবি বন্ধুর প্রতি অধিক ভালোবাসা প্রকাশের জন্য গাছের শাখা দুলিয়ে সারারাত বাতাস করার কথা বলেছেন।
গ উদ্দীপকের রুনুর দাদাবাড়ির অভিজ্ঞতা আমার বাড়ি কবিতায় উল্লিখিত বন্ধুর প্রতি আপ্যায়ন ও আতিথেয়তার দিকটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় জসীমউদ্দীন তার বন্ধুকে গভীর মমতায় তার গ্রামের বাড়ি যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তিনি বন্ধুকে পিঁড়িতে বসতে দেবেন, শালি ধানের চিঁড়ে, বিন্নি-ধানের খই, কবরী কলা গামছা বাঁধা দই ইত্যাদি দিয়ে জলপান করাবেন। আম-কাঁঠালের বনের ধারে আঁচল পেতে শুতে দিবেন। শুধু তাই নয়, গাছের শাখা দুলিয়ে সারারাত বাতাস করে বন্ধুর মনোরঞ্জন করবেন।
উদ্দীপকের রুনু তাঁর দাদা বাড়িতে বেড়াতে গেলে গ্রামের মানুষ তাকে খুব স্নেহ করে। যে বাড়িতেই গিয়েছে আপ্যায়িত হয়েছে। দাদি তাকে হাত পাখার বাতাস করেছেন। গ্রামের ছেলেদের সাথে সে আম, জাম, লিচু ইত্যাদি সুমিষ্ট ফল খেয়ে বেড়িয়েছে। আমার বাড়ি কবিতায় কবি তার বন্ধুকে যেভাবে আপ্যায়িত করতে চান, আনন্দ দিতে চান, রুনু তার দাদা বাড়িতে সেভাবেই আপ্যায়িত ও আনন্দিত হয়েছে। সেদিক দিয়ে রুনুর দাদা বাড়ির অভিজ্ঞতা ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় উল্লিখিত বন্ধুর প্রতি আপ্যায়ন ও অতিথেয়তার দিকটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ ‘আমার বাড়ি’ ও উদ্দীপকে গ্রামের মানুষ যে অতিথিপরায়ণ সে কথাটিই সত্য হয়ে উঠেছে।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কবি জসীমউদ্দীন গ্রামীণ আতিথেয়তার প্রকৃষ্ঠ উদাহরণ তুলে ধরেছেন। কবি তাঁর প্রিয়জন বা বন্ধুকে বসতে দিবেন পিঁড়িতে। গ্রামীণ উপকরণে জলপান করাবেন আঁচল পেতে শোয়াবেন, গাছের শাখা দুলিয়ে বাতাস করবেন, ফুলের মালা জড়িয়ে দিবেন। ভালোবাসা ও আতিথেয়তার এমন উদারহণ কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না।
উদ্দীপকের রুনু দাদা বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানে সবাই তাকে আপা করে নেয় । যে বাড়িতে গিয়েছে সে বাড়িতেই তাকে আপ্যায়ণ করেছে। রুনু গ্রামের ছেলেদের সাথে আম, জাম, লিচু গাছের ফল খেয়ে বেড়িয়েছে। গরম লাগলে দাদি তাকে বাতাস করেছেন। এসব আতিথেয়তার কারণে কয়েক দিনেই গ্রামটা তার কাছে আপন মনে হয়।
‘আমার বাড়ি’ এবং উদ্দীপকে আমরা লক্ষ করি যে গ্রামীণ আতিথেয়তার বিষয়টি চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। কবিতায় গ্রামীণ আতিথেয়তায় বিষয়টি কবি ফুটিয়ে তুলেছেন গ্রামের একজন হিসেবে। আবার উদ্দীপকের রুনু পরম আতিথ্য পেয়েছে গ্রামের মানুষ থেকেই। তাই গ্রামের মানুষ অতিথিপরায়ণ। কথাটি সত্য হয়ে উঠেছে।
প্রশ্ন- ৩ ল্ফল্ফ
বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লীমায়ের কোল
ঝাউশাখে যেথা বনলতা বাঁধি হরষে খেয়েছি দোল।
কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া কাঁচা পাকা কুল খেয়ে,
অমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছি গাঁয়ের দুলালী মেয়ে।
পৌষপার্বণে পিঠা খেতে বসে খুশিতে বিষম খেয়ে,
আরো উল্লাস বাড়িয়াছে মনে মায়ের বকুনি খেয়ে।
ক. জলপান করতে কী দেওয়ার কথা বলা হয়েছে? ১
খ. ‘আমার বাড়ি যাইও ভোমর’ চরণটিতে ভোমর কী অর্থ প্রকাশ করে? ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকের কবিতাংশ ‘আমার বাড়ি’ কবিতার কোন দিকটির সম্পূরক? বর্ণনা কর। ৩
ঘ. ‘উদ্দীপকের কবিতাংশ স্মৃতিচারণ হলেও ভাবার্থের দিক থেকে ‘আমার বাড়ি’ কবিতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ’। কথাটি সত্যতা যাচাই কর। ৪

ক জলপান করতে শালি ধানের চিঁড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
খ আমার বাড়ি যাইও ভোমর চরণটিতে ‘ ভোমর’ শব্দটি প্রিয়জন অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।
সাধারণ অর্থে ভ্রমর মানে ‘মৌমাছি’। ভ্রমরের কথ্য রূপ ভোমর। কবিতায় কবি তাঁর বন্ধুকে ভোমর বলে সম্বোধন করেছেন।
গ পল্লি-প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য প্রকাশের দিকটি উদ্দীপকের কবিতাংশ ‘আমার বাড়ি’ কবিতার সম্পূরক।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় পল্লি-প্রকৃতি প্রধান উপজীব্য হয়ে উঠেছে। কবি তার বন্ধুকে আমন্ত্রণ করেছেন। তার বাড়িতে অর্থাৎ তার চিরচেনা প্রকৃতিতে। আম-কাঁঠালের বনের ধারে তাকে শুতে দিবেন, গাছের শাখা দুলিয়ে বাতাস করবেন। তাছাড়া তারা ফুলের মালা, গাই দোহনের শব্দ, ডালিম গাছ, কাজলা দিঘি, হাঁসগুলো, মৌরি ফুল ইত্যাদি বিষয়গুলো অত্যন্ত রূপময় হয়ে উঠেছে।
উদ্দীপকে পল্লি-প্রকৃতির উপাদান মূর্ত হয়ে ফুটে উঠেছে। এখানে ঝাউশাক, বনলতা, কুল, গায়ের দুলালী মেয়ে পৌষপার্বণের পিঠা ইত্যাদি উপাদান আমাদের পল্লি মায়ের কোলেই নিয়ে চলে যায়। প্রকৃতির এই রূপ-বৈচিত্র্য আমাদের মনে এক গভীর ভাবাবেগ ও আবেদন সৃষ্টি করে। ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় একইভাবে ফুটে উঠেছে প্রকৃতির রূপ-বৈচিত্র্য।
ঘ উদ্দীপকের কবিতাংশ স্মৃতিচারণ হলেও ভাবার্থের দিক থেকে আমার বাড়ি কবিতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ- কথাটি সত্য।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কবি তাঁর বন্ধুকে নিজের গ্রামের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করেছেন। বন্ধুকে আপ্যায়ন করতে চান শালি ধানের চিঁড়া, বিন্নি-ধানের খই, কবরী কলা এবং গামছা বাঁধা দই দিয়ে। প্রকৃতির সান্নিধ্যে এলে কবি বন্ধুর প্রাণ জুড়িয়ে যাবে। আতথির বিশ্রাম ও আনন্দ লাভের বিষয়টি কবিতায় লক্ষণীয়। সেখানে গাছ ফুল, পাখিও যেন অতিথিকে বরণ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।
উদ্দীপকের কবিতাংশের কবি তার পল্লিমায়ের স্মৃতি আজ স্মরণ করছেন। ঝাউগাছের সাথে বনলতা বেধে তিনি যে আনন্দে দোল খেয়েছেন, কাটার আঘাত সয়ে কাঁচা পাকা কুল খেয়ে গাঁয়ের দুলালী মেয়ে যেন অমৃতের স্বাদ পেয়েছে ইত্যাদি বর্ণনা খুবই বিত্তাকর্ষক হয়ে উঠেছে। শুধু তাই নয় পৌষপার্বণে পিঠে খাওয়ার সময় খুশিতে বিষম খাওয়ার পর মায়ের বকুনি খাওয়ার কথাও তাঁর স্মৃতি থেকে বাদ যায়নি।
উদ্দীপক ও ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় আমরা লক্ষ করি উভয় স্থানে প্রকৃতির সান্নিধ্যে এসে জীবনকে উপভোগ করার কিংবা আনন্দ লাভ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত হয়েছে। তাই উদ্দীপকের কবিতাংশ স্মৃতিচরণ হলেও ভাবার্থের দিক থেকে ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
প্রশ্ন- ৪ ল্ফল্ফ
যতি ঢাকায় তার ছোট চাচার বাসায় বেড়াতে গেল। সে খুব অবাক হলো। বাসার সবাই খুব ব্যস্ত। ছোট চাচা ও চাচি চাকরি করেন। অফিসে যাওয়ার আগে তাড়াহুড়ো। চাচি যতিকে বলে যান, টেবিলে খাবার আছে খেয়ে নিও। অথচ তাদের বাড়িতে তো এমন হয় না। তার চাচাতো ভাইটিও ব্যস্ত। সারাদিন স্কুল ও পড়াশোনা, খেলাধুলা বা বেড়ানোর সময় তার নেই। শহরে গাছপালা তেমন নাই। শুধু গাড়ির শব্দ। কয়েক দিনেই হাঁপিয়ে উঠল যতি। তার মনে হলো- নগর জীবন আতিথেয়তার ধারণা বদলে দিয়েছে।”
ক. কাজলা দিঘি কী? ১
খ. ‘চাঁদ মুখে চাঁদের চুমো’- বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকের সাথে ‘আমার বাড়ি’ কবিতার অমিলের দিকটি ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.নগর জীবন আতিথেরতার ধারণা বদলে দিয়েছে কথাটি উদ্দীপক ও ‘আমার বাড়ি’ কবিতার আলোকে মূল্যায়ন কর। ৪

ক কাজলের মতো কালো জলের দিঘিকে কাজলা দিঘি বলা হয়।
খ চাঁদ মুখে চাঁদের চুমো’ বলতে কবি তাঁর বন্ধুর মুখকে চাঁদের সাথে তুলনা করেছেন। কবি সেই চাঁদমুখে চাঁদের চুমো মাখিয়ে দিতে চেয়েছেন। এখানে বন্ধুর প্রতি কবির অকৃত্রিম ভালোবাসা ফুটে উঠেছে।
গ ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় পরম আতিথেয়তার কথা আছে কিন্তু উদ্দীপকে সেই আতিথেয়তার অভাব লক্ষণীয়।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কবি তাঁর বন্ধুকে গ্রামের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করেছেন। কবি তাকে শালি ধানে চিঁড়ে, বিন্নি ধানের খই, কবরী কলা ও গামছা-বাঁধা দই ইত্যাদি দিয়ে আপ্যায়ন করার কথা বলেছেন। তাছাড়া তার সাথে সারাদিন খেলা করার কথাও বলেছেন।
উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, যতি তার ছোট চাচার বাসায় এসে দেখে চাচা-চাচি সবাই খুব ব্যস্ত। চাচাতো ভাইটিও ব্যস্ত পড়াশোনা নিয়ে। শহরের গাছপালা নেই, আছে গাড়ির শব্দ। কয়েকদিনেই হাঁপিয়ে উঠে যতি। ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় গভীর আন্তরিকতায় আতিথ্য গ্রহণের আমন্ত্রণ রয়েছে। আর উদ্দীপকে আতিথেয়তার অভাবে যতি নামের মেয়েটি হাঁপিয়ে উঠেছে। তাই উদ্দীপকের সাথে ‘আমার বাড়ি’ কবিতার অমিলের দিকটি একবারে স্পষ্ট।
ঘ ‘নগর জীবন আতিথেয়তার ধারণা বদলে দিয়েছে’- এ কথাটি সত্য।
‘আমার বাড়ি’ কবিতা পল্লি-গ্রামের পটভ‚মিতে রচিত। সেখানে মানুষ প্রেমপ্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। এখানে কোনো সম্পর্কের কৃত্রিমতা নেই। কবি তাঁর বন্ধুকে আপ্যায়নের পাশাপাশি সুখ ও বিনোদন লাভের আহŸান জানিয়েছেন। সেখানে মানুষের মন-মানসিকতা প্রকৃতির মতোই অবারিত। সারাটা দিন খেলা করার ভাবনাটা শুধু গ্রমীণ পরিবেশেই সম্ভব।
উদ্দীপকে যতি প্রিয়জনের সাথে মিশে মনের স্বস্তি ও আনন্দলাভের আশায় তার ছোট চাচার বাসায় এসেছিল। কিন্তু সবার ব্যস্ততা দেখে সে হতাশ হলো। অল্পদিনেই সে হাঁপিয়ে উঠল। কারণ কেউ তাকে সময় দিল না খেলারও অংশ নিল না। ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় আতিথেয়তার প্রকাশ দেখি আর উদ্দীপকের আমরা দেখি নগরজীবনের ব্যস্ততা আর যান্ত্রিকতার সাথে সকলেই মিশে গেছে। শুধু কাজ আর কাজ। আর গ্রামের জীবনে রয়েছে অখণ্ড অবসর। তাই একথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায় নগরজীবন আতিথেয়তার ধারণা বদলে দিয়েছে।
প্রশ্ন- ৫ ল্ফল্ফ
আমাদের ছোটো গ্রাম মায়ের সমান,
আলো দিয়ে বায়ু দিয়ে বাঁচাইছে প্রাণ।
মাঠ ভরা ধান আর জল ভরা দিঘি,
চাঁদের কিরণ লেগে করে ঝিকিমিকি।
আমগাছ জামগাছ বাঁশ ঝাড় যেন,
মিলে মিশে আছে ওরা আত্মীয় হেন।
সকালে সোনার রবি পুব দিকে ওঠে
পাখি ডাকে, বায়ু বয়, নানা ফুল ফোটে।
ক. কবি কী ধানের খই দিয়ে আপ্যায়ন করতে চেয়েছেন? ১
খ. আঁচল পেতে শোয়া কী অর্থদোতনা প্রকাশ করে? ২
গ. উদ্দীপকের কবিতাংশের সাথে ‘আমার বাড়ি’ কবিতার বৈসাদৃশ্যর দিকটি ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. “উদ্দীপকের কবিতাংশ ‘আমার বাড়ি’ কবিতার মূলভাবের সাথে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ হলেও কবিতা দুটি গ্রামের কথা বর্ণনা রয়েছে কথাটির যৌক্তিকতা বিচার কর। ৪

ক কবি বিন্নি ধানের খই দিয়ে আপ্যায়ন করতে চেয়েছেন।
খ ‘আঁচল পেতে শোয়া’ কথাটির মধ্যদিয়ে এক গভীর অর্থদ্যোতনা প্রকাশ পেয়েছে।
অতিথির বিশ্রামের জন্য কবি আঁচল পেতে দিতে চেয়েছেন। কারণ সাধারণ বিছানায় চেয়ে আঁচল পেতে শুইতে দেয়ার সাথে অনেক বেশি মমতাবোধ প্রকাশ পায়।
গ ‘আমার বাড়ি’ কবিতার একজনকে আমন্ত্রণের কথা থাকলেও উদ্দীপকের ছোট গ্রামে কাউকে আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলা হয়নি।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কবি তার বন্ধুকে তার গ্রামে এসে আর আতিথ্য গ্রহণের আহŸান জানিয়াছেন। এখানে এলে তিনি তাঁকে জলপান করাবেন। নানাভাবে তার মনতুষ্ঠ করবেন। শুধু কবি তাঁর বন্ধুর জন্য প্রতিক্ষা করেন না, গাছ, ফুল, পাখিও যেন অতিথিকে বরণ করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে।
উদ্দীপকে ছোট গ্রামের এক অপরূপ বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। গ্রাম যেন মায়ের সমান। মাঠভরা ধান, জলভরা দিঘি, আমগাছ, জামগাছ, বাঁশঝাড় সবাই এখানে মিলেমিশে আছে। এখানে পাখি ডাকে, বায়ু বয় এবং বিচিত্র ধরনের ফুল ফোটে। ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কবির গ্রামটি তেমনি সুন্দর বলে সেখানে তিনি তাঁর বন্ধুকে নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কিন্তু উদ্দীপকে এ ধরনের কোনো আমন্ত্রণের বিষয়টি নেই। কবিতা ও উদ্দীপকের বৈসাদৃশ্য এখানে।
ঘ ‘উদ্দীপকের কবিতাংশে ‘আমার বাড়ি’ কবিতার মূলভাবের সাথে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ হলেও গ্রামের কথা বর্ণনা করেছে কবিতা দুটি’- কথাটি যুক্তিযুক্ত।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় পল্লিকিবি জসীমউদ্দীন তাঁর অপরূপ গ্রামের বাড়ির বর্ণনা দিয়েছেন। তাঁর বাড়িতে গাই দোহনের শব্দ শোনা যায়, ডালিম গাছ ও তার ফুল। কাজল দিঘির কাজল জল, হাঁস, মৌরি ফুলের গন্ধ ইত্যাদির উপস্থাপনায় আমরা মুগ্ধ এবং কবির প্রাণে যেন আমরা অবস্থান করছি। সবকিছু প্রত্যক্ষ করছি।
উদ্দীপকেও ছোট গ্রামটিতে রয়েছে জলভরা দিঘি। চাঁদের কিরণ, আমগাছ, জামগাছ, বাঁশঝাড় ইত্যাদি। সবাই যেন অতিথির মতো বসবাস করে, সেখানে পাখি ডাকে, বায়ু বয় এবং নানা ফুল ফোটে।
তাই দেখা যায় উদ্দীপক ও ‘আমার বাড়ি’ কবিতার মূলভাবের সাথে বৈসাদৃশ্য থাকলেও উভয় স্থানে একটি সুন্দর নিটোল গ্রামের বর্ণনা রয়েছে।
প্রশ্ন- ৬ ল্ফল্ফ

ক. ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় সকালবেলা জেগে ওঠে- কীসের শব্দ শোনার কথা বলা হয়েছে? ১
খ. ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কী দিয়ে বন্ধুকে আপ্যায়নের কথা বলা হয়েছে? ২
গ. উদ্দীপকের ছবিটির সাথে ‘আমার বাড়ি’ কবিতার সাদৃশ্য উপস্থাপন কর। ৩
ঘ.“উদ্দীপকে চিত্রটি ‘আমার বাড়ি’ কবিতা সামগ্রিক রূপটিকে ধারণ করতে পারেনি।” কথাটির সত্যতা যাচাই কর। ৪

ক ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় সকাল বেলা জেগে ওঠে- গাই দোহনের শব্দ শোনার কথা বলা হয়েছে।
খ ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় জলপানের মাধ্যমে আপ্যায়ন করতে চেয়েছেন কবি।
কবিতার জলপানের মধ্যে ছিল, শালি ধানের চিঁড়ে, বিন্নি ধানের খই, কবরী কলা ও গামছা-বাঁধা দই। এসব উপাদান দিয়েই কবি তাঁর বন্ধুকে আপ্যায়ন করতে চেয়েছেন।
গ উদ্দীপকের চিত্রটি একটি গ্রামের বাড়ি আর ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় ও গ্রামের বাড়ির উল্লেখ রয়েছে। এক্ষেত্রে উভয়ের মধ্যে সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়েছে।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কবি তার বন্ধুকে তার গ্রামের নিজ বাড়িতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। যে বাড়িতে কবরী কলা, আম-কাঁঠালের বন, ডালিম গাছ, মৌরি ফুল ইত্যাদি রয়েছে। যে উপাদানগুলোর জন্য কবির বাড়ি একটি সার্থক গ্রামের বাড়ি হয়ে উঠেছে।
উদ্দীপকের চিত্রটি একটি গ্রামের বাড়ির চিত্র। যেখানে গাছপালা রয়েছে। কুঁড়েঘর, বড় উঠোন, গাছপালা, কর্মরত মানুষের চিত্র প্রতিফলিত। তাই উদ্দীপক ও ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় গ্রামের বাড়ির প্রতিচ্ছবি অঙ্কন করা হয়েছে। এদিক দিয়ে উদ্দীপক ও ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ “উদ্দীপকের চিত্রটি আমার বাড়ি কবিতার সামগ্রিক রূপটি ধারণ করতে পারেনি”- কথাটি সত্য।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কবির নিজ বাড়ির চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন, যে বাড়িতে বসতে দেওয়ার জন্য পিঁড়ি আছে। কবরী কলার গাছ, আম কাঁঠালের বন, গাই দোহনের শব্দ, ডালিম গাছ ইত্যাদি রয়েছে। সেদিক থেকে গ্রামটিকে সুনিবিড় বলেই মনে হয়।
উদ্দীপকে ছবিটিও একটি গ্রামের বাড়ির। সেখানে কুড়েঘর, গাছপালা ও বড় উঠোন রয়েছে’। পরিচ্ছন্ন নয়নাভিরাম এ বাড়িটি নজর কাড়ে। চিরায়ত গ্রামবাংলার একটি গ্রামের মতো না হলেও এটি গ্রামের বাড়ি সন্দেহ নেই। কারণ এখানে গ্রামীণ আবহ পুরোপুরি বিদ্যমান।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় উল্লিখিত কবির বাড়ি ও উদ্দীপকের বাড়ি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কবির বাড়িতে বহু বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে যা উদ্দীপকের বাড়িতে অনুপস্থিত। কবির বাড়িতে নানা বৈচিত্র্যের গাছপালাসহ বিভিন্ন উপাদান বিদ্যমান। উদ্দীপকে সেসব উপাদান না থাকায় তা মামার বাড়ি কবিতায় সামগ্রিক রূপটি ধারণ করতে পারেনি।
 অনুশীলনের জন্য সৃজনশীল প্রশ্নব্যাংক (উত্তরসংকেতসহ)
প্রশ্ন- ৭ ল্ফল্ফ
রাজু তার বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গেল। তার বন্ধুর বাবা ব্যবসায়ী। বিশাল তাদের বাড়ি। প্রত্যেকটা ঘরে এয়ারকন্ডিশনের ব্যবস্থা আছে। রাজুকে এয়ারকন্ডিশনের বাতাসে বসিয়ে তার বন্ধুর মা খেতে দিল। চিকেন ফ্রাই, নুডলস সুপসহ অনেক খাবার খাওয়ার পরে রাজু তার বন্ধুর সাথে বসে হোম থিয়েটারে সিনেমা দেখল।
ক. ‘কবি জসীমউদ্দীন কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন? ১
খ. ‘যুগ যুগ ধরেই অতিথি আপ্যায়নে বাঙালির সুনাম রয়েছে’- উক্তিটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকের সাথে আমার বাড়ি কবিতার বৈসাদৃশ্য নির্দেশ কর। ৩
ঘ. উদ্দীপকে আতিথেয়তার কথা থাকলেও তা আমাদের কবিতার সামগ্রিকতাকে স্পর্শ করতে ব্যর্থ হয়েছে- কথাটি ব্যাখ্যা কর। ৪

ক কবি জসীমউদ্দীন তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
খ উক্তিটির মাধ্যমে বাঙালির অতিথি আপ্যায়নের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
প্রাচীনকাল থেকে বাঙালিরা অতিথি আপ্যায়নে অত্যন্ত আন্তরিক। ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় অতিথির বিশ্রাম ও আনন্দের জন্য গৃহস্থের আন্তরিক প্রয়াস এ কবিতায় বিশেষভাবে লক্ষণীয়। তাই বলা হয়েছে অতিথি আপ্যায়নে বাঙালির যুগ যুগ ধরে সুনাম আছে।
ঢপষঁংরাব লিংক : প্রয়োগ (গ) ও উচ্চতর দক্ষতার (ঘ) প্রশ্নের উত্তরের জন্য অনুরূপ যে প্রশ্নের উত্তর জানা থাকতে হবে
গ ‘আমার বাড়ি’ কবিতার সাথে উদ্দীপকের আতিথেয়তার স্বরূপ তুলে ধর।
ঘ ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় সামগ্রিক বিষয় বিশ্লেষণ কর।
প্রশ্ন- ৮ ল্ফল্ফ
অনুপ দাদা বাড়িতে বেড়াতে গেল। ভোরবেলা তার ঘুম ভেঙে গেল মধুর শব্দে। একটা বাছুর হাম্বা রব করছে। আর সাথে খুব মিষ্টি একটা শব্দ হচ্ছে। এর আগেও সে দাদা বাড়িতে এসেছে, কিন্তু এমন শব্দ শোনেনি। অনুপ ঘর ছেড়ে বাইরে এলো। দেখল, দাদা গাই দোহাচ্ছেন। গাইটা কাঁঠাল গাছের সাথে বাঁধা বাছুরটা ধরে রেখেছে দাদি। অনুপ সারাদিন বাছুরটাকে আদর করে কাটাল।
ক. কবরী কলা কী? ১
খ. ‘আম-কাঁঠালের বনের ধারে শুয়ো আঁচল পাতি’- এ চরণটি দ্বারা কী প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকের ঘটনাটির সাথে আমার বাড়ি কবিতার সাদৃশ্য উপস্থাপন কর। ৩
ঘ. ‘আমার বাড়ি’ কবিতাটি অতিথি আপ্যায়নবিষয়ক হলেও এর মধ্যে- উদ্দীপকের মতো স্নেহ-ভালোবাসা স্থান পেয়েছে’- কথাটি উদ্দীপক ও আমার বাড়ি কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ কর। ৪

ক কবরী কলা হলে স্বাদের জন্য বিখ্যাত এক প্রকার কলা।
খ আম-কাঁঠালের বনের ধারে শুয়ো আচল পাতি’- চরণটিতে অতিথি আপ্যায়নের আন্তরিকতার প্রকাশ পেয়েছে।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় তার বন্ধু বা প্রিয়জনকে গ্রামের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করেছেন কবি। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কেমন করে অতিথির প্রাণ জুড়াবে তার এক নিবিড় পরিচয় তুলে ধরেছেন উক্ত চরণটিতে। তাই কবি বলেছেন আম-কাঁঠালের বনের ধারে শুতে দেবেন আঁচল পেতে।
ঢ-পষঁংরাব লিংক : প্রয়োগ (গ) ও উচ্চতর দক্ষতার (ঘ) প্রশ্নের উত্তরের জন্য অনুরূপ যে প্রশ্নের উত্তর জানা থাকতে হবে
গ ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় প্রকৃতি ও গাই দোহনের স্বরূপ তুলে ধর।
ঘ ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় সামগ্রিক বিষয় আলোচনা কর।

জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

 জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর 
প্রশ্ন \ ১ \ কবির গৃহে অতিথি গমন করলে কবি তাকে কীসে বসতে দেবেন?
উত্তর : কবির গৃহে অতিথি গমন করলে কবি তাকে পিঁড়িতে বসতে দেবেন।
প্রশ্ন \ ২ \ কবি অতিথিকে জলপান করার জন্য কোন ধানের চিঁড়ে দেবেন?
উত্তর : কবি অতিথিকে জলপান করার জন্য শালি ধানের চিঁড়ে দেবেন।
প্রশ্ন \ ৩ \ কবি কোন ধানের খই দিয়ে অতিথিকে আপ্যায়ন করবেন?
উত্তর : কবি বিন্নি ধানের খই দিয়ে অতিথিকে আপ্যায়ন করবেন।
প্রশ্ন \ ৪ \ কবি অতিথিকে কোন বনের ধারে ঘুমিয়ে বিশ্রাম নিতে বলেছেন?
উত্তর : কবি অতিথিকে আম-কাঁঠালের বনের ধারে ঘুমিয়ে বিশ্রাম নিতে বলেছেন।
প্রশ্ন \ ৫ \ ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় কী দিয়ে দই বাঁধার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর : ‘আমার বাড়ি’ কবিতায় গামছা দিয়ে দই বাঁধার কথা বলা হয়েছে।
প্রশ্ন \ ৬ \ কবি কী দুলিয়ে সারারাত অতিথিকে বাতাস করবেন?
উত্তর : কবি গাছের শাখা দুলিয়ে সারা রাত অতিথিকে বাতাস করবেন।
প্রশ্ন \ ৭ \ কবি কোন জাতের কলা দিয়ে তার প্রিয় অতিথিকে আপ্যায়ন করবেন?
উত্তর : কবি কবরী কলা দিয়ে তার প্রিয় অতিথিকে আপ্যায়ন করবেন।
প্রশ্ন \ ৮ \ কবি কোন ফুলের মালা গেঁথে অতিথির বুকে জড়িয়ে দেবেন?
উত্তর : কবি তারা ফুলের মালা গেঁথে অতিথির বুকে জড়িয়ে দেবেন।
প্রশ্ন \ ৯ \ কবি কীসের শব্দ শুনে সকাল বেলা জেগে উঠবেন?
উত্তর : কবি গাই দোহনের শব্দ শুনে সকাল বেলা জেগে উঠবেন।
প্রশ্ন \ ১০ \ হাঁসগুলো কোন জলে ক্রমাগত ভেসে যায়?
উত্তর : হাঁসগুলো কাজলা দিঘির কাজল জলে ক্রমাগত ভেসে যায়।
প্রশ্ন \ ১১ \ কবি কীসের গন্ধ শুঁকে অতিথিকে থামতে বলেছেন?
উত্তর : কবি মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে অতিথিকে থামতে বলেছেন।
প্রশ্ন \ ১২ \ কবি অতিথির চাঁদমুখে কী মাখিয়ে দেবেন?
উত্তর : কবি অতিথির চাঁদমুখে চাঁদের চুমো মাখিয়ে দেবেন।
প্রশ্ন \ ১৩ \ ‘আমার বাড়ি’ কবিতাটি জসীমউদ্দীনের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তর : ‘আমার বাড়ি’ কবিতাটি জসীমউদ্দীনের ‘হাঁস’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
প্রশ্ন \ ১৪ \ ‘আমার বাড়ি’ কবিতাটির মধ্যে কীসের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে?
উত্তর : ‘আমার বাড়ি’ কবিতাটিতে অতিথিকে ভালোবাসার মধ্য দিয়ে সৌজন্য, শিষ্টাচার ও মানবপ্রেমের অসাধারণ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
প্রশ্ন \ ১৫ \ ‘মাটির কান্না’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর : ‘মাটির কান্না’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা জসীমউদ্দীন।
প্রশ্ন \ ১৬ \ জসীমউদ্দীন কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর : জসীমউদ্দীন ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
 অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর 
প্রশ্ন \ ১ \ কবি অতিথিকে ‘ভোমর’ বলে আখ্যায়িত করেছেন কেন?
উত্তর : ভ্রমর যেরূপ একস্থান থেকে অন্যস্থানে মধু আহরণের উদ্দেশ্যে উড়ে যায় অতিথিও ঠিক সেরূপ একস্থানে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করেন না।
‘আমার বাড়ি’ কবিতাতে কবি জসীমউদ্দীনে ‘ভোমর’ শব্দটিকে প্রচলিত রূপকার্থে ব্যবহার করেন। মধু আহরণে ভ্রমর যেমন গুঞ্জরণ করে অতিথিকেও সেরূপ কল্পনা করা হয়েছে। অতিথির অভ্যর্থনার জন্য সকলে উন্মু হয়ে আছে। মূলত ভ্রমর অতিথির দীর্ঘক্ষণ কোথাও অবস্থান না করার কারণে অতিথিকে ভ্রমর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
প্রশ্ন \ ২ \ কবি কী কী খাবার দিয়ে অতিথিকে আপ্যায়ন করবেন?
উত্তর : কবি অতিথির আগমনের সাথে সাথে তাকে শালি ধানের চিঁড়ে ও বিন্নি ধানের খই দিয়ে আপ্যায়ন করবেন।
কবির বাড়ির গাছের কবরী কলা, গামছা দিয়ে জমাট বাঁধা দই খেতে দেবেন অতিথিকে। এছাড়া আর প্রাকৃতিক অনুষঙ্গের সান্নিধ্যে চিত্ত সুখ লাভ করার লোভ দেখানো হয়েছে অতিথিকে।
প্রশ্ন \ ৩ \ ‘গাছের শাখা দুলিয়ে বাতাস/ করার সারা রাতি’ – ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : কবি অতিথির প্রশান্তির জন্য গাছের শাখা দুলিয়ে সারা রাত বাতাস করার কথা বলেছেন।
কবির বাড়ি প্রতীক্ষিত অতিথির আগমন ঘটলে তাকে নানা ধরনের সুস্বাদু খাবার খাওয়ানোর পর তার বিশ্রামের ব্যবস্থাও কবি করে রেখেছেন। কবি আম-কাঁঠালের বনে স্নিগ্ধ পরিবেশে অতিথির ঘুমের ব্যবস্থা করেছেন। শুধু ঘুমের ব্যবস্থা করেই আতিথ্য থেমে থাকেনি। সারারাত গাছের শাখা দুলিয়ে কবি অতিথিকে বাতাস করে শীতল করবেন।
প্রশ্ন \ ৪ \ ‘মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে/ থামিও তব রথ’ – কবি এ কথা কেন বলেছেন?
উত্তর : অতিথি হয়তো কবির বাড়িতে আসার পথ ভুল করতে পারেন তাই কবি তাকে মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে তার রথ (যাত্রা) থামাতে বলেছেন।
কবি তাঁর প্রিয় অতিথির আপ্যায়নের জন্য সব আয়োজন সম্পন্ন করে রেখেছেন। তারপরও কবি কোনোভাবেই দ্বিধামুক্ত হতে পারছেন, যদি অতিথি বাড়ির পথ ভুল করে অন্য পথে চলে যায়, তাই কবির বাড়িতে অতিথির আসার পথে যেন কোনো ভুল না হয় সেজন্য কবি অতিথিকে মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে থামতে বলেছেন এবং বরাবর আসতে বলেছেন।
প্রশ্ন \ ৫ \ ‘চাঁদমুখে তোর চাঁদের চুমো/মাখিয়ে দেবে সুখে’- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : কবি অতিথির চাঁদের মতো মুখে চাঁদের আলো মেখে দিতে চেয়েছেন। আর এ বিষয়টি আলোচ্য পঙ্ক্তিতে উঠে এসেছে।
প্রাকৃতিক স্নিগ্ধ পরিবেশে কবি অতিথিকে অবস্থান করানোর সব রকম আয়োজন সম্পন্ন করেছেন। তাই কবি আতিথেয়তার জন্য কৃত আয়োজনের সব তথ্য তুলে ধরেছেন তাকে চাঁদের আলো দিয়ে চাঁদমুখে চুমো এঁকে দেওয়ার কথা বলেছেন। আর এ কাজটি করা হলে অতিথি পরম সুখ লাভ করবেন।

বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর

 বিষয়ক্রম অনুযায়ী বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
ন্ধ কবি পরিচিতি
সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১. আমার বাড়ি কোন কাব্যের কবিতা? (জ্ঞান)
ক রাখালী খ বালুচর  হাসু ঘ মাটির কান্না
২. পল্লিকবি জসীমউদ্দীন কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন? (জ্ঞান)
ক ১৯০২  ১৯০৩ গ ১৯০৪ ঘ ১৯০৫
৩. কবি জসীমউদ্দীন কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন? (জ্ঞান)
 ফরিদপুর খ যশোর গ কুষ্টিয়া ঘ মাগুরা
৪. পল্লিকবি জসীমউদ্দীন কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন? (জ্ঞান)
ক অম্বখানা খ আটখান  তাম্বুলখানা ঘ চৌদ্দগ্রাম
৫. কবি জসীমউদ্দীন কখন থেকে কবিতা লেখা শুরু করেন? (জ্ঞান)
ক শৈশবকালে  ছাত্রজীবনে
গ সংসার জীবনে ঘ শেষ জীবনে
৬. কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় কবি জসীমউদ্দীন কবর’ কবিতা লেখেন? (জ্ঞান)
 কলকাতা খ ঢাকা গ জগন্নাথ ঘ রাজশাহী
৭. ‘কবর’ কবিতা প্রকাশিত হওয়ার পর কোন শ্রেণির বাংলা সংকলনে স্থান পায়? (জ্ঞান)
 প্রবেশিকা খ এইচএসসি
গ বিএ ঘ এমএ
৮. কবি জসীমউদ্দীনের উল্লেখযোগ্য কাহিনিকাব্য কোনটি? (জ্ঞান)
 সোজন বাদিয়ার ঘাট খ রাখালী
গ হাসু ঘ বেদের মেয়ে
৯. ‘বালুচর’ জসীমউদ্দীনের কোন ধরনের রচনা?
ক কাহিনিকাব্য  কাব্যগ্রন্থ
গ নাটক ঘ শিশুতোষ গ্রন্থ
১০. ‘বালুচর’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে? (জ্ঞান)
ক রোকনুজ্জামান খান খ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
 জসীমউদ্দীন ঘ কাজী নজরুল ইসলাম
১১. ‘হাসু’ শিশুতোষ গ্রন্থের রচয়িতার নাম কী? (জ্ঞান)
ক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খ জীবনানন্দ দাশ
 জসীমউদ্দীন
ঘ মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১২. জসীমউদ্দীন শিশুদের জন্য অনবদ্য রচনা করেন কোনটি? (জ্ঞান)
ক বাঁশি খ স্মৃতিকথা গ ভ্রমণকাহিনি  ডালিমকুমার
১৩. জসীমউদ্দীন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন? (জ্ঞান)
ক কলকাতা  ঢাকা গ রাজশাহী ঘ কুষ্টিয়া
১৪. পল্লিকবি জসীমউদ্দীন কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন? (জ্ঞান)
ক ১৯৭১ খ ১৯৭২ গ ১৯৭৫  ১৯৭৬
১৫. জসীমউদ্দীন কোথায় মৃত্যুবরণ করেন? (জ্ঞান)
 ঢাকা খ কলকাতা গ ফরিদপুর ঘ নোয়াখালী
বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১৬. জসীমউদ্দীনের প্রধান কাব্যগ্রন্থের মধ্য রয়েছে- (অনুধাবন)
র. নক্সী কাঁথার মাঠ রর. সোজন বাদিয়ার ঘাট
ররর. রাখালী
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
১৭. পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের কবিতার- (অনুধাবন)
র. ভাষা সহজ সরল রর. অলঙ্কার বহুল
ররর. ছন্দ সাবলীল
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
১৮. পল্লিকবি জসীমউদ্দীন রচনা করেছেন- (অনুধাবন)
র. প্রবন্ধ রর. নাটক
ররর. স্মৃতিকথা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
ন্ধ মূলপাঠ
সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
১৯. আমার বাড়ি কী ধরনের লেখা? (জ্ঞান)
ক গল্প  কবিতা গ প্রবন্ধ ঘ নাটক
২০. আমার বাড়ি কে লিখেছেন? (জ্ঞান)
 জসীমউদ্দীন খ বন্দে আলী মিয়া
গ সৈয়দ মুজতবা আলী ঘ গোলাম মাস্তফা
২১. আমার বাড়ি যাইও ভোমর- এখানে ‘ভোমর’ কী অর্থ প্রকাশ করে? (প্রয়োগ)
ক ভোমরা পাখি খ গবুরে পোকা  বন্ধু ঘ শত্রæ
২২. জলপান বলতে বুঝায়- (অনুধাবন)
ক পানি পান খ পানি সাথে কিছু না
 হালকা খাবার খেয়ে পানি খাওয়া ঘ চা খাওয়া
২৩. কবি কী ধানের খই দেবে জলপানে? (জ্ঞান)
ক আমল খ আউশ গ ইরি  বিন্নি
২৪. বন্ধুকে বাড়ির গাছে কী খেতে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে? (জ্ঞান)
ক সাগর কলা খ চাপা কলা
 কবরী কলা ঘ বিছা কলা
২৫. আপ্যায়নে দই কেমন হবে? (জ্ঞান)
ক হাঁড়িতে রাখা খ খুঁটিতে রাখা
গ বাটিতে রাখা  গাছ বাঁধা
২৬. বন্ধুকে নিয়ে কোথায় শুয়ে থাকার কথা বলা হয়েছে? (জ্ঞান)
 আম-কাঁঠালের বনের ধারে
খ গাব গাছের নিচে
গ বট গাছের নিচে
ঘ জাম গাছের বনের ধারে
২৭. কী পেতে কবি বন্ধুকে শুতে দেওয়ার কথা বলেছেন? (জ্ঞান)
ক বিছানা খ চাদর  আঁচল ঘ মাদুর
২৮. কবি কীভাবে বন্ধুকে বাতাস দিতে চেয়েছেন? (জ্ঞান)
ক হাত পাখা দিয়ে খ কাপড়ের পাখা দিয়ে
গ তাল পাতার পাখা দিয়ে  গাছের শাখা দুলিয়ে
২৯. কতক্ষণ বাতাস করার কথা বলা হয়েছে? (জ্ঞান)
ক সারা দিন  সারা রাত গ দিন রাত ঘ সবসময়
৩০. চাঁদমুখ বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)
ক যে মুখে চাঁদ আছে খ চাঁদের মুখ
 চাঁদের মতো সুন্দর সুখ ঘ যে মুখে চাঁদ ছিল
৩১. চাঁদের চুমো বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)
 স্নেহের পরশ
খ রাগের কথা
গ গানে চাঁদ এঁকে দেওয়া
ঘ চাঁদকে চুমু খাওয়া
৩২. মাখিয়ে দেব সুখে বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)
 আনন্দে ভরিয়ে দেবে খ পুরো মুখ ভরিয়ে দেবে
গ পুরো গান ভরিয়ে দেবে ঘ দুঃখে ভরিয়ে দেবে
৩৩. কবি বন্ধুকে কোন ফুলের মালা দেবেন? (জ্ঞান)
ক গাদা ফুল খ গোলাপ ফুল
গ রজনীগন্ধা ফুল  তারা ফুল
৩৪. মালা কোথায় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে? (জ্ঞান)
ক হাতে খ গলায়  বুকে ঘ মাথায়
৩৫. ডালিম ফুলের হাসি কোথায়? (অনুধাবন)
ক ডালিম ফুলে খ ডালিম তলে
 ডালিম গাছে ঘ ডালিম ফলে
৩৬. ডালিম ফুলের হাসি বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)
 ডালিম ফুল ফুটে থাকার উজ্জ্বল সৌন্দর্য
খ ডালিম ফুল হাসছে
গ ডালিম ফুল ফুটছে এমন
ঘ ডালিম ফুল শুকিয়ে যাচ্ছে এমন
৩৭. হাঁসগুলো কোথায় ভাসে? (জ্ঞান)
 কাজলা দিঘিতে খ নদীতে
গ বিলে ঘ কাজলা ঝিলে
৩৮. কাজলা দিঘির জল কেমন? (অনুধাবন)
ক স্বচ্ছ জল খ ঘোলা জল
গ সাদা জল  কাজল জল
৩৯. কাজল দিঘির কাজল জল বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)
 কালো জলে পরিপূর্ণ গ্রামীণ দিঘি
খ কাজোলের দিঘি
গ কালির দিঘি
ঘ পরিষ্কার জলের দিঘি
৪০. কবি কীসের শব্দ শুনে জাগবে কথা বলেছেন? (জ্ঞান)
 গাই দোহনের খ পাখির ডাকের
গ ঘুঘুর ডাকের ঘ পেঁচার ডাকের
৪১. গাই দোহনের শব্দ শুনে কখন জেগে উঠবে? (জ্ঞান)
ক দুপুরে খ রাতে গ সন্ধ্যায়  সকালে
৪২. গাই দোহনের শব্দ বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)
 গাভির দুধ দোহনে মধুর শব্দ খ গাভির বাছুরের ডাক
গ গাভির খুরের শব্দ ঘ গাভির খাবার খাওয়ার শব্দ
৪৩. কবি সারাদিন বন্ধুর সাথে কী করতে চেয়েছেন? (জ্ঞান)
ক ঘুমাতে খ ঘুরতে  খেলতে ঘ বেড়াতে
৪৪. কবি বন্ধুকে কী ফুলের গন্ধে শুঁকে থাকতে বলেছেন? (জ্ঞান)
ক জবা খ চাপা গ ধনিয়া  মৌরি
৪৫. কবি তার বন্ধুকে মৌরি ফুলের গন্ধে কী থামতে বলেছেন? (জ্ঞান)
ক ঘোড়া খ গাড়ি গ হাতি  রথ
বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৪৬. আমার বাড়ি কবিতায় আছে- (অনুধাবন)
র. প্রকৃতির সান্নিধ্যে অতিথির প্রাণ জুড়াবার কথা
রর. শহরের কথা
ররর. অতিথি আপ্যায়নের কথা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৪৭. আমার বাড়ি কবিতায় বিশেষভাবে লক্ষণীয়- (উচ্চতর দক্ষতা)
র. অতিথির বিশ্রাম ও আনন্দের জন্য গৃহস্থের আন্তরিকতা
রর. গাছ, ফুল, পাখিদের উন্মুখতা
ররর. অতিথিদের প্রতি সৌজন্য
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৪৮. কবি তার বন্ধুকে আপ্যায়ন করাবেন- (অনুধাবন)
র. শালি ধানের চিঁড়া দিয়ে রর. বিন্নি ধানের খই দিয়ে
ররর. গরম ভাত দিয়ে
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৪৯. ‘আমার বাড়ি’ কবিতা যেসব ফুলের কথা আছে- (অনুধাবন)
র. তারা ফুল রর. গোলাপ ফুল
ররর. মৌরি ফুল
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর  র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
অভিন্ন তথ্যভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৫০ ও ৫১ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
যতিদের বাড়িতে শহর থেকে অতিথি এসেছে। যতি নতুন অতিথিদের নিয়ে গ্রাম ঘুরে দেখালো। তাদের আদর আপ্যায়নের জন্য ভালো ব্যবস্থা হলো বড়িতে। বিদায়ের দিনে যতি আবেগে কেঁদে ফেলল।
৫০. যতিদের কাজের সাথে কোন কবিতার সদৃশ্য আছে? (প্রয়োগ)
ক নতুন দেশ খ সাম্য গ শ্রাবণে  আমার বাড়ি
৫১. ‘আমার বাড়ি’ কবিতার যে বিষয়টি যতির আবেগের মধ্যে প্রকাশিত হয় বলে তুমি মনে কর- (উচ্চতর দক্ষতা)
র. অতিরিক্ত ভালোবাসা রর. মানবপ্রেম
ররর. সৌন্দর্যবোধ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৫২ ও ৫৩ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
রানা শহরে তার মামার বাসায় বেড়াতে গেল। মামা-মামি তাকে সময় দিতে পারে না। এমনকি খাওয়ার সময়ও তারা এক সাথে খেতে পারে না। মামা বললেন, রানা, একা একা তুমি আর এসো না। এর পর এলে কাউকে সাথে নিয়ে এসো।
৫২. অনুচ্ছেদের ঘটনাটি ‘আমার বাড়ি’ কবিতার যে দিকটির সাথে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ- (প্রয়োগ)
র. পরিবেশ রর. আতিথেয়তা
ররর. বর্ণনা
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৫৩. রানার কবিতার কোন দিকটির বিপরীত চিত্র দেখা যায়? (উচ্চতর দক্ষতা)
 নিমন্ত্রণ  স্নেহ গ মানবপ্রেম ঘ বিষম
ন্ধ শব্দার্থ ও টীকা
সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৫৪. কবরী কথা হচ্ছে- (অনুধাবন)
ক আকারে বড় স্বাদহীন কলা
খ আকারে বড় টক কলা
গ আকারে ছোট স্বাদহীন কলা
 আকারে ছোট সুস্বাদু কলা
৫৫. বিন্নি ধান কেমন? (অনুধাবন)
ক এক প্রকার হাইব্রিড ধান
খ এক প্রকার ইরি ধান
 এক প্রকার আদি জাতের ধান
ঘ এক প্রকার বোরো জাতের ধান
৫৬. শালি ধান হচ্ছে- (অনুধাবন)
ক এক প্রকার ইরি ধান খ এক প্রকার বোরো ধান
 এক প্রকার আমন ধান ঘ এক প্রকার হাইড্রিড ধান
৫৭. শালি ধান উৎপাদন হয় কখন? (জ্ঞান)
ক শরতে খ গ্রীষ্মে গ শীতে  হেমন্তে
বহুপদী সমাপ্তিসূচক বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৫৮. গামছা-বাঁধা দই অর্থ- (অনুধাবন)
র. ঘন দই
রর. গামছার রাখলে যে দইয়ের রস পড়ে না
ররর. টক দই
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৫৯. ‘ভোমর’ অর্থ হচ্ছে- (অনুধাবন)
র. মৌমাছি রর. ভোমরা
ররর. প্রজাপতি
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
ন্ধ পাঠ পরিচিত
সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৬০. ‘আমার বাড়ি’ কবিতার শিক্ষণীয় বিষয় কী? (উচ্চতর দক্ষতা)
 সৌজন্য ও শিষ্টাচার
খ মানবপ্রেম ও ঘুরে বেড়ানো
গ শিষ্টাচার ও বসে থাকা
ঘ আচার ও খাবারের নাম
৬১. কবি কী দিয়ে বন্ধুকে আপ্যায়ন করতে চান? (অনুধাবন)
 চিঁড়া, খই, কলা, দই
খ ভাত, মাছ, তরকারি, সবজি
গ মাংস, ডিম, ফল, মিষ্টি
ঘ চিকেন, রোস্ট, সালাদ, রাইস
৬২. আমার বাড়ি কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে?
ক বাঙালির সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার পরিচয়
খ বাঙালির ধর্ম বিশ্বাসের পরিচয়
গ বঙালির খাদ্য অভ্যাসের পরিচয়
ঘ বাঙালির উৎসবের পরিচয়
৬৩. জসীমউদ্দীনের কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে- (অনুধাবন)
ক শহরের মানুষ ও প্রকৃতি
খ ইউরোপের মানুষ ও প্রকৃতি
 পল্লির মানুষ ও প্রকৃতি
ঘ ঢাকা শহরের মানুষ ও প্রকতি
৬৪. অতিথিকে ভালোবাসার মাধ্যমে সৌজন্য ও শিষ্টাচার শেখা- কোন কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে? (প্রয়োগ)
ক নতুন দেশ
খ শ্রাবণে
 আমার বাড়ি
ঘ সাম্য
৬৫. কবি জসীম উদ্দীনের ‘হাসু’ কোনটির অন্তর্গত? (অনুধাবন)
ক কাব্যগ্রন্থের খ প্রবন্ধের
 উপন্যাসের ঘ নাটকের
বহুপদি বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
৬৬. জসীমউদ্দীনের কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে- (উচ্চতর দক্ষতা)
র. গ্রামীণ জীবন রর. বাংলার প্রকৃতি
ররর. অসহায় মানুষের কথা
নিচের কোনটি সঠিক?
 র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর ঘ র, রর ও ররর
৬৭. অতিথিকে আপ্যায়নে উন্মুখ হয়ে আছে- (অনুধাবন)
র. গাছ রর. ফুল
ররর. পাখি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর
৬৮. কর্ম তাকে আপ্যায়ন করতে চান- (অনুধাবন)
র. শালি ধানের চিঁড়া দিয়ে রর. বিন্নি ধানের খই দিয়ে
ররর. কবরী কলা এবং গামছা বাঁধা দই দিয়ে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর

 

প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply