বাংলা

নবম(৯ম) শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

নবম(৯ম) শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

নবম(৯ম) শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ পোস্টটিতে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্বাগতম। এই পোস্টে তোমাদের নবম শ্রেণির বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট তৃতীয় সপ্তাহ ২০২২ এর নমুনা উত্তর প্রদান করা হবে। নবম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ প্রিয় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা নিশ্চয়ই ৩য় সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট ২০২২ খুঁজছিলে। ঘটেছে বলে আশা করা যায়। কারণ আমরা এখানে তোমাদের যে ৩য় সপ্তাহের বাংলা নমুনা অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান করেছি তা যথাযথ। অর্থাৎ এই উত্তর পেয়ে তোমাদের আর অন্য কোথাও নমুনা উত্তর খোঁজার প্রয়োজন পড়বে না। বাংলা এসাইনমেন্ট তৃতীয় সপ্তাহ নবম শ্রেণী তোমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তোমরা প্রশ্ন যদি না পেয়ে থাকো তবে নিচের প্রশ্ন দেখে বুঝে নাও তোমাদের কিভাবে উত্তরটি লিখতে হবে। তোমরা যদি প্রশ্ন করে বুঝতে না পারো তবে উত্তরটি ভালো করে একবার পড়ে নিবে তারপর আবার প্রশ্নটিই দেখবে তাহলে তোমরা বুঝে যাবে যে তোমাদের কি লিখতে হবে। নবম শ্রেণীর অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে যারা প্রশ্ন গুলো না পড়েই উত্তর লেখা শুরু করে দেয়। পরবর্তীতে যদি তাদের জিজ্ঞেস করা হয় যে তোমরা কোন বিষয়ে আছে এমন লিখেছ তবে সেটা আর বলতে পারেনা। তোমরাই বলো তাহলে এই অ্যাসাইনমেন্ট লেখার অর্থটা কি। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ডিসিশন নিয়েছে তোমাদের অ্যাসাইনমেন্ট দেবে সেই এসাইনমেন্ট দেয়া মূল কারণ হচ্ছে তোমাদের শিখন ফল অর্জন। তোমরা যদি অ্যাসাইনমেন্ট করে শিখন ফল অর্জন করতে না পারো তাহলে এই অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। তাইতো অনুরোধ থাকবে তোমরা অবশ্যই প্রশ্নগুলো পড়বে এবং উত্তরগুলো যথাযথ লেখার চেষ্টা করবে। নবম শ্রেণীর তৃতীয় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন উপরের প্রশ্নগুলোর পড়ে তোমরা বুঝতে পারছ যে তোমাদের কি লিখতে হবে। আজ তোমাদের ৩য় সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট ২০২২ নবম শ্রেণি এর উত্তর খুব সংক্ষেপে লিখে দেয়ার চেষ্টা করব। নবম শ্রেণীর ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান অ্যাসাইনমেন্ট শুরু অ্যাসাইনমেন্ট শেষ আরো পড়ুনঃ সকল শ্রেণির সকল অ্যাসাইনমেন্ট দেখুন ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৮ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৮ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ব্যসসায় ‍উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ব্যসসায় ‍উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২  

নবম(৯ম) শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ Read More »

৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ পোস্টে তোমাদের স্বাগতম। আজকে তোমাদের সপ্তম শ্রেণির বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট তৃতীয় সপ্তাহ ২০২২এর নমুনা উত্তর দেওয়া হবে। ৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা যারা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২এর প্রশ্ন গুলো পেয়েছ তারা নিশ্চয়ই দেখেছো যে তোমাদের তৃতীয় সপ্তাহে কয়টি অ্যাসাইনমেন্ট রয়েছে। তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২তোমাদের দুটি বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট রয়েছে। যার মধ্যে একটি হচ্ছে বাংলা এবং অন্যটি বিজ্ঞান। আজকে তোমাদের বাংলা বিষয়ের তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট টি দেওয়া হবে। তবে তোমরা মনে রেখো আমরা তোমাদের সকল অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর প্রকাশ করব। অর্থাৎ বিজ্ঞানের উত্তর পেয়ে যাবে। শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা যারা সপ্তম শ্রেণীতে পড়ো এবং অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২তৃতীয় সপ্তাহ বাংলা খুঁজছো তাদের জন্য আজকের এই পোস্টটি দেওয়া হয়েছে। তোমরা তোমাদের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে এটি নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিতে পারো। বাংলা তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২লেখার আগে তোমরা অবশ্যই এর প্রশ্ন গুলো পড়ে নেবে, প্রশ্ন না পড়ে উত্তর লেখা যেন তোমাদের একটি বদঅভ্যাসে পরিনত হয়েছে তাই তোমাদের কাছে অনুরোধ থাকবে তোমরা প্রশ্নটিই পড়ে তারপর উত্তর করা শুরু করবে। তো চলো শিক্ষার্থী তৃতীয় সপ্তাহ বাংলা এসাইনমেন্ট সপ্তম শ্রেণী এর প্রশ্ন গুলো দেখে নিই। উপরের প্রশ্ন গুলো দেখে তোমাদের কি মনে হচ্ছে তৃতীয় সপ্তাহ বাংলা এসাইনমেন্ট কি খুব কঠিন বিষয়। নিশ্চয় না তাহলে চলো আমরা এর উত্তর গুলো দেখে নিই। উত্তর লেখার আগে তোমরা যদি সম্পূর্ণ উত্তরটি একবার পড়ে নাও তাহলে তোমাদের জন্য অনেক সুবিধা হবে। তো চলো সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমরা তৃতীয় সপ্তাহ বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২এর উত্তরটি দেখেনি। অ্যাসাইনমেন্ট শুরু অ্যাসাইনমেন্ট শেষ

৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ Read More »

ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ পোস্টে সবাইকে স্বাগতম। সকলকে স্বাগতম আজকে আমরা ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা তৃতীয় সপ্তাহ দেখবো। ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ প্রিয় ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা জানো মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর তোমাদের তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন গুলো প্রকাশ করেছে। সেই প্রশ্নের আলোকে তোমাদের আজকে বাংলা এসাইনমেন্ট তৃতীয় সপ্তাহ ২০২২ এর নমুনা উত্তর প্রদান করা হবে। ষষ্ঠ শ্রেণির তৃতীয় সপ্তাহ বাংলা এসাইনমেন্ট ২০২২ এর উত্তর প্রত্যাশী শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা যদি তৃতীয় সপ্তাহের প্রশ্ন গুলো না দেখে থাকো তবে নিচে দেওয়া ছবিটি থেকে তোমাদের তৃতীয় সপ্তাহ বাংলা প্রশ্ন গুলো দেখে নাও। ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ উত্তর অ্যাসাইনমেন্ট শুরু অ্যাসাইনমেন্ট শেষ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা উপরে তোমাদের তৃতীয় সপ্তাহের যে বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর গুলো দেখলে সেগুলো তোমাদের খাতায় যথাযথভাবে লিখলে তোমরা সম্পূর্ণ নাম্বার পাবে বলে আমরা আশাবাদী। সকল সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর গুলো পেতে আমাদের নিচের পেজটি তোমরা লাইক দিবে এবং আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করবে। আরো পড়ুনঃ ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৮ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৮ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ব্যসসায় ‍উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ব্যসসায় ‍উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২   রিলেটেড কি ওয়ার্ড ষষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর ইংরেজি ৩য় সপ্তাহ ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা ১ম সপ্তাহ ষষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর গণিত ২০২১ ষষ্ঠ শ্রেণির গণিত অ্যাসাইনমেন্ট উওর ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বিজ্ঞান ষষ্ঠ শ্রেণির প্রথম অধ্যায়ের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট

ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ Read More »

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা কাকতাড়ুয়া

কাকতাড়–য়া সেলিনা হোসেন  লেখক পরিচিতি : নাম সেলিনা হোসেন। জন্ম ১৯৪৭ সালের ১৪ই জুন। জন্মস্থান রাজশাহী। পারিবারিক পরিচয় পিতার নাম মোশাররফ হোসেন ও মায়ের নাম মরিয়মন্নেসা বকুল। তিনি পিতা-মাতার চতুর্থ সন্তান। শিক্ষা ও পেশা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। কর্মজীবনে বাংলা একাডেমির পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে লেখালেখি, নারী উন্নয়ন ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করছেন। সাহিত্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় লেখালেখির সূচনা। তাঁর উপন্যাসে প্রতিফলিত হয়েছে সামাজিক ও রাজনৈতিক দ্ব›দ্ব-সংকটের সামগ্রিকতা। ভাষা-আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তাঁর লেখায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বড়দের জন্য প্রকাশিত উপন্যাসের সংখ্যা তেত্রিশ, ছোটদের পঁচিশ। ইংরেজি, রুশ, ফরাসি, হিন্দি, জাপানি, কোরিয়ান, ফিনিশ, উর্দু, আরবি, মারে, মালায়াম ইত্যাদি বেশ কয়েকটি ভাষায় তাঁর বেশ কিছু গল্প ও উপন্যাস অনূদিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’, ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’, ‘নীল ময়ূরের যৌবন’, ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’, ‘পূর্ণছবির মগ্নতা’, ‘যমুনা নদীর মুশায়েরা’, ‘ভ‚মি ও কুসুম’। পুরস্কার ও সম্মাননা একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার। এছাড়া আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন ‘সুরমা চৌধুরী আন্তর্জাতিক স্মৃতি পুরস্কার’ (ভারত)। ২০১০ সালে কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডিলিট উপাধিতে ভ‚ষিত করে। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর ১. বুধার কয় ভাইবোন কলেরায় মারা যায়? ছ ক. ৩ জন খ. ৪ জন গ. ৫ জন ঘ. ৬ জন ২. চঞ্চু কথার অর্থ কী? জ ক. পা খ. পাখা গ. ঠোঁট ঘ. কান ৩. হরিকাকুর সঙ্গে বুধার কোথায় দেখা হয়েছিল? চ ক. জামতলায় খ. ফসলের মাঠে গ. বাজারে ঘ. রাস্তায় ৪. শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছিল কে? ছ ক. মতিউর খ. আহাদ মুন্সি গ. হাশেম মিয়া ঘ. হরিবাবু ৫. নিজের বোঝা নিজে বইব। বুধা এ বক্তব্যে ফুটে ওঠেÑ ছ ক. সাহস খ. আত্মবিশ্বাস গ. স্বনির্ভরতা ঘ. দেশপ্রেম ৬. বিদেশি মানুষ এবং নিজেদের মানুষ সবার ওপর বুধার ঘৃণা বাড়তে থাকে কেন? ছ ক. যুদ্ধ করার জন্য খ. অত্যাচার করার জন্য গ. বিরোধিতা করার জন্য ঘ. গণহত্যার জন্য নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৭ ও ৮ নং প্রশ্নের উত্তর দাও : ‘কবর’ নাটকে বর্ণিত ইন্সপেক্টর হাফিজ ভাই শহিদদের একটা গণকবরে মাটি চাপা দিতে চাইলে গোরখুঁড়েরা আপত্তি জানায়। তাদের বক্তব্য, ‘মুসলমানের লাশ দাফন নাই, কাফন নাই তার ওপর আলাদা একটা কবর পাবে না তা হতে পারে না কভি নেহি।’ ৭. উদ্দীপকের গোরখুঁড়েদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি হলো- জ ক. আহাদ মুন্সি খ. মতিউর গ. বুধা ঘ. কুদ্দুস ৮. এরূপ সাদৃশ্যের কারণ হলো ছ ক. দেশপ্রেম খ. প্রতিবাদী মনোভাব গ. সচেতনতা ঘ. প্রতিশোধ স্পৃহা ৯. ‘আমরা লড়াই না করলে গ্রামটা একদিন ভ‚তের বাড়ি হবে’। কেন ভ‚তের বাড়ি হবে? ঝ র. গণহত্যার কারণে রর. লোকজন পালিয়ে যাওয়ায় ররর. গ্রামটি জনশূন্য হওয়ায় নিচের কোনটি সঠিক? ক. র ও রর খ. র ও ররর গ. রর ও ররর ঘ. র, রর ও ররর ১০. যুদ্ধে শত্রæরা কখন হেরে যায়? চ ক. সবাই ঐক্যবদ্ধ হলে খ. আধুনিক অস্ত্র থাকলে গ. উন্নত প্রশিক্ষণ থাকলে ঘ. সৈন্যসংখ্যা বেশি হলে সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর পাকসেনারা থানায় ঘাঁটি স্থাপন করলে এলাকার মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করে। সবাই পালাতে শুরু করলে কলিমদ্দি দফাদার ভিন্ন পরিকল্পনা করেন। তিনি পাকসেনাদের ঘায়েল করার জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ শুরু করেন। আর গোপনে সব খবর পৌঁছে দেন, প্রস্তুত থাকতে বলেন। একদিন সুযোগমতো পাকসেনাদের গ্রামে এনে ভাঙা পুলের গোড়ায় দাঁড় করিয়ে কলিমদ্দি দফাদার তা পার হতে গিয়ে পরিকল্পনামাফিক জলে পড়ে যান। সাথে সাথে গর্জে ওঠে ওৎ পেতে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র। আর খতম হয় সব কজন পাকসেনা। ক. বুধা প্রায়ই কী সাজত? ১ খ. ‘আধা-পোড়া বাজারটার দিকে তাকিয়ে ওর চোখ লাল হতে থাকে’। কেন? ২ গ. উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদারের সাথে ‘কাকতাড়–য়া’ উপন্যাসের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি ব্যাখ্যা করো। ৩ ঘ. উদ্দীপকটি ‘কাকতাড়–য়া’ উপন্যাসের সমগ্র ভাবকে ধারণ করে কি? যুক্তিসহ প্রমাণ করো। ৪ ১ এর ক নং প্র. উ. ক্ষ বুধা প্রায়ই কাকতাড়–য়া সাজত। ১ এর খ নং প্র. উ. ক্ষ হানাদাররা আগুন দিয়ে বাজারটা পুড়িয়ে দিয়েছিল বলে প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞায় ‘আধ-পোড়া বাজারটার দিকে তাকিয়ে বুধার চোখ লাল হতে থাকে’।  কোনো অন্যায় বা নির্মমতা দেখলে বুধার খুব রাগ হয়। রেগে গেলে তার চোখ লাল হতে থাকে। মুক্তিযুদ্ধকালে পাকহানাদার বাহিনী একদিন বুধাদের গ্রামে ঢুকে বহু মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে। তারা আদিম নৃশংসতায় আগুন দিয়ে বাজারটা পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় বুধা দারুণ ক্রোধে অগ্নিশর্মা হয়ে ওঠে। হানাদারদের প্রতি তার প্রবল ঘৃণা সৃষ্টি হয়। এর প্রতিশোধ গ্রহণ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয় সে। বুধার লাল চোখ সেই অনুভ‚তিই প্রকাশ করে। ১ এর গ নং প্র. উ. ক্ষ সুকৌশলে শত্রæ নিধনের দিক থেকে উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদারের সাথে ‘কাকতাড়–য়া’ উপন্যাসের বুধা চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ।  ‘কাকতাড়–য়া’ উপন্যাসের বুধা পিতৃমাতৃহীন অনাথ কিশোর হলেও সে ছিল মেধাবী ও কৌশলী। শক্তি দিয়ে যে কাজটি করা যায় না বুদ্ধি দিয়ে সে কাজটি অনায়াসে করা যায়। বুধার বুদ্ধিমত্তা আমাদের সে কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। সে সুকৌশলে একাধিক রাজাকারের বাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছিল। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মিলিটারিদের বাংকারে মাইন পুঁতে রেখেছিল।  উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদার পাকসেনাদের ঘায়েল করার জন্য কৌশলী পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। তিনি পাকসেনাদের সাথে মিশে গিয়ে তাদেরকেই নাস্তানাবুদ করেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি ছিলেন একজন মুক্তিসংগ্রামী। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে হাত মিলিয়ে তিনি হানাদার নিধনে ভ‚মিকা রাখেন। ‘কাকতাড়–য়া’ উপন্যাসের বুধাও তেমনি নানা কৌশলে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছিল। ১ এর ঘ নং প্র. উ. ক্ষ উদ্দীপকে বর্ণিত দিকটি ‘কাকতাড়–য়া’ উপন্যাসের খণ্ডিত অংশের ধারক।  আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত ‘কাকতাড়–য়া’ উপন্যাস। লেখক সেলিনা হোসেন অপরিসীম মমতায় রচনা করেছেন দেশপ্রেমের এই অনবদ্য কাহিনি। উপন্যাসটি রচিত হয়েছে বুধা চরিত্রকে ঘিরে। উপন্যাসে মূলত বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের কাহিনি বর্ণিত হলেও পাশাপাশি প্রতিফলিত হয়েছে গ্রামীণ জীবন, সুখ-দুঃখ, ব্যথা-বেদনায় ভরা নিম্নবিত্ত ও দারিদ্র্যক্লিষ্ট মানুষের ইতিবৃত্ত।  উদ্দীপকে কলিমদ্দি দফাদার কীভাবে পাকসেনাদের নিজ বুদ্ধিবলে পরাস্ত করেছেন সেই দিকটি আলোচিত হয়েছে। তিনি পাকসেনাদের সাথে বন্ধুত্বের অভিনয় করে তাদের সাথে মিশেছেন। এরপর সুযোগ বুঝে মুক্তিসেনাদের মাধ্যমে হানাদারদের শায়েস্তা করেন। ‘কাকতাড়–য়া’ উপন্যাসের বুধা চরিত্রের মাঝেও এই একই চেতনা রয়েছে। কিন্তু উপন্যাসটির পরিধি আরও বিস্তৃত।  ‘কাকতাড়–য়া’ উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ দিনগুলোর বর্ণনার পাশাপাশি গ্রামীণ জীবনের খুঁটিনাটি, প্রেম-ভালোবাসা, মায়া-মমতার গভীর বন্ধন, আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার অনুভ‚তি ইত্যাদি প্রকাশিত হয়েছে। শত্রæর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য বুধার দিন দিন মুক্তিযোদ্ধা হয়ে ওঠার কথা বলা হয়েছে। শত্রæর বাংকারে মাইন পুঁতে তাদের ধ্বংস করে দিয়েছে। এছাড়াও রয়েছে হানাদারদের বিরুদ্ধে বাঙালির ঐক্যবদ্ধ চেতনার স্বরূপ। কিন্তু উদ্দীপকে কেবল মুক্তিযুদ্ধে কলিমদ্দি দফাদারের ভ‚মিকার একটি বিশেষ মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে। তাই এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, উদ্দীপকটি ‘কাকতাড়–য়া’ উপন্যাসের আংশিক ভাব ধারণ করে। ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে গর্জে ওঠে কলেজপড়–য়া আবু সাঈদ। ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে। তাঁর নেতৃত্বে একের পর এক গেরিলা আক্রমণে অতিষ্ঠ পাকসেনারা। অপারেশন জ্যাকপটের সফল অভিযানের পর পাকসেনারা আবু সাঈদের গ্রামে আক্রমণ করে। বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। আর যাকে যেখানে

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা কাকতাড়ুয়া Read More »

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা নাটক বহিপীর

বহিপীর সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ লেখক পরিচিতি : নাম সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ । জন্ম ও জন্মস্থান ১৯২০ (মতান্তরে ১৯২২) সালের ১৫ই আগস্ট; চট্টগ্রামের ষোলশহর। পারিবারিক পরিচয় পিতার নাম সৈয়দ আহমাদউল্লাহ সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। মায়ের নাম নাসিম আরা খাতুন। তিনি ছিলেন উচ্চশিক্ষিতা ও সংস্কৃতিমনা। শিক্ষা ও পেশা ১৯৩৯ সালে কুড়িগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজ থেকে ডিস্টিঙ্কশনসহ বিএ ডিগ্রি পাস করেন এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে এমএ ক্লাস পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন। পেশাগত জীবনের শুরু ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’ পত্রিকায় সাংবাদিকতা দিয়ে। কিছুদিন কাজ করেছেন বেতারে, তারপর তৎকালীন পাকিস্তান দূতাবাসে। সর্বশেষ কাজ করেছেন ইউনেস্কো সদর দপ্তরে। বিশেষ অবদান বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে প্যারিসে থেকে বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করেন। উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম প্রথম গল্পগ্রন্থ : ‘নয়নচারা’ (১৯৪৫)। পরবর্তী গল্পগ্রন্থ : ‘দুই তীর ও অন্যান্য গল্প’ (১৯৬৫)। উপন্যাস : ‘লালসালু’ (১৯৪৯), ‘চাঁদের অমাবস্যা’ (১৯৬৪), ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ (১৯৬৮)। নাটক : ‘বহিপীর’ (১৯৬০), ‘সুড়ঙ্গ’ (১৯৬৪), ‘তরঙ্গভঙ্গ’ (১৯৬৫)। পুরস্কার ও সম্মাননা সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘পিইএন পুরস্কার’ (১৯৫৫), ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার’ (১৯৬১), ‘আদমজী পুরস্কার’ (১৯৬৫) ও ‘একুশে পদক’ (মরণোত্তর, ১৯৮৪) লাভ করেন। মৃত্যু ১৯৭১ সালের ১০ই অক্টোবর প্যারিসে। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর ১. এমন ঝড় কখনো দেখিনিÑ উক্তিটি কার? চ ক. হাশেমের খ. তাহেরার গ. খোদেজার ঘ. বহিপীরের ২. ‘এক আধটু ঠাট্টা-মস্করা করতেও শুরু করেছে’Ñ কারা এ কাজটি করতে শুরু করেছে? জ ক. মাঝিরা খ. সহপাঠীরা গ. গ্রামের লোকেরা ঘ. যাত্রীরা ৩. নদীতে খালি কী দেখতে পায় তাহেরা? ঝ ক. নৌকা খ. বজরা গ. পদ্ম পলাশ ঘ. কচুরিপানা ৪. কথ্যভাষা সম্পর্কে বহিপীরের মত হলো,Ñ এটি র. মাঠ ঘাটের ভাষা রর. স্রষ্টার বাণী বহন করার উপযুক্ত ররর. খোদার বাণী বহন করার অনুপযুক্ত নিচের কোনটি সঠিক? ঝ ক. র খ. রর গ. র ও রর ঘ. র ও ররর উদ্দীপকটি পড়ে ৫ ও ৬ নং প্রশ্নের উত্তর দাও : তামশু মহাজনের জমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে। সে কারণে তাঁর মনে শান্তি নেই। বাড়িতে না জানিয়ে তিনি জমি রক্ষার জন্য কোর্টে যান। এসব খরচ যোগানোর অর্থ যোগাড়ের জন্য তিনি বিপথ অবলম্বন করতে গিয়ে বোধোদয় হয়। ৫. উদ্দীপকের তামশু মহাজনের সাথে বহিপীর নাটকের যে চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণÑ জ ক. হকিকুল্লাহ খ. হাশেম আলি গ. হাতেম আলি ঘ. জমিদার গিন্নি ৬. কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে উভয় চরিত্র সাদৃশ্যপূর্ণ? চ ক. জমিদারিত্ব রক্ষার জন্য কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন খ. পীর সাহেবের প্রতারণার শিকার গ. সন্তান হারানোর জন্য কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন ঘ. বজরায় দুর্ঘটনার শিকার উদ্দীপকটি পড়ে ৭ ও ৮ নং প্রশ্নের উত্তর দাও : মাতবর ধূর্ত প্রকৃতির লোক। বয়স হয়েছে অথচ স্বভাব বদলায় নি। বুড়ো বয়সে কলিমুদ্দির মেয়েকে বিয়ে করার ব্যবস্থা করে। কিন্তু মেয়েটি বিয়ের রাতেই রাজেনের সাথে পালালে মাতবর তা মেনে নেয়। ৭. উদ্দীপকের শেষ অবস্থা মোকাবেলার মাধ্যমে বহিপীর নাটকের কোন চরিত্রের মিল আছে? চ ক. বহিপীর খ. হাশেম আলি গ. হাতেম আলি ঘ. হকিকুল্লাহ ৮. শেষ অবস্থার মোকাবেলায় উভয় চরিত্রে যে বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করে তা হলোÑ র. বুদ্ধিমত্তা রর. বাস্তবজ্ঞানসম্পন্ন ররর. মানবিক চেতনা নিচের কোনটি সঠিক? ঝ ক. র খ. রর গ. র ও রর ঘ. র ও ররর উদ্দীপকটি পড়ে ৯ ও ১০ নং প্রশ্নের উত্তর দাও : আব্দুল্লাহ গ্রামের স্কুলে মাস্টারি করেন। গ্রামের মানুষ তাকেও পীর মনে করেন। কারণ তাঁর বাবাও পীর ছিলেন। সে কারণে গ্রামের একজন বয়স্ক লোক তাঁর পায়ে সালাম করতে যান। কিন্তু আব্দুল্লাহ এসবে বিশ্বাস করেন না। সেজন্য তিনি সালাম করতে না দিলে বয়স্ক লোক মনে করেন বেহেস্তের চাবিটা একটুর জন্য ফসকে গেল। ৯. উদ্দীপকের আব্দুল্লাহর কার্যক্রমে ‘বহিপীর’ নাটকের বিপরীত বৈশিষ্ট্যের চরিত্রটি হলোÑ চ ক. হাশেম আলি খ. হাতেম আলি গ. হকিকুল্লাহ ঘ. বহিপীর ১০. বহিপীর নাটকের বিপরীতে কার্যক্রমে আব্দুল্লাহ চরিত্রে প্রকাশিত দিকটি হলোÑ জ ক. ধূর্ততা খ. ধৈর্যশীলতা গ. কুসংস্কারমুক্ত ঘ. ভণ্ডামি সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর আজাদের বাবা নামকরা পীর ছিলেন। কিন্তু আজাদ লেখাপড়া শিখেছেন। শহরে চাকরি করেন। দীর্ঘদিন পর গ্রামে বেড়াতে আসেন। গ্রামের মুরুব্বি তার কাছে এসে তাকে সালাম করতে যায়। আজাদ সাহেব নিজেই তাকে সালাম করেন, কিন্তু মুরুব্বি এ ঘটনায় নিজেকে পাপী মনে করেন। আরেক জন তার কাছে পানি পড়া নিতে আসে। তাকে আজাদ সাহেব বোঝানোর চেষ্টা করেন। ক. বহিপীর নাটকের ১ম সংলাপটি কার? ১ খ. বিয়ে হলো তগদিরের কথা – এ কথাটি বুঝিয়ে বলো। ২ গ. উদ্দীপকে বর্ণিত গ্রামের মানুষগুলোর কার্যক্রমে ‘বহিপীর’ নাটকে প্রতিফলিত সমাজের কোন চিত্রকে ইঙ্গিত করে তা তুলে ধরো। ৩ ঘ. উদ্দীপকের আজাদ চরিত্রটি ‘বহিপীর’ নাটকের বহিপীরের মতো ধর্মব্যবসায়ী নয় – মন্তব্যটি বিচার করো। ৪ ১ এর ক নং প্র. উ. ক্ষ বহিপীর নাটকের ১ম সংলাপটি হাশেমের। ১ এর খ নং প্র. উ. ক্ষ বিয়ের ব্যাপারটি মানুষের ইচ্ছায় নয় বরং দৈব নির্দেশে হয়। জমিদারপতœী খোদেজা তাহেরাকে এভাবে বোঝানোর জন্য আলোচ্য উক্তিটি করেছিলেন।  একজন বুড়ো মানুষের সাথে তাহেরার বিয়ে হওয়ায় সে বাড়ি ছেড়ে পালায়। নৌকায় আশ্রয়প্রার্থী তাহেরাকে বোঝানোর জন্য খোদেজা বলে ‘বিয়ে হলো তকদিরের কথা’। এতে মানুষের কোনো হাত নেই। এতে তৎকালীন সময়ে নারীর সবকিছু মাথা পেতে নেওয়ার প্রবণতাই ব্যক্ত হয়েছে। ১ এর গ নং প্র. উ. ক্ষ উদ্দীপকে বর্ণিত গ্রামের মানুষগুলোর কার্যক্রমে ‘বহিপীর’ নাটকে প্রতিফলিত ধর্মীয় কুসংস্কারে আচ্ছন্ন সমাজের চিত্রকে ইঙ্গিত করে।  ‘বহিপীর’ নাটকে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ধর্মীয় কুসংস্কারের বিষয়টি চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন। ধর্মীয় কুসংস্কারের বশবর্তী হয়ে এবং সওয়াবের আশায় এক শ্রেণির মানুষ বহিপীরের সব কথা মান্য করে চলে। পীরের সেবায় সর্বস্ব ত্যাগ করার মনোবৃত্তি পোষণ করে। তারা পীরকে অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী মনে করে। বহিপীরের প্রতি অন্ধভক্তির কারণে তাহেরার মা-বাবা তাকে একজন বুড়ো পীরের কাছে সঁপে দিতে কুণ্ঠাবোধ করেন না।  উদ্দীপকে পীরের প্রতি সীমাহীন অন্ধবিশ্বাসের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। আজাদের বাবা নামকরা পীর হলেও আজাদ শিক্ষিত ও আধুনিক মানুষ। তিনি দীর্ঘদিন পর গ্রামে এলে গ্রামের মুরব্বি তাকে সালাম করতে চান। পীরের ছেলে বলে তাঁকে বিশেষ মর্যাদা দেন। কিন্তু আজাদ সাহেব নিজেই তাঁকে সালাম করেন। এতে মুরব্বি লোকটির মনে অপরাধবোধ বোধ জাগ্রত হয় এবং নিজেকে পাপী মনে করেন। কেউ আবার তার কাছে পানি পড়া নিতে আসে। সুতরাং উদ্দীপক এবং আলোচ্য ‘বহিপীর’ নাটকে উভয় ক্ষেত্রেই আমরা পীরের প্রতি অযৌক্তিক অন্ধভক্তির দিকটি লক্ষ করি। ১ এর ঘ নং প্র. উ. ক্ষ উদ্দীপকের আজাদ একজন আধুনিক চিন্তাচেতনার মানুষ। পীরের সন্তান হলেও তিনি বহিপীরের মতো ধর্ম পুঁজি করে নিজের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেননি।  ‘বহিপীর’ নাটকে বহিপীর একজন ধর্মব্যবসায়ী পীর। ধর্মকে ব্যবহার করে তিনি হয়েছেন প্রচুর অর্থ-বিত্তের মালিক। চাইলে ধনী মুরিদেরা তার কাছে টাকা-পয়সাসহ সর্বস্ব তুলে দেয়। মানুষকে ধোঁকা দিয়ে তিনি নিজের আখের গুছিয়ে নেন।  উদ্দীপকে আজাদ সাহেব ইচ্ছে করলে বাবার মতো পীর হতে পারতেন। কিন্তু তিনি শিক্ষিত আধুনিক মানুষ হিসেবে কুসংস্কারমুক্ত। যে কারণে বাবার বয়সী একজন বৃদ্ধ মুরব্বির সালাম গ্রহণ না করে নিজেই

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা নাটক বহিপীর Read More »

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহসী জননী বাংলা

সাহসী জননী বাংলা কামাল চৌধুরী লেখক পরিচিতি : নাম কামাল চৌধুরী জন্ম পরিচয় জন্ম তারিখ : ১৯৫৭ সালের ২৮শে জানুয়ারি। জন্মস্থান : কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিজয়করা গ্রাম। পিতৃ-মাতৃ পরিচয় পিতার নাম : আহমদ হোসেন চৌধূুরী। মাতার নাম : বেগম তাহেরা হোসেন। শিক্ষা ও পেশা ১৯৭৩ সালে নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল হাই স্কুল থেকে এসএসসি ও ১৯৭৫ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে সম্মানসহ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়া ২০০৬ সালে গারো জনগোষ্ঠীর মাতৃসূত্রীয় আবাস প্রথা নিয়ে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত আছেন। সাহিত্যিক পরিচয় তাঁর কবিতা বাঙালির আবহমান জীবনচর্চা, সংগ্রাম ও মানবীয় বোধের উৎসারণ, সেই সঙ্গে শিল্পিত প্রকরণের উজ্জ্বল প্রকাশ। শব্দ ও ছন্দ সচেতন এবং নিরীক্ষাপ্রবণ ধারায় তিনি বাংলা কবিতায় পরিস্রুত ধারার অন্যতম প্রধান প্রতিনিধি। উল্লেখযোগ্য রচনা কাব্যগ্রন্থ : মিছিলের সমান বয়সী, টানাপোড়েনের দিন, এই পথ এই কোলাহল, এসেছি নিজের ভোরে, ধূলি ও সাগর দৃশ্য, হে মাটি পৃথিবীপুত্র, পান্থশালার ঘোড়া ইত্যাদি। কিশোর কবিতা : আপন মনের পাঠশালাতে। পুরস্কার ও সম্মাননা বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অনেক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভ‚ষিত হয়েছেন। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর ১. বাঙালির হাতে কী উঠেছে? ছ ক. কাস্তে খ. গ্রেনেড গ. জাল ঘ. লাঠি ২. ‘নীলকমলেরা’ কারা? ঝ ক. প্রহরীরা খ. সাহসীরা গ. হৃদয়বান ব্যক্তিগণ ঘ. মুক্তিযোদ্ধাগণ উদ্দীপকটি পড়ো প্রশ্নের উত্তর দাও : বিদেশি সেনার কামানেÑবুলেটে বিদ্ধ নারী শিশু আর যুবক-জোয়ান বৃদ্ধ শত্র“ সেনারা হত্যার অভিযানে Ñ মুক্তিবাহিনী প্রতিরোধ উত্থানে। ৩. উদ্দীপকে ‘জননী সাহসী বাংলা’ কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? র. মুক্তিযুদ্ধের প্রতিরোধ রর. সাধারণ মানুষের অসহায়ত্ব ররর. দীর্ঘশ্বাস নিচের কোনটি সঠিক? চ ক. র খ. রর গ. ররর ঘ. রর ও ররর ৪. উদ্দীপকের অনুভব ‘সাহসী জননী বাংলা’ কবিতার কোন পঙ্ক্তির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? জ ক. তোদের রক্তাক্ত হাত মুচড়ে দিয়েছি নয় মাসে খ. বুড়িগঙ্গা পদ্মা নদীতীর/ডাকাত পড়েছে গ্রামে গ. ভোজ হবে আজ প্রতিশোধে/যার সঙ্গে যে রকম, সে রকম খেলবে বাঙালি ঘ. সাহসী জননী বাংলা, বুকে চাপা মৃতের আগুন           সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর যখন হানাদারবধ সংগীতে ঘৃণার প্রবল মন্ত্রে জাগ্রত স্বদেশের তরুণ হাতে নিত্য বেজেছে অবিরাম মেশিনগান, মর্টার গ্রেনেড। ক. মধ্যরাতে কারা এসেছিল? ১ খ. বর্ণমালা পথে পথে তেপান্তরে ঘুরেছিল কেন? ২ গ. উদ্দীপকের অনুভব ‘সাহসী জননী বাংলা’ কবিতার অনুভবের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণÑব্যাখ্যা করো। ৩ ঘ. উদ্দীপকের ভাবনা ‘সাহসী জননী বাংলা’ কবিতার সামগ্রিক পরিচয় নয়Ñ মূল্যায়ন করো। ৪ ১ এর ক নং প্র. উ.  মধ্যরাতে হানাদাররা এসেছিল। ১ এর খ নং প্র. উ.  বর্ণমালা পথে পথে তেপান্তরে ঘুরেছিল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করার জন্য।  পশ্চিম পাকিস্তানিরা আমাদের মায়ের ভাষা বাংলা কেড়ে নিতে চেয়েছিল। উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। ’৫২ সালে এদেশের দামাল ছেলেরা এই অপতৎপরতা রুখে দিয়েছিল। ভাষা আন্দোলনের এই সংগ্রামী চেতনা মুক্তিযুদ্ধেও গৌরবের বিজয় এনে দিয়েছিল। ১ এর গ নং প্র. উ.  উদ্দীপকে উল্লিখিত হানাদারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধ পরিচালনার অনুভবের সাথে ‘সাহসী জননী বাংলা’ কবিতা সাদৃশ্যপূর্ণ।  ‘সাহসী জননী বাংলা’ কবিতায় কবি কামাল চৌধুরী আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বীরত্বপূর্ণ ভ‚মিকার কথা তুলে ধরেছেন। কবি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে হানাদারদের রক্তাক্ত হাত আমরা মুচড়ে দিয়েছি। ডাকাতরূপী হানাদারদের মোকাবেলা করেছি, তাদের মেরে নাস্তানাবুদ করেছি, কান কেটে দিয়েছি। কবির এই বক্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। হানাদারদের এভাবেই সমুচিত জবাব দিয়ে স্বাধীনতার পতাকাকে বাঙালি উড়িয়ে দিয়েছে পত পত করে।  উদ্দীপকে হানাদারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধে দেশের তরুণরা কীভাবে ভ‚মিকা রেখেছিল তা-ই বলা হয়েছে। হানাদারদের নির্মম নির্যাতনে মানুষের মনে যে ঘৃণার জন্ম হয়েছিল সেই ঘৃণার প্রবল মন্ত্র তাদের সাহসী করে তুলেছিল। হাতে তুলে নিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের হাতিয়ারÑ মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। তাই দেখা যাচ্ছে কবিতায় অনুভবের সাথে উদ্দীপকের অনুভব খুবই সাদৃশ্যপূর্ণ। ১ এর ঘ নং প্র. উ.  উদ্দীপকে হানাদারদের মোকাবেলায় কেবল যুদ্ধ করার কথাই বলা হয়েছে। ‘সাহসী জননী বাংলা’ কবিতার মতো মুক্তিযুদ্ধের বিস্তারিত পটভ‚মি তুলে ধরে নি।  সাহসী জননী বাংলা’ কবিতায় কবি কামাল চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বীরত্বপূর্ণ ভ‚মিকার কথা উল্লেখ করেছেন। বাঙালি জাতির ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে আছে প্রতিরোধ ও সংগ্রামের ঐতিহ্য। যারা বাঙালিকে ভেতো ও ভীতু বলে অভিহিত করেছিল তাদের মিথ্যাচারের সমুচিত জবাব দেওয়া হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। সংগ্রাম আর রক্তদানের ইতিহাস জাতি হিসেবে আমাদের গৌরবান্বিত করেছে। বাঙালি অসীম সাহসিকতায় হানাদারদের রক্তাক্ত হাত মুচড়ে দিয়ে এই মাটিতে স্বাধীনতার পতাকাকে উড়িয়ে দিয়েছে।  উদ্দীপকে উল্লিখিত হয়েছে, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে হানাদার বাহিনী এদেশের মানুষের ওপর বর্বরোচিত নির্যাতন চালিয়েছিল। তাদের প্রতি প্রবল ঘৃণায় এদেশের তরুণরা প্রতিরোধ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। দেশমাতৃকাকে রক্ষার জন্য তরুণরা জীবন বাজি রেখে এগিয়ে এসেছিল। তারা হাতে নিয়েছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড।  সাহসী জননী বাংলা’ কবিতায় বাঙালির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহসিকতায় মুক্তিযুদ্ধের প্রতিরোধ যুদ্ধ অত্যন্ত বলিষ্ঠতার সাথে উচ্চারিত হয়েছে। আর উদ্দীপকে কেবল হানাদারদের বধ করার জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কবিতায় সকল বাধাবিঘœ অতিক্রম করে বাঙালির বিজয় ছিনিয়ে আনার গৌরবকে তুলে ধরা হয়েছে। বাঙালির সংগ্রামের এক সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। অতীতের সেসব সংগ্রামের ইতিহাস প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল বাঙালির মুক্তিযুদ্ধে। কবিতায় বর্ণিত যুদ্ধকালীন এই সামগ্রিকতা উদ্দীপকে তুলে ধরা হয়নি। কাজেই উদ্দীপকের ভাবনা ‘সাহসী জননী বাংলা’ কবিতার সামগ্রিক পরিচয় নয়, খণ্ডচিত্র মাত্র। গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর লক্ষ লক্ষ হা-ঘরে দুর্গত ঘৃণ্য যম-দূত-সেনা এড়িয়ে সীমান্তপারে ছোটে, পথে পথে অনশনে অন্তিম যন্ত্রণা রোগে ত্রাসে সহস্রের অবসান, হন্তারক বারুদে বন্দুকে মূর্ছিত-মৃতের দেহ বিদ্ধ করে, হত্যা-ব্যবসায়ী বাংলাদেশ-ধ্বংস-কাব্যে জানে না পৌঁছল জাহান্নামে এ জন্মেই; বাংলাদেশ অনন্ত অক্ষত মূর্তি জাগে \ ক. মুক্তিযুদ্ধকালে কোটি বাঙালি দীর্ঘ নয় মাস কোন প্রতিবেশী রাষ্ট্রে নির্বাসিত জীবন যাপনে বাধ্য হয়? ১ খ. ‘তোদের রক্তাক্ত হাত মুচড়ে দিয়েছি নয় মাসে’Ñ কথাটি বুঝিয়ে লেখো। ২ গ. উদ্দীপকে প্রথম পাঁচ চরণে ‘সাহসী জননী বাংলা’ কবিতার কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ৩ ঘ. উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি ‘সাহসী জননী বাংলা’ কবিতার মূলভাবকেই তুলে ধরেছেÑ কথাটি বিশ্লেষণ করো। ৪ ২ নং প্র. উ. ক. মুক্তিযুদ্ধকালে কোটি বাঙালি দীর্ঘ নয় মাস প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে নির্বাসিত জীবন যাপনে বাধ্য হয়। খ. বাঙালির রক্তে পাকবাহিনীর যে হাত রঞ্জিত হয়েছে অসীম সাহসী বাঙালি তা মুচড়ে প্রতিশোধ গ্রহণ করেছে।  মুক্তিযুদ্ধের নয়টি মাস দেশজুড়ে নারকীয় গণহত্যা চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। লাখো শহিদের রক্তে তাদের হাত কলঙ্কিত হয়। বাঙালির সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে তাদের সেই কলঙ্কিত হাত মুচড়ে যায়। তারা পরাজয় মেনে নিতে বাধ্য নয়। গ. উদ্দীপকের প্রথম পাঁচ চরণে ‘সাহসী জননী বাংলা’ কবিতায় বর্ণিত শত্রæসেনাদের নির্মমতার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।  ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আক্রমণে এদেশের অসংখ্য মানুষ ভিটেমাটি ছাড়া হয়। তারা হানাদার বাহিনীর ভয়ে দেশে আশ্রয় নেয়। শত্রæর এই অসুরিক আচরণ বাঙালি জাতিকে প্রতিরোধ সংগ্রামে বাধ্য করেছিল। ‘সাহসী জননী বাংলা’ কবিতায় বাঙালির এই সংগ্রামী দিকটি বর্ণিত হয়েছে।  উদ্দীপকের প্রথম পাঁচ

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহসী জননী বাংলা Read More »

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো

স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো নির্মলেন্দু গুণ লেখক পরিচিতি : নাম নির্মলেন্দু গুণ জন্ম পরিচয় জন্ম তারিখ : ১৯৪৫ সাল। জন্মস্থান : নেত্রকোনা জেলার কাশবন গ্রাম। পিতৃ-মাতৃ পরিচয় পিতার নাম : সুখেন্দু প্রকাশ গুণ। মাতার নাম : বীণাপানি গুণ। শিক্ষাজীবন ১৯৬২ সালে সিকেপি ইনস্টিটিউশন, বারহাট্টা থেকে মাধ্যমিক, ১৯৬৪ সালে নেত্রকোনা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস করেন। পেশা সাংবাদিকতা। সাহিত্যিক পরিচয় তাঁর কবিতায় প্রতিবাদী চেতনা, সমকালীন সামাজিক-রাজনৈতিক জীবনের ছবি যেমন প্রখর, কবিতা-নির্মাণে শিল্প সৌন্দর্যের প্রতিও তিনি তেমনি সজাগ। উল্লেখযোগ্য রচনা কাব্যগ্রন্থ : প্রেমাংশুর রক্ত চাই, বাংলার মাটি বাংলার জল, চাষাভ‚ষার কাব্য, পঞ্চাশ সহ¯্র বর্ষ। ছোটগল্প : আপন দলের মানুষ। ছোটদের উপন্যাস : কালোমেঘের ভেলা, বাবা যখন ছোট ছিলেন। পুরস্কার ও সম্মাননা একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, কবি হাসান হাফিজুর রহমান স্মৃতি স্বর্ণপদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননায় ভ‚ষিত হন। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর ১. করুণ কেরানি কাদেরকে বলা হয়েছে? জ ক. আবেগে করুণ খ. স্বভাবে করুণ গ. করুণভাবে জীবনযাপনকারী ঘ. চাকরিজীবী ২. ‘গণসূর্যের মঞ্চ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? জ ক. আলোচিত মঞ্চ খ. উদ্দীপ্ত মঞ্চ গ. নেতার মঞ্চ সূর্যের মতো ঘ. বিপ−বী মঞ্চ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৩ ও ৪ সংখ্যক প্রশ্নের উত্তর দাও : মনে আমার ঝলসে ওঠে একাত্তরের কথা, পাখির ডানায় লিখেছিলাম প্রিয় স্বাধীনতা। ৩. উদ্দীপকে ‘স্বাধীনতা এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’Ñ কবিতার কোন দিককে প্রতিফলিত করেছে? র. স্বাধীনতার কথা রর. মুক্তির কথা ররর. আকাক্সক্ষার কথা নিচের কোনটি সঠিক? ছ ক. র খ. রর গ. ররর ঘ. র ও ররর [বিশেষ দ্রষ্টব্য: সঠিক উত্তর ক ও খ] ৪. উদ্দীপকে প্রতিফলিত ভাবনাটি ‘স্বাধীনতা’ এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলোÑ কবিতার কোন পঙ্ক্তির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ঝ ক. মার্চের বিরুদ্ধে মার্চ খ. কবির বিরুদ্ধে কবি গ. আমাদের স্বাধীনতা প্রিয় প্রাণের সবুজ এসে মিশেছিল ঘ. সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের             সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর দুলিতেছে তরী ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ, ছিঁড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মৎ? কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ। ক. সব স্মৃতি মুছে দিতে কী উদ্যত? ১ খ. ‘ঢেকে দেয়া এই ঢাকার হৃদয় মাঠখানি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ২ গ. উদ্দীপকটি ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’Ñ কবিতার কোন দিককে উন্মোচিত করেছেÑ ব্যাখ্যা করো। ৩ ঘ. উদ্দীপকটি ‘স্বাধীনতা’ এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’Ñ কবিতার সমগ্র ভাবকে ধারণ করেনিÑ মূল্যায়ন করো। ৪ ১ এর ক নং প্র. উ.  সব স্মৃতি মুছে দিতে উদ্যত হয়েছে কালো হাত। ১ এর খ নং প্র. উ.  ‘ঢেকে দেয়া এই ঢাকার হৃদয় মাঠখানি’Ñ বলতে রেসকোর্স ময়দানকে বোঝানো হয়েছে, যেখানে বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন।  ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। সেই ভাষণে ধ্বনিত হয়েছিল বাঙালির মুক্তির চূড়ান্ত দিক নির্দেশনা। কবি তাই এ স্থানটিকে ঢাকার হৃদয় মাঠ বলে অভিহিত করেছেন। কিন্তু স্মৃতিময় এ স্থানটি এখন খেলনা, বাগান ইত্যাদিতে সজ্জিত। কবি মনের ঢাকার হৃদয় মাঠ খানিকে এভাবেই সুকৌশলে ঢেকে দিয়েছে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি। ১ এর গ নং প্র. উ.  উদ্দীপকটিতে ‘স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’ কবিতায় বর্ণিত স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার দৃঢ় সংকল্পের দিকটি উন্মোচিত করেছে।  পাকিস্তানি স্বৈরশাসনের নাগপাশ থেকে বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য ১৯৭১ সালে ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু লক্ষ জনতার মাঝে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তিনি প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সে ভাষণ ছিল কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ের প্রতিধ্বনি। জনগণের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসায় সিক্ত সেদিনের ভাষণে বঙ্গবন্ধু যেন কবিতার মতো প্রতিটি শব্দ উচ্চারণ করেছিলেন। তাঁর তেজোদ্দীপ্ত ভাষণই স্বাধীনতা সংগ্রামের পথ দেখিয়েছিল। রেসকোর্স ময়দানের সে ভাষণের মহিমা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য কবি নির্মলেন্দু গুণ ‘স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’ কবিতাটি লিখেছেন।  উদ্দীপকটিতে কবি একটি দিকনির্দেশনাহীন পথহারা জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য এগিয়ে আসার আহŸান জানিয়েছেন। টালমাটাল ও হতাশাগ্রস্ত জাতিকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি জোয়ানদের এগিয়ে আসতে বলেছেন। জোওয়ানরা যদি হাল না ধরে তবে উদ্ধারের আশা নেই। দেশ জাতির স্বার্থে দৃঢ়তার সাথে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়দীপ্ত আহŸান জানিয়েছে উদ্দীপকটি। আলোচ্য ‘স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’ কবিতায় স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার দৃঢ় সংকল্পের কথা যেভাবে ব্যক্ত হয়েছে উদ্দীপকেও তার প্রতিধ্বনি রয়েছে। ১ এর ঘ নং প্র. উ.  ‘স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’ কবিতায় বঙ্গবন্ধুর ভাষণসহ স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন দিক আলোচিত হলেও উদ্দীপকে শুধু নেতৃত্বহীন জাতিকে নেতৃত্বদানের জন্য এগিয়ে আসার আহŸান জানানো হয়েছে।  মহান স্বাধীনতা আমাদের গৌরবের অর্জন। এই স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর ভ‚মিকা ছিল অসামান্য। ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে এক সোচ্চার প্রতিবাদ। নির্যাতিত নিষ্পেষিত বাঙালির পক্ষে তিনি গর্জে উঠেছিলেন। রেসকোর্সের ভাষণে তিনি হৃদয়ের সবটুকু আবেগ দিয়ে বাঙালির মনোভাবকে সঠিকভাবে ব্যক্ত করতে পেরেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সাহসী উচ্চারণে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল। ‘স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’ কবিতায় কবি বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণের প্রেক্ষাপট ও ফলাফল তুলে ধরেছেন।  উদ্দীপকে একটি হতাশাগ্রস্ত জাতির মধ্যে সাহস সঞ্চারের চেষ্টা করা হয়েছে। উদ্দীপকের জাতির সঠিক নেতৃত্ব নেই। তারা দিকভ্রষ্ট। জোয়ানদের আহŸান জানানো হয়েছে জাতির হাল ধরার জন্য, ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের জন্য। দিকনির্দেশনাবিহীন জাতি অসহায় নিঃস্ব। তাদের উদ্ধারের জন্য একজন দক্ষ নাবিক প্রয়োজন। উদ্দীপকে এই দক্ষ নাবিকের অন্বেষণ করা হয়েছে, যে জাতিকে সমূহ বিপদ থেকে উদ্ধার করবে।  আলোচ্য ‘স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’ কবিতায় আমরা দেখি বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে দেশপ্রেম জাগ্রত করা ঐতিহাসিক রেসকোর্সের বর্ণনা, লক্ষ লক্ষ জনতার অংশগ্রহণ, বঙ্গবন্ধুর পরিচয়, ইত্যাদি বিষয় আলোচিত হয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে শুধু নেতৃত্বহীন জাতিকে নেতৃত্ব প্রদানের আহŸান জানানো হয়েছে। কবিতায় বর্ণিত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনার জন্য মানুষের আকুলতার স্বরূপ। বাংলার মানুষের মক্তিসংগ্রামের ইতিহাস। স্বাধীনতাবিরোধীদের অপতৎপরতা ইত্যাদি বিষয়ও কবিতায় ঠাঁই পেয়েছে। ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের মর্মার্থ নতুন প্রজন্মকে জানানোর কথা বলেছেন কবি। কিন্তু উদ্দীপকে শুধু একজন দক্ষ নেতার অনুসন্ধান করা হয়েছে। তাই উদ্দীপকটি কবিতার সমগ্রতাকে ধারণ করেনি। গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর পৃথিবীর ইতিহাসে যে কয়জন মানবতাবাদী গণতন্ত্রপ্রেমী মহান রাষ্ট্রনায়ক জন্মগ্রহণ করেছেন তাঁদের মধ্যে বিশিষ্টতম হলেন আব্রাহাম লিংকন। একটা সময় আমেরিকায় কালোদের মানুষ মনে করা হতো না। তাদেরকে হাটে-বাজারে-বন্দরে ক্রীতদাস হিসেবে বিক্রি করা হতো পোষা প্রাণীর মতো। এমন নিষ্ঠুরতা দেখে তিনি এই অমানবিক ব্যবসার বিরুদ্ধে ক্রীতদাসদের চেতনা জাগিয়ে তুলেছিলেন। প্রতিবাদে কাঁপিয়ে তুলেছিলেন গোটা আমেরিকা। তিনি বজ্রকণ্ঠে বলেছিলেন “দেশের অর্ধেক মানুষ যখন ক্রীতদাস তখন স্বাধীনতা এক নির্মম রসিকতার নামান্তর”। তাঁর এই বক্তব্যে উদ্বেল হয়ে উঠেছিল আমেরিকার জনগণ। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব আব্রাহাম লিংকনের হাতেই তুলে দিয়েছিলেন জনগণ। ক. কী লেখা হবে বলে লক্ষ লক্ষ বিদ্রোহী শ্রোতা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে? ১ খ. ‘জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকত’ বলতে কী বোঝানো

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো Read More »

Scroll to Top