নবম-দশম

নবম-দশম শ্রেণির ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং চতুর্থ অধ্যায় ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা সৃজনশীল ও জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর

চতুর্থ অধ্যায় ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা  ঝুঁকির ধারণা কোনো ঘটনা ঘটবেই এমন নিশ্চয়তা থাকলে সেখানে কোনো ঝুঁকি নেই। আবার অতীতে সংঘটিত কোনো ঘটনার মধ্যেও কোনো ঝুঁকি নেই। কারণ সেটা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে ঘটতে পারে এমন বিষয়ের সাথে ঝুঁিক জড়িত থাকে, কারণ এর মধ্যে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ভবিষ্যতে ‘প্রত্যাশিত ফলাফল’ অর্জিত হবে কি হবে না এ রকম অনিশ্চয়তার মধ্যেই ঝুঁকির সৃষ্টি হয়। সাধারণত ঝুঁকি বলতে আমরা নেতিবাচক (ঘবমধঃরাব) ফলাফল অর্জনের সম্ভাবনা বুঝে থাকি; কিন্তু আর্থিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বলতে ‘চড়ংরঃরাব’ ও ‘ঘবমধঃরাব’ দুই ধরনের ফলাফল অর্জনের সম্ভাবনাকেই বুঝানো হয়ে থাকে। অর্থাৎ আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনাই ঝুঁকি। আনুষ্ঠানিকভাবে একটি নির্দিষ্ট বিনিয়োগের আয়ের তারতম্যই ঝুঁকি।  ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পার্থক্য যদিও অনিশ্চয়তা থেকে ঝুঁকির সৃষ্টি হয় তথাপিও ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। সব অনিশ্চয়তা ঝুঁকি নয়। অনিশ্চয়তার যে অংশটুকু পরিমাপ করা যায় সে অংশকে ঝুঁকি বলা যায়। আর যখন কোনো খারাপ ঘটনা ঘটার আশক্সকার প্রকৃতি জানা যায় না তাকে অনিশ্চয়তা বলে। ঝুঁকি পরিমাপযোগ্য অর্থাৎ ঝুঁকিকে পূর্বেই পরিমাপ করা যায়। কিন্তু অনিশ্চয়তাকে পরিমাপ করা যায় না। বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করে ঝুঁকির পরিমাণ কমানো যায়। যেহেতু অনিশ্চয়তা পরিমাপ করা যায় না, তাই অনিশ্চয়তা হ্রাস করা যায় না। আর যেহেতু ঝুঁকি পরিমাপ করা যায় তাই ঝুঁকি হ্রাস করা যায়। ঝুঁকি পরিমাপের জন্য পরিমিত ব্যবধান, বিভেদাঙ্ক ইত্যাদি একক ব্যবহার করা হয়। কিন্তু অনিশ্চয়তা যেহেতু পরিমাপ করা যায় না, সেহেতু এরূপ কোনো একক ব্যবহারের প্রশ্নই থাকে না। ঝুঁকি পরিমাপযোগ্য বিধায় বিমাযোগ্য। কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণকালে সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে কোনোভাবেই জ্ঞাত থাকা যায় না বিধায় অনিশ্চয়তা বিমাযোগ্য নয়।  ঝুঁকির উৎস  ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টিকোণ থেকে : ক. ব্যবসায়িক ঝুঁকি : ব্যবসায় পরিচালনার জন্য বিভিন্ন ধরনের খরচ যেমন : অফিস ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, কাঁচামাল ইত্যাদি নির্বাহের প্রয়োজন হয়। এই খরচ মেটানোর ক্ষমতা নির্ভর করে আয়ের স্থিতিশীলতা, চলতি খরচের অনুপাত ইত্যাদির ওপর। বিক্রয় আয়ে অস্থিতিশীলতা, উচ্চ বা অধিক চলতি খরচ ব্যবসায়িক ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। বিক্রয়মূল্য, কাঁচামালের মূল্য অধিক পরিচালন ব্যয় ব্যবসায়িক ঝুকির উল্লেখযোগ্য উৎস। অর্থাৎ বন্যা, অগ্নিকাণ্ড, যুদ্ধ, দাঙ্গা, চুরি, ডাকাতি ইত্যাদি কারণে ব্যবসায়ের বিনিয়োগকৃত সম্পত্তি বিনষ্ট হয়ে ব্যবসায়ের মুনাফার ওপর যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তাই ব্যবসায়িক ঝুঁকি। খ. আর্থিক ঝুঁকি : যখন কোনো প্রতিষ্ঠান বাইরের কোনো উৎস হতে মূলধন সংগ্রহ করে তখন আর্থিক ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ ব্যবসায়ে অর্থসংস্থানের ক্ষেত্রে ক্ষতির সম্ভাবনাকে আর্থিক ঝুঁকি বলে। এই অর্থ সুদসহ পরিশোধ করা হয় ব্যবসায়ের নগদ প্রবাহ থেকে। যদি ব্যবসায়ের নগদ প্রবাহ পর্যাপ্ত না থাকে তাহলে সুদ পরিশোধে অক্ষমতা দেখা দেয়। ফলে ঋণমূলধন সরবরাহকারী আইনানুগ ব্যবস্থা নিলে ব্যবসায় বন্ধ হওয়ায় ঝুঁকি থাকে। যে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ঋণ মূলধন যত বেশি সেই প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ঝুঁকি তত বেশি। অর্থাৎ মূলধন কাঠামোতে ব্যবসায়ের ঋণের পরিমাণ বেশি থাকলে আর্থিক ঝুঁকির আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই ব্যবসায়িক ঝুঁকি ও মূলধন কাঠামো দ্বারা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ঝুঁকি নিয়ন্ত্রিত হয়।  বিনিয়োগকারীর দৃষ্টিকোণ থেকে : ক. সুদ হারের ঝুঁকি : সুদের হারের পরিবর্তনের কারণে বিনিয়োগ যেমন : বন্ড, ডিবেঞ্চার ইত্যাদির মূল্য হ্রাস বৃদ্ধির আশঙ্কাকে সুদের হারের ঝুঁকি বলে। সাধারণত সুদের হার বাড়লে বন্ড, ডিবেঞ্চারের দাম কমে আবার সুদের হার কমলে এগুলোর বাজার মূল্য বাড়ে। খ. তারল্য ঝুঁকি : শেয়ার বন্ড বা ডিবেঞ্চারে অর্থ বিনিয়োগের পর ব্যবসায়ের প্রয়োজনে বিনিয়োগকারী যখন যথাযথ মূল্যে এগুলো বিক্রি করতে ব্যর্থ হয় তখন তারল্য ঝুঁকির সৃষ্টি হয়। তারল্য ঝুঁকি বিনিয়োগকৃত বাজারের আকার এবং কাঠামোর ওপর নির্ভরশীল।  ঝুঁকির তাৎপর্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে ঝুঁকির বিশেষ ভ‚মিকা রয়েছে, যা ঝুঁকির তাৎপর্য বহন করে। প্রথমত যেকোনো কোম্পানির সাফল্য তথা সার্বিক উদ্দেশ্য সাধনে ঝুঁকির প্রভাব রয়েছে। ফলে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা প্রণয়নের সময়েই ভবিষ্যতের সম্ভাব্য ঘটনাসমূহ বিচার বিশ্লেষণ করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করলে প্রত্যাশিত ক্ষতি থেকে বাঁচা যায়। দ্বিতীয়ত, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মুনাফা অর্জন নির্ভর করে পণ্যের চাহিদার ওপর। বাজারের প্রকৃত চাহিদা অনুমেয় চাহিদা থেকে কম বা বেশি হতে পারে। সঠিক চাহিদা নিরূপণ করে মুনাফা অর্জন করতে হলে এক্ষেত্রে ঝুঁকিগত দিক বিবেচনা করা অপরিহার্য। অর্থাৎ যদি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান পণ্যের চাহিদা বিশ্লেষণ না করে পণ্য উৎপাদন করে তবে অধিক অবিক্রীত পণ্য বা পণ্য সরবরাহে ঘাটতির ঝুঁকি দেখা দিতে পারে যা কি-না ব্যবসায়ের মূল উদ্দেশ্য অর্জনের অন্তরায় হতে পারে।  ঝুঁকিমুক্ত আয় ও ঝুঁকিবহুল আয় ঝুঁকিমুক্ত আয়ে প্রকৃত আয় সব সময় প্রত্যাশিত আয়ের সমান হয়। কোনো ব্যাংকে যদি মেয়াদি আমানত রাখা হয় তবে এর প্রত্যাশিত আয় ও প্রকৃত আয়ের মধ্যে তেমন পার্থক্য হয় না। এটা ঝুঁকিমুক্ত আয়ের একটি ধরন যেমন : সরকারি ট্রেজারি বিল, ট্রেজারি বন্ড ইত্যাদি। অন্যদিকে যেসব আয়ের সাথে ঝুঁকি জড়িত সেসব আয়কে ঝুঁকিবহুল আয় বলা হয়। যেমন : শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ, একটি ঝুঁকিবহুল আয় হিসেবে পরিগণিত।  ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার পরিমাণ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সফলভাবে পরিচালনার জন্য ঝুঁকি পরিমাপ করা অত্যাবশ্যকীয়। প্রত্যাশিত আয় থেকে প্রকৃত আয়ের বিচ্যুতি থেকেই ঝুঁকির সৃষ্টি হয়। এ কারণে প্রত্যাশিত আয় ও প্রকৃত আয়ের বিচ্যুতি বা প্রত্যাশিত ফলাফল এবং প্রকৃত ফলাফলের বিচ্যুতি থেকে ঝুঁকি পরিমাপ করা হয়। ঝুঁকি পরিমাপের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। তার মধ্যে আদর্শ বিচ্যুতি পরিমাপ পদ্ধতি অন্যতম।  আদর্শ বিচ্যুতি আদর্শ বিচ্যুতি একটি পরিসংখ্যানিক পদ্ধতি। অতীত অর্জিত আয়ের ব্যবধান থেকে ঝুঁকি পরিমাপ এবং ভবিষ্যৎ প্রত্যাশিত আয়ের ঝুঁকি পরিমাপের একটি পদ্ধতি হচ্ছে আদর্শ বিচ্যুতি। এর সূত্র হলো : আদর্শ বিচ্যুতি = (আয় হার  গড় হার)২ হ – ১ এখানে,  (আয় হার  গড় হার)২ = অতীতে অর্জিত আয় হার থেকে গড় আয় হারের পার্থক্যের বর্গের সমষ্টি। হ = বছরের সংখ্যা। অনুশীলনীর সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর প্রশ্ন-১  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : রায়না হক ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট থেকে প্রশিক্ষণ শেষে অনেক চিন্তাভাবনার পর ‘আহŸান ক্রায়াট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এটি ঢাকা ও কুমিল্লা শহরে অবস্থিত। তার বান্ধবী রোমানা টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট থেকে পাস করে মনিপুরী তাঁত বস্ত্রের বিভিন্ন পোশাক সামগ্রীর ব্যবসা শুরু করে সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে। তাদের কয়েক বছরের ব্যবসায়ের চিত্র নিচে দেয়া হলো। ক. অতীতে অর্জিত আয়ের বিচ্যুতি থেকে কী পরিমাপ করা হয়? খ. ব্যবসায় ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত ফলের চাইতে প্রকৃত ফল কম হবার কারণটি ব্যাখ্যা কর। গ. রোমানার ব্যবসায় কম সাফল্য হবার কারণ বর্ণনা কর। ঘ. রায়না ও রোমানার ব্যবসায়িক চিত্রটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।  ১নং প্রশ্নের উত্তর  ক. অতীতে অর্জিত আয়ের বিচ্যুতি থেকে ঝুঁকি পরিমাপ করা হয়। খ. ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত ফলের চাইতে প্রকৃত ফল কম হবার কারণ হলো ঝুঁকি। ভবিষ্যৎ সর্বদা অনিশ্চিত আর এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। অনিশ্চয়তার যে অংশ পরিমাপ করা যায় তাই ঝুঁকি। কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি, আশানুরূপ বিক্রয় না হওয়া এবং প্রত্যাশিত মুনাফা অর্জন করতে না পারার ঝুঁকির কারণে প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হয়

নবম-দশম শ্রেণির ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং চতুর্থ অধ্যায় ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা সৃজনশীল ও জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর Read More »

নবম-দশম শ্রেণির ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং তৃতীয় অধ্যায় অর্থের সময়মূল্য সৃজনশীল ও জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর

তৃতীয় অধ্যায় অর্থের সময়মূল্য  অর্থের সময়মূল্যের ধারণা ফিন্যান্সের দৃষ্টিতে সময়ের সাথে সাথে অর্থের মূল্য পরিবর্তিত হয়। অর্থাৎ এখনকার ১০০ টাকা আর পাঁচ বছর পরের ১০০ টাকা সমান মূল্য বহন করে না। এক্ষেত্রে বর্তমানের ১০০ টাকা অধিকতর মূল্যবান। এটাই সময়মূল্য ধারণা। যেমন : সুদের হার শতকরা ১০ ভাগ অর্থাৎ কেউ যদি সোনালী ব্যাংকে এখন ১০০ টাকা জমা রাখে, তবে আগামী বছর ব্যাংক তাকে ১১০ টাকা দেবে। সুতরাং এখনকার ১০০ টাকা এবং আগামী বছরের ১১০ টাকা অর্থের সময়মূল্য অনুযায়ী সমান মূল্য বহন করে।  অর্থের সময়মূল্যের গুরুত্ব ব্যবসায়ের প্রতিটি সিদ্ধান্তের সাথেই অর্থের আন্তঃপ্রবাহ ও বহিঃপ্রবাহ জড়িত থাকে। সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য এই আন্তঃপ্রবাহ ও বহিঃপ্রবাহের মেয়াদভিত্তিক বর্তমান ও ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ধারণ করা প্রয়োজন। র. সুযোগ ব্যয় : কোনো একটি প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ করলে অন্য কোনো প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগের সুযোগকে ত্যাগ করতে হয়। একে অর্থায়নে বিনিয়োগের সুযোগ ব্যয় বলা হয়। অর্থের সময়মূল্য সূত্র প্রয়োগের মাধ্যমে এই সুযোগ ব্যয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করা যায়। রর. প্রকল্প মূল্যায়ন : দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প মূল্যায়নে প্রকল্পের বর্তমান ব্যয়ের সাথে ভবিষ্যৎ আয়ের মধ্যে তুলনা করতে হয়। কারণ, টাকার বর্তমান মূল্য ও ভবিষ্যৎ মূল্য সমান নয়। সুতরাং ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য আয়কে বর্তমান মূল্যে না এনে আমরা দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প মূল্যায়ন সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। ররর. ঋণগ্রহণ সিদ্ধান্ত : অর্থের সময়মূল্য নির্ণয় করে বিভিন্ন পরিমাণ ঋণের বিভিন্ন মেয়াদি কিস্তি বের করা যায়। এর মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় কী ধরনের মেয়াদে কীভাবে পরিশোধ্য কিস্তিতে কত টাকা ঋণ নিলে কারবারটির জন্য উপযুক্ত হবে।  অর্থের সময়মূল্যের সূত্র আমরা জানি, সুদের হারের তারতম্যের কারণে অর্থের মূল্য পরিবর্তিত হয়। অর্থাৎ সুদের হার শতকরা ১০ ভাগ হলে এখনকার ১০০ টাকা আগামী বছরের ১১০ টাকা এবং ২ বছর পরের ১২১ টাকা সমান মূল্য বহন করে। এই ১০০ টাকাকে বলা হয় বর্তমান মূল্য এবং ১১০ ও ১২১ টাকাকে বলা হয় ভবিষ্যৎ মূল্য।  ভবিষ্যৎ মূল্য ও বার্ষিক চক্রবৃদ্ধি বর্তমান মূল্য জানা থাকলে ভবিষ্যৎ মূল্যের সূত্র ব্যবহার করে ভবিষ্যৎ মূল্য বের করা যায়। সূত্র : ভবিষ্যৎ মূল্য (ঋঠ) = বর্তমান মূল্য (১ + সুদের হার) বাৎসরিক মেয়াদ এখানে ঋঠ = ঋঁঃঁৎব ঠধষঁব (ভবিষ্যৎ মূল্য) চঠ = চৎবংবহঃ ঠধষঁব (বর্তমান মূল্য) সুদ আসলের ওপর যে সুদ প্রদান করা হয় তাকে চক্রবৃদ্ধি সুদ বলা হয়। অর্থাৎ প্রথম বছরের সুদাসলকে দ্বিতীয় বছরের আসল ধরে তার ওপর দ্বিতীয় বছরের সুদ ধার্য করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় চক্রবৃদ্ধিকরণ পদ্ধতি। চক্রবৃদ্ধিকরণ পদ্ধতিতে প্রতিবছর সুদাসলের ওপর সুদ ধার্য করে ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ধারণ করা হয়।  বর্তমান মূল্য ও বার্ষিক বাট্টাকরণ ভবিষ্যৎ মূল্য জানা থাকলে বর্তমান মূল্যের সূত্র ব্যবহার করে বর্তমান মূল্য নির্ণয় করা যায়। সূত্র : বর্তমান মূল্য (চঠ) = ভবিষ্যৎ মূল্য (ঋঠ)(১ + সুদের হার) মেয়াদ বর্তমান মূল্য নির্ধারণের জন্য এরূপ বাট্টাকরণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বাট্টাকরণ পদ্ধতিতেও ঠিক বিপরীতভাবে প্রতিবছর ভবিষ্যৎ সুদাসলকে সুদের হার দিয়ে ভাগ করে বর্তমান মূল্য নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।  বছরে একাধিকবার চক্রবৃদ্ধিকরণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ধারণ সাধারণত বছরে একবার চক্রবৃদ্ধি হয় কিন্তু কখনো কখনো বছরে একাধিকবার চক্রবৃদ্ধি হতে পারে। যেমন : ব্যাংকে টাকা রাখলে মাসিক ভিত্তিতে চক্রবৃদ্ধি হয়। অর্থাৎ বছরে ১২ বার চক্রবৃদ্ধি হয়। সেক্ষেত্রে সূত্রটিতে দুটি পরিবর্তন করতে হবে। বছরে যদি বারবার চক্রবৃদ্ধি হয়, তাহলে প্রথমত সুদের হারকে ১২ দিয়ে ভাগ করতে হবে এবং দ্বিতীয়ত মেয়াদকে ১২ দিয়ে গুণ করতে হবে। সূত্র : ঋঠ = চঠ ১ + রসহ  স এখানে, ঋঠ = ভবিষ্যৎ মূল্য, চঠ = বর্তমান মূল্য, র = সুদের হার, স = বছরে চক্রবৃদ্ধির সংখ্যা, হ = বাৎসরিক মেয়াদ।  বছরে একাধিকবার বাট্টাকরণের মাধ্যমে বর্তমান মূল্য নির্ধারণ অর্থের ভবিষ্যৎ মূল্য জানা থাকলে বর্তমান মূল্য বের করা যায়। একে বলা হয় বাট্টাকরণ প্রক্রিয়া। যেমন : ৫ বছর পরের ১,৯১,৪২৩ টাকার বর্তমান মূল্য হলো ৫০,০০০ টাকা। একাধিকবার চক্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ মূল্য থেকে বাট্টাকরণের মাধ্যমে বর্তমান মূল্য নির্ণয় করা সম্ভব। সূত্র : চঠ = ঋঠ১+রসস  হ এখানে, চঠ = বর্তমান মূল্য, ঋঠ = ভবিষ্যৎ মূল্য, র = সুদের হার, স = বছরে চক্রবৃদ্ধির সংখ্যা, হ = বাৎসরিক মেয়াদ।  প্রকৃত সুদের হার গ্রামীণ মহাজন থেকে সাপ্তাহিক ১% হারে চক্রবৃদ্ধি সুদে ঋণ গ্রহণ করলে বার্ষিক বা নামিক সুদের হার হয় ৫২ অর্থাৎ বছরে ৫২% কিন্তু ৫২ বার চক্রবৃদ্ধি হলে প্রকৃত সুদের হার ভিন্ন হয়। নি¤œলিখিত সূত্রের মাধ্যমে সাপ্তাহিক ১% হারে চক্রবৃদ্ধিতে প্রকৃত সুদের হার নির্ণয় করা যায় : সূত্র : ঊঅজ = ১ + রসস ১ এখানে, ৎ = সাপ্তাহিক সুদের হার, স = বছরে চক্রবৃদ্ধির সংখ্যা, র = বার্ষিক সুদের হার, হ = বছরের সংখ্যা, ঊঅজ = প্রকৃত সুদের হার। অনুশীলনীর সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর প্রশ্ন-১  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : জনাব আলীম সাহেব একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ৬ বছরে টাকা দ্বিগুণ হওয়ায় পলিসিতে ২ লক্ষ টাকা জমা রাখতে গিয়ে তার বন্ধুর পরাম র্শে ব্যাংকে না রেখে ১৩% মুনাফায় একই মেয়াদের সঞ্চয়পত্র ক্রয় করেন। ক. সুদের হারের কারণে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সময়ের মধ্যে কিসের পার্থক্য সৃষ্টি হয়? খ. চক্রবৃদ্ধিকরণ পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা কর। গ. জনাব আলীমের অর্থের ভবিষ্যৎ মূল্য চক্রবৃদ্ধি প্রক্রিয়ায় নির্ণয় কর। ঘ. অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জনাব আলীমের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা মূল্যায়ন কর।  ১নং প্রশ্নের উত্তর  ক. সুদের হারের কারণে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সময়ের মধ্যে অর্থের মূল্যের পার্থক্য সৃষ্টি হয়। খ. প্রথম বছরে প্রাপ্ত সুদকে আসলের সাথে যোগ করে যে সুদাসল পাওয়া যায় তাকে সুদাসলকে দ্বিতীয় বছরের আসল ধরে তার ওপর দ্বিতীয় বছরের সুদ ধার্য করার প্রক্রিয়াকে চক্রবৃদ্ধিকরণ পদ্ধতি বলা হয়। এই পদ্ধতিতে প্রতি বছর সুদাসলের ওপর সুদ ধার্য করে ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ধারণ করা হয়। সুদাসলের ওপর যে সুদ প্রদান করা হয় তাকে চক্রবৃদ্ধি সুদ বলা হয়। চক্রবৃদ্ধি সুদের পরিমাণ সবসময় সরল সুদ অপেক্ষা বেশি হয়ে থাকে। গ. জনাব আলীমের অর্থের ভবিষ্যৎ মূল্য চক্রবৃদ্ধি প্রক্রিয়ায় নির্ণয়ের জন্য ভবিষ্যৎ মূল্যের বার্ষিক চক্রবৃদ্ধির সূত্র প্রয়োজন। এখানে, বর্তমান মূল্য (চঠ) = ২,০০,০০০, সুদের হার = ১৩% বা ০.১৩, মেয়াদ = ৬ বছর, ভবিষ্যৎ মূল্য ঋঠ =? আমরা জানি, ভবিষ্যৎ মূল্য (ঋঠ) = বর্তমান মূল্য (১ + সুদের হার)মেয়াদ = ২,০০,০০০ (১ + ০.১৩)৬ = ২,০০,০০০ (১.১৩)৬ = ২,০০,০০০  ২.০৮২ = ৪,১৬,৪০০ টাকা। অতএব, জনাব আলীমের ভবিষ্যৎ মূল্য ৪,১৬,৪০০ টাকা (প্রায়)। ঘ. অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জনাব আলীমের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা মূল্যায়নের জন্য প্রকল্প দুটি ভবিষ্যৎ মূল্যের মূল্যায়ন প্রয়োজন। বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অর্থের সময়মূল্যের গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যবসায়ের প্রতিটি কার্যে ঝুঁকি জড়িত। ব্যবসায়ীকে প্রতিটি পদক্ষেপে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়। সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অর্থের সময়মূল্য নির্ধারণ করা প্রয়োজন। অর্থের ধারণা ব্যতীত গৃহীত সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। উদ্দীপকে জনাব আলীম যদি তার ২,০০,০০০ টাকা ব্যাংকে জমা রাখতেন তাহলে ৬

নবম-দশম শ্রেণির ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং তৃতীয় অধ্যায় অর্থের সময়মূল্য সৃজনশীল ও জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর Read More »

নবম-দশম শ্রেণির ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং দ্বিতীয় অধ্যায় অর্থায়নের উৎস সৃজনশীল ও জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর

দ্বিতীয় অধ্যায় অর্থায়নের উৎস  তহবিল উৎসের ধারণা যেকোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করার জন্য এবং দৈনন্দিন ব্যবসায় কার্য পরিচালনা করার জন্য যে তহবিলের প্রয়োজন হয় তার উৎস নির্বাচন অর্থায়ন ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। বিভিন্ন উৎসের মধ্যে তুলনা করে একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য তহবিলের উৎসের যে মিশ্রণটি সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদানকারী ও ন্যূনতম খরচযুক্ত সেই মিশ্রণের উৎস থেকেই প্রতিষ্ঠান তহবিল সংগ্রহ করে।  বিভিন্ন প্রকার তহবিলের উৎসের ধারণা ব্যবসায় অর্থায়ন বলতে ব্যবসায় করার জন্য যে তহবিলের প্রয়োজন হয় তা সরবরাহ করাকে বোঝায়। ব্যবসায় গঠন, প্রকৃতি ও উদ্দেশ্যের ভিন্নতার কারণে নানারকম উৎস হতে প্রতিষ্ঠান তহবিল সংগ্রহ করে থাকে। যেকোনো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে তহবিলের দুটি ভিন্ন উৎস থাকে। একটি মালিকপক্ষ অন্যটি ঋণদাতা। মালিকপক্ষের প্রদত্ত তহবিলকে অভ্যন্তরীণ ও ঋণদাতা প্রদত্ত তহবিলকে বহিস্থ তহবিল উৎস বলা হয়।  অভ্যন্তরীণ তহবিল প্রতিষ্ঠানের মালিক তার সঞ্চিত মুনাফা বা অব্যবহৃত মুনাফার মাধ্যমে যে তহবিল ব্যবসায়ের প্রয়োজনে বিনিয়োগ করে তাকেই অভ্যন্তরীণ তহবিল বলা হয়। অভ্যন্তরীণ উৎসগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা : ক. মালিকানাভিত্তিক ও খ. মুনাফাভিত্তিক। ক. অভ্যন্তরীণ উৎসের মালিকানাভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ ভিন্ন ধরনের ব্যবসায় সংগঠনের অভ্যন্তরীণ তহবিলের প্রকৃতিও ভিন্ন হয়। যেমন : একমালিকানা ব্যবসায়ে অভ্যন্তরীণ তহবিলের উৎস মালিকের নিজস্ব অর্থ বা অর্থ দ্বারা পরিমাপযোগ্য যেকোনো উৎপাদনের উপকরণ হতে পারে। অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অংশীদারবৃন্দ যে তহবিল ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করে তা স্বীয় মূলধন হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে যৌথ মূলধনী কোম্পানি শেয়ার বিক্রয়ের মাধ্যমে যে তহবিল সংগ্রহ করে সেটি অভ্যন্তরীণ তহবিল হিসেবে বিবেচিত হয়। খ. অভ্যন্তরীণ উৎসের মুনাফাভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান উৎপাদিত পণ্যদ্রব্য বা সেবা প্রদানের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে থাকে। এ উপার্জিত আয় হতে উৎপাদন সৃষ্টির খরচ, বিক্রয় খরচ ইত্যাদি খরচগুলো বাদ দিলে যে অর্থ বাকি থাকে সেটিই প্রতিষ্ঠানের অর্জিত মুনাফা। এই মুনাফা থেকে ঋণের সুদ ও সরকারকে প্রদেয় ট্যাক্স বাদ দেয়ার পর বাকিটা বিভিন্নভাবে তহবিলের উৎস হিসেবে ব্যবহার করা যায়। মুনাফাভিত্তিক কয়েকটি উৎস হলো- ১. অবণ্টিত মুনাফা ও সঞ্চিত তহবিল, ২. লভ্যাংশ সমতাকরণ তহবিল ও ৩. বিধিবদ্ধ সঞ্চিতি।  বহিস্থ তহবিল বহিস্থ তহবিল বলতে প্রতিষ্ঠানের বাইরের কোনো উৎস যেমন : ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তহবিল সংগ্রহ করাকে বোঝায়। অগ্রাধিকার শেয়ার বিক্রয় করে তহবিল সংগ্রহ করাও তহবিল সংগ্রহের বহিস্থ উৎস হিসেবে পরিচিত। ক. বহিস্থ তহবিলের স্বল্পমেয়াদি উৎস : স্বল্পমেয়াদি বলতে ১ বছরের কম সময়কে বোঝানো হয়। একটি প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগ অর্থায়ন মূলত স্বল্পমেয়াদি উৎস হতে সংগ্রহ করে থাকে। এ ধরনের উৎস দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা : ক. প্রাতিষ্ঠানিক, খ. অপ্রাতিষ্ঠানিক।  প্রাতিষ্ঠানিক স্বল্পমেয়াদি উৎস ১. প্রাপ্য বিল বাট্টাকরণ, ২. প্রদেয় বিল, ৩. স্বল্পমেয়াদি ব্যাংক ঋণ, ৪. ব্যাংক জমাতিরিক্ত উত্তোলন, ৫. ক্ষুদ্র ঋণ।  অপ্রাতিষ্ঠানিক স্বল্পমেয়াদি উৎস ১. বাণিজ্যিক পত্র, ২. ক্রেতা হতে অগ্রিম গ্রহণ, ৩. গ্রাম্য মহাজন, ৪. মজুদ মাল বন্ধকিকরণ। খ. বহিস্থ তহবিলের মধ্যমেয়াদি উৎস এক থেকে পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য সংগৃহীত তহবিল মধ্যমেয়াদি অর্থায়ন হিসেবে পরিগণিত। একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান মধ্যমেয়াদি তহবিল ব্যবহার করে ব্যবসায়ের চলমান মূলধনের দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োজন মেটায়। এই তহবিলের খরচ বা সুদের হার স্বল্পমেয়াদি তহবিলের খরচ হতে বেশি এবং দীর্ঘমেয়াদি তহবিলের খরচ হতে কম হয়। এর উৎসসমূহ হলো :  বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রদত্ত ঋণ;  বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান;  বেসরকারি প্রতিষ্ঠান;  আন্তর্জাতিক তহবিল। গ. বহিস্থ তহবিলের দীর্ঘমেয়াদি উৎস দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের মেয়াদ হচ্ছে ৫ বছর থেকে ঊর্ধ্বে যেকোনো সময়কাল পর্যন্ত। দীর্ঘমেয়াদি তহবিল ঋণের মাধ্যমে গৃহীত হলে চুক্তি মোতাবেক পরিশোধ করতে হয়। এর উৎসসমূহ হলোÑ ১. ঋণ, ২. ঋণপত্র, ৩. লিজিং।  উৎস্য নির্বাচনে বিবেচ্য বিষয়সমূহ প্রতিষ্ঠানের জন্য তহবিল সংগ্রহের উৎস নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন উৎসের মধ্যে সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ, তহবিল সংগ্রহের খরচ, প্রতিষ্ঠানের প্রকৃতি, তহবিলের প্রয়োজনের ধরন ও উদ্দেশ্য ইত্যাদি বিবেচনায় আনতে হয়। নিচে তহবিল উৎস নির্বাচনে বিবেচ্য বিষয়সমূহ উল্লেখ করা হলো- ১. ব্যবসায়ের ধরন ২. জামানতযোগ্য সম্পত্তির অপ্রতুলতা ৩. অর্থায়নের প্রয়োজনের ধরন ৪. তহবিল উৎসের খরচ ৫. তহবিল উৎসের ঝুঁকি। অনুশীলনীর সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর প্রশ্ন-১  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : দীর্ঘদিন ধরে জামদানি ব্যবসায় নিয়োজিত দীননাথ চক্রবর্তী মাঝে মাঝে অর্থ সংকুলানকল্পে বিভিন্ন উৎস হতে অল্প সময়ের জন্য অর্থের সংস্থান করতেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি তার ব্যবসা প্রসার করে এতদসঙ্গে তাঁতবস্ত্রের ও ব্যবসা শুরু করতে মনস্থির করেছেন এবং এ প্রসঙ্গে তিনি নারায়ণগঞ্জে একটি পুরাতন ফ্যাক্টরি ১০০টি মেশিনসহ দীর্ঘ ১০ বছরের জন্য নেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন। ক. অর্থায়নের উৎসকে মূলত কয় ভাগে ভাগ করা যায়? খ. ব্যবসা স¤প্রসারণে সঞ্চিতি তহবিলের ভ‚মিকাটি ব্যাখ্যা কর। গ. বর্তমানে দীননাথ চক্রবর্তী সাধারণত ব্যবসাক্ষেত্রে কোন ধরনের তহবিলের সহায়তায় আর্থিক সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন? ঘ. তুমি কি মনে কর যে ব্যবসা স¤প্রসারণ আর্থিক সহায়তাকল্পে দীননাথ চক্রবর্তীর অন্যান্য উৎসেরও শরণাপন্ন হতে হবে-উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।  ১নং প্রশ্নের উত্তর  ক. অর্থায়নের উৎসকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। খ. অবণ্টিত মুনাফার যে অংশ ভবিষ্যতে ব্যবসা স¤প্রসারণ করার জন্য একটি তহবিলে আলাদা করে রাখা হয় তাকে সঞ্চিত তহবিল বলে। এই তহবিল ব্যবসায় অর্থায়নের ক্ষেত্রে মুনাফাভিত্তিক অভ্যন্তরীণ একটি উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। ব্যবসায় স¤প্রসারণ ছাড়াও ভবিষ্যতের কোনো আর্থিক বিপর্যয় মোকাবিলায় এই তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখে যা ব্যবসায় স¤প্রসারণে সহায়ক। গ. বর্তমানে জামদানি ব্যবসায়ী দীননাথ চক্রবর্তী তার ব্যবসায় স¤প্রসারণের আর্থিক সমস্যা লিজিং এর মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করেন। লিজিং দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের একটি অভিনব পদ্ধতি। যন্ত্রপাতি বা অন্য সম্পত্তি ক্রয় না করে নির্দিষ্ট হারে ভাড়ার বিনিময়ে ব্যবহার করার অধিকার লাভ করাকে লিজিং বলে। উদ্দীপকে দীননাথ চক্রবর্তীর ব্যবসায়ের আকার যখন ছোট ছিল তখন তিনি বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদি উৎস হতে প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ করে তার আর্থিক সমস্যা মোকাবিলা করতে পারতেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি তার জামদানি ব্যবসায়ের পাশাপাশি তাঁতবস্ত্রের ব্যবসায় শুরু করতে চাচ্ছেন বলে তার দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন প্রয়োজন। তাই তিনি নারায়ণগঞ্জের একটি পুরাতন ফ্যাক্টরি ১০০টি মেশিনসহ ১০ বছরের জন্য লিজ নিতে চাচ্ছেন। কারণ কারখানাটি লিজ নিলে কারখানা স্থাপন ও মেশিন কেনা বাবদ তার যে অর্থ ব্যয় হতো তা সাশ্রয় হবে। সেক্ষেত্রে উক্ত অর্থ দ্বারা তিনি তার ব্যবসায়ের দৈনন্দিন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করতে পারবেন। ঘ. ব্যবসায় স¤প্রসারণ আর্থিক সহায়তাকল্পে দীননাথ চক্রবর্তীকে অন্যান্য উৎসেরও শরণাপন্ন হতে হবে বলে আমি মনে করি। কারণ একটি উৎস হতে তহবিল সংগ্রহ করে বৃহদাকার ব্যবসায় গঠন বা পরিচালনা করা যায় না। উদ্দীপকের জামদানি ব্যবসায়ী দীননাথ চক্রবর্তী বর্তমানে তার ব্যবসায় স¤প্রসারণ করে তাঁতবস্ত্রের ব্যবসায় শুরু করতে চান। এজন্য তার প্রচুর অর্থায়নের অর্থের প্রয়োজন দেখা দেয়। ব্যবসায় স¤প্রসারণের জন্য তিনি লিজিং-এর মাধ্যমে অর্থসংস্থান করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু ব্যবসাটি স¤প্রসারিত হওয়ার পর তা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্যও অর্থের প্রয়োজন হবে। সেক্ষেত্রে তার বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান হতে ঋণ গ্রহণ করার প্রয়োজন হতে পারে। তহবিল সংগ্রহ করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণের জন্য তাকে বিভিন্ন এনজিও’র শরণাপন্ন হতে পাবে। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ক্রেতা থেকে অগ্রিম গ্রহণের মাধ্যমে

নবম-দশম শ্রেণির ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং দ্বিতীয় অধ্যায় অর্থায়নের উৎস সৃজনশীল ও জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর Read More »

নবম-দশম শ্রেণির ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং প্রথম অধ্যায় অর্থায়ন ও ব্যবসায় অর্থায়ন সৃজনশীল ও জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর

প্রথম অধ্যায় অর্থায়ন ও ব্যবসায় অর্থায়ন অর্থায়নের ধারণা অর্থায়ন তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করে। কোন উৎস থেকে কী পরিমাণ তহবিল সংগ্রহ করে, কোথায়, কীভাবে বিনিয়োগ করা হলে ব্যবসায়ের সর্বোচ্চ মুনাফা হবে, অর্থায়ন সেই সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে। অর্থায়ন প্রক্রিয়া একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি একটি অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের জন্যেও গুরুত্বপূর্ণ।  অর্থায়নের শ্রেণিবিভাগ ১. পারিবারিক অর্থায়ন : পারিবারিক অর্থায়নের ক্ষেত্রে পরিবারের আয়ের উৎস ও পরিমাণ নির্ধারণ করে, সেই পরিবারের আয় কীভাবে ব্যয় করলে পরিবারের সদস্যদের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল হয়, তা নির্ধারণ করা হয়। ২. সরকারি অর্থায়ন : সরকারের প্রেক্ষাপটে তার বার্ষিক ব্যয় কোন কোন খাতে কী পরিমাণ হবে এবং সেই অর্থ কোন কোন উৎস থেকে সংগ্রহ করা যাবে, তা সরকারি অর্থায়নে আলোচনা করা হয়। ৩. আন্তর্জাতিক অর্থায়ন : আন্তর্জাতিক অর্থায়নে আমদানি ও রপ্তানির খাতগুলো নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করা হয় এবং এ সংক্রান্ত ঘাটতি কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা যায় তা আলোচনা করা হয়। ৪. অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের অর্থসংস্থান : সমাজে এমন কিছু প্রতিষ্ঠান আছে, যা মানবকল্যাণ বা দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত। অমুনাফাভোগী এসব প্রতিষ্ঠানেরও অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। বিভিন্ন অনুদানের মাধ্যমে এরা অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। ৫. ব্যবসায় অর্থায়ন : অর্থায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধরন হচ্ছে ব্যবসায় অর্থায়ন। মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য লাভ-ক্ষতির ঝুঁকি নিয়ে গঠিত সংগঠনকে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বলা হয়। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান তার তহবিল সংগ্রহ ও বিনিয়োগের জন্য অর্থায়ন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে। ৬. ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান : যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সাধারণত সে দেশের ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এসব প্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন প্রক্রিয়া সাধারণত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান থেকে একটু ভিন্ন প্রকৃতির।  কারবারি অর্থায়নের গুরুত্ব বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক মুক্তবাজার ব্যবস্থায় মুনাফা অর্জনের জন্য প্রতিটি সরকারি, বেসরকারি, আন্তর্জাতিক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ গুরুত্বের সাথে পূর্ব পরিকল্পনামাফিক অর্থায়ন করতে হয়। সঠিক আর্থিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা ব্যবসায়ীদের পরিকল্পনামাফিক স্বল্পমূল্যে প্রয়োজনীয় পরিমাণ অর্থসংস্থান করে তার সঠিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যবসায় পরিচালনা করে পর্যাপ্ত মুনাফা অর্জন করতে সাহায্য করে। যেকোনো দেশের জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে সফল বিনিয়োগ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। লাভজনক বিনিয়োগ ব্যবসায়ের জন্য যেমন অর্থবহ তেমনি সারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  কারবারি অর্থায়নের নীতি কারবারি অর্থায়ন ব্যবস্থাপনা বলতে কারবারের জন্য প্রয়োজন মাফিক তহবিল সংগ্রহ, স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে সেই তহবিল বিনিয়োগ এবং বণ্টনসংক্রান্ত ব্যবস্থাপনাকে বোঝায়। ১. তারল্য বনাম মুনাফানীতি : যেকোনো ব্যবসায়ীকে তারল্য ও বিনিয়োগের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে আর্থিক ব্যবস্থাপনা করতে হয়। অর্থাৎ একদিকে তাকে দৈনন্দিন কার্যপরিচালনার মতো নগদ অর্থ হাতে রাখতে হয়, অন্যদিকে মুনাফা অর্জনের জন্য সেই অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়। ২. উপযুক্ততার নীতি : স্বল্পমেয়াদি তহবিল দিয়ে চলতি মূলধন ও দীর্ঘমেয়াদি তহবিল দিয়ে স্থায়ী মূলধন সরবরাহ করা অর্থায়নের একটি নীতি। একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান চলমান রাখার জন্য যে নিত্যনৈমিত্তিক অর্থের প্রয়োজন পড়ে, তাকে চলতি মূলধন এবং দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা-ভোগের যে অর্থ ব্যবহার করা হয় তাকে স্থায়ী মূলধন বলা হয়। ৩. কারবারে বৈচিত্র্যায়ণ ও ঝুঁকিবণ্টন : তহবিল বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কারবারি পণ্য বা সেবা বৈচিত্র্যপূর্ণ হলে কারবারের ঝুঁকি বণ্টিত হয় ও হ্রাস পায়।  আর্থিক ব্যবস্থাপকের কার্যাবলি ১. আয় বা অর্থায়ন সিদ্ধান্ত : আয় সিদ্ধান্ত বলতে মূলত তহবিল সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে বোঝায়। অর্থায়ন সিদ্ধান্তের আওতায় তহবিল সংগ্রহের ভিন্ন উৎস নির্বাচন এবং এসব উৎসের সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ করে অর্থায়ন সংক্রান্ত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। ২. ব্যয় বা বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত : ভবিষ্যতের পণ্য বিক্রয়ের পরিমাণ ও পণ্যের মূল্য নির্ধারণ একটি দুরূহ কাজ বলে বিনিয়োগ সিদ্ধান্তটি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রত্যাশিত আগমন-নির্গমনের একটি পরিকল্পনা করতে হয়।  অর্থায়নের ক্রমোন্নয়নের ধারণা বাজার প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে অর্থায়ন সংক্রান্ত ধারণা ও ব্যবহার অত্যাবশ্যক হয়ে যায়। অর্থায়নের ক্রমবিকাশের ধারা অর্থায়নের প্রকৃতি ও আওতা সম্পর্কে আমাদের একটি অর্থবহ ধারণা দেয়। র. ১৯৩০ এর পূর্ববর্তী শতক : এই সময়কালে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর মধ্যে একত্রীকরণের প্রবণতা শুরু হয়। আর্থিক ব্যবস্থাপকরা এই একত্রীকরণে বিশাল অংকের অর্থসংস্থান ও আর্থিক বিবরণী তৈরি করার দায়িত্ব পালন করেন। রর. ১৯৩০ এর দশক : এই সময়কালে একত্রীকরণের প্রবণতা সফল পায়নি। উপরন্তু এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে চরম মন্দা শুরু হয়। এ সময় থেকেই শেয়ার বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্থায়নের প্রয়োজন দেখা দেয়। ররর. ১৯৪০ এর দশক : এ সময়ে সুষ্ঠুভাবে কারবার পরিচালনার জন্য তারল্যের প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে উপলব্ধি করা যায়। নগদ অর্থপ্রবাহের বাজেট করে সুপরিকল্পিত নগদপ্রবাহের মাধ্যমে অর্থায়ন সেই দায়িত্ব পালন করে। রা. ১৯৫০ এর দশক : সুদূরপ্রসারী প্রাক্কলনের মাধ্যমে উপযুক্ত দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করে বিক্রয় বৃদ্ধি ও ব্যয় হ্রাস করে মুনাফা সর্বোচ্চকরণ করাই এই সময়ের অর্থায়নের প্রধান কাজ হিসেবে পরিণত হয়। এই ধারাকে অর্থায়নের সনাতন ধারা হিসেবে গণ্য করা হয়। া. ১৯৬০ এর দশক : এই সময় থেকেই আধুনিক অর্থায়নের যাত্রা শুরু। অর্থায়ন মূলধন বাজারকে অগ্রাধিকার দিতে শুরু করে। শেয়ারের বাজারদর সর্বাধিকরণই ছিল এই সময়ের অর্থায়নের উদ্দেশ্য। ার. ১৯৭০ এর দশক : এই দশকে কম্পিউটার অধ্যায়ের শুরু হয়, যা উৎপাদন কৌশল ও কারবারি অর্থায়নকে পাল্টিয়ে দেয়। ারর. ১৯৮০ এর দশক : এ সময়ে সনাতনী দায়িত্বের পরিবর্তন করে নতুন রূপে আবিভর্‚ত হয় অর্থায়ন পদ্ধতি। মূলধনের সুদক্ষ বণ্টন ও প্রকল্পগুলো হতে অর্জিত আয়ের বিচার-বিশ্লেষণই ছিল অর্থায়নের মূল বিষয়। াররর. ১৯৯০ এর দশক ও আধুনিক অর্থায়নের সূচনা : এ দশকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডঞঙ) আত্মপ্রকাশ করে। বিশ্বব্যাপী আমদানি-রপ্তানির প্রতিবন্ধকতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। অনুশীলনীর সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর প্রশ্ন-১  নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : ২০১২ সালের আর্থিক বিবরণীতে দেখা যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। ক. রপ্তানি থেকে আমদানি বেশি হলে কোন ধরনের ঘাটতি দেখা যায়? খ. সরকার কেন দেশের জন্য অনেক অর্থ ব্যয় করে? গ. এ কে এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক জনাব সোহানের সামগ্রিক কার্যক্রমকে কী বলা যায়? বর্ণনা কর। ঘ. জনাব সোহান কোন নীতিটি ঠিকমতো অনুসরণ করলে ক্ষতির সম্মুখীন হতেন না বলে মনে কর?  ১নং প্রশ্নের উত্তর  ক. রপ্তানি থেকে আমদানি বেশি হলে বাণিজ্য ঘাটতি দেখা যায়। খ. সরকার নিজ দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও সমাজের কল্যাণ সাধনের জন্য অনেক অর্থ ব্যয় করে। তার ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে রাস্তাঘাট, সেতু, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি হাসপাতাল, আইনশৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা, সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ ইত্যাদি। অর্থাৎ সরকারি অর্থায়নের মূল লক্ষ্য হলো সমাজকল্যাণ। গ. এ কে এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক জনাব সোহানের সামগ্রিক কার্যক্রমকে ব্যবসায় অর্থায়ন বলা যায়। ব্যবসায় অর্থায়ন হচ্ছে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ এবং সুষ্ঠুভাবে উক্ত তহবিল লাভজনক খাতে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া। অর্থাৎ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান তার তহবিল সংগ্রহ ও বিনিয়োগের জন্য এরূপ অর্থায়ন প্রক্রিয়া প্রয়োগ করে থাকে। উদ্দীপকের জনাব সোহান মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে ঝুঁকি নিয়ে একটি একমালিকানা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ কে এন্টারপ্রাইজকে গড়ে তুলেছেন। প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার পাশাপাশি তিনি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপক হিসেবে অর্থায়নের কাজও পরিচালনা করেছেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি উৎস হিসেবে ব্যাংক ঋণ এবং

নবম-দশম শ্রেণির ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং প্রথম অধ্যায় অর্থায়ন ও ব্যবসায় অর্থায়ন সৃজনশীল ও জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর Read More »

দশম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

দশম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

দশম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ প্রকাশ করা হলো। তোমরা যারা দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তারা রসায়ন তৃতীয় সপ্তাহে চেয়ারম্যান 2022 এর উত্তর খুঁজছিলে। আমরা তোমাদের সেই খোঁজার অবসান ঘটালাম। দশম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ প্রিয় দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা নিশ্চয়ই তৃতীয় সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট রসায়নের প্রশ্ন গুলো পেয়েছো। প্রশ্নগুলো না পড়ে থাকো তাহলে নিচের দেওয়া ছবি থেকে তোমরা তৃতীয় সপ্তাহে সিমেন্ট ২০২২এর প্রশ্ন গুলো পড়ে নাও। তোমাদের রসায়ন প্রথম অধ্যায় নিশ্চয় পড়া হয়ে গেছে কারন তোমরা হচ্ছ নতুন দশম শ্রেণীর ব্যাচ। তোমাদের রসায়ন এবার প্রথম অধ্যায় থেকে দেওয়া হয়েছে। তবে ধাতব বন্ধন রয়েছে যা তোমাদের শেষের একটি অধ্যায় থেকে দেওয়া হয়েছে। তোমরা কপারের পারমাণবিক সংখ্যা পারমাণবিক ভর এবং ইলেকট্রন বিন্যাস পড়েছ তাদের জন্য আজকের রসায়ন তৃতীয় সপ্তাহ দশম শ্রেণি অ্যাসাইনমেন্টটি খুবই সহজ হতে চলেছে। দশম শ্রেণীর প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা তৃতীয় সপ্তাহ রসায়ন এর নমুনা উত্তর দেখার আগে চলো আমরা প্রশ্নগুলো পড়ে নিই। প্রশ্ন গুলো পড়ে তো নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছো আজকের রসায়ন তৃতীয় শক্তি খুবই সহজ। তবে তোমরা যেন ভুল না করে সেজন্য উত্তর প্রদান করব। তোমরা প্রথমে নমুনা উত্তরটি সম্পন্ন করে নিয়ে তারপর তোমাদের মূল খাতায় অর্থাৎ অ্যাসাইনমেন্ট খাতায় লেখা শুরু করবে। ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ সমাধান অ্যাসাইনমেন্ট শুরু অ্যাসাইনমেন্টের শিরোনামঃ “রাসায়নিক বন্ধন গঠন, যৌগের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও ধাতুর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা” ”ক” নং প্রশ্নের উত্তর A ও B মৌলের মধ্যে বন্ধন গঠন ও বিদ্যুৎ পরিবাহীতাঃ উদ্দীপকে A মৌলের অবস্থান পর্যায় সারণির ১ম পর্যায় এবং গ্রুপ-১ এ। তাহলে, A মৌলটি হবে H এবং B মৌলের অবস্থান পর্যায় সারণির ২য় পর্যায় এবং গ্রুপ-১৪। তাহলে, B মৌলটি হবে C. H ও C এর মধ্যে বন্ধন গঠনঃ H ও C এর মধ্যে সমযোজী বন্ধন বিদ্যমান। তারা পরস্পর সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে CH4 উৎপন্ন করবে। সমযোজী বন্ধন হল এমন এক ধরনের রাসায়নিক বন্ধন শেয়ারের বা ভাগাভাগির মাধ্যমে আবদ্ধ থাকে। ইলেকট্রন শেয়ার করা পরমাণুদ্বয়ের মধ্যেকার আকর্ষণ ও বিকর্ষণের ফলে যে সুস্থিত ভারসাম্য বল তৈরি হয় ভাই সমযোজী বন্ধনের সৃষ্টি করে।     উক্ত চিত হতে দেখা যায় যে, C ও H তাদের সর্বশেষ এরা সমযোজী যৌগ। CH4 যৌগের বিদ্যুৎ পরিবাহিতাঃ আমরা জানি, সমযোজী যৌগ গুলি সাধারণত অধাতব পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে পঠিত হয়। ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে সমযোজী যৌগ গঠিত হওয়ায়, সমযোজী যৌগের অণুডে কোন ধনাত্মক-ঋণাত্মক আধানে সৃষ্টি হয় না। এজন্য সমযোজী যৌগ গুলি সাধারণত অপোলার হয়। সমযোজী যৌগ গুলি অপোলার হওয়ার এরা তড়িৎ পরিবহন করতে পারে না। কার্ধনের বেশিরভাগ যৌগ ইলেকট্রন শেয়ার করে সমযোজী যৌগ সৃষ্টি করে। ভাই কার্বনের যৌগ সমূহের ক্ষেত্রে দেখা যায় এরা তড়িৎ পরিবহন করে না। CH4(মিথেন) অণটি কার্বন ও হাইড্রোজেন অধাতুর পরমাপুসমূহ ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে গঠিত হয়। অপুটিতে ধনাত্মক-ঋণাত্মক আধান গঠিত না হওয়ার মিখেন অনুটি বিদ্যুৎ পরিবহন করে না। (ধা নং প্রশ্নের উত্তর) C ও D মৌলের মধ্যে বন্ধন গঠন ও বিদ্যুৎ পরিবাহীতাঃ উদ্দীপকে C মৌলের অবস্থান পর্যায় সারণির ২য় পর্যায় এবং গ্রুপ-১৬ এ। তাহলে, C মৌলটি হবে O. এবং D মৌলের অবস্থান পর্যায় সারণির ৪র্থ পর্যায় এবং গ্রুপ-১। তাহলে, D মৌলটি হবে K. O ও K এর মধ্যে বন্ধন গঠনঃ O ও K এর মধ্যে আরনিক বন্ধন বিদ্যমান। তারা পরস্পর ইলেকট্রন আদান প্রদানের মাধ্যমে আয়নিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে K2O উৎপন্ন করবে। আয়নীয় বন্ড বা ভড়িৎযোজী বন্ধন হল এক প্রকার রাসায়নিক বন্ধন, যা বিপরীত আধানযুক্ত আয়নসমূহের মধ্যে স্থির-ভাড়িৎ আকর্ষণ সৃষ্টি করে। এছাড়া এই বন্ধন আয়নীয় যৌগে ক্রিয়াশীল একটি প্রাথমিক বল। এককথায়, পূর্ণ যোজ্যতা কক্ষ লাভের জন্য ধাতু থেকে অধাতুর দিকে ইলেক্টনের সরণই হল আয়নীয় বন্ধন।   K2O যৌগের গলনাংক ও স্ফুটনাংকঃ আমরা জানি, আয়নিক যৌগের অপুতে পরমানু সমহের মধ্যে বিদ্যামান বন্ধন শক্তি, সমযোজী যৌগের অপুতে বিদ্যামান পরমাণুসমূহের মধ্যকার বন্ধন শক্তি অপেক্ষা বেশি থাকে। আবার আয়নিক যৌগের পরমাণু সমূহ ধনাত্মক-ঋণাত্মক চার্জিত থাকে। এই ধনাত্মক-ঋণাত্মক আধান অনু গঠনের সময় ত্রিমাত্রিক ভাবে সুবিন্যান্ত হয়ে জ্যামিতিক কাঠামো গঠন করে। এতে করে আরনিক যৌগের একটি ক্যাটায়ন নির্দিষ্ট সংখ্যক আ্যানায়ন দ্বারা এবং আয়নিক যৌগের একটি আ্যানায়ন নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্যাটায়ন দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে। এতে আয়নিক যৌসের অপুতে আন্তঃআশবিক আকর্ষণ বল অনেক বেশি হয়। ফলে আয়নিক যৌগের অণু কে ভাঙতে অনেক বেশি তাপ শক্তির প্রয়োজন হয়। তাই আয়নিক যৌগের গললাঙ্ক ও স্ফুটনান্ক অনেক বেশি হয়। K2O আয়নিক বন্ধন দ্বারা তৈরি। তাই তারা আয়নিক যৌগ। তাই K2O এর গলনাংক ও স্ফুটনাংক অনেক বেশি। শুধু K2O যৌগের গলনাংক হলো 35০০ থেকে 740০ পর্যন্ত। (গ নং প্রশ্নের উত্তর) “খ” হতে পাই, D মৌলটি হলো K। K এর একাধিক পরমাপুর মধ্যে ধাতব বন্ধন যিদ্যমান। K বিদ্যুৎ পরিবাহিতা দেখানো হলোঃ একটি ধাতু অপর একটি অধাত্র মধ্যে আয়নিক বন্ধন এবং দুটি অধাতুর মধ্যে সমযোজী বন্ধন গঠিত হয়। কিন্ত দুট ধাতব পরমাণু কাছাকাছি এলে তাদের মধ্যে যে বন্ধন গঠিত হয় তাকে ধাতব বন্ধন বলে। ধাতু সমহ যে ধরনের বন্ধনের মাধ্যমে পরম্পরের সাথে যুক্ত থাকে তা ই ধাতব বন্ধন। এই সঙঞ্চারণশীল ইলেকট্রন এবং ধনাক্সক চার্জ যুক্ত ধাতব আয়নের মধ্যে হয়ে থাকে। এই বিশেষ ধরনের বন্ধনের কারণেই ধাতু ভাপ এবং বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই বন্ধন সঙ্চারপশীল ইলেকট্রন এবং ধনাল্সক চার্জ যুক্ত ধাতব আয়নের মধ্যে হয়ে খাকে। ধাতব বন্ধন ধাতুর অনেকগুলো ভৌত ধর্ম যেমন: যান্ত্রিক শক্তি. নমনীয়তা, তাপ এবং বৈদ্যতিক রোধ এবং পরিবাহিতা, অস্বচ্ছতা এবং দীস্তির জন্য দায়ী। পটাশিয়াম একটি ধাতব মৌল হওয়ায় এর দ্বারা গঠিত বন্ধন হবে ধাতব বন্ধন। ইলেকট্রন বিন্যাস অনুসারে, এর সর্বশেষ স্তরে একটি মুফ ইলেকট্রন বিদ্যমান থাকায় ইলেকট্রনটি সঞ্চারণশীল হয় এবং পারমাণবিক শাঁসের মধ্যে চলাচল করে বিদ্যুৎ পরিবহণ করে। তাই বলা যায় যে. পটাশিয়াম (K) বিদ্যুৎ পরিষহণ করে। অ্যাসাইনমেন্ট শেষ আরো পড়ুনঃ সকল শ্রেণির সকল অ্যাসাইনমেন্ট দেখুন ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৮ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৮ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ব্যসসায় ‍উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ব্যসসায় ‍উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

দশম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ Read More »

৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ পোস্টে সকলকে স্বাগতম। আজকে আমরা তোমাদের নবম শ্রেণির রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট তৃতীয় সপ্তাহ ২০২২ এর নমুনা উত্তর প্রদান করব। ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ তোমরা নিশ্চয়ই জেনে গেছ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর তোমাদের তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে। সেইসাথে তোমাদের গ্রিট দেওয়া হয়েছে যে 24 সপ্তাহ পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট চলবে। তারই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান করা হয়েছে। করোনাকালীন সময়ে তোমাদের বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড তোমাদের এই অ্যাসাইনমেন্ট প্রোগ্রাম চলমান রেখেছে। তোমরা যারা নবম শ্রেণীতে পড়ো তারা নিশ্চয়ই তৃতীয় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট খুঁজছো। আমাদের সেই কাঙ্খিত রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট তৃতীয় সপ্তাহ নিয়ে হাজির হলাম। তোমরা অনেকেই যারা নবম শ্রেণীতে পড়ো তারা প্রশ্ন না দেখেই এসাইনমেন্ট উত্তর লেখা শুরু করে দাও। এটা কিন্তু মোটেও ঠিক নয়। তোমরা অবশ্যই প্রশ্নগুলো আগে ভালো করে পড়ে নেবে তারপর নমুনা উত্তরটি ভালো করে পড়বে এবং শেষ পর্যন্ত তোমার অ্যাসাইনমেন্ট খাতায় নিজে চেষ্টা করে লিখবে যদি না পারো তবে নমুনা উত্তর টি কপি করবে। নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী বন্ধুরা চলো তাহলে তোমাদের তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ এর প্রশ্ন গুলো দেখে নেওয়া যাক। প্রশ্ন গুলো পড়ে তোমাদের কি মনে হচ্ছে তোমরা কি এর উত্তর নিজে নিজেই করতে পারবে। যদি ভেবে থাকো তবে নিজের চেষ্টা করো আর যদি কঠিন মনে হয় বা কোনরকম কনফিউশন থাকে তাহলে নিচের নমুনা উত্তরটি আগে দেখে নাও তারপর নিজে নিজে উত্তর করার চেষ্টা করো। নবম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ অ্যাসাইনমেন্ট শুরু অ্যাসাইনমেন্টের শিরোনামঃ “পদার্থের তালীয় বত্তরেখা ও ব্যতিত্রনী ইলেকট্রন বিন্যাস ও আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর হিসাব” “ক” নং প্রশ্নের উত্তর নিম্নে রৌপ্যের বা Ag এর তাপ প্রদানের বক্ররেখা বিশ্লেষণ করা হলোঃ তাপ প্রদানের বত্ররেখাঃ যে বক্ররেখায় কোন পদার্থের তাপ প্রদানের ফলে পরিবর্তন সমূহ দেখা যায় বা বুঝানো যায়, তাকে তাপ প্রদানের বক্ররেখা বলে। দেওয়া আছে, Ag এর গলনাংক 961.8০ ও স্ফুটনাংক 2162০। এই অনুযায়ী বক্ররেখা অঙ্কন করা হলোঃ   চিত্রে ০ হচ্ছে রৌপ্যের স্বাভাবিক অবস্থা। এখন তাপমাত্রা বাড়াতে থাকলে তা A বিন্দুতে পৌছালেই কঠিন থেকে তরলে পরিণত হওয়া শুরু করবে এবং B বিন্দুতে গিয়ে শেষ হবে। কারণ এই বিন্দু হলো রৌপ্যের গলনাংক 961.8০ অবস্থান। তাহলে OA হচ্ছে রৌপ্যের কঠিন অবস্থা এবং SB হচ্ছে কঠিন থেকে তরলে পরিণত হওয়ার রেখা। আবার তাপমাত্রা বাড়াতে থাকলে তা C বিন্দুতে স্থির হয় এবং রৌপ্য এ অবস্থায় বাম্প হতে থাকে। কারণ C বিন্দুতে রৌপ্যের স্ফুটনাংক 2162০ অবস্থিত। এখানে BC হলো রৌপ্যের তরল অবস্থা। CD হল তরল থেকে বাষ্প হওয়ার অবস্থা। D বিন্দুতে সম্পূর্ণ রৌপ্য বাম্পে পরিণত হয়ে যায়। তারপর আবার তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। এবং DE হলো রৌপ্যের বাষ্প অবস্থা। এটাই হলো রৌপ্যের তাপ প্রদানের বক্ররেখা। (খ নং প্রশ্নের উত্তর) উপশক্তিস্তর: নিউক্লিয়াসের চারদিকে যে নির্দিষ্ট ত্রিমাত্রিক স্থানে ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবণা অনেক বেশি তাকে অরবিটাল বা উপশক্তিস্তর বলে। অর্থাৎ নিউক্লিয়াসের চতুর্দিকে ইলেকট্রনের আবর্তনের সর্বাধিক সম্ভাব্য অঞ্চলকে অরবিটাল বলে। কোণ শক্তি স্তরের মানকে (অরবিটকে) n দ্বারা এবং উপস্তরের সংখ্যাকে (অরবিটালকে)l দ্বারা প্রকাশ করা হয়। গ্রুপ-১১ এর প্রথম মৌলটি হলো Cu, এর ইলেকট্রন সংখ্যা হলো 29 নিম্নে এর উপশক্তিস্তরের ধারণা অনুযায়ী ইলেকট্রন বিন্যাস করা হলোঃ Cu (29) → 1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 4s1 3d10 Cu এর ইলেকউ্রন বিন্যাসের ব্যতিক্রমের কারণ: ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে দেখা যায়, কপারের ক্ষেত্রে 4s2 3d9 থেকে 4s1 3d10 হয়েছে। কারণ কোন মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে যদি সর্ববহিঃস্থ শক্তির d অরবিটাল অর্ধপূর্ণ বা পর্ণ অবস্থায় থাকে তবে ঐ মৌলের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায়। কিন্ত Cu এর শক্তি স্তরে d9 একটি অসম্পূর্ণ ইলেকট্রন বিন্যাস হওয়ায় পূর্বের ‍s অরবিটাল থেকে 1টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে পূর্ণতা প্রাপ্তি হয়। এজন্য কপারের ইলেকট্রন বিন্যাসে বহিঃস্থ শক্তিস্তরে 4s2 3d9 এর পরিবর্তে 4s1 3d10 হয়। স্থিতিশীলতার জন্য Cu এর ইলেকট্রন বিন্যাসের ব্যাতিক্রম দেখা যায়। “গ’ নং প্রশ্নের উত্তর উদ্দীপকে দেওয়া আছে, রৌপ্য বা Ag এর দুটি আইসোটোপ হলো 1০7Ag ও 1০9Ag। প্রকৃতিতে এদের পরিমাণ হলো 51.4% এবং 48.6%। নিম্নে এদের আইসোটোপ থেকে আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর বের করা হলোঃ Ag এর আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর = =p×m+q×n100 =107×51.4+109×48.6100 =107.972 ∴ Ag এর আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর =107.972 অ্যাসাইনমেন্ট শেষ আরো পড়ুনঃ সকল শ্রেণির সকল অ্যাসাইনমেন্ট দেখুন ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৮ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৮ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ব্যসসায় ‍উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ব্যসসায় ‍উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ Read More »

নবম-দশম শ্রেণির ব্যবসায় উদ্যোগ দ্বাদশ অধ্যায় সফল উদ্যোক্তাদের জীবনী থেকে শিক্ষণীয় বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তর

দ্বাদশ অধ্যায় সফল উদ্যোক্তাদের জীবনী থেকে শিক্ষণীয় অনুশীলনীর বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ১. “বেঙ্গল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লি:”-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?  জহুরুল ইসলাম খ স্যামসন এইচ চৌধুরী গ আবুল কালাম আজাদ ঘ লুৎফা সানজিদা ২. উদ্যোগ কী?  কোনো কাজ শুরু করার প্রাথমিক প্রচেষ্টা খ ব্যবসায় স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ গ পণ্য বাজারজাতকরণের কার্যক্রম ঘ ব্যবসার জন্য অর্থসংস্থান নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৩ ও ৪ নং প্রশ্নের উত্তর দাও : জনাব সাদমান একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। শিক্ষার হার বাড়ানোর লক্ষ্যে তিনি নিজ গ্রামে একটি বিদ্যালয় স্থাপনে ১০ লক্ষ টাকা ব্যয় করেন। উক্ত বিদ্যালয়ে ৫০ জন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগপ্রাপ্ত হয়। এতে তার সুনাম বৃদ্ধি হয়। ৩. কোন ধরনের দায়বদ্ধতা থেকে জনাব সাদমান বিদ্যালয় স্থাপন করেন?  সামাজিক খ রাষ্ট্রীয় গ ব্যক্তিগত ঘ পারিবারিক ৪. দেশকে এগিয়ে নিতে জনাব সাদমানের মতো উদ্যোক্তারা ভ‚মিকা রাখেনÑ র. কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে রর. জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ররর. গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে নিচের কোনটি সঠিক? ক র ও রর খ র ও ররর গ রর ও ররর  র, রর ও ররর জহুরুল ইসলাম  সাধারণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর ৫. জহুরুল ইসলাম কত সালে জন্মগ্রহণ করেন? (জ্ঞান) ক ১৯২৬  ১৯২৮ গ ১৯৩২ ঘ ১৯৭১ ৬. জহুরুল ইসলাম কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন? (জ্ঞান) ক যশোর খ ঢাকা গ ময়মনসিংহ  কিশোরগঞ্জ ৭. জহুরুল ইসলামের গ্রামের নাম কী? (জ্ঞান) ক জগৎপুর খ মিরপুর  ভাগলপুর ঘ রামকৃষ্ণপুর ৮. জহুরুল ইসলামের বাবার নাম কী? (জ্ঞান)  আফতাব উদ্দিন খ আফতাব আহমেদ গ কাশেম ঘ হাশেম ৯. জহুরুল ইসলামের বাবা পেশায় কী ছিলেন? (জ্ঞান) ক ডাক্তার খ উকিল গ শিক্ষক  কন্ট্রাক্টর ১০. জহুরুল ইসলামের মায়ের নাম কী? (জ্ঞান) ক রোকেয়া খ জেসমিন গ শ্রাবণী  রহিমা আক্তার ১১. ভাই-বোনের মধ্যে জহুরুল ইসলামের অবস্থান কত ছিল? (জ্ঞান) ক প্রথম  দ্বিতীয় গ তৃতীয় ঘ চতুর্থ ১২. জহুরুল ইসলামের চাচার পেশা কী ছিল? (জ্ঞান) ক কন্ট্রাক্টর খ উকিল  ওভারশিয়ার ঘ আমলা ১৩. জহুরুল ইসলাম মেট্রিক পাস করেন কত সালে? (জ্ঞান) ক ১৯২৫ খ ১৯৪৪ ১৯৪৫ ঘ ১৯৫৮ ১৪. জহুরুল ইসলাম কলকাতার কোন হাইস্কুল থেকে মেট্রিক পাস করেন? (জ্ঞান) ক সেন্ট যোসেফ খ হুগলি  রিপন ঘ পাইলট ১৫. জহুরুল ইসলাম আইএ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন কোন কলেজ থেকে? (জ্ঞান) ক নটর ডেম কলেজ খ এবিসিডি কলেজ গ পৌর কলেজ  হরগঙ্গা কলেজ ১৬. জহুরুল ইসলামের পড়াশোনার সমাপ্তি ঘটে কত সালে? (জ্ঞান) ক ১৮৪৫ সালে খ ১৯৪৫ সালে  ১৯৪৮ সালে ঘ ১৯৬০ সালে ১৭. জহুরুল ইসলাম চাকরিতে যোগ দেন কেন? (অনুধাবন)  আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে খ বৈবাহিক কারণে গ পিতামাতার অনুরোধে ঘ লোভের কারণে ১৮. জহুরুল ইসলাম ১৯৪৮ সালে প্রথম কোন পদে চাকরি নেন? (জ্ঞান)  ওয়ার্ক সরকার খ কর্মী গ পরিচালক ঘ কুলি ১৯. জহুরুল ইসলাম ওয়ার্ক সরকার পদে কত টাকা বেতন পেতেন? (জ্ঞান) ক ৫০ টাকা  ৭৭ টাকা গ ১০০০ টাকা ঘ ১০০০০ টাকা ২০. জহুরুল ইসলাম কত সালে চাকরি ছেড়ে দেন? (জ্ঞান) ক ১৯৫০ সালে  ১৯৫১ সালে গ ১৯৫২ সালে ঘ ১৯৫৩ সালে ২১. জহুরুল ইসলাম চাকরি ছেড়ে দেন কেন? (অনুধাবন) ক বিদেশ গমনের জন্য খ পারিবারিক সিদ্ধান্তের জন্য  কণ্ট্রাক্টরি ব্যবসায় করতে ঘ ওকালতি করার জন্য ২২. বাংলাদেশে প্রথম রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ের প্রতিষ্ঠাতা কে? [স. বো. ’১৫]  জহুরুল ইসলাম খ স্যামসন এইচ চৌধুরী গ জনাব জুবের আলী ঘ বগুড়ার নায়েব আলী ২৩. জহুরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত প্রথম ব্যবসায়ের নাম কী? (জ্ঞান) ক বেঙ্গল ফার্ম লি.  বেঙ্গল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লি. গ বেঙ্গল সুগার ঘ আফতাব অটোস ২৪. কত টাকা পুঁজি নিয়ে জহুরুল ইসলাম বেঙ্গল ডেভেলপমেন্ট গড়ে তোলেন? (জ্ঞান)  ৩-৪ হাজার খ ৩-৫ হাজার গ ৪-৫ হাজার ঘ ৫-৬ হাজার ২৫. ঠিকাদারি জীবনের শুরুতে জহুরুল ইসলামের প্রথম সম্পাদিত কাজ কোনটি? (জ্ঞান) ক কিশোরগঞ্জ ভ‚মি অফিস খ বোর্ড অফিস গ জেলখানা  কিশোরগঞ্জ পোস্ট অফিস ২৬. “ঢাকার আশপাশে বসতি বাড়বে”-এটি জহুরুল ইসলাম কীভাবে বুঝেছিলেন? (প্রয়োগ) ক দক্ষতা দিয়ে  দূরদর্শিতা দিয়ে গ লোকমুখে শুনে ঘ জরিপ করে ২৭. জহুরুল ইসলাম ঢাকার আশপাশে জমি ক্রয় করেছিলেন কেন? (অনুধাবন) ক কারখানা স্থাপনের জন্য  জমির চাহিদা বাড়বে বলে গ নিজের বাসস্থান নির্মাণের জন্য ঘ হাসপাতাল নির্মাণের জন্য ২৮. জহুরুল ইসলাম টিম্বার কারখানা কোথায় স্থাপন করেন? (জ্ঞান) ক ঢাকায় খ গাজীপুরে গ সাভারে  চট্টগ্রামে ২৯. জহুরুল ইসলাম ঢাকার জিঞ্জিরায় কী স্থাপন করেন? (জ্ঞান) ক টিম্বার কারখানা  গøাস কারখানা গ রিরোলিং ঘ হাউজিং ব্যবসায় ৩০. জহুরুল ইসলাম প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের আবাসন খাতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান কোনটি? (জ্ঞান) ক সততা হাউজিং খ বিলাস হাউজিং গ স্বপ্ন হাউজিং  ইস্টার্ন হাউজিং ৩১. জহুরুল ইসলাম ইস্টার্ন হাউজিং লিঃ প্রতিষ্ঠা করেন কেন? (অনুধাবন)  আবাসন চাহিদা মেটাতে খ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুবিধার্থে গ অধিক মুনাফা করতে ঘ দুর্নীতি করতে ৩২. জহুরুল ইসলামের সকল ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কোন গ্র“প অব কোম্পানিজ নামে পরিচিত? (জ্ঞান) ক জহুরুল খ আফতাব গ উদ্দীন  ইসলাম ৩৩. ইসলাম গ্র“প অব কোম্পানিজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? (জ্ঞান) ক ১৯২৫  ১৯৬৫ গ১৯৭১ ঘ ১৯৭৫ ৩৪. ঢাকা রিরোলিং মিলস লি. কার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি? (জ্ঞান)  জহুরুল ইসলাম খ আবুল কামাল আজাদ গ স্যামসন এইচ চৌধুরী ঘ লুৎফা সানজিদা ৩৫. জহুরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কী পরিমাণ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে? (জ্ঞান) ক হাজার হাজার  প্রায় লক্ষাধিক গ শত শত ঘ প্রায় কোটির উপরে ৩৬. জহুরুল ইসলাম অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছিলেন কীভাবে? (অনুধাবন) ক বই পড়ে খ বন্ধুদের সাহচার্যে গ বাবার কাছ থেকে  কাজের মাধ্যমে ৩৭. জহুরুল ইসলাম নিজেকে কোন পরিচয়ে সীমাবদ্ধ রাখেননি? (জ্ঞান) ক রাজনীতিবিদ খ ব্যবসায়ী গ সাহিত্যিক  শিল্পপতি ৩৮. শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে জহুরুল ইসলাম দান করেছেন কেন? (অনুধাবন) ক পারিবারিক দায়বদ্ধতার কারণে  সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণে গ অর্থনৈতিক দায়বদ্ধতার কারণে ঘ রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার কারণে ৩৯. বহু অনাথ আশ্রম কে প্রতিষ্ঠা করেছেন? (জ্ঞান) ক এইচ চৌধুরী খ জহুরুল হক  জহুরুল ইসলাম ঘ স্যামসন এইচ চৌধুরী ৪০. জহুরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালটি কোথায় অবস্থিত? (জ্ঞান) ক থলিয়ারা, ব্রাক্ষণবাড়িয়া  বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ গ সাভার, ঢাকা ঘ গোরদাশপুর, নাটোর ৪১. বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত দেশের সর্ববৃহৎ মেডিকেল কলেজ কোনটি? (জ্ঞান) ক যশোর মেডিকেল কলেজ খ আদ দ্বীন মেডিকেল কলেজ গ ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ  জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ৪২. কোন সফল উদ্যোক্তা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন? (জ্ঞান) ক স্যামসন এইচ, চৌধুরী  জহুরুল ইসলাম গ নায়েব আলী ঘ আবুল কালাম আজাদ ৪৩. জহুরুল ইসলামের জীবনাবসান ঘটে কত সালে? (জ্ঞান) ক ১৮৯০ খ ১৯৯০  ১৯৯৫ ঘ ২০১২ ৪৪. জহুরুল ইসলামকে আখ্যায়িত করা হয়েছে কোন উপাধিতে? (জ্ঞান) ক সফল উদ্যোক্তা খ জনহৈতিষী  কর্মবীর ঘ বীর উত্তম

নবম-দশম শ্রেণির ব্যবসায় উদ্যোগ দ্বাদশ অধ্যায় সফল উদ্যোক্তাদের জীবনী থেকে শিক্ষণীয় বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তর Read More »

Scroll to Top