৬ষ্ঠ শ্রেণি

ষষ্ঠ শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

ষষ্ঠ শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

ষষ্ঠ শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ পোষ্টে সকলকে স্বাগতম। আজকে আমরা তোমাদের ৫ম সপ্তাহের ৬ষ্ঠ শ্রেণির গণিত অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ এর উত্তর প্রদান করব। তোমরা নিশ্চয়ই ইতোমধ্যে ৫ম সপ্তাহের সকল প্রশ্ন গুলো পেয়ে গেছো। এখন শুধু উত্তর লেখার পালা। ষষ্ঠ শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট প্রিয় ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা ২০২২ সালে চতুর্থ সপ্তাহ পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট লিখে ফেলেছ। তমাদের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ৫ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে। আর তোমরা সেই পঞ্চম সপ্তাহের ৬ষ্ঠ শ্রেণির গণিত অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ খুঁজছো। আশা করি তোমাদের এই পোষ্টের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সঠিক একটি অ্যাসাইনমেন্ট উপহার দিতে পারব। ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা ইতোমধ্যে জেনে গেছ তোমাদের সকল সপ্তাহের সকল শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট এর নমুনা উত্তর আমরা প্রকাশ করে থাকি। এবং তোমরা ২০২১ সাল থেকে আমাদের সাথে রয়েছো। তাই তোমাদের বলব তোমরা আমাদের এই সাইটির নাম মনে রাখবে। ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ গণিত ৫ম সপ্তাহের ষষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট লেখার আগে তোমাদের অবশ্যই এর প্রশ্ন গুলো পড়ে নিতে হবে। তোমরা যদি গণিত ৫ম সপ্তাহের প্রশ্ন গুলো না পড়ে সরাসরি উত্তর লেখা শুরু করে দাও তাহলে তোমরা ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সম্পর্কে কিছুই জানতে পারবেনা। অর্থাৎ তোমাদের যে কারণে এই ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ ব্যাহত হবে। তাই তোমাদের কাছে সব সময়ের জন্য আমাদের সাজেশন থাকবে তোমরা অবশ্যই প্রশ্ন গুলো পড়ে তারপর উত্তর লেখা শুরু করবে। তাহলে প্রথমে চলো প্রশ্ন গুলো দেখে নেওয়া যাক। প্রশ্ন গুলো পড়তে নিচের ছবিটি জুম করে দেখতে পারো। তাহলে স্পষ্ট দেখতে পাবে। তো চলো ষষ্ঠ শ্রেণির প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমরা প্রথমে গণিত ৫ম সপ্তাহের প্রশ্ন গুলো দেখে নিই। ষষ্ঠ শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ২০২২ শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমাদের কি মনে হচ্ছে। অনেক বড় প্রশ্ন তাই না? বড় প্রশ্ন দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমরা তোমাদের আশ্বাস দিচ্ছি উত্তরটি খুবই সহজ হবে। তোমরা নিশ্চয় ইতোমধ্যে অনুপাত এর সকল অংক ষষ্ঠ শ্রেণির গণিত বই থেকে করে ফেলেছ। যারা এই অধ্যায়ের অংক গুলো করেছ তাদের জন্য অ্যাসাইনমেন্ট টি খুবি সহজ হতে চলেছে আর যারা এখনও ষষ্ঠ শ্রেণির গণিত দ্বিতীয় অধ্যায় এর অংক গুলো করোনি তাদের একটু বুঝতে সমস্যা হতে পারে। তবে তোমরা ভালো করে বুঝে তারপর উত্তর লেখা শুরু করবে। তাহলে আর দেরি কেন ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা চলো আমরা ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ এর নমুনা উত্তরটি দেখে নিই। ষষ্ঠ শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান শ্রেণিঃ ষষ্ঠ/৬ষ্ঠ বিষয়ঃ গণিত আ্যসাইনমেন্ট সপ্তাহ : ৫ম অ্যাসাইনমেন্ট শুরু শিরোনাম : গল্প থেকে অনুপাত ও শতকরা নির্ণয় । (ক) নং প্রশ্বের উত্তরঃ ১৫% এপ অর্থঃ ১৫% এর অর্থ হচ্ছে ১০০ ভাগের ১৫ ভাগ অর্থাৎ ১৫/১০০ বা, ৩/২০ । ১৫০% কে দশক ভগ্নাংশে প্রকাশ করা হলো- ১৫% = ১৫/১০০ =০.১৫ ∴ ১৫% এর দশমিক ভগ্নাংশ ০.১৫। (খ) নং প্রশ্নের উত্তরঃ সামির ও কামালের ক্রয়কৃত ইটের সরল অনুপাত ও ব্যস্ত অনুপাত নির্ণয়ঃ সরল অনুপাত: সামিরের ক্রয়কৃত ইটের সংখ্যা = ১৫,০০০ টি কামালের ক্রয়কৃত ইটের সংখ্যা = ১৭,০০০ টি ∴সামির ও কামালের ইটের সংখ্যার অনুপাত = ১৫,০০০ : ১৭,০০০ =১৫ : ১৭ ∴ সামির ও কামালের ইটের সংখ্যার সরল অনুপাত = ১৫ :১৭। ব্যস্ত অনুপাত: সামির ও কামালের ইটের সংখ্যার ব্যস্ত অনুপাত = ১৭ : ১৫। (গ) নং প্রশ্নের উত্তরঃ সামির ও কামালের ক্রয়কৃত সিমেন্টের মোট দামের সমতুল ও গুরু অনুপাত নির্ণয়ঃ সামিরের ক্রয়কৃত সিমেন্টের মোট দাম = (৫৫০×১৮০) বা, ৪৪,০০০ টাকা কামালের ক্রয়কৃত সিমেন্টের মোট দাম = (8৫০×৮০) বা, ৩৬,০০০ টাকা ∴ সামির ও কামালের সিমেন্টের মোট দামের অনুপাত = ৪৪,০০০ : ৩৬,০০০ =88: ৩৬ = ১১ :৯ ∴ ১১ :৯ এর সমতুল অনুপাত = ২২:১৮ বা, ৩৩: ২৭ বা, 8৪: ৩৬। গুরু অনুপাত যাচাইকরণ: আমরা জানি, কোনো সরল অনুপাতের পূর্ব রাশি, উত্তর রাশি থেকে বড় হলে  তাকে গুরু অনুপাত বলে। এখানে, নির্ণেয় সরল অনুপাতটি হলো = ১১ : ৯। যার, পূর্ব রাশি = ১১ এবং উত্তর রাশি = ৯। যেহেতু, অনুপাতের পূর্ব রাশি, উত্তর রাশি অপেক্ষা বড়। সুতরাং, অনুপাতটি গুরু অনুপাত । (যাচায়িত)   (ঘ) নং প্রশের উত্তরঃ সামির ও কামালের বাড়িতে ব্যবহৃত মিশ্রণে বালি ও সিমেন্টের পরিমাণ নির্ণয়ঃ (১) সামিরের বাড়িতে ব্যবহৃত মিশ্রণে বালি ও সিমেন্টের পরিমাণ নির্ণয়ঃ মিশ্রণে বালি ও সিমেন্টের পরিমাণ = ৮০০ কেজি বালি ও সিমেন্টের অনুপাত নল ৫:১ ∴অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = (৫+১) বা, ৬ মিশ্রণে বালির পরিমাণ = (৮০০ এর ৫/৬ ) কেজি =৬৬৬.৬৭ কেজি মিশ্রণে সিমেন্টের পরিমাণ = ( ৮০০ এর ১/৬ ) কেজি = ১৩৩.৩৩ কেজি বালির পরিমাণ ৬৬৬.৬৭ কেজি এবং সিমেন্টের পরিমাণ ১৩৩.৩৩ কেজি। (২) কামালের বাড়িতে ব্যবহৃত মিশ্রণে বালি ও সিমেন্টের পরিমাণ নির্ণয়ঃ মিশ্রণে বালি ও সিমেন্টের পরিমাণ = ৮০০ কেজি বালি ও সিমেন্টের অনুপাত= ৯ : ১ অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = (৯+১) বা, ১০ মিশ্রণে বালির পরিমাণ = ( ৮০০ এর ৯/১০ ) কেজি = ৭২০ কেজি মিশ্রণে সিমেন্টের পরিমাণ = (৮০০ এর ১/১০ ) কেজি = ৮০ কেজি বালির পরিমাণ ৭২০ কেজি এবং সিমেন্টের পরিমাণ ৮০ কেজি । ’ঙ’ নং প্রশ্নের উত্তর ’ঘ’ নং হতে পাই, সামিরের বাড়িতে ব্যবহৃত বালির পরিমাণ ৬৬৬.৬৭ কেজি এবং সিমেন্টের পরিমাণ ১৩৩.৩৩ কেজি আবার, কামালের বাড়িতে ব্যবহৃত বালির পরিমাণ ৭২০ কেজি এবং সিমেন্টের পরিমাণ ৮০ কেজি মন্তব্য: উদ্দীপকটি বিশ্রেষণ করলে লক্ষ্য করা যায় যে, কামাল বাড়ি তৈরিতে সামিরের তুলনায় বালি বেশি ব্যবহার করেছে। অন্যদিকে সিমেন্ট তুলনামূলকভাবে কম ব্যবহার করেছে । বালির পরিমাণ বেশি ও সিমেন্টের পরিমাণ আনুপাতিক হারের তুলনায় কম হওয়ায় বাড়ির নাজুক অবস্থা হয়েছে । তাই সামিরের বাড়িটি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী হবে কিন্তু কামালের বাড়িটি তেমন টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী হবে না। অ্যাসাইনমেন্ট শেষ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা বরাবরের মতই তোমাদের বলবো অ্যাসাইনমেন্ট তোমাদের যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে কমেন্টে অন্তত একটা থ্যাঙ্কস জানিয়ে যেও। আমরা তোমাদের ২০২২ সালের সকল এসাইনমেন্ট এর নমুনা উত্তর প্রকাশ করব এবং তা আমাদের ফেসবুক পেজ ”সমস্যা ও সমাধান” এ প্রকাশ করব। তোমরা এই পেজটিতে যদি লাইক দিয়ে রাখো তাহলে সবার আগে দ্রুত উত্তর গুলো পেয়ে যাবে। আরো পড়ুনঃ  ⇒ সকল সপ্তাহের সকল অ্যাসাইনমেন্ট ⇒ ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট ⇒ ৭ম শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট ⇒ ৮ম শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট ⇒ ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট ⇒ ৭ম শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট ⇒ ৮ম শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট ⇒ ৯ম শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট ⇒ ৯ম শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট ⇒ ৯ম শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের ব্যবসায় উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট ⇒ ৯ম শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট ⇒ ১০ম শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট ⇒ ১০ম শ্রেণির ৫ম

ষষ্ঠ শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ Read More »

৪র্থ সপ্তাহের ৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২

৪র্থ সপ্তাহের ৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ সমাধান

৪র্থ সপ্তাহের ৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ পোস্টে সকলকে স্বাগতম। এখানে তোমরা তোমাদের ষষ্ঠ শ্রেণির বা ও বি ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ এর উত্তর পেয়ে যাবে। ৪র্থ সপ্তাহের ৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা যারা এখনো তোমাদের ৪র্থ সপ্তাহের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ২০২২ এর প্রশ্নগুলো দেখোনি তারা নিচের প্রশ্নের ছবি থেকে পড়ে নিতে পারো। আাজ আমরা তোমদের যে ৪র্থ সপ্তাহের ৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ সমাধান প্রদন করবো তা অনেক ছোট হবে। তোমরা অনলাইনে অনেক বড় বড় উত্তর দেখতে পাবে। আসলে তারা বই থেকে কপি পেস্ট করে লিখেছে। কিন্তু সেটা তোমরা লিখলে তোমদের এসাইনমেন্ট উত্তর খুব একটা ভালো হবেনা। তাই চলো আমরা প্রথমে ৪র্থ সপ্তাহের ৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ প্রশ্নগুলো দখে নিই। ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৪র্থ সপ্তাহের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ৪র্থ সপ্তাহের ৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট অ্যাসাইনমেন্ট নম্বরঃ ০২ অ্যাসাইনমেন্ট শিরোনামঃ ‘ সিন্ধু সভ্যতা ওয়ারী বটেশ্বর ও মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত নিদর্শনগুলো উন্নতমানের প্রাচীন এঁতিহ্যকে প্রদান করে ‘।   অ্যাসাইনমেন্ট শুরু ক) সিন্ধু সভ্যতাঃ সিন্ধু সভ্যতা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম নগর সভ্যতা | এ সভ্যতাটি খ্রিষ্টপূর্ব ২৭০০ অব্দে সিন্ধু, স্বরস্বতী, হাকরা ইত্যাদি নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল ।  সিন্ধু সভ্যতার বৈশিষ্ট্যঃ সিন্ধু সভ্যতার রয়েছে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য। নিচে তেমন কিছু বৈশিষ্ট্য লেখা হলো- পরিকক্সিত নগরায়নঃ সিন্ধু সভ্যতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো পরিকল্পিত নগরায়ন। কেননা সেখানকার একতলা ও দোতালা বাড়িগুলো ছিল খুব পরিকল্পিত । যেখানে চলাফেরা এবং পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থাও ছিল পরিকল্পিত বাণিজ্যকতাঃ সিন্ধু সভ্যতায় নিজেদের মধ্যে এবং বিদেশের সাথে বাণিজ্যের ব্যবস্থা ছিল। উন্নত সড়ক ব্যবস্থাঃ একটি উন্নত সড়ক ব্যবস্থার জন্য বিভিন্ন উপাদান প্রয়োজন। যেমন ড্রেন, সড়কবাতি, রাস্তার পাশের ডাস্টবিন ইত্যাদি । আর এসবই ছিল সিন্ধু সভ্যতার বৈশিষ্ট্য। আধুনিক কৃষিব্যবস্থাঃ কৃষকরা যেন তাদের শস্য ঠিকভাবে সংরক্ষণ করে রাখতে পারে বা বিপদের সময় শস্যের ঘাটতি না হয় সেজন্য সিন্ধু সভ্যতায় ছিল বিশাল শস্যাগার। খ) উন্নত নগর পরিকল্পনার সাথে সিন্ধু সভ্যতার সদুশ্যঃ উন্নত নগর পরিকল্পনার সাথে সিন্ধু সভ্যতার যেসব সদৃশ্যতা আছে নিচে লেখা হলো- বর্তমান নগর পরিকল্পনায় যেমন সর্বত্র গোসল করার জন্য সুইমিংপুলের ব্যবস্থা আছে তেমনি সিন্ধু সভ্যতায় ছিল বিশাল আকারের গোসলখানা। বর্তমান নগর পরিকল্পনায় যেমন ময়লা ফেলার জন্য কিছুদূর পরপর ডাস্টবিন থাকে তেমনি তখনও ডাস্টবিন ছিল। বর্তমান নগর পরিকল্পনায় রাস্তার মানুষ যেন ঠিকভাবে ও নিরাপদে চলাচল করতে পারে সেজন্য সড়ক বাতি থাকে তেমনি সিন্ধু সভ্যতায় রাস্তার পাশে সড়ক বাতি ছিল। গৃহস্থালি পানি এবং বর্ষার পানি বাড়ি ও রাস্তা হতে যেন সহজেই নেমে যেতে পারে সেজন্য বর্তমান সময়ের মত সিন্ধু সভ্যতায় উন্নত ড্রেনের ব্যবস্থা ছিল। গ) উয়ারী-বটেশ্বর ও মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত নিদর্শনগুলো উন্নত এঁতিহ্যের প্রমাণঃ উয়ারী-বটেশ্বর ও মহাস্থানগড় বাংলাদেশের প্রাচীন নগর সভ্যতা। ফলে এ দুটি স্থান হতে প্রাপ্ত নিদর্শনগুলো আমাদের এঁতিহ্যকে তুলে ধরে । এ দুটি জায়গায় প্রাপ্ত নিদর্শনগুলোর মধ্যে আছে মূল্যবান পাথর, মুদ্রা, শিল্পকর্ম, ইট নির্মিত স্থাপত্য, দুর্গ ইত্যাদি যা সেসময়ে সব জায়গায় সমানভাবে সমাদৃত হত । এমনি এসব নির্দশন দেখতে অনেক মানুষ সেসব জায়গায় যায় । আর মানুষ তখনই কোন কিছু দেখতে বা জ্ঞান আহোরণ করতে যায় যা ব্যক্তির নিকট অর্থবহ হয় । তাই অবশ্যই বলা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ও মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত নিদর্শনগুলো উন্নত এঁতিহ্যের প্রমাণ করে। অ্যাসাইনমেন্ট শেষ আরো পড়ুনঃ  সকল শ্রেণির সকল বিষয় একসাথে ষষ্ঠ/৬ষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ সপ্তম/৭ম শ্রেণির ইংরেজি ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ অষ্টম/৮ম শ্রেণির ইংরেজি ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ ষষ্ঠ/৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ সপ্তম/৭ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ অষ্টম/৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ নবম/৯ম শ্রেণির গণিত ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ দশম/১০ম শ্রেণির গণিত ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ নবম/৯ম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ দশম/১০ম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ নবম/৯ম শ্রেণির হিসাববিজ্ঞান ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ দশম/১০ম শ্রেণির হিসাববিজ্ঞান ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ নবম/৯ম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ দশম/১০ম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২  

৪র্থ সপ্তাহের ৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ সমাধান Read More »

৬ষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ইংরেজি ৪র্থ সপ্তাহ ২০২২ উত্তর

৬ষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ইংরেজি ৪র্থ সপ্তাহ ২০২২ উত্তর

৬ষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ইংরেজি ৪র্থ সপ্তাহ ২০২২ সকল শিক্ষার্থীদের স্বাগতম। আজকে তোমাদের চতুর্থ সপ্তাহের ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট 2022 এর নমুনা উত্তর দেওয়া হবে। তোমরা যারা ষষ্ঠ শ্রেণীতে বড় তাদের জন্য আজকের অ্যাসাইনমেন্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। ৬ষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ইংরেজি ৪র্থ সপ্তাহ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা নিশ্চয় তোমাদের চতুর্থ সপ্তাহের ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন গুলো দেখনি। আজকের অ্যাসাইন্মেন্টা এমনই যে প্রশ্নগুলো তোমাকে পড়তেই হবে। তো চলো শিক্ষার্থী বন্ধুরা আগে প্রশ্ন গুলো পড়ে নিই তারপরে কিছু টিপস দেওয়া হবে যেগুলো অবশ্যই তোমরা করবে। ৬ষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ প্রশ্ন Assignment No: 2 Assignment (With Title): Paper presentation on 4 beautiful/ historical places in my district. (word limit: 200 words) Learning Outcomes/ Content: Students will be able to- describe pictures and places. write short paragraphs. Guidelines for Writing Assignment (Steps/Scopes/Cues): Discuss with your family members the most beautiful/ historical places in your district. Now, take 4 pieces of A4-sized papers and make 4 separate paper presentations on the 4 most beautiful/ historical places of your district. Collect each of the pictures from the internet/the newspaper or sketch those pictures by yourself. To prepare each paper, Stick the picture on the top Write the name of the place writes a paragraph about the place. Each paragraph will contain no more than 50 words. In your paragraph, you have to mention location & Why it’s famous for   উপরের প্রশ্নগুলোর পড়ে তোমরা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছ যে তোমাদের কি করতে হবে। মূলত ৪র্থ সপ্তাহের ষষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট তোমাদের নিজ জেলার চারটি সুন্দর জায়গা অথবা ইতিহাস বিখ্যাত জায়গার ছবি এবং তার সাথে সামান্য কিছু বর্ণনা দিয়ে ২০০ শব্দের একটি অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে হবে। তোমরা যেহেতু কোন জেলার আমি নিজে জানি না। এবং ৬৪ জেলার শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা করে ৬৪ টা অ্যাসাইনমেন্ট লেখা সম্ভব নয়। তাই তোমাদের কিছু টিপস দিয়ে দিব যা নিচের ভিডিওতে দেওয়া হবে ভিডিওটি দেখলে তোমরা নিজেরাই অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে পারবে। N.B- তোমাদের নিজ জেলার জন্য অ্যাসাইনমেন্টটি লিখতে নিচের ভিডিওটি দেখ। ৬ষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ইংরেজি ৪র্থ সপ্তাহ ২০২২   অ্যাসাইনমেন্ট শুরু Assignment Title: 4 historical places in my district No:1 Mujibnagar Complex Overview: Mujibnagar is historically a very important place for the swearing in of the first Provisional Government of Bangladesh Which is located at Mojibnagar Upozilla in Meherpur District. A memorial has been erected at the site of the swearing-in to commemorate the swearing-in. This complex has a mural commemorating the events of the Liberation War. No-2 Amjhupi Nilkuthi   Overview: Amjhupi Nilkuthi is located at Meherpur Sadar Upozilla in Meherpur District. Meherpur has a long history of indigo cultivation and indigo planters. John Phillips’s book on indigo cultivation, published in 1935, states that Louis Banno or Bonard, a Frenchman, started the first indigo cultivation in Bangladesh. Amjhupi Nilkuthi was established in 1815 or later. No-3 Vatpara Kuthi Overview: Vatpara Kuthi is located at Vatpara village in Meherpur district. It Destroyed in 1859, this indigo factory was built by brick, lime-shurki. Its roof is made of iron beams and brick tiles. The river Kajla flows by the side of this factory. No-4 Meherpur Shaheed Memorial Overview: A memorial has been constructed near the Meherpur Municipal Cemetery to commemorate the heroic freedom fighters and those who were brutally killed by Pakistani soldiers in 1971. Here every year on the day of great independence and victory they are remembered with respect by laying wreaths. অ্যাসাইনমেন্ট শেষ তোমাদের নিজেদের জেলার জন্য কিভাবে লিখবে তা নিচের ভিডিওতে বর্ণনা করা হলো।   আরো পড়ুনঃ  সকল শ্রেণির সকল বিষয় একসাথে ষষ্ঠ/৬ষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ সপ্তম/৭ম শ্রেণির ইংরেজি ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ অষ্টম/৮ম শ্রেণির ইংরেজি ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ ষষ্ঠ/৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ সপ্তম/৭ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ অষ্টম/৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ নবম/৯ম শ্রেণির গণিত ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ দশম/১০ম শ্রেণির গণিত ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ নবম/৯ম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ দশম/১০ম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ নবম/৯ম শ্রেণির হিসাববিজ্ঞান ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ দশম/১০ম শ্রেণির হিসাববিজ্ঞান ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ নবম/৯ম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ দশম/১০ম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৪র্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ ছবি ও লেখা মেহেরপর জেলার সাইট থেকে নেওয়া হয়েছে।  

৬ষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ইংরেজি ৪র্থ সপ্তাহ ২০২২ উত্তর Read More »

৬ষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৬ষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৬ষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ পোস্টে সবাইকে স্বাগতম। আজকে আমরা ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট তৃতীয় সপ্তাহ উত্তর দেখব। ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা ইউটিউব ও গুগল থেকে সার্চ করে তোমাদের অ্যাসাইনমেন্ট গুলো লিখে থাকো। তোমরা নিশ্চয়ই এর আগেও আমাদের সাইটে ভিজিট করেছে। আমরা তোমাদের ২০২১ সাল থেকে সকল অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর প্রদান করে আসছি। এবং সব থেকে ভালো মানের অ্যাসাইনমেন্ট এর নমুনা উত্তর আমরা প্রদান করি। তৃতীয় সপ্তাহের বিজ্ঞান ষষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্টটি খুব সংক্ষেপে লিখে দেওয়ার আমরা চেষ্টা করেছি। সেই চেষ্টার ফল স্বরূপ আজকের এই ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২। ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা একটা ভুল করে থাকো সেটা হচ্ছে প্রশ্ন না দেখে তোমরা উত্তর লেখা শুরু করে দাও। এটা নিশ্চয়ই ঠিক না। বরাবরের মতোই তোমাদের অনুরোধ করবো তোমরা প্রশ্ন গুলো ভালো করে পড়বে এবং নমুনা উত্তর গুলো দেখে নিজেরা লেখার চেষ্টা করবে একান্তই যদি না পারো তবে সে ক্ষেত্রে তোমরা অনলাইন থেকে উত্তর কপি করতে পারো। ষষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট তৃতীয় সপ্তাহ বিজ্ঞান প্রশ্ন উপরের প্রশ্ন গুলো দেখে তোমরা কি বুঝতে পারলে তোমরা কি অ্যাসাইনমেন্টটা নিজে নিজে লিখতে পারবে। যদি না লিখতে পারো তবে আজকের নমুনা উত্তরটি দেখে তোমরা নিজেদের মতো করে উত্তরটি লেখ।যদি না লিখতে পারো তবে আজকের নমুনা উত্তরটি দেখে তোমরা নিজেদের মতো করে উত্তরটি লিখতে পারবে। তো চলো ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমরা তৃতীয় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট ষষ্ঠ শ্রেণি দেখে নিই। ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ সমাধান অ্যাসাইনমেন্ট শুরু অ্যাসাইনমেন্ট শেষ আরো পড়ুনঃ সকল শ্রেণির সকল অ্যাসাইনমেন্ট দেখুন ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৮ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৮ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ব্যসসায় ‍উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ব্যসসায় ‍উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

৬ষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ Read More »

ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ পোস্টে সবাইকে স্বাগতম। সকলকে স্বাগতম আজকে আমরা ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা তৃতীয় সপ্তাহ দেখবো। ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ প্রিয় ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা জানো মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর তোমাদের তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন গুলো প্রকাশ করেছে। সেই প্রশ্নের আলোকে তোমাদের আজকে বাংলা এসাইনমেন্ট তৃতীয় সপ্তাহ ২০২২ এর নমুনা উত্তর প্রদান করা হবে। ষষ্ঠ শ্রেণির তৃতীয় সপ্তাহ বাংলা এসাইনমেন্ট ২০২২ এর উত্তর প্রত্যাশী শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা যদি তৃতীয় সপ্তাহের প্রশ্ন গুলো না দেখে থাকো তবে নিচে দেওয়া ছবিটি থেকে তোমাদের তৃতীয় সপ্তাহ বাংলা প্রশ্ন গুলো দেখে নাও। ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ উত্তর অ্যাসাইনমেন্ট শুরু অ্যাসাইনমেন্ট শেষ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমরা উপরে তোমাদের তৃতীয় সপ্তাহের যে বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর গুলো দেখলে সেগুলো তোমাদের খাতায় যথাযথভাবে লিখলে তোমরা সম্পূর্ণ নাম্বার পাবে বলে আমরা আশাবাদী। সকল সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর গুলো পেতে আমাদের নিচের পেজটি তোমরা লাইক দিবে এবং আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করবে। আরো পড়ুনঃ ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৮ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৭ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৮ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ব্যসসায় ‍উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ব্যসসায় ‍উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের রসায়ন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ৯ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ১০ম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২   রিলেটেড কি ওয়ার্ড ষষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর ইংরেজি ৩য় সপ্তাহ ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা ১ম সপ্তাহ ষষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর গণিত ২০২১ ষষ্ঠ শ্রেণির গণিত অ্যাসাইনমেন্ট উওর ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বিজ্ঞান ষষ্ঠ শ্রেণির প্রথম অধ্যায়ের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট

ষষ্ঠ শ্রেণির ৩য় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ Read More »

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ২য় প্রবন্ধ রচনা

প্রবন্ধ রচনা য় প্রবন্ধ কী : ‘প্রবন্ধ’ শব্দের অর্থ প্রকৃষ্ট বন্ধন। প্রকৃতপক্ষে ভাব ও ভাষার বন্ধন। কোনো একটি বিষয়কে ভাব ও চিন্তার মধ্য দিয়ে ভাষায় প্রাণবন্ত করে প্রকাশ করাই হচ্ছে প্রবন্ধ। য় প্রবন্ধের প্রকারভেদ : বিষয়ভেদে প্রবন্ধকে প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথাÑ ১. বর্ণনামূলক; ২. ঘটনামূলক; ও ৩. চিন্তামূলক। য় প্রবন্ধের বিভিন্ন অংশ : প্রবন্ধের সাধারণত তিনটি অংশ। যথাÑ ১। ভ‚মিকা, ২। মূল অংশ ও ৩। উপসংহার। ১। ভ‚মিকা : প্রবন্ধের প্রারম্ভিক প্রস্তাবনা বা ভ‚মিকা অংশ প্রবন্ধের আলোচ্য বিষয়ে প্রবেশের দরজা। সূচনা-পর্বটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য ভ‚মিকা অংশের ওপর মূল বিষয়গত ভাবের প্রতিফলন এমনভাবে হওয়া দরকার যাতে প্রবন্ধের মূল বিষয়ে উত্তরণের দ্বার তো খুলে যাবেই, সেই সঙ্গে বিষয়টি হৃদয়গ্রাহী হয়ে পাঠকের কাছে আকর্ষণীয় হবে। ভ‚মিকা যাতে অপ্রাসঙ্গিক ও অনাবশ্যক বাগ্বাহুল্য-দোষে দুষ্ট না হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। ২। মূল অংশ : ভ‚মিকার পরে প্রবন্ধের মূল বিষয়ের আলোচনা শুরু হয়। মূল বক্তব্য পরিবেশনের আগে বিষয়টিকে প্রয়োজনীয় সংকেত (ঢ়ড়রহঃং)-এ ভাগ করে নিতে হয়। সংকেত-সূত্রের পরম্পরা রক্ষা করে প্রবন্ধের অবয়বকে সুসংহতভাবে গড়ে তুলতে হয়। প্রতিটি সংকেতের কতখানি বিস্তার হবে তা তার প্রকাশের পূর্ণতার ওপর নির্ভরশীল। কাজেই আয়তনগত পরিমাপ নির্দিষ্ট নেই। প্রতিটি সংকেতের ওপর প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করতে হয়। ৩। উপসংহার : প্রবন্ধের সর্বশেষ অংশ উপসংহার। সূচনার মতো সমাপ্তিরও আছে সমান গুরুত্ব। প্রবন্ধের ভাববস্তু ভ‚মিকার উৎস থেকে ক্রমাগ্রগতি ও ক্রমবিকাশের ধারা বহন করে উপসংহারে এসে একটি ভাবব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে সমাপ্তির ছেদ-রেখা টানে। এখানে লেখকের ব্যক্তিগত অভিমত প্রকাশের যথেষ্ট অবকাশ থাকে। উপসংহারে লেখক একদিকে যেমন আলোচনার সিদ্ধান্তে উপনীত হয়, অন্যদিকে তেমনি লেখকের নিজস্ব অভিমতের কিংবা আশা-আকাক্সক্ষার সার্থক প্রতিফলনও ঘটে। য় প্রবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে যা যা মনে রাখা প্রয়োজন : প্রবন্ধ রচনার সময় কিছু নিয়মকানুন অনুসরণ করা প্রয়োজন। তাহলে প্রবন্ধের মান বৃদ্ধি পায় এবং পরীক্ষায় অধিক নম্বর পাওয়া যায়। এক্ষেত্রেÑ ১. প্রবন্ধের বিষয় সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে। ২. চিন্তাপ্রসূত ভাবগুলো অবশ্যই ধারাবাহিকভাবে সাজাতে হবে। ৩. প্রতিটি ভাব উপস্থাপন করতে হবে পৃথক অনুচ্ছেদে। ৪. একই ভাব, তথ্য বা বক্তব্য বারবার উল্লেখ করা যাবে না। ৫. রচনার ভাষা হতে হবে সহজ, সরল ও প্রাঞ্জল। ৬. উপস্থাপিত তথ্যাবলি অবশ্যই নির্ভুল হতে হবে। ৭. বড় ও জটিল বাক্য যতটা সম্ভব পরিহার করতে হবে। ৮. নির্ভুল বানানে লিখতে হবে। ৯. সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ ঘটানো যাবে না। ১০. উপসংহারে সুচিন্তিত নিজস্ব মতামত উপস্থাপন করতে হবে। বাংলাদেশের ষড়ঋতু [চ. বো. ১৫, ব. বো. ১১, সি. বো. ১১] সূচনা : সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা অপরূপ নিসর্গের লীলাভ‚মি আমাদের এই বাংলাদেশ। ঋতুচক্রের আবর্তে এখানে চলে প্রকৃতির রং বদলের খেলা। নতুন নতুন রং-রেখায় প্রকৃতি আলপনা আঁকে মাটির বুকে, আকাশের গায়ে, মানুষের মনে। তাই ঋতু বদলের সাথে সাথে এখানে জীবনেরও রং বদল হয়। ষড়ঋতুর পরিচয় : বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। ঋতুগুলো হচ্ছেÑ গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। এই ঋতুগুলো প্রতি দুই-মাস অন্তর চμাকারে আবর্তিত হয়। ঋতুর এই পালাবদলের সাথে সাথে বাংলাদেশের প্রকৃতির রূপ ও সৌন্দর্য বৈচিত্র্যময় হয়ে ওঠে। গ্রীষ্মকাল : ঋতুচμের শুরুতেই আগুনের মশাল হাতে মাঠ-ঘাট পোড়াতে পোড়াতে গ্রীষ্মরাজের আগমন। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ এই দুই মাস গ্রীষ্মের রুক্ষতায় প্রকৃতির শ্যামল-স্নিগ্ধ রূপ হারিয়ে যায়। খাল-বিল, নদী-নালা শুকিয়ে যায়। অসহ্য গরমে সমস্ত প্রাণিকুল একটু শীতল পানি ও ছায়ার জন্য কাতর হয়ে পড়ে। এরই মধ্যে কখনো হঠাৎ শুরু হয় কালবোশেখির দুরন্ত তাণ্ডব। সেই তাণ্ডবে গাছপালা ঘরবাড়ি ভেঙেচুরে তছনছ হয়ে যায়। তবে গ্রীষ্ম শুধু পোড়ায় না, অকৃপণ হাতে দান করে আম, জাম, জামরুল, লিচু, তরমুজ ও নারকেলের মতো অমৃত ফল। বর্ষাকাল : গ্রীষ্মের রুক্ষতাকে বৃষ্টির জলে ধুয়ে দিতে মহাসমারোহে বর্ষা আসে। আষাঢ়-শ্রাবণ দুই মাস বর্ষাকাল। মেঘের গুরুগম্ভীর গর্জনে প্রকৃতি থেমে থেমে শিউরে ওঠে। শুরু হয় মুষলধারায় বৃষ্টি। মাঠ-ঘাট পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। প্রকৃতিতে দেখা দেয় মনোরম সজীবতা। জনজীবনে ফিরে আসে প্রশান্তি। গাছে গাছে ফোটে কদম, কেয়া, জুঁই। প্রকৃতি এক মনোরম স্নিগ্ধ সৌন্দর্যে ভরে ওঠে। তাই তো কবি বর্ষার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে বলেছেনÑ “বাদলের ধারা ঝরে ঝর ঝর আউশের ক্ষেত জলে ভর ভর কালিমাখা মেঘ ওপারে আঁধার ঘনিয়াছে দেখ চাহি রে।” শরৎকাল : বাতাসে শিউলি ফুলের সুবাস ছড়িয়ে আসে ঋতুর রানি শরৎ। ভাদ্র-আশ্বিন দুই মাস শরৎকাল। এ সময় শুভ্র জ্যোৎস্না আর সুরভিত ফুলের সুষমা মনকে উচাটন করে তোলে। নদীর তীরে তীরে বসে সাদা কাশফুলের মেলা। বিকেলবেলা মালা গেঁথে উড়ে চলে সাদা বকের সারি। সবুজ ঢেউয়ের দোলায় দুলে ওঠে ধানের খেত। শাপলার হাসিতে বিলের জল ঝলমল ঝলমল করে। তাই শরতের শোভাময় প্রকৃতিতে মুগ্ধ হয়ে কবি বলেছেনÑ আজিকে তোমার মধুর মুরতি হেরিনু শারদ প্রভাতে। হে মাতঃ বঙ্গ, শ্যামল অঙ্গ ঝলিছে অমল শোভাতে। হেমন্তকাল : ঘরে ঘরে নবান্নের উৎসবের আনন্দ নিয়ে আগমন ঘটে হেমন্তের। কার্তিক-অগ্রহায়ণ দুই মাস হেমন্তকাল। প্রকৃতিতে হেমন্তের রূপ হলুদ। সর্ষে ফুলে ছেয়ে যায় মাঠের বুক। মাঠে মাঠে পাকা ধান। কৃষক ব্যস্ত হয়ে পড়ে ফসল কাটার কাজে। সোনালি ধানে কৃষকের গোলা ভরে ওঠে, মুখে ফোটে আনন্দের হাসি। শুরু হয় নবান্নের উৎসব। হেমন্ত আসে নীরবে; আবার শীতের কুয়াশার আড়ালে গোপনে হারিয়ে যায়। শীতকাল : কুয়াশার মলিন চাদর গায়ে উত্তুরে হাওয়া সাথে নিয়ে আসে শীত। পৌষ-মাঘ দুই মাস শীতকাল। শীত রিক্ততার ঋতু। কনকনে শীতের দাপটে মানুষ ও প্রকৃতি অসহায় হয়ে পড়ে। তবে রকমারি শাকসবজি, ফল ও ফুলের সমারোহে বিষণœ প্রকৃতি ভরে ওঠে। বাতাসে ভাসে খেজুর রসের ঘ্রাণ। ক্ষীর, পায়েস আর পিঠাপুলির উৎসবে মাতোয়ারা হয় গ্রামবাংলা। তাই তো কবি বলেছেনÑ “পৌষ পার্বণে পিঠা খেতে বসে খুশিতে বিষম খেয়ে, আরও উল্লাস বেড়েছে মনে মায়ের বকুনি খেয়ে।” বসন্তকাল : বাংলাদেশে ঋতুচক্রের সবশেষে আসে ঋতুরাজ বসন্ত। ফাল্গুন-চৈত্র দুই মাস বসন্তকাল। বসন্ত নিয়ে আসে সবুজের সমারোহ। বাতাসে মৌ মৌ ফুলের সুবাস। গাছে গাছে কোকিল-পাপিয়ার সুমধুর গান। দখিনা বাতাস বুলিয়ে দেয় শীতল পরশ। মানুষের প্রাণে বেজে ওঠে মিলনের সুর। আনন্দে আত্মহারা কবি গেয়ে ওঠেনÑ আহা আজি এ বসন্তে এত ফুল ফোটে, এত বাঁশি বাজে এত পাখি গায়। উপসংহার : বাংলাদেশে ষড়ঋতুর এই লীলা অবিরাম চলছে। প্রতিটি ঋতু প্রকৃতিতে রূপ-রসের বিভিন্ন সম্ভার নিয়ে আপন বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল। তার প্রভাব পড়ে বাংলার মানুষের মনে। বিচিত্র ষড়ঋতুর প্রভাবেই বাংলাদেশের মানুষের মন উদার ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ। আমাদের দেশ সূচনা : সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশ। সবুজে ঘেরা, পাখি ডাকা দেশটির রূপের কোনো শেষ নেই। কবির দেশ, বীরের দেশ, গানের দেশ, মায়ের দেশ- এ রকম অনেক নামে এ দেশকে ডাকা হয়। দেশের অবারিত ফসলের ক্ষেত, মাঠ-ঘাট, প্রকৃতি প্রভৃতির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তাই কবি গেয়ে উঠেছেনÑ “এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভ‚মি।” অবস্থান ও আয়তন : বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন দেশ। এর সীমান্তের অধিকাংশ জুড়ে রয়েছে ভারত। আর দক্ষিণ-পূর্বের সামান্য অংশে মিয়ানমার এবং দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগর। এ দেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার। স্বাধীনতা লাভ : ১৯৭১ সালে

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ২য় প্রবন্ধ রচনা Read More »

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ২য় ভাব-সম্প্রসারণ

ভাব-সম্প্রসারণ কবি-সাহিত্যিকদের লেখায় কখনো কোনো একটি বাক্যে বা কবিতার এক বা একাধিক চরণে গভীর কোনো ভাব নিহিত থাকে। সেই ভাবকে বিস্তারিতভাবে লেখা, বিশ্লেষণ করাকে ভাবস¤প্রসারণ বলে। যে ভাবটি কবিতার চরণে বা বাক্যে প্রচ্ছন্নভাবে থাকে, তাকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করতে হয়। সাধারণত সমাজ বা মানবজীবনের মহৎ কোনো আদর্শ বা বৈশিষ্ট্য, নীতি-নৈতিকতা, প্রেরণামূলক কোনো বিষয় যে পাঠে বা বাক্যে বা চরণে থাকে, তার ভাবস¤প্রসারণ করা হয়। ভাবস¤প্রসারণের ক্ষেত্রে রূপকের আড়ালে বা প্রতীকের ভেতর দিয়ে যে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়, তাকে যুক্তি, উপমা, উদাহরণ ইত্যাদির সাহায্যে বিশ্লেষণ করতে হয়। ভাবস¤প্রসারণ করার ক্ষেত্রে যেসব দিক বিশেষভাবে খেয়াল রাখা প্রয়োজন : ১. উদ্ধৃত অংশটুকু মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। ২. অন্তর্নিহিত ভাবটি বোঝার চেষ্টা করতে হবে। ৩. অন্তর্নিহিত ভাবটি কোনো উপমা-রূপকের আড়ালে নিহিত আছে কি না, তা চিন্তা করতে হবে। ৪. সহজ-সরলভাবে মূল ভাবটিকে ফুটিয়ে তুলতে হবে। ৫. মূল বক্তব্যকে প্রকাশরূপ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনে যুক্তি উপস্থাপন করতে হবে। ৬. বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ৭. বক্তব্য সাধারণত বিশ থেকে পঁচিশ লাইনের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। পাপকে ঘৃণা কর পাপীকে নয়। [ব. বো. ১৪] মূলভাব : প্রতিটি মানুষই নিষ্পাপ হয়ে পৃথিবীতে আসে। জন্মের সময় কোনো মানব শিশুর গায়ে পাপ-পঙ্কিলতার চিহ্ন থাকে না। অর্থাৎ, মানুষ জন্মসূত্রে পাপী হয় না; বরং পরিবেশ তাকে ক্রমে ক্রমে পাপীতে রূপান্তরিত করে। স¤প্রসারিত ভাব : বিংশ শতাব্দীর এ সভ্যতার যুগে ক্রমেই বাড়ছে খুন, রাহাজানি, ছিনতাই, ধর্ষণের মতো অনৈতিক এবং অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা। কেউ লোভে পড়ে, কেউ জীবিকার তাগিদে আর কেউ বা সঙ্গদোষে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। সমাজের কুচক্রীমহল বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে অন্যায় কর্মকাণ্ডে নিযুক্ত করছে প্রতিনিয়ত। এভাবেই ধীরে ধীরে একজন মানুষ হয়ে উঠছে দাগী আসামি কিংবা অপরাধী। কিন্তু তার জন্মের সময় সে আর দশজনের মতোই নিষ্পাপ ছিল। পৃথিবীর বুকে বেড়ে উঠতে গিয়ে নানা প্রতিক‚ল পরিবেশের সংস্পর্শেই মানুষ পাপাচারে প্রবৃত্ত হয়। স্বেচ্ছায় কেউ পাপী হয় না। বৈরী পরিবেশে, অসৎ সঙ্গ, জীবিকার তাগিদ কিংবা অন্য কোনো কারণেই মানুষ পাপপথ বেছে নিতে বাধ্য হয়। মানুষের ইন্দ্রিয় সংযত না থাকলেই মানুষ পাপ-পুণ্যের ব্যবধান করতে ব্যর্থ হয়ে পড়ে। মানুষ হিসেবে প্রত্যেককেই অন্যের প্রতি সহানুভ‚তিশীল থাকতে হবে। পাপ কর্মকে ঘৃণা করা প্রতিটি মানুষের পরম কর্তব্য ও পবিত্র দায়িত্ব। কিন্তু যে পাপী তাকে সমাজের এককোণে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া মহৎপ্রাণ মানুষের কাজ নয়। তারাও মানুষ এবং আমাদের বৃহত্তর সমাজেরই অংশ। তাই তাদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করা অবিবেচকের কাজ। তাদেরকে ভালোবাসা দিয়ে তাদের স্বভাবের পরিবর্তন ঘটাতে হবে। তবেই সমাজে হবে চির কল্যাণ ও মঙ্গলের জয়যাত্রা। মন্তব্য : সমাজে নানা ধরনের মানুষ বাস করে। সবাইকে নিয়েই গঠিত হয় সমাজ। এদের মধ্যে যারা পাপকর্মে প্রবৃত্ত হয় তাদের কর্মকে দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। তবে মমতা ও ভালোবাসা দিয়ে চেষ্টা করতে হবে পাপীকে সংশোধন করার। পাপকে ঘৃণা করলেও পাপীকে ঘৃণা করা উচিত নয়। অর্থই অনর্থের মূল। [য. বো. ০৯] মূলভাব : পার্থিব জীবনে মানুষের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি অর্থ। তাই অর্থ মানুষের নিয়ন্ত্রণাধীন, তথা অর্থকে সে পরিচালিত করে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষ যখন অর্থের কাছে জিম্মি হয়ে অর্থের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, তখনই জগৎসংসারে অর্থ অনর্থের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স¤প্রসারিত ভাব : জীবনধারণের জন্য অর্থ অপরিহার্য। পার্থিব জীবনে অর্থ বা বিত্তই মানুষের একান্ত কামনা। মানুষ তার কাক্সিক্ষত অর্থ উপার্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে এবং নানা প্রতিকূল অবস্থার মোকাবেলা করে। অর্থ মানুষের আজীবন প্রয়োজন মেটায় বলে অর্থ ছাড়া জীবন অর্থহীন বা মূল্যহীন বলে বিবেচিত হয়। তাই সারা জীবন মানুষ অর্থের পেছনে ছোটে। বর্তমান পৃথিবীতে একমাত্র অর্থের মাপকাঠিতেই প্রতিপত্তি ও সম্মান নির্ধারিত হয়। কী করে তাই অধিক অর্থ উপার্জন করা যায় তার জন্য মানুষের চেষ্টার অন্ত নেই। বিপদে-আপদে, উৎসবে-আনন্দে, জন্ম-মৃত্যুতে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই অর্থের প্রয়োজন। কিন্তু অর্থের অযাচিত ব্যবহার সুখ ও কল্যাণের বদলে অকল্যাণ বয়ে আনে। অর্থের লোভে নীতিবর্জিত হয়ে মানুষ অহরহ নানা দুষ্কর্মে লিপ্ত হয়। অন্যায় পথে অর্জিত অর্থ মানুষকে বিবেকহীন ও দাম্ভিক করে তোলে। অর্থের লালসা মানুষের নৈতিক অধঃপতন ঘটায়। অর্থের লোভেই চরিত্রহীন হয়ে মানুষ সমাজবিরোধী কাজে লিপ্ত হয়। পৃথিবীর সকল দ্ব›দ্ব-সংঘাত ও অশান্তির মূলে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকে অর্থ। অর্থ-সম্পদের স্বার্থেই রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে যুদ্ধের উন্মাদনা জাগে, শ্রমিকে-মালিকে হয় মতবিরোধ, ভাইয়ে-ভাইয়ে শুরু হয় চরম শত্রæতা। অর্থের লোভেই মানুষ মানুষকে খুন করে। তাই বলা যায়, জগতের সব অশান্তি ও অনর্থের মূলে রয়েছে অর্থ। মন্তব্য : সুষ্ঠু সমাজজীবন ও স্বাভাবিক জীবন অতিবাহিত করার জন্য অর্থের প্রয়োজন অনস্বীকার্য। কিন্তু অর্থ যেন অনর্থের মূল না হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। তাই অর্থ-সম্পদের ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহারই এর মর্যাদা বৃদ্ধি করে। অর্থসম্পত্তির বিনাশ আছে কিন্তু জ্ঞানসম্পদ কখনো বিনষ্ট হয় না। [কু. বো. ১৪] মূলভাব : পৃথিবীতে প্রতিটি বস্তুর ক্ষয় বা বিনাশ অনিবার্য। কিন্তু যে-সম্পদটির বিনাশ নেই বরং বিকাশ আছে তা হলো জ্ঞানসম্পদ। জ্ঞান অবিনাশী বলে একবার তা অর্জন করলে সারা জীবনের সম্পদ হিসেবে সঞ্চিত হয়। তাই জ্ঞানই মানুষের একান্ত নিজস্ব মহামূল্যবান সম্পদ। স¤প্রসারিত ভাব : মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অর্থের বিকল্প নেই। অর্থের জন্য মানুষ উদয়-অস্ত কঠোর পরিশ্রম করে। অর্থ দ্বারাই আমরা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে মানুষের অবস্থানকে নির্ণয় করে থাকি। কিন্তু এ অর্থসম্পদ কেবল মানুষের বাইরের দিকটিকেই প্রকাশ করে। অর্থ-সম্পদ যতই শক্তির অধিকারী হোক না কেন, জ্ঞানসম্পদের কাছে তা তুচ্ছ। সত্যিকারের জ্ঞানী ব্যক্তি বিত্তশালী লোকের চেয়ে অনেক বেশি ধনবান। বস্তুত অর্থ-সম্পদের কোনো স্থায়িত্ব নেই। আজকে রাজা, কালকে ফকির এ রকম দৃষ্টান্ত অনেক রয়েছে। বিত্তবানের ধনভাণ্ডার একসময়ে নিঃশেষ হয়ে আসে। কিন্তু বিদ্বানের জ্ঞানভাণ্ডার ক্রমশ সমৃদ্ধ হতে থাকে। সময়ের ব্যবধানে সে অধিকতর জ্ঞানী হতে থাকে। যিনি জ্ঞানী তিনি আমৃত্যু জ্ঞানরূপ সম্পদে সম্পদশালী। তাঁর জ্ঞানের ক্ষয় নেই। এমনকি মৃত্যুর পরেও তাঁর এই জ্ঞানের প্রাচুর্য পৃথিবীতে বিরাজ করে এবং জ্ঞানপিপাসুদের জ্ঞানতৃষ্ণা নিবারণ করে। এভাবেই জ্ঞানীরা মানুষের মনে অমরত্বের আসন লাভ করেন। তাই অর্থ-সম্পদে নয়, জ্ঞানসম্পদে সমৃদ্ধ ব্যক্তিগণই দেশ ও জাতির প্রকৃত সম্পদ, আর এ জন্যে অর্থসম্পদের মাপকাঠিতে নয়, বরং জ্ঞানসম্পদের মাপকাঠিতেই মানুষের মূল্যায়ন হওয়া উচিত। মন্তব্য : জ্ঞান অতুলনীয় সম্পদ। জীবনের মতোই এটি মহামূল্যবান। জ্ঞানার্জন ধনার্জনের চেয়েও মহত্তর। মানুষ তার স্বরূপকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত করতে পারে শুধু জ্ঞান আহরণের মধ্য দিয়েই। জাগ্রত করতে পারে নিজের ক্ষমতাকে, সহায় হতে পারে বিশ্বমানবতার। “স্বদেশের উপকারে নাই যার মন, কে বলে মানুষ তারে পশু সেই জন।” অথবা, স্বদেশের প্রতি যার ভক্তি, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা নেই সে পশুতুল্য। [কু. বো. ১৫, য. বো. ১৪, রা. বো. ১৪, চ. বো. ১৪, ব. বো. ১৪] মূলভাব : দেশপ্রেম ইমানের অঙ্গ। দেশের সেবায়, জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করা প্রতিটি নাগরিকের অবশ্য কর্তব্য। স¤প্রসারিত ভাব : প্রিয় স্বদেশ ঘিরেই মানুষের অন্তরে রচিত হয় নানা স্বপ্ন। দেশের গৌরবে মানুষ আনন্দে উদ্বেলিত হয়। আবার দেশের পরাজয়ে মানুষের অন্তরে নেমে আসে বেদনার ছায়া। একজন সচেতন মানুষ তার জন্মভ‚মিকে ভালো না বেসে

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ২য় ভাব-সম্প্রসারণ Read More »

Scroll to Top