চতুর্থ শ্রেণির গণিত অধ্যায় ৯ দশমিক ভগ্নাংশ অনুশীলনী প্রশ্নোউত্তর সহ এই নবম অধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত ও সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো। চতুর্থ শ্রেণির গণিত অধ্যায় ৯ দশমিক ভগ্নাংশ ৯.৪ অনুশীলনী-(১) প্রশ্ন ও উত্তর ১। কোনটি বড়? সম্পর্ক সূচক ( <, > বা = ) প্রতীকের সাহায্যে প্রকাশ কর : (১) ০.৪ ⬜০.৭ (৫) ৫/১০ ⬜০.৫ (২) ৫.৬ ⬜৬.৫ (৬) ০.৭⬜ ৩১০ (৩) ০.১ ⬜০ (৭) ০.১ ⬜১/১০ (৪) ১১ ⬜১.১ (৮) ১০/১০⬜ ১ সমাধানঃ নিয়ম- ১ : – প্রথমে সংখ্যারেখার মাধ্যমে নির্ণয় করতে হবে প্রদত্ত সংখ্যাদ্বয়ের কয়টি ০.১ রয়েছে। – এক্ষেত্রে ০.১ এর পরিমাণ হবে দশমিক ব্যতীত প্রদত্ত সংখ্যাদ্বয়ের সমান। – এরপর সংখ্যাদ্বয়ের মানের তুলনা করে সম্পর্ক সূচক প্রতীকের সাহায্যে নির্ণয় করা হয়। নিয়ম- ২ : – প্রথমে সংখ্যারেখার নির্ণয় করতে হবে প্রদত্ত সংখ্যাদ্বয়ের কয়টি ১১০ রয়েছে। – এক্ষেত্রে ১১০ এর পরিমাণ হবে দশমিক ব্যতীত সংখ্যাদ্বয়ের অথবা লবদ্বয়ের মানের পরিমাণের সমান। – এরপর সংখ্যাদ্বয়ের মানের তুলনা করে সম্পর্ক সূচক ( <, > বা = ) প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। (১) ০.৪ ⬜ ০.৭ সংখ্যা রেখা : ০.৪ সংখ্যাটি ৪টি ০.১ নিয়ে গঠিত। ০.৭ সংখ্যাটি ৭টি ০.১ নিয়ে গঠিত। ∴ ৭ > ৪ এখানে, ০.৭ সংখ্যাটি বড় সুতরাং, ০.৪ < ০.৭ উত্তর : ০.৭ বড়; ০.৪< ০.৭ ব্যাখ্যা ০.৪ ও ০.৭ সংখ্যাদ্বয়ে ০.১ এর পরিমাণ দশমিক ব্যতীত সংখ্যাদ্বয় ৪ ও ৭ এর সমান। ৪ ও ৭ এর মধ্যে ৭ এর মান বড়। তাই ৭ > ৪ বলে ০.৪ ০.৭ হয়েছে। (২) ৫.৬⬜ ৬.৫ সংখ্যা রেখা : ৫.৬ সংখ্যাটি ৫৬টি ০.১ নিয়ে গঠিত। ৬.৫ সংখ্যাটি ৬৫টি ০.১ নিয়ে গঠিত। ∴ ৫৬ < ৬৫ এখানে, ৬.৫ সংখ্যাটি বড় সুতরাং, ৫.৬< ৬.৫ উত্তর : ৬.৫ বড়; ৫.৬ <৬.৫। (৩) ০.১ ⬜০ সংখ্যারেখা : ০.১ সংখ্যাটি ১টি ০.১ নিয়ে গঠিত। ০ সংখ্যাটি ০টি ০.১ নিয়ে গঠিত। এখানে, ০.১ সংখ্যাটি বড় সুতরাং, ০.১ ০ উত্তর : ০.১ বড়; ০.১> ০ (৪) ১১⬜ ১.১ ১১ সংখ্যাটি ১১০টি ০.১ নিয়ে গঠিত। ১.১ সংখ্যাটি ১১টি ০.১ নিয়ে গঠিত। এখানে, ১১০ সংখ্যাটি বড় ∴ ১১০ > ১১ সুতরাং, ১১ >১.১ উত্তর : ১১ হলো বড়; ১১> ১.১। (৫) ৫/১০ ⬜০.৫ সংখ্যা রেখা : ৫/১০ সংখ্যাটি ৫টি ১/১০ নিয়ে গঠিত। ০.৫ সংখ্যাটি ৫টি ১/১০ নিয়ে গঠিত। এখানে, সংখ্যাদ্বয় সমান সুতরাং, ৫/১০= ০.৫ উত্তর : ৫/১০= ০.৫। (৬) ০.৭ ⬜৩/১০ সংখ্যা রেখা : ০.৭ সংখ্যাটি ৭টি ১১০ নিয়ে গঠিত। ৩১০ সংখ্যাটি ৩টি ১১০ নিয়ে গঠিত। ∴ ৭ > ৩ এখানে, ০.৭ সংখ্যাটি বড় সুতরাং, ০.৭> ৩/১০ উত্তর : ০.৭ >৩/১০ । (৭) ০.১⬜ ১/১০ সংখ্যা রেখা : ০.১ সংখ্যাটি ১টি ১/১০ নিয়ে গঠিত। ১/১০ সংখ্যাটি ১টি ১/১০ নিয়ে গঠিত। এখানে, সংখ্যাদ্বয় সমান সুতরাং, ০.১ =১/১০ উত্তর : ০.১= ১/১০ । (৮) ১০/১০ ⬜১ সংখ্যা রেখা : ১০/১০ সংখ্যাটি ১০টি ০.১ নিয়ে গঠিত। ১ সংখ্যাটি ১০টি ০.১ নিয়ে গঠিত। এখানে, সংখ্যাদ্বয় সমান সুতরাং, ১০/১০= ১ উত্তর : ১০/১০= ১। ২। যোগ এবং বিয়োগ কর : (১) ০.৬ + ০.৪ (৫) ০.৭ – ০.৪ (২) ০.৮ + ০.৫ (৬) ১ – ০.২ (৩) ০.৬ + ০.৭ (৭) ১.২ – ০.৩ (৪) ১.৮ + ০.২ (৮) ২ – ০.৪ যোগের নিয়ম : – প্রথমে গাণিতিক বাক্যের সংখ্যাদ্বয়ের প্রতিটি সংখ্যায় ০.১ এর পরিমাণ বের করতে হবে। – এরপর প্রদত্ত সংখ্যাদ্বয়ের ০.১ এর সর্বমোট পরিমাণ বের করতে হবে। সর্বমোট পরিমাণকে ০.১ দ্বারা গুণ করলে নির্ণেয় যোগফল পাওয়া যাবে। বিয়োগের নিয়ম : – প্রথমে গাণিতিক বাক্যের সংখ্যাদ্বয়ের প্রতিটি সংখ্যায় ০.১ এর পরিমাণ বের করতে হবে। – প্রদত্ত সংখ্যাদ্বয়ের ০.১ এর পরিমাণের পার্থক্য বের করতে হবে। পার্থক্যকে ০.১ দ্বারা গুণ করে নির্ণেয় বিয়োগফল পাওয়া যায়। (১) গাণিতিক বাক্যটি হলো : ০.৬ + ০.৪ হিসাবটি হলো : ০.৬ সংখ্যাটি ৬টি ০.১ এবং ০.৪ সংখ্যাটি ৪টি ০.১ নিয়ে গঠিত। সর্বমোট ০.১ রয়েছে (৬ + ৪)টি বা ১০টি। ∴ যোগফল ১০ × ০.১ = ১। উত্তর : ১। (২) গাণিতিক বাক্যটি হলো : ০.৮ + ০.৫ হিসাবটি হলো : ০.৮ সংখ্যাটি ৮টি ০.১ এবং ০.৫ সংখ্যাটি ৫টি ০.১ নিয়ে গঠিত। সর্বমোট ০.১ রয়েছে (৮ + ৫)টি বা ১৩টি। ∴ যোগফল ১৩ × ০.১ = ১.৩। উত্তর : ১.৩। (৩) গাণিতিক বাক্যটি হলো : ০.৬ + ০.৭ হিসাবটি হলো : ০.৬ সংখ্যাটি ৬টি ০.১ এবং ০.৭ সংখ্যাটি ৭টি ০.১ নিয়ে গঠিত। সর্বমোট (৬+৭)টি বা ১৩টি ০.১ রয়েছে। ∴ যোগফল ১৩ × ০.১ = ১.৩। উত্তর : ১.৩। (৪) গাণিতিক বাক্যটি হলো : ১.৮ + ০.২ হিসাবটি হলো : ১.৮ সংখ্যাটি ১৮টি ০.১ ও ০.২ সংখ্যাটি ২টি ০.১ নিয়ে গঠিত। সর্বমোট ০.১ রয়েছে (১৮ + ২)টি বা ২০টি। ∴যোগফল ২০ × ০.১ = ২.০। উত্তর : ২.০। (৫) গাণিতিক বাক্যটি হলো : ০.৭ – ০.৪ হিসাবটি হলো : (৭টি ০.১) – (৪টি ০.১)। অতএব, পার্থক্যটি হলো (৭ – ৪)টি বা ৩টি ০.১। ∴বিয়োগফল ৩ × ০.১ = ০.৩ উত্তর : ০.৩। (৬) গাণিতিক বাক্যটি হলো : ১ – ০.২ হিসাবটি হলো : (১০টি ০.১) – (২টি ০.১) অতএব, পার্থক্যটি হলো (১০ – ২)টি বা ৮টি ০.১। ∴ বিয়োগফল ৮ × ০.১ = ০.৮। উত্তর : ০.৮। (৭) গাণিতিক বাক্যটি হলো : ১.২ – ০.৩ হিসাবটি হলো : (১২টি ০.১) -(৩টি ০.১) অতএব, পার্থক্যটি হলো (১২ – ৩)টি বা ৯টি ০.১। ∴ বিয়োগফল ৯ × ০.১ = ০.৯। উত্তর : ০.৯। (৮) গাণিতিক বাক্যটি হলো : ২ – ০.৪ হিসাবটি হলো : (২০টি ০.১) -(৪টি ০.১) অতএব, পার্থক্যটি হলো (২০ – ৪)টি বা ১৬টি ০.১। ∴ বিয়োগফল ১৬ × ০.১ = ১.৬। উত্তর : ১.৬। ৩। উপরে নিচে হিসাব কর : (১) ১.২ + ৩.৬ ৪.৮ উত্তর : ৪.৮ (২) (৩) ২.৮ ৪.৭ + ১.৫ + ৩.৯ ৪.৩ ৮.৬ উত্তর : ৪.৩ উত্তর : ৮.৬ (৪) (৫) ৩.০ ৪.১ + ৬.৮ + ৩.৯ ৯.৮ ৮.০ উত্তর : ৯.৮ উত্তর : ৮.০ (৬) (৭) ৩.৪ ৫.০ – ১.৩ – ২ . ৮ ২.১ ২.২ উত্তর : ২.১ উত্তর : ২.২ (৮) (৯) (১০) ৭.৬ ৬.৩ ৯.১ – ১.৬