তৃতীয় শ্রেণির প্রাথমিক বিজ্ঞান

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ মাটি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ মাটি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ মাটি পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ মাটি >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই মানুষ তার জন্মের পর থেকে শুরু করে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাটির উপর নির্ভরশীল। গাছপালা, পশু-পাখি, স্কুল ও বাড়ি সবকিছুই মাটির উপর দাঁড়িয়ে আছে। পৃথিবীর প্রায় এক ভাগ মাটি এবং বাকি তিন ভাগ পানি। মাটিতে জন্মানো উদ্ভিদ থেকে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর খাদ্য আসে। মাটি হলো কতগুলো জীব ও জড় পদার্থের মিশ্রণ। অজৈব ও জৈব পদার্থ, পানি, বায়ু, খনিজ লবণ এবং ব্যাকটেরিয়া দ্বারা মাটি গঠিত। কণার আকার অনুযায়ী মাটি তিন প্রকার, যেমনÑ বেলে মাটি, দোআঁশ মাটি ও এঁটেল মাটি। বেলে মাটিতে তরমুজ, চিনাবাদাম, ফুটি, খিরা, শশা প্রভৃতি ভালো জন্মে। দোআঁশ মাটিতে ধান, গম, ভুট্টা, যব, পাট, আখ ইত্যাদি ভালো জন্মে। এছাড়া এঁটেল মাটি কাঁঠাল ও গজারি গাছের জন্য উপযোগী। অর্থাৎ মাটির ধরনের উপর ফসল চাষে বৈচিত্র্য ও সফলতা নির্ভর করে। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। (১) মাটি তিন ভাগে ভাগ করা যায়; এঁটেল মাটি, বেলে মাটি এবং —-। (২) যে মাটির কণা সবচেয়ে বড় তা হলো —-। (৩) যে মাটিতে বালু, কাদা এবং হিউমাস থাকে তাকে —- বলে। উত্তর : (১) দোআঁশ মাটি, (২) বেলে মাটি, (৩) দোআঁশ মাটি। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। (১) শিম এবং কাঁঠাল কোন মাটিতে ভালো জন্মায়? ক. বেলে মাটি খ. দোআঁশ মাটি চ গ. এঁটেল মাটি ঘ. লোনা মাটি (২) তরমুজ ও চিনাবাদাম কোন মাটিতে ভালো জন্মায়? ক. লোনা মাটি চ খ. বেলে মাটি গ. এঁটেল মাটি ঘ. দোআঁশ মাটি ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। (১) দোআঁশ মাটিতে ফসল ভালো জন্মায় কেন? উত্তর : দোআঁশ মাটিতে বালু, কাদা ও হিউমাস মিশে থাকে। বালু ও কাদা থাকার কারণে এ মাটি পানি এবং মাটির অন্যান্য উপাদান ধরে রাখতে পারে। এ মাটিতে পানি জমে না থাকলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে বায়ু থাকে। এসব কারণে দোআঁশ মাটিতে ফসল ভালো জন্মায়। (২) বেলে মাটির বৈশিষ্ট্যগুলো কী? উত্তর : বেলে মাটির বৈশিষ্ট্যগুলো হলোÑ ১) বেলে মাটি হালকা বাদামি থেকে হালকা ধূসর রঙের হয়। ২) এর কণাগুলো এঁটেল ও দোআঁশ মাটির কণার চেয়ে বড়। ৩) বালুকণার ফাঁকে প্রচুর বায়ু থাকে। ৪) মাটি শুকনা এবং হাতে ধরলে দানাময় লাগে। ৫) কণার ফাঁক দিয়ে পানির সাথে মাটির প্রয়োজনীয় উপাদন বের হয়ে যায়। (৩) দোআঁশ মাটি এবং এঁটেল মাটির মধ্যে দুইটি পার্থক্য লেখ। উত্তর : দোআঁশ মাটি এবং এঁটেল মাটির মধ্যে দুইটি পার্থক্য হলোÑ দোআঁশ মাটি এঁটেল মাটি ১) পানি ধারণ ক্ষমতা মাঝারি। ১) পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। ২) ধান, গম, ভুট্টা, যব, পাট ইত্যাদি ভালো জন্মে। ২) শিম ও কাঁঠাল ভালো জন্মে। ৪। বামপাশের শব্দের সঙ্গে ডানপাশের শব্দের মিল কর। এঁটেল মাটি হিউমাস বেলে মাটি তরমুজ দোআঁশ মাটি কাঁঠাল উদ্ভিদ ও প্রাণীর মরা-পচা অংশ ধান উত্তর : এঁটেল মাটি – কাঁঠাল। বেলে মাটি – তরমুজ। দোআঁশ মাটি – ধান। উদ্ভিদ ও প্রাণীর মরা-পচা অংশ – হিউমাস। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ : ১) হিউমাস হচ্ছে অজৈব পদার্থ। ২) বেলে মাটিতে বালিকণার ফাঁকে প্রচুর বায়ু থাকে। ৩) শুষ্ক মৌসুমে এঁটেল মাটিতে চাষ করা সহজ। ৪) মাটি হচ্ছে পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণ। ৫) এঁটেল মাটির রং কালো। ৬) বেলে মাটির কণা সবচেয়ে ছোট। ৭) উদ্ভিদ মাটিতে জন্মায়। ৮) উদ্ভিদ ও প্রাণীর মৃতদেহের পচা অংশ মাটিতে থাকে। ৯) এঁটেল মাটি হাতে ধরলে দানাময় লাগে। ১০) দোআঁশ মাটিতে বালি, কাদা এবং হিউমাস থাকে। উত্তর : ১) মি, ২) স, ৩) মি, ৪) স, ৫) মি, ৬) মি, ৭) স, ৮) স, ৯) মি, ১০) স। য় বামপাশের অংশের সাথে ডানপাশের অংশের মিল কর : ১) আখ বেলে মাটি ২) শশা এঁটেল মাটি ৩) ফুলদানি, বাটি, ঘটি ক্ষুদ্র জীব ৪) চর এলাকা দোআঁশ মাটি ৫) ব্যাকটেরিয়া বেলে মাটি উত্তর : ১) আখ – দোআঁশ মাটি। ২) শশা – বেলেমাটি। ৩) ফুলদানি, বাটি, ঘটি – এঁটেল মাটি। ৪) চর এলাকা – বেলেমাটি। ৫) ব্যাকটেরিয়া – ক্ষুদ্র জীব। >> শূন্যস্থান পূরণ কর : ১) আমরা —- উপর বসবাস করি। ২) মাটি হচ্ছে —- উপরিভাগের নরম আস্তরণ। ৩) মাটি —- ধরনের। ৪) এঁটেল মাটি সাধারণত —- রঙের হয়। ৫) বেলে মাটির কণাগুলো —- ও —- মাটির কণার চেয়ে বড়। ৬) দোআঁশ মাটি হাতে ধরলে —- এবং —- অনুভব হয়। ৭) উদ্ভিদ এবং প্রাণীর মৃতদেহ পচে —- তৈরি হয়। ৮) দোআঁশ মাটিতে বালু, —- এবং —- মিশে থাকে। ৯) —- কণার ফাঁক দিয়ে পানি তাড়াতাড়ি চলে যায়। ১০) বাংলাদেশের বেশির ভাগ এলাকা —- মাটি দিয়ে তৈরি। উত্তর : ১) মাটির, ২) পৃথিবীর, ৩) তিন, ৪) লালচে, ৫) এঁটেল, দোআঁশ, ৬) নরম, শুকনো, ৭) হিউমাস, ৮) কাদা, হিউমাস, ৯) বেলে মাটির, ১০) দোআঁশ। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. মাটি কী? উত্তর : মাটি হচ্ছে পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আস্তরণ। ২. উদ্ভিদ কোথায় জন্মায়? উত্তর : উদ্ভিদ মাটিতে জন্মায়। ৩. মাটি কয় ধরনের? উত্তর : মাটি তিন ধরনের। যথাÑ এঁটেল মাটি, দোআঁশ মাটি এবং বেলে মাটি। ৪. বেলে মাটির কণাগুলো কীরূপ? উত্তর : বেলে মাটির কণাগুলো এঁটেল ও দোআঁশ মাটির কণার চেয়ে বড়। ৫. দোআঁশ মাটিতে কী থাকে? উত্তর : দোআঁশ মাটিতে বালি, কাদা এবং হিউমাস থাকে। ৬. এঁটেল মাটিতে কোন ফসল ভালো জন্মে? উত্তর : এঁটেল মাটিতে শিম এবং কাঁঠাল ভালো জন্মে। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. শুকনো এঁটেল মাটি কীরূপ? এ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি কেন? শিম ও কাঁঠাল চাষে এ মাটির উপযোগিতা বর্ণনা কর। উত্তর : শুকনো এঁটেল মাটি মসৃণ। এঁটেল মাটির কণাগুলো সবচেয়ে ছোট এবং ঘন। এ কারণে এ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি। এঁটেল মাটিতে শিম ও কাঁঠালের ভালো ফলন হয়। এ মাটিতে উক্ত উদ্ভিদ দুটির বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় উপাদান যথেষ্ট পরিমাণ রয়েছে। তাছাড়া এ মাটিতে নানা উপাদান পানির সাথে মিশে অবস্থান করে। তাই শিম ও কাঁঠাল চাষে এ মাটি উপযোগী। ২. বাংলাদেশের বেশিরভাগ এলাকা কোন মাটি দিয়ে গঠিত? এ মাটির পানি ও অন্যান্য উপাদান ধরে রাখার কারণ বর্ণনা কর। এ মাটিতে জন্মানো পাঁচটি ফসলের নাম লেখ। উত্তর : বাংলাদেশের বেশির ভাগ এলাকা দোআঁশ মাটি দিয়ে গঠিত। দোআঁশ মাটিতে বালু, কাদা এবং হিউমাস মিশে থাকে। বালু ও কাদা থাকার কারণে এ মাটি পানি এবং মাটির অন্যান্য উপাদান ধরে রাখতে পারে কিন্তু পানি জমে থাকে না। দোআঁশ মাটিতে জন্মানো পাঁচটি ফসল হলোÑ ধান, গম, ভুট্টা,

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ মাটি Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ জীবনের জন্য পানি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ জীবনের জন্য পানি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ জীবনের জন্য পানি পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ জীবনের জন্য পানি >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই মানুষের বেঁচে থাকার জন্য পানি আবশ্যক। পানি ছাড়া মানুষ কেন, কোনো জীবই বাঁচতে পারে না। পান করা থেকে শুরু করে গোসল করা, থালাবাসন ধোয়া, কাপড়-চোপড় ধোয়া, চাষাবাদ করাসহ সকল কাজে পানি প্রয়োজন। এসবের মধ্যে পান ও আহারের জন্য আমরা নিরাপদ পানি ব্যবহার করি বা অনিরাপদ পানি ফুটিয়ে অথবা শোধন করে ব্যবহার করি। আর অন্যান্য সাধারণ কাজে আমরা বিভিন্ন উৎসের পানি ব্যবহার করে থাকি। নিরাপদ পানির উৎসগুলো হলোÑ নলক‚প, কুয়া, বৃষ্টি ইত্যাদি। তবে নিরাপদ না হলেও প্রয়োজনীয়তার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পানির অন্যান্য উৎসগুলো হলো- পুকুর, খাল, বিল, হাওর, ডোবা, নদী ও সাগর। পৃথিবী পৃষ্ঠের চার ভাগের তিন ভাগ পানি দ্বারা ঢাকা। তবুও ব্যবহার উপযোগী পানি খুব বেশি পরিমাণে নেই। নিরাপদ পানি শেষ হয়ে গেলে আমাদের জীবন ধারণ কঠিন হয়ে পড়বে। তাই আমাদের উচিত নিরাপদ পানির উৎসের দূষণ ও অপচয় রোধ করা। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) পানি একটি — সম্পদ। ২) পানিতে ক্ষতিকর বর্জ্য মিশলে পানি — হয়। ৩) বৃষ্টি, নদী, সমুদ্র এবং পানির কল এগুলো পানির —। ৪) সমুদ্রের পানি —। উত্তর : ১) প্রাকৃতিক, ২) দূষিত, ৩) উৎস, ৪) লোনা। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। (১) কোনটি পানি দূষণের কারণ? চ ক. পানিতে ময়লা ফেলা খ. পানিতে নৌকা চালানো গ. পানিতে মাছ ধরা ঘ. খাবার রান্না করা (২) কোন রং এর নলক‚প থেকে নিরাপদ পানি পাওয়া যায়? ক. নীল খ. হলুদ চ গ. সবুজ ঘ. লাল (৩) কোনটি নিরাপদ পানি? ক. পুকুরের পানি চ খ. ফুটানো পানি গ. নদীর পানি ঘ. সাগরের পানি ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। ১) আমরা কী কী কাজে পানি ব্যবহার করি? উত্তর : পানি আমাদের অনেক কাজে লাগে। যেমনÑ ১) আমরা পানি পান করি। ২) রান্নার কাজে পানি ব্যবহার করি। ৩) পরিচ্ছন্নতা ও ধোয়া-মোছার কাজে পানি আবশ্যক। ৪) কলকারখানায় পানি ব্যবহৃত হয়। ৫) চাষাবাদের কাজে আমরা পানি ব্যবহার করি। ২) পানি দূষণের তিনটি কারণ লেখ। উত্তর : পানি বিভিন্নভাবে দূষিত হয়। যেমনÑ ১) পানিতে ময়লা বা আবর্জনা ফেললে। ২) কলকারখানার দূষিত বর্জ্য পানিতে মিশালে। ৩) পুকুরের পানিতে গরু ছাগল ও অন্যান্য প্রাণী গোসল করালে। ৩) আমরা কীভাবে পানি দূষণ রোধ করতে পারি? উত্তর : আমাদের বেঁচে থাকার জন্য নিরাপদ পানির ব্যবহার অপরিসীম। নিরাপদ পানির জন্য এর উৎসগুলোর দূষণ রোধ করতে হয়। পানির উৎসগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণের মাধ্যমে আমরা পানি দূষণ রোধ করতে পারি। যেমন : ১) পানিতে কলকারখানার দূষিত বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে হবে। ২) পানিতে তেল ও ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে। ৩) পুকুর ও নদীতে গরু-ছাগল গোসল করানো বন্ধ করতে হবে। ৪) পানি দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে লোকজনকে সচেতন করতে হবে। এরকম ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আমরা পানির দূষণ রোধ করতে পারি। ৪) আমরা কীভাবে পানির অপচয় রোধ করতে পারি? উত্তর : পৃথিবী পৃষ্ঠের চার ভাগের তিন ভাগ পানি দ্বারা ঢাকা হলেও পানের উপযোগী নিরাপদ পানির পরিমাণ খুবই কম। তাই পানির অপচয় রোধে আমাদের সচেতন হওয়া উচিত। এজন্য আমরা কতগুলো উপায় অবলম্বন করতে পারি। যেমনÑ ১) বিনা প্রয়োজনে নলক‚পের পানি না তোলা। ২) অযথা পানির কল ছেড়ে না রাখা। ৩) ব্যবহারের পর পানির কল বন্ধ রাখা। ৪) বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা। ৪। নিচের ছকে পানির উৎসগুলোকে নিরাপদ পানি এবং অনিরাপদ পানি এ দুভাগে সাজাও। ফিল্টার করা পানি, সমুদ্রের পানি, লাল রঙের নলক‚পের পানি, সবুজ রঙের নলক‚পের পানি, ফুটানো পানি, পুকুরের পানি নিরাপদ পানি অনিরাপদ পানি উত্তর : নিচের ছকে পানির উৎসগুলোকে নিরাপদ পানি এবং অনিরাপদ পানি এ দু ভাগে সাজালামÑ নিরাপদ পানি অনিরাপদ পানি ফিল্টার করা পানি সমুদ্রের পানি সবুজ রঙের নলক‚পের পানি লাল রঙের নলক‚পের পানি ফুটানো পানি পুকুরের পানি ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ। ১) সব উৎসের পানি পান করা নিরাপদ। ২) সাগরের পানি মিষ্টি স্বাদের। ৩) মোটর চালিয়ে গভীর নলক‚পের পানি উঠানো যায়। ৪) পিপাসা পেলে আমরা পানি পান করি। ৫) উদ্ভিদের পানির প্রয়োজন নেই। উত্তর : ১) মি, ২) মি, ৩) স, ৪) স, ৫) মি। >> বাম পাশের অংশের সাথে ডান পাশের অংশের মিল কর। ক) পানির আরেক নাম তিন ভাগ পানি। খ) পৃথিবী পৃষ্ঠের চার ভাগের ছেড়ে রাখব না গ) নিরাপদ পানির জীবন। ঘ) কুয়া ও বাঁধ মানুষের তৈরি পানির উৎস ঙ) অযথা পানির কল খুব অভাব। উত্তর : ক) পানির আরেক নাম জীবন। খ) পৃথিবী পৃষ্ঠের চার ভাগের তিন ভাগ পানি। গ) নিরাপদ পানির খুব অভাব। ঘ) কুয়া ও বাঁধ মানুষের তৈরি পানির উৎস। ঙ) অযথা পানির কল ছেড়ে রাখব না। >> শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) ঝরনা, নলক‚প ও কুয়া মাটির — পানি। ২) পুকুর, ডোবা, খাল ও নদীর পানিতে ময়লা ও — মিশে থাকে। ৩) পুকুরের পানি — পান করা যায়। ৪) সাগরের পানি পান করার — নয়। ৫) গ্রামের মানুষ সাধারণত — ও — পানি পান করে থাকে। ৬) কোনো কোনো নলক‚পের পানিতে — মিশে থাকে। ৭) আর্সেনিকযুক্ত নলক‚পকে — রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। ৮) — জন্য পানি প্রয়োজন। ৯) পৃথিবীতে — সীমিত পরিমাণে রয়েছে। ১০) নিরাপদ পানি শেষ হয়ে গেলে আমাদের জীবন ধারণ — হয়ে পড়বে। উত্তর : ১) নিচের, ২) রোগজীবাণু , ৩) ফুটিয়ে, ৪) উপযোগী, ৫) নলক‚প, কুয়ার, ৬) আর্সেনিক, ৭) লাল, ৮) জীবনের, ৯) প্রাকৃতিক সম্পদ, ১০) কঠিন। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. পানির কয়েকটি প্রাকৃতিক উৎসের নাম লেখ। উত্তর : পানির প্রাকৃতিক উৎসগুলো হলো- বৃষ্টি, বিল, হাওর, প্রাকৃতিক ঝরনা, নদী, সাগর ও ভ‚গর্ভস্থ পানি। ২. পানির কৃত্রিম উৎসের নাম লেখ। উত্তর : পুকুর, খাল, কুয়া, নলক‚প ও কৃত্রিম ঝরনা। ৩. গ্রামের মানুষ সাধারণত কোন উৎসের পানি পান করে? উত্তর : গ্রামের মানুষ সাধারণত নলক‚প ও কুয়ার পানি পান করে। ৪. পানির উৎসগুলোকে কয়ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী? উত্তর : পানির উৎসগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথাÑ (ক) প্রাকৃতিক উৎস (খ) মানুষের তৈরি উৎস। ৫. স্বাদের উপর ভিত্তি করে পানির উৎসকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী? উত্তর : স্বাদের উপর ভিত্তি করে পানির উৎসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথাÑ (ক) স্বাদু পানির উৎস (খ) লোনা পানির উৎস। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. কিসের জন্য স্বাদু পানি প্রয়োজন? স্বাদু পানির উৎসগুলো

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ জীবনের জন্য পানি Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ বিভিন্ন ধরনের পদার্থ

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ বিভিন্ন ধরনের পদার্থ

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ বিভিন্ন ধরনের পদার্থ পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ বিভিন্ন ধরনের পদার্থ >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই আমাদের চারপাশে আমরা বিভিন্ন ধরনের বস্তু দেখতে পাই। তাদের প্রত্যেকেরই আকার, আয়তন ও ওজন আছে। কোনোটির আবার নির্দিষ্ট আয়তন নেই, কিন্তু ওজন আছে। তরল পদার্থ পাত্রভেদে ভিন্ন ভিন্ন আকার ধারণ করে। তবে প্রায় সব কঠিন বস্তুকেই আমরা একটি শ্রেণিতে ফেলতে পারি, কারণ এদেরকে যেখানেই রাখা যাক এদের আকার, আয়তন ও ওজন বদলাবে না। কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো প্রত্যেকেরই নির্দিষ্ট ওজন আছে। পানিকে তিন অবস্থাতেই রূপান্তর করা যায়। তবে পানি ছাড়া অন্যান্য কঠিন বস্তুর ক্ষেত্রেও এই রূপান্তর সম্ভব; যেমনÑ লোহা। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) বরফ হচ্ছে পানির — অবস্থা। ২) পানি — হলে বরফে পরিণত হয়। ৩) পানিকে — দিলে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। ৪) সকল জিনিস — দিয়ে তৈরি। উত্তর : ১) কঠিন, ২) অনেক বেশি ঠাণ্ডা, ৩) তাপ, ৪) পদার্থ। ২। সঠিক উত্তরটিতে (√) টিক চিহ্ন দাও। ১) কোনটি কঠিন পদার্থ? ক. পানি খ. জলীয় বাষ্প গ. ফলের রস √ঘ. আইসক্রিম ২) কোনটি তরল পদার্থ? √ক. তেল খ. জলীয় বাষ্প গ. বুদবুদ ঘ. বরফ ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। ১) পানির তিনটি অবস্থার নাম কী? উত্তর : পানি তিন অবস্থায় থাকতে পারে। পানির এই তিনটি অবস্থা হলোÑ কঠিন, তরল ও বায়বীয়। ২) পদার্থ কী ব্যাখ্যা কর। উত্তর : যার আয়তন ও ওজন আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। পদার্থ ভারী বা হালকা, গোল বা যেকোনো আকারের, নরম বা শক্ত হতে পারে। যেমনÑ চেয়ার, টেবিল, বই ইত্যাদি। ৩) কঠিন এবং তরল পদার্থের মধ্যে দুইটি পার্থক্য লেখ। উত্তর : কঠিন ও তরল পদার্থের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিচে দেওয়া হলোÑ কঠিন পদার্থ তরল পদার্থ ১. কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার আছে। ১. তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আকার নেই। ২. কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তরলে পরিণত হয়। যেমনÑ বরফকে তাপ দিলে পানি হয়। ২. তরল পদার্থকে তাপ দিলে বায়বীয় পদার্থে পরিণত হয়। যেমনÑ পানিকে তাপ দিলে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। ৪) বায়বীয় পদার্থের দুইটি বৈশিষ্ট্য লেখ। উত্তর : বায়বীয় পদার্থের দুইটি বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলোÑ ১. বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ওজন আছে। ২. বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট কোনো আয়তন নেই। ৫) পাঁচটি তরল পদার্থের নাম লেখ। উত্তর : পাঁচটি তরল পদার্থের নাম নিচে লেখা হলোÑ ক) পানি, খ) দুধ, গ) ফলের জুস, ঘ) তেল, ঙ) মধু। ৪। বামপাশের বাক্যের সাথে ডানপাশের শব্দের মিল কর। যে পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন এবং আকার থাকে তরল পদার্থ যে পদার্থ একটি বদ্ধ পাত্রের পুরো জায়গা দখল করে কঠিন পদার্থ যে পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার নেই বায়বীয় পদার্থ উত্তর : যে পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন এবং আকার থাকে কঠিন পদার্থ। যে পদার্থ একটি বদ্ধ পাত্রের পুরো জায়গা দখল করে বায়বীয় পদার্থ। যে পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার নেই তরল পদার্থ। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ। ১) পানি একটি বায়বীয় পদার্থ। ২) গ্যাসের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন আছে। ৩) অনেক বেশি তাপমাত্রায় লোহাকে তরল করা যায়। ৪) পানিতে ডুবন্ত গøাস থেকে যে বুদ্বুদ বের হয় তা আসলে বাতাস। ৫) কঠিন ও তরল বস্তুর মধ্যে একটি মিল হলো উভয়েরই নির্দিষ্ট আকার আছে। উত্তর : ১) মি, ২) মি, ৩) স, ৪) স, ৫) মি। য় বামপাশের বাক্যের সাথে ডানপাশের শব্দের মিল কর। ক) বায়বীয় পদার্থের তিন ভাগে ভাগ করা যায়। খ) পদার্থকে একটি কঠিন পদার্থ। গ) লোহাকে বেশি তাপে উত্তপ্ত করলে নির্দিষ্ট ওজন আছে। ঘ) ইট তিন অবস্থায় থাকতে পারে। ঙ) পানি তরল হয়। উত্তর : ক) বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ওজন আছে। খ) পদার্থকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। গ) লোহাকে বেশি তাপে উত্তপ্ত করলে তরল হয়। ঘ) ইট একটি কঠিন পদার্থ। ঙ) পানি তিন অবস্থায় থাকতে পারে। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. কঠিন পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ। উত্তর : কঠিন পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো- ১) এর নির্দিষ্ট আকার আছে। ২) এর নির্দিষ্ট আয়তন আছে। ৩) এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। ২. কঠিন পদার্থের সাথে তরল পদার্থের মূল পার্থক্য কোথায়? উত্তর : কঠিন পদার্থের সাথে তরল পদার্থের মূল পার্থক্য হলোÑ কঠিন পদার্থের অবশ্যই নির্দিষ্ট আকার, আয়তন ও ওজন থাকে। কিন্তু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন ও ওজন থাকলেও নির্দিষ্ট আকার নেই। ৩. তরল পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ। উত্তর : তরল পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলোÑ ১) এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। ২) এর নির্দিষ্ট আয়তন আছে। ৩) এর নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। ৪. আমরা যেসব বস্তু দেখতে পাই ও ব্যবহার করি তাদের কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করতে পারি ও কী কী? উত্তর : আমরা যেসব বস্তু দেখতে পাই ও ব্যবহার করি তাদের তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করতে পারি। যেমনÑ কঠিন, তরল ও বায়বীয়। ৫. পানির তিন অবস্থা কী কী? এদের উদাহরণ দাও। উত্তর : পানির তিনটি অবস্থা হলোÑ কঠিন, তরল ও বায়বীয়। কঠিন অবস্থায় পানি বরফ হয়, স্বাভাবিক অবস্থায় পানি তরল থাকে এবং বায়বীয় অবস্থায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়। ৬. বায়বীয় পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ। উত্তর : বায়বীয় পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলোÑ ১) এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। ২) এর নির্দিষ্ট আয়তন নেই। ৩) এর নির্দিষ্ট আকার নেই। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. আইসক্রিম কোন ধরনের পদার্থ? এর বৈশিষ্ট্য লেখ। উত্তর: আইসক্রিম কঠিন পদার্থ। কিন্তু বাইরের পরিবেশের তাপ পেলে আইসক্রিম তরল হয়ে যায়। নিচে আইসক্রিমের কঠিন ও তরল অবস্থার বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলোÑ কঠিন অবস্থায় বৈশিষ্ট্য : ১) নির্দিষ্ট আকার আছে ২) নির্দিষ্ট আয়তন আছে ৩) নির্দিষ্ট ওজন আছে তরল অবস্থায় বৈশিষ্ট্য : ১) নির্দিষ্ট আয়তন আছে ২) নির্দিষ্ট ওজন আছে ৩) নির্দিষ্ট আকার নেই ২. তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটলে পানির অবস্থার পরিবর্তন ঘটে কীভাবে? উত্তর : পানি তিন অবস্থায় থাকতে পারে। যেমন-কঠিন, তরল ও বায়বীয়। তাপ দিলে তরল পানি জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। এটা পনির বায়বীয় অবস্থা। জলীয় বাষ্প ঠাণ্ডা হলে আবার পানিতে পরিণত হয়। পানিকে যদি অনেক বেশি ঠাণ্ডা করা হয় তবে তা বরফে পরিণত হয়। এটা পানির কঠিন অবস্থা। আবার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে বরফ গলে পানিতে পরিণত হয়। এভাবেই তাপমাত্রা কম-বেশি হলে পানির অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। ন্ধ যোগ্যতাভিত্তিক ৩. গরম দুধ ভর্তি গøাস থেকে তুমি ধোঁয়া উঠতে দেখলে। গরম দুধ কী ধরনের পদার্থ? ধোঁয়া উঠার কারণ লেখ। তোমার দেখা খাবার থেকে ধোঁয়া উঠার ৫টি উদাহরণ দাও। উত্তর : গরম

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ বিভিন্ন ধরনের পদার্থ Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ জীব ও জড়

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ জীব ও জড়

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ জীব ও জড় পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ জীব ও জড় >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই আমাদের চারপাশে আমরা যা দেখি সেগুলো জীব ও জড় এই দুই ভাগে বিভক্ত। জীব নিজের মতো নতুন জীবের জন্ম দেয়, বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য, পানি এবং বায়ু গ্রহণ করে। জীব দুই ধরনের, যেমন- উদ্ভিদ ও প্রাণী। অন্যদিকে জড় কোনো খাদ্য গ্রহণ করে না। এরা নিজেদের মতো অন্য কোনো বস্তু তৈরিও করতে পারে না। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) জীব এবং — মিলেই আমাদের পরিবেশ। ২) জীবের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো —, — এবং —। ৩) চিংড়ি এবং কেঁচো — প্রাণী। ৪) মানুষ — এবং প্রাণীর উপর নির্ভরশীল। উত্তর : ১) জড়, ২) বৃদ্ধি, পরিবর্তন, প্রজনন ৩) অমেরুদÐী, ৪) উদ্ভিদ। ২। সঠিক উত্তরটিতে (√) টিক চিহ্ন দাও। ১) নিচের কোনটি জীব? √ ক. মরিচ গাছ খ. বাড়ি গ. রিকশা ঘ. এরোপ্লেন ২) কোনটি বৃদ্ধি পায়? ক. মোটরগাড়ি √খ. কবুতর গ. চেয়ার ঘ. পাথর ৩) নিচের কোনটি অপুষ্পক উদ্ভিদ? ক. আম √খ. ঢেঁকি শাক গ. শাপলা ঘ. ধান ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। ১) জীব ও জড়ের পাঁচটি করে উদাহরণ দাও। উত্তর : জীবের পাঁচটি উদাহরণ হলো- মানুষ, গরু, মাছ, প্রজাপতি ও ফুলগাছ। জড়ের পাঁচটি উদাহরণ হলো- গাড়ি, চেয়ার, মাটি, বই ও বায়ু। ২) মেরুদÐী প্রাণীদের কী কী শ্রেণিতে ভাগ করা যায়? উত্তর : মেরুদÐী প্রাণীদের ৫টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা- মাছ — ইলিশ উভচর — ব্যাঙ সরীসৃপ — সাপ পাখি — মুরগি স্তন্যপায়ী — গরু ৩) আকার ও কাÐ অনুযায়ী উদ্ভিদকে কীভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা যায় লেখ। উত্তর : আকার ও কাÐ অনুযায়ী উদ্ভিদকে বৃক্ষ, গুল্ম ও বিরুৎ- এই তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যে উদ্ভিদ আকারে বড়, কাÐ মোটা, দীর্ঘ ও শক্ত, কাÐ থেকে শাখা-প্রশাখা এবং পাতা হয়, এগুলোকে বৃক্ষ বলা হয়। এদের শেকড় মাটির বেশ গভীরে যায়। যেমন- আমগাছ, কাঁঠালগাছ, বেলগাছ ইত্যাদি। যে সকল উদ্ভিদের কাÐ শক্ত কিন্তু বৃক্ষের মতো দীর্ঘ ও মোটা নয়, কাÐের গোড়ার কাছ থেকে শাখা-প্রশাখা বের হয় সেগুলো গুল্ম শ্রেণির। এদের শেকড় মাটির বেশি গভীরে যায় না। যেমন- গোলাপ, রঙ্গন, জবা। বিরুৎ উদ্ভিদ গুল্ম উদ্ভিদের চেয়ে আকারে ছোট, কাÐ নরম। এদের শেকড় মাটির গভীরে যায় না। ধান, সরিষা, মরিচ, লাউ, কুমড়া, পুঁই শাক এ শ্রেণির উদ্ভিদ। ৪) মানুষ কীভাবে উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল? উত্তর : বেঁচে থাকার জন্য মানুষের খাবার খেতে হয়। এই খাবারের অধিকাংশ আসে উদ্ভিদ থেকে। মানুষের পোশাকের কাপড় তৈরি হয় উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ থেকে। আবার ঘরবাড়ি নির্মাণে এবং আসবাবপত্র তৈরিতে যে কাঠ ব্যবহার করা হয় তাও আসে এই উদ্ভিদ থেকে। এভাবেই মানুষ উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল। ৫) উদ্ভিদ এবং প্রাণীর তিনটি পার্থক্য লেখ। উত্তর : উদ্ভিদ ও প্রাণীর তিনটি পার্থক্য হলো- উদ্ভিদ প্রাণী ১. উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে। ১. প্রাণীরা নিজেদের খাদ্য তৈরি করতে পারে না। ২. প্রাণীর মতো উদ্ভিদ খাবার খায় না। ২. প্রাণী খাদ্য হিসেবে উদ্ভিদ অথবা অন্য প্রাণী খেয়ে থাকে। ৩. এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলাচল করতে পারে না। ৩. অধিকাংশ প্রাণী নিজের ইচ্ছেমতো চলাচল করতে পারে। ৪। নিচের ছকে উল্লেখ করা প্রাণীদের বৈশিষ্ট্যগুলো ছকে লেখ। নাম কোথায় বাস করে দেহ কী দিয়ে ঢাকা থাকে কীভাবে চলাচল করে গরু দোয়েল রুই টিকটিকি কচ্ছপ উত্তর : ছকে উল্লেখ করা প্রাণীদের বৈশিষ্ট্যগুলো দেওয়া হলো : নাম কোথায় বাস করে দেহ কী দিয়ে ঢাকা থাকে কীভাবে চলাচল করে গরু স্থলে চামড়া পায়ের সাহায্যে দোয়েল স্থলে পালক পায়ের সাহায্যে রুই জলে আঁইশ পাখনার সাহায্যে টিকটিকি স্থলে আঁইশ পায়ের সাহায্যে কচ্ছপ জলে, স্থলে শক্ত খোলস পায়ের সাহায্যে   ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ : ১) বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে আমরা পড়াশোনা করি। ২) পানি, মাটি হলো উদ্ভিদ। ৩) জীবের শরীরের বৃদ্ধি ও পরিবর্তন ঘটে। ৪) প্রাণী শুনতে পায় না, গন্ধ নিতে পারে না। ৫) মানুষ উদ্ভিদ থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে। ৬) গুল্ম শ্রেণির উদ্ভিদের শেকড় মাটির গভীরে যায় না। ৭) ব্যাঙ পানিতে ডিম পাড়ে। ৮) স্তন্যপায়ী প্রাণীদের দেহ শুষ্ক ও আঁইশযুক্ত। ৯) বাঘের খাদ্য হরিণ, খরগোশ। ১০) ঘরবাড়ি নির্মাণে পশুর চামড়া ব্যবহৃত হয়। উত্তর : ১) স, ২) মি, ৩) স, ৪) মি, ৫) স, ৬) স, ৭) স, ৮) মি, ৯) স, ১০) মি। >> বামপাশের অংশের সাথে ডানপাশের অংশের মিল কর : ক) জীব চেয়ার, টেবিল, বেঞ্চ খ) জড় দেখতে পায় না। গ) উদ্ভিদ গাছপালা, পশুপাখি। ঘ) অমেরুদÐী প্রাণী দেহ পশম ও লোম দিয়ে ঢাকা। ঙ) স্তন্যপায়ী প্রাণী কেঁচো, চিংড়ি, প্রজাপতি। চ) ব্যাঙ ফুল হয় না। ছ) অপুষ্পক উদ্ভিদ উভচর প্রাণী। উত্তর : ক) জীব – গাছপালা, পশুপাখি। খ) জড় – চেয়ার, টেবিল, বেঞ্চ। গ) উদ্ভিদ – দেখতে পায় না। ঘ) অমরুদÐী প্রাণী – কেঁচো, চিংড়ি, প্রজাপতি। ঙ) স্তন্যপায়ী প্রাণী – দেহ পশম ও লোম দিয়ে ঢাকা। চ) ব্যাঙ – উভচর প্রাণী। ছ) অপুষ্পক উদ্ভিদ – ফুল হয় না। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. জড় কাকে বলে? উত্তর : যাদের জীবন নেই সেসব বস্তুকে জড় বলা হয়। ২. জীব কাকে বলে? উত্তর : যাদের জীবন আছে তাদের জীব বলা হয়। ৩. বেঁচে থাকার জন্য জীবের কী কী প্রয়োজন? উত্তর : বেঁচে থাকার জন্য জীবের খাদ্য, পানি, বায়ু ও সূর্যের আলো প্রয়োজন। ৪. বিরুৎ কাকে বলে? উত্তর : যে সকল গাছের কাÐ বেশ নরম, আকারে ছোট এবং শেকড় মাটির গভীরে যায় না, সেগুলোকে বিরুৎ বলা হয়। যেমন- মরিচ গাছ। ৫. ফুলের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে ও কী কী? উত্তর : ফুলের ওপর ভিত্তি করে উদ্ভিদকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন- সপুষ্পক উদ্ভিদ ও অপুষ্পক উদ্ভিদ। ৬. জীব কয় ধরনের ও কী কী? উত্তর : জীব দুই ধরনের। যথা- উদ্ভিদ ও প্রাণী। ৭. প্রাণী খাদ্য হিসেবে কী খেয়ে থাকে? উত্তর : প্রাণী খাদ্য হিসেবে উদ্ভিদ এবং অন্য প্রাণী খেয়ে থাকে। ৮. মানুষ উদ্ভিদ থেকে কী সংগ্রহ করে? উত্তর : মানুষ উদ্ভিদ থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে। ৯. সপুষ্পক উদ্ভিদ কাকে বলে? উত্তর : যে সকল উদ্ভিদে ফুল হয় সেগুলোকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। যেমন- গোলাপ, জবা, শাপলা ইত্যাদি। ১০. অপুষ্পক উদ্ভিদ কাকে বলে? উত্তর : যে সকল উদ্ভিদে ফুল হয় না সেগুলোকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। যেমন- মস, ঢেঁকি শাক ইত্যাদি। ১১. অমেরুদÐী প্রাণী কাকে বলে? উত্তর : যে প্রাণীর মেরুদÐ নেই তাকে অমেরুদÐী প্রাণী

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ জীব ও জড় Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় আমাদের পরিবেশ

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় আমাদের পরিবেশ

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় আমাদের পরিবেশ পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় আমাদের পরিবেশ >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই আমাদের চারপাশের সবকিছু মিলে তৈরি হয়েছে আমাদের পরিবেশ। পরিবেশের উপাদানগুলোর মধ্যে কিছু উপাদান প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি হয়েছে, আবার কিছু উপাদান মানুষ তৈরি করেছে। এভাবে ভিন্ন ভিন্ন উপাদান নিয়ে তৈরি হয়েছে আমাদের পরিবেশ। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। (১) আমাদের চারপাশের সবকিছু নিয়ে তৈরি হয়েছে আমাদের —। (২) পরিবেশকে — পরিবেশ এবং — পরিবেশে ভাগ করা যায়। (৩) গাছপালা, পাখি ও বায়ু — পরিবেশের উপাদান। (৪) মানুষের তৈরি উপাদান নিয়ে তৈরি হয় — পরিবেশ। উত্তর : (১) পরিবেশ, (২) প্রাকৃতিক, মানুষের তৈরি (৩) প্রাকৃতিক, (৪) মানুষের তৈরি। ২। সঠিক উত্তরটিতে (√) টিক চিহ্ন দাও। ১) কোনটি প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান? √ ক. গাছ খ. টেবিল গ. কলম ঘ. চেয়ার ২) কোনটি মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান? ক. পাখি খ. পাহাড় গ. মাছ √ ঘ. ঘরবাড়ি ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। (১) পরিবেশ কী ব্যাখ্যা কর। উত্তর : আমাদের চারপাশের সবকিছু মিলেই তৈরি হয়েছে পরিবেশ। শ্রেণিকক্ষের চেয়ার, টেবিল, বই, খাতা, শিক্ষক ও সহপাঠী এবং মাঠের গাছপালা, গরু-ছাগল, মাটি, পানি, বায়ু, সূর্যের আলো ইত্যাদি সবকিছু নিয়েই আমাদের পরিবেশ। পরিবেশের এই উপাদানগুলোর কতগুলো প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এবং কতগুলো মানুষের তৈরি। (২) প্রাকৃতিক পরিবেশের পাঁচটি উপাদানের নাম লেখ। উত্তর : প্রাকৃতিক পরিবেশের পাঁচটি উপাদান হলোÑ ১. গাছপালা, ২. বায়ু, ৩. পশুপাখি, ৪. মাটি, ৫. সূর্যের আলো। (৩) প্রাকৃতিক ও মানুষের তৈরি পরিবেশের মধ্যে তিনটি পার্থক্য লেখ। উত্তর : প্রাকৃতিক ও মানুষের তৈরি পরিবেশের মধ্যে তিনটি পার্থক্য হলো : প্রাকৃতিক পরিবেশ মানুষের তৈরি পরিবেশ ১) প্রকৃতিক উপায়ে তৈরি উপাদান নিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ গঠিত। যেমন গাছপালা, নদী-নালা, ইত্যাদি এ পরিবেশের উপাদান। ১) মানুষের তৈরি উপাদান নিয়ে মানুষের তৈরি পরিবেশ গঠিত। যেমন ঘরবাড়ি, টেবিল-চেয়ার, নৌকা ইত্যাদি এ পরিবেশের উপাদান। ২) এ পরিবেশের উপাদানগুলো আমাদের চারদিকে অর্থাৎ প্রকৃতির সর্বত্র রয়েছে। ২) এ পরিবেশের উপাদানগুলো কতগুলো নির্দিষ্ট স্থানে থাকে। ৩) এ পরিবেশ মানুষের তৈরি পরিবেশের উপর নির্ভরশীল নয়। ৩) এ পরিবেশ প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর নির্ভরশীল। ৪। বাক্সে লেখা উপাদানগুলোকে নিচের ছকে সাজাও। চেয়ার, নদী, বাড়ি, ডিম, মাটি, আসবাবপত্র, গাছ, নৌকা, পাহাড়, জামা, বিদ্যালয়, ফুল প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান উত্তর : প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান নদী, ডিম, মাটি, গাছ, পাহাড়, ফুল চেয়ার, বাড়ি, আসবাবপত্র, নৌকা, জামা, বিদ্যালয় ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞানর ১ম অধ্যায় অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ। ১) বন্ধুবান্ধব ও ঘরবাড়ি পরিবেশের উপাদান। ২) পরিবেশ দুই ধরনের। ৩) মাঠের পরিবেশের উপাদান বই, খাতা, শিক্ষক ও সহপাঠীরা। ৪) পরিবেশের উপাদানগুলো তিনভাগে বিভক্ত। ৫) মাটি ও পানি প্রাকৃতিক উপাদানের অন্তর্ভুক্ত। উত্তর : ১) স, ২) স, ৩) মি, ৪) মি, ৫) স। >> বাম পাশের অংশের সাথে ডান পাশের অংশের মিল কর। ক) চারপাশের সবকিছু মিলে মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান খ) সূর্যের আলো একটি উপাদান হলো পাহাড় পর্বত গ) সাঁকো প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান ঘ) প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবেশের একটি উপাদান ঙ) গাছপালা তৈরি হয়েছে আমাদের পরিবেশ চ) মানুষের তৈরি উপাদান নিয়ে গড়ে উঠেছে মানুষের তৈরি পরিবেশ উত্তর : ক) চারপাশের সবকিছু মিলে তৈরি হয়েছে আমাদের পরিবেশ। খ) সূর্যের আলো পরিবেশের একটি উপাদান। গ) সাঁকো মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান। ঘ) প্রাকৃতিক পরিবেশের একটি উপাদান হলো পাহাড়-পর্বত। ঙ) গাছপালা প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান। চ) মানুষের তৈরি উপাদান নিয়ে গড়ে উঠেছে মানুষের তৈরি পরিবেশ। >> শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) পরিবেশের উপাদানগুলোকে আমরা — ভাগে ভাগ করতে পারি। ২) আমাদের চারদিক — ঘিরে রেখেছে। ৩) পরিবেশকে — অনুসারে আমরা দুইভাগে ভাগ করতে পারি। ৪) আমরা যে পরিবেশে বাস করি তাতে — পরিবেশই রয়েছে। ৫) মাটি, পানি ও বায়ু — উপায়ে তৈরি হয়েছে। ৬) — বিভিন্ন উপাদান নিয়েই প্রাকৃতিক পরিবেশ। উত্তর : ১) দুই, ২) নানা রকম জিনিস, ৩) উপাদান, ৪) দুই ধরনের, ৫) প্রাকৃতিক, ৬) প্রকৃতির। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. পরিবেশ কত প্রকার ও কী কী? উত্তর : পরিবেশ দুই প্রকার। যথা : ক) প্রাকৃতিক পরিবেশ খ) মানুষের তৈরি পরিবেশ ২. আমাদের ঘরের বাইরের পরিবেশের তিনটি উপাদানের নাম লেখ। উত্তর : আমাদের ঘরের বাইরের পরিবেশের তিনটি উপাদান হলোÑ ক) নদীনালা খ) গাছপালা ও গ) মাটি ৩. পরিবেশের শ্রেণিবিন্যাস প্রবাহ চিত্রের মাধ্যমে দেখাও। উত্তর : পরিবেশের শ্রেণিবিন্যাস প্রবাহ চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলোÑ ৪. প্রাকৃতিক পরিবেশ বলতে কী বোঝায়? উত্তর : প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি উপাদান নিয়ে যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে তাকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে। যেমনÑ গাছপালা, পশুপাখি, মাটি, নদী, বায়ু, পানি ইত্যাদি উপাদান নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. পরিবেশের উপাদানগুলো কয়ভাগে বিভক্ত ও কী কী? উক্ত উপাদানগুলো কী কী ধরনের পরিবেশ সৃষ্টি করে? ব্যাখ্যা কর। উত্তর : পরিবেশের উপাদানগুলো দুই ভাগে বিভক্ত। যথা : ১. প্রাকৃতিক উপাদান। ২. মানুষের তৈরি উপাদান। ১. প্রাকৃতিক উপাদান যেমন- গাছপালা, সূর্যের আলো, মাটি, পানি, বায়ু ইত্যাদি প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি করে। ২. মানুষের তৈরি উপাদান যেমনÑ চেয়ার, টেবিল, ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, বাস ইত্যাদি মানুষের তৈরি পরিবেশ সৃষ্টি করে। ন্ধ যোগ্যতাভিত্তিক ২. তোমাদের ঘরের ভেতরে রয়েছে বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং বাইরে রয়েছে বিভিন্ন রকমের গাছপালা। এক্ষেত্রে পরিবেশ কী? ঘরের ভেতর ও বাহিরের জিনিসগুলো মধ্যে ভিন্নতা কেন? ঘরের বাইরের উপাদান থেকে তৈরিকৃত ঘরের ভেতরের পাঁচটি উপাদানের নাম লেখ। উত্তর : আমার চারপাশের অর্থাৎ ঘরের ভেতরের ও বাইরের সবকিছু নিয়ে তৈরি হয়েছে পরিবেশ। ঘরের ভেতরের ও বাইরের জিনিসগুলোর উৎপত্তি ভিন্নভাবে হওয়ায় এদের মধ্যে ভিন্নতা হয়। ঘরের ভেতরের বিভিন্ন আসবাবপত্র মানুষের তৈরি। পক্ষান্তরে ঘরের বাইরের গাছপালা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি। তাই ঘরের ভেতরের ও বাইরের জিনিসগুলোতে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। ঘরের বাইরের উপাদান গাছপালা থেকে ঘরের ভেতরের যে ৫টি জিনিস তৈরি করা যায় সেগুলো হলোÑ বুক সেলফ, খাট, দরজা, জানালা ও ড্রেসিং টেবিল। ৩. প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান কী? দালানকোঠা মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান কেন? প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান থেকে তোমার পাওয়া ৩টি উপকারিতা লেখ। উত্তর : যে পরিবেশে উপাদানগুলো প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে সেগুলোকে প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান বলে। যে পরিবেশে উপাদানগুলো মানুষের তৈরি সেগুলোকে মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান বলে। বালি, ইট, পাথর ব্যবহার করে মানুষ দালানকোঠা তৈরি করে। তাই দালানকোঠা মানুষের তৈরি পরিবেশের উপাদান প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান গাছপালা, নদীনালা, পশুপাখি ইত্যাদি থেকে পাওয়া তিনটি উপকারিতা হলোÑ ১) গাছপালা থেকে ফলমূল ও কাঠ পাই। ২) নদীনালা থেকে মাছ পাই। ৩) পশুপাখি থেকে গোশত ও ডিম পাই।

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় আমাদের পরিবেশ Read More »

Scroll to Top