তৃতীয় শ্রেণির প্রাথমিক বিজ্ঞান

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১২ জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১২ জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১২ জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১২ জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই সুন্দর জীবনযাপনের জন্য আমাদের পরিচ্ছন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রয়োজন। সুন্দর পরিবেশে বাস করতে হলে মাটি, পানি ও বায়ু যাতে দূষিত ও নোংরা না হয়, সেদিকে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। পশুপাখি ও গাছপালার যাতে ক্ষতি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। পরিকল্পিত ছোট পরিবার গঠন করলে সবগুলো মৌলিক চাহিদা যথাযথভাবে পূরণ করা সম্ভব। সেই সাথে সব ধরনের বাড়তি চাহিদাও কমানো সম্ভব। তাতে খাদ্যের উপর, গাছপালার উপর, আবাদি জমির উপর চাপ কমবে। তখন প্রত্যেক নাগরিকের উপযুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা সমুন্নত থাকবে। এতে পুরো দেশ সুখী ও সমৃদ্ধ হবে। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১২অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) উদ্ভিদ অথবা — থেকে আমরা খাদ্য পাই। ২) একটি এলাকায় বসবাসরত লোকসংখ্যা ঐ এলাকার —। ৩) বস্ত্র তৈরি হয় — ও — উদ্ভিদ থেকে। ৪) পরিবারের সদস্যদের বেঁচে থাকার জন্য — এবং — প্রয়োজন। ৫) মানুষ পাথর এবং কাঠ আহরণ করে — পরিবেশ থেকে। উত্তর : ১) প্রাণী, ২) জনসংখ্যা, ৩) পাট, তুলা, ৪) খাদ্য, জায়গার, ৫) প্রাকৃতিক। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। ১) কোনটি প্রাকৃতিক সম্পদ? ক. কলম খ. বই চ গ. মাটি ঘ. টেবিল ২) প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি প্রধানত কে করে? ক. জীবজন্তু খ. উদ্ভিদ গ. গৃহপালিত পশু চ ঘ. মানুষ ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। ১) জনসংখ্যা যদি বাড়তেই থাকে তাহলে আমাদের অবস্থা কী হবে? উত্তর : জনসংখ্যা যদি বাড়তেই থাকে তাহলে আমরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হব। যেমন খাদ্যের সমস্যা, বসবাসের জায়গার সমস্যা ইত্যাদি। জনসংখ্যা বাড়লে প্রাকৃতিক সম্পদের প্রয়োজন বেড়ে যায়। বাড়তি প্রয়োজন মেটানোর জন্য মানুষ প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস করবে। ২) প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে পাওয়া যায় এমন পাঁচটি সম্পদের নাম লেখ। উত্তর : আমরা প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ পাই। উদ্ভিদ, প্রাণী, মাটি, পানি ও পাথর হলো পাঁচটি প্রাকৃতিক সম্পদ। ৪। জনসংখ্যা বৃদ্ধি পরিবেশে কী প্রভাব ফেলে তা নিচে লেখা শব্দগুলো ব্যবহার করে ২টি বাক্যে লেখ। প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস প্রাকৃতিক পরিবেশ প্রচুর উত্তর : ১। জনসংখ্যা বেড়ে গেলে প্রাকৃতিক সম্পদের প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে বেড়ে যায়। ২। বাড়তি প্রয়োজন মেটানোর জন্য মানুষ প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস করে। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১২ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ। ১) আমাদের জীবনে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কোনো প্রভাব নেই। ২) বাংলাদেশের খাদ্য ও জায়গা জনসংখ্যার তুলনায় সীমিত। ৩) অধিক জনসংখ্যার কারণে অনেক দেশেই খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে। ৪) আমরা শুধু উদ্ভিদ থেকেই খাদ্য পাই। ৫) আমরা প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ পাই। উত্তর : ১) মি, ২) স, ৩) স, ৪) মি, ৫) স। >> বাম পাশের অংশের সাথে ডান পাশের অংশের মিল কর। ক) আমাদের দেশের জনসংখ্যা দিন দিন খাদ্য ও বাসস্থানের উপর খ) জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায় গ) অধিক সদস্যের এক পরিবারে বসবাসে প্রাকৃতিক সম্পদের চাহিদা বৃদ্ধি ঘ) জনসংখ্যা বৃদ্ধি মাটি, কাঠ ও পাথরের ব্যবহার ঙ) ঘরবাড়ি ও দালান তৈরি বৃদ্ধি পাচ্ছে উত্তর : ক) আমাদের দেশের জনসংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। খ) জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে খাদ্য ও বাসস্থানের উপর। গ) অধিক সদস্যের এক পরিবারে বসবাসে রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। ঘ) জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রাকৃতিক সম্পদের চাহিদা বৃদ্ধি। ঙ) ঘরবাড়ি ও দালান তৈরি মাটি, কাঠ ও পাথরের ব্যবহার। >> শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) বাংলাদেশের — অনেক বেশি। ২) জনসংখ্যা বেড়ে গেলে আমরা বিভিন্ন — মুখোমুখি হব। ৩) — দিয়ে জুতা, ব্যাগ এবং বেল্ট তৈরি হয়। ৪) আমরা প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে — পাই। ৫) জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে প্রাকৃতিক পরিবেশ — হচ্ছে। উত্তর : ১) জনসংখ্যা, ২) সমস্যার, ৩) প্রাণীর চামড়া, ৪) প্রাকৃতিক সম্পদ, ৫) ধ্বংস। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. জনসংখ্যা কাকে বলে? উত্তর : কোনো এলাকায় বসবাসরত লোকজনের সংখ্যাই ঐ এলাকার জনসংখ্যা। ২. ২০১১ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত ছিল? উত্তর : ২০১১ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১৫ কোটি। ৩. আমাদের বস্ত্র তৈরি হয় কী থেকে? উত্তর : পাট ও তুলা থেকে আমাদের বস্ত্র তৈরি হয়। ৪. প্রাণীর চামড়া থেকে কী তৈরি করা হয়? উত্তর : প্রাণীর চামড়া দিয়ে জুতা, ব্যাগ এবং বেল্ট তৈরি হয়। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর তিনটির নাম লেখ। কখন এগুলোর অভাব সৃষ্টি হয়? কম সদস্যবিশিষ্ট পরিবার ও বেশি সদস্যবিশিষ্ট পরিবারে এদের প্রভাব তুলনা কর। উত্তর : মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর তিনটির নাম হলো ১) খাদ্য ২) বস্ত্র ৩) বাসস্থান। জনসংখ্যা বাড়লে এদের জন্য অধিক খাদ্য, বস্ত্র এবং জায়গার প্রয়োজন হয়। কিন্তু খাদ্য, বস্ত্র এবং জায়গা সীমিত। জনসংখ্যা দিন দিন যখন বাড়তে থাকে, তখন তাদের বাড়তি খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের জন্য জায়গার জোগানে সমস্যা দেখা দেয় এবং অভাব তৈরি হয়। কম সদস্যবিশিষ্ট এবং বেশি সদস্যবিশিষ্ট পরিবারের খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থান জোগানে তুলনামূলক ভিন্নতা রয়েছে। কম সদস্যের পরিবারে মৌলিক চাহিদাগুলো সহজে পূরণ হয়। এদের কম সদস্য একসঙ্গে বসবাসে রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ও কমে যায়। অপরদিকে বেশি সদস্যবিশিষ্ট পরিবারে সদস্যদের জন্য চাহিদাগুলো পূরণে সমস্যা দেখা দেয়। ফলে এই ধরনের পরিবারে চাহিদায় অভাব তৈরি হয়। অনেক সদস্য একসঙ্গে বসবাসের ফলে এই ধরনের পরিবারে রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। ন্ধ যোগ্যতাভিত্তিক ২. দিন দিন পৃথিবী থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। প্রাকৃতিক সম্পদের প্রয়োজন বেড়ে যায় কখন? আমরা প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করছি কীভাবে? প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে তুমি কী কী পাও? উত্তর : জনসংখ্যা বাড়লে প্রাকৃতিক সম্পদের প্রয়োজন বেড়ে যায়। দিন দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার বাড়তি জনসংখ্যার জন্য প্রয়োজন হচ্ছে বাড়তি চাহিদা। এই বাড়তি চাহিদা মেটানোর জন্য আমরা প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করছি। প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে আমি যা যা পেয়ে থাকি Ñ ১) আমরা প্রাণী ও উদ্ভিদ থেকে খাদ্য পাই। ২) বৃষ্টি ও নদী থেকে পানি পাই। ৩) মাটি, কাঠ ও পাথর ব্যবহার করে বাসস্থান তৈরি হয়। ৪) উদ্ভিদজাত ফসল পাট ও তুলা থেকে আমাদের বস্ত্র তৈরি হয়। ——————

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১২ জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১১ তথ্য ও যোগাযোগ

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১১ তথ্য ও যোগাযোগ

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১১ তথ্য ও যোগাযোগ পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১১ তথ্য ও যোগাযোগ >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই তথ্যের উপর নির্ভর করে আমরা প্রতিদিনের কাজকর্ম সাজাই। তথ্য হলো দরকারি খবর। আমাদের প্রয়োজনেই অন্যকে তথ্য জানানো দরকার। এই তথ্য বিনিময়ের অনেক উপায় রয়েছে। আগে মানুষ পায়ে হেঁটে, ঘোড়ায় চড়ে তথ্য পৌঁছে দিত। কিন্তু এখন টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ফ্যাক্স ও মেসেজের মাধ্যমে মুহূর্তেই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার এসব আধুনিক মাধ্যম বর্তমান প্রযুক্তির অবদান। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১১ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। (১) টেলিভিশনের মতো তথ্য সরবরাহের যন্ত্রকে — বলা হয়। (২) একে অন্যের সঙ্গে তথ্যের আদান-প্রদানকে — বলে। (৩) — হচ্ছে জ্ঞান, যা আমরা যোগাযোগের মাধ্যমে পাই। উত্তর : (১) মাধ্যম বা মিডিয়া, (২) যোগাযোগ, (৩) তথ্য। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। ১) কোন মাধ্যমের সাহায্যে আমরা তথ্যের আদান-প্রদান করতে পারি? ক. রেডিও খ. টেলিভিশন চ গ. মোবাইল ফোন ঘ. খবরের কাগজ ২) কোনটি তথ্য পাঠাবার সবচেয়ে প্রাচীন মাধ্যম? ক. ই-মেইল চ খ. কবুতর গ. টেলিফোন ঘ. রেডিও ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। (১) দূরে বসবাসরত লোকজনের কাছে আমরা তথ্য পাঠাবো কীভাবে? উত্তর : দূরে বসবাসরত লোকজনের কাছে আমরা তথ্য পাঠাবো টেলিফোন অথবা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। আবার ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইলের মাধ্যমেও তথ্য আদান-প্রদান করতে পারি। (২) তথ্যের পাঁচটি উৎসের নাম লেখ। উত্তর : তথ্যের পাঁচটি উৎসের নাম হলোÑ (১) খবরের কাগজ (২) বই (৩) রেডিও (৪) টেলিভিশন (৫) কম্পিউটার। (৩) তথ্য জানা এবং অন্যকে জানানো গুরুত্বপূর্ণ কেন? উত্তর : নতুন কিছু শিখতে হলে তথ্য জানতে হয়। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যও প্রয়োজনীয় তথ্য জানা জরুরি। এ তথ্য নিজে জানার পাশাপাশি অন্যদেরকে জানাতে হবে। এতে করে বিভিন্ন সমস্যা মোকাবেলা করা সহজ হয়, মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়, সুন্দরভাবে জীবনযাপন করা যায়। ৪। ডানপাশের শব্দের সঙ্গে বামপাশের শব্দের মিল কর। দেখি রেডিও খবর শুনি খবরের কাগজ খবর পড়ি টেলিভিশন কথা বলি টেলিফোন উত্তর : দেখি – টেলিভিশন। খবর শুনি – রেডিও। খবর পড়ি – খবরের কাগজ। কথা বলি – টেলিফোন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১১ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ : ১) যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা তথ্য পেয়ে থাকি। ২) একমাত্র টেলিভিশনের মাধ্যমেই আমরা আবহাওয়ার খবর পেয়ে থাকি। ৩) প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারি। ৪) চিঠি লেখা যোগাযোগের একটি প্রক্রিয়া। ৫) প্রযুক্তির যত উন্নতি হবে আমাদের জীবনযাত্রা তত কঠিন হবে। ৬) খবরের কাগজ হলো তথ্য সরবরাহের মাধ্যম বা সিঁড়ি। উত্তর : ১) স, ২) মি, ৩) স, ৪) স, ৫) মি, ৬) স। >> বাম পাশের অংশের সাথে ডান পাশের অংশের মিল কর : ক) তথ্য আদান-প্রদান টেলিভিশন খ) ই-মেইল স্কুলের নোটিশ বোর্ড গ) পরীক্ষার সময়সূচি মোবাইল ফোন ঘ) ক্রিকেট খেলা দেখা তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে ঙ) খবরের কাগজ ইন্টারনেট উত্তর : ক) তথ্য আদান-প্রদান — মোবাইল। খ) ই-মেইল — ইন্টারনেট। গ) পরীক্ষার সময়সূচি — স্কুলের নোটিশ বোর্ড। ঘ) ক্রিকেট খেলা দেখা — টেলিভিশন। ঙ) খবরের কাগজ — তথ্য সরবরাহের মাধ্যম। >> শূন্যস্থান পূরণ কর : ১) যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা — পেয়ে থাকি। ২) তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া হলো —। ৩) দূরের কারো সাথে কথা বলতে — অথবা — ব্যবহার করি। ৪) — ব্যবহার করে ই-মেইলে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। ৫) আমরা আবহাওয়ার তথ্য পাই — বা — এর মাধ্যমে। উত্তর : ১) তথ্য, ২) যোগাযোগ, ৩) মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ৪) ইন্টারনেট, ৫) রেডিও, টেলিভিশন। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. তথ্য কী? উত্তর : তথ্য হচ্ছে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা ঘটনা সম্পর্কে জ্ঞান। ২. তথ্যের বিভিন্ন উৎসের নাম লেখ। উত্তর : তথ্যের বিভিন্ন উৎস হলোÑ রেডিও, টেলিভিশন, খবরের কাগজ, বই ইত্যাদি। ৩. সুন্দর জীবনযাপনের প্রধান শর্ত কী? উত্তর : সুন্দর জীবনযাপনের প্রধান শর্ত হলোÑ সঠিক তথ্য নিজে জানা এবং অন্যদের জানানো। ৪. তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া কী? উত্তর : তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া হলো যোগাযোগ। ৫. আমরা কী ভাবে যোগাযোগ করতে পারি? উত্তর : আমরা নানাভাবে যোগাযোগ করতে পারি যেমনÑ কথা বলা, সংকেত দেখানো, অঙ্গভঙ্গি করা, চিঠি লেখা ইত্যাদি। ৬. আমাদের প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণ কী? উত্তর : আমাদের প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণ হলো তথ্যের আদান-প্রদান করা। ৭. দূরের কারো সাথে কথা বলার জন্য আমরা কী ব্যবহার করে থাকি? উত্তর : দূরের কারো সাথে কথা বলার জন্য আমরা মোবাইল ফোন অথবা টেলিফোন ব্যবহার করে থাকি। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা কী পেয়ে থাকি? অনেক আগে মানুষ কীভাবে যোগাযোগ করতো? উত্তর : যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা তথ্য পেয়ে থাকি। অনেক আগে মানুষ ছবি আঁকা বা কথা বলার মাধ্যমে যোগাযোগ করতো। অনেক দূরে থাকা লোকজনের সঙ্গে নিজে গিয়ে অথবা কাউকে পাঠিয়ে যোগাযোগ করতো। তারা কবুতরের সাহায্যে বার্তা পাঠিয়ে, ধোঁয়ার সংকেত দিয়ে বা ঢোল বাজিয়েও যোগাযোগ করতো। ন্ধ যোগ্যতাভিত্তিক ২. তথ্য কাকে বলে? তুমি কেন তথ্য জানবে? সমুদ্র উপক‚লে বসবাসকারী বেশিরভাগ মানুষ কী কারণে তাদের কাছে রেডিও রাখে বলে তুমি মনে কর? উত্তর : তথ্য হচ্ছে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা ঘটনা সম্পর্কে জ্ঞান। নতুন কিছু শিখতে, কোনো বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে, ঘূর্ণিঝড় এবং অন্যান্য দুর্যোগ মোকাবিলা করতে আমাকে তথ্য জানতে হবে। ঝড়, সাইক্লোন, জলোচ্ছ¡াস বা অন্য কোনো দুর্যোগ কখন আসে তা আগে থেকে বলা যায় না। কিন্তু আবহাওয়া বিভাগ এসবের পূর্বাভাস জানতে পারে। রেডিওর মাধ্যমে তা সাথে সাথে জানা বলে সমুদ্র উপক‚লের মানুষজন তাদের সাথে রেডিও রাখে। ——————

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১১ তথ্য ও যোগাযোগ Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১০ প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয়

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১০ প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয়

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১০ প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১০ প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই প্রাচীনকালে পৃথিবীর মানুষ ছিল গুহাবাসী। নানা প্রতিক‚লতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে মানুষকে টিকে থাকতে হতো। তারা প্রকৃতি থেকে জ্ঞান আহরণ করে নানা প্রকার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে থাকে। এ সময় মানুষ দৈনন্দিন প্রয়োজনে শাবল, কোদাল, লাঙল, চাকা, আগুন, নৌকা ইত্যাদি উদ্ভাবন করে। ফলে মানুষের জীবনমান সহজতর হতে থাকে। সময়ের বিবর্তনে মানুষের জ্ঞান বাড়তে থাকে। এরপর মানুষ প্রযুক্তির উন্নতি করতে থাকে এবং উদ্ভাবন করে জাহাজ, লঞ্চ, উড়োজাহাজ, হেলিকপ্টার, বাস, ট্রাক, রেল, কলম, পেনসিল, কম্পিউটার ইত্যাদি। নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১০ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। (১) লাঙল একটি প্রযুক্তি যা — কাজে ব্যবহার হয়। (২) পাঠ্যপুস্তক একটি — প্রযুক্তি। (৩) যোগাযোগ ব্যবস্থাকে জল, স্থল এবং — এ তিন ভাগে ভাগ করা যায়। উত্তর : ১. কৃষি, ২. শিক্ষা, ৩. আকাশ। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। (১) কোনটি আধুনিক প্রযুক্তি? ক. কোদাল খ. লাঙল গ. কাস্তে চ ঘ. ট্রাক্টর (২) কোন প্রযুক্তিটি প্রথমে তৈরি হয়েছে? ক. কলম চ খ. কাগজ গ. বই ঘ. মুদ্রণযন্ত্র (৩) কোনটি যাতায়াত প্রযুক্তি? ক. কম্পিউটার খ. টেলিফোন চ গ. উড়োজাহাজ ঘ. ট্রাক্টর ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। (১) প্রযুক্তি কী ব্যাখ্যা কর। উত্তর : প্রযুক্তি হতে পারে একটি যন্ত্র, একটি হাতিয়ার বা কোনো পদ্ধতি, যা আমাদের কাজে লাগে। প্রযুক্তি আমাদের কোনো কাজ সহজে, তাড়াতাড়ি এবং ভালোভাবে করতে সাহায্য করে। প্রযুক্তি আমাদের জীবন অনেক সহজ করে দেয়। (২) প্রযুক্তি আমাদের যাতায়াতে কীভাবে সহায়তা করে? উত্তর : যাতায়াতে প্রযুক্তির ফলে আমরা খুব দ্রæত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারি এবং মালামাল পরিবহন করতে পারি। চাকা এবং ইঞ্জিন আবিষ্কারের ফলে মানুষ এখন খুব সহজে এবং খুব দ্রæত অনেক দূরে যেতে পারে। আকাশপথে আমরা অল্প সময়ে অনেক দূরে যেতে পারি এমনকি মানুষ এখন চাঁদেও যাচ্ছে। (৩) মানুষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে কেন? উত্তর : প্রযুক্তি আমাদের কোনো কাজকে সহজে, তাড়াতাড়ি এবং ভালোভাবে করতে সাহায্য করে। প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দেয়। প্রযুক্তি আমাদের জীবনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাত্রাকে আরামদায়ক ও নিরাপদ করে। তাই মানুষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। (৪) কৃষি ক্ষেত্রে ২টি প্রাচীন এবং দুইটি আধুনিক প্রযুক্তির নাম লেখ। উত্তর : কৃষি ক্ষেত্রে প্রাচীন প্রযুক্তি শাবল ও কোদাল কৃষি ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি ট্রাক্টর ও সেচ পাম্প ৪। ডানপাশের শব্দের সঙ্গে বামপাশের শব্দের মিল কর : পড়া চাষ করা যাতায়াত লেখা ট্রেন লাঙল পেনসিল বই উত্তর : পড়া – বই চাষ করা – লাঙল যাতায়াত – ট্রেন লেখা – পেনসিল ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১০ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ : ১) শ্রেণিকক্ষের বø্যাকবোর্ড একটি প্রযুক্তি। ২) মালামাল পরিবহন এবং মাছ চাষে প্রযুক্তির কোনো ভ‚মিকা নেই। ৩) প্রযুক্তি আমাদের জীবনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। ৪) প্রযুক্তির উন্নয়ন সবসময়ই হচ্ছে। ৫) শাবল, কোদাল ও লাঙল হলো আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি। উত্তর : ১) স, ২) মি, ৩) স, ৪) স, ৫) মি। >> বামপাশের সঙ্গে ডানপাশের অংশের মিল কর : ক) পেনসিল, পাঠ্যপুস্তক, খাতা ইত্যাদি যাতায়াত প্রযুক্তি খ) প্রযুক্তির উন্নতি জমি চাষাবাদের কাজ গ) স্থলপথ, জলপথ ও আকাশপথের প্রযুক্তি জীবনযাত্রার উন্নতি ঘ) গরু ও ঘোড়ার ব্যবহার আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ঙ) ট্রাক্টর ও সেচপাম্প শিক্ষা প্রযুক্তি উত্তর : ক) পেনসিল, পাঠ্যপুস্তক, খাতা ইত্যাদি-শিক্ষা প্রযুক্তি। খ) প্রযুক্তির উন্নতি – জীবনযাত্রার উন্নতি। গ) স্থলপথ, জলপথ ও আকাশপথের প্রযুক্তি – যাতায়াত প্রযুক্তি। ঘ) গরু ও ঘোড়ার ব্যবহার – জমি চাষাবাদের কাজ। ঙ) ট্রাক্টর ও সেচপাম্প – আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি। >> শূন্যস্থান পূরণ কর : ১) আধুনিককালে জমি চাষ করার জন্য — ব্যবহৃত হয়। ২) প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাত্রাকে — ও — করে। ৩) যাতায়াত প্রযুক্তিকে — ভাগে ভাগ করা যায়। ৪) — ও — আবিষ্কারের ফলে যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ ও দ্রæত হয়েছে। ৫) আকাশপথে চলাচলের জন্য উদ্ভাবিত হয়েছে — এবং —। ৬) মানুষ — ওপর তথ্য ও জ্ঞানের বিষয় লিখে রাখত। ৭) মানুষ ছাপার জন্য — উদ্ভাবন করেছে। উত্তর : ১) ট্রাক্টর, ২) আরামদায়ক, নিরাপদ, ৩) তিন, ৪) চাকা, ইঞ্জিন, ৫) উড়োজাহাজ, হেলিকপ্টার, ৬) কাগজের, ৭) মুদ্রণযন্ত্র। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. প্রযুক্তি কাকে বলে? উত্তর : বিজ্ঞানের আবিষ্কারকে মানুষের প্রয়োজনে উন্নয়ন ও যুগোপযোগী করাকে প্রযুক্তি বলে। ২. কৃষিকাজের আধুনিক প্রযুক্তিগুলো কী কী? উত্তর : কৃষিকাজের আধুনিক প্রযুক্তিগুলো হলোÑ বীজ রোপণ যন্ত্র, সেচপাম্প, ট্রাক্টর, বীজ বপন যন্ত্র, রাসায়নিক সার দেওয়ার কৌশল, উইডার, শস্য কাটার যন্ত্র ইত্যাদি। ৩. যাতায়াত প্রযুক্তি কত প্রকার ও কী কী? উত্তর : যাতায়াত প্রযুক্তি তিন প্রকার। যথাÑ স্থলপথ, জলপথ ও আকাশ। ৪. দুটি প্রযুক্তির নাম লেখ যার কারণে যাতায়াত প্রযুক্তি সহজ ও দ্রæততর হয়েছে। উত্তর : চাকা ও ইঞ্জিন আবিস্কারের কারণে যাতায়াত প্রযুক্তি সহজ ও দ্রæততর হয়েছে। ৫. শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহৃত আধুনিককালের কয়েকটি প্রযুক্তির নাম লেখ। উত্তর : শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহৃত আধুনিককালের কয়েকটি প্রযুক্তি হলো কম্পিউটার, প্রজেক্টর, ইন্টারনেট, ভিডিও ক্যামেরা ইত্যাদি। ৬. প্রাচীনকালে ব্যবহৃত কয়েকটি কৃষি প্রযুক্তির নাম লেখ। উত্তর : প্রাচীনকালে ব্যবহৃত কয়েকটি কৃষিপ্রযুক্তি হলো শাবল, কোদাল, কাস্তে ইত্যাদি। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. প্রযুক্তির উন্নয়ন কীভাবে হয়েছে? উত্তর : যাতায়াত, শিক্ষা ও কৃষির বিভিন্ন উপকরণ উদ্ভাবনের ফলে প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটছে। চাকা আবিষ্কারে যাতায়াতে বিরাট উন্নতি ঘটলেও ইঞ্জিন উদ্ভাবনে মানুষ এখন খুব সহজে এবং দ্রæত অনেক দূরে যেতে পারে। কাগজ ও মুদ্রণযন্ত্রের আবিষ্কার শিক্ষার প্রভ‚ত উন্নতি ঘটলেও এর সাথে কম্পিউটার ইন্টারনেট ইত্যাদি প্রযুক্তির ব্যবহার শিক্ষাকে আরো আকর্ষণীয় ও মানসম্মত করে তুলছে। কোদাল, কাস্তে ও লাঙলের পরিবর্তে ট্রাক্টর ও সেচ পাম্পের ব্যবহার কৃষি উৎপাদন বাড়তে সহায়তা করছে। এভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন নতুন জিনিস উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটায় আমাদের জীবনযাত্রা সহজ ও নিরাপদ হচ্ছে। ২. কৃষি, যোগাযোগ ও শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহৃত কয়েকটি প্রযুক্তির নাম লেখ। কয়েকটি প্রাচীন এবং আধুনিক প্রযুক্তির নাম লেখ। উত্তর : কৃষি প্রযুক্তি যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষা প্রযুক্তি ট্রাক্টর সাইকেল কলম লাঙল মোটরগাড়ি বই সেচব্যবস্থা হেলিকপ্টার টেপরেকর্ডার কাস্তে গরুর গাড়ি প্রজেক্টর শাবল পুল মুদ্রণযন্ত্র কোদাল উড়োজাহাজ বø্যাকবোর্ড নৌকা পেনসিল ভেলা ফেরি কয়েকটি প্রাচীন ও কয়েকটি আধুনিক প্রযুক্তির নাম নিচে দেওয়া হলোÑ প্রাচীন প্রযুক্তি আধুনিক প্রযুক্তি ১) পশুর চামড়ার পোশাক, শাবল, কোদাল। ১) জমিতে রাসায়নিক সার দেওয়ার কৌশল, সেচপাম্প, ট্রাক্টর। ২) পাথরের হাতিয়ার। ২) পেট্রোল ইঞ্জিন। ৩) গাছের বাকল ও পাতার পোশাক। ৩) টেলিভিশন, মোবাইল, মোটরগাড়ি। ৪) শীত থেকে রক্ষার জন্য আগুনের আবিষ্কার। ৪) কম্পিউটার, বাস, ট্রাক,

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ১০ প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৯ শক্তি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৯ শক্তি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৯ শক্তি পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৯ শক্তি >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই আমরা দৈনন্দিন জীবনে যা কিছু করি তার সবকিছুতেই শক্তির ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। শক্তির বিভিন্ন রূপ রয়েছে। শক্তি ব্যবহৃত হতে পারে আলো, তাপ বা বিদ্যুৎ রূপে। শক্তির সাহায্যে আমরা নানা রকম পরিবর্তন ঘটাতে পারি। শক্তি হচ্ছে পরিবর্তনের উৎস। তবে সব শক্তির উৎস আসলে সূর্যের আলো। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৯ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) তাপ, বিদ্যুৎ এবং আলো হচ্ছে —। ২) টেলিভিশন চলে — শক্তিতে। ৩) উদ্ভিদ — ব্যবহার করে নিজের খাদ্য তৈরি করে। ৪) দিয়াশলাই কাঠি জ্বালালে আমরা — ও — পাই। উত্তর : ১) নানা ধরনের শক্তি, ২) বিদ্যুৎ, ৩) সূর্যের আলো, ৪) আলো, তাপ। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। (১) কোনটি শক্তি? ক. টেলিভিশন খ. ফ্যান চ গ. আলো ঘ. কলম (২) কোনটি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চলে? ক. ঠেলাগাড়ি চ খ. রেডিও গ. সূর্য ঘ. বাষ্পীয় ইঞ্জিন ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। ১) শক্তি কী কী করতে পারে তার একটি তালিকা তৈরি কর। উত্তর : শক্তি নানা রকম পরিবর্তন ঘটায়। শক্তি ব্যবহারে যে সকল পরিবর্তন ঘটে তা নিচে উল্লেখ করা হলোÑ ক) কোনো জিনিসের স্থানে পরিবর্তন করতে পারে। খ) শব্দ সৃষ্টি করতে পারে। গ) আলো সৃষ্টি করতে পারে। ঘ) তাপ সৃষ্টি করতে পারে। ২) বিভিন্ন প্রকার শক্তির নাম লেখ। উত্তর : বিভিন্ন প্রকার শক্তি হলোÑ শব্দশক্তি, আলোকশক্তি, তাপশক্তি, বিদ্যুৎশক্তি, সৌরশক্তি ইত্যাদি। ৩) আলোক শক্তি আমাদের কী কী কাজে লাগে? উত্তর : আলোক শক্তি আমাদের বিভিন্ন কাজে লাগে। যে সকল কাজে আলোক শক্তি ব্যবহার হয় সেগুলো নিচে দেওয়া হলোÑ ক) এ শক্তির সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। খ) ঘর আলোকিত করার জন্য আলো ব্যবহার করা হয়। গ) উদ্ভিদ সূর্যের আলো ব্যবহার করে নিজের খাদ্য তৈরি করে। ৪) বিদ্যুৎ শক্তি কী কী ভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে বর্ণনা কর। উত্তর : বিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহার নিচে দেওয়া হলোÑ ক) বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালাতে, ফ্যান চালাতে, টেলিভিশন দেখতে বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করা। খ) রেডিও শুনতে এবং খেলনাগাড়ি চালাতেও বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। গ) রিফ্রিজারেটর ও কম্পিউটার চালাতে বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করা হয়। ৫) শীত অনুভব করলে আমরা হাতের তালু ঘষি কেন? উত্তর : শীত অনুভব করলে আমরা হাতের তালু ঘষি। কারণ হাতের তালু ঘষলে ঘষর্ণের দ্বারা তাপশক্তি তৈরি হয়। ফলে হাতের তালু গরম হয় এবং শীতের কষ্ট লাঘব হয়। ৪। ডানপাশের শব্দের সঙ্গে বামপাশের শব্দের মিল কর। তাপ আলো, তাপ ও বিদ্যুৎ মোমবাতি পানি ফোটানো শক্তি সূর্য শক্তির উৎস আলো ও তাপ সৃষ্টি উত্তর : তাপ – পানি ফোটানো মোমবাতি – আলো ও তাপ সৃষ্টি শক্তি – আলো, তাপ ও বিদ্যুৎ শক্তির উৎস – সূর্য   ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৯ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ : ১) সূর্যের আলো ছাড়া ফসলি উদ্ভিদ জন্মে না। ২) বিভিন্ন যন্ত্রপাতি চালাতে আমরা আলো ব্যবহার করি। ৩) সূর্য তাপের শক্তিশালী উৎস। ৪) তাপশক্তি আলো সৃষ্টি করতে পারে না। ৫) তাপশক্তি কোনো জিনিস নাড়াতে পারে। ৬) শক্তি প্রধানত তিনটি কাজ করতে পারে। উত্তর : ১) স, ২) মি, ৩) স, ৪) মি, ৫) স, ৬) মি। >> বামপাশের সঙ্গে ডানপাশের অংশের মিল কর। ক) ঘর আলোকিত রিফ্রিজারেটর ও কম্পিউটার খ) সূর্যের আলো তাপ গ) বিদ্যুৎ করার সামর্থ্য ঘ) কাঠ, কয়লা ও তেল ফসলি উদ্ভিদ ঙ) শক্তি জ্বলন্ত মোমবাতি উত্তর : ক) ঘর আলোকিত – জ্বলন্ত মোমবাতি। খ) সূর্যের আলো – ফসলি উদ্ভিদ। গ) বিদ্যুৎ – রিফ্রিজারেটর ও কম্পিউটার। ঘ) কাঠ, কয়লা ও তেল – তাপ। ঙ) শক্তি – করার সামর্থ্য। >> শূন্যস্থান পূরণ কর : ১) — শক্তির সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ২) সূর্যের আলো ছাড়া — ফলে না। ৩) বিদ্যুৎ আমরা পাই — অথবা আমাদের বাড়ির বৈদ্যুতিক লাইন থেকে। ৪) — জিনিসকে গরম করে। ৫) সূর্য তাপের — উৎস। ৬) শক্তি প্রধানত — কাজ করতে পারে। ৭) — ব্যবহার করে ট্রেন ও জাহাজ চলে। ৮) — আলো ছড়ায়। ৯) তাপশক্তিও — সৃষ্টি করতে পারে। ১০) কাপড় ইস্ত্রির সময় — তাপ সৃষ্টি করে। উত্তর : ১) আলোক, ২) ফসলি উদ্ভিদ, ৩) ব্যাটারি, ৪) তাপশক্তি, ৫) শক্তিশালী, ৬) চারটি, ৭) বাষ্পের শক্তি, ৮) টেলিভিশন, ৯) আলো, ১০) বিদ্যুৎশক্তি। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. তোমাদের বাড়িতে ব্যবহৃত শক্তি কোন কোন কাজে ব্যবহার হয়? উত্তর : আমাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালাই ও ফ্যান চালাই। টেলিভিশন দেখি ও রেডিও শুনি। গ্যাস জ্বালিয়ে যে তাপশক্তি পাই তা দিয়ে মা রান্নাবান্নার কাজ করেন। বিদ্যুৎশক্তি ব্যবহার করে আমরা রিফ্রিজারেটর ও কম্পিউটার চালাই এবং সূর্যের তাপশক্তির সাহায্যে কাপড় শুকাই। ২. সূর্যের আলো ছাড়া ফসলি উদ্ভিদ জন্মে না কেন? উত্তর : সূর্য আলোর প্রধান উৎস। উদ্ভিদ তথা ফসলি উদ্ভিদ সূর্যের আলো ব্যবহার করে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করে। তাই সূর্যের আলো ছাড়া ফসলি উদ্ভিদ জন্মে না। ৩. তাপশক্তি আমাদের কী কী উপকার করে? উত্তর : তাপশক্তি আমাদের অনেক উপকার করে। এটি জিনিসকে গরম করে। খাবার রান্না করতে, কাপড় শুকাতে এবং নিজেদেরকে গরম রাখতে আমরা তাপশক্তি ব্যবহার করি। কাঠ, কয়লা, তেল ও গ্যাস জ্বালিয়ে পাওয়া তাপশক্তি রান্না-বান্না ছাড়াও বিভিন্ন উৎপাদনমূলক কাজে ব্যবহার করা হয়। ৪. শক্তি বলতে কী বোঝায়? উত্তর : কোনো কিছু করার সামর্থ্য হচ্ছে শক্তি। যেমন- তাপ এক প্রকার শক্তি, যা দিয়ে কোনো জিনিসকে গরম করা, কাপড় শুকানো ও রান্না-বান্নার কাজ করা হয়। ৫. তাপশক্তি কোনো জিনিসকে কীভাবে নাড়ায়? উদাহরণ দিয়ে বোঝাও। উত্তর : তাপ এক প্রকার শক্তি। যেমনÑ পানিতে উত্তাপ দিলে বাষ্প তৈরি হয়। বাষ্পের শক্তি ব্যবহার করে ট্রেন ও জাহাজ চলে। এভাবে তাপ শক্তি কোনো জিনিসকে নাড়িয়ে থাকে। ৬. শক্তি কীভাবে আলো সৃষ্টি করে? উত্তর : শক্তির কাজ করার সামর্থ্য আছে। এক শক্তি অন্য শক্তিতে পরিবর্তিত হয়। যেমনÑ বৈদ্যুতিক বাতি এবং টর্চ বিদ্যুৎশক্তি ব্যবহার করে আলো ছড়ায়। আবার বিদ্যুৎ চালিত টেলিভিশনে ছবি দেখা যায়। এক্ষেত্রেও বিদ্যুৎশক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. আমরা কীভাবে শক্তি ব্যবহার করি? উত্তর : কোনো কিছু করতে হলেই শক্তি ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে আলো, বিদ্যুৎ ও তাপকে বিভিন্ন কাজে আমরা শক্তি হিসেবে ব্যবহার করি। চারপাশের জিনিসকে দেখা, ঘরকে আলোকিত করা ও উদ্ভিদের খাদ্য তৈরি করা ইত্যাদি কাজে শক্তি হিসেবে আলো ব্যবহার হয়। বিভিন্ন যন্ত্রপাতি চালাতে শক্তি হিসেবে বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়। খাবার রান্না, কাপড় শুকানো এবং কোনো জিনিসকে গরম রাখতে শক্তি হিসেবে তাপ ব্যবহার করা

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৯ শক্তি Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ স্বাস্থ্যবিধি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ স্বাস্থ্যবিধি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ স্বাস্থ্যবিধি পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ স্বাস্থ্যবিধি >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রত্যেক মানুষেরই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। কিন্তু চারপাশে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য রোগজীবাণু আমাদের দেহে প্রবেশ করে আমাদের অসুস্থ করে তোলে। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের যতœ নিতে হবে। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ঘুম থেকে উঠে হাত, মুখ, চোখ ভালোভাবে ধুতে হবে, নিয়মিত দাঁত মাজতে হবে। ঘরবাড়ির ভেতর ও ঘরের আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। পাশাপাশি নিজের বিদ্যালয়ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। স্যান্ডেল পায়ে শৌচাগারে যেতে হবে। পচা ও বাসি খাবার খাওয়া যাবে না। এই নিয়মগুলো মেনে চললে ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড, জন্ডিস ও বিভিন্ন চর্মরোগ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) শরীরে — প্রবেশ করলে আমরা অসুস্থ হই। ২) স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য — খেতে হবে। ৩) ময়লা আবর্জনা — বা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। ৪) শরীর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে আমাদের — হবে। উত্তর : ১) রোগজীবাণু , ২) সুষম খাদ্য, ৩) ডাস্টবিন, ৪) রোগ। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। ১) রোগ প্রতিরোধের জন্য কোন অভ্যাসটি ভালো? ক. বেশি খাবার খাওয়া চ খ. নিয়মিত হাত ধোয়া গ. দেরিতে ঘুমানো ঘ. খোলা খাবার খাওয়া ২) শরীর সুস্থ রাখার জন্য কোনটি ভালো? চ ক. প্রয়োজন মতো বিশ্রাম ও ঘুম খ. কঠোর পরিশ্রম গ. বেশি করে ওষুধ খাওয়া ঘ. বেশি বেশি খাবার খাওয়া ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। ১) টয়লেট ব্যবহার করার পর তোমার কী করা উচিত লেখ। উত্তর : টয়লেট ব্যবহার করার পর আমাদের পরিষ্কার পানি এবং সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া উচিত। ২) আমাদের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দুইটি উপায় লেখ। উত্তর : আমাদের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দুটি উপায় নিচে দেওয়া হলো- ক) রান্নাঘরের আবর্জনা, কলার খোসা এবং কাগজের টুকরো ডাস্টবিন অথবা কোনো নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। খ) টয়লেট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং টয়লেট ব্যবহারের পর সাবান ও নিরাপদ পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে। ৩) কীভাবে হাত ধুতে হয় বর্ণনা কর। উত্তর : খাবার আগে, খাবার তৈরির আগে এবং টয়লেট ব্যবহার করার পর পরিষ্কার নিরাপদ পানি এবং সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। সাবান হাতে লাগিয়ে হাতের তালু ও হাতের উল্টা পিঠে ভালোভাবে ঘষতে হবে এবং পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। ৪) অসুখ থেকে বাঁচার চারটি ভালো অভ্যাস লেখ। উত্তর : অসুখ থেকে ভালো থাকার চারটি ভালো অভ্যাস হলো- ক) আমাদের শরীর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। খ) খাবার আগে, খাবার তৈরির আগে এবং টয়লেট ব্যবহারের পর আমাদের হাত সাবান এবং নিরাপদ পানি দিয়ে ধুতে হবে। গ) পান করা, খাদ্য তৈরি এবং গোসলের জন্য পরিষ্কার এবং নিরাপদ পানি ব্যবহার করতে হবে। ঘ) রোগব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে আমাদের চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ৫) কোথায় কোথায় রোগজীবাণু থাকে? উত্তর : সব জায়গায় জীবাণু ছড়িয়ে আছে। যেমনÑ চেয়ার, টেবিল, বেঞ্চ, দরজার হাতল, টয়লেটের জিনিসপত্র ইত্যাদিতে রোগজীবাণু থাকে। এছাড়াও মশা, মাছি এবং হাঁচি কাশির মাধ্যমে রোগজীবাণু ছড়ায়। ৬) সুস্থ থাকার জন্য কেন পরিচ্ছন্ন পরিবেশ প্রয়োজন? উত্তর : অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে রোগজীবাণু ছড়িয়ে থাকে। এ পরিবেশে সুস্থদেহও রোগজীবাণুর আক্রমণে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরিবেশ পরিচ্ছন্ন থাকলে রোগজীবাণু সহজে বিস্তার লাভ করতে পারে না। ফলে রোগজীবাণু ছড়ানো বন্ধ থাকায় দেহ সুস্থ থাকে। তাই সুস্থ থাকার জন্য পরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিকল্প নেই। ৪। তীর চিহ্ন দিয়ে চিত্রগুলো যুক্ত করে দেখাও কীভাবে রোগজীবাণু ছড়ায়। উত্তর :   ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ। ১) জীবাণু আমাদের শরীরে রোগ সৃষ্টি করে। ২) স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। ৩) হাঁচি কাশির মাধ্যমে রোগজীবাণু ছড়ায়। ৪) রোগ প্রতিরোধের জন্য টয়লেট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত। ৫) দেহের ভেতর জীবাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে মানুষ সুস্থ থাকে। উত্তর : ১) স, ২) স, ৩) স, ৪) স, ৫) মি। >> বাম পাশের অংশের সাথে ডান পাশের অংশের মিল কর : ক) রোগজীবাণু দেহ সুস্থ রাখে। খ) আমাদের দেহ রোগজীবাণু ছড়ায়। গ) সুষম খাদ্য রোগ সৃষ্টি করে। ঘ) মশা, মাছি সাবান পানিতে হাত ধোয়া উচিত। ঙ) টয়লেট ব্যবহারের পর জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। উত্তর : ক) রোগজীবাণু – রোগ সৃষ্টি করে। খ) আমাদের দেহ – জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। গ) সুষম খাদ্য – দেহ সুস্থ রাখে। ঘ) মশা, মাছি – রোগজীবাণু ছড়ায়। ঙ) টয়লেট ব্যবহারের পর – সাবান পানিতে হাত ধোয়া উচিত। >> শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) — হাত মুখে দিলে জীবাণু দেহে ঢুকতে পারে। ২) — খাদ্য খেলে আমাদের রোগ সারে। ৩) খাওয়ার — দাঁত ব্রাশ করতে হবে। ৪) — পানি আমাদের রোগ সৃষ্টি করতে পারে। ৫) গোসলের জন্য — পানি ব্যবহার করতে হবে। উত্তর : ১) অপরিষ্কার, ২) পুষ্টিযুক্ত, ৩) পর , ৪) দূষিত, ৫) নিরাপদ। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. রোগ জীবাণু দ্বারা আমাদের কীভাবে রোগ হয়? উত্তর : দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে, ময়লা হাতে চোখ ঘষলে বা অপরিষ্কার হাত মুখে দিলে রোগজীবাণু দেহে ঢুকতে পারে। দেহের ভেতরে রোগ জীবাণু যখন সংখ্যায় বৃদ্ধি পায় তখন আমাদের রোগ হয়। ২. রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার দুটি উপায় লেখ। উত্তর : রোগ জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার দুটি উপায় হলো Ñ ক) হাঁচি কাশির মাধ্যমে বাতাসে জীবাণু এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। খ) পোকা মাকড় যেমনÑ মশা, মাছি ইত্যাদিও রোগ জীবাণু ছড়ায়। ৩. শরীরের যতœ নেওয়ার দুটি উপায় লেখ। উত্তর : শরীরের যতœ নেওয়ার দুটি উপায় হলো Ñ ক) খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করা। খ) রোজ সাবান দিয়ে পরিষ্কার পানিতে গোসল করা। ৪. আমাদের কখন হাত ধোয়া উচিত? উত্তর : খাবার আগে, খাবার তৈরির আগে এবং টয়লেট ব্যবহারের পরে পরিষ্কার পানিতে সাবান দিয়ে আমাদের হাত ধোয়া উচিত। ৫. পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দুটি উপায় লেখ। উত্তর : পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দুটি উপায় হলো- ক) রান্নাঘরের আবর্জনা, কলার খোসা এবং কাগজের টুকরো ডাস্টবিন অথবা কোনো নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা। খ) নিয়মিত টয়লেট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. কয়েকটি রোগের নাম লেখ। আমরা কীভাবে অসুস্থ হই? উত্তর : কয়েকটি রোগের নাম Ñ ক) উদরাময়, খ) আমাশয়, গ) টাইফয়েড, ঘ) বসন্ত, ঙ) কলেরা, চ) য²া। আমাদের চারপাশে অসংখ্য অদৃশ্য জীবাণু ছড়িয়ে আছে। কোনো কোনো জীবাণু মানুষের রোগ সৃষ্টি করে। দূষিত পানি পান করলে বা দূষিত খাবার খেলে রোগজীবাণু আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। ময়লা হাতে চোখ ঘষলে বা অপরিষ্কার হাত মুখে দিলেও জীবাণু দেহে ঢুকতে পারে।

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ স্বাস্থ্যবিধি Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ খাদ্য

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ খাদ্য

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ খাদ্য পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ খাদ্য >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই শরীর সুস্থ ও সবল রাখার জন্য আমাদের খাদ্যের প্রয়োজন। খাবার ছাড়া কোনো জীব বেশি দিন বেঁচে থাকতে পারে না। তবে শুধু খাবার খেলেই চলবে না, এর পুষ্টিগুণ বিচার করে সঠিক পরিমাণে খেতে হবে। খাদ্যে আমিষ, শর্করা, স্নেহ জাতীয় খাবার ছাড়াও পানি, ভিটামিন ও খনিজ লবণের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করতে হবে। এসব উপাদান শরীরের বৃদ্ধি ঘটায়, ক্ষয় পূরণ করে, শরীরে শক্তি জোগায় ও বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে রক্ষা করে। মৌসুমি ফল ও সবজি সংরক্ষণ করে আমরা সারা বছর খেতে পারি। তবে খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখতে সংরক্ষণ প্রক্রিয়া অবশ্যই যথাযথ হতে হবে। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। (১) দেহের বৃদ্ধি ও বেঁচে থাকার জন্য আমাদের — প্রয়োজন। (২) সবজিতে প্রচুর পরিমাণে — ও — রয়েছে। (৩) আমাদের খাদ্যের প্রধান উপাদানগুলো হচ্ছে —, — এবং —। (৪) দেহের প্রয়োজনীয় উপাদান — খাদ্যে পাওয়া যায়। উত্তর : ১) খাদ্য, ২) ভিটামিন, খনিজ লবণ, ৩) আমিষ, শর্করা, চর্বি, ৪) সুষম। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। (১) আমিষের প্রধান কাজ কী? ক. শক্তি যোগান খ. দুর্বলতা দূর করা গ. রোগ প্রতিরোধ করা চ ঘ. দেহের গঠন ও বৃদ্ধি (২) গ্রীষ্মকালীন ফল কোনটি? ক. কলা খ. বরই চ গ. লিচু ঘ. জলপাই (৩) অধিক আমিষের উৎস কোনটি? ক. লাউ খ. কুমড়া চ গ. ডাল ঘ. আলু ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। (১) ফল ও সবজি আমাদের কেন খাওয়া প্রয়োজন? উত্তর : বিভিন্ন ফল এবং শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ লবণ বিদ্যমান। ভিটামিন ও খনিজ লবণ আমাদের দেহকে কর্মক্ষম ও সুস্থ রাখে। তাই স্বাস্থ্য ভালো রাখা ও রোগ প্রতিরোধের জন্য আমাদের নিয়মিত ফল ও সবজি খাওয়া প্রয়োজন। (২) ভিটামিন আমাদের দেহে কী কাজ করে? উত্তর : বিভিন্ন ফল এবং শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য উপাদান ভিটামিন পাওয়া যায়। ভিটামিন আমাদের দেহ কর্মক্ষম ও সুস্থ রাখে। এছাড়া এটি দেহে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলে আমাদেরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে। (৩) সুষম খাদ্য কেন গ্রহণ করতে হয়? উত্তর : সুষম খাদ্য হলো সেই খাদ্য যাতে আমাদের দেহের প্রয়োজনীয় সকল উপাদান পরিমাণ মতো থাকে। এ খাদ্যে আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ লবণ প্রয়োজনীয় পরিমাণে থাকতে হবে। আমাদের দেহে খাদ্যের সকল উপাদানের কাজ এ খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সুষম খাদ্য আমাদের দেহ সুস্থ রাখে এবং শক্তিশালী করে। এছাড়া এটি দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটায় এবং রোগের সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে। আর এজন্যই আমাদেরকে সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হয়। (৪) খাদ্য সংরক্ষণের দুইটি উপায় লেখ। উত্তর : খাদ্য সংরক্ষণের দুইটি উপায় হলোÑ ক) শুকিয়ে : রোদে বা চুলার আগুনে শুকিয়ে খাদ্য সংরক্ষণ করা যায়। যেমনÑ ফল, মাছ, মাংস ও ডাল ইত্যাদি। খ) বোতলজাত/টিনজাত করে : খাদ্যদ্রব্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট সময় ধরে উত্তপ্ত করে বোতলে ভরে সংরক্ষণ করা যায়। যেমনÑ ফল, সবজি, মাংস, রান্না করা খাবার ইত্যাদি। (৫) পুষ্টি কী তা ব্যাখ্যা কর। উত্তর : পুষ্টি হলো জীবদেহের বৃদ্ধি ও বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপাদান। আমরা খাদ্য থেকে পুষ্টি পেয়ে থাকি। মানুষ ও অন্যান্য সকল প্রাণীরই খাদ্যের প্রয়োজন। কারণ মানুষ তার খাদ্য থেকে প্রয়োজনীয় শক্তি পেয়ে থাকে। আর খাদ্য আমাদের বৃদ্ধি ও কাজ করার প্রয়োজনীয় শক্তির জোগান দেয়। আমিষ, শর্করা ও চর্বি পুষ্টির প্রধান উপাদান হলেও ভিটামিন ও খনিজ লবণও এটির উপাদান। (৬) তিনটি বারোমাসি ফলের নাম লেখ। উত্তর : তিনটি বারোমাসি ফল হলোÑ ১) পেঁপে ২) কলা ও ৩) নারিকেল ৪। ডানপাশের শব্দের সঙ্গে বামপাশের শব্দের মিল কর। আমিষ পনির ভিটামিন চাউল চর্বি রোগ প্রতিরোধ শর্করা মাছ উত্তর : আমিষ-মাছ। ভিটামিন-রোগ প্রতিরোধ। চর্বি-পনির। শর্করা-চাউল। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ। ১) কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি আমরা আমিষ থেকে পেয়ে থাকি। ২) খাদ্য গ্রহণ, হজম ও শরীরের শোষণের কাজে নিরাপদ পানি পান করা প্রয়োজন। ৩) ডাল আমিষ জাতীয় খাদ্য। ৪) উদ্ভিদজাত সয়াবিন তেলে চর্বি নেই। ৫) পেঁপে, কলা ও নারিকেল বারোমাসি ফল। উত্তর : ১) মি, ২) স, ৩) স, ৪) মি, ৫) স। >> বাম পাশের অংশের সাথে ডান পাশের অংশের মিল কর। ক) গ্রীষ্মকালীন ফল কলা খ) বারোমাসি ফল মাছ, মাংস গ) শীতকালীন ফল কাঁঠাল ঘ) আমিষ বরই উত্তর : ক) গ্রীষ্মকালীন ফল – কাঁঠাল। খ) বারোমাসি ফল – কলা। গ) শীতকালীন ফল – বরই। ঘ) আমিষ – মাছ, মাংস। >> শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) প্রাণী খাদ্য হিসাবে — বা অন্য কোনো প্রাণী খেয়ে থাকে। ২) খাদ্য আমাদের বৃদ্ধি এবং কাজ করার — জোগায়। ৩) শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে — আছে। ৪) উদ্ভিদজাত সয়াবিন তেলে — রয়েছে। ৫) — ও — আমাদের দেহ কর্মক্ষম ও সুস্থ রাখে। ৬) দামি অথবা কম দামি সব খাদ্যেই — আছে। ৭) স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য — খাওয়া প্রয়োজন। ৮) শশা, পানি কচু, করলা — সবজি। ৯) — কারণে খাবার পচে। ১০) — মাধ্যমে খাদ্য নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করা যায়। উত্তর : ১) উদ্ভিদ, ২) প্রয়োজনীয় শক্তি, ৩) আমিষ, ৪) চবির্, ৫) ভিটামিন, খনিজ লবণ, ৬) পরিমিত পুষ্টিমান, ৭) ফল, ৮) গ্রীষ্মকালীন, ৯) জীবাণুর, ১০) সংরক্ষণের। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. আমরা কেন খাবার খাই? উত্তর : শরীর সুস্থ ও সবল রাখার জন্য আমরা খাবার খাই। ২. পুষ্টি উপাদান প্রধানত কয়টি ও কী কী? উত্তর : পুষ্টির উপাদান প্রধানত তিনটি। যথাÑ ১) আমিষ, ২) শর্করা ও ৩) চর্বি। ৩. আমিষের দুইটি কাজ লেখ। উত্তর : আমিষের দুইটি কাজ হলোÑ ক) দেহ গঠন করে। খ) দেহের মাংসপেশির ক্ষয়পূরণ করে। ৪. পানি পান করার প্রয়োজনীয়তা কী? উত্তর : খাদ্য হজম এবং তা দেহে শোষণের জন্য পরিমাণমতো নিরাপদ পানি পান করা প্রয়োজন। ৫. সুষম খাদ্য বলতে কী বোঝ? উত্তর : যে খাদ্যে আমাদের দেহের প্রয়োজনীয় সকল উপাদান পরিমাণমতো থাকে সেই খাদ্যকে সুষম খাদ্য বলে। ৬. তিনটি বারোমাসি শাকের নাম লেখ। উত্তর : তিনটি বারোমাসি শাক হলো লালশাক, কলমিশাক ও কচুশাক। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. সুষম খাদ্যের ২টি উপকারিতা লেখ। এর অভাবজনিত ৫টি লক্ষণ উল্লেখ কর। উত্তর : সুষম খাদ্যের উপকারিতাÑ ক) দেহ সুস্থ রাখে ও শক্তিশালী করে। খ) দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটায় এবং রোগের আক্রমণ কমায়। সুষম খাদ্যের অভাবজনিত ৫টি লক্ষণ হলোÑ ১) দেহে প্রত্যেক পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দেখা দেয়। ২) দেহের স্বাভাবিক গঠন

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ খাদ্য Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ বায়ু

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ বায়ু

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ বায়ু পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ বায়ু >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই পরিবেশের অতি প্রয়োজনীয় কিন্তু অদৃশ্য উপাদান হচ্ছে বায়ু। বায়ুমণ্ডল আমাদের পৃথিবীকে ঘিরে আছে। নানা রকম গ্যাসের মিশ্রণে বায়ু গঠিত। বায়ুতে প্রধানত নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প থাকে। বায়ুতে অক্সিজেন না থাকলে আমরা বেঁচে থাকতে পারতাম না। আগুন জ্বালানোর জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে কার্বন ডাইঅক্সাইড লাগে। বায়ুর নাইট্রোজেন মাটির সাথে মিশে উদ্ভিদের পাতার সবুজ অংশ তৈরিতে সহায়তা করে। মানুষ নানাভাবে বায়ু দূষিত করে। যেমনÑ মোটরগাড়ি ও কলকারখানার ধোঁয়া, সিগারেটের ধোঁয়া, ইটের ভাটার ধোঁয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও বসন্ত রোগীর দেহের জীবাণু বায়ুকে দূষিত করে। গাড়ির কালো ধোঁয়া রোধ করে, পায়ে হেঁটে অথবা সাইকেলে চলাচল করে, ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলে বায়ু দূষণ রোধ করা যায়। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। (১) গাড়ির — বায়ু দূষিত করে। (২) বৈদ্যুতিক বাতিতে — ব্যবহার করা হয়। (৩) আগুন নেভাতে — ব্যবহার হয়। (৪) গাড়ির চাকায় — ব্যবহার করা হয়। (৫) পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে — রোধ করা যায়। উত্তর : (১) ধোঁয়া, (২) নাইট্রোজেন, (৩) কার্বন ডাই অক্সাইড, (৪) বায়ু, (৫) বায়ু দূষণ। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। (১) উদ্ভিদ কার্বন ডাইঅক্সাইড কী কাজে ব্যবহার করে? চ ক. খাদ্য তৈরিতে খ. বৃদ্ধিতে গ. ফুল ফোটাতে ঘ. ফল উৎপাদনে (২) প্রাণীর শ্বাসকার্যে কোন গ্যাস প্রয়োজন? ক. কার্বন ডাইঅক্সাইড চ খ. অক্সিজেন গ. নাইট্রোজেন ঘ. জলীয় বাষ্প (৩) সারের কোন উপাদান উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সহায়ক? ক. কার্বন ডাইঅক্সাইড খ. অক্সিজেন চ গ. নাইট্রোজেন ঘ. পানি ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। ১) আমাদের চারপাশে বায়ু আছে এমন তিনটি উদাহরণ দাও। উত্তর : আমাদের চারপাশে আমরা বিভিন্নভাবে বায়ুর উপস্থিতি অনুভব করি। এর তিনটি উদাহরণ নিচে দেওয়া হলোÑ ১) বাতাসে ফুলানো ব্যাগ পানির ভেতরে নিয়ে বায়ু ছেড়ে দিলে বুদবুদ হয়ে উপরে উঠে আসে। ২) হাত নাড়ালে আমাদের গায়ে বাতাস লাগে। ৩) নৌকার পালে বাতাস লাগলে নৌকা চলে। ২) বায়ুর চারটি উপাদানের নাম লেখ। উত্তর : বায়ুতে বিভিন্ন উপাদান আছে। এর মধ্যে চারটি উপাদান হলো : ১) নাইট্রোজেন, ২) অক্সিজেন, ৩) কার্বন ডাইঅক্সাইড ও ৪) জলীয় বাষ্প। ৩) বায়ুদূষণ প্রতিরোধ করার তিনটি উপায় লেখ। উত্তর : বায়ুদূষণ প্রতিরোধের তিনটি উপায় হলোÑ ১) পায়ে হেঁটে অথবা সাইকেলে চলাচল করা। ২) ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা। ৩) মোটরগাড়ি এবং কলকারখানার কালো ধোঁয়া রোধ করা। ৪। বামপাশের শব্দের সঙ্গে ডানপাশের শব্দের মিল কর। সার আগুন নেভানো প্রাণীর শ্বাস-প্রশ্বাস আলুর চিপসের প্যাকেট সোডা, কোমল পানীয় অক্সিজেন কার্বন ডাইঅক্সাইড নাইট্রোজেন উত্তর : সার – নাইট্রোজেন। আগুন নেভানো – কার্বন ডাইঅক্সাইড। প্রাণীর শ্বাস-প্রশ্বাস – অক্সিজেন। আলুর চিপসের প্যাকেট – নাইট্রোজেন। সোডা, কোমল পানীয় – কার্বন ডাইঅক্সাইড। তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ বায়ু অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ : ১) জীবের বেঁচে থাকার জন্য বায়ু প্রয়োজন। ২) বায়ু পরিবেশের একটি উপাদান। ৩) সবখানেই বায়ু আছে। ৪) আলুর চিপস জাতীয় খাদ্যের প্যাকেটে অক্সিজেন ব্যবহৃত হয়। ৫) দূষিত বায়ু হৃদরোগের কারণ হতে পারে। উত্তর : ১) স, ২) স, ৩) স, ৪) মি, ৫) স। >> বাম পাশের অংশের সাথে ডান পাশের অংশের মিল কর : ক) বায়ু উপাদান হলো কার্বন ডাই অক্সাইড। খ) হাতপাখা নাড়ালে বায়ু দূষিত হয়। গ) বায়ুর বায়ুর উপস্থিতি বোঝা যায়। ঘ) সিগারেটের ধোঁয়ায় জীবের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন। ঙ) অক্সিজেন দেখা যায় না। উত্তর : ক) বায়ু দেখা যায় না। খ) হাতপাখা নাড়ালে বায়ুর উপস্থিতি বোঝা যায়। গ) বায়ুর উপাদান হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড। ঘ) সিগারেটের ধোঁয়ায় বায়ু দূষিত হয়। ঙ) অক্সিজেন জীবের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন। >> শূন্যস্থান পূরণ কর : ১) বায়ুভর্তি ব্যাগ পানির ভেতরে নিয়ে ছেড়ে দিলে বায়ু — হয়ে উপরে উঠে আসে। ২) উদ্ভিদ — তৈরিতে বায়ু ব্যবহার করে। ৩) প্রাণী বেঁচে থাকার জন্য — উপর নির্ভর করে। ৪) বৈদ্যুতিক বাতির বাল্বে — ব্যবহার করা হয়। ৫) বায়ু দূষণ প্রতিরোধ করে আমরা বায়ু — রাখতে পারি। উত্তর : ১) বুদবুদ, ২) খাদ্য, ৩) অক্সিজেনের, ৪) নাইট্রোজেন, ৫) পরিষ্কার। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. কোন গ্যাস কোনোকিছু জ্বলতে সাহায্য করে? উত্তর : অক্সিজেন গ্যাস কোনোকিছু জ্বলতে সাহায্য করে। ২. আগুন নেভানোর যন্ত্রে কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়? উত্তর : আগুন নেভানোর যন্ত্রে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস ব্যবহৃত হয়। ৩. উদ্ভিদের কোন অংশে খাদ্য তৈরি হয়? উত্তর : উদ্ভিদের সবুজ পাতায় খাদ্য তৈরি হয়। ৪. উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়? উত্তর : উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস ব্যবহৃত হয়। ৫. আমাদের চারপাশে বায়ুর উপস্থিতির দুটি ঘটনা লেখ। উত্তর : বায়ুর উপস্থিতি বোঝার জন্য অনেক ঘটনা রয়েছে। এরূপ দুটি ঘটনা হলো- ১) হাতপাখা ব্যবহার করে বায়ুর উপস্থিতি বোঝা যায়। ২) বায়ু প্রবাহ উইন্ডমিলের চাকা ঘুরিয়ে বায়ুর উপস্থিতি প্রমাণ করে। ৬. বায়ুর তিনটি উপাদানের নাম লেখ। উত্তর : বায়ুর তিনটি উপাদান হলোÑ নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড। ৭. বায়ু ব্যবহারের দুটি উদাহরণ দাও। উত্তর : মানুষ বিভিন্নভাবে বায়ু ব্যবহার করে। যেমনÑ ১) সাইকেল ও গাড়ির চাকায় বায়ু ব্যবহার করা হয়। ২) বায়ুপ্রবাহ উইন্ডমিলের চাকা ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ তৈরিতে সহায়তা করে। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. বায়ুর উপস্থিতি অনুভব করার দুটি ব্যবস্থা লেখ। বায়ুর তিনটি উপাদানের দুটি করে ব্যবহার লেখ। উত্তর : বায়ুর উপস্থিতি অনুভব করার দুটি ব্যবস্থা হলো- ১) বাতাসে ফোলানো ব্যাগ পানির ভেতরে নিয়ে বায়ু ছেড়ে দিলে তা বুদবুদ হয়ে উপরে উঠে আসে। ২) হাত নাড়ালে আমাদের গায়ে বাতাস লাগে। বায়ুর তিনটি উপাদানের দুটি করে ব্যবহার হলো- বায়ুর উপাদান আমাদের জীবনে এর ব্যবহার অক্সিজেন র) প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন আবশ্যক। রর) আগুন জ্বালাতে অক্সিজেন প্রয়োজন। কার্বন ডাইঅক্সাইড র) উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে দরকার। রর) আগুন নেভাতে ব্যবহৃত হয়। নাইট্রোজেন র) সার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। রর) বৈদ্যুতিক বাল্বে ব্যবহৃত হয়। ২. বায়ু দূষণের কারণগুলো লেখ। উত্তর : নানা কারণে বায়ু দূষিত হয়। নিচে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হলোÑ ১) ইটের ভাটা, কলকারখানা, বাস, রেলগাড়ি ইত্যাদির কালো ধোঁয়া বায়ুতে মিশে বায়ু দূষিত করে। ২) সিগারেটের ধোঁয়া বায়ুকে দূষিত করে। ৩) আগুনের ছাই ও ধোঁয়া বায়ু দূষিত করে। ৪) যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেললে ও মলমূত্র ত্যাগ করলে বায়ু দূষিত হয়। ৩. বায়ু দূষণ প্রতিরোধের উপায়গুলো লিখ। উত্তর : বায়ু দূষণ প্রতিরোধের উপায়গুলো নিচে উল্লেখ করা হলোÑ ১) পরিবেশবান্ধব ইটের ভাটা, কল-কারখানা নির্মাণ করতে হবে। ২) সিগারেট খাওয়া বন্ধ করতে হবে। ৩) ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ বায়ু Read More »

Scroll to Top