তৃতীয় শ্রেণি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ স্বাস্থ্যবিধি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ স্বাস্থ্যবিধি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ স্বাস্থ্যবিধি পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ স্বাস্থ্যবিধি >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রত্যেক মানুষেরই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। কিন্তু চারপাশে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য রোগজীবাণু আমাদের দেহে প্রবেশ করে আমাদের অসুস্থ করে তোলে। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের যতœ নিতে হবে। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ঘুম থেকে উঠে হাত, মুখ, চোখ ভালোভাবে ধুতে হবে, নিয়মিত দাঁত মাজতে হবে। ঘরবাড়ির ভেতর ও ঘরের আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। পাশাপাশি নিজের বিদ্যালয়ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। স্যান্ডেল পায়ে শৌচাগারে যেতে হবে। পচা ও বাসি খাবার খাওয়া যাবে না। এই নিয়মগুলো মেনে চললে ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড, জন্ডিস ও বিভিন্ন চর্মরোগ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) শরীরে — প্রবেশ করলে আমরা অসুস্থ হই। ২) স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য — খেতে হবে। ৩) ময়লা আবর্জনা — বা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। ৪) শরীর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে আমাদের — হবে। উত্তর : ১) রোগজীবাণু , ২) সুষম খাদ্য, ৩) ডাস্টবিন, ৪) রোগ। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। ১) রোগ প্রতিরোধের জন্য কোন অভ্যাসটি ভালো? ক. বেশি খাবার খাওয়া চ খ. নিয়মিত হাত ধোয়া গ. দেরিতে ঘুমানো ঘ. খোলা খাবার খাওয়া ২) শরীর সুস্থ রাখার জন্য কোনটি ভালো? চ ক. প্রয়োজন মতো বিশ্রাম ও ঘুম খ. কঠোর পরিশ্রম গ. বেশি করে ওষুধ খাওয়া ঘ. বেশি বেশি খাবার খাওয়া ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। ১) টয়লেট ব্যবহার করার পর তোমার কী করা উচিত লেখ। উত্তর : টয়লেট ব্যবহার করার পর আমাদের পরিষ্কার পানি এবং সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া উচিত। ২) আমাদের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দুইটি উপায় লেখ। উত্তর : আমাদের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দুটি উপায় নিচে দেওয়া হলো- ক) রান্নাঘরের আবর্জনা, কলার খোসা এবং কাগজের টুকরো ডাস্টবিন অথবা কোনো নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। খ) টয়লেট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং টয়লেট ব্যবহারের পর সাবান ও নিরাপদ পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে। ৩) কীভাবে হাত ধুতে হয় বর্ণনা কর। উত্তর : খাবার আগে, খাবার তৈরির আগে এবং টয়লেট ব্যবহার করার পর পরিষ্কার নিরাপদ পানি এবং সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। সাবান হাতে লাগিয়ে হাতের তালু ও হাতের উল্টা পিঠে ভালোভাবে ঘষতে হবে এবং পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। ৪) অসুখ থেকে বাঁচার চারটি ভালো অভ্যাস লেখ। উত্তর : অসুখ থেকে ভালো থাকার চারটি ভালো অভ্যাস হলো- ক) আমাদের শরীর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। খ) খাবার আগে, খাবার তৈরির আগে এবং টয়লেট ব্যবহারের পর আমাদের হাত সাবান এবং নিরাপদ পানি দিয়ে ধুতে হবে। গ) পান করা, খাদ্য তৈরি এবং গোসলের জন্য পরিষ্কার এবং নিরাপদ পানি ব্যবহার করতে হবে। ঘ) রোগব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে আমাদের চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ৫) কোথায় কোথায় রোগজীবাণু থাকে? উত্তর : সব জায়গায় জীবাণু ছড়িয়ে আছে। যেমনÑ চেয়ার, টেবিল, বেঞ্চ, দরজার হাতল, টয়লেটের জিনিসপত্র ইত্যাদিতে রোগজীবাণু থাকে। এছাড়াও মশা, মাছি এবং হাঁচি কাশির মাধ্যমে রোগজীবাণু ছড়ায়। ৬) সুস্থ থাকার জন্য কেন পরিচ্ছন্ন পরিবেশ প্রয়োজন? উত্তর : অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে রোগজীবাণু ছড়িয়ে থাকে। এ পরিবেশে সুস্থদেহও রোগজীবাণুর আক্রমণে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরিবেশ পরিচ্ছন্ন থাকলে রোগজীবাণু সহজে বিস্তার লাভ করতে পারে না। ফলে রোগজীবাণু ছড়ানো বন্ধ থাকায় দেহ সুস্থ থাকে। তাই সুস্থ থাকার জন্য পরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিকল্প নেই। ৪। তীর চিহ্ন দিয়ে চিত্রগুলো যুক্ত করে দেখাও কীভাবে রোগজীবাণু ছড়ায়। উত্তর :   ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ। ১) জীবাণু আমাদের শরীরে রোগ সৃষ্টি করে। ২) স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। ৩) হাঁচি কাশির মাধ্যমে রোগজীবাণু ছড়ায়। ৪) রোগ প্রতিরোধের জন্য টয়লেট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত। ৫) দেহের ভেতর জীবাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে মানুষ সুস্থ থাকে। উত্তর : ১) স, ২) স, ৩) স, ৪) স, ৫) মি। >> বাম পাশের অংশের সাথে ডান পাশের অংশের মিল কর : ক) রোগজীবাণু দেহ সুস্থ রাখে। খ) আমাদের দেহ রোগজীবাণু ছড়ায়। গ) সুষম খাদ্য রোগ সৃষ্টি করে। ঘ) মশা, মাছি সাবান পানিতে হাত ধোয়া উচিত। ঙ) টয়লেট ব্যবহারের পর জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। উত্তর : ক) রোগজীবাণু – রোগ সৃষ্টি করে। খ) আমাদের দেহ – জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। গ) সুষম খাদ্য – দেহ সুস্থ রাখে। ঘ) মশা, মাছি – রোগজীবাণু ছড়ায়। ঙ) টয়লেট ব্যবহারের পর – সাবান পানিতে হাত ধোয়া উচিত। >> শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) — হাত মুখে দিলে জীবাণু দেহে ঢুকতে পারে। ২) — খাদ্য খেলে আমাদের রোগ সারে। ৩) খাওয়ার — দাঁত ব্রাশ করতে হবে। ৪) — পানি আমাদের রোগ সৃষ্টি করতে পারে। ৫) গোসলের জন্য — পানি ব্যবহার করতে হবে। উত্তর : ১) অপরিষ্কার, ২) পুষ্টিযুক্ত, ৩) পর , ৪) দূষিত, ৫) নিরাপদ। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. রোগ জীবাণু দ্বারা আমাদের কীভাবে রোগ হয়? উত্তর : দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে, ময়লা হাতে চোখ ঘষলে বা অপরিষ্কার হাত মুখে দিলে রোগজীবাণু দেহে ঢুকতে পারে। দেহের ভেতরে রোগ জীবাণু যখন সংখ্যায় বৃদ্ধি পায় তখন আমাদের রোগ হয়। ২. রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার দুটি উপায় লেখ। উত্তর : রোগ জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার দুটি উপায় হলো Ñ ক) হাঁচি কাশির মাধ্যমে বাতাসে জীবাণু এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। খ) পোকা মাকড় যেমনÑ মশা, মাছি ইত্যাদিও রোগ জীবাণু ছড়ায়। ৩. শরীরের যতœ নেওয়ার দুটি উপায় লেখ। উত্তর : শরীরের যতœ নেওয়ার দুটি উপায় হলো Ñ ক) খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করা। খ) রোজ সাবান দিয়ে পরিষ্কার পানিতে গোসল করা। ৪. আমাদের কখন হাত ধোয়া উচিত? উত্তর : খাবার আগে, খাবার তৈরির আগে এবং টয়লেট ব্যবহারের পরে পরিষ্কার পানিতে সাবান দিয়ে আমাদের হাত ধোয়া উচিত। ৫. পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দুটি উপায় লেখ। উত্তর : পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দুটি উপায় হলো- ক) রান্নাঘরের আবর্জনা, কলার খোসা এবং কাগজের টুকরো ডাস্টবিন অথবা কোনো নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা। খ) নিয়মিত টয়লেট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. কয়েকটি রোগের নাম লেখ। আমরা কীভাবে অসুস্থ হই? উত্তর : কয়েকটি রোগের নাম Ñ ক) উদরাময়, খ) আমাশয়, গ) টাইফয়েড, ঘ) বসন্ত, ঙ) কলেরা, চ) য²া। আমাদের চারপাশে অসংখ্য অদৃশ্য জীবাণু ছড়িয়ে আছে। কোনো কোনো জীবাণু মানুষের রোগ সৃষ্টি করে। দূষিত পানি পান করলে বা দূষিত খাবার খেলে রোগজীবাণু আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। ময়লা হাতে চোখ ঘষলে বা অপরিষ্কার হাত মুখে দিলেও জীবাণু দেহে ঢুকতে পারে।

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৮ স্বাস্থ্যবিধি Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ খাদ্য

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ খাদ্য

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ খাদ্য পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ খাদ্য >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই শরীর সুস্থ ও সবল রাখার জন্য আমাদের খাদ্যের প্রয়োজন। খাবার ছাড়া কোনো জীব বেশি দিন বেঁচে থাকতে পারে না। তবে শুধু খাবার খেলেই চলবে না, এর পুষ্টিগুণ বিচার করে সঠিক পরিমাণে খেতে হবে। খাদ্যে আমিষ, শর্করা, স্নেহ জাতীয় খাবার ছাড়াও পানি, ভিটামিন ও খনিজ লবণের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করতে হবে। এসব উপাদান শরীরের বৃদ্ধি ঘটায়, ক্ষয় পূরণ করে, শরীরে শক্তি জোগায় ও বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে রক্ষা করে। মৌসুমি ফল ও সবজি সংরক্ষণ করে আমরা সারা বছর খেতে পারি। তবে খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখতে সংরক্ষণ প্রক্রিয়া অবশ্যই যথাযথ হতে হবে। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। (১) দেহের বৃদ্ধি ও বেঁচে থাকার জন্য আমাদের — প্রয়োজন। (২) সবজিতে প্রচুর পরিমাণে — ও — রয়েছে। (৩) আমাদের খাদ্যের প্রধান উপাদানগুলো হচ্ছে —, — এবং —। (৪) দেহের প্রয়োজনীয় উপাদান — খাদ্যে পাওয়া যায়। উত্তর : ১) খাদ্য, ২) ভিটামিন, খনিজ লবণ, ৩) আমিষ, শর্করা, চর্বি, ৪) সুষম। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। (১) আমিষের প্রধান কাজ কী? ক. শক্তি যোগান খ. দুর্বলতা দূর করা গ. রোগ প্রতিরোধ করা চ ঘ. দেহের গঠন ও বৃদ্ধি (২) গ্রীষ্মকালীন ফল কোনটি? ক. কলা খ. বরই চ গ. লিচু ঘ. জলপাই (৩) অধিক আমিষের উৎস কোনটি? ক. লাউ খ. কুমড়া চ গ. ডাল ঘ. আলু ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। (১) ফল ও সবজি আমাদের কেন খাওয়া প্রয়োজন? উত্তর : বিভিন্ন ফল এবং শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ লবণ বিদ্যমান। ভিটামিন ও খনিজ লবণ আমাদের দেহকে কর্মক্ষম ও সুস্থ রাখে। তাই স্বাস্থ্য ভালো রাখা ও রোগ প্রতিরোধের জন্য আমাদের নিয়মিত ফল ও সবজি খাওয়া প্রয়োজন। (২) ভিটামিন আমাদের দেহে কী কাজ করে? উত্তর : বিভিন্ন ফল এবং শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য উপাদান ভিটামিন পাওয়া যায়। ভিটামিন আমাদের দেহ কর্মক্ষম ও সুস্থ রাখে। এছাড়া এটি দেহে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলে আমাদেরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে। (৩) সুষম খাদ্য কেন গ্রহণ করতে হয়? উত্তর : সুষম খাদ্য হলো সেই খাদ্য যাতে আমাদের দেহের প্রয়োজনীয় সকল উপাদান পরিমাণ মতো থাকে। এ খাদ্যে আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ লবণ প্রয়োজনীয় পরিমাণে থাকতে হবে। আমাদের দেহে খাদ্যের সকল উপাদানের কাজ এ খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সুষম খাদ্য আমাদের দেহ সুস্থ রাখে এবং শক্তিশালী করে। এছাড়া এটি দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটায় এবং রোগের সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে। আর এজন্যই আমাদেরকে সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হয়। (৪) খাদ্য সংরক্ষণের দুইটি উপায় লেখ। উত্তর : খাদ্য সংরক্ষণের দুইটি উপায় হলোÑ ক) শুকিয়ে : রোদে বা চুলার আগুনে শুকিয়ে খাদ্য সংরক্ষণ করা যায়। যেমনÑ ফল, মাছ, মাংস ও ডাল ইত্যাদি। খ) বোতলজাত/টিনজাত করে : খাদ্যদ্রব্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট সময় ধরে উত্তপ্ত করে বোতলে ভরে সংরক্ষণ করা যায়। যেমনÑ ফল, সবজি, মাংস, রান্না করা খাবার ইত্যাদি। (৫) পুষ্টি কী তা ব্যাখ্যা কর। উত্তর : পুষ্টি হলো জীবদেহের বৃদ্ধি ও বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপাদান। আমরা খাদ্য থেকে পুষ্টি পেয়ে থাকি। মানুষ ও অন্যান্য সকল প্রাণীরই খাদ্যের প্রয়োজন। কারণ মানুষ তার খাদ্য থেকে প্রয়োজনীয় শক্তি পেয়ে থাকে। আর খাদ্য আমাদের বৃদ্ধি ও কাজ করার প্রয়োজনীয় শক্তির জোগান দেয়। আমিষ, শর্করা ও চর্বি পুষ্টির প্রধান উপাদান হলেও ভিটামিন ও খনিজ লবণও এটির উপাদান। (৬) তিনটি বারোমাসি ফলের নাম লেখ। উত্তর : তিনটি বারোমাসি ফল হলোÑ ১) পেঁপে ২) কলা ও ৩) নারিকেল ৪। ডানপাশের শব্দের সঙ্গে বামপাশের শব্দের মিল কর। আমিষ পনির ভিটামিন চাউল চর্বি রোগ প্রতিরোধ শর্করা মাছ উত্তর : আমিষ-মাছ। ভিটামিন-রোগ প্রতিরোধ। চর্বি-পনির। শর্করা-চাউল। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ। ১) কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি আমরা আমিষ থেকে পেয়ে থাকি। ২) খাদ্য গ্রহণ, হজম ও শরীরের শোষণের কাজে নিরাপদ পানি পান করা প্রয়োজন। ৩) ডাল আমিষ জাতীয় খাদ্য। ৪) উদ্ভিদজাত সয়াবিন তেলে চর্বি নেই। ৫) পেঁপে, কলা ও নারিকেল বারোমাসি ফল। উত্তর : ১) মি, ২) স, ৩) স, ৪) মি, ৫) স। >> বাম পাশের অংশের সাথে ডান পাশের অংশের মিল কর। ক) গ্রীষ্মকালীন ফল কলা খ) বারোমাসি ফল মাছ, মাংস গ) শীতকালীন ফল কাঁঠাল ঘ) আমিষ বরই উত্তর : ক) গ্রীষ্মকালীন ফল – কাঁঠাল। খ) বারোমাসি ফল – কলা। গ) শীতকালীন ফল – বরই। ঘ) আমিষ – মাছ, মাংস। >> শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) প্রাণী খাদ্য হিসাবে — বা অন্য কোনো প্রাণী খেয়ে থাকে। ২) খাদ্য আমাদের বৃদ্ধি এবং কাজ করার — জোগায়। ৩) শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে — আছে। ৪) উদ্ভিদজাত সয়াবিন তেলে — রয়েছে। ৫) — ও — আমাদের দেহ কর্মক্ষম ও সুস্থ রাখে। ৬) দামি অথবা কম দামি সব খাদ্যেই — আছে। ৭) স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য — খাওয়া প্রয়োজন। ৮) শশা, পানি কচু, করলা — সবজি। ৯) — কারণে খাবার পচে। ১০) — মাধ্যমে খাদ্য নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করা যায়। উত্তর : ১) উদ্ভিদ, ২) প্রয়োজনীয় শক্তি, ৩) আমিষ, ৪) চবির্, ৫) ভিটামিন, খনিজ লবণ, ৬) পরিমিত পুষ্টিমান, ৭) ফল, ৮) গ্রীষ্মকালীন, ৯) জীবাণুর, ১০) সংরক্ষণের। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. আমরা কেন খাবার খাই? উত্তর : শরীর সুস্থ ও সবল রাখার জন্য আমরা খাবার খাই। ২. পুষ্টি উপাদান প্রধানত কয়টি ও কী কী? উত্তর : পুষ্টির উপাদান প্রধানত তিনটি। যথাÑ ১) আমিষ, ২) শর্করা ও ৩) চর্বি। ৩. আমিষের দুইটি কাজ লেখ। উত্তর : আমিষের দুইটি কাজ হলোÑ ক) দেহ গঠন করে। খ) দেহের মাংসপেশির ক্ষয়পূরণ করে। ৪. পানি পান করার প্রয়োজনীয়তা কী? উত্তর : খাদ্য হজম এবং তা দেহে শোষণের জন্য পরিমাণমতো নিরাপদ পানি পান করা প্রয়োজন। ৫. সুষম খাদ্য বলতে কী বোঝ? উত্তর : যে খাদ্যে আমাদের দেহের প্রয়োজনীয় সকল উপাদান পরিমাণমতো থাকে সেই খাদ্যকে সুষম খাদ্য বলে। ৬. তিনটি বারোমাসি শাকের নাম লেখ। উত্তর : তিনটি বারোমাসি শাক হলো লালশাক, কলমিশাক ও কচুশাক। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. সুষম খাদ্যের ২টি উপকারিতা লেখ। এর অভাবজনিত ৫টি লক্ষণ উল্লেখ কর। উত্তর : সুষম খাদ্যের উপকারিতাÑ ক) দেহ সুস্থ রাখে ও শক্তিশালী করে। খ) দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটায় এবং রোগের আক্রমণ কমায়। সুষম খাদ্যের অভাবজনিত ৫টি লক্ষণ হলোÑ ১) দেহে প্রত্যেক পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দেখা দেয়। ২) দেহের স্বাভাবিক গঠন

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৭ খাদ্য Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ বায়ু

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ বায়ু

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ বায়ু পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ বায়ু >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই পরিবেশের অতি প্রয়োজনীয় কিন্তু অদৃশ্য উপাদান হচ্ছে বায়ু। বায়ুমণ্ডল আমাদের পৃথিবীকে ঘিরে আছে। নানা রকম গ্যাসের মিশ্রণে বায়ু গঠিত। বায়ুতে প্রধানত নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প থাকে। বায়ুতে অক্সিজেন না থাকলে আমরা বেঁচে থাকতে পারতাম না। আগুন জ্বালানোর জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে কার্বন ডাইঅক্সাইড লাগে। বায়ুর নাইট্রোজেন মাটির সাথে মিশে উদ্ভিদের পাতার সবুজ অংশ তৈরিতে সহায়তা করে। মানুষ নানাভাবে বায়ু দূষিত করে। যেমনÑ মোটরগাড়ি ও কলকারখানার ধোঁয়া, সিগারেটের ধোঁয়া, ইটের ভাটার ধোঁয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও বসন্ত রোগীর দেহের জীবাণু বায়ুকে দূষিত করে। গাড়ির কালো ধোঁয়া রোধ করে, পায়ে হেঁটে অথবা সাইকেলে চলাচল করে, ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলে বায়ু দূষণ রোধ করা যায়। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। (১) গাড়ির — বায়ু দূষিত করে। (২) বৈদ্যুতিক বাতিতে — ব্যবহার করা হয়। (৩) আগুন নেভাতে — ব্যবহার হয়। (৪) গাড়ির চাকায় — ব্যবহার করা হয়। (৫) পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে — রোধ করা যায়। উত্তর : (১) ধোঁয়া, (২) নাইট্রোজেন, (৩) কার্বন ডাই অক্সাইড, (৪) বায়ু, (৫) বায়ু দূষণ। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। (১) উদ্ভিদ কার্বন ডাইঅক্সাইড কী কাজে ব্যবহার করে? চ ক. খাদ্য তৈরিতে খ. বৃদ্ধিতে গ. ফুল ফোটাতে ঘ. ফল উৎপাদনে (২) প্রাণীর শ্বাসকার্যে কোন গ্যাস প্রয়োজন? ক. কার্বন ডাইঅক্সাইড চ খ. অক্সিজেন গ. নাইট্রোজেন ঘ. জলীয় বাষ্প (৩) সারের কোন উপাদান উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সহায়ক? ক. কার্বন ডাইঅক্সাইড খ. অক্সিজেন চ গ. নাইট্রোজেন ঘ. পানি ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। ১) আমাদের চারপাশে বায়ু আছে এমন তিনটি উদাহরণ দাও। উত্তর : আমাদের চারপাশে আমরা বিভিন্নভাবে বায়ুর উপস্থিতি অনুভব করি। এর তিনটি উদাহরণ নিচে দেওয়া হলোÑ ১) বাতাসে ফুলানো ব্যাগ পানির ভেতরে নিয়ে বায়ু ছেড়ে দিলে বুদবুদ হয়ে উপরে উঠে আসে। ২) হাত নাড়ালে আমাদের গায়ে বাতাস লাগে। ৩) নৌকার পালে বাতাস লাগলে নৌকা চলে। ২) বায়ুর চারটি উপাদানের নাম লেখ। উত্তর : বায়ুতে বিভিন্ন উপাদান আছে। এর মধ্যে চারটি উপাদান হলো : ১) নাইট্রোজেন, ২) অক্সিজেন, ৩) কার্বন ডাইঅক্সাইড ও ৪) জলীয় বাষ্প। ৩) বায়ুদূষণ প্রতিরোধ করার তিনটি উপায় লেখ। উত্তর : বায়ুদূষণ প্রতিরোধের তিনটি উপায় হলোÑ ১) পায়ে হেঁটে অথবা সাইকেলে চলাচল করা। ২) ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা। ৩) মোটরগাড়ি এবং কলকারখানার কালো ধোঁয়া রোধ করা। ৪। বামপাশের শব্দের সঙ্গে ডানপাশের শব্দের মিল কর। সার আগুন নেভানো প্রাণীর শ্বাস-প্রশ্বাস আলুর চিপসের প্যাকেট সোডা, কোমল পানীয় অক্সিজেন কার্বন ডাইঅক্সাইড নাইট্রোজেন উত্তর : সার – নাইট্রোজেন। আগুন নেভানো – কার্বন ডাইঅক্সাইড। প্রাণীর শ্বাস-প্রশ্বাস – অক্সিজেন। আলুর চিপসের প্যাকেট – নাইট্রোজেন। সোডা, কোমল পানীয় – কার্বন ডাইঅক্সাইড। তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ বায়ু অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ : ১) জীবের বেঁচে থাকার জন্য বায়ু প্রয়োজন। ২) বায়ু পরিবেশের একটি উপাদান। ৩) সবখানেই বায়ু আছে। ৪) আলুর চিপস জাতীয় খাদ্যের প্যাকেটে অক্সিজেন ব্যবহৃত হয়। ৫) দূষিত বায়ু হৃদরোগের কারণ হতে পারে। উত্তর : ১) স, ২) স, ৩) স, ৪) মি, ৫) স। >> বাম পাশের অংশের সাথে ডান পাশের অংশের মিল কর : ক) বায়ু উপাদান হলো কার্বন ডাই অক্সাইড। খ) হাতপাখা নাড়ালে বায়ু দূষিত হয়। গ) বায়ুর বায়ুর উপস্থিতি বোঝা যায়। ঘ) সিগারেটের ধোঁয়ায় জীবের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন। ঙ) অক্সিজেন দেখা যায় না। উত্তর : ক) বায়ু দেখা যায় না। খ) হাতপাখা নাড়ালে বায়ুর উপস্থিতি বোঝা যায়। গ) বায়ুর উপাদান হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড। ঘ) সিগারেটের ধোঁয়ায় বায়ু দূষিত হয়। ঙ) অক্সিজেন জীবের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন। >> শূন্যস্থান পূরণ কর : ১) বায়ুভর্তি ব্যাগ পানির ভেতরে নিয়ে ছেড়ে দিলে বায়ু — হয়ে উপরে উঠে আসে। ২) উদ্ভিদ — তৈরিতে বায়ু ব্যবহার করে। ৩) প্রাণী বেঁচে থাকার জন্য — উপর নির্ভর করে। ৪) বৈদ্যুতিক বাতির বাল্বে — ব্যবহার করা হয়। ৫) বায়ু দূষণ প্রতিরোধ করে আমরা বায়ু — রাখতে পারি। উত্তর : ১) বুদবুদ, ২) খাদ্য, ৩) অক্সিজেনের, ৪) নাইট্রোজেন, ৫) পরিষ্কার। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. কোন গ্যাস কোনোকিছু জ্বলতে সাহায্য করে? উত্তর : অক্সিজেন গ্যাস কোনোকিছু জ্বলতে সাহায্য করে। ২. আগুন নেভানোর যন্ত্রে কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়? উত্তর : আগুন নেভানোর যন্ত্রে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস ব্যবহৃত হয়। ৩. উদ্ভিদের কোন অংশে খাদ্য তৈরি হয়? উত্তর : উদ্ভিদের সবুজ পাতায় খাদ্য তৈরি হয়। ৪. উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়? উত্তর : উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস ব্যবহৃত হয়। ৫. আমাদের চারপাশে বায়ুর উপস্থিতির দুটি ঘটনা লেখ। উত্তর : বায়ুর উপস্থিতি বোঝার জন্য অনেক ঘটনা রয়েছে। এরূপ দুটি ঘটনা হলো- ১) হাতপাখা ব্যবহার করে বায়ুর উপস্থিতি বোঝা যায়। ২) বায়ু প্রবাহ উইন্ডমিলের চাকা ঘুরিয়ে বায়ুর উপস্থিতি প্রমাণ করে। ৬. বায়ুর তিনটি উপাদানের নাম লেখ। উত্তর : বায়ুর তিনটি উপাদান হলোÑ নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড। ৭. বায়ু ব্যবহারের দুটি উদাহরণ দাও। উত্তর : মানুষ বিভিন্নভাবে বায়ু ব্যবহার করে। যেমনÑ ১) সাইকেল ও গাড়ির চাকায় বায়ু ব্যবহার করা হয়। ২) বায়ুপ্রবাহ উইন্ডমিলের চাকা ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ তৈরিতে সহায়তা করে। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. বায়ুর উপস্থিতি অনুভব করার দুটি ব্যবস্থা লেখ। বায়ুর তিনটি উপাদানের দুটি করে ব্যবহার লেখ। উত্তর : বায়ুর উপস্থিতি অনুভব করার দুটি ব্যবস্থা হলো- ১) বাতাসে ফোলানো ব্যাগ পানির ভেতরে নিয়ে বায়ু ছেড়ে দিলে তা বুদবুদ হয়ে উপরে উঠে আসে। ২) হাত নাড়ালে আমাদের গায়ে বাতাস লাগে। বায়ুর তিনটি উপাদানের দুটি করে ব্যবহার হলো- বায়ুর উপাদান আমাদের জীবনে এর ব্যবহার অক্সিজেন র) প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন আবশ্যক। রর) আগুন জ্বালাতে অক্সিজেন প্রয়োজন। কার্বন ডাইঅক্সাইড র) উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে দরকার। রর) আগুন নেভাতে ব্যবহৃত হয়। নাইট্রোজেন র) সার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। রর) বৈদ্যুতিক বাল্বে ব্যবহৃত হয়। ২. বায়ু দূষণের কারণগুলো লেখ। উত্তর : নানা কারণে বায়ু দূষিত হয়। নিচে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হলোÑ ১) ইটের ভাটা, কলকারখানা, বাস, রেলগাড়ি ইত্যাদির কালো ধোঁয়া বায়ুতে মিশে বায়ু দূষিত করে। ২) সিগারেটের ধোঁয়া বায়ুকে দূষিত করে। ৩) আগুনের ছাই ও ধোঁয়া বায়ু দূষিত করে। ৪) যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেললে ও মলমূত্র ত্যাগ করলে বায়ু দূষিত হয়। ৩. বায়ু দূষণ প্রতিরোধের উপায়গুলো লিখ। উত্তর : বায়ু দূষণ প্রতিরোধের উপায়গুলো নিচে উল্লেখ করা হলোÑ ১) পরিবেশবান্ধব ইটের ভাটা, কল-কারখানা নির্মাণ করতে হবে। ২) সিগারেট খাওয়া বন্ধ করতে হবে। ৩) ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৬ বায়ু Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ মাটি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ মাটি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ মাটি পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ মাটি >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই মানুষ তার জন্মের পর থেকে শুরু করে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাটির উপর নির্ভরশীল। গাছপালা, পশু-পাখি, স্কুল ও বাড়ি সবকিছুই মাটির উপর দাঁড়িয়ে আছে। পৃথিবীর প্রায় এক ভাগ মাটি এবং বাকি তিন ভাগ পানি। মাটিতে জন্মানো উদ্ভিদ থেকে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর খাদ্য আসে। মাটি হলো কতগুলো জীব ও জড় পদার্থের মিশ্রণ। অজৈব ও জৈব পদার্থ, পানি, বায়ু, খনিজ লবণ এবং ব্যাকটেরিয়া দ্বারা মাটি গঠিত। কণার আকার অনুযায়ী মাটি তিন প্রকার, যেমনÑ বেলে মাটি, দোআঁশ মাটি ও এঁটেল মাটি। বেলে মাটিতে তরমুজ, চিনাবাদাম, ফুটি, খিরা, শশা প্রভৃতি ভালো জন্মে। দোআঁশ মাটিতে ধান, গম, ভুট্টা, যব, পাট, আখ ইত্যাদি ভালো জন্মে। এছাড়া এঁটেল মাটি কাঁঠাল ও গজারি গাছের জন্য উপযোগী। অর্থাৎ মাটির ধরনের উপর ফসল চাষে বৈচিত্র্য ও সফলতা নির্ভর করে। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। (১) মাটি তিন ভাগে ভাগ করা যায়; এঁটেল মাটি, বেলে মাটি এবং —-। (২) যে মাটির কণা সবচেয়ে বড় তা হলো —-। (৩) যে মাটিতে বালু, কাদা এবং হিউমাস থাকে তাকে —- বলে। উত্তর : (১) দোআঁশ মাটি, (২) বেলে মাটি, (৩) দোআঁশ মাটি। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। (১) শিম এবং কাঁঠাল কোন মাটিতে ভালো জন্মায়? ক. বেলে মাটি খ. দোআঁশ মাটি চ গ. এঁটেল মাটি ঘ. লোনা মাটি (২) তরমুজ ও চিনাবাদাম কোন মাটিতে ভালো জন্মায়? ক. লোনা মাটি চ খ. বেলে মাটি গ. এঁটেল মাটি ঘ. দোআঁশ মাটি ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। (১) দোআঁশ মাটিতে ফসল ভালো জন্মায় কেন? উত্তর : দোআঁশ মাটিতে বালু, কাদা ও হিউমাস মিশে থাকে। বালু ও কাদা থাকার কারণে এ মাটি পানি এবং মাটির অন্যান্য উপাদান ধরে রাখতে পারে। এ মাটিতে পানি জমে না থাকলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে বায়ু থাকে। এসব কারণে দোআঁশ মাটিতে ফসল ভালো জন্মায়। (২) বেলে মাটির বৈশিষ্ট্যগুলো কী? উত্তর : বেলে মাটির বৈশিষ্ট্যগুলো হলোÑ ১) বেলে মাটি হালকা বাদামি থেকে হালকা ধূসর রঙের হয়। ২) এর কণাগুলো এঁটেল ও দোআঁশ মাটির কণার চেয়ে বড়। ৩) বালুকণার ফাঁকে প্রচুর বায়ু থাকে। ৪) মাটি শুকনা এবং হাতে ধরলে দানাময় লাগে। ৫) কণার ফাঁক দিয়ে পানির সাথে মাটির প্রয়োজনীয় উপাদন বের হয়ে যায়। (৩) দোআঁশ মাটি এবং এঁটেল মাটির মধ্যে দুইটি পার্থক্য লেখ। উত্তর : দোআঁশ মাটি এবং এঁটেল মাটির মধ্যে দুইটি পার্থক্য হলোÑ দোআঁশ মাটি এঁটেল মাটি ১) পানি ধারণ ক্ষমতা মাঝারি। ১) পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। ২) ধান, গম, ভুট্টা, যব, পাট ইত্যাদি ভালো জন্মে। ২) শিম ও কাঁঠাল ভালো জন্মে। ৪। বামপাশের শব্দের সঙ্গে ডানপাশের শব্দের মিল কর। এঁটেল মাটি হিউমাস বেলে মাটি তরমুজ দোআঁশ মাটি কাঁঠাল উদ্ভিদ ও প্রাণীর মরা-পচা অংশ ধান উত্তর : এঁটেল মাটি – কাঁঠাল। বেলে মাটি – তরমুজ। দোআঁশ মাটি – ধান। উদ্ভিদ ও প্রাণীর মরা-পচা অংশ – হিউমাস। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ : ১) হিউমাস হচ্ছে অজৈব পদার্থ। ২) বেলে মাটিতে বালিকণার ফাঁকে প্রচুর বায়ু থাকে। ৩) শুষ্ক মৌসুমে এঁটেল মাটিতে চাষ করা সহজ। ৪) মাটি হচ্ছে পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণ। ৫) এঁটেল মাটির রং কালো। ৬) বেলে মাটির কণা সবচেয়ে ছোট। ৭) উদ্ভিদ মাটিতে জন্মায়। ৮) উদ্ভিদ ও প্রাণীর মৃতদেহের পচা অংশ মাটিতে থাকে। ৯) এঁটেল মাটি হাতে ধরলে দানাময় লাগে। ১০) দোআঁশ মাটিতে বালি, কাদা এবং হিউমাস থাকে। উত্তর : ১) মি, ২) স, ৩) মি, ৪) স, ৫) মি, ৬) মি, ৭) স, ৮) স, ৯) মি, ১০) স। য় বামপাশের অংশের সাথে ডানপাশের অংশের মিল কর : ১) আখ বেলে মাটি ২) শশা এঁটেল মাটি ৩) ফুলদানি, বাটি, ঘটি ক্ষুদ্র জীব ৪) চর এলাকা দোআঁশ মাটি ৫) ব্যাকটেরিয়া বেলে মাটি উত্তর : ১) আখ – দোআঁশ মাটি। ২) শশা – বেলেমাটি। ৩) ফুলদানি, বাটি, ঘটি – এঁটেল মাটি। ৪) চর এলাকা – বেলেমাটি। ৫) ব্যাকটেরিয়া – ক্ষুদ্র জীব। >> শূন্যস্থান পূরণ কর : ১) আমরা —- উপর বসবাস করি। ২) মাটি হচ্ছে —- উপরিভাগের নরম আস্তরণ। ৩) মাটি —- ধরনের। ৪) এঁটেল মাটি সাধারণত —- রঙের হয়। ৫) বেলে মাটির কণাগুলো —- ও —- মাটির কণার চেয়ে বড়। ৬) দোআঁশ মাটি হাতে ধরলে —- এবং —- অনুভব হয়। ৭) উদ্ভিদ এবং প্রাণীর মৃতদেহ পচে —- তৈরি হয়। ৮) দোআঁশ মাটিতে বালু, —- এবং —- মিশে থাকে। ৯) —- কণার ফাঁক দিয়ে পানি তাড়াতাড়ি চলে যায়। ১০) বাংলাদেশের বেশির ভাগ এলাকা —- মাটি দিয়ে তৈরি। উত্তর : ১) মাটির, ২) পৃথিবীর, ৩) তিন, ৪) লালচে, ৫) এঁটেল, দোআঁশ, ৬) নরম, শুকনো, ৭) হিউমাস, ৮) কাদা, হিউমাস, ৯) বেলে মাটির, ১০) দোআঁশ। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. মাটি কী? উত্তর : মাটি হচ্ছে পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আস্তরণ। ২. উদ্ভিদ কোথায় জন্মায়? উত্তর : উদ্ভিদ মাটিতে জন্মায়। ৩. মাটি কয় ধরনের? উত্তর : মাটি তিন ধরনের। যথাÑ এঁটেল মাটি, দোআঁশ মাটি এবং বেলে মাটি। ৪. বেলে মাটির কণাগুলো কীরূপ? উত্তর : বেলে মাটির কণাগুলো এঁটেল ও দোআঁশ মাটির কণার চেয়ে বড়। ৫. দোআঁশ মাটিতে কী থাকে? উত্তর : দোআঁশ মাটিতে বালি, কাদা এবং হিউমাস থাকে। ৬. এঁটেল মাটিতে কোন ফসল ভালো জন্মে? উত্তর : এঁটেল মাটিতে শিম এবং কাঁঠাল ভালো জন্মে। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. শুকনো এঁটেল মাটি কীরূপ? এ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি কেন? শিম ও কাঁঠাল চাষে এ মাটির উপযোগিতা বর্ণনা কর। উত্তর : শুকনো এঁটেল মাটি মসৃণ। এঁটেল মাটির কণাগুলো সবচেয়ে ছোট এবং ঘন। এ কারণে এ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি। এঁটেল মাটিতে শিম ও কাঁঠালের ভালো ফলন হয়। এ মাটিতে উক্ত উদ্ভিদ দুটির বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় উপাদান যথেষ্ট পরিমাণ রয়েছে। তাছাড়া এ মাটিতে নানা উপাদান পানির সাথে মিশে অবস্থান করে। তাই শিম ও কাঁঠাল চাষে এ মাটি উপযোগী। ২. বাংলাদেশের বেশিরভাগ এলাকা কোন মাটি দিয়ে গঠিত? এ মাটির পানি ও অন্যান্য উপাদান ধরে রাখার কারণ বর্ণনা কর। এ মাটিতে জন্মানো পাঁচটি ফসলের নাম লেখ। উত্তর : বাংলাদেশের বেশির ভাগ এলাকা দোআঁশ মাটি দিয়ে গঠিত। দোআঁশ মাটিতে বালু, কাদা এবং হিউমাস মিশে থাকে। বালু ও কাদা থাকার কারণে এ মাটি পানি এবং মাটির অন্যান্য উপাদান ধরে রাখতে পারে কিন্তু পানি জমে থাকে না। দোআঁশ মাটিতে জন্মানো পাঁচটি ফসল হলোÑ ধান, গম, ভুট্টা,

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ মাটি Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ জীবনের জন্য পানি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ জীবনের জন্য পানি

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ জীবনের জন্য পানি পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ জীবনের জন্য পানি >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই মানুষের বেঁচে থাকার জন্য পানি আবশ্যক। পানি ছাড়া মানুষ কেন, কোনো জীবই বাঁচতে পারে না। পান করা থেকে শুরু করে গোসল করা, থালাবাসন ধোয়া, কাপড়-চোপড় ধোয়া, চাষাবাদ করাসহ সকল কাজে পানি প্রয়োজন। এসবের মধ্যে পান ও আহারের জন্য আমরা নিরাপদ পানি ব্যবহার করি বা অনিরাপদ পানি ফুটিয়ে অথবা শোধন করে ব্যবহার করি। আর অন্যান্য সাধারণ কাজে আমরা বিভিন্ন উৎসের পানি ব্যবহার করে থাকি। নিরাপদ পানির উৎসগুলো হলোÑ নলক‚প, কুয়া, বৃষ্টি ইত্যাদি। তবে নিরাপদ না হলেও প্রয়োজনীয়তার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পানির অন্যান্য উৎসগুলো হলো- পুকুর, খাল, বিল, হাওর, ডোবা, নদী ও সাগর। পৃথিবী পৃষ্ঠের চার ভাগের তিন ভাগ পানি দ্বারা ঢাকা। তবুও ব্যবহার উপযোগী পানি খুব বেশি পরিমাণে নেই। নিরাপদ পানি শেষ হয়ে গেলে আমাদের জীবন ধারণ কঠিন হয়ে পড়বে। তাই আমাদের উচিত নিরাপদ পানির উৎসের দূষণ ও অপচয় রোধ করা। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) পানি একটি — সম্পদ। ২) পানিতে ক্ষতিকর বর্জ্য মিশলে পানি — হয়। ৩) বৃষ্টি, নদী, সমুদ্র এবং পানির কল এগুলো পানির —। ৪) সমুদ্রের পানি —। উত্তর : ১) প্রাকৃতিক, ২) দূষিত, ৩) উৎস, ৪) লোনা। ২। সঠিক উত্তরটিতে (চ) টিক চিহ্ন দাও। (১) কোনটি পানি দূষণের কারণ? চ ক. পানিতে ময়লা ফেলা খ. পানিতে নৌকা চালানো গ. পানিতে মাছ ধরা ঘ. খাবার রান্না করা (২) কোন রং এর নলক‚প থেকে নিরাপদ পানি পাওয়া যায়? ক. নীল খ. হলুদ চ গ. সবুজ ঘ. লাল (৩) কোনটি নিরাপদ পানি? ক. পুকুরের পানি চ খ. ফুটানো পানি গ. নদীর পানি ঘ. সাগরের পানি ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। ১) আমরা কী কী কাজে পানি ব্যবহার করি? উত্তর : পানি আমাদের অনেক কাজে লাগে। যেমনÑ ১) আমরা পানি পান করি। ২) রান্নার কাজে পানি ব্যবহার করি। ৩) পরিচ্ছন্নতা ও ধোয়া-মোছার কাজে পানি আবশ্যক। ৪) কলকারখানায় পানি ব্যবহৃত হয়। ৫) চাষাবাদের কাজে আমরা পানি ব্যবহার করি। ২) পানি দূষণের তিনটি কারণ লেখ। উত্তর : পানি বিভিন্নভাবে দূষিত হয়। যেমনÑ ১) পানিতে ময়লা বা আবর্জনা ফেললে। ২) কলকারখানার দূষিত বর্জ্য পানিতে মিশালে। ৩) পুকুরের পানিতে গরু ছাগল ও অন্যান্য প্রাণী গোসল করালে। ৩) আমরা কীভাবে পানি দূষণ রোধ করতে পারি? উত্তর : আমাদের বেঁচে থাকার জন্য নিরাপদ পানির ব্যবহার অপরিসীম। নিরাপদ পানির জন্য এর উৎসগুলোর দূষণ রোধ করতে হয়। পানির উৎসগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণের মাধ্যমে আমরা পানি দূষণ রোধ করতে পারি। যেমন : ১) পানিতে কলকারখানার দূষিত বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে হবে। ২) পানিতে তেল ও ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে। ৩) পুকুর ও নদীতে গরু-ছাগল গোসল করানো বন্ধ করতে হবে। ৪) পানি দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে লোকজনকে সচেতন করতে হবে। এরকম ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আমরা পানির দূষণ রোধ করতে পারি। ৪) আমরা কীভাবে পানির অপচয় রোধ করতে পারি? উত্তর : পৃথিবী পৃষ্ঠের চার ভাগের তিন ভাগ পানি দ্বারা ঢাকা হলেও পানের উপযোগী নিরাপদ পানির পরিমাণ খুবই কম। তাই পানির অপচয় রোধে আমাদের সচেতন হওয়া উচিত। এজন্য আমরা কতগুলো উপায় অবলম্বন করতে পারি। যেমনÑ ১) বিনা প্রয়োজনে নলক‚পের পানি না তোলা। ২) অযথা পানির কল ছেড়ে না রাখা। ৩) ব্যবহারের পর পানির কল বন্ধ রাখা। ৪) বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা। ৪। নিচের ছকে পানির উৎসগুলোকে নিরাপদ পানি এবং অনিরাপদ পানি এ দুভাগে সাজাও। ফিল্টার করা পানি, সমুদ্রের পানি, লাল রঙের নলক‚পের পানি, সবুজ রঙের নলক‚পের পানি, ফুটানো পানি, পুকুরের পানি নিরাপদ পানি অনিরাপদ পানি উত্তর : নিচের ছকে পানির উৎসগুলোকে নিরাপদ পানি এবং অনিরাপদ পানি এ দু ভাগে সাজালামÑ নিরাপদ পানি অনিরাপদ পানি ফিল্টার করা পানি সমুদ্রের পানি সবুজ রঙের নলক‚পের পানি লাল রঙের নলক‚পের পানি ফুটানো পানি পুকুরের পানি ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ। ১) সব উৎসের পানি পান করা নিরাপদ। ২) সাগরের পানি মিষ্টি স্বাদের। ৩) মোটর চালিয়ে গভীর নলক‚পের পানি উঠানো যায়। ৪) পিপাসা পেলে আমরা পানি পান করি। ৫) উদ্ভিদের পানির প্রয়োজন নেই। উত্তর : ১) মি, ২) মি, ৩) স, ৪) স, ৫) মি। >> বাম পাশের অংশের সাথে ডান পাশের অংশের মিল কর। ক) পানির আরেক নাম তিন ভাগ পানি। খ) পৃথিবী পৃষ্ঠের চার ভাগের ছেড়ে রাখব না গ) নিরাপদ পানির জীবন। ঘ) কুয়া ও বাঁধ মানুষের তৈরি পানির উৎস ঙ) অযথা পানির কল খুব অভাব। উত্তর : ক) পানির আরেক নাম জীবন। খ) পৃথিবী পৃষ্ঠের চার ভাগের তিন ভাগ পানি। গ) নিরাপদ পানির খুব অভাব। ঘ) কুয়া ও বাঁধ মানুষের তৈরি পানির উৎস। ঙ) অযথা পানির কল ছেড়ে রাখব না। >> শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) ঝরনা, নলক‚প ও কুয়া মাটির — পানি। ২) পুকুর, ডোবা, খাল ও নদীর পানিতে ময়লা ও — মিশে থাকে। ৩) পুকুরের পানি — পান করা যায়। ৪) সাগরের পানি পান করার — নয়। ৫) গ্রামের মানুষ সাধারণত — ও — পানি পান করে থাকে। ৬) কোনো কোনো নলক‚পের পানিতে — মিশে থাকে। ৭) আর্সেনিকযুক্ত নলক‚পকে — রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। ৮) — জন্য পানি প্রয়োজন। ৯) পৃথিবীতে — সীমিত পরিমাণে রয়েছে। ১০) নিরাপদ পানি শেষ হয়ে গেলে আমাদের জীবন ধারণ — হয়ে পড়বে। উত্তর : ১) নিচের, ২) রোগজীবাণু , ৩) ফুটিয়ে, ৪) উপযোগী, ৫) নলক‚প, কুয়ার, ৬) আর্সেনিক, ৭) লাল, ৮) জীবনের, ৯) প্রাকৃতিক সম্পদ, ১০) কঠিন। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. পানির কয়েকটি প্রাকৃতিক উৎসের নাম লেখ। উত্তর : পানির প্রাকৃতিক উৎসগুলো হলো- বৃষ্টি, বিল, হাওর, প্রাকৃতিক ঝরনা, নদী, সাগর ও ভ‚গর্ভস্থ পানি। ২. পানির কৃত্রিম উৎসের নাম লেখ। উত্তর : পুকুর, খাল, কুয়া, নলক‚প ও কৃত্রিম ঝরনা। ৩. গ্রামের মানুষ সাধারণত কোন উৎসের পানি পান করে? উত্তর : গ্রামের মানুষ সাধারণত নলক‚প ও কুয়ার পানি পান করে। ৪. পানির উৎসগুলোকে কয়ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী? উত্তর : পানির উৎসগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথাÑ (ক) প্রাকৃতিক উৎস (খ) মানুষের তৈরি উৎস। ৫. স্বাদের উপর ভিত্তি করে পানির উৎসকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী? উত্তর : স্বাদের উপর ভিত্তি করে পানির উৎসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথাÑ (ক) স্বাদু পানির উৎস (খ) লোনা পানির উৎস। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. কিসের জন্য স্বাদু পানি প্রয়োজন? স্বাদু পানির উৎসগুলো

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৪ জীবনের জন্য পানি Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ বিভিন্ন ধরনের পদার্থ

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ বিভিন্ন ধরনের পদার্থ

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ বিভিন্ন ধরনের পদার্থ পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ বিভিন্ন ধরনের পদার্থ >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই আমাদের চারপাশে আমরা বিভিন্ন ধরনের বস্তু দেখতে পাই। তাদের প্রত্যেকেরই আকার, আয়তন ও ওজন আছে। কোনোটির আবার নির্দিষ্ট আয়তন নেই, কিন্তু ওজন আছে। তরল পদার্থ পাত্রভেদে ভিন্ন ভিন্ন আকার ধারণ করে। তবে প্রায় সব কঠিন বস্তুকেই আমরা একটি শ্রেণিতে ফেলতে পারি, কারণ এদেরকে যেখানেই রাখা যাক এদের আকার, আয়তন ও ওজন বদলাবে না। কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো প্রত্যেকেরই নির্দিষ্ট ওজন আছে। পানিকে তিন অবস্থাতেই রূপান্তর করা যায়। তবে পানি ছাড়া অন্যান্য কঠিন বস্তুর ক্ষেত্রেও এই রূপান্তর সম্ভব; যেমনÑ লোহা। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) বরফ হচ্ছে পানির — অবস্থা। ২) পানি — হলে বরফে পরিণত হয়। ৩) পানিকে — দিলে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। ৪) সকল জিনিস — দিয়ে তৈরি। উত্তর : ১) কঠিন, ২) অনেক বেশি ঠাণ্ডা, ৩) তাপ, ৪) পদার্থ। ২। সঠিক উত্তরটিতে (√) টিক চিহ্ন দাও। ১) কোনটি কঠিন পদার্থ? ক. পানি খ. জলীয় বাষ্প গ. ফলের রস √ঘ. আইসক্রিম ২) কোনটি তরল পদার্থ? √ক. তেল খ. জলীয় বাষ্প গ. বুদবুদ ঘ. বরফ ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। ১) পানির তিনটি অবস্থার নাম কী? উত্তর : পানি তিন অবস্থায় থাকতে পারে। পানির এই তিনটি অবস্থা হলোÑ কঠিন, তরল ও বায়বীয়। ২) পদার্থ কী ব্যাখ্যা কর। উত্তর : যার আয়তন ও ওজন আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। পদার্থ ভারী বা হালকা, গোল বা যেকোনো আকারের, নরম বা শক্ত হতে পারে। যেমনÑ চেয়ার, টেবিল, বই ইত্যাদি। ৩) কঠিন এবং তরল পদার্থের মধ্যে দুইটি পার্থক্য লেখ। উত্তর : কঠিন ও তরল পদার্থের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিচে দেওয়া হলোÑ কঠিন পদার্থ তরল পদার্থ ১. কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার আছে। ১. তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আকার নেই। ২. কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তরলে পরিণত হয়। যেমনÑ বরফকে তাপ দিলে পানি হয়। ২. তরল পদার্থকে তাপ দিলে বায়বীয় পদার্থে পরিণত হয়। যেমনÑ পানিকে তাপ দিলে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। ৪) বায়বীয় পদার্থের দুইটি বৈশিষ্ট্য লেখ। উত্তর : বায়বীয় পদার্থের দুইটি বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলোÑ ১. বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ওজন আছে। ২. বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট কোনো আয়তন নেই। ৫) পাঁচটি তরল পদার্থের নাম লেখ। উত্তর : পাঁচটি তরল পদার্থের নাম নিচে লেখা হলোÑ ক) পানি, খ) দুধ, গ) ফলের জুস, ঘ) তেল, ঙ) মধু। ৪। বামপাশের বাক্যের সাথে ডানপাশের শব্দের মিল কর। যে পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন এবং আকার থাকে তরল পদার্থ যে পদার্থ একটি বদ্ধ পাত্রের পুরো জায়গা দখল করে কঠিন পদার্থ যে পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার নেই বায়বীয় পদার্থ উত্তর : যে পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন এবং আকার থাকে কঠিন পদার্থ। যে পদার্থ একটি বদ্ধ পাত্রের পুরো জায়গা দখল করে বায়বীয় পদার্থ। যে পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার নেই তরল পদার্থ। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ। ১) পানি একটি বায়বীয় পদার্থ। ২) গ্যাসের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন আছে। ৩) অনেক বেশি তাপমাত্রায় লোহাকে তরল করা যায়। ৪) পানিতে ডুবন্ত গøাস থেকে যে বুদ্বুদ বের হয় তা আসলে বাতাস। ৫) কঠিন ও তরল বস্তুর মধ্যে একটি মিল হলো উভয়েরই নির্দিষ্ট আকার আছে। উত্তর : ১) মি, ২) মি, ৩) স, ৪) স, ৫) মি। য় বামপাশের বাক্যের সাথে ডানপাশের শব্দের মিল কর। ক) বায়বীয় পদার্থের তিন ভাগে ভাগ করা যায়। খ) পদার্থকে একটি কঠিন পদার্থ। গ) লোহাকে বেশি তাপে উত্তপ্ত করলে নির্দিষ্ট ওজন আছে। ঘ) ইট তিন অবস্থায় থাকতে পারে। ঙ) পানি তরল হয়। উত্তর : ক) বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ওজন আছে। খ) পদার্থকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। গ) লোহাকে বেশি তাপে উত্তপ্ত করলে তরল হয়। ঘ) ইট একটি কঠিন পদার্থ। ঙ) পানি তিন অবস্থায় থাকতে পারে। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. কঠিন পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ। উত্তর : কঠিন পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো- ১) এর নির্দিষ্ট আকার আছে। ২) এর নির্দিষ্ট আয়তন আছে। ৩) এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। ২. কঠিন পদার্থের সাথে তরল পদার্থের মূল পার্থক্য কোথায়? উত্তর : কঠিন পদার্থের সাথে তরল পদার্থের মূল পার্থক্য হলোÑ কঠিন পদার্থের অবশ্যই নির্দিষ্ট আকার, আয়তন ও ওজন থাকে। কিন্তু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন ও ওজন থাকলেও নির্দিষ্ট আকার নেই। ৩. তরল পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ। উত্তর : তরল পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলোÑ ১) এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। ২) এর নির্দিষ্ট আয়তন আছে। ৩) এর নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। ৪. আমরা যেসব বস্তু দেখতে পাই ও ব্যবহার করি তাদের কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করতে পারি ও কী কী? উত্তর : আমরা যেসব বস্তু দেখতে পাই ও ব্যবহার করি তাদের তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করতে পারি। যেমনÑ কঠিন, তরল ও বায়বীয়। ৫. পানির তিন অবস্থা কী কী? এদের উদাহরণ দাও। উত্তর : পানির তিনটি অবস্থা হলোÑ কঠিন, তরল ও বায়বীয়। কঠিন অবস্থায় পানি বরফ হয়, স্বাভাবিক অবস্থায় পানি তরল থাকে এবং বায়বীয় অবস্থায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়। ৬. বায়বীয় পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ। উত্তর : বায়বীয় পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলোÑ ১) এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। ২) এর নির্দিষ্ট আয়তন নেই। ৩) এর নির্দিষ্ট আকার নেই। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর ন্ধ সাধারণ ১. আইসক্রিম কোন ধরনের পদার্থ? এর বৈশিষ্ট্য লেখ। উত্তর: আইসক্রিম কঠিন পদার্থ। কিন্তু বাইরের পরিবেশের তাপ পেলে আইসক্রিম তরল হয়ে যায়। নিচে আইসক্রিমের কঠিন ও তরল অবস্থার বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলোÑ কঠিন অবস্থায় বৈশিষ্ট্য : ১) নির্দিষ্ট আকার আছে ২) নির্দিষ্ট আয়তন আছে ৩) নির্দিষ্ট ওজন আছে তরল অবস্থায় বৈশিষ্ট্য : ১) নির্দিষ্ট আয়তন আছে ২) নির্দিষ্ট ওজন আছে ৩) নির্দিষ্ট আকার নেই ২. তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটলে পানির অবস্থার পরিবর্তন ঘটে কীভাবে? উত্তর : পানি তিন অবস্থায় থাকতে পারে। যেমন-কঠিন, তরল ও বায়বীয়। তাপ দিলে তরল পানি জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। এটা পনির বায়বীয় অবস্থা। জলীয় বাষ্প ঠাণ্ডা হলে আবার পানিতে পরিণত হয়। পানিকে যদি অনেক বেশি ঠাণ্ডা করা হয় তবে তা বরফে পরিণত হয়। এটা পানির কঠিন অবস্থা। আবার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে বরফ গলে পানিতে পরিণত হয়। এভাবেই তাপমাত্রা কম-বেশি হলে পানির অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। ন্ধ যোগ্যতাভিত্তিক ৩. গরম দুধ ভর্তি গøাস থেকে তুমি ধোঁয়া উঠতে দেখলে। গরম দুধ কী ধরনের পদার্থ? ধোঁয়া উঠার কারণ লেখ। তোমার দেখা খাবার থেকে ধোঁয়া উঠার ৫টি উদাহরণ দাও। উত্তর : গরম

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ বিভিন্ন ধরনের পদার্থ Read More »

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ জীব ও জড়

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ জীব ও জড়

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ জীব ও জড় পোস্টে এই অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নউত্তর সহ অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নউত্তর ও ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের শেষে দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিচে চোখ রাখুন। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ জীব ও জড় >> অধ্যায়টির মূলভাব জেনে নিই আমাদের চারপাশে আমরা যা দেখি সেগুলো জীব ও জড় এই দুই ভাগে বিভক্ত। জীব নিজের মতো নতুন জীবের জন্ম দেয়, বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য, পানি এবং বায়ু গ্রহণ করে। জীব দুই ধরনের, যেমন- উদ্ভিদ ও প্রাণী। অন্যদিকে জড় কোনো খাদ্য গ্রহণ করে না। এরা নিজেদের মতো অন্য কোনো বস্তু তৈরিও করতে পারে না। ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর ১। শূন্যস্থান পূরণ কর। ১) জীব এবং — মিলেই আমাদের পরিবেশ। ২) জীবের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো —, — এবং —। ৩) চিংড়ি এবং কেঁচো — প্রাণী। ৪) মানুষ — এবং প্রাণীর উপর নির্ভরশীল। উত্তর : ১) জড়, ২) বৃদ্ধি, পরিবর্তন, প্রজনন ৩) অমেরুদÐী, ৪) উদ্ভিদ। ২। সঠিক উত্তরটিতে (√) টিক চিহ্ন দাও। ১) নিচের কোনটি জীব? √ ক. মরিচ গাছ খ. বাড়ি গ. রিকশা ঘ. এরোপ্লেন ২) কোনটি বৃদ্ধি পায়? ক. মোটরগাড়ি √খ. কবুতর গ. চেয়ার ঘ. পাথর ৩) নিচের কোনটি অপুষ্পক উদ্ভিদ? ক. আম √খ. ঢেঁকি শাক গ. শাপলা ঘ. ধান ৩। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। ১) জীব ও জড়ের পাঁচটি করে উদাহরণ দাও। উত্তর : জীবের পাঁচটি উদাহরণ হলো- মানুষ, গরু, মাছ, প্রজাপতি ও ফুলগাছ। জড়ের পাঁচটি উদাহরণ হলো- গাড়ি, চেয়ার, মাটি, বই ও বায়ু। ২) মেরুদÐী প্রাণীদের কী কী শ্রেণিতে ভাগ করা যায়? উত্তর : মেরুদÐী প্রাণীদের ৫টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা- মাছ — ইলিশ উভচর — ব্যাঙ সরীসৃপ — সাপ পাখি — মুরগি স্তন্যপায়ী — গরু ৩) আকার ও কাÐ অনুযায়ী উদ্ভিদকে কীভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা যায় লেখ। উত্তর : আকার ও কাÐ অনুযায়ী উদ্ভিদকে বৃক্ষ, গুল্ম ও বিরুৎ- এই তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যে উদ্ভিদ আকারে বড়, কাÐ মোটা, দীর্ঘ ও শক্ত, কাÐ থেকে শাখা-প্রশাখা এবং পাতা হয়, এগুলোকে বৃক্ষ বলা হয়। এদের শেকড় মাটির বেশ গভীরে যায়। যেমন- আমগাছ, কাঁঠালগাছ, বেলগাছ ইত্যাদি। যে সকল উদ্ভিদের কাÐ শক্ত কিন্তু বৃক্ষের মতো দীর্ঘ ও মোটা নয়, কাÐের গোড়ার কাছ থেকে শাখা-প্রশাখা বের হয় সেগুলো গুল্ম শ্রেণির। এদের শেকড় মাটির বেশি গভীরে যায় না। যেমন- গোলাপ, রঙ্গন, জবা। বিরুৎ উদ্ভিদ গুল্ম উদ্ভিদের চেয়ে আকারে ছোট, কাÐ নরম। এদের শেকড় মাটির গভীরে যায় না। ধান, সরিষা, মরিচ, লাউ, কুমড়া, পুঁই শাক এ শ্রেণির উদ্ভিদ। ৪) মানুষ কীভাবে উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল? উত্তর : বেঁচে থাকার জন্য মানুষের খাবার খেতে হয়। এই খাবারের অধিকাংশ আসে উদ্ভিদ থেকে। মানুষের পোশাকের কাপড় তৈরি হয় উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ থেকে। আবার ঘরবাড়ি নির্মাণে এবং আসবাবপত্র তৈরিতে যে কাঠ ব্যবহার করা হয় তাও আসে এই উদ্ভিদ থেকে। এভাবেই মানুষ উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল। ৫) উদ্ভিদ এবং প্রাণীর তিনটি পার্থক্য লেখ। উত্তর : উদ্ভিদ ও প্রাণীর তিনটি পার্থক্য হলো- উদ্ভিদ প্রাণী ১. উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে। ১. প্রাণীরা নিজেদের খাদ্য তৈরি করতে পারে না। ২. প্রাণীর মতো উদ্ভিদ খাবার খায় না। ২. প্রাণী খাদ্য হিসেবে উদ্ভিদ অথবা অন্য প্রাণী খেয়ে থাকে। ৩. এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলাচল করতে পারে না। ৩. অধিকাংশ প্রাণী নিজের ইচ্ছেমতো চলাচল করতে পারে। ৪। নিচের ছকে উল্লেখ করা প্রাণীদের বৈশিষ্ট্যগুলো ছকে লেখ। নাম কোথায় বাস করে দেহ কী দিয়ে ঢাকা থাকে কীভাবে চলাচল করে গরু দোয়েল রুই টিকটিকি কচ্ছপ উত্তর : ছকে উল্লেখ করা প্রাণীদের বৈশিষ্ট্যগুলো দেওয়া হলো : নাম কোথায় বাস করে দেহ কী দিয়ে ঢাকা থাকে কীভাবে চলাচল করে গরু স্থলে চামড়া পায়ের সাহায্যে দোয়েল স্থলে পালক পায়ের সাহায্যে রুই জলে আঁইশ পাখনার সাহায্যে টিকটিকি স্থলে আঁইশ পায়ের সাহায্যে কচ্ছপ জলে, স্থলে শক্ত খোলস পায়ের সাহায্যে   ৩য় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর >> সত্য হলে ‘স’ এবং মিথ্যা হলে ‘মি’ লেখ : ১) বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে আমরা পড়াশোনা করি। ২) পানি, মাটি হলো উদ্ভিদ। ৩) জীবের শরীরের বৃদ্ধি ও পরিবর্তন ঘটে। ৪) প্রাণী শুনতে পায় না, গন্ধ নিতে পারে না। ৫) মানুষ উদ্ভিদ থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে। ৬) গুল্ম শ্রেণির উদ্ভিদের শেকড় মাটির গভীরে যায় না। ৭) ব্যাঙ পানিতে ডিম পাড়ে। ৮) স্তন্যপায়ী প্রাণীদের দেহ শুষ্ক ও আঁইশযুক্ত। ৯) বাঘের খাদ্য হরিণ, খরগোশ। ১০) ঘরবাড়ি নির্মাণে পশুর চামড়া ব্যবহৃত হয়। উত্তর : ১) স, ২) মি, ৩) স, ৪) মি, ৫) স, ৬) স, ৭) স, ৮) মি, ৯) স, ১০) মি। >> বামপাশের অংশের সাথে ডানপাশের অংশের মিল কর : ক) জীব চেয়ার, টেবিল, বেঞ্চ খ) জড় দেখতে পায় না। গ) উদ্ভিদ গাছপালা, পশুপাখি। ঘ) অমেরুদÐী প্রাণী দেহ পশম ও লোম দিয়ে ঢাকা। ঙ) স্তন্যপায়ী প্রাণী কেঁচো, চিংড়ি, প্রজাপতি। চ) ব্যাঙ ফুল হয় না। ছ) অপুষ্পক উদ্ভিদ উভচর প্রাণী। উত্তর : ক) জীব – গাছপালা, পশুপাখি। খ) জড় – চেয়ার, টেবিল, বেঞ্চ। গ) উদ্ভিদ – দেখতে পায় না। ঘ) অমরুদÐী প্রাণী – কেঁচো, চিংড়ি, প্রজাপতি। ঙ) স্তন্যপায়ী প্রাণী – দেহ পশম ও লোম দিয়ে ঢাকা। চ) ব্যাঙ – উভচর প্রাণী। ছ) অপুষ্পক উদ্ভিদ – ফুল হয় না। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ১. জড় কাকে বলে? উত্তর : যাদের জীবন নেই সেসব বস্তুকে জড় বলা হয়। ২. জীব কাকে বলে? উত্তর : যাদের জীবন আছে তাদের জীব বলা হয়। ৩. বেঁচে থাকার জন্য জীবের কী কী প্রয়োজন? উত্তর : বেঁচে থাকার জন্য জীবের খাদ্য, পানি, বায়ু ও সূর্যের আলো প্রয়োজন। ৪. বিরুৎ কাকে বলে? উত্তর : যে সকল গাছের কাÐ বেশ নরম, আকারে ছোট এবং শেকড় মাটির গভীরে যায় না, সেগুলোকে বিরুৎ বলা হয়। যেমন- মরিচ গাছ। ৫. ফুলের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে ও কী কী? উত্তর : ফুলের ওপর ভিত্তি করে উদ্ভিদকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন- সপুষ্পক উদ্ভিদ ও অপুষ্পক উদ্ভিদ। ৬. জীব কয় ধরনের ও কী কী? উত্তর : জীব দুই ধরনের। যথা- উদ্ভিদ ও প্রাণী। ৭. প্রাণী খাদ্য হিসেবে কী খেয়ে থাকে? উত্তর : প্রাণী খাদ্য হিসেবে উদ্ভিদ এবং অন্য প্রাণী খেয়ে থাকে। ৮. মানুষ উদ্ভিদ থেকে কী সংগ্রহ করে? উত্তর : মানুষ উদ্ভিদ থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে। ৯. সপুষ্পক উদ্ভিদ কাকে বলে? উত্তর : যে সকল উদ্ভিদে ফুল হয় সেগুলোকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। যেমন- গোলাপ, জবা, শাপলা ইত্যাদি। ১০. অপুষ্পক উদ্ভিদ কাকে বলে? উত্তর : যে সকল উদ্ভিদে ফুল হয় না সেগুলোকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। যেমন- মস, ঢেঁকি শাক ইত্যাদি। ১১. অমেরুদÐী প্রাণী কাকে বলে? উত্তর : যে প্রাণীর মেরুদÐ নেই তাকে অমেরুদÐী প্রাণী

তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ২ জীব ও জড় Read More »

Scroll to Top